Tag: Delhi HC

Delhi HC

  • Rahul Gandhi Citizenship Row: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    Rahul Gandhi Citizenship Row: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক (Rahul Gandhi Citizenship Row)! আজ্ঞে হ্যাঁ। এমনই দাবি করেছেন কর্নাটকের বাসিন্দা এস ভিগনেশ শিশির। তাঁর দাবি, রাহুলের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। এলাহাবাদ হাইকোর্টে তিনি রাহুলের নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে পিটিশনও দাখিল করেছেন। এই পিটিশনের ভিত্তিতেই আদালতের (Delhi HC) তরফে সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সিবিআই তদন্ত শুরু (Rahul Gandhi Citizenship Row)

    এদিকে, রাহুলের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে দিল্লি হাইকোর্টকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) থেকে উদ্ভূত। প্রধান বিচারপতি মনমোহন ও বিচারপতি তুষার রাও গেদেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, তারা পরস্পরবিরোধী নির্দেশ দেওয়া এড়াতে চান। একই বিষয়ে দুটি সমান্তরাল আবেদন থাকা উচিত নয় বলেও মনে করেন তাঁরা। বেঞ্চ শিশিরকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে তাঁর জনস্বার্থ মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে একটি হলফনামা দাখিল করার অনুমতি দিয়েছে।

    ভারতীয় নাগরিকত্ব বাতিলের দাবি

    দিল্লি হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাটি বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর একটি আবেদন সংক্রান্ত। এই আবেদনে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে তাঁর প্রতিনিধিত্বের জবাব দিতে অনুরোধ করেছেন। রাহুল গান্ধীর ভারতীয় নাগরিকত্ব (Rahul Gandhi Citizenship Row) বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে। স্বামী তাঁর অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টও চেয়েছেন। প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দাবি, এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাটি তাঁর আবেদনের থেকে আলাদা। কারণ বিষয়বস্তু ভিন্ন। যদিও শিশির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, “স্বামীর আবেদনটি ডুপ্লিকেটিভ এবং প্যারালাল প্রোসিডিংস।” শিশির বলেন, “আমি এলাহাবাদ হাইকোর্ট মামলার আবেদনকারী। মামলার শুনানি হয়েছে ২৪ অক্টোবর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আমার রিপ্রেজেন্টেশনের বিষয়ে নির্দেশ পেয়েছে। আমি সিবিআইয়ের সামনে হাজির হয়ে গোপনীয় প্রমাণ জমা দিয়েছি। আমি দিল্লি হাইকোর্টেও আমার আপত্তিগুলি জানিয়েছি।”

    আবেদনকারীর দাবি, একই সঙ্গে দুই দেশের নাগরিকত্ব রাখতে পারেন না রাহুল। তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে (Delhi HC), ব্রিটেনের নাগরিকত্বের রেকর্ডে রাহুলের নাম রয়েছে। ব্রিটিশ সরকারও তা নিশ্চিত করেছে। যাবতীয় তথ্য এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে (Rahul Gandhi Citizenship Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের পরেই তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) দিল্লির সরকারি বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়। লোকসভা সচিবালয়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দায়ের করেছিলেন মামলা। কিন্তু বৃহস্পতিবার মহুয়ার আবেদন শুনেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, এ বিষয়ে আবেদন করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে। আদালত কিছু করতে পারবে না। এর পরে মহুয়ার আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

    কী বলল আদালত

    টাকার বিনিময়ে সংসদে আদানিদের নিয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদপদ খারিজ হয়। তার পর ৭ জানুয়ারির মধ্যে মহুয়াকে ৯বি টেলিগ্রাফ লেনের সরকারি বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটস। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। জানান, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বাংলো খালি করা সম্ভব নয়। নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানান। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদের এজলাসে দায়ের হয়েছিল সেই মামলা।  সরকার পক্ষের আইনজীবী মহুয়ার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট সাংসদ পদ খারিজের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তাহলে কোন যুক্তিতে সরকারি বাংলোয় থাকতে চাইছেন মহুয়া?” এর পরই আদালত জানিয়ে দেয়, বাংলো ছাড়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেবে না তারা। মহুয়া চাইলে সরাসরি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটসের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। সরকারকেও আইন মেনেই বাংলো খালি করতে হবে বলেও মন্তব্য করে আদালত।

