Tag: Delhi Liquor Policy Case

Delhi Liquor Policy Case

  • Liquor Policy Case: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি

    Liquor Policy Case: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় (Liquor Policy Case) দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদন মিলেছে। দিন কয়েক আগেই দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনার অনুমোদন মিলেছিল। এবার মিলল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদনও। ঘটনার জেরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেজায় বিপাকে পড়লেন কেজরিওয়াল।

    আদালতে ২০০ পাতার চার্জশিট (Liquor Policy Case)

    ওই মামলায় জুলাই মাসেই আদালতে ২০০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল ইডি। তাতে অভিযুক্ত করা হয়েছিল কেজরিওয়াল ও তাঁর দলকে। নিম্ন আদালত জানিয়েছিল, কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার মতো যথেষ্ট তথ্য রয়েছে ওই চার্জশিটে। এর পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আদালতে তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি জনপ্রতিনিধি। জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে সরকারের আগাম অনুমতি নিতে হয়। ইডি তা করেনি।

    দিল্লির উপরাজ্যপালকে চিঠি ইডির

    মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের সম্মতি ছাড়া আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা যায় না। এর পরেই (Liquor Policy Case) আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে (পিএমএলএ) বিচারের অনুমতি চেয়ে দিল্লির উপরাজ্যপালকে চিঠি দেয় ইডি। সেই চিঠিতেও ইডি দাবি করে, আবগারি মামলায় কিংপিন ও মূল ষড়যন্ত্রকারী কেজরিওয়ালই।

    আরও পড়ুন: ভোকাট্টা.. ঘুড়ি উড়িয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    গত ২১ মার্চ পিএমএলএ-এর অধীনে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। ১৭ মে একটি চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম করেই ইডি দাবি করে, নির্দিষ্ট কিছু মদ ব্যবসায়ীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে নেওয়া ১০০ কোটি টাকার মধ্যে ৪৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার করতে। ইডির দাবি, কেজরিওয়াল জাতীয় আহ্বায়ক এবং আপের জাতীয় এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে তহবিল ব্যবহারের জন্য চূড়ান্তভাবে দায়ী। তিনিই আপের নেপথ্যে থাকা মূল মস্তিষ্ক। বর্তমানে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত কেজরিওয়াল। ঠিক এই সময়ই অমিত শাহের মন্ত্রকের অনুমোদনের দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) যে নতুন করে বিপাকে পড়লেন, তা বলাই বাহুল্য (Liquor Policy Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে বিপাকে দিল্লির আপ সরকার (Delhi Liquor Policy Case)। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি (আপ) সরকারের জমানায় আবগারি লাইসেন্স বণ্টন সংক্রান্ত নীতিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এল ‘ফাঁস’ হওয়া সিএজি রিপোর্টে (CAG Report)। সেই রিপোর্টে দাবি, এর ফলে দিল্লি সরকারের অন্তত ২০২৬ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে আপ সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি।

    নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অনিয়ম

    ২০২১-২২ সালে দিল্লির আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy Case) বদল করেছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ২০২১ সালের নভেম্বরে তা কার্যকর হয়েছিল। ‘ফাঁস’ হওয়ায় সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লির তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আবগারি মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে নতুন আবগারি নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, দিল্লির উপরাজ্যপাল (লেফটেন্যান্ট গভর্নর) ভিকে সাক্সেনা ২০২২ সালের জুলাই মাসেই অভিযোগ করেছিলেন, নতুন আবগারি নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনিয়ম হচ্ছে। নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অসম্মতি জানানোর পাশাপাশি তিনি এ বিষয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন।

