Tag: Delhi Police

Delhi Police

  • Delhi: জাল পরিচয় পত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক সহ ১১ জন গ্রেফতার

    Delhi: জাল পরিচয় পত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক সহ ১১ জন গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ ভিসা ও পাসপোর্ট তৈরির চক্রের হদিশ পেল দিল্লি পুলিশ (Delhi)। দিল্লিতে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযান চালিয়ে ৫ বাংলাদেশি নাগরিক সহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সাথে জড়িত বলে সন্দেহ পুলিশের। ২৪ ডিসেম্বর, দিল্লি পুলিশ এই ১১ জনকে গ্রেফতার করে। এরা অবৈধ অভিবাসীদের জন্য জাল আধার কার্ড, জন্ম সনদ, এবং অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করছিল। এই চক্রটি প্রধানত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় পরিচয়পত্র পেতে সাহায্য করছিল।

    জাল নথি তৈরির চক্রের হদিশ

    দক্ষিণ দিল্লির (Delhi) ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (DCP) অঙ্কিত চৌহান জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আধার কার্ড অপারেটর, প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ এবং জাল ডকুমেন্ট তৈরি সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছে। তারা সম্প্রতি সান্তো শেখ নামে একজন ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত। সান্তোই এই অভিবাসীদের ভারতে আনার কাজ করত, বলে অনুমান পুলিশের। ডেপুটি কমিশনার অঙ্কিত চৌহান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে অনেক অবৈধ অভিবাসী ভারতীয় বনাঞ্চল বা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। তারপর দিল্লিতে এসে এই চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারাও সান্তো শেখের মাধ্যমেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিল। শেখের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সাহিল নামে একজন ব্যক্তি, যিনি রোহিণী এলাকায় পুণাম কম্পিউটার সেন্টারের মালিক। তারা একসঙ্গে এই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জাল জন্ম সনদ এবং আধার কার্ড তৈরি করছিল।

    আরও পড়ুন: বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে সক্রিয় পুলিশ

    ইতিমধ্যেই পুলিশ (Delhi) একটি ওয়েবসাইট চিহ্নিত হয়েছে, যা এই জাল সনদ তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কমপক্ষে ২২৮টি জাল সনদ তৈরি হয়েছে, তবে পুলিশের সন্দেহ, মোট সংখ্যা হাজারেরও বেশি হতে পারে। গ্রেফতার হওয়া ১১ জনের মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি এবং ৬ জন তাদের ভারতীয় সহযোগী। অবৈধ অভিবাসীরা এই জাল ডকুমেন্ট ব্যবহার করে দিল্লিতে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারত বলে জানান ডেপুটি কমিশনার চৌহান। এই চক্রের অপারেশন সম্পর্কে আরও তথ্য জানার জন্য পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ অভিবাসীদের অবস্থানও চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কতগুলি জাল ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়েছে, তারও খোঁজ চলছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা দিল্লি পুলিশকে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আরও তীব্র অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ১৭৫ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অভিবাসী চিহ্নিত হয়েছে। তাদের ডকুমেন্ট যাচাই করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: দিল্লি পুলিশের অনুপ্রবেশকারী বিরোধী অভিযান, শনাক্ত ১৭৫জন বাংলাদেশি

    Delhi Police: দিল্লি পুলিশের অনুপ্রবেশকারী বিরোধী অভিযান, শনাক্ত ১৭৫জন বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi Police) অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণের কাজে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। গত ১২ ঘণ্টায় দিল্লি পুলিশ ১৭৫ জনকে শনাক্ত করতে পেরেছে, যারা কোনও রকম নথি ছাড়াই বসবাস করছিল দিল্লিতে। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে এই অভিযান শুরু হয় ১১ ডিসেম্বর। গত পরশু অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর নতুন করে ফের একবার অভিযানে নামে দিল্লি পুলিশ।

    চলতি মাসের গোড়ার দিকেই নির্দেশিকা জারি করেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর 

