Tag: Delhi Murder

Delhi Murder

  • Hyderabad Murder: শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! খুনের পর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখলেন প্রৌঢ়

    Hyderabad Murder: শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! খুনের পর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখলেন প্রৌঢ়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এবার ফিরল হায়দরাবাদে। প্রেমিকাকে খুনের (Hydrabad Murder) পর তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখার অভিযোগ উঠল এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহতের নাম অনুরাধা রেড্ডি। বয়স পঞ্চান্ন। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৫ বছর ধরে তিনি চন্দ্র মোহন (৪৮) নামে প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতেন। ওই বাড়ির ফ্রিজ থেকেই অনুরাধার মৃতদেহের হাত এবং পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথা উদ্ধার হয়েছে মুসি নদীর ধার থেকে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহের অন্যান্য অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় রাখেন অভিযুক্ত।

    আরও পড়ুন: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    কীভাবে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্তকে?

    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মুসি নদীর তীর থেকে একটি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করে পুলিশ। ওই খুনের তদন্ত করতে গিয়েই বেরিয়ে আসে এই ভয়াবহ হত্যাকা্ণড। অনলাইন ট্রেডিং পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওই প্রৌঢ়, এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। ১৫ বছর আগে স্বামী মারা গেলে চন্দ্র মোহনের বাড়ির একতলাতে থাকতেন অনুরাধা। পুলিশ জানিয়েছে, সুদের কারবার করতেন মহিলা এবং সেখান থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কয়েক বছর আগে ৭ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন চন্দ্র মোহন। কিন্তু ফেরত দিতে চাননি। এ নিয়েই শুরু মনোমালিন্য।

    কীভাবে খুন (Hydrabad Murder) করা হল?

    টাকা ফেরত দিতে না পেরে অনুরাধাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন চন্দ্র মোহন।  শ্রদ্ধাকে হত্যা করার আগে ইন্টারনেটে যাবতীয় খোঁজখবর করেছিলেন আফতাব। এমনটা মোহনও করেন। ১২ মে হায়দরাবাদের দিলসুখনগরে মোহনের বাড়িতেই খুন হন অনুরাধা। টাকা নিয়ে বিবাদের জেরে দুজনের মধ্যে চরম ঝামেলা শুরু হয়। ঠিক এই মুহূর্তে অনুরাধার বুকে ছুরি চালিয়ে দেন চন্দ্র মোহন। তারপর সেই ছুরি পেটেও চালান। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন অনুরাধা। এরপর প্রেমিকার দেহ টুকরো টুকরো করে কাটেন মোহন। তার জন্য ছোট পাথর কাটার মেশিনও কিনে এনেছিলেন। মাথা কাটার পর সেটা নিয়ে কালো ব্যাগে মুড়ে অটোয় চড়ে মুসি নদীর ধারে চলে যান অভিযুক্ত। একইভাবে বাড়ি ফিরে অনুরাধার দেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেন। যাতে দুর্গন্ধ না বেরোয়, তার জন্য গোটা বাড়িতে প্রচুর সুগন্ধিও ছড়ানো হয়। কীভাবে দেহ নষ্ট করে ফেলা যায্‌ তার জন্য গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে এ সংক্রান্ত ভিডিও দেখতেন অভিযুক্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Murder: সম্পন্ন হল আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট, আর কোন সত্যি বেরিয়ে আসল?

    Delhi Murder: সম্পন্ন হল আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট, আর কোন সত্যি বেরিয়ে আসল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Delhi Murder) মামলায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার নারকো টেস্ট সম্পন্ন হল। বৃহস্পতিবার সকালে নারকো টেস্টের জন্য তিহার জেল থেকে দিল্লির আমবেদকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সম্প্রতি আফতাবের উপর ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বাইরে হামলার চালানো হয়। সেই ঘটনা থেকে সতর্ক হয়ে এবার নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরেই আফতাবকে জেল থেকে বের করা হয়। আমবেদকর হাসপাতালে প্রথমে তাঁর মেডিক্যাল চেক আপ করা হয়। ব্লাড প্রেসার, পালস রেট, হার্ট বিট, বডি টেম্পারেচার। শরীরের সমস্ত প্যারামিটার ঠিক আছে দেখেই শুরু হয় নারকো টেস্টের প্রক্রিয়া। একটি সম্মতিপত্রে তাকে দিয়ে এই টেস্টের জন্য স্বাক্ষরও করানো হয়েছে। পলিগ্রাফ টেস্টের পর এবার নারকো টেস্টেও কী সত্যি বেরিয়ে আসে এখন তাই দেখার পালা।