    ক্যাগ রিপোর্টে দাবি

    সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লিতে (Delhi Liquor Policy Case) আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। যদিও সিএজির এই রিপোর্ট এখনও দিল্লি বিধানসভায় পেশ হয়নি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আপ সরকারের আমলে ঘোষিত ওই আবগারি নীতিতে প্রচুর ত্রুটি ছিল এবং সেটা প্রকশ্যে আসার পরও ব্যবস্থা নেয়নি দিল্লি সরকার। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নেতৃত্বের মন্ত্রীদের কমিটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অগ্রাহ্য করে। যথেচ্ছাচারে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দিল্লির ক্যাবিনেট ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অনুমোদন উপেক্ষা করা হয়েছে। লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সমস্যা, জরিমানা না করা, নিয়ম লঙ্ঘন, দিল্লি বিধানসভাতেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন মানা হয়নি। যেসব লাইসেন্স সারেন্ডার করা হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে রিটেন্ডার করা হয়নি। যার জেরে ৮৯০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ।  

    আরও পড়ুন: ব্রহ্মস থেকে পিনাকা, রোবট কুকুর! প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকবে আর কোন চমক?

    ইতিমধ্যেই আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Policy Case) মামলায় সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।  এই মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ কয়েকজন হেভিওয়েটকে জেল খাটতে হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবগারিকাণ্ডে ফের অস্বস্তিতে আপ সরকার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: তিহাড়েই কেজরিওয়াল, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই মুক্তি নয়, জেলেই ঠিকানা দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের  (Arvind Kejriwal)। সিবিআই-এর (CBI) আর্জি মেনে আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

    সিবিআই-এর যুক্তি

    এই মামলার তদন্তকারী দল সিবিআই (CBI) জানিয়েছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হেফাজতে থাকা তদন্তের স্বার্থে সঠিক পদক্ষেপ। এর আগে তিনদিনের সিবিআই হেফাজত হয়েছিল কেজরিওয়ালের। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তদন্তের স্বার্থে তাঁদের প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিচ্ছেন না কেজরিওয়াল। সিবিআই আরও জানায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। সাক্ষী এবং প্রমাণ নষ্ট করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জামিন না দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। জেলে থাকাকালীনই আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারর দাবি, নতুন আবগারি নীতিতে কেন হোলসেলারদের প্রফিট মার্জিন পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে তারও কোনও যথাযথ ব্যাখ্যা নেই।

    আরও পড়ুন: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    সিবিআই-এর আর্জিতে সম্মতি

    চলতি সপ্তাহের সোমবার তিহাড় জেলে গিয়ে কেজরিকে (Arvind Kejriwal) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই (CBI)। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার হিসাবে দেখানো হয়। তার পর পাঁচ দিনের হেফাজত চেয়ে বুধবার সিবিআই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে। সেই সময় দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট কেজরিকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। শনিবার সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এদিন কেজরিওয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবকাশকালীন বিচারক সুনেনা শর্মা কেজরিওয়ালকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।  গত ২০ মে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু তিহাড় থেকে তিনি বের হওয়ার আগেই ইডি দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে জামিনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। জামিন নিয়ে টালবাহানার মধ্যেই সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন কেজরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: সুপ্রিম দুয়ারই ভরসা কেজরিওয়ালের! আপ প্রধানের জামিন খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্ট

    Arvind Kejriwal: সুপ্রিম দুয়ারই ভরসা কেজরিওয়ালের! আপ প্রধানের জামিন খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। এবার কেজরির একমাত্র ভরসা সুপ্রিম কোর্টই। বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, নিম্ন আদালতের অবকাশকালীন বিচারক ন্যায় বিন্দু আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তিহার থেকে কেজরিওয়াল ঘরে ফেরার আগেই আপ সুপ্রিমোর মুক্তি আটকাতে ২১ জুন সকালে দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। শুক্রবারই তাঁর জামিনে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট (Delhi High Court)। মঙ্গলবার নিম্ন আদালতের দেওয়া জামিন খারিজই করে দিল হাইকোর্ট। 

