Tag: Delhi High Court

Delhi High Court

  • Agnipath Scheme: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    Agnipath Scheme: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Agnipath Scheme)। খারিজ হয়ে গেল অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া যাবতীয় মামলা। হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলে, “সেনা ও দেশের যুব সমাজের স্বার্থে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে আপত্তির কিছু নেই।”

     


     
     
    কেন্দ্র অগ্নিপথ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) ঘোষণা করার পর থেকেই দেশজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে। অনেকেই এই প্রকল্পের বিরোধীতায় সরব হন। আদালতে দায়ের করা হয় একাধিক মামলা। দিল্লি হাইকোর্টেও দায়ের হয়েছিল বেশ কিছু জনস্বার্থের মামলা। তারমধ্যে কয়েকটি মামলা করেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তারা।

    আরও পড়ুন: সুদূর ফ্রান্সে গিয়ে যোগ্যতা অর্জন, বাংলার ১১তম গ্র্যান্ডমাস্টার সায়ন্তন দাস

    বেশ কিছু মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। শীর্ষ আদালত সেই মামলা দিল্লি হাইকোর্টে পাঠায়। এছাড়া দেশের একাধিক হাইকোর্টে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাকারীদের মূল বক্তব্য, জওয়ানদের চার বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হলে সেনার সক্ষমতা হ্রাস পাবে। একইভাবে বিপাকে পড়বেন অবসরপ্রাপ্ত অগ্নিবীররা।

    কী বলেছেন বিচারপতি?

    দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি (Agnipath Scheme) সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, সেনা বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে মামলাকারীরা প্রশ্ন তুলতে পারেন না। সেনাই ভাল জানে নিয়োগের ভালমন্দ। আদালতেরও হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। দিল্লি হাইকোর্ট গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে তার রায় সংরক্ষণ করেছে।

    প্রসঙ্গত, সশস্ত্র বাহিনীতে যুবকদের নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৪ জুন ‘অগ্নিপথ প্রকল্প’ (Agnipath Scheme) চালু করা হয়েছিল। নিয়ম অনুসারে, সাড়ে সতেরো ​​থেকে ২১ বছর বয়সী যুবকরা এই স্কিমের আওতায় সেনাবাহিনীতে আবেদন করার যোগ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Liquor Policy Case) অবশেষে গ্রেফতার হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এই মামলায় ৯ বার ইডি-র সমন এড়িয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তাও শেষরক্ষা হলো না। বৃহস্পতিবারই এই মামলায় কেজরিওয়ালকে কোনও প্রকার রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে দিল্লি হাইকোর্ট। এর পরই, এদিন সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দলটিতে রয়েছেন ১২ জন আধিকারিক। জানা যায়, একেবারে, ওয়ারেন্ট নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর মোবাইল ফোন।

    আবগারি নীতি মামলায় গ্রেফতার (Arvind Kejriwal)

    আবগারি নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির কয়েকজন নেতাকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Arvind Kejriwal) দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহও। চলতি সপ্তাহেই গ্রেফতার করা হয় বিআরএস নেত্রী কে কবিতাকে। এবার গ্রেফতার হলেন খোদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে, এই মামলায় ইডি ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। নানা অজুহাতে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।

    রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট

    ইডি যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এদিন আদালতে পেশ করা আবেদনে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “ইডি নিশ্চয়তা দিক যে তাদের সমনে সাড়া দিলে আমার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ (Liquor Policy Case) করা হবে না।” কিন্তু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ধোপে টেকেনি। মেলেনি রক্ষাকবচ। তার পরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে হাজির হয় ইডি। ঘণ্টাদুয়েক তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, তার আগে, শেষ মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন কেজরিওয়াল। গ্রেফতারি আসন্ন বুঝতে পেরে শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আর্জি জানিয়েছিলেন জরুরিভিত্তিতে শুনানির। যদিও সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যরাতে শুনানি হবে না এই মামলার। সুপ্রিম কোর্টে শুনানি না হওয়ায় রাতেই গ্রেফতার করা হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। 