    নারকো টেস্টে কী প্রশ্ন করা হয় আফতাবকে?

    সূত্রের খবর, নারকো টেস্টে প্রথমেই আফতাবকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন সে শ্রদ্ধাকে খুন (Delhi Murder) করেছিল? এটা কি পরিকল্পনা করে খুন? শ্রদ্ধাকে খুন করার পর ধাপে ধাপে কী কী কাণ্ড ঘটিয়েছিল আফতাব? শ্রদ্ধাকে ভালোবাসা সত্ত্বেও পরবর্তীকে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হল কেন? কোনও ধারাল বস্তু দিয়ে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল কি না? কী ভাবে দেহ  লোপাট করল? কোন কোন স্থানে দেহের টুকরো অংশগুলি ফেলেছিল? এছাড়াও তার ছেলেবেলা কেমন কেটেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে আফতাব পুনাওয়ালাকে।

    উত্তরে কী বলেছে আফতাব (Delhi Murder) তা এখনও জানা যায়নি। ফরেন্সিক সাইকোলজি বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক মেডিসিন চিকিৎসক এবং ছবি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে হয় এই পরীক্ষা। ১১:৪৫ নাগাদই শেষ হয়ে যায় আফতাবে নারকো টেস্ট। এরপর তাকে কড়া নিরাপত্তা বলয়েই তিহার জেলে ফিরিয়ে আনা হয়। 

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে অস্ত্র-বোমা কারখানার সন্ধান, ধৃত ২

    পলিগ্রাফ টেস্টে কী জানিয়েছিল আফতাব? 

    দিল্লি পুলিশ জানায়, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আফতাব অত্যন্ত শান্ত হয়ে বসে ছিল। কোনও কোনও সময় তাকে বেপরোয়া এবং আত্মবিশ্বাসীও মনে হয়েছে পুলিশের। প্রথমদিকে সব প্রশ্নের উত্তরবাব দিলেও সন্ধ্যার পর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয় পলিগ্রাফ টেস্ট। তিনদিন ধরে আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট করে দিল্লি পুলিশ। পলিগ্রাফ টেস্টে আফতাব স্বীকার করে নিয়েছে যে সেই শ্রদ্ধাকে খুন করেছে। শ্রদ্ধা তার সঙ্গে থাকতে চান নি। আর তাতেই রেগে যায় আফতাব। রাগের মাথায় শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে খুন (Delhi Murder) করে সে। পরে দেহ কেটে টুকরো টুকরো করে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Nikki Yadav: ২০২০ সালেই নিক্কিকে বিয়ে করেন সাহিল? দিল্লি হত্যা মামলায় নয়া মোড়

    Nikki Yadav: ২০২০ সালেই নিক্কিকে বিয়ে করেন সাহিল? দিল্লি হত্যা মামলায় নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিক্কি যাদব (Nikki Yadav) হত্যা মামলায় পরতে পরতে রহস্য। একের পর এক ভয়ঙ্কর তথ্য আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। এবার এই কাহিনীতে এল এক নয়া মোড়। নিক্কিকে নাকি ৩ বছর আগেই ২০২০ সালে বিয়ে করেছিল সাহিল। তাঁদের বিয়ের সার্টিফিকেট পুলিশের হাতে এসেছে। এরপরেই ফের নতুন করে সাহিল গেহলটকে জেরা শুরু করছে দিল্লি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন জানা গিয়েছে যে, ২০২০ সালে মন্দিরে গিয়ে নিক্কিকে বিয়ে করেছিলেন সাহিল। বিয়ের কথা সাহিল তাঁর বাবা বীরেন্দর সিংহকেও জানিয়েছিলেন। তবুও তাঁকে ফের জোর করে বিয়ে দেন বীরেন্দর।

    কী জানা গিয়েছে? 