    হাইকোর্টের অভিমত

    মঙ্গলবার বিচারপতি সুধীরকুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার অবকাশকালীন বেঞ্চ রায় ঘোষণার সময় বলে, ‘‘ট্রায়াল কোর্টের এমন কোনও নির্দেশ দেওয়া উচিত হয়নি, যা হাইকোর্টের রায়ের বিপরীত।’’ একই সঙ্গে উচ্চ আদালত এ-ও জানায়, নিম্ন আদালত নির্দেশ দেওয়ার সময় নথি এবং যুক্তি যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করেনি। হাইকোর্ট আরও বলেছে, এক বার তাঁর (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলা হাইকোর্ট (Delhi High Court) খারিজ করে দিয়েছিল। ফলে এটা কখনই বলা যাবে না যে, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ৩০০ কোটি আয়, বাছা হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে! নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দাবি এক মাফিয়ার

    সুপ্রিম দুয়ারে কেজরিওয়াল

    আবগারি মামলায় গত ২১ মার্চ আপ প্রধানকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) পদ থেকে ইস্তফা দেননি। পরে লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষ হলে আবার তিনি তিহাড় জেলে ফিরে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার আম আদমি পার্টির প্রধানের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর হয় রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। তারপরই দিল্লি হাইকোর্টে কেজরির জামিনের বিরোধিতা করে মামলা করে ইডি। তখনই কেজরির জামিনে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয় উচ্চ আদালত। এরপর রবিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সোমবার তাঁর সেই আর্জি আগামী বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করে দেয় শীর্ষ আদালত। এবার সুপ্রিম দুয়ারই শেষ ভরসা আপ প্রধানের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ কেজরির আবেদন, আপ সুপ্রিমো ফিরছেন তিহাড়েই!

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ কেজরির আবেদন, আপ সুপ্রিমো ফিরছেন তিহাড়েই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কি ফিরে যেতে হবে জেলের অন্ধকার কুঠুরিতেই? আপাতত এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ কেজরিওয়ালের জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন শুনতে রাজি নয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করার বিষয়ে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। তাই তাঁর আবেদন শুনতে নারাজ দেশের শীর্ষ আদালত।

    তালিকাভুক্তই হয়নি মামলা (Supreme Court)

    বুধবারই মামলাটি তালিকাভুক্ত করতে অস্বীকার করেছেন আদালতের রেজিস্ট্রার। প্রসঙ্গত, পয়লা জুন দেশে রয়েছে সপ্তম তথা শেষ দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিনই শেষ হচ্ছে কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ। তাই পরের দিনই তাঁকে ফিরতে হবে তিহাড় জেলে (Supreme Court)। ১০ মে কেজরিওয়ালকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সময়ই ২ জুন আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে।

    কেন চেয়েছিলেন জামিন?

    কী কারণে জামিনের আবেদন করেছিলেন, ভাটিন্ডার এক জনসভায় তাও জানিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো। বলেন, “আমার অনেকটা ওজন কমে গিয়েছে। এটা গুরুতর অসুস্থতার উপসর্গ। একাধিক মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই চেকআপ করাতেই আমি দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে সাতদিন অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছি।” মামলাটি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী ও বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই আবেদনটি তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতিই। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার সাফ জানিয়ে দেন, এই মামলাটি তালিকাভুক্ত করা হবে না।

    আর পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় ২১ মার্চ গ্রেফতার করা হয় কেজরিওয়ালকে। যেহেতু ইডিই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল, তাই সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে ইডি। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে কেন গ্রেফতার করা হল, সে প্রশ্নও তোলে সুপ্রিম কোর্ট। ১৯ এপ্রিল দেশে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারের জন্য জেলের বাইরে আসতে চেয়ে কেজরিওয়াল আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত। জামিন পান ১০ মে (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal Bail: “জামিন হলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না”, কেজরিওয়ালকে সুপ্রিম নির্দেশ

    Arvind Kejriwal Bail: “জামিন হলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না”, কেজরিওয়ালকে সুপ্রিম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে আপ প্রধান। আবগারি মামলায় (Delhi Liquor Policy Case) ধৃত অরবিন্দ কেজরীওয়ালের জামিনের (Arvind Kejriwal Bail) আর্জি মঞ্জুর করল না দেশের শীর্ষ আদালত। নয় নয় করে টানা ৪৭ দিন ধরে আবগারি দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে শুনানি করলেও, মঙ্গলবার কোনও রায় দিল না শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ কেজরিওয়ালের জামিনের আর্জি মঞ্জুর করল না। 

