Tag: Demonstration

Demonstration

  • Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে যেন কোনওভাবেই মুক্তি মিলছে না রাজ্যবাসীর। কখনও রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের কাঁচামাল সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা, কখনও ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, কখনওবা দুর্নীতি আবাস যোজনায়। তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এবার একগুচ্ছ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। আরামবাগের কেশবপুর ইনস্টিটিউশনের ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    কী অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকরা?

    অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সব কিছুই নিজের ইচ্ছামতো করছেন। মিড ডে মিলে গরমিল, স্কুলের ফলক তৈরিতে অর্থ তছরুপ সহ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ (Corruption) তোলেন অভিভাবকরা। এমনকি ক্লাসরুমে পর্যাপ্ত পাখা না থাকা সত্ত্বেও গরমের মধ্যে দিনে তিনটি করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কেন? সেই  প্রশ্ন তুলেও সোচ্চার হন অভিভাবকরা। স্কুলের পরিচালন কমিটি না থাকার কারণে প্রধান শিক্ষক ইচ্ছামতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ তুলে এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচি চলে। দাবি ওঠে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের। এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে যে পরীক্ষা হয়েছে, তাতে প্রশ্নেই উত্তর। পরীক্ষা ১১ টা থেকে আরম্ভ হওয়ার কথা। সেই পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১ টার পর। কোনও গার্ড নেই। গরমে ছেলেগুলো আধমরা হয়ে বাড়ি ফিরছে। পড়তে নয়, যেন কুস্তি লড়তে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমরা ছেলেদের পাঠাচ্ছি, তাদের কোনও দায়িত্বই নেই। তাদের একটাই লক্ষ্য, মাস গেলে মাইনে বুঝে নেবো। 

    প্রধান শিক্ষক জবাবে কী জানালেন?

    যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজকুমার খামরুই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। ক্লাসরুমে ফ্যান আছে বলেই তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। আইন মেনেই তিনি যা করার করছেন। দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water Crisis: বুদবুদের আদিবাসী গ্রামে জলসঙ্কট চরমে, কলসি, হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভ মহিলাদের

    Drinking Water Crisis: বুদবুদের আদিবাসী গ্রামে জলসঙ্কট চরমে, কলসি, হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধ করে সাবমার্শিবল বসিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু তা খারাপ হতেই মেশিন উধাও। বছর ঘুরলেও সেটি সারানো হয়নি। প্রশাসনের দরজায় ঘুরে জুতোর শুকতলা খুইয়েছেন বাসিন্দারা। নানাভাবে আবেদন-নিবেদন জানিয়েও সুরাহা হয়নি। বিকল্প পানীয় জলের সংস্থান বিশ বাঁও জলে। তাই জলকষ্টে (Drinking Water Crisis) নাকাল গ্রামবাসীরা। এমনই চিত্র বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েতের লবণধারা আদিবাসী গ্রামে। চরম বঞ্চনায় ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল। পানীয় জলের দাবিতে কলসি, বালতি নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষুব্ধ মহিলারা। ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়াল বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েতে। 

    বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক পঞ্চায়েত, দাবি গ্রামবাসীদের

    জঙ্গলমহল অধ্যুষিত গ্রামটিতে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বসবাস। সকলে দিনমজুর। গ্রামে পানীয় জলের কষ্ট (Drinking Water Crisis) দীর্ঘদিনের। জলসঙ্কট মেটাতে বছরখানেক আগে ঘটা করে সাবমার্শিবল বসিয়েছিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। মাস কয়েক ভালই চলেছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর আচমকাই সাবমার্শিবলটি খারাপ হয়ে যায়। আর তাতেই আবার জলকষ্ট শুরু হয় গ্রামে। এককথায় পানীয় জলের হাহাকার দেখা দেয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে আশপাশের পুকুরের জল ব্যবহার করলেও, গরমের শুরুতে সেসব শুকিয়ে পড়েছে। ফলে চরম জলসঙ্কট নেমে আসে। পার্শ্ববর্তী এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী নিয়ম করে সারাদিনে দুবার পানীয় জল পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা পর্যাপ্ত নয়। গ্রামের বুধিন টুডু, মুনিষ হাঁসদা প্রমুখ মহিলারা জানান, “ভোটের সময় নেতারা আসে। ভোট মিটলেই আর দেখে না। আমাদের সমস্যা কেউ শোনে না। বহুবার পঞ্চায়েতে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। পানীয় জলের নতুন করে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। গরমে দূর থেকে জল আনতে হয়।” সোমবার গ্রামের মহিলাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলারা। এদিন কলসি, হাঁড়ি, বালতি নিয়ে গ্রাম থেকে মিছিল বের করেন তাঁরা। তারপর স্থানীয় পঞ্চায়েতে পানীয় জলের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। ক্ষুব্ধ মহিলারা জানান, “গরমে জলকষ্টে নাজেহাল। বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক পঞ্চায়েত।”