    পুলিশের দাবি, সাহিল জানিয়েছেন নিক্কিকে (Nikki Yadav) খুন করার কথা বীরেন্দরকে জানিয়েছিলেন তিনি। এরপরেও সে দিন বিয়ে সেরে ফেলার জন্য ছেলেকে জোর করেছিলেন বীরেন্দর। দিল্লি পুলিশ বীরেন্দরকেও গ্রেফতার করেছে। বীরেন্দরের পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে সাহিলের দুই বন্ধু এবং দুই তুতো ভাইবোনকেও। শুক্রবার আদালতে ওই ৫ জনকে পেশ করা হলে তাঁদের ৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। যে মন্দিরে নিক্কি এবং সাহিল বিয়ে করেছিলেন, সেই মন্দিরের পুরোহিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “এখন রঞ্জনকে গ্রেফতার করে কী হবে?” হতাশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    সংবাদমাধ্যমসূত্রে জানা গিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নবীন (Nikki Yadav) নামে দিল্লির এক পুলিশ আধিকারিকের যোগসূত্র রয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, নবীন সম্পর্কে সাহিলের মাসির ছেলে। এমনকি, খুনের প্রমাণ লোপাটে ওই পুলিশ আধিকারিক সাহিলকে সাহায্য করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    এই মামলায় সাহিলের দুই বন্ধু এবং দুই তুতো ভাইবোনের নামও জড়িয়েছে (Nikki Yadav)। পুলিশের অনুমান, সাহিলের বাবার পাশাপাশি ওই চার জন মিলে নিক্কিকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন। তাই চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এএনআই সূত্রে খবর, বাগদান পর্ব সেরে ওই রাতেই সাহিল গ্রামের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। সাহিলের দুই বন্ধু এবং দুই তুতো ভাইবোন বার বার ফোন করছিলেন সাহিলকে। কিন্তু ফোন না ধরায় তাঁরা আন্দাজ করে নেন যে, সাহিল তাঁর প্রেমিকা নিক্কির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। সাহিলকে খুঁজতে গ্রামের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন চার জন।

    সাহিল ফোন ধরে জানান, পশ্চিম বিহারের কাছে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হাজির হন ওই চার জন (Nikki Yadav)। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে তাঁরা দেখেন, সাহিলের গাড়ির ভিতর রয়েছে নিক্কির মৃতদেহ। অভিযোগ, নিক্কির দেহ সরাতে সাহিলকে সাহায্য করেছিলেন তাঁর দুই তুতো ভাইবোন এবং দুই বন্ধু। দেহ সরানোর পর আবার তাঁরা সাহিলকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। পুলিশের সন্দেহ রাগের মাথায় নয়, বরং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিকল্পনা করেই নিক্কিকে খুন করেছিল সাহিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Delhi Murder: প্রেমিকাকে খুন করে ফ্রিজে রেখেই দ্বিতীয় বিয়ে! জেরায় স্বীকারোক্তি ধৃত ধাবা-মালিকের