    বিচারপতির মন্তব্য 

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গ্রেফতাররি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন কেজরিওয়াল। ধৃত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সেই আবেদন মামলায় (Arvind Kejriwal Bail) ইডির কাছে এবার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। আম আদমি পার্টির প্রধানের দায়ের করা মামলা কোনও সাধারণ মামলা নয়, মঙ্গলবার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করল বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ। একই সঙ্গে বেঞ্চ ইডিকে বলে, “কারও জীবনের অধিকার থেকে আপনি বঞ্চিত করতে পারেন না।” শীর্ষ আদালত আরও বলে, কেজরিওয়াল এক জন মুখ্যমন্ত্রী। যদি কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তিকালীন জামিন মঞ্জুর করা হয়, তা হলেও তিনি কোনও সরকারি ফাইলে সই করতে পারবেন না।    

    কেজরিওয়ালের জামিনের বিরোধিতা ইডির (Arvind Kejriwal Bail) 

    এর আগে, গত সপ্তাহে কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার ইঙ্গিত দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কিন্তু মঙ্গলবার শুাননি শুরু হলে ইডির সঙ্গে দীর্ঘ সওয়াল-জবাব চলে আদালতে। কেজরিওয়ালের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করে ইডি। শেষ পর্যন্ত আদালত জানায়, বৃহস্পতিবার অথবা আগামী সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে, তাতে জামিন পেতেও পারেন কেজরিওয়াল, আবার নাও পেতে পারেন। জামিন পেলে কেজরিওয়ালকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে হবে, তিনি কোনও ফাইলে সই করতে পারবেন না বলেও জানায় শীর্ষ আদালত। 

    আরও পড়ুন: মালদা উত্তরে একী কাণ্ড! ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে দিনভর অবস্থানে ভোটাররা

    উল্লেখ্য আগামী ৯ মে এই মামলা (Arvind Kejriwal Bail) নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীনই আবার এদিন ২০ মে পর্যন্ত কেজরিওয়ালের হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছে দিল্লির রাউস এভেনিউ কোর্ট।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই জাল গুটিয়ে আনছে ইডি। গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এ বার দিল্লির আপ সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) মন্ত্রী কৈলাস গেহলটকে ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেন নি গেহলট। ইডির দাবি, মোবাইলের সিম একটা ব্যবহার করলেও, কৈলাসের ফোনে তিনবার বদল করা হয়েছে IMEI নম্বর।

    আবগারি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কৈলাস

    জানা গিয়েছে, দিল্লি সরকারের বিতর্কিত আবগারি দুর্নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কৈলাস গেহলট। এর আগেও তাঁকে এই মামলায় জেরা করতে করতে চেয়ে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভার অধিবেশন চলছে, এই যুক্তি দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। তার পর কৈলাসের কাছে যায় ইডির দ্বিতীয় সমন। শনিবার সেই সমনের ভিত্তিতেই হাজিরা দিলেন কৈলাস।

    কী বললেন কৈলাস

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালেই গ্রেফতার হয়েছিলেন আপ নেতা বিজয় নায়ারকে। তখনই অভিযোগ ওঠে, দিল্লির সিভিল লাইনে কৈলাসের জন্য বরাদ্দ করা বাংলোয় থাকতেন বিজয়। এবিষয়ে কৈলাস বলেন, “আমি সর্বদাই বলে এসেছি যে, আমি কখনও সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) দেওয়া বাংলোয় থাকিনি। কারণ, আমার স্ত্রী এবং সন্তানেরা বসন্ত কুঞ্জ থেকে সিভিল লাইনে আসতে চায়নি। আমি সিবিআইকেও এই কথা জানিয়েছিলাম। আজও একই কথা জানালাম।” এর পাশাপাশি কৈলাস জানিয়েছেন, বিজয় যে তাঁর বাংলোয় থাকতেন, সে কথা তিনি জানতেন না।

