Tag: Delhi High Court

Delhi High Court

  • Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের পরেই তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) দিল্লির সরকারি বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়। লোকসভা সচিবালয়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দায়ের করেছিলেন মামলা। কিন্তু বৃহস্পতিবার মহুয়ার আবেদন শুনেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, এ বিষয়ে আবেদন করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে। আদালত কিছু করতে পারবে না। এর পরে মহুয়ার আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

    কী বলল আদালত

    টাকার বিনিময়ে সংসদে আদানিদের নিয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদপদ খারিজ হয়। তার পর ৭ জানুয়ারির মধ্যে মহুয়াকে ৯বি টেলিগ্রাফ লেনের সরকারি বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটস। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। জানান, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বাংলো খালি করা সম্ভব নয়। নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানান। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদের এজলাসে দায়ের হয়েছিল সেই মামলা।  সরকার পক্ষের আইনজীবী মহুয়ার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট সাংসদ পদ খারিজের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তাহলে কোন যুক্তিতে সরকারি বাংলোয় থাকতে চাইছেন মহুয়া?” এর পরই আদালত জানিয়ে দেয়, বাংলো ছাড়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেবে না তারা। মহুয়া চাইলে সরাসরি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটসের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। সরকারকেও আইন মেনেই বাংলো খালি করতে হবে বলেও মন্তব্য করে আদালত।

    আরও পড়ুন: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদ করে মহুয়া (Mahua Moitra) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বুধবারই শুনানি হয়। আদালত বুধবার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিস দিয়েছে। দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সচিবালয়কে। এর মধ্যে মহুয়াকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে হবে তাদের। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১১ মার্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ পদ খুইয়েছেন। তাই ছাড়তে হবে দিল্লির সরকারি বাংলো। এই মর্মে কেন্দ্রের তরফে নোটিশও পান তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূল নেত্রী।

    মহুয়ার আবেদন

    রিট পিটিশন দাখিল করে মহুয়ার আবেদন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা পর্যন্ত যাতে তিনি ওই বাংলোয় থাকতে পারেন, সেই নির্দেশ দিক আদালত। মঙ্গলবার এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেই এই নির্দেশ বলে জানান বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ। বিচারপতি প্রসাদের পর্যবেক্ষণ, “মহুয়া (Mahua Moitra) লোকসভা থেকে তাঁর বহিষ্কারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি এখনও হয়নি। তাই এখন সরকারি বাংলো নিয়ে হাইকোর্ট যদি কোনও নির্দেশ দেয়, তবে বাধাপ্রাপ্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপ্রক্রিয়া। তাই আপাতত ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদের উদ্দেশে বিচারপতি প্রসাদের মন্তব্য, “আপনি একটি রিট পিটিশন দায়ের করে সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আবার অন্য মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদি শীর্ষ আদালত সেই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়, তাহলে এই বিষয়টির শুনানি হতে পারে।” প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে মহুয়ার মামলার শুনানি। এই মামলার শুনানি হতে পারে ৩ জানুয়ারি। ওই দিন পর্যন্ত মহুয়ার বাংলো মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। তাই ৪ জানুয়ারি মামলাটি শুনবেন বিচারপতি প্রসাদ। এই সময়ের মধ্যে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতেও অস্বীকার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’ কল্যাণের, ‘মুর্খো কা সর্দারে’র আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে অভিযুক্ত হন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, নগদ টাকা ও দামি দামি উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন তিনি। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে মহুয়াকে (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির বৈঠক ছেড়ে মাঝপথে বেরিয়ে যান মহুয়া। তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে এথিক্স কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবিধ কারণেই বৈবাহিক জীবনে অশান্তি নেমে আসে। অনেক সময় তা গড়িয়ে যায় বিচ্ছেদ পর্যন্ত। এরপরই চলে আসে ভরণ-পোষণের দায়িত্ব। মহিসারা খরপোশের দাবি জানায়। এবার সেই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ করল দিল্লি হাইকোর্ট। আয় করতে পারেন। তাঁর সেই যোগ্যতা আছে অথচ কোনও চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন স্ত্রীরা বিচ্ছেদের পর স্বামীর কাছে খোরপোশ দাবি করতে পারেন না, বলে জানাল আদালত।

