Tag: Delhi Murder Case

Delhi Murder Case

  • Narco Test: আফতাবের নার্কো টেস্ট করা হল, এই টেস্টে কী হয়?

    Narco Test: আফতাবের নার্কো টেস্ট করা হল, এই টেস্টে কী হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফতাব আমিন পুনাওয়ালার নার্কো টেস্ট (Narco Test) করা হয়েছে। আজও চলবে পরীক্ষা। দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আফতাব তদন্তে সহযোগিতা করছে না, এমনই অভিযোগ ছিল তদন্তকারী আধিকারিকদের। ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করা হয় শ্রদ্ধাকে। তারপর দেহ লোপাটের জন্য ৩৫টি টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে দেয় আফতাব। হত্যার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহার করে সে। খুন সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে নার্কো টেস্টের (Narco Test) আবেদন করে পুলিশ। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে।সেই মতো গতকাল নার্কো টেস্ট করানো হয় আফতাবের।

    আরও পড়ুন: দেশে ফের একপ্রস্ত কমল বেকারত্বের হার, কত হল জানেন?

    কী এই নার্কো টেস্ট (Narco Test)?

    নার্কো টেস্টের (Narco Test) সাহায্যে যে কোনও ব্যক্তিকে সত্য কথা বলানো যায় বলে মনে করা হয়। তবে এই ধারণা ১০০ শতাংশ সঠিক নয়। আজ অবধি প্রমাণও হয়নি। নার্কো টেস্টের সময় ব্যক্তির শরীরে sodium pentothal  এর ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এই ইঞ্জেকশন ‘truth serum’ নামে পরিচিত। এই ইঞ্জেকশনের প্রভাবে ব্যক্তির চেতনা কমে যায়। অভ্যাস অনুযায়ী ব্যক্তি কথা বলতে পারেনা। চেতনার এই স্তরকে বলা হয় hypnotic state, পরীক্ষকদের মতে এই সময় ব্যক্তিকে যে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, সে বিষয়েই সত্য কথা বলতে থাকে। নার্কো টেস্ট (Narco Test) সম্পন্ন হয় একজন করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ,সাইক্রিয়াটিস্ট এবং তদন্তকারী অফিসারের উপস্থিতিতে।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে পিছিয়ে গেল কেষ্টর দিল্লি যাত্রা, পরবর্তী শুনানি ১ ডিসেম্বর

    নার্কো টেস্টের(Narco Test) আগে ব্যক্তির মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়। প্রেশার, সুগার, পালস রেট সব কিছু স্বাভাবিক আছে  কী না দেখা হয়। বয়স, লিঙ্গ অনুযায়ী ইঞ্জেকশনের  ডোজ আলাদা হয়।

    আরও পড়ুন:বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি জাকির নায়েককে, ভারতকে জানিয়ে দিল কাতার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Murder: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন করে গ্রেফতার যুবক

    Murder: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন করে গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে নৃশংসভাবে খুন (Murder) করে গ্রেফতার যুবক। শনিবার এ খবর জানিয়েছে দিল্লি (Delhi) পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার মাত্র ছ ঘণ্টার মধ্যেই ফাঁস হয়েছে রহস্যের পর্দা। 