    ১০০ কোটির আবগারি দুর্নীতি

    ইডির দাবি, বিতর্কিত আবগারি নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিল আপ। সেই টাকার অনেকটাই খরচ করা হয় গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে। এই প্রসঙ্গে কৈলাসের দাবি, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, “আমি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কারণ, আমি গোয়ার নির্বাচনী প্রচার পরিকল্পনার অংশ ছিলাম না। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ইডি। আবগারি নীতি এমনভাবে তৈরি করা হয় যে খুচরো ব্যবসায়ীদের ১৮৫ শতাংশ লাভের কথা বলা হয় সেখানে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ লাভের কথা বলা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে, অতঃ কিম?

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে, অতঃ কিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিনের আবেদন খারিজ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal)। আবগারি দুর্নীতি মামলায় আপাতত তাঁকে থাকতে হচ্ছে ইডি হেফাজতেই। দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৩ এপ্রিল।

    জামিনের আবেদন কেজরির (Arvind Kejriwal)

    গত বহস্পতিবার আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারির বিরোধিতা করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন আপ সুপ্রিমো। ইডির গ্রেফতারিতে তাঁর সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে দাবি করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। ইডি এখনও তাঁর দোষ প্রমাণ করতে পারেনি বলেও জামিনের আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়। এর পরেই বুধবার শুনানির পর ইডির জবাব তলব করে আদালত। জবাব দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে সাত দিন সময় দিয়েছে আদালত। জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে (Arvind Kejriwal) এই মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    হেফাজতে নিতে চায় সিবিআই 

    ২৮ মার্চ শেষ হচ্ছে কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের প্রথম দফার মেয়াদ। এদিনই তাঁকে দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় হেফাজতে নিতে চায় সিবিআই। বৃহস্পতিবার ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে কেজরিওয়ালের। তাঁকে ফের তোলা হবে আদালতে। সূত্রের খবর, সেখানেই তাঁকে হেফাজতে পেতে সওয়াল করবে সিবিআই।  

    আরও পড়ুুন: কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে মন্তব্য, আমেরিকাকে ‘সমঝে’ দিল ভারত

    এদিকে জেলে বসেই সরকার চালিয়ে যাবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কেজরিওয়াল। জেল থেকেই তিনি দিচ্ছেন যাবতীয় নির্দেশ। তা পালন করে চলেছেন আপ পরিচালিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা। জানা গিয়েছে, জেল থেকেই চিঠি লিখে মন্ত্রীদের বিভিন্ন নির্দেশ দিচ্ছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তবে ওই চিঠি প্রকৃতই কেজরিওয়ালের লেখা কিনা, সে বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন দিল্লির বিজেপি নেতৃত্ব। দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা অবশ্য বলেন, “আমি দিল্লিবাসীকে এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে জেলে বসে সরকার চালানো যাবে না (Arvind Kejriwal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Policy Case: দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় এবার জেলে পাঠানো হল কবিতাকে

    Delhi Liquor Policy Case: দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় এবার জেলে পাঠানো হল কবিতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় (Delhi Liquor Policy Case) ১৪ দিনের জন্য জেলে পাঠানো হল ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী কে কবিতাকে। ১৫ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। পরে ছিলেন ইডি হেফাজতে। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার তোলা হয় দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে।

    বিচার বিভাগীয় হেফাজতের দাবি ইডির (Delhi Liquor Policy Case)

    সেখানে ইডির তরফে কবিতার ১৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত চাওয়া হয়। কারণ তাহলে তিহাড় জেলে পাঠানো হবে না কবিতাকে। সেক্ষেত্রে তাঁকে রাখা হবে ইডির লকআপে। এতে সুবিধা হবে তদন্তের। তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মেয়ে বছর চল্লিশের কবিতাকে তাঁর হায়দরাবাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Delhi Liquor Policy Case), কবিতা ও অন্যদের সঙ্গে দিল্লি আবগারি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সুবিধা পাওয়ার জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ আপের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। এর বিনিময়ে তিনি আপ নেতাদের ১০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন।