    চলতি মাসের গোড়ার দিকে দিল্লির (Delhi Police) লেফটেন্যান্ট গভর্নর একটি নির্দেশিকা জারি করেছিলেন। সেখানে জানানো হয়েছিল যে অবৈধভাবে যে সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বসবাস করছে দিল্লিতে, তাদের শনাক্ত করতে হবে। এরপরেই অপারেশনে নামে পুলিশ।

    কী বলছেন দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) উচ্চ পদস্থ কর্তা 

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) এক উচ্চপদস্থ কর্তা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই ধরনের অভিযান করতে স্থানীয় থানা থেকেও পুলিশ আধিকারিকদের যেমন প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে, তেমনি জেলার স্তরেও প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে ফরেন সেলকেও। এই সব কিছু মিলিয়ে একটা টিম তৈরি করা হয়। পুলিশের এই দল প্রত্যেক বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ে এবং তাদের বৈধ নথিপত্র পরীক্ষা করে। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ইনফর্মারদেরও সাহায্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    আগামীদিনেও চলবে এমন অভিযান

    তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা (Delhi Police) এই সব ডকুমেন্টগুলি পরীক্ষা করেন। পরে ক্রস চেকিং করা হয় সেগুলিকে। তথ্য নেওয়া হয় সন্দেহভাজনদের (Bangladeshi) প্রতিবেশী এবং স্থানীয় ইনফরমারদের কাছ থেকেও। জানা গিয়েছে, যে ১৭৫ জন অনুপ্রবেশকারী বৈধ কোনও কাগজপত্রই দেখাতে পারেনি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশের কর্তারা সংবাদ মাধ্যমকে এও জানিয়েছেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। কারণ যেখানে দেশের স্বার্থ জড়িয়ে আছে, সেই সেই সব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে। এই অপারেশন চলতেই থাকবে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পক্ষকাল আগে পুলিশ গ্রেফতার করে আল কায়েদা-লিঙ্কড (Al Qaeda) সন্ত্রাসী (Suicide Squad) মডিউলের প্রধান ডঃ ইশতিয়াককে। ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। এবার, পুলিশের সামনে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, এই ইশতিয়াক ভারতে একটি আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী তৈরি করার চেষ্টায় ছিল।

    ইশতিয়াকের কীর্তি (Al Qaeda)

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ট্রেনিংয়ের। সেজন্য একটি পার্বত্য এলাকা বেছে নিয়েছিল ইশতিয়াক। এখানেই জঙ্গি তৈরি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তরুণদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও হচ্ছিল এই এলাকায়। চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ধৃত ইশতিয়াক, ইনামুল আনসারি, শাহবাজ আনসারি, মতিউর রহমান এবং আলতাফকে নিয়ে রাঁচি পৌঁছেছে। অভিযুক্তরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে কতদূর এগিয়েছিল, তা জানতেই রাঁচি নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের।

    ঘন জঙ্গলে শিবির

    জঙ্গিরা তদন্তকারীদের জানিয়েছে, তারা রাঁচির চানহো গ্রামের কাছে নকাটা জঙ্গলে যেত। এই জঙ্গলের আশপাশে কোনও জনবসতি নেই। তাই ঘন জঙ্গলের ভেতরে কী হচ্ছে, বাইরে থেকে কারও নজরে আসে না। তাই জায়গাটি জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সব চেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। অপরাধীরা পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে তাদের আত্মঘাতী জঙ্গি (Suicide Squad) হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতেরা জানিয়েছে, তারা ইশতিয়াকের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছিল। এই ইশতিয়াকই তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল। তাদের সবার লক্ষ্য, ভারতে ইসলামি শাসন কায়েম করা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার বাড়িতে আর কোনওদিন…’’, মমতার উৎসব-মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নির্যাতিতার মা