    কোন প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ

    একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট বলে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনও স্বামী বা স্ত্রীর আর্থিক বিষয়ে সঙ্গীর বোঝা হওয়া উচিত নয়। কিছুদিন আগে, দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক যুবক। তিনি জানান, পরিবার আদালতে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, মামলার নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত স্বামীকে খোরপোশ দিতে হবে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান যুবক। তাঁর যুক্তি, তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিতা। তিনি আগে চাকরি করতেন। কিন্তু এখন কোনও কাজ করেন না। ইচ্ছে করলে তিনি নিজেই আয় করতে পারেন। তা ছাড়া যে পরিমাণ অর্থ খোরপোশ হিসাবে তাঁকে দিতে বলা হচ্ছে, সেটা তাঁর পক্ষে যথেষ্ট বেশি।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    কী বলল আদালত

    মামলাকারীর আইনজীবী জানান, মাসিক ৩০ হাজার টাকা করে তাঁর মক্কেলকে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিত এবং একটি হাসপাতালের রিসেপশনে কাজ করতেন। বেতন পেতেন ২৫ হাজার টাকার আশপাশে। অন্য দিকে, তাঁর মক্কেলের মাসিক বেতন ৫৬,৪৯২ টাকা। তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন। বোনেরা রয়েছেন। তাঁদের সবার দায়িত্ব নিতে হয়। তা ছাড়া, একটি ঋণ রয়েছে। মাসে মাসে তার সুদ গুনতে হয়। অন্য দিকে, মহিলার পক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেল সমাজকর্মী হিসাবে কাজ করেন। কিছু দিন যে হাসপাতালে কাজ করতেন, সেখান থেকে কোনও পারিশ্রমিক তিনি নেননি। এর পর হাইকোর্ট বলে, ‘‘স্বামী বা স্ত্রী উপার্জনে সক্ষম। কিন্তু তিনি চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন সঙ্গীর কাছে খোরপোশ চাইছেন, এটা সমীচীন নয়।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Delhi High Court: পার্কের একাংশ দখল করে রেখেছে জামা মসজিদ! অসন্তোষ প্রকাশ হাইকোর্টের

    Delhi High Court: পার্কের একাংশ দখল করে রেখেছে জামা মসজিদ! অসন্তোষ প্রকাশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামা মসজিদের সামনে রয়েছে একটি পার্ক। সেই পার্কটির একটা বড় অংশ দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুরসভা পার্কটির দখল না নেওয়ায় শুক্রবার অসন্তোষ প্রকাশ করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। আইন মোতাবেক জামা মসজিদের বেআইনি দখলদারি হঠাতে পুরসভাকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এদিন মামলাটির শুনানি হয় দিল্লি আদালতের কার্যকরী প্রধান বিচারপতি মনমোহন এবং বিচারপতি মিনি পুস্কর্মার ডিভিশন বেঞ্চে।

    আদালতের নির্দেশ

    উত্তর ও দক্ষিণ পার্ক দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই পার্কেরই দখলদারি হটানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালত জানিয়েছে, দিল্লি পুরসভাকে অবিলম্বে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। পাবলিক পার্কের রাশ হারাতে পারে না পুরসভা। এক সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে স্টেটাস রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত (Delhi High Court)। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ডিসেম্বরের ২১ তারিখে। দিন কয়েক আগে পুরসভা নির্দেশিকা জারি করে জানায়, জামা মসজিদের শাহিন গেটে, নর্থ পার্কে আমরা কাউকে প্রবেশ করতে দেব না।

    আদালতের প্রশ্ন

    এদিন সে ব্যাপারেও, পুরসভার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। পুরসভা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছিলেন, মসজিদের ওজুখানার কাছেও পার্কে প্রবেশ করা যাবে না। সাউথ পার্কে যেসব বেআইনি নির্মাণ হয়েছে, সেগুলি আমরা ভেঙে দেব। পার্কের বাকি অংশ আমরা রক্ষণাবেক্ষণ করছি। বেঞ্চের প্রশ্ন, “আপনারা কীভাবে পার্কের দখলদারি হারালেন? আপনারা কীভাবে পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেন? দিল্লি পুরসভা কীভাবে পার্কের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে? একবিংশ শতাব্দীতে পাবলিক পার্কের দখল নেওয়া যায় না। আমরা পুলিশকে পার্কের দখল নেওয়ার নির্দেশ দেব। পার্কের পরিবেশ রক্ষার বিষয়েও আমরা জানতে চাই। আমরা শ্বাস নিতে পারছি না। আর আপনারা পার্ক দখলদার মুক্ত করতে পারছেন না! হয় পার্কটি আপনাদের এবং আপনারাই এর মালিক হবেন। তাই আপনারা এর অধিকার হারাতে পারেন না। পাবলিক পার্কের অধিকার নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।”