    আরও পড়ুন: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদ করে মহুয়া (Mahua Moitra) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বুধবারই শুনানি হয়। আদালত বুধবার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিস দিয়েছে। দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সচিবালয়কে। এর মধ্যে মহুয়াকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে হবে তাদের। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১১ মার্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Batla House Encounter: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    Batla House Encounter: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাটলা হাউস এনকাউন্টারের (Batla House Encounter) ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ দিল্লি হাইকোর্টে। ফাঁসির বদলে আমৃত্যু কারাবাসের নির্দেশ আদালতের। বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও অমিত শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ আরিজের মৃত্যুদণ্ড রদ করে দেয়। তার বদলে দেওয়া হয় আমৃত্যু কারাবাসের সাজা।

    কলেজের পড়া শেষে জঙ্গি সংগঠনে

    আরিজ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন মুজাহিদিনের সদস্য। মুজফফরনগরের বাসিন্দা আরিজ এক সময় ইঞ্জিনিয়ার ছিল। কলেজের পাঠ চুকিয়ে সে যোগ দেয় জঙ্গি সংগঠনে। বিস্ফোরক তৈরিতে তার অনায়াস দক্ষতার কারণে সংগঠনে তার গুরুত্বও ছিল বেশি। দক্ষিণ দিল্লির জামিনা নগরে বাটলা হাউসে ডেরা বেঁধেছিল আরিজরা। নেপাল সহ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতেও তার একাধিক ডেরা রয়েছে।

    বাটলা হাউসে এনকাউন্টার

    সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে সেখানে হামলা চালায় পুলিশ। সেটা ছিল ২০০৮ সাল। দু’ পক্ষের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের ইনসপেক্টর মোহন চাঁদ শর্মার। পুলিশের পাল্টা গুলিতে (Batla House Encounter) জখম হয় আরিজ ও তার কয়েকজন সাগরেদ। যদিও পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ফেরার হয়ে যায় আরিজ। ১০ বছর বাদে ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে। নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। সেটাই খারিজ হয়ে গেল দিল্লি হাইকোর্টে। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে দিল্লি ছাড়াও জয়পুর, আমেদাবাদে একাধিক বিস্ফোরণের নেপথ্যে হাত ছিল আরিজের।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    ২০২১ সালের মার্চ মাসে দিল্লির নিম্ন আদালত মোহনচাঁদ শর্মাকে খুন সহ একাধিক অপরাধে ফাঁসির সাজা শোনায় আরিজকে। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল আরিজ। তার আইনজীবীর দাবি ছিল, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে তাঁর মক্কেলকে। এই ঘটনায় আর এক অভিযুক্ত ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সদস্য শাহজাদ আহমেদকে ২০১৩ সালের জুলাই মাসেই যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি দিয়েছিল নিম্ন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন (Batla House Encounter) করেছিল শাহজাদ। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: নির্যাতিতা নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ! রাহুলের বিরুদ্ধে আদালতে এনসিপিসিআর

    Rahul Gandhi: নির্যাতিতা নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ! রাহুলের বিরুদ্ধে আদালতে এনসিপিসিআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেই মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই ফের নয়া অভিযোগ রাহুলের বিরুদ্ধে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্যাতিতা এক নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করেছেন রাহুল। ২০২১ সালের ওই ঘটনা সম্পর্কে জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন (NCPCR) বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেছে রাহুলের বিরুদ্ধে। প্রধান বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি সঞ্জীব নারুলার বেঞ্চে জমা দেওয়া হলফনামায় কমিশন জানিয়েছে, ওই দলিত নাবালিকাকে ধর্ষণের পরে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নিজের একটি ছবি প্রকাশ করায় রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর করা উচিত। কমিশনের অভিযোগ, নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করে পকসো আইন ভেঙেছেন রাহুল।

    এফআইআর দায়েরের সুপারিশ

    ২০২১ সালে ওই ঘটনার পরেই ট্যুইটারকে চিঠি দিয়েছিল জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। ফেসবুককেও এই মর্মে চিঠি দিয়েছিল তারা। চিঠি পেয়েই রাহুলের (Rahul Gandhi) অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয় ট্যুইটার। কমিশন জানিয়েছিল, রাহুলের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের মাধ্যমে সামনে আসছে নির্যাতিতার পরিচয়। এবার কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের সুপারিশ করল কমিশন।

    রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির ওল্ড নাঙ্গল গ্রাম বছর নয়েকের এক দলিত নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক হইচই হয়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ ছিল, এক পুরোহিত ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করেন। এর পর নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল। মৃতের পরিচয় এবং তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি রাহুল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই পদক্ষেপ করল কমিশন।

    আরও পড়ুুন: “মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির চক্র চলছে…ফাঁসি হওয়া উচিত ”, বিস্ফোরক রাজ্যপাল

    এর আগে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে নির্যাতিতার পরিচয় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা নিয়ে রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লি হাইকোর্টে। ওই মামলায় ছবিটি পোস্ট করা নিয়ে ট্যুইটারকে নোটিশ দিয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিএন প্যাটেল। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi HC on Muslim Minor Girl Marriage: বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত মুসলিম নাবালিকা করতে পারে বিয়ে! জানুন কী বলল দিল্লি হাইকোর্ট

    Delhi HC on Muslim Minor Girl Marriage: বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত মুসলিম নাবালিকা করতে পারে বিয়ে! জানুন কী বলল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম আইন (Sharia Law) অনুযায়ী বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত নাবালিকার বাবা-মায়ের সম্মতি ছাড়াই স্বামীর সঙ্গে বসবাস করার অধিকার রয়েছে। এমনকি যদি ওই নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হয়, তাও একই নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। এমনই অভিমত, দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Highcourt)। পরিবারের কাছ থেকে সুরক্ষা চেয়ে সম্প্রতি এক কিশোরী আদালতে আবেদন দাখিল করে। ওই পিটিশনে সে জানায়, মুসলিম আইন অনুসারে সে বিয়ে করেছিল। সেই বিয়েতে বাবা-মায়ের সম্মতি ছিল না। তাদের বাবা-মা এখন তাদের একসঙ্গে থাকতে দিতে চাইছেন না। ওই দম্পতি আদালতের কাছে আবেদন করেছে, তাদের যেন কেউ আলাদা না করে। 

    বিষয়টি বিবেচনা করে বিচারপতি জসমিত সিংয়ের বেঞ্চ কিশোরীর আবেদন স্বীকার করে নেয়। ওই দম্পতি ২০২২ এর মার্চ মাসে মুসলিম রীতি অনুযায়ী বিয়ে করেছিল। তারা আদালতে আবেদন করেছিল, কেউ যাতে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ না ঘটায়। মেয়েটির অভিযোগ অনুযায়ী, তার বাবা-মা তাদের বিয়ের বিরোধিতা করেন। এমনকি তার স্বামীর বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৬৩ ধারার অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তার স্বামীর ওপর ধর্ষণের দোষ এবং পকসো ধারা যুক্ত করা হয়। 

    আরও পড়ুন: নিয়ম-রীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহারের মন্দিরে অহিন্দু মন্ত্রী! ক্ষুব্ধ বিজেপি, কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ

    ওই কিশোরীর অভিযোগ, তার বাবা-মা তাকে নিয়মিত মারধর করতেন। যার কারণে সে নিজের ইচ্ছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিল। মেয়েটির বয়স এখন ১৫ বছর। সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানায়, যদি আবেদনকারী নিজের ইচ্ছেতে বিয়ে করে এবং খুশি হয় তাহলে রাষ্ট্র তার ব্যক্তিগত জায়গায় প্রবেশ করে দম্পতিকে আলাদা করার কেউ নয়। আদালতে রায় অনুযায়ী, মেয়েটির পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে তার স্বামীর সঙ্গে বসবাস করার। বাবা-মায়ের অভিযোগের যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে আদালত জানিয়ে দেয় যে, যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য পকসো আইন প্রয়োগ করা হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য হল, শিশুদের শোষণের বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করা। কিন্তু এক্ষেত্রে তা কার্যকর হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Marital Rape: ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দিল্লি হাইকোর্ট, মামলা যেতে পারে শীর্ষ আদালতে