    এই জঙ্গি দলের (Al Qaeda) নেতা ইশতিয়াক। সন্ত্রাসীদের কয়েকজন সদস্যকে একই রকম প্রশিক্ষণ দিতে রাজস্থানে পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ জেনেছে, তারা আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (আকিস) মডিউলের সদস্য (Suicide Squad)। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ইশতিয়াক তার সন্ত্রাসী মডিউলকে উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানেও বিস্তৃত করেছিল। সে বিহারের লখিসরাই থেকে অস্ত্র কিনেছিল। রাজস্থানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে থেকে একে-৪৭ রাইফেল, .৩৮ বোর রিভলভার, ৬টি তাজা কার্তুজ, .৩২ বোরের ৩০টি তাজা কার্তুজ, একে-৪৭ রাইফেলের ৩০টি কার্তুজ, ডামি ইনসাস, এয়ার রাইফেল, লোহার কনুই পাইপ, হ্যান্ড গ্রেনেড ও অন্যান্য জিনিস উদ্ধার করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা-সহ ১৪টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮ জনকে আটক করেছিল । পরে গ্রেফতার করা হয় তাদের (Al Qaeda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Delhi Police: নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ধৃত আইএস জঙ্গি

    Delhi Police: নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ধৃত আইএস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি শহরজুড়ে জঙ্গিদের নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটিয়েছিল পুলিশ (Delhi Police)। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হাতেনাতে পাকড়াও এক আইএস জঙ্গি (ISIS militant)। পুলিশের বিশেষ দল স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগেই যে কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে, তার নাম রিজওয়ান আলি। বৃহস্পতিবার, ১৫ জন জঙ্গির নাম ও ছবি সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তার মধ্যে ৬ জঙ্গি ছিল আল কায়েদার। তালিকায় ছিল কয়েকজন খালিস্তান জঙ্গি। এছাড়া, বাকিরা ছিল অন্যান্য নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সক্রিয় জঙ্গি। পুলিশকে যে কোনও তথ্য দিলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে অভিনব প্রচারে হাতেনাতে সাফল্য পেল পুলিশ।

    রিজওয়ানের মাথার দাম ছিল ৩ লক্ষ টাকা (Delhi Police)

    জানা গিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাজধানীর গঙ্গাবক্স মার্গের কাছে রাত ১১ টার সময় এই আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সেই সঙ্গে তার কাছ থেকে একটি ৩০ বোরের স্টার পিস্তল, ৩টি তাজা কার্তুজ এবং ২টি মোবাইল উদ্ধার করেছে। দিল্লির দরিয়াগঞ্জ এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল এই জঙ্গি। এই কুখ্যাত জঙ্গির (ISIS militant) মাথায় ৩ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার বিষয়ে আগেই প্রমাণ সংগ্রহ করে পুলিশকে দিয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, রিজওয়ান আইসিসের পুণে মডিউলের অংশ হিসেবে সক্রিয় ভাবে কাজ করছিল। অনেক দিন ধরে পলাতক ছিল। তার ছবি ও নাম সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে প্রচার করতেই সাফল্য মিলেছে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    আল কায়েদা, খালিস্তানি জঙ্গির খোঁজে তল্লাশি

    শহরজুড়ে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে, আল কায়েদা এবং খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন জঙ্গিদের নাম-ছবি দিয়ে পোস্টার লাগিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যে। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ধরতে সহায়তা করার জন্য মানুষকে সজাগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। আবার জঙ্গিদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে। অপর দিকে দিল্লির মতো পঞ্জাব পুলিশও ২১টি জেলায় তল্লাশি অভিযান চালানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। শহরের জনবহুল জায়গায়গুলিতে চলছে কড়া নজরদারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Transplant Racket: অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস! দিল্লি পুলিশের জালে অভিযুক্তরা