    আরও পড়ুুন: ‘লোকসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার নামে গিমিক করছেন’, তোপ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, পার্কের একটা বড় অংশ দখল করে অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। ই-রিক্সা চার্জিং পয়েন্টও করা হয়েছে। এসবই হয়েছে জামা মসজিদ এলাকায় থাকা এই পার্কে। এনিয়ে আদালতের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হন স্থানীয় এক বাসিন্দা।

     

  • Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। ইডির তরফে কয়লা পাচার মামলাতে গত দু বছরে ১২ বার তলব করা হয়েছে রাজ্যের আইনমন্ত্রী। কিন্তু মাত্র একবার তিনি হাজির হয়েছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনমন্ত্রী (Moloy Ghatak) উচ্চ আদালতে আর্জি জানান যে ভবিষ্যতে তাঁকে যেন ইডি তলব না করে! এ নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা জানান, মলয়ের এমন আবেদনে সাড়া দেওয়া হবে না। কোনও রক্ষাকবচও আইনমন্ত্রীকে দেওয়া হবে না।

    ইডির কাজে কোনওভাবে বাধা সৃষ্টি করা যাবেনা

    প্রসঙ্গত এর আগেই দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) থেকে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মলয় এবং এর পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল যে দিল্লিতে নয় কলকাতার অফিসে তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট এই মর্মে জানায় যে কলকাতা অফিসে ডেকে আইনমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি। তলব না দেওয়ার কারণ হিসেবে নিজের ব্যস্ততার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ যে তদন্তকারী সংস্থাকে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হবে রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে। শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট যে পর্যবেক্ষণ দেয় তাতে দেখা গেল যে আগের সমস্ত নির্দেশই বহাল রেখেছে আদালত। এর পাশাপাশি স্পষ্টভাবে দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) জানিয়ে দিয়েছে, ইডি অফিসারদের কাজে কোনও ভাবেই যেন বাধা না দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ক্ষতি হবে এমন কিছু যেন না করা হয়। প্রসঙ্গত, মলয় ঘটকের আসানসোলের বাড়ি এবং কলকাতার আবাসনেও এর আগে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

    ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মলয়কে প্রথম তলব করে ইডি

    ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কয়লা পাচার মামলায় প্রথম তলব করা হয় রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সেই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সামনে তিনি হাজির হননি। পরপর একাধিক সমান আসতে থাকে মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak) নামে। মন্ত্রী অবশ্য দাবি করেন, দিল্লির অফিসে হাজিরা দিলে তাঁকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতে পারে। হুমকি দিতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইডি তলব যেন না করে তাঁকে সেই আর্জি জানিয়েছিলেন মলয়। তবে তাঁর আবেদনে কোনও সাড়া  এদিন দিল না দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Taj Mahal: তাজমহল কি শাহজাহান নির্মাণ করেননি? এএসআইকে তথ্য সন্ধানের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Taj Mahal: তাজমহল কি শাহজাহান নির্মাণ করেননি? এএসআইকে তথ্য সন্ধানের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাজমহল (Taj Mahal) নির্মাণ করেননি। সেই সঙ্গে ইতিহাস বইতে থাকা এই ভুলকে সংশোধনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল দিল্লি হাইকোর্টে। আর তাই শুক্রবারের শুনানিতে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই) বা ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে পর্যবেক্ষণ করতে নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। এই ঘটনায় রীতিমতো তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    মামলায় আবেদনকারীর বক্তব্য

    স্ত্রী মমতাজের স্মৃতির উদ্দেশে সম্রাট শাহজাহান যে তাজমহল (Taj Mahal) নির্মাণ করেছেন তা সত্য ইতিহাস নয়! এই মর্মে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন হিন্দু সেনা সংগঠনের সভাপতি সুরজিৎ সিং যাদব। তাঁর মূলত দাবি, রাজা মান সিংয়ের প্রাসাদকে সংস্করণ করেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান। তাজমহল শাহজাহানের সৃষ্টি নয়। আর এই দাবিতে ইতিহাসের বইকে ঠিক করে ইতিহাসের প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার দাবি করেন তিনি।

    ‘তাজ মিউজিয়াম’ সম্পর্কে একটি বইয়ের কথা উল্লেখ বলে সুরজিৎ আরও বলেন, “মমতাজের মৃত্যুর সময় একটি ভালো প্রাসাদকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এই প্রাসাদটি হল সম্রাট মান সিংয়ের প্রাসাদ। রাজার এই প্রাসাদকে ভেঙে, সেই জায়গায় তাজমহল নির্মাণ করা হয়েছে। আর তাই মান সিং এবং তাজমহলের সময়কে বিশ্লেষণ করে তথ্য জ্ঞাপন করুক এএসআই।”

    কী বলল দিল্লি হাইকোর্ট?