    ধিক্কার জানাই, বললেন বিজেপি নেতা

    প্রশ্ন, জলসঙ্কট মেটাতে রাজ্য সরকার জলস্বপ্ন ও কেন্দ্র জলজীবন প্রকল্পের ওপর জোর দিয়েছে। নলবাহিত পানীয় জল পরিষেবা সময় সাপেক্ষ। তবে বছর ঘুরলেও, গ্রামে বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা হল না কেন? প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। অন্যদিক স্থানীয় বোলপুর লোকসভার বিজেপি কর্মী সৌমেন পাত্র বলেন, “তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ঘটা করে পানীয় জলের সাবমার্শিবল বসিয়ে বাহবা কুড়িয়েছিল। আবার খারাপ হতে আস্ত মেশিনটা সারানোর নামে তুলে নিয়ে চলে এসেছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৃণমূলের ভাইপো নবজাগরণ যাত্রায় নেমেছে। আর এদিকে রাজ্যের মানুষ কষ্টে (Drinking Water Crisis) ভুগছে। কেন্দ্রের দেওয়া জলজীবন প্রকল্পের রাশি রাশি টাকা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে সঠিক ব্যবহার করেনি। তাই এরকম একটা অকর্মণ্য রাজ্য সরকারকে ধিক্কার জানাই। তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তৃণমূল পরিচালিত দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সি জানান, “ওই এলাকায় সৌর বিদ্যুতের পাম্প বসানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। জল আনতে যেতে হয় বেশ কিছুটা দূরে। এছাড়া চলাচলের একমাত্র রাস্তাও বেহাল। আর এইসব দাবিকে সামনে রেখে পথ অবরোধ (Road Block) করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তপন ব্লকের জিটিহার মোড় এলাকার ঘটনা। এদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এই পথ অবরোধ চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে তপন থানার পুলিশ। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেও অবরোধ তুলতে পারেনি। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন তপন ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ব্লক আধিকারিকদের আশ্বাসের পর পথ অবরোধ তুলে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  

    জল ও রাস্তা নিয়ে কী অভিযোগ বাসিন্দাদের?

    বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও এই সমস্যার সমাধান হয়নি। সেই ক্ষোভেই এদিন তাঁরা একত্রিত হয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন। এর ফলে সকাল থেকেই রাজ্য সড়কে ব্যাপক যানজট লক্ষ্য করা যায়‌। উল্লেখ্য, তপন ব্লকের আওটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিরণ স্কুলপাড়া ও আদিবাসীপাড়া এলাকায় প্রায় এক হাজার মানুষের বসবাস। তিন কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা হওয়ার জন্য বর্ষাকালে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া গরম শুরু হতেই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা এতটাই সঙ্গীন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, মেশিন দিয়েও জল ওঠে না। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জল নিয়ে আসতে বাধ্য হন। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে তাঁরা জানান। অবরোধকারীরা বলেন, এখানে একটা জলের বড় ট্যাংকি করা হয়েছে। কিন্তু তা থেকে জল মেলে না। সাব-মার্শিবল থেকেও জল ওঠে না। আমরা অনেক কষ্টে রয়েছি। তাই রাস্তা এবং জলের দাবিতে আমরা এদিন পথ অবরোধ করেছি। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আমরা আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করবো।

    কী বললেন জয়েন্ট বিডিও?

