Tag: Delhi Police

Delhi Police

  • Delhi Terror Plot: খেলনা গাড়িতে বোমা! দিল্লি পুলিশের জালে ৪ জঙ্গি, রাজধানীতে হামলার ছক বানচাল

    Delhi Terror Plot: খেলনা গাড়িতে বোমা! দিল্লি পুলিশের জালে ৪ জঙ্গি, রাজধানীতে হামলার ছক বানচাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানী দিল্লিকে লক্ষ্য করে এক বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা (Delhi terror plot) বানচাল করে দিল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা ও বিহার থেকে চার ‘র‌্যাডিক্যালাইজড’ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) এবং খেলনা গাড়িতে বোমা লাগিয়ে হামলা চালানোর সরঞ্জাম। পুলিশের অভিযোগ, তারা সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করেছিল, অনলাইন এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও লোককে নিয়োগের চেষ্টা করছিল এবং দিল্লিতে বড় ধরনের হামলার ছক কষছিল।

    বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ

    ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ও মহারাষ্ট্র এটিএস-এর যৌথ অভিযানে মুম্বইয়ের কুর্লা ও খাদাভলি এলাকা থেকে দুজনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে তদন্তের সূত্র ধরে ওড়িশা ও বিহার থেকে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। আটক চারজনের মধ্যে দুজনের নাম মোসাব আহদাম ওরফে কালাম কল্যাণ এবং মোহাম্মদ হামাদ কোল্লারা। তারা জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) এবং আইএসআইএস-এর প্রভাবিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অনলাইনে ‘মিশন খিলাফত’ ও ‘সোলজার্স অফ জিহাদ’-এর মতো গ্রুপের মাধ্যমে তারা র‌্যাডিক্যালাইজড হয়েছে। টেলিগ্রামের মতো এনক্রিপ্টেড অ্যাপে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে জানা গিয়েছে।

    জঙ্গিদের লক্ষ্যে ছিল রাম মন্দির, সংসদ ভবন

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা খেলনা গাড়ির ভিতরে আইইডি লুকিয়ে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল। এই পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট এড়িয়ে ভিড়াক্রান্ত এলাকায় পৌঁছে হামলা চালানো। তারা দিল্লির সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করেছিল এবং আইইডি তৈরির প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে সংবেদনশীল নথি, ডিজিটাল চ্যাট, বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ এবং একাধিক আইইডি। পুলিশের দাবি, ভুবনেশ্বরের শেখ ইমরান এমন কিছু অনলাইন গ্রুপ তৈরি করেছিল যেখানে “জিহাদ”, “খিলাফত” এবং সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে রাম মন্দির, সংসদ ভবন ও সামরিক স্থাপনা নিয়ে আলোচনা হত। অন্যদিকে, সোহেল একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যুবকদের উসকানি দিত এবং অর্থ সংগ্রহ করত। এছাড়াও, এক অভিযুক্ত দিল্লির লালকেল্লা-সহ কয়েকটি সংবেদনশীল স্থানে গিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে এই জঙ্গিদের ধরতে অভিযান চালায় স্পেশাল সেল।

    খেলনা গাড়ির মতো সাধারণ জিনিসে বিস্ফোরক

    এই গ্রেফতার দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, “অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। যুবকরা সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ ধরনের ছক কষছে। খেলনা গাড়ির মতো সাধারণ জিনিসকে অস্ত্র বানানোর চেষ্টা দেখে বোঝা যায়, জঙ্গিরা নতুন নতুন কৌশল নিচ্ছে।” তদন্তে আরও বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

  • Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Police) নির্দেশ এবং তার প্রেক্ষিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআই (United News of India)-এর অফিস সিল করে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক চর্চা চলছে। ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের এই পাবলিক প্রপার্টি বা সরকারি জমি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় এবং চুক্তির শর্ত না মানায় আদালত জমিটি সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের অন্যতম প্রাচীন এই সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পুলিশি অভিযানের পর রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার, ২০ মার্চ সন্ধ্যায়, দিল্লি পুলিশের কর্তারা আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আদালতের নির্দেশে রফি মার্গে ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পৌঁছন, চালান উচ্ছেদ অভিযান। এরপর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। তবে পুলিশের এই অভিযানে বামপন্থীরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, ঘটনাটি সংবাদ মধ্যেমের ওপর আক্রমণ।

    হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সিল (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শচীন শর্মা বলেন, “পুলিশ শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্যই সেখানে উপস্থিত ছিল। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, আমরা এলঅ্যান্ডডিও আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে সেখানে ছিলাম। ইউএনআইয়ের (United News of India) সকল কর্মীকে চত্বরটি খালি করে দিতে বলেছিলাম।” তবে জমি বরাদ্দ বাতিলের বিরুদ্ধে ইউএনআইয়ের করা আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর পরপরই প্রশাসন সম্পত্তিটি সিল করে দেয়।

    কেন সিল করা হল অফিস?

    ইউএনআইয়ের অফিসটি দিল্লি পুলিশ এবং ভূমি ও উন্নয়ন দফতর সিল করে দিয়েছে। এর প্রধান কারণগুলি হল, জমি বরাদ্দের শর্ত লঙ্ঘন। ১৯৭৯ সালে এই জমিটি ইউএনআই (Delhi Police)-কে দেওয়া হয়েছিল একটি বহুতল অফিস কমপ্লেক্স তৈরি করার জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও, সংস্থাটি সেখানে কোনও স্থায়ী নির্মাণ কাজ করেনি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি শচীন দত্তের পর্যবেক্ষণ, মূল্যবান সরকারি জমি এভাবে দশকের পর দশক ধরে ‘বন্দি’ করে রাখা হয়েছে। আদালত একে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হিসেবে বর্ণনা করছে।

    ভাড়া বা বাণিজ্যিক ব্যবহার

    অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যে জমি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ না করে সংস্থাটি জায়গাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (যেমন, ক্যান্টিন) ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল।

    পুলিশি অ্যাকশন ও বিতর্ক

    আদালতের নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এবং আধাসামরিক বাহিনী অফিসটি খালি করতে শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সংস্থাটি (Delhi Police) এবং কিছু বাম-লিবারেল বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেনি

    বিগত বছরগুলোতে ১৯৮৬, ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে একাধিক সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করা হয়েছিল, এবং প্রতিবারই ভবনটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কাজে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছিল বা একেবারেই হয়নি। এমনকি ২০১২ সালে নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরেও প্রকল্পটি স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ২০২৩ সাল নাগাদ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পর অসন্তোষজনক জবাব পেয়ে, এলএন্ডডিও ইজারার শর্ত লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে বরাদ্দটি বাতিল করে দেয়। ইউএনআই (United News of India) এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করে, কিন্তু তাদের আবেদনটি শেষ পর্যন্ত খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, “৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রমাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাকে” কেবল এই কারণে ক্ষমা করা যায় না যে সংস্থাটি এখন পদক্ষেপ করতে ইচ্ছুক।

    সংবাদ সংস্থাটির অভিযোগ

    সংবাদ সংস্থাটির দাবি, কর্মীদের আগাম কোনও নোটিশ না দিয়েই জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। মহিলা সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। তারা একে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। পুলিশ (Delhi Police) অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, আদালতের নির্দেশ পালন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    বাম-লিবারেল প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক (United News of India) তৈরি হয়েছে তাকেই ‘মেল্টডাউন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাম সমালোচকদের মতে, একটি ঐতিহাসিক সংবাদ সংস্থাকে এভাবে উচ্ছেদ করা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। অন্যদিকে, সরকার এবং আদালতের পক্ষের মানুষের দাবি, আইনের শাসন সবার জন্য সমান। চার দশক ধরে শর্ত লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অনিবার্য।

  • Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) উত্তম নগর এলাকায় হোলির দিন ২৬ বছর বয়সি তরুণ কুমারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (৬ মার্চ) আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৮ । যার মধ্যে একজন নাবালকও রয়েছে। এদিকে এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার মাঝে দুটি গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটেছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে উত্তম নগরের জে.জে. কলোনিতে একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগার খবর পায় তারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলের ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    তরুণ কুমারের পরিবার তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৪ মার্চ) হোলি উৎসবের দিন। পুলিশ ও পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, তরুণের পরিবারের এক ১১ বছর বয়সি মেয়ে ছাদে দাঁড়িয়ে হোলি খেলছিল। সে একটি জলের বেলুন ছুড়েছিল, যা তার বাবার দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও রাস্তায় পড়ে যায় এবং পাশ দিয়ে যাওয়া এক প্রতিবেশী মহিলার গায়ে জল পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সামান্য তর্কাতর্কি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়ে যায়। তবে সন্ধ্যায় বন্ধুর সঙ্গে হোলি উদযাপন করে বাইকে বাড়ি ফেরার সময় তরুণকে পথেই আটকায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল। অভিযোগ, ওই দলটি লোহার রড, ইট, পাথরসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে তরুণকে বেধড়ক মারধর করে। তাকে বাঁচাতে গেলে তার পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।

    পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন

    নিহত তরুণের কাকা রমেশ বলেন, ‘১১ বছর বয়সি মেয়েটি ছাদ থেকে সবার ওপর জল বেলুন ফেলছিল। এই ঘটনায় বোরখা পরিহিত এক মহিলার ওপরেও বেলুন ফেলে দেয় ও। তাতে আমি নিজে গিয়ে ক্ষমা চাই। এমনকী ছোট মেয়েকে দিয়েও ক্ষমা চাওয়াই। এর থেকে বেশি কী করতে পারতাম আমরা। তারা আমাদের মারল। আমার মাথায় ডাক্তার ৮টি সেলাই দিয়েছে। ঘটনার আধঘণ্টা পরে তরুণ আসে। ও বাইক পার্ক করতে পারেনি, তার ওপর চড়াও হয় ওরা।’ এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তরুণ নির্দোষ ছিলেন। ছোটখাটো বিরোধের জেরে অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁকে লাঠি ও ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। তরুণ হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এদিকে এই ঘটনা যাতে সাম্প্রদায়িক হিংসার আকার ধারণ না করে, তার জন্য পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। থানায় স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশ। বৈঠকে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করা হয় যে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    Youth Congress: এআই সম্মেলনে শার্টবিহীন বিক্ষোভ, গ্রেফতার যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব কংগ্রেসের (Youth Congress) জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে ধরা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া এবং শার্টবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় এটি অষ্টম গ্রেফতার।

    কাকভোরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা (Youth Congress) 

    সূত্রের খবর, প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব কংগ্রেস প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করছিলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র, কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে স্বেচ্ছায় আঘাত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্টিলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ দিল্লি পুলিশ উদয় ভানুকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রাখে। সূত্রের খবর, উদয় ওই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন, এমন প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা দরকার বলে পুলিশ সূত্রের খবর। তাছাড়া পুলিশ একে সাধারণ বিক্ষোভ হিসেবে দেখছে না, বরং এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ((AI Summit)) বিশ্বনেতাদের (Youth Congress) সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর

    এই মামলাটি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্টার-স্টেট সেল (ISC) পরবর্তী তদন্ত করবে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া সাতজনেরই যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ রয়েছে। উদয় ভানুকে তাঁদের (AI Summit) সবার মুখোমুখি করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের বক্তব্য, অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা না করা পর্যন্ত পরিকল্পনা কোথায়, কখন এবং কীভাবে হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে না। দিল্লি পুলিশ সকাল ১০টায় পাটিয়ালা হাউস কোর্টে উদয় ভানুকে হাজির করে এবং তাঁকে মূলচক্রী আখ্যা দিয়ে সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চায়। পুলিশ আদালতে জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এতে জড়িত এবং তদন্তের জন্য অভিযুক্তকে একাধিক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে (Youth Congress)।

    এআই সামিট

    পুলিশ আরও জানায়, এআই সামিটে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিল (AI Summit)। অন্যদিকে, উদয় ভানুর আইনজীবীর দাবি, তিনি ইন্ডিয়ান যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি হলেও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিক্ষোভ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশও দেননি। আইনজীবী আদালতে বলেন, “তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, কোনও নির্দেশও দেননি।” তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ওই আইনজীবী বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, এটা বিশ্ববাসীও স্বীকার করে (Youth Congress)।” এর আগে দিল্লি পুলিশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানায়, নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে—যে আন্দোলন সম্প্রতি সেখানকার সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে (AI Summit)।