    রহস্যের পর্দা ফাঁস…

    জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের ৩০ তারিখে বছর তিরিশের এক মহিলা ও এক পুরুষকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ফুটপাত থেকে। তাঁরা পড়েছিলেন অরবিন্দ মার্গের সফদারজং হাসপাতালের দু নম্বর গেটের সামনে। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল শরীর। ঘটনাটি নজরে পড়ায় তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় সফদারজং হাসপাতালে। মহিলার আঘাত গুরুতর ছিল। পুরুষটির নাম সাগর। তাঁর শরীরেও একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দুজনেরই। ওই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩০২ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয় নয়াদিল্লির সফদারজং এনক্লেভ থানায়। তার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বছর দেড়েক আগে বছর তিরিশের ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় গন্ধর্ব ওরফে সানির। বিয়ের পর তাঁরা নয়ডায় থাকতে শুরু করেন। নয়ডারই এক হাসপাতালে কাজও করতেন তাঁরা। এই সময় ওই মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় সানির ছোটবেলার বন্ধু সাগরের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে। এনিয়ে মনোমালিন্য হয় সানির সংসারে। পুলিশ জানিয়েছে, সাগরের বাবা মা-র দাবি, গত সপ্তাহে সানি সাগরকে হুমকি দেয়। তার পরেই এই পরিণতি (Murder)। ঘটনার পরেই গা ঢাকা দেয় সানি। তাঁর খোঁজে নয়ডা, গোকুলপুরি, কুসুমপুর ফাঁড়ি, কারকোদামা এবং সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। শেষমেশ গ্রেফতার করা হয় সানিকে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সানি জানিয়েছেন, ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। সাগর তাঁর ছোটবেলার বন্ধু। একই এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সাগরের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। দিন পনের ধরে তাঁর স্ত্রী সাগরের সঙ্গে থাকছিলেনও। সানি বলেন, স্ত্রীকে ছেড়ে দিতে সাগরকে দু তিনবার বলেছি। তার পরেও সে আমার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক রেছেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, টানা জেরায় সানি জানিয়েছেন, রাগে ছুরি দিয়ে স্ত্রী ও সাগরকে খুন করেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Murder: লাভ-জিহাদ রোধে নয়া আইন! জানেন শ্রদ্ধা খুনে কী বললেন শিবরাজ?

    Shraddha Murder: লাভ-জিহাদ রোধে নয়া আইন! জানেন শ্রদ্ধা খুনে কী বললেন শিবরাজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর খুনের ঘটনায় ‘লভ জিহাদ’-এর প্রসঙ্গ টেনে কঠিন মনোভাব ব্যক্ত করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। প্রয়োজনে ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে নতুন আইন চালু করার কথাও বলেন তিনি। নিজের রাজ্যেও এই নিয়ে নতুন আইন আনবেন তিনি, এমনই জানান শিবরাজ।

    কী বললেন শিবরাজ

    এক অনুষ্ঠানে গিয়ে শিবরাজ জানান, মেয়েদের ‘কেটে ৩৫ টুকরো’ করা বরদাস্ত করবে না মধ্যপ্রদেশ। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা শ্রদ্ধা দিল্লির ফ্ল্যাটে তাঁর লিভ ইন পার্টনারের হাতে খুন হন। তাঁর প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগ, শ্রদ্ধাকে তিনি খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করেছেন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শিবরাজ ‘লভ জিহাদ’-এর প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ‘‘এটা তো প্রেম (লভ) নয়। এটা তো প্রেমের নামে জিহাদ। মধ্যপ্রদেশের মাটিতে কোনও মূল্যেই আমি এই ধরনের ‘লভ জিহাদ’-এর খেলা বরদাস্ত করব না।’’ শিবরাজ বলেন, ‘‘আমাদের মেয়েদের ভুলিয়ে ভালিয়ে কেউ বিয়ে করবে, তার পর তাঁকে ৩৫ টুকরো করে কাটবে, আর আমরা সেটা হতে দেব? আমরা কখনও এটা হতে দিতে পারি না। তাই প্রয়োজনে এর বিরুদ্ধে আমরা কড়া আইন আনব।’’উল্লেখ্য, ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে কড়া আইন প্রণয়ন করার কথা শিবরাজই প্রথম বললেন না। এর আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছিলেন, গোটা দেশেই ‘লভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে কড়া আইন আনা দরকার।

    আরও পড়ুন: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    কী করছেন আফতাব

    অন্যদিকে, লিভ-ইন সঙ্গীকে খুন করে তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করার অপরাধে জেলে রয়েছে আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। সেখানে সময় কাটানোর জন্য জেল কর্তৃপক্ষের কাছে গল্পের বই চেয়েছেন আফতাব। তাকে তার পছন্দসই একটি বইও দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জেলে অধিকাংশ সময়ই আফতাব দাবা খেলে কাটাচ্ছে। তার বুদ্ধি যে কতটা তীক্ষ্ণ, তা দাবার চাল দেখেই বোঝা যাচ্ছে। দিনের একটা বড় সময়ই সে দাবার চাল নিয়ে চিন্তাভাবনা করে কাটায়। নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ হিসাবেও দাবা খেলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Walkar: মাদকাসক্ত ছিল আফতাব, রিহ্যাব সেন্টারেও নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন শ্রদ্ধা, দাবি মুম্বই অভিনেতার

