Tag: Delimitation Bill

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে দেশের রাজনীতিতে ঘটল বড় ধরনের পালাবদল। লোকসভার স্পিকার (Lok Sabha Speaker) ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় লোকসভা সাংসদের একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় (Shiv Sena UBT) যোগদানের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে লোকসভায় শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

    শক্তি বাড়ল এনডিএর (Lok Sabha Speaker)

    লোকসভা সচিবালয়ের জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অষ্টাদশ লোকসভায় বিভিন্ন দলের সংশোধিত অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে ওই ছয় সাংসদের দলবদলের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর শক্তিও আরও বৃদ্ধি পেল। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের জন্যও লোকসভায় পৃথক আসন বিন্যাসের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। বর্ষীয়ান নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যদিও ওই দলভুক্তিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৈঠকে আমন্ত্রণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সরকারের ডাকা সর্বদলীয় ফ্লোর লিডারদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই আরও কিছু রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এনডিএর সাংসদ সংখ্যা আরও বেড়েছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদের শিন্ডে শিবিরে যোগদানের ফলে সরকার গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই শুরু হয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Speaker)।

    বিল পাসে আশাবাদী সরকার

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল এবং মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে আশাবাদী। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে লোকসভায় মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিলটি পাস করানো সম্ভব হয়নি।

    ‘অন্যায়’ আবদার তৃণমূল-উদ্ধব ঠাকরের দলের

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোট ভেঙে টিভিকে-কে সমর্থন করার পর দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে আলাদা আসন বিন্যাসের আবেদন করেছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তা অনুমোদিত হতে পারে বলেই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং তৃণমূল কংগ্রেস—দুই দলই তাদের বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর (Shiv Sena UBT) সদস্যসংখ্যা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের বিধান লঙ্ঘন না করায় স্পিকারের পক্ষে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার সম্ভাবনা খুবই কম (Lok Sabha Speaker)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগাযোগ করেন সংসদের উভয় কক্ষের সব দলের ফ্লোর লিডারদের সঙ্গে (Womens Quota Bills)। এই বিলগুলির লক্ষ্য হল ২০২৯ সাল থেকে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বিস্তৃত আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এখন সময় এসেছে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’কে সারা দেশে প্রকৃত অর্থে কার্যকর করার। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচনে মহিলাদের সংরক্ষণ সহকারে অনুষ্ঠিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সমর্থন দেশের মহিলাদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সমতুল হবে।” এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে এসেছে যখন বিরোধী দলগুলি ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ কার্যকর করার বিরোধিতা করছে। এতে করে মহিলাদের সংরক্ষণ ২০৩৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্যকর না-ও হতে পারে। যেহেতু সংবিধান সংশোধনী পাশ করাতে বিজেপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, তাই বিরোধীদের সমর্থন জরুরি।

    সংরক্ষণ বাস্তবায়ন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণ কোনও একক দল বা ব্যক্তির বিষয় নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের মহিলাদের দায়িত্বশীলতা দেখিয়ে দিতে হবে।” এই বিল অনুযায়ী, সংরক্ষণ বাস্তবায়ন ২০২৭ সালের জনগণনার পরিবর্তে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে করা হবে (Womens Quota Bills)। প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালে এই বিলের সর্বসম্মত সমর্থনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এটি ছিল আমাদের ঐক্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।” প্রস্তাবিত সংশোধনের ফলে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে, যার মধ্যে ২৭৩টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি বিল আনতে চলেছে। এগুলি হল সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ডিলিমিটেশন বিল এবং দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর ও পুদুচেরির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংরক্ষণ বাড়ানোর জন্য পৃথক আইন (Womens Quota Bills)।

     

LinkedIn
Share