    Organ Transplant Racket: অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস! দিল্লি পুলিশের জালে অভিযুক্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। প্রতিবছরই ভারতে চিকিৎসা করাতে আসেন প্রচুর বাংলাদেশি নাগরিক। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই দিনের পর দিন ধরে চলছে কিডনি পাচার চক্র (Organ Transplant Racket)। এবার সেই অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করেই সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্তরা।   

    বাংলাদেশ থেকে চলত এই চক্র পরিচালনা (Organ Transplant Racket)

    এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তার মধ্যে আবার একজন ডাক্তারও রয়েছেন। ৫০ বছর বয়সী ওই ডাক্তার উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় একটি হাসপাতালে ১৬টিরও বেশি অপারেশন করেছেন। মূলত বাংলাদেশ থেকে এই চক্র পরিচালনা করা হত বলে জানা গিয়েছে। কারণ মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই র‍্যাকেটের সঙ্গে জড়িতদের বাংলাদেশ যোগ রয়েছে। প্রতি ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য তারা ২৫-৩০ লক্ষ টাকা নিত। ২০১৯ সাল থেকে তারা এই অঙ্গ প্রতিস্থাপন চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। 

    কীভাবে চলত এই পাচার চক্র?  

    ক্রাইম ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তারকে টাকার লোভ দেখিয়ে তাঁকে দিয়ে কাজ চালাত। এ প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে যে, দুটি হাসপাতাল মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৫টি ট্রান্সপ্লান্ট (Organ Transplant Racket) করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নথিগুলো সঠিকভাবে যাচাই করেছে কিনা তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তরা বাংলাদেশের হাসপাতাল থেকে জাল লেটারহেড তৈরি করে শুধুমাত্র ইমেল পরিবর্তন করত। এই অভিযুক্তরা ভালো করেই জানে যে তাদের ইমেল আইডি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হবে। তাই নতুন ইমেল আইডি তৈরি করা হত, যাতে কোনোভাবেই ইমেল আইডি হ্যাক হয়ে তাদের কারসাজি ধরা না পড়ে যায়।  

    আরও পড়ুন: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    অপরাধ দমন শাখার ডিসিপির মন্তব্য (Delhi Police)

    এ প্রসঙ্গে অপরাধ দমন শাখার ডিসিপি অমিত গোয়েল বলেছেন, “ গত ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক অঙ্গ প্রতিস্থাপন র‍্যাকেটের (Organ Transplant Racket) সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই র‍্যাকেটের মূল মাস্টারমাইন্ড একজন বাংলাদেশি। দাতা এবং গ্রহণকারী উভয়ই বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা রাসেল নামে একজনকে গ্রেফতার করেছি, যে রোগী ও দাতাদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দিত। এছাড়াও ট্রান্সপ্লান্টের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলা ডাক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi News: চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান, হল যমজ কন্যাসন্তান, দু’জনকেই খুন করে গ্রেফতার ‘কীর্তিমান’ পিতা

    Delhi News: চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান, হল যমজ কন্যাসন্তান, দু’জনকেই খুন করে গ্রেফতার ‘কীর্তিমান’ পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দুই যমজ সদ্যজাত কন্যাকে হত্যা (Murder) করে কবর দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পশ্চিম দিল্লির (Delhi News) সুলতানপুরী এলাকায়। অভিযোগ, গত ৩ জুন নিজের হাতে দুই নবজাতক কন্যাকে হত্যা করে নীরজ সোলাঙ্কি নামে এক ব্যাক্তি। নবজাতকদের খুন করে দেহ মাটি চাপা দিয়ে দেয় সে। অবশেষে হরিয়ানা (Haryana) থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ (Police) ।

    যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম নেওয়ায় অখুশি পিতা

    পুলিশ জানিয়েছে, নীরজ সোলঙ্কি তাঁর স্ত্রীর কাছে একটি পুত্র সন্তান আশা করেছিলেন। এবং যমজ কন্যার জন্ম নিয়ে বিরক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। ৩ জুন কথিত খুনের পর থেকে তিনি পলাতক (Delhi News) ছিলেন। তাঁকে হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। নীরজ সোলঙ্কির সঙ্গে দিল্লির সুলতানপুরীতে বসবাস করতেন তাঁর স্ত্রী পূজা সোলঙ্কি। ৩০ মে হরিয়ানার রোহতকের একটি হাসপাতালে যমজ কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন পূজা।