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বাসভবন চত্বরে জারি ১৪৪ ধারা

    এদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পরেই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী, সমর্থকেরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের আশপাশে জারি করা হয়েছে ১১৪ ধারা। শুক্রবার পিএমএলএ আদালতে হাজির করানো হবে আপ প্রধানকে। দেশের ইতিহাসে কেজরিওয়ালই (Arvind Kejriwal) প্রথম, যিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। এর আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। তবে গ্রেফাতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি (Liquor Policy Case)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন (Cash for Queries) করার অভিযোগ ওঠে ৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপরই নিশিকান্ত দুবে ও আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই-এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত ডিসেম্বরে লোকসভার সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় মহুয়াকে (Mahua Moitra)। ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে (Cash for Queries) মহুয়াকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করেছিল লোকসভার এথিক্স কমিটি। এই বহিষ্কারের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে এখনও মামলাটি বিচারাধীন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেই প্রথম এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন। এরপর অভিযোগের তদন্ত করে এথিক্স কমিটি। তদন্তে উঠে আসে, মহুয়া মৈত্র নিজের লোকসভার লগ ইন আইডি অন্য কাউকে দিয়েছিলেন। এরপরেই সাংসদ পদ হারান মহুয়া ৷

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের সঙ্গে সম্পর্ক! সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তম-শিবুকে জেরা করতে চায় ইডি

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী তথা প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। তাঁর আবেদন ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় দুবে ও দেহদ্রাই এমন কিছু পোস্ট করছেন, যা তৃণমূল ও তাঁর নিজের জন্য মানহানিকর। ওই দু’জন যেন এই বিষয়ে নতুন করে কোনও মন্তব্য না করেন বা দাবি না তোলেন। কিন্তু সোমবার মহুয়ার সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি সচিন দত্ত এই আবেদন খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন । তিনি বলেন, “আমি নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিয়েছি ৷” সম্প্রতি ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Triple Talaq: আদালতে স্ত্রীদের উদ্দেশে ‘তালাক-তালাক-তালাক’! ২ যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    Triple Talaq: আদালতে স্ত্রীদের উদ্দেশে ‘তালাক-তালাক-তালাক’! ২ যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবার “তালাক” (Triple Talaq) শব্দ উচ্চারণের মধ্য দিয়ে স্ত্রীকে সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ দেওয়ার প্রথায় দাঁড়ি টানতে তিন তালাক বিল এনেছে কেন্দ্র। কিন্তু তবু সমাজে বারবার ফিরে আসে এই প্রথা। খোরপোশ সংক্রান্ত দুটি মামলা চলছিল দিল্লির (Delhi) একটি আদালতে। কিন্তু শুনানি শেষে দিল্লির ওই আদালতের সামনেই ‘তালাক-তালাক-তালাক’ বলে স্ত্রী-দের উদ্দেশে চিৎকার করলেন দুই স্বামী। এমনই অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। 

    তিন তালাক স্ত্রীদের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তিন তালাক (Triple Talaq) এখন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিন তালাক বিল পাশ করাতে সফল হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার (Modi Govt)। স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তিন বছর পর্যন্ত কারাবাস হতে পারে মুসলিম পুরুষদের। এবার আদালতের বাইরে তিন বার তালাক উচ্চারণ করে নিষিদ্ধ কাজ করেছেন দুই যুবক বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রথম যে এফআইআর দায়ের হয়েছে, সেখানে অভিযোগ করেছেন এক মহিলা। তিনি রসায়নশাস্ত্রে পিএইচডি করেছেন। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদের মামলা চলছে তাঁর। এখন খোরপোশ সংক্রান্ত শুনানি চলছে। সেই মামলার শুনানি শেষে আদালত চত্বরে স্বামী তাঁকে তিন তালাক দেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    দ্বিতীয় অভিযোগটি এক ২৪ বছরের যুবতীর। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর বিয়ে হয় মুম্বইয়ে। কিন্তু স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর উপর অত্যাচার করতেন। তাই কিছু দিন পর দিল্লিতে তাঁর বাপের বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য হন। পরে আদালতে (Delhi Court) তিনি খোরপোশের দাবিতে মামলা করেন। পুলিশকে ওই মহিলা জানান, আদালতে শুনানির জন্য তখন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি কোর্ট রুমে যাচ্ছিলেন, সেই সময় ‘তালাক-তালাক-তালাক’ (Triple Talaq) বলে চিৎকার করেন তাঁর স্বামী। ২০১৪-য় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিন তালাক প্রথার অবসান চেয়ে সরব হয়েছিল মোদি সরকার। ২০১৭-য় তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক তকমা দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টও। তার পরেই তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধের তকমা দিয়ে তিন বছরের জেলের নিদান দিয়েও বিল আনে সরকার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র যাতে সরকারি বাংলো খালি করতে না হয়। কিন্তু মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) আবেদন গতকালই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার সকালেই বাংলো খালি করলেন ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া (Mahua Moitra)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’- এর আধিকারিকরা এসে মহুয়ার বাংলো খালি করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

    ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার 

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর লোকসভায় সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়া মৈত্রর। সে সময় তাঁকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করা নির্দেশ দেয় ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তাই ফের তাঁর কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে গেলে সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়। জানা গিয়েছে, দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনে ৯বি নম্বর বাংলোটি ছিল মহুয়া মৈত্রর।

    দর্শন হিরানন্দানির কাছে টাকা নিতেন মহুয়া

    মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে তিনি সুযোগ-সুবিধা নিতেন। তাঁর কাছ থেকে বিদেশ ট্যুরের টাকাও নেন মহুয়া। এর বিনিময়ে দর্শন হিরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া প্রশ্নগুলোই সংসদে উত্থাপন করতেন তিনি। শুধু তাই নয় সংসদের লগ-ইন আইডিও ছিল দর্শন হিরানন্দানির সংস্থার কাছেই। ওই সংস্থার এক কর্মী মহুয়ার হয়ে সংদের পোর্টালে লগ-ইন করে প্রশ্ন উত্থাপন করতেন। এরপরেই তাঁকে (মহুয়া মৈত্র) সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে। সেখানেও একপ্রস্থ নাটক করেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। সম্প্রতি ব্যাট হাতে নেটে দেখা গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে (MS Dhoni)। তার মধ্যেই বিপত্তি। আইনি জটিলতায় ফাঁসলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করলেন এক সময়ে ধোনির ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর। কিছু দিন আগেই প্রাক্তন ব্যবসায়িক সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন মাহি। এবার সেই সহযোগীরাই আদালতে ধোনির বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলা করলেন। 

    ধোনির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সম্প্রতি ধোনি তাঁর প্রাক্তন ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর, তাঁর স্ত্রী সৌম্যা দাস এবং তাঁদের কোম্পানি অর্ক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার মামলা করেছিলেন। ধোনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ ছিল, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে দিবাকরের সংস্থা। অন্তত ১৫ কোটি টাকা ধোনির বকেয়া রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল। পরবর্তীকালে চুক্তি ভেঙে দেওয়া হয়। বারবার দিবাকরকে ওই বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও, তাতে কোনও লাভ হয়নি। অনেক চিঠির জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ ওঠে। এরই পাল্টা হিসেবে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মিহির ও তাঁর স্ত্রী। আগামী ১৮ জানুয়ারি বিচারপতি প্রতিভা এম সিং মামলাটি শুনানি করবেন। মিহির এবং সৌম্যা জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। ধোনি যে অভিযোগ করেছেন তার কোনও সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই কারণেই ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সের দৌড়ে! হকিতে ইতালিকে ৫-১ গোলে হারাল ভারতের মেয়েরা

    ধোনির দাবি

    ২০০০ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ছিলেন মিহির দিবাকর। ধোনির সঙ্গে তাঁর দারুণ ঘনিষ্ঠতাও ছিল। এখন সেই সম্পর্ক আদালতের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছে। ধোনির যাবতীয় অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং অবমানকর বলে দাবি করে মানহানির মামলা করেছেন মিহির। তবে জানা যায়, ধোনি প্রথমেই আদালতের দ্বারস্থ হননি। প্রথমে দিবাকর এবং সৌম্যার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চুক্তির শর্ত কেন অমান্য করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। যথাযথ উত্তর না পাওয়ায়, ২০২১ সালের ১৫ অগস্ট, আর্কা স্পোর্টসকে নিজের নাম ব্যবহার করার অনুমতি প্রত্যাহার করে নেন চিঠি দিয়ে। তাতেও কাজ না হওয়ায় বেশ কয়েক বার আইনি চিঠিও দেন ধোনি। কিন্তু সংস্থাটির পক্ষ থেকে সদুত্তর না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি জানাতে পারেন না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতবর্ষে বসবাস করার দাবি করতে পারেন না। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে দেশজুড়ে, ঠিক সেই সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ শুক্রবার শোনাল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জীবন এবং স্বাধীনতার অধিকার পাওয়া যায়। তবে বিদেশিদের ক্ষেত্রে এই মৌলিক অধিকারের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী ভারতে আসা বিদেশি নাগরিকদেরও জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার প্রদান করা হয়েছে।

    কেন বিদেশি নাগরিকরা ভারতে বসবাসের দাবি করতে পারেন না?

