Tag: Demonitisation

Demonitisation

  • Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বন্দির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সোমবার জানিয়েছে, কী ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুধু তার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রের রায় বদলে দেওয়া যায় না। নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অবশ্যই রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে ছয় মাস ধরে আলোচনার পরেই নোট বাতিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাই এটা শুধু কেন্দ্রের এক তরফা সিদ্ধান্ত তা বলা যায় না। তাই নোট বাতিলের প্রক্রিয়াও অবৈধ নয়। সুপ্রিম এই রায়ের পর বিরোধীদের একহাত নিয়েছে বিজেপি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেছেন, ” নোট বন্দি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কি রাহুল গান্ধী সরি বলবেন? গত ছয় বছর ধরে মিথ্যে প্রচার চালিয়েছে কংগ্রেস। দেশের মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বন্দির সিন্ধান্ত যে সঠিক ছিল সেটা আজ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্ট। কারণ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার ফলে জঙ্গিদের রসদে টান পড়েছে। কমেছে জঙ্গি কার্যকলাপ। সেটা সহ্য হচ্ছিলো না কংগ্রেসের। রাহুল গান্ধী ভুল বলছিলেন। শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও। আজকের পরে নিশ্চয়ই ভুল স্বীকার করা উচিত রাহুল গান্ধীর “

    চিদাম্বরকেও কটাক্ষ

    নোট বন্দি মামলায় পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ ভোটাভুটির মাধ্যমে রায় দিয়েছে। যেখানে চারজন বিচারপতি স্বপক্ষে রায় দিয়েছেন। একজন বিচারপতি নোট বন্দির সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন। শুধু রাহুল গান্ধী নয়, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকেও এ প্রসঙ্গে তুলোধোনা করেছেন রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেছেন, ” সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়কে উপেক্ষা করে বদনাম করার মতো বিবৃতি দিয়েছেন চিদাম্বরম। যা মেনে নেওয়া যায় না।” 

    আরও পড়ুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ হয়ে ওঠার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন প্রাক্তন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, “নোটবন্দির পর ডিজিটার পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভারত সারা বিশ্বের নেতা হতে চলেছে।” পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, কেবল গত বছরের অক্টোবরে ভারত ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ৭৩০ কোটির বেশি ডিজিটাল পেমেন্ট হয়েছে, যা কোনও দেশে হয়নি। নোটবন্দির উদ্দেশ্য যে মহৎ ছিল,  সেটা বিচারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি দেখা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও ভুল করেনি কেন্দ্র সরকার। সঠিক পথে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নোটবন্দি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা খারিজ করে দিয়ে এই অভিমত প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত (supreme Court)। ২০১৬ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন বিচারপতির বেঞ্চ। 

    আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত

    পুরনো ১০০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলাগুলি হয়েছিল, সোমবার তার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, বৈধ পথেই নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে ছ’মাস ধরে আলোচনা করেই কেন্দ্র নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিচারপতি আবদুল নজিব, বিচারপতি বিআর গবাই, বিচারপতি এএস বোপান্না, বিচারপতি বি রামসুব্রাহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বিবি নাগরত্নার সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল ছিল না। আদালত সূত্রে খবর, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন চার বিচারপতি, বিরুদ্ধে মত দেন এক জন।

    আরও পড়ুন: বছরের প্রথমেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ! জোড়া সভা বীরভূম ও আরামবাগে

    ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আচমকাই ডিমনিটাইজেশন (Demonetisation) তথা নোটবন্দির কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। কালো টাকা উদ্ধার করতে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট রাতারাতি বাতিল করার এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছিল বিজেপি। কিন্তু নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ৫৮টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের যুক্তি, সরকার সঠিক পরিকল্পনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা উচিত। সরকারের পাল্টা যুক্তি ছিল, বাস্তবে এই সিদ্ধান্তকে বাতিল করা সম্ভব নয়। নোটবন্দির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হলে ‘সময়ের পিছনে গিয়ে’ বাতিল করতে হবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রের আইনজীবী।

    এই মামলায় মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন, সরকারের চাপের কাছে আদালতের চুপ করে যাওয়া ঠিক হবে না। আদালত এখন নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিতে পারবে না ঠিকই। কিন্তু ঠিক হয়েছিল না ভুল হয়েছিল সে ব্যাপারে স্পষ্ট মত দেওয়া আদালতের কর্তব্য। এই প্রেক্ষিতেই সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকারের এই সিদ্ধান্তে কোনও ত্রুটি ছিল না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Demonetisation: “নোটবন্দি রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গ ছিল”, আদালতে জানাল আরবিআই