    এই বিষয়ে (Road Block) জয়েন্ট বিডিও জয়ন্ত পাঠক বলেন, এদের এই রাস্তা পথশ্রী প্রকল্পে ধরা আছে। রাস্তার কাজ এই মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আর জলের একটা সমস্যা রয়েছে। তা মেটানোর জন্য আমরা দুটি গ্রামের মাঝখানে একটি একটি ট্যাংকি বসিয়ে দিয়েছি। সেই সমস্যাটাও এই মাসের মধ্যে মিটে যাবে। আর গ্রামের মাঝখানে কিছু কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলোকে আমরা পাকা করে দিচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে রাজ্যজুড়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। রাজ্যবাসী চাতক পাখির মতো অপেক্ষায়, কখন বৃষ্টি নামবে। ঠিক এরকমই একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে পানীয় জলের তীব্র সংকট। প্রচণ্ড গরমে একটু পানীয় জলের জন্য মাথা খুঁড়ে মরলেও তা মিলছে না। এমনই করুণ অবস্থা চলছে আসানসোলের বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এমনই। তাঁদের আরও অভিযোগ, এই সমস্যার কথা পুর কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করছে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে অশেষ দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই তাঁদের দিন কাটাতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP Demonstration)। 

    আন্দোলনে বিজেপি, নেতৃত্বে অগ্নিমিত্রা পল

    পানীয় জল সহ একাধিক দাবি নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বুধবার ঘেরাও করা হল (BJP Demonstration) আসানসোল পৌর নিগমের ৭ নম্বর বরো অফিস। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে আসেন ৭ নম্বর বরো অফিসের সামনে। পুলিশ সেই সময় ব্যারিকেড তৈরি করে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। যদিও পুলিশের সেই ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিস চত্বরে ঢুকে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এদিনের এই ঘেরাও কর্মসূচিতে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট রয়েছে। ওই সমস্যা মেটাচ্ছে না পৌরসভা। পাশাপাশি এদিন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিসের সামনে চলে আসার ঘটনাটিও অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি কখনও নিয়ম ভাঙে না। বিজেপি নেত্রী বলেন, মানুষ জল পাচ্ছে না। হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার দূরে গিয়ে জল আনতে হচ্ছে। সারাদিনে একবার হয়ত জল আসে। অনেক সময় তাও আসে না। মানুষ কেন জল পাচ্ছে না, তার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা চুরি করছেন, দুর্নীতি করছেন, জায়গায় জায়গায় কেন্দ্রীয় সরকারের জমি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ সামান্য জলটুকুও পাচ্ছে না। এসবের জবাব চাইতেই আমরা এসেছি (BJP Demonstration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal Movement: দণ্ডি-কাটা ইস্যুতে আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের বিক্ষোভ-মিছিল

    Tribal Movement: দণ্ডি-কাটা ইস্যুতে আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের বিক্ষোভ-মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কেটে তৃণমূলে যোগদানের ঘটনায় মঙ্গলবার আদিবাসীদের আটটি সংগঠনের যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ-মিছিল (Tribal Movement) করা হল। আদিবাসী যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে এদিন বিকেলে বালুরঘাট হাইস্কুল ময়দান থেকে ওই মিছিল বের করা হয়। এই মিছিল পরিক্রমা করে সারা শহর। পরে জেলাশাসকের দফতরের সামনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। 

    ন্যক্কারজনক ঘটনা আদিবাসী সমাজ মেনে নেবে না, ঘোষণা সংগঠনের

    সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আদিবাসী সমাজ মেনে নেবে না। তারই প্রতিবাদে এদিন জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ (Tribal Movement) দেখানো হচ্ছে। তাদের দাবি, পুলিশের খাতায় যেভাবে অজ্ঞাত দুষ্কৃতী লেখা হয়েছে, তা অন্যায়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রধান সংবাদমাধ্যম, সব জায়গাতেই এটা পরিষ্কার দেখানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কে। এমনকী তৃণমূল দল মেনে নিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে প্রদীপ্তা চক্রবর্তী যুক্ত আছেন এবং সেই কারণেই তাকে দলের সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও পুলিশ কেন বিষয়টি বুঝতে পারছে না, তা অজানা।

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    আগামী দিনে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের (Tribal Movement) হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ-প্রশাসন আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বলে জানান জেলার পুলিশ সুপার রাহুল দে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীরা বালুরঘাট থানার সামনে এসে প্রায় এক ঘন্টা পথ অবরোধ করেন। এরপর আদিবাসী যৌথমঞ্চের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। এদিন পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে তপন ব্লকের গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাতশংকর এলাকার পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, দণ্ডি কাটিয়ে সংগঠনে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল সমর্থন করেনি। এমনকী সংগঠনের সমস্ত পদ থেকে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরানো হয়েছে। রাজ্য পার্টির নির্দেশে জেলা মহিলা তৃণমূলের নতুন সভাপতি হিসাবে একজন আদিবাসী মহিলাকে তুলে এনেছে দল। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলার আদিবাসী সমাজের কাছে ভুল বার্তা যাতে না যায়, সেজন্যই এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share