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইত এবং বিচারপতি মনোজ জৈন আরও বলেন যে বিদেশি নাগরিকরা ভারতবর্ষে বসবাসের দাবি রাখতে পারেন না। কারণ এটা সংবিধানের ১৯ (১) (ই) ধারার পরিপন্থী। প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় বিভিন্ন স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাক স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত করার স্বাধীনতা ইত্যাদি। ১৯ (১) (ই) ধারাতে বলা রয়েছে, যে কোন ভারতীয় নাগরিক ভারতবর্ষের যে কোনও রাজ্যে বসবাস করতে পারেন। তবে এই অধিকার কখনই বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়নি।

    মামলার খুঁটিনাটি

    মামলা হয়েছিল বাংলাদেশি নাগরিক আজল চাকমাকে নিয়ে। এই বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করার পরে তাঁর হয়ে রিট পিটিশন দাখিল করেন তাঁর মামা। প্রসঙ্গত, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার যখন রাষ্ট্র লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করা হয় তখনই রিট পিটিশন দাখিল করা যায়। তবে এই রিট পিটিশন দিল্লির আদালত খারিজ করে দেয় এদিন। হাইকোর্ট (Delhi High Court) জানায়, ভারত সরকার ওই বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করে বেআইনি কিছু করেনি। ওই বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর হয়ে সে বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে তার জালিয়াতি ধরা পড়ে। দেখা যায় ভারতের বেআইনি পাসপোর্টও রয়েছে তার কাছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের পরেই তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) দিল্লির সরকারি বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়। লোকসভা সচিবালয়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দায়ের করেছিলেন মামলা। কিন্তু বৃহস্পতিবার মহুয়ার আবেদন শুনেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, এ বিষয়ে আবেদন করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে। আদালত কিছু করতে পারবে না। এর পরে মহুয়ার আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

    কী বলল আদালত

    টাকার বিনিময়ে সংসদে আদানিদের নিয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদপদ খারিজ হয়। তার পর ৭ জানুয়ারির মধ্যে মহুয়াকে ৯বি টেলিগ্রাফ লেনের সরকারি বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটস। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। জানান, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বাংলো খালি করা সম্ভব নয়। নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানান। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদের এজলাসে দায়ের হয়েছিল সেই মামলা।  সরকার পক্ষের আইনজীবী মহুয়ার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট সাংসদ পদ খারিজের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তাহলে কোন যুক্তিতে সরকারি বাংলোয় থাকতে চাইছেন মহুয়া?” এর পরই আদালত জানিয়ে দেয়, বাংলো ছাড়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেবে না তারা। মহুয়া চাইলে সরাসরি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটসের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। সরকারকেও আইন মেনেই বাংলো খালি করতে হবে বলেও মন্তব্য করে আদালত।

    আরও পড়ুন: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদ করে মহুয়া (Mahua Moitra) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বুধবারই শুনানি হয়। আদালত বুধবার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিস দিয়েছে। দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সচিবালয়কে। এর মধ্যে মহুয়াকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে হবে তাদের। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১১ মার্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ পদ খুইয়েছেন। তাই ছাড়তে হবে দিল্লির সরকারি বাংলো। এই মর্মে কেন্দ্রের তরফে নোটিশও পান তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূল নেত্রী।