    Marital Rape: ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দিল্লি হাইকোর্ট, মামলা যেতে পারে শীর্ষ আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈবাহিক ধর্ষণ (Marital Rape) কি অপরাধ? নির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারল না দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। একের পর এক মামলা উঠেছে আদালতে। তবু সুরাহা হয়নি। এবার দিল্লি হাইকোর্টও নির্দিষ্ট কোনও রায় দিতে পারল না। দ্বিধাবিভক্ত রায় দিল আদালত। এই বিষয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি রাজীব শকধের ও সি হরিশংকর আলাদা মত দিলেন। তবে আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছেন দুই বিচারপতি। 

    ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌–ও অপরাধ। তাকে অপরাধের তকম দেওয়া হোক। এই দাবি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে একের পর এক পিটিশন জমা পড়েছিল। ২০১৫ সালে ধর্ষণ আইনের একটি ব্যতিক্রমী ধারাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রথম পিটিশনটি জমা পড়েছিল। ওই ধারায় প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রীকে যৌন সংসর্গে বাধ্য করার বিষয়টিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি হলে তাঁকে যৌন সংসর্গে বাধ্য করতে পারেন স্বামী। এই ধারার বিরুদ্ধেই জমা পড়েছিল পিটিশন।

    সেই মামলার শুনানিতেই ভিন্ন মত পোষণ করলেন বিচারপতি রাজীব শাকধের এবং বিচারপতি হরি শঙ্কর। বিচারপতি শাকধেরের মতে এই ব্যতিক্রম আসলে সংবিধানের ১৪, ১৯, ২১ ধারার (‌সাম্যের অধিকার, বাক এবং ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা, জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা)‌‌ বিরোধিতা করে। শাকধের স্পষ্টই জানান, এই বিষয়ে তিনি সহ-বিচারপতি হরি শঙ্করের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। অন্য বিচারপতি সি হরিশংকর (C Harishanker) জানালেন, ধর্ষণ আইনের ব্যতিক্রমী ধারাটি সংবিধানের পরিপন্থী নয় কোনওভাবেই। কারণ, স্বামী-স্ত্রীর মতপার্থক্যের কারণেই একমাত্র এই ধরনের অভিযোগ উঠে থাকে। যাকে কখনওই সেই অর্থে অপরাধ বলে গণ্য করা ঠিক নয়। 

    বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে ধর্ষণের প্রসঙ্গ টানা যায় কিনা তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে দেশে। অনেকের মতে বিষয়টি পশ্চিমি সংস্কৃতি থেকে আমদানি করা হয়েছে। এই বিষয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট কেন্দ্রের অবস্থান জানাতে চেয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রকে দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে বলেছিল, তার মধ্যে ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌ নিয়ে তাদের মত জানাতে। যদিও কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত তাদের মত দেয়নি। এ প্রসঙ্গে আদালত জানায়, ‘‌যদি কেন্দ্র মনে করে অনির্দিষ্টকাল আদালত এই শুনানি স্থগিত রাখবে, তাহলে তা হবে না।’‌ জবাবে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, এই বিষয়ে সব রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। নয়তো নাগরিকদের সামাজিক জীবন ব্যাহত হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এপ্রসঙ্গে হলফনামা দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ‘‌বৈবাহিক ধর্ষণ’‌–কে তারা অপরাধ বলতে রাজি নয়। এতে বিপাকে পড়তে পারে ‘‌বিবাহ প্রতিষ্ঠান’‌। এই আইন আনা হলে অনেক স্ত্রীই তাকে অস্ত্র করে স্বামীকে হেনস্থা করতে পারে।  

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত একটি মামলায় বৈবাহিক ধর্ষণ প্রসঙ্গ ওঠে কেরল হাইকোর্টে। ওই মামলায় আদালত জানায়, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলায় বৈবাহিক ধর্ষণ যথেষ্ট যুক্তিগ্রাহ্য কারণ। কেরল হাইকোর্টের বিচারপতিরা জানান, ভারতে বৈবাহিক ধর্ষণ দণ্ডণীয় অপরাধ নয় বটে তবে শরীর হোক বা আত্মপরিচয়, স্ত্রীর কোনও কিছুর উপরই কর্তৃত্ব চালাতে পারেন না একজন স্বামী। আদালত আরও বলে, স্ত্রীর শরীরকে স্বামী যদি সম্পত্তি ভাবেন এবং জোর করে সঙ্গমে লিপ্ত হন, তাহলে সেটি বৈবাহিক ধর্ষণই।

     

LinkedIn
Share