    নিজের হাতেই দুই সদ্যজাতকে খুন (Delhi News)

    “সদ্যজাতদের কন্যা সন্তানদের খুন করে অভিযুক্ত নীরজ তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করে দিল্লি এবং হরিয়ানায় বিভিন্ন ঠিকানায় লুকিয়ে গ্রেফতার এড়াচ্ছিলেন,” পুলিশ একটি আধিকারিক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে। নীরজ সোলঙ্কির (৩২) শ্যালক পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর থেকেই তাঁকে পুলিশ খুঁজে বেড়াচ্ছিল। পুলিশকে ফোন করে নীরজের শ্যালক জানান, “নীরজ ৩ দিন বয়সী যমজ মেয়েকে (Delhi News) হত্যা (Murder) করেছে এবং একটি শ্মশানে কবর দিয়েছেন। এরপর, শ্মশানে পুলিশ যায়, যেখানে শিশুদের কবর দেওয়া হয়েছিল এবং মৃতদেহগুলি উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট এসডিএম (সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) এর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়। ৫ জুন, মঙ্গলপুরীর একটি মর্গে মৃতদেহগুলি উত্তোলন করে সংরক্ষণ করা হয়। ৬ জুন, পুলিশ ময়নাতদন্ত করিয়ে মৃতদের পূজার ভাইয়ের হাতে তুলে দেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় প্রথম মামলা দায়ের, কোথায়, কার বিরুদ্ধে?

    Delhi Police: ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় প্রথম মামলা দায়ের, কোথায়, কার বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (Bharatiya Nyaya Sanhita) আওতায় প্রথম এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা- ২০২৩ এর ২৮৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে দিল্লির কমলা নগর থানায়। দিল্লির রাস্তার একজন ফুটপাত ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারণ হিসেবে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) জানিয়েছে, রেলের ওভারব্রিজের নিচের রাস্তার একটি এংশ জোর করে দখলে নিয়েছিলেন ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী। এর ফলে সাধারণ মানুষদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। 

    বারবার সরে যেতে বলা হলেও ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী সরে যান নি (Delhi Police)

    জানা গিয়েছে, একটি গাড়ির ওপরে গুটখা ও জলের বোতল বিক্রি করতেন ওই ফুটপাত ব্যবসায়ী। তাঁকে সেই রাস্তা থেকে একাধিক বার সরে যেতে বলা হলেও তিনি যেতে চান নি। এরপরেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁর নামে এফআইআর (Delhi Police) দায়ের করা হয়। একইভাবে নতুন ফৌজদারি আইনের (Delhi Police) অনুসারে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের নিশাতপুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল রাত বারোটার পরে ওই অভিযোগ দায়ের করা হয়। যদিও মামলার বিষয়ে বিস্তারিত এখনও কিছু জানা যায়নি।

    নয়া আইনের বৈশিষ্ট্য

    এত দিন আইনে সাজার কথা বলা ছিল। এ বার নতুন আইনের নামের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায় পান সেই ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। ভারতীয় বিধানে ন্যায়দণ্ডের কাছে সবাইকে সমান চোখে দেখার কথা বলা রয়েছে। ন্যায় সংহিতায় (Bharatiya Nyaya Sanhita) নতুন ২০টি অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে। আর ভারতীয় দণ্ডবিধিতে থাকা ১৯টি বিধান বাদ পড়েছে ন্যায় সংহিতায়। একই সঙ্গে ৩৩টি অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের সাজার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৮৩টি অপরাধের জন্য জরিমানার পরিমাণও আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার ২৩টি এমন অপরাধ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে একটি বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন শাস্তির কথা বলা রয়েছে ন্যায় সংহিতায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    3 arrested In Parliament: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! সম্প্রতি এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) তিন জনকে গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে চলছিল সিকিউরিটি চেকিং। সেই সময় সংসদ ভবনের ফ্ল্যাপ গেট এন্ট্রিতে সিআইএসএফ কর্মীরা এই তিনজনকে আটক করে। তারপর এদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখে গ্রেফতার করা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ওই তিন জন সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (3 arrested In Parliament)

    মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের গণনা চলছিল সারা দেশে। আর সে দিনই ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন পেশায় শ্রমিক এবং উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)  বাসিন্দা কাসিম, মোনিস এবং শোয়েব। সংসদের একটি প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢোকার সময় তাঁদের দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানদের। পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া হলে তিন জনেই আধার কার্ড দেখান। কিন্তু সেই আধার কার্ড দেখে জওয়ানদের সন্দেহ আরও বাড়ে। খতিয়ে দেখার পর জানা যায়, তিনটি আধার কার্ডই ভুয়ো। 

    আরও পড়ুন: দুই মন্ত্রীকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণে আসছেন মুইজ্জু?

    অভিযুক্তদের নামে এফআইআর দায়ের 

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জন (3 arrested In Parliament) সংসদ চত্বরে একটি নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মূলত নির্মাণশ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তাঁরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই তিনজনকে কাজে ঢুকিয়েছিল ডি ভি প্রজেক্টস লিমিটেড। সংসদ কমপ্লেক্সের ভিতরে এমপির লাউঞ্জ নির্মাণে নিযুক্ত ছিল তারা। ঘটনার পরেই তিন অভিযুক্তকে সিআইএসএফ কর্মীরাই দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কারন বর্তমানে সিআরপিএফ এবং দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বদলে সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সিআইএসএফ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির  ৪৬৫ ধারা (জালিয়াতি),৪১৯ ধারা (প্রতারণা), ১২০ বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) সহ বিভিন্ন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। ধৃত তিন শ্রমিকের সঙ্গে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী বা শত্রুদেশের যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ জাল আধার কার্ড ছাড়াও ধৃত তিন ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল পাসপোর্টও। 
    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে বৈঠক রয়েছে এনডিএ-র। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে জোটের তাবড় সব নেতারা। এর পরই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথেরও প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ঠিক তার আগে সংসদ ভবন চত্বর থেকে এই তিন সন্দেহভাজনের গ্রেফতার (3 arrested In Parliament) হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) নিয়ে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো মামলায় কংগ্রেস নেতা অরুণ রেড্ডিকে (Arun Reddy) গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে তাঁকে জেরা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ভুয়ো ভিডিও (Fake Video) বানাতে তাঁকে আর কারা সাহায্য করেছিল সেটা জানার চেষ্টা করছে দিল্লি পুলিশ।

    কেন গ্রেফতার

    সূত্রের খবর, ধৃত ব্যক্তি সমাজমাধ্যমে কংগ্রেসের সমর্থনে একটি পেজ চালান। তাঁর পেজের নাম ‘স্পিরিট অফ কংগ্রেস’। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, কয়েকদিন আগে একটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) সংরক্ষণ নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সেই বক্তব্যকে বিকৃত করার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সেই নিয়ে দিল্লি পুলিশে এফআইআর দায়ের করা হলে শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই গ্রেফতার হন অখিল ভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সোশ্যাল মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর অরুণ রেড্ডি।

    বিতর্কের সূত্র

    সমাজমাধ্যমে শাহের (Amit Shah) একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। সেই ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র জন্য যে সংরক্ষণ চালু আছে, তা আর আগামী দিনে থাকবে না!’’ বিরোধীরা এই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে শুরু করে। বিজেপি পাল্টা এই ভিডিয়োর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, কেউ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিয়ো ‘ডিপ ফেক’ প্রযুক্তিতে বিকৃত করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে। তিনি কখনওই এমন কথা বলেননি। ভিডিয়োটি ভুয়ো। 