    Shraddha Walkar: মাদকাসক্ত ছিল আফতাব, রিহ্যাব সেন্টারেও নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন শ্রদ্ধা, দাবি মুম্বই অভিনেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর (Shraddha Walkar) হত্যাকাণ্ডে ফের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এল। জানা গিয়েছে যে, আফতাব মাদকাসক্ত ছিল ও প্রায় ২-৩ বছর ধরে সে নিয়মিত মাদক সেবন করত। আর এ কথা দাবি করেন মুম্বইয়ের এক অভিনেতা ইমরান নাজির খান। তিনি বলেন, শ্রদ্ধা নিজেই ২ বছর আগে তাঁকে এই কথাগুলো বলেছিলেন ও আফতাবকে নেশা মুক্ত করার জন্য তাঁর কাছে রিহ্যাব সেন্টারের খোঁজও করেছিলেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন ইমরান। তিনি আরও দাবি করেছেন যে, শ্রদ্ধা যে আফতাবের সঙ্গে ভালো নেই, সেই কথাও শ্রদ্ধা (Shraddha Walkar) ইমরানকে জানিয়েছিলেন।

    মাদকাসক্ত ছিল আফতাব, দাবি মুম্বই অভিনেতার

    অভিনেতা ইমরান সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি কয়েকদিন মুম্বইয়ের বাইরে নিজের শহর কাশ্মীরের কুপওয়ারার চৌকিবলে ছিলেন, যার ফলে মুম্বইয়ে কী ঘটছে, তা তিনি জানতেন না। পরে যখন তিনি মুম্বইয়ে আসলেন, তারপর শ্রদ্ধার খুনের খবর শুনে তিনি হতবাক। তারপরেই তিনি সংবাদমাধ্যমে এই খবর দেন। তিনি বলেন, “শ্রদ্ধার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। ২০২১-এ ফেব্রুয়ারিতে শ্রদ্ধা আমাকে বলেছিলেন, ওঁর জীবন নরকের মত হয়ে উঠেছে। প্রেমিক আফতাব নিয়মিত মাদক সেবন করে। গত ২ থেকে ৩ বছর ধরে সে মাদকাসক্ত। আফতাবকে রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানোর কথাও ভেবেছিলেন শ্রদ্ধা। আমাকে তেমন কোনও সংস্থার সঙ্গে যোগযোগ করিয়ে দিতে বলেছিলেন।’’

    আরও পড়ুন: ‘রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম…’ আদালতে জানাল ‘কিলার’ আফতাব

    তিনি আরও জানিয়েছেন, শ্রদ্ধা (Shraddha Walkar) চেয়েছিলেন তিনি যেন আফতাবকে রিহ্যাবে পাঠাতে তাঁকে সাহায্য করে। তাই তিনি শ্রদ্ধাকে সাহায্য করতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু তার পরে শ্রদ্ধা দিল্লি চলে যাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। ফলে আফতাবের নেশা ছাড়ানোর জন্য রিহ্যাব সেন্টারের খোঁজ আর শ্রদ্ধাকে দিতে পারেননি ইমরান।

    কে এই ইমরান নাজির খান?