    মহুয়ার আবেদন

    রিট পিটিশন দাখিল করে মহুয়ার আবেদন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা পর্যন্ত যাতে তিনি ওই বাংলোয় থাকতে পারেন, সেই নির্দেশ দিক আদালত। মঙ্গলবার এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেই এই নির্দেশ বলে জানান বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ। বিচারপতি প্রসাদের পর্যবেক্ষণ, “মহুয়া (Mahua Moitra) লোকসভা থেকে তাঁর বহিষ্কারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি এখনও হয়নি। তাই এখন সরকারি বাংলো নিয়ে হাইকোর্ট যদি কোনও নির্দেশ দেয়, তবে বাধাপ্রাপ্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপ্রক্রিয়া। তাই আপাতত ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদের উদ্দেশে বিচারপতি প্রসাদের মন্তব্য, “আপনি একটি রিট পিটিশন দায়ের করে সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আবার অন্য মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদি শীর্ষ আদালত সেই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়, তাহলে এই বিষয়টির শুনানি হতে পারে।” প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে মহুয়ার মামলার শুনানি। এই মামলার শুনানি হতে পারে ৩ জানুয়ারি। ওই দিন পর্যন্ত মহুয়ার বাংলো মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। তাই ৪ জানুয়ারি মামলাটি শুনবেন বিচারপতি প্রসাদ। এই সময়ের মধ্যে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতেও অস্বীকার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’ কল্যাণের, ‘মুর্খো কা সর্দারে’র আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে অভিযুক্ত হন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, নগদ টাকা ও দামি দামি উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন তিনি। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে মহুয়াকে (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির বৈঠক ছেড়ে মাঝপথে বেরিয়ে যান মহুয়া। তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে এথিক্স কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    Delhi High Court: ইচ্ছে করে কাজ করেন না! খোরপোশ চাইতে পারেন না সেই স্ত্রী, অভিমত আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবিধ কারণেই বৈবাহিক জীবনে অশান্তি নেমে আসে। অনেক সময় তা গড়িয়ে যায় বিচ্ছেদ পর্যন্ত। এরপরই চলে আসে ভরণ-পোষণের দায়িত্ব। মহিসারা খরপোশের দাবি জানায়। এবার সেই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ করল দিল্লি হাইকোর্ট। আয় করতে পারেন। তাঁর সেই যোগ্যতা আছে অথচ কোনও চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন স্ত্রীরা বিচ্ছেদের পর স্বামীর কাছে খোরপোশ দাবি করতে পারেন না, বলে জানাল আদালত।

    কোন প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ

    একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট বলে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কোনও স্বামী বা স্ত্রীর আর্থিক বিষয়ে সঙ্গীর বোঝা হওয়া উচিত নয়। কিছুদিন আগে, দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক যুবক। তিনি জানান, পরিবার আদালতে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, মামলার নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত স্বামীকে খোরপোশ দিতে হবে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান যুবক। তাঁর যুক্তি, তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিতা। তিনি আগে চাকরি করতেন। কিন্তু এখন কোনও কাজ করেন না। ইচ্ছে করলে তিনি নিজেই আয় করতে পারেন। তা ছাড়া যে পরিমাণ অর্থ খোরপোশ হিসাবে তাঁকে দিতে বলা হচ্ছে, সেটা তাঁর পক্ষে যথেষ্ট বেশি।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    কী বলল আদালত

    মামলাকারীর আইনজীবী জানান, মাসিক ৩০ হাজার টাকা করে তাঁর মক্কেলকে খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ তাঁর স্ত্রী উচ্চশিক্ষিত এবং একটি হাসপাতালের রিসেপশনে কাজ করতেন। বেতন পেতেন ২৫ হাজার টাকার আশপাশে। অন্য দিকে, তাঁর মক্কেলের মাসিক বেতন ৫৬,৪৯২ টাকা। তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন। বোনেরা রয়েছেন। তাঁদের সবার দায়িত্ব নিতে হয়। তা ছাড়া, একটি ঋণ রয়েছে। মাসে মাসে তার সুদ গুনতে হয়। অন্য দিকে, মহিলার পক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেল সমাজকর্মী হিসাবে কাজ করেন। কিছু দিন যে হাসপাতালে কাজ করতেন, সেখান থেকে কোনও পারিশ্রমিক তিনি নেননি। এর পর হাইকোর্ট বলে, ‘‘স্বামী বা স্ত্রী উপার্জনে সক্ষম। কিন্তু তিনি চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন সঙ্গীর কাছে খোরপোশ চাইছেন, এটা সমীচীন নয়।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share