    ‘ভুয়ো’ ভিডিয়ো (Fake Video) নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অমিত শাহও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কংগ্রেস ভুয়ো খবর রটাচ্ছে যে, বিজেপি ৪০০-র বেশি আসন পেলে সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই যে, বিজেপি এসসি, এসটি, ওবিসিদের সংরক্ষণ দেওয়াকে সমর্থন করে এবং সর্বদা তাঁদের রক্ষক হিসাবে থাকবে আমাদের দল।” বিজেপির পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drugs Smuggling: ফিল্ম পরিচালনার পাশাপাশি করতেন মাদক পাচার, গ্রেফতার দক্ষিণী পরিচালক

    Drugs Smuggling: ফিল্ম পরিচালনার পাশাপাশি করতেন মাদক পাচার, গ্রেফতার দক্ষিণী পরিচালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামকরা পরিচালক তিনি। একাধিক হিট সিনেমার কারিগরও বটেন। কিন্তু মুখোশের আড়ালে করতেন মাদক পাচারের (Drugs Smuggling) কাজ। ধরা ছোঁয়ার বাইরে রোজগার হচ্ছিল এতে। আসছিল কোটি কোটি টাকা। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন পরিচালক। ২ সপ্তাহ আগেই দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় ২ জন ব্যক্তি যাদের কাছে উদ্ধার হয় ৫০ কেজি মাদক। তখনই উঠে আসে দক্ষিণী সিনেমার পরিচালক জাফার সাদিকের নাম। এরপরেই খোঁজ শুরু হয় ওই পরিচালকের। জাফরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয় তাঁর কাছে, যার বাজারমূল্য ২০০০ কোটি টাকা! মাদক পাচারের টাকা পরিচালক বিনিয়োগ করতেন তাঁর একাধিক ব্যবসায়।

    ৪৫ দফায় মোট ৩,৫০০ কেজি মাদক পাচার করেছিলেন জাফর

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Drugs Smuggling) নামকরা পরিচালক জাফর সাদিকের মাদক কারবার চলত আন্তর্জাতিকভাবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্য়ান্ড জুড়ে তাঁর বিরাট মাদক পাচারের চক্র সক্রিয় ছিল। এর মূল মাথা বা কিংপিন ছিলেন জাফর। অবশেষে শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারির পর এনসিবির এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ২ হাজার কোটি টাকার মাদক পাচার করেছিলেন জাফার সাদিক। সিউডোফেড্রিন নামের ওই মাদক পাচার করছিলেন ওই পরিচালক। ৪৫ দফায় মোট ৩,৫০০ কেজি মাদক পাচার করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, এখনও অবধি সাদিক মোট চারটি সিনেমায় পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে একটি সিনেমা এই মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ভারতে একাধিক মাদক পাচারের ঘটনা

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ে দুই রেলযাত্রীকে বিপুল মাদক (Drugs Smuggling) সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের কাছে উদ্ধার হয় ৩৬ কেজি মাদক। যার বাজারমূল্য ছিল ১৮০ কোটি টাকা। এছাড়া চেন্নাইয়ের একটি ডাম্প ইয়ার্ড থেকেও ৬ কেজি মাদক উদ্ধার করা হয় সম্প্রতি। এই মাদক শ্রীলঙ্কায় পাচার করা হচ্ছিল বলে জানা যায়। উদ্ধার হওয়া ওই মাদক মেটামফেটামিন ছিল, যা ক্রিস্টাল মেথ নামেও পরিচিত। কোকেনের মতোই এই মাদকও ভয়ঙ্কর এবং অতিরিক্ত সেবনে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে, এমনটাই মতক বিশেষজ্ঞদের। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর পাশাপাশি মার্কিন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনও এই তদন্তে যোগ দিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share