    Delhi Murder: প্রেমিকাকে খুন করে ফ্রিজে রেখেই দ্বিতীয় বিয়ে! জেরায় স্বীকারোক্তি ধৃত ধাবা-মালিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যাকাণ্ডের (Delhi Murder) পুনরাবৃত্তি! আরও একবার ভয়ঙ্করতায় শিউড়ে উঠল গোটা দেশ। লিভ-ইন সঙ্গিনীকে খুন করে দেহ টুকরো-টুকরো করে ধাবার ফ্রিজের মধ্যে রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ধাবার মালিক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এবারও ঘটনাস্থল সেই দিল্লি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ভালোবাসার দিন, ১৪ ফেব্রুয়ারিতেই। নিষ্ঠুরতা এখানেই শেষ নয়। লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ টুকরো-টুকরো করে ফ্রিজে রেখে অন্য এক মহিলাকে বিয়েও করেন যুবক। এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হল না। মঙ্গলবার ওই প্রেমিককে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেমিকের নাম সাহিল। দিল্লির (Delhi Murder) নজফগঢ়ের মিত্রাও গ্রামে থাকতেই এই যুবক। ২২ বছরের নিকিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে, তাঁর দেহ টুকরো-টুকরো করে এক ধাবার ফ্রিজে সংরক্ষিত করে রাখেন ওই যুবক। ধাবাটি দিল্লি সীমান্তের বাইরে মিত্রাও গ্রামে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে প্রকাশ্যে এসেছে ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    আরও পড়ুন: দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঁড়িতে হার্দিক-নাতাশা, ভাইরাল ছবি

    কীভাবে খুন?  

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সাহিল এবং হরিয়ানার ঝর্জ্ঝরের বাসিন্দা (Delhi Murder) নিকির মধ্যে বহুদিনের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে উত্তমনগর এলাকায় একটি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় থেকেই তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন। গ্রেটার নয়ডায় একই কলেজে পড়াশোনা করতেন তাঁরা। কলেজের পাশেই একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভইন করতেন তাঁরা। করোনার লকডাউনে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ফিরে গেলেও লকডাউন উঠে গেলে ফের একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। তখন দ্বারকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করেন তাঁরা।

    সাহিল কখনও বাড়িতে নিকির কথা জানাননি। ফলে সাহিলের পরিবার তাঁর অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ছিল বিয়ে। সাহিলের বিয়ের ঠিক আগের দিন গত ৯ ফেব্রুয়ারি জানতে পারেন নিকি। মেনে নিতে পারেননি তিনি। ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সাহিলের সঙ্গে এই বিষয়ে তাঁর ঝামেলা হয়। সেই রাতে কাশ্মীরি গেটের কাছে একটি বাড়িতে ছিলেন তাঁরা। সেখানেই সাহিল তার মোবাইলের ডেটা কেবিল দিয়ে নিকির গলা পেঁচিয়ে, শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করেন বলে অভিযোগ।

    মিত্রাও গ্রামে সাহিলের ধাবা রয়েছে। নিকিকে খুন করার পর ঘটনাটি (Delhi Murder) গোপন করতে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে ওই ধাবার ফ্রিজে রেখে দেয় সাহিল। তারপর ঠাণ্ডা মাথায় পরিবারের পছন্দ করা মেয়েকে বিয়েও করেন। কিন্তু এরপরেও হল না শেষরক্ষা। মঙ্গলবার ভ্যালেন্টাইন ডে-তেই তার কুকীর্তি প্রকাশ্যে আসে এবং সাহিলকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Delhi Murder: ধাবার ফ্রিজ থেকে উদ্ধার মহিলার দেহ, ফের দিল্লিতে চাঞ্চল্য

    Delhi Murder: ধাবার ফ্রিজ থেকে উদ্ধার মহিলার দেহ, ফের দিল্লিতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক খুনের নিষ্ঠুরতায় কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ (Delhi Murder)। রাতারাতি সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন দিল্লির বাসিন্দা। প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছিল শ্রদ্ধাকে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দিল্লির আরও একটি খুনের ঘটনা সামনে এল। রাজধানীর এক ধাবার ফ্রিজ থেকে এক মহিলার  মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।    

    দিল্লির বাবা হরিদাস নগর থানায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। দিল্লির পুলিশের (Delhi Murder) তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের নাম সাহিল গেহলট। অভিযুক্ত ওই ধাবার মালিক। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে, ওই মহিলাকে খুনের পর ধাবার ফ্রিজে লাশ লুকিয়ে রাখে খুনি। ফ্রিজ থেকে ওই মহিলার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, কাশ্মীর গেট আইএসবিটির কাছে একটি গাড়িতে ওই মহিলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তারপর গাড়িতে করেই সেই দেহ নিয়ে আসেন ধাবায়। কেউ যাতে টের না পায়, তাই ফ্রিজের ভিতর ওই দেহ লুকিয়ে রাখেন। দেহটি লোপাট করার চেষ্টা করছিলেন সাহিল। কিন্তু তার আগেই ধরা পড়ে যান।  

    গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পায় যে (Delhi Murder), ধাবার ভিতরে একটি দেহ লুকিয়ে রাখা আছে। সেই খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযানে যায় পুলিশ। ধাবায় তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর শেষেমেশ ধাবার ভিতরই একটি ফ্রিজের ভিতর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: শিক্ষক পদে চাকরির ‘পরীক্ষা’-র দাবিতে ডিগ্রিধারীদের অন্দোলনে অনুমতি হাইকোর্টের

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মহিলার বয়স ২৬ (Delhi Murder)। থাকতেন দিল্লির উত্তম নগরে। সাহিলের সঙ্গে প্রেম ছিল তাঁর। কিন্তু মহিলা সম্প্রতি জানতে পেরেছিলেন যে, অন্য একটি মহিলার সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন সাহিল। তাঁকে বিয়ে করার কথাবার্তাও চলছিল। প্রেমিকা বিষয়টি জানতে পেরে যাওয়াতেই এই খুন বলে অনুমান করা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Murder: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন করে গ্রেফতার যুবক

    Murder: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন করে গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন (Murder) করে গ্রেফতার যুবক। শনিবার এ খবর জানিয়েছে দিল্লি (Delhi) পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার মাত্র ছ ঘণ্টার মধ্যেই ফাঁস হয়েছে রহস্যের পর্দা। 

    রহস্যের পর্দা ফাঁস…

    জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের ৩০ তারিখে বছর তিরিশের এক মহিলা ও এক পুরুষকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ফুটপাত থেকে। তাঁরা পড়েছিলেন অরবিন্দ মার্গের সফদারজং হাসপাতালের দু নম্বর গেটের সামনে। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল শরীর। ঘটনাটি নজরে পড়ায় তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় সফদারজং হাসপাতালে। মহিলার আঘাত গুরুতর ছিল। পুরুষটির নাম সাগর। তাঁর শরীরেও একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দুজনেরই। ওই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩০২ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয় নয়াদিল্লির সফদারজং এনক্লেভ থানায়। তার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বছর দেড়েক আগে বছর তিরিশের ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় গন্ধর্ব ওরফে সানির। বিয়ের পর তাঁরা নয়ডায় থাকতে শুরু করেন। নয়ডারই এক হাসপাতালে কাজও করতেন তাঁরা। এই সময় ওই মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় সানির ছোটবেলার বন্ধু সাগরের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে। এনিয়ে মনোমালিন্য হয় সানির সংসারে। পুলিশ জানিয়েছে, সাগরের বাবা মা-র দাবি, গত সপ্তাহে সানি সাগরকে হুমকি দেয়। তার পরেই এই পরিণতি (Murder)। ঘটনার পরেই গা ঢাকা দেয় সানি। তাঁর খোঁজে নয়ডা, গোকুলপুরি, কুসুমপুর ফাঁড়ি, কারকোদামা এবং সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। শেষমেশ গ্রেফতার করা হয় সানিকে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সানি জানিয়েছেন, ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। সাগর তাঁর ছোটবেলার বন্ধু। একই এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সাগরের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। দিন পনের ধরে তাঁর স্ত্রী সাগরের সঙ্গে থাকছিলেনও। সানি বলেন, স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে সাগরকে দু তিনবার বলেছি। তার পরেও সে আমার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক রেছেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, টানা জেরায় সানি জানিয়েছেন, রাগে ছুরি দিয়ে স্ত্রী ও সাগরকে খুন করেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Delhi Murder: “আফতাবের ফাঁসি চাই! আগে তদন্ত হলে আমার মেয়েটা বেঁচে যেত”, বললেন শ্রদ্ধার বাবা