    ইমরান নাজির খান একজন টিভি অভিনেতা। তিনি বিভিন্ন সিরিয়াল যেমন- গাঠবন্ধন (কালারস হিন্দি), আলাদিন – নাম তো সুনা হোগা (সাব টিভি), মরিয়ম খান রিপোর্টিং লাইভ (স্টার প্লাস), হামারি বহু সিল্ক (জি টিভি), ম্যাডাম স্যার (সাব টিভি)- তে অভিনয় করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি একজন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারও। অন্যদিকে তিনি তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম এবং কন্নড় চলচ্চিত্রেও সাপোর্টিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আবার তিনি বেশ কয়েকটি এনজিওর সঙ্গেও জড়িত আছেন এবং একজন পরিচিত সমাজকর্মীও ইমনরান। তিনি গরীব শিশুদের শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ দিয়ে সহায়তা করেন।

  • Baruipur: বারুইপুর হত্যাকাণ্ডে দিল্লির-শ্রদ্ধা খুনের ছায়া! বাবার দেহ টুকরো করল ছেলে

    Baruipur: বারুইপুর হত্যাকাণ্ডে দিল্লির-শ্রদ্ধা খুনের ছায়া! বাবার দেহ টুকরো করল ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরে (Baruipur) হত্যাকাণ্ডে দিল্লিতে শ্রদ্ধা-খুনের ছায়া। পুলিশ সূত্রে খবর, দিল্লির (Delhi) শ্রদ্ধা-হত্যার ঘটনা দেখেই খুন করে প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী উজ্জ্বল চক্রবর্তীর দেহ টুকরো করে প্রমাণ লোপাটের ছক কষে  তাঁর স্ত্রী ও ছেলে। 

    দেহ টুকরো করে লোপাটের চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, বারুইপুরের প্রাক্তন নৌসেনাকর্মী উজ্জ্বল চক্রবর্তীকে খুন করেছেন তাঁর ছেলে ও স্ত্রী। তারপর মাকে সঙ্গে নিয়েই শৌচাগারে বাবার দেহ টুকরো করে ছেলে। করাত দিয়ে ৬ টুকরো করা হয় দেহ। তিনবারে সরানো হয় প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর দেহাংশ। প্রথমবার মাকে নিয়ে সাইকেলে চাপিয়ে দেহাংশ পুকুরে ফেলে আসে ছেলে। পরে আরও দু’বার একাই সাইকেলে দেহাংশ নিয়ে ফেলে আসে ছেলে জয়।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হয়েছে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    গার্হস্থ্য হিংসার জের

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নৌসেনা থেকে অবসরের পর সারাক্ষণ নেশা করতেন উজ্জ্বল। তাঁর ছেলে জয় চক্রবর্তী পলিটেকনিক নিয়ে পড়াশোনা করে। ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় কোর্স ফি দেওয়া নিয়ে বাবার সঙ্গে বিবাদ বাধে ছেলের। এর জেরে ছেলের গায়ে হাত তোলে বাবা। বাবাকেও ধাক্কা দেয় জয়। মাটিতে পড়ে যান উজ্জ্বল। স্ত্রী শ্যামলীর গায়েও হাত তোলেন উজ্জ্বল। তাঁকে আটকাতে গিয়ে তাঁর গলা টিপে ধরে ছেলে। তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করে জয়। জেরায় জয় জানিয়েছে, সে বুঝতে পারেনি বাবা মারা যাবেন। কিন্তু পরে যখন বুঝতে পারে তখন ভয় পেয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে। ঘটনার সময় সামনেই ছিলেন উজ্জ্বলবাবুর স্ত্রী শ্যামলী। বারুইপুর পুলিশের এসপি বলেন, “ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স ও নেশা করা যে সমাজের জন্য কতটা ক্ষতিকর, এই ঘটনা তারই প্রমাণ।”

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    কীভাবে মিলল দেহ

    গত ১৭ নভেম্বর বারুইপুর –মল্লিকপুর সড়কের পাশে মদনমাল্য গ্রামের পুকুর থেকে উদ্ধার হয় উজ্জ্বলবাবুর দেহ। দেহের হাত পা ছিল কাটা। দেহটি গোসাপ খাচ্ছিল। তাই দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। শ্যামলীদেবী দেহ সনাক্ত করেন। তিনি জানান ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় নেশা করতে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে সময়ের কথা শ্যামলীদেবী বলছেন, তখন বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায়নি উজ্জ্বলবাবুকে। এর পরই মা ও ছেলেকে লাগাতার জেরা শুরু করেন গোয়েন্দারা। জেরায় ঘটনার কথা স্বীকার করে জয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share