    Demonetisation: “নোটবন্দি রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গ ছিল”, আদালতে জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরবিআই ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটবন্দির (Demonitisation) সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত যাবতীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে এই মামলায় রায়দান স্থগিত রেখেছে বিচারপতি সৈয়দ আবদুল নাজিরের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। এরপরেই অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, যাবতীয় নথি মুখবন্ধ খামে আদালতকে দিতে হবে। এর আগে আরবিআইয়ের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নোটবন্দির প্রভাব সম্পর্কে সরকারকে অবগত করা হয়েছিল কিনা। আরবিআই কি সরকারকে জানিয়েছিল যে নোটবন্দির ফলে দেশের ৮৬ শতাংশ নোটই বাতিল হবে। এই আবহে এবার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নথি জমা দিতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। নোটবন্দি সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় ৫৮টি মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলাগুলির শুনানি চলছে। 

    আরও পড়ুন: এনজেএসি বাতিল করে শীর্ষ আদালত জনসাধারণের রায়কে উপেক্ষা করেছে, রাজ্যসভায় বললেন ধনখড়

    আদালতে সওয়াল-জবাব 

    এস আব্দুল নজিরের সাংবিধানিক বেঞ্চকে জবাবে আরবিআই এর পক্ষ থেকে আইনজীবী জয়দীপ গুপ্ত বলেন, “আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ মনে হলেও, নোটবন্দি রাষ্ট্র গঠনের একটি বড় অংশ ছিল। অনেকের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর বিরূপ প্রভাব সম্পর্কেও অবগত ছিলেন আধিকারিকরা। কেউ কেউ এক মত নাও হতে পারেন। সেটাই স্বাভাবিক।”

    শুনানির সময় এক পর্যায়ে বিচারপতি বি.ভি. নাগারথনা, আইনজীবী গুপ্তকে ব্যাংক এবং এটিএম-এর বাইরে দীর্ঘ লাইনের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “গোটা দেশ অর্থাভাবে ভুগেছিল।”  

    আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট পি চিদাম্বরম বলেন, “প্রতিটি ব্যাংকের (Demonitisation) কেবল সীমিত নগদ টাকা ছিল, যা তাদের শাখাগুলির মধ্যে বিতরণ করতে হয়েছিল। এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল, ১০০ জন লোক তাদের নোট পরিবর্তন করতে পেরেছিলেন। কিন্তু ১০১তম ব্যক্তিকে ফিরে আসতে হয়েছিল ব্যাংক থেকে।”

    এর উত্তরে গুপ্ত বলেন, “কিছু কষ্ট হয়তো হয়েছে। তা প্রত্যাশিত ছিল না। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই আমাদের সবকিছু ঠিক করা ছিল। একদিন টাকা বের করে পরের দিন রিমানিটাইজ করা সম্ভব নয়। অযথা কারও টাকা যাতে নষ্ট না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হয়েছিল।” 

    তিনি আরও বলেন, “সকলকে একটি যুক্তিসঙ্গত সুযোগ এবং পুরোনো টাকা বদলে নেওয়ার যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল। যখনই সমস্যা দেখা দিয়েছে, নীতি পরিবর্তন করা হয়েছে। একটি কন্ট্রোল রুমও চালু ছিল।” 

    বিচারপতি নাগারথনা প্রত্যুত্তরে বলেন “নোট বদল (Demonitisation) করার শেষ দিন, ২০১৬ সালের ৩১শে ডিসেম্বরও বহু লোক ৫০০-১০০০ টাকার নোট বদল করতে না পেরে ফিরে এসেছেন। কারণ ব্যাংকের বাইরে দীর্ঘ লাইন ছিল।” 

    গুপ্ত জবাবে বলেন, “সেই সময়ে ব্যাংকগুলি ২৪ ঘণ্টা কাজ করত। ব্যাংক অফিসাররা সিস্টেমটিকে সমর্থন করেছিলেন।” বিচারপতি নাগারথনা বলেন, “ব্যাংকের লাইনে দাঁড়ানো অনেক লোকই হয়তো গৃহ সহায়ক এবং দিনমজুর ছিলেন, যারা পুরোনো মুদ্রায় বেতন পেয়েছিলেন এবং দিনের পর দিন তা বদল করার অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন।”

    গুপ্ত যুক্তি দিয়ে বলেন, “পুরোনো নোটে বেতন দেওয়া অবৈধ ছিল (Demonitisation)। ৯ নভেম্বর থেকে, নতুন নোটগুলিই একমাত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।     

     

     

     

LinkedIn
Share