    Delhi Murder: “আফতাবের ফাঁসি চাই! আগে তদন্ত হলে আমার মেয়েটা বেঁচে যেত”, বললেন শ্রদ্ধার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যায় (Delhi Murder) অভিযুক্ত তাঁর প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার ফাঁসির সাজার দাবি করলেন শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়ালকার। আফতাবের পরিবারের  সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিকাশের আক্ষেপ, পুলিশ আরও আগে তদন্ত করলে তাঁর মেয়ে হয়তো আজ বেঁচে থাকত। 

    এই প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়ালকার। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের (Delhi Murder) যথাযথ তদন্ত করা উচিত। আফতাবকে ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত। ওঁর পরিবারের লোকেদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া দরকার। ওদেরও শাস্তি প্রাপ্য।’’

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির টাকা গেল কোথায়? মানিকের ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

    বিকাশের দাবি, অনেক দিন আগেই মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানালেও পুলিশের তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের মানিকপুর এবং বসই থানার অসহযোগিতায় আমি সমস্যায় পড়ি। সময় মতো পুলিশ পদক্ষেপ নিলে আমার মেয়েটা হয়তো বেঁচে থাকত (Delhi Murder)। আমার মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা যেন অন্য  কারোর সঙ্গে না হয়।” 

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করার আগে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রদ্ধার বাবা। এই মামলায় দোষীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ (Delhi Murder) নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দেবে ফড়ণবীস। বিকাশের দাবি, “তুলিঞ্জ, বসই এবং নালাসোপারা থানার পুলিশ তদন্ত বিলম্বিত করছে। এখন অবশ্য দিল্লি এবং বসই পুলিশ যথাযথ তদন্ত করছে।” 

    ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে আফতাব 

    এদিকে শুক্রবার আরও ১৪ দিনের জন্য আফতাবের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুনের অভিযোগে গত ১২ নভেম্বর আফতাব পুনাওয়ালাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। এই মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে তত নতুন নতুন তথ্য পুলিশের হাতে আসছে। ইতিমধ্যেই আফতাবের পলিগ্রাফ এবং নারকো টেস্ট করানো হয়েছে। লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুনের কথা নিজে মুখে স্বীকার করেছে আফতাব। নারকো পরীক্ষায় অবচেতন মনে শ্রদ্ধাকে হত্যার (Delhi Murder) কথা স্বীকার করেছে আফতাব। পরীক্ষার সময় আফতাব দাবি করেছে, রাগ ও ক্ষোভের বশেই সে শ্রদ্ধাকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি সে জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৭টি অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, হত্যার পর সেই সব অস্ত্র সে কোথায় ফেলেছে, তাও জেরায় জানিয়েছে আফতাব। শ্রদ্ধার মোবাইল ও জামাকাপড় কোথায় ফেলেছে, তাও জানিয়েছে আফতাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Delhi Murder: প্লাস্টিকে বাবার মাথা ভরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছেলে, দিল্লি হত্যার রোমহর্ষক ভিডিও প্রকাশ পুলিশের

    Delhi Murder: প্লাস্টিকে বাবার মাথা ভরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছেলে, দিল্লি হত্যার রোমহর্ষক ভিডিও প্রকাশ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষ্মী হয়েছে রাজধানী দিল্লি। শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার পর আরও এক হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল শহর। দিল্লিতে সৎবাবাকে হত্যা (Delhi Murder) করে দেহ ১০ টুকরো করার অভিযোগে গত সোমবার গ্রেফতার হয়েছেন দীপক দাস ও তার মা পুনম দাস। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। 

    ভিডিওতে দেখা যায়, দিল্লির একটি মাঠে প্লাস্টিক ব্যাগ (Delhi Murder) নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দীপক। কি‌ছুক্ষণ পর ব্যাগটি মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করেন তিনি। সিসিটিভি ফুটেজে এই দৃশ্য দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই মাঠের মধ্যে তার সৎবাবার কাটা মাথা পুঁতে দিতে গিয়েছিলেন দীপক। 

    আরও পড়ুন: ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ এখনই নয়, কেন বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?  