    ছ’টি চার্জশিট দাখিল ইডির

    ইডি সূত্রে খবর, ২০২২ সালে একটি মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সারা দেশের ২৪৫টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া, আপ নেতা সঞ্জয় সিং-সহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল কিছু মদও। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় সব মিলিয়ে মোট ছ’টি চার্জশিট দাখিল করেছে ইডি। অ্যাটাচ করা হয়েছে ১২৮ কোটিরও বেশি টাকা।

    আরও পড়ুুন: “আমায় বাঁচান”, আর্তি চাকরির খোঁজে রাশিয়ায় গিয়ে ‘ফেঁসে’ যাওয়া বঙ্গবাসীর

    এদিন আদালতে কবিতার তরফে আবেদন করা হয় জামিনের। তাঁর নাবালক ছেলের স্কুলে পরীক্ষা রয়েছে। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক, আবেদন করা হয় কবিতার তরফে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কবিতার জামিনের আবেদন শুনবেন নিম্ন আদালত। শুনানি হবে ১ এপ্রিল। কবিতার জামিনের আবেদনের বিরুদ্ধে ইডির তরফে বলা হয়, এটা স্পষ্ট যে অবৈধভাবে সুবিধা পেতে কবিতা সরকারি কর্তৃপক্ষকে টাকা দেওয়ায় যুক্ত ছিলেন। তিনি যে ১০০ কোটি টাকাও অন্যের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিলেন তাও স্পষ্ট। কবিতা প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে সাহায্য করছেন না বলেও অভিযোগ ইডির। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, কবিতা তদন্তে সাহায্যও করছেন না (Delhi Liquor Policy Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ তল্লাশির পর ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন কেসিআর-কন্যা কে কবিতা (KCR-daughter K Kavitha arrested)। আয়কর দফতর এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আজ দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী এবং তেলঙ্গনার বিধান পরিষদের সদস্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-কন্যাকে গ্রেফতার করেছে। হায়দ্রাবাদ থেকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় দেশের রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।

    বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)

    আজ শুক্রবার আচমকাই কেসিআর-কন্যা কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested) হায়দ্রাবাদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর এবং ইডি। এদিন তদন্ত করতে দুই সংস্থার অন্তত ১০ আধিকারিক বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন কএসিআর-কন্যা এবং তাঁর স্বামী ডি অনিল কুমার। তাঁদের উপস্থিতিতেই তল্লাশি চলে বলে জানা গিয়েছে। আবগারি মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন এই কবিতা। আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিকবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এমন কী তদন্তের মোকাবিলা যাতে না করতে হয়, তাই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন তিনি। কবিতা ২০১৪ সাল থেকে দুইবার সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু তবু গ্রেফতার হতেই হল তাঁকে।

    গত ডিসেম্বর মাসে তদন্তে নাম উঠে আসে

    গত ডিসেম্বর মাসে যখন মণীশ সিসোদিয়া ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি, সেই সময় সূত্রে ধরে তদন্তে নাম উঠে এসেছিল কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)। পরবর্তী কালে কবিতার মোবাইল পরিচিতি বদলানো হয়। কেজরীওয়াল সরকারের আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দক্ষিণ ভারতের আরও এক নেতা অরুণ রামচন্দ্র পিল্লাই। এছাড়াও এই আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে কংগ্রেসের সাংসদ এম শ্রীনিবাসুলু রেড্ডি এবং হায়দরাবাদের ব্যবসায়ী শরৎ রেড্ডি প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এবারে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অপরদিকে গত বুধবার কেসিআরের তরফ থেকে দলের লোকসভা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও নিজের মেয়েকে এইবার টিকিট দেননি। পরিবারের প্রতি স্বজন পোষণের অভিযোগকে মুছে ফেলতে চাইছিলেন কেসিআর, এমনটা বলা হলেও গ্রেফতারির আশঙ্কা ছিলই। আর এর মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন কে কবিতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share