    গত শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা এবং বিচারপতি তুষার রাও গেদেলার বেঞ্চে তাজমহল (Taj Mahal) নিয়ে এই আবেদনের শুনানি করেন। আদালত নির্দেশ দেন, “এই মামলার আগেও একপ্রকার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টা এএসআইয়ের পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।”

    আর কী দাবি?

    মামলার আবেদনকারী সুরজিৎ সিং যাদবের দাবি, তাজমহলের (Taj Mahal) নির্মাণ বিষয়ে এএসআই, জাতীয় তথ্য ভাণ্ডার থেকে অসত্য তথ্যকে যাতে সরিয়ে ফেলা হয়, তার জন্য কেন্দ্র এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দিক আদালত। তাজমহলের সত্যকে তুলে ধরে আরও বলেন, “এএসআই ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে ১৬৪৮ সালে তাজমহল নির্মাণ হয়েছিল। তৈরি করতে সময় লেগেছিল ১৭ বছর। কিন্তু এই তথ্য পুরোপুরি ভুল। ১৬৩২ থকে ১৬৩৮ সালের মধ্যে সময়ে শাহজাহান, মানসিংয়ের প্রাসাদের সংস্করণ করেন। তাতে সময় লেগেছিল ১৭ বছর।” পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য তাজমহল সম্পর্কে আসল সত্য প্রকাশিত হোক এই কথাই বলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: মেয়েরা সেনা হতে পারলে, পুরুষদের নার্স হতে আপত্তি কেন? প্রশ্ন দিল্লি আদালতের

    Delhi High Court: মেয়েরা সেনা হতে পারলে, পুরুষদের নার্স হতে আপত্তি কেন? প্রশ্ন দিল্লি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েরা সিয়াচেনে গিয়ে সেনাবাহিনীর কাজে যোগ দিলে, ছেলেদের নার্স হতে আপত্তি কোথায়? এক মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার এই প্রশ্নই করেছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। নির্দিষ্ট কোনও একটি পেশা থেকে একটি বিশেষ লিঙ্গের মানুষকে কেন সরিয়ে রাখা হবে, সেই প্রশ্নও তুলেছে দিল্লির উচ্চ আদালত।

    পুরুষ নার্সদের দূরে রাখা অযৌক্তিক 

    হাসপাতালগুলিতে কেবল মহিলা নার্স রাখার অসাংবিধানিক প্রথার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মামলা দায়ের হয় দিল্লি হাইকোর্টে। ইন্ডিয়ান প্রফেশনাল নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে হাজার হাজার প্রশিক্ষিত পুরুষ নার্স রয়েছেন। কিন্তু মিলিটারি থেকে তাঁদের দূরে রাখাটা অযৌক্তিক। এদিন ওই অ্যাসোসিয়েশনের তরফে আইনজীবী অমিত জর্জ জানান, সমস্ত হাসপাতালে এখন পুরুষ নার্স রয়েছে। এমনকী সুপ্রিম কোর্টও বলছে মিলিটারিতেও একটি বিশেষ লিঙ্গকে কোনও কাজ থেকে বিরত করা যাবে না।

    ‘পুরুষও হাসপাতালে কাজ করতে পারেন’

    মামলার (Delhi High Court) শুনানি চলছে বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি সঞ্জীব নারুলার ডিভিশন বেঞ্চে। কেন্দ্রের পক্ষে ছিলেন অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি। আদালতে তিনি জানান, সেনা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কেবল মহিলা নার্স রাখার প্রথা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে সরকার সবে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণের বিল পেশ করেছে। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এক দিকে আপনারা নারী ক্ষমতায়নের কথা বলছেন, অন্য দিকে আপনারাই বলছেন, পুরুষরা নার্স হিসেবে কাজে যোগ দেন না। একজন মহিলা যদি সিয়াচেনে গিয়ে সেনা অফিসার হিসেবে কাজে যোগ দিতে পারেন, তবে একজন পুরুষও হাসপাতালে কাজ করতে পারেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘প্ররোচনার উদ্দেশ্য ছিল না’’, ভারত চাপ দিতেই খালিস্তান নিয়ে সুর বদল কানাডার

    ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে মহিলাদের যোগদানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে ছাড়পত্র দিয়েছিল, সে কথাও মনে করিয়ে দেয় আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে নভেম্বর মাসে। প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনীতে যাতে লিঙ্গ বৈষম্য না থাকে, সে ব্যাপারে নানা সময় মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই প্রেক্ষিতে এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন পর-নারী সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন পর-নারী সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হলে কিংবা স্ত্রীর দ্বারা মানসিকভাবে অত্যাচারিত হলে অন্য সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়। এর জেরে কোনও পুরুষকে ডিভোর্সের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court)। কোনও মহিলা গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হলে সংবিধান অনুযায়ী শাস্তি হয় স্ত্রীর।

    গার্হস্থ্য হিংসার শিকার পুরুষও

    সিংহভাগ ক্ষেত্রে মহিলারাই শিকার হন গার্হস্থ্য হিংসার। তবে ইদানিং গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হচ্ছেন বহু পুরুষ। দ্বারস্থ হচ্ছেন আদালতের। শান্তি খুঁজতে জড়িয়ে পড়ছেন পরকীয়ায়। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন পর-নারীর সঙ্গে এই সম্পর্ক অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। আদালত (Delhi High Court) সূত্রে খবর, ২০০৫ সাল থেকে আলাদা থাকেন এক দম্পতি। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক তো নেইই, সম্পর্ক পুনর্স্থাপনের সম্ভাবনাও নেই।

    নির্যাতিত স্বামীর অভিযোগ

    স্বামীর অভিযোগ ছিল, স্ত্রী তাঁকে মানসিক নির্যাতন করেন। তাই বিবাহ বিচ্ছেদ চাইছেন তিনি। মামলাটি ওঠে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইতের বেঞ্চে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তাঁর পরিবারের প্রতি অসম্মান, দীর্ঘ সময় ধরে ঝগড়া, অশান্তির জেরে মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন মামলাকারী স্বামী। এই সমস্যার কোনও সমাধান না দেখে নিরুপায় হয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে আলাদা থাকেন। স্ত্রীর দ্বারা মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার এই স্বামী তাই বিয়ের এই সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া। স্ত্রীর থেকে বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন স্বামী।

    আরও পড়ুুন: বিকেল পর্যন্ত অভুক্ত রইলেন প্রভু জগন্নাথদেব! পুরীর মন্দিরে কেন এমন ঘটল?

    ১৩ সেপ্টেম্বর বিচারপতি নীনা বনসান কৃষ্ণের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ (Delhi High Court) জানায়, পুনরায় মিলনের কোনও সম্ভাবনা ছাড়া দীর্ঘ দিন বিচ্ছেদের পর যদি কোনও স্বামী নির্যাতন বা হিংসার শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি শান্তি খুঁজে পেতে অন্য প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হতেই পারেন। অন্য কোনও মহিলার সঙ্গে সহবাসও করতে পারেন। এই পরকীয়া সম্পর্ক দেখিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক ও হিংসাত্মক ঘটনার প্রমাণ দিতে পারবেন না স্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জেরা করতে পারবে ইডি। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। কয়লা পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের। এর আগে একাধিকবার আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। এমনকী, জুনের ২৬ তারিখেও তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১২ বার হাজিরা এড়িয়ে গেছেন তিনি। 

    ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই জেরা

    আদালতের নির্দেশ, কোনও মামলায় জেরার প্রয়োজন হলে কলকাতায় গিয়ে আইনমন্ত্রীকে জেরা করতে পারবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। তবে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা থেকে আসানসোলে মলয়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় সিবিআই। কয়লা মামলার তদন্ত সূত্রে মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে বিরাট অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারের যে ফ্লোরে মলয় থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেশ কয়েক জন ইসিএল আধিকারিকের গ্রেফতারির পর মলয়ের বিরুদ্ধে কয়লা পাচার কাণ্ড মামলার তদন্তে নামে সিবিআই। মলয় আদতে আসানসোলের বাসিন্দা এবং আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কও তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে মলয় সুপ্রিম কোর্টে যান। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলার আইনমন্ত্রীকে অন্তত ১৫ দিনের সময় দিয়ে ডাকতে হবে। তবে, এবার দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই মলয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

     মামলা খারিজ সম্ভব নয়

    সূত্রের খবর, ইডির বহু বার তলবের পরেও দিল্লি যাননি মলয়। এর পর ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মলয়। সেই মামলার প্রক্ষিতে এদিন বিচারপতি দীনেশকুমার শর্মা এই নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ই়ডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি ইসিআইআর (ইডির মামলা) করেছিল। ওই ইসিআইআর খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। মঙ্গলবার সেই আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মামলা খারিজ সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী মলয়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই আদালত জানিয়েছে, চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ৭ ফেব্রুয়ারি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share