    জুন মাসে মায়ের কথায় সৎবাবা অঞ্জন দাসকে হত্যা (Delhi Murder) করেন দীপক। দিল্লির পাণ্ডব নগরের বাসিন্দা ছিলেন তারা। পুনমের দাবি, অঞ্জন তাঁকে না জানিয়েই তাঁর গয়না বিক্রি করে দিয়েছিলেন। গয়না বিক্রির টাকা অঞ্জন তাঁর প্রথম স্ত্রীকে পাঠাতেন। বিহারে আট ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসার ছিল অঞ্জনের প্রথম স্ত্রীর। সংসার চালানোর টাকা দিতে অঞ্জন গয়না বিক্রি করেছিলেন বলে অভিযোগ পুনমের। 

    কী ঘটেছে? 

    বিষয়টি জানতে পেরেই স্বামীর ওপর রেগে গিয়েছিলেন পুনম। ছেলে দীপকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে অঞ্জনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ জানতে পারে,অঞ্জনের পানীয়তে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন অভিযুক্তরা। অঞ্জন অজ্ঞান হয়ে গেলে তার গলায় কুঠার দিয়ে কোপ মেরে হত্যা (Delhi Murder) করা হয়। সারা রাত ধরে মরদেহ থেকে রক্ত বের হয়ে যাওয়ার পর পরদিন সকালে ছুরি এবং অন্য একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে অঞ্জনের দেহ ১০ টুকরো করা হয়। তারপর সেসব পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রেখে দেন পুনম ও দীপক। পুলিশ জানিয়েছে, ধারালো অস্ত্রটির খোঁজ মিললেও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এখনো পাওয়া যায়নি। দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া দেহের অংশের ছয়টি টুকরা খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

      
     

  • Delhi Murder: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    Delhi Murder: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে পুলিশের হাতে (Delhi Murder)। শ্রদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের দায়ে বর্তমানে জেলবন্দী আফতাব। এরমধ্যেই তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে পলিগ্রাফ টেস্ট চলাকালীন তাকে প্রায় ৪০টির মত প্রশ্ন করা হয়। আর প্রশ্নের উত্তরে যা যা উত্তর দিয়েছে, তা জানলে আপনার গা শিউরে উঠবে। আফতাব জানিয়েছে, ফাঁসিতে টাঙানো হলেও নাকি তার কোনও আফসোস থাকবে না, বরং সে জন্নতের হুর পাবে। আরও এমন এমন দাবি করেছে, যা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন।

    শ্রদ্ধাকে খুন করে ‘জন্নত হাসিল’

    পলিগ্রাফ টেস্ট চলাকালীন শ্রদ্ধাকে খুন করার (Delhi Murder) বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলেছে, ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে হুর পাব।’  সে আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধার খুনে তাকে ফাঁসির সাজা দিলেও তাতে সে দুঃখিত হবে না, বরং সে যখন জন্নতে প্রবেশ করবে, তখন তাকে নায়ক হিসাবে স্মরণ করা হবে।

    আরও পড়ুন: আফতাবের উপর হামলা! ধৃত ২ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    পলিগ্রাফ টেস্ট আর কী কী বলল?

    আফতাব পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, সে শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন ২০টিরও বেশি হিন্দু মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করতে এবং তাদের ফাঁদে ফেলার জন্য বাম্বল (Bumble) অ্যাপ ব্যবহার করত সে। শ্রদ্ধাকে খুনের পর আফতাব তার অ্যাপার্টমেন্টে একজন সাইকোলজিস্টকেও নিয়ে এসেছিল। তিনিও হিন্দু নারী ছিলেন। আফতাব আরও জানিয়েছে, তাঁকে একটি আংটিও দিয়েছিল, যেটি শ্রদ্ধারই ছিল (Delhi Murder)। আফতাব আরও বলেছে, শ্রদ্ধাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করতে তার একটুও খারাপ লাগেনি। তার পরিকল্পনা ছিল মুম্বইতেই শ্রদ্ধাকে খুন করে কেটে ফেলা (Delhi Murder)।