    বড় ষড়যন্ত্র

    পুলিশ আদালতে জানায়, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। অভিযুক্তদের একে অপরের মুখোমুখি এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে জেরা করা জরুরি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” দিল্লি পুলিশের বিশেষ নজরে আসে সামিটে পরা টি-শার্টগুলির মুদ্রণ খরচ কে বহন করেছে। টি-শার্টে লেখা ছিল—“পিএম ইজ কম্প্রোমাইজড”, “ইন্ডিয়া ইউএস ট্রেড ডিল”, এবং “এপস্টেইন ফাইলস”। যুব কংগ্রেস প্রধানের গ্রেফতারের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুল গান্ধীকে ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হয়তো এবার অন্তর্বাস পরেই সংসদে আসবেন (Youth Congress)।” গ্রেফতারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করায় যদি সমস্যা হয়, তা লজ্জাজনক (AI Summit)।”

    এর আগে শার্টবিহীন বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নগ্ন’। রাহুল গান্ধী একে অহিংস, গণতান্ত্রিক কর্মসূচি এবং ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি’ বলে বর্ণনা করেন।” মিরাটে এক জনসভায় মোদি বলেন, “ভারতের একটি বৈশ্বিক অনুষ্ঠানকে কংগ্রেস তাদের নোংরা ও নগ্ন রাজনীতির মঞ্চে পরিণত করেছে। বিদেশি অতিথিদের সামনে তারা নগ্ন হয়ে হাজির হয়েছিল। দেশ জানে (AI Summit) আপনারা নগ্ন, তাহলে পোশাক খোলার প্রয়োজন কী ছিল (Youth Congress)?”

     

  • Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।” এমনই পর্যবেক্ষণ করে এআই সামিটে (AI Summit Disruption) বিক্ষোভকারী কংগ্রেস কর্মীদের তোপ দিল্লি আদালতের (Delhi Court)। দিল্লির একটি আদালত বলেছে, ‘‘বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টেকে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম এমন অপকর্মে কঠোর তদারকি এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করে তদন্ত প্রয়োজন।’’ উল্লেখ্য এই সামিটে কংগ্রেস কর্মীরা নিজের জামা খুলে ট্রাম্প-মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

    গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে (Delhi Court)

    দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত (Delhi Court) জোর দিয়ে বলেছে, “গণতান্ত্রিক ভিন্নমত সুরক্ষিত থাকলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের অবস্থানকে প্রভাবিত করে এমন কোনও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে।” কোর্টের ‘ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট’ এই মন্তব্যগুলি করেন। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এআই (AI) সামিট-এ (AI Summit Disruption) বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চার অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার সময় আদালত এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক গুরুত্ব

    আদালত (Delhi Court) উল্লেখ করেছে, ভারত যখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে, তখন সেখানে বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং এটি বিশ্বমঞ্চে জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের স্থানে কোনও বিশৃঙ্খলা (AI Summit Disruption) কখনই কাম্য নয়। এটি কূটনৈতিক সম্পর্ক ও জাতীয় মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    সংবিধান ও অধিকার

    আদালত (Delhi Court) আরও জানিয়েছে, নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও, সেই অধিকার সার্বভৌমত্ব, জনশৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের অধীন। সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ইভেন্টের সময় সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে এমনভাবে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়া যায় না।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সরকারি কৌঁসুলির পক্ষে বলা হয়, অভিযুক্তরা ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা করে স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরে ভারত মণ্ডপমের উচ্চ-নিরাপত্তা বিশিষ্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন এবং সম্মেলন চলাকালীন স্লোগান দিয়েছিলেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা তাদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেয় এবং আক্রমণ করেন। এই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা আহত হয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিঘ্ন সৃষ্টি (AI Summit Disruption) হয়েছে। তদন্তের এই পর্যায়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিশ্লেষণ, যোগাযোগের উৎস খুঁজে বের করা এবং এই ঘটনার পিছনে কোনো আর্থিক মদত আছে কি না তা জানার জন্য অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে সাফ জানিয়েছে আদালত (Delhi Court)।

  • Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    Pakistan ISI Bangladesh: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক, তামিলনাড়ু-মালদা থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা থেকে গ্রেফতার দুই জঙ্গির সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই (Pakistan ISI Bangladesh)-এর যোগ মিলেছে! পশ্চিমববঙ্গ যেন সন্ত্রাসীদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এক বড় সাফল্য পেয়েছে সন্ত্রাস দমনে। ভারতে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মোট আট সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলা থেকে ছ’জন এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশের জাতীয় রাজধানীকে লক্ষ্য করে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস হল বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

    তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার (Pakistan ISI Bangladesh)

    তিরুপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া ছয় সন্দেহভাজন (Pakistan ISI Bangladesh) হল মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ সাইদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তাদের মধ্যে অন্তত একজন বাংলাদেশি নাগরিক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা তিরুপুরের পোশাক উৎপাদন কারখানায় কাজ করছিল এবং জাল আধার কার্ড ব্যবহার করে তাদের পরিচয় গোপন করেছিল। গোয়েন্দা তথ্য এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের ধারাবাহিক তদন্তের পর তাদের শনাক্ত করা গিয়েছে। সন্দেহজনক অনলাইন কার্যকলাপ এবং স্থানীয় সূত্রের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের ট্র্যাক করা সম্ভবপর হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আটজনকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে। অভিযানে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করেছে। ডিজিটাল মাধ্যম, একাধিক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র খোঁজ করে দেখা হচ্ছে। একই ভাবে অন্যান্য অপারেটিভদের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের ডিভাইসগুলি এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    দেশবিরোধী প্রচারণা এবং গোয়েন্দা তথ্যের লিঙ্ক

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)  সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজনরা পাকিস্তান-ভিত্তিক (Pakistan ISI Bangladesh) জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট পোস্ট করছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আরও সন্দেহ করা হচ্ছে মডিউলটি সংবেদনশীল স্থানগুলির তদারকিতে জড়িত ছিল। মেট্রো নেটওয়ার্কের অভ্যন্তর সহ দিল্লির একাধিক স্থানে উস্কানিমূলক পোস্টার লাগিয়েছিল।

    নয়াদিল্লিজুড়ে ১০টিরও বেশি স্থানে আজাদ কাশ্মীর পোস্টার দেখতে পাওয়ার পর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আঁচ করা গিয়েছে। প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে তদন্তকারীরা তামিলনাড়ুতে অবস্থিত অপারেটিভদের কাছে পৌঁছেছেন। এই দলটি বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল এবং সব রকম সহায়তা দিয়ে জঙ্গিদের সাহায্য করছিল।

    নতুন গোয়েন্দা তথ্যের পর দিল্লিতে সতর্কতা জারি

    লালকেল্লা এবং চাঁদনি চক এলাকার একটি মন্দির সহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলিতে লস্কর-ই-তৈবার (Pakistan ISI Bangladesh) সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতীয় যুব কংগ্রেসের সদস্যদের বিক্ষোভের ঘটনাকে “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আদালতে পেশ করা বক্তব্যে পুলিশ জানায়, এই প্রতিবাদ নেপালের তথাকথিত ‘জেন জি আন্দোলন’ থেকে অনুপ্রাণিত। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মীদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যা সেখানে সরকার পতনের কারণ হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।

    নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা

    পুলিশের আইনজীবী আদালতে বলেন, “এটি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের একে অপরের সঙ্গে এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা করা প্রয়োজন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” পুলিশ আরও জানায়, বিক্ষোভের অর্থায়ন সম্পর্কেও তদন্ত চলছে। ঘটনায় প্রায় ১০ জন যুব কংগ্রেস কর্মী এআই সম্মেলনের ভেন্যুতে ঢুকে শার্ট খুলে বিক্ষোভ দেখান এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। বিক্ষোভকারীরা সাদা টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান প্রদর্শন করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাঁদের আটক করে। পরে সম্মেলন বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

    “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বিক্ষোভকে “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা নিতিন নবীন অভিযোগ করেন, “আমরা প্রায়ই ‘আরবান নকশালবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করি। আগে কিছু দল এতে প্রভাবিত ছিল, এখন তারা পুরোপুরি এর অংশ হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্বমঞ্চে ভারতের আলোচনা হচ্ছে, তখন এ ধরনের লজ্জাজনক কাজ দেশের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” দিল্লি থেকে মুম্বই—বিভিন্ন শহরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। মুম্বইয়ে রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মীরা।

    রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা প্রদর্শন

    শনিবার সকালে রাহুল গান্ধী মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে ঠানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে একটি ২০১৪ সালের মানহানির মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যান। বিমানবন্দর চত্বরে বিজেপি সমর্থকেরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রাজধানী দিল্লিতেও একই চিত্র দেখা যায়। বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা আকবর রোডে কংগ্রেসের দফতরের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। দিল্লি বিজেপি সভাপতি বিরেন্দ্র সচদেবা এবং লোকসভা সাংসদ মনোজ তিওয়ারি যুব কংগ্রেসের ওই প্রতিবাদকে “দেশদ্রোহী” কর্মকাণ্ড বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

  • Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে চলে আসে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি কপি (Unpublished Memoir)। অনুমোদন ছাড়াই ছড়িয়ে পড়ে ওই কপি। বইটি ভারতের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের স্মৃতিকথা (Delhi Police)। এই অভিযোগে ৯ ফেব্রুয়ারি মামলা রুজু করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, আইনি অনুমোদন ছাড়াই বইটির অপ্রকাশিত সংস্করণ অনলাইনে এবং কয়েকটি নির্বাচিত প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।

    অভিযোগ দায়ের পুলিশের (Delhi Police)

    পুলিশ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং সংবাদ ফোরামে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়। ওইসব তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক অনুমোদন না থাকলেও বইটির প্রি-প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তের সময় তদন্তকারীরা কয়েকটি ওয়েবসাইটে একই শিরোনামের একটি টাইপসেট পাণ্ডুলিপির পিডিএফ সংস্করণ খুঁজে পান। নথিটি পেঙ্গুইন রানডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড কর্তৃক প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে। তারাই এই স্মৃতিকথার তালিকাভুক্ত প্রকাশক। পুলিশ লক্ষ্য করেছে, কিছু অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্মে বইটির চূড়ান্ত প্রচ্ছদ প্রদর্শিত হচ্ছিল, যা থেকে ইঙ্গিত মিলছিল যে বইটি কেনার জন্য উপলব্ধ, যদিও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও প্রকাশিত হয়নি (Delhi Police)। অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত একটি স্মৃতিকথা ঘিরে এই সম্ভাব্য গোপনীয়তা লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, স্পেশাল সেলে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের উৎস চিহ্নিত করা এবং অনুমোদনহীন প্রচারের পরিসর নির্ধারণ করতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’তে জেনারেল নারাভানের প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনের বিবরণ রয়েছে। এতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে শুরু করে চিফ অব দ্য আর্মি স্টাফ পর্যন্ত তাঁর দীর্ঘ যাত্রাপথের কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মৃতিকথাটিতে তাঁর সামরিক জীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর ভারতের সঙ্গে চিনের সবচেয়ে গুরুতর সামরিক অচলাবস্থার কথাও (Unpublished Memoir)। এই স্মৃতিকথাকে ঘিরে বিতর্ক সংসদের বাজেট-পরবর্তী অধিবেশনে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন লোকসভায় কার্যত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী একটি ম্যাগাজিনের নিবন্ধ থেকে অংশবিশেষ পাঠ করেন, যা নাকি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা (Delhi Police)।

    বিজেপির তীব্র আপত্তি

    রাহুলের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত হলেও, বিজেপি নেতৃত্ব তীব্র আপত্তি জানায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের অভিযোগ, জনসমক্ষে প্রকাশ না পাওয়া একটি বইয়ের বিষয়বস্তু সংসদে উল্লেখ করেছেন রাহুল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও সংসদীয় বিতর্কে অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় ব্যবহার করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় (Unpublished Memoir)।” প্রাথমিক গন্ডগোলের কয়েক দিনের মধ্যেই রাহুল সংসদে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি মুদ্রিত কপি হাতে নিয়ে ফের হাজির হন। তিনি জানান, বইটি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চান। সংসদ ভবন চত্বরে বই হাতে রাহুল গান্ধীর ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে ওঠে (Delhi Police)। তবে এই পর্যায়ে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। পুলিশের বক্তব্য, তদন্ত এখনও প্রাথমিক স্তরেই রয়েছে (Unpublished Memoir)।

LinkedIn
Share