    এই নিয়ে মোট তিনবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে আফতাবের। কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আরও একবার ধৃতের পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের দাবি, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আফতাব এমন কিছু সত্যি সামনে এনেছে যা তদন্তের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনেকটাই সাহায্য করছে। উল্লেখ্য, দিল্লির একটি আদালত পুলিশকে পাঁচ দিনের মধ্যে নারকো টেস্ট শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই পরীক্ষার পরে আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে, তারই অপেক্ষায় দেশবাসী। 

  • Delhi Murder: রিহ্যাব থেকে ফিরেই গোটা পরিবারকে কুপিয়ে খুন করল মাদকাসক্ত যুবক

    Delhi Murder: রিহ্যাব থেকে ফিরেই গোটা পরিবারকে কুপিয়ে খুন করল মাদকাসক্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার রেশ এখনও কাটেনি। ফের এক মর্মান্তিক ঘটনার (Delhi Murder) সাক্ষী হল রাজধানী দিল্লি। মাদকে নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে রিহ্যাব কেন্দ্রে গিয়েছিল এক যুবক। বাড়ি ফেরার পরদিনই মাদকাশক্ত অবস্থায় গোটা পরিবারকে কুপিয়ে খুন করল সে। বাড়িতেই বাবা, মা, বোন ও ঠাকুমাকে কুপিয়ে ও গলার নলি কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। খুন করার পর পালানোর চেষ্টা করলে আত্মীয়ারা যুবককে ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। দেহগুলিকে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে। জানা গিয়েছে অভিযুক্তের বয়স ২৫ বছর। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর ভূমিকায় ফের ‘অসন্তুষ্ট’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অভিযুক্ত যুবকের নাম কেশব। মাদকের নেশায় পড়াশোনা ভুলেছিল সে। চাকরিতেও ছিল অনীহা। তা এই সর্বনাশা নেশা থেকে ছেলেকে মুক্ত করতে পুনর্বাসন কেন্দ্রে রেখে এসেছিল তার পরিবার। সোমবারই রিহ্যাব সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরে কেশব। এরপর মঙ্গলবার রাতে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে তুমুল ঝামেলা বাধে তার। জানা গিয়েছে, মাদক দ্রব্য কেনার জন্য টাকা চেয়েছিল যুবক। যা দিতে অস্বীকার করে বাড়ির লোকেরা। এর পরেই একে একে বাবা, মা, বোন ও ঠাকুমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলার নলি কেটে খুন করে সে।

    চিৎকার শুনে পুলিশকে ফোন করেন প্রতিবেশী 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদক আসক্তির জন্যেই দীপাবলির সময় চাকরি খোয়া যায় যুবকের। খুনের সময়ও নেশাগ্রস্ত ছিল সে। ওই অবস্থায় ঠাকুমা দিওয়ানা দেবী (৭৫), বাবা দিনেশ কুমার (৫০), মা দর্শনা (৪২) ও বোন উর্বশীকে (১৮) নৃশংস ভাবে হত্যা করে সে। দিনেশ ও দর্শনার দেহ পুলিশ উদ্ধার করে বাথরুম থেকে। অন্য একটি ঘরে ছিল দিওয়ানা দেবী ও উর্বশীর দেহ। খুনের পর পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত যুবক। যদিও আত্মীয়-প্রতিবেশীরা যুবককে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    পুলিশের তরফে আরও জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাদের কাছে ফোন আসে। এক ব্যক্তি জানান, পাশের বাড়ি থেকে আর্তচিৎকার শোনা যাচ্ছে একাধিক মানুষের। হয়তো সেখানে ভয়ঙ্কর কোনও ঘটনা ঘটেছে। ফোন পেয়েই তড়িঘড়ি ছুটে আসে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান গোটা ঘর রক্তে ভাসছে, চারজনের দেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশকে দেখতে পেয়েই অভিযুক্ত যুবক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাঁকে ধরে ফেলে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     

     

     

LinkedIn
Share