Tag: dengue death

dengue death

  • Dengue: শীতেও দাপট কমেনি ডেঙ্গির! কাদের ঝুঁকি বেশি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    Dengue: শীতেও দাপট কমেনি ডেঙ্গির! কাদের ঝুঁকি বেশি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষায় প্রকোপ বাড়ে। কিন্তু তাপমাত্রার পারদ নামলে শক্তি ক্ষয় হয়, দাপটও কমে। এমনটাই গত কয়েক বছর হয়ে এসেছে। কিন্তু এই বছরের ছবি বেশ ব্যতিক্রম। রাজ্যে শীত জাঁকিয়ে বসছে। কিন্তু তারপরেও কমছে না ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। বরং ডেঙ্গি সংক্রমণের পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে শুধু কলকাতাতেই প্রায় ৩৫০ জনের ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ হয়েছে। নদীয়া, মুর্শিদাবাদের মতো জেলার পরিস্থিতি আরও ভয়ানক। চলতি বছরে রাজ্যের সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি আক্রান্ত জেলা মুর্শিদাবাদ। ওই জেলার সর্বশেষ রিপোর্ট উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে শুধু মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচশোর বেশি মানুষ ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলির পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্রের খবর, শীতেও রাজ্যের সর্বত্র ডেঙ্গির মারাত্মক প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। চলতি বছরে রাজ্যে কয়েক লাখ মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। চলছে মৃত্যু মিছিল। অন্যান্য বছরে শীতে ডেঙ্গির দাপট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু চলতি বছরে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত।

    কাদের ঝুঁকি বাড়ছে? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই ডেঙ্গি আক্রান্ত উপসর্গহীন হচ্ছেন‌। আর তার ফলেই বিপদ বাড়ছে। প্রথম থেকেই জ্বর কিংবা গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথা বা বমির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না। সামান্য সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। কিন্তু তারপরেই হঠাৎ বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। তাই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষত শিশুদের জন্য এই ধরনের উপসর্গহীন ডেঙ্গি আরও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

    শীতেও (Winter) মশার দাপট চলছে। তাই ডেঙ্গির প্রকোপ অব্যাহত। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মশা নিধনে সক্রিয়তা না থাকলে ডেঙ্গির প্রকোপ কমানো যাবে না। তাই দরকার সচেতনতা।‌ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাই ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলার প্রথম ও প্রধান অস্ত্র। নিজের বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। জমা জল একেবারেই রাখা চলবে না। আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। এলাকার বাগান কিংবা পার্ক থাকলে, সেগুলো পরিষ্কারে বাড়তি নজর দিতে হবে‌। পাশপাশি স্কুল কিংবা অফিস চত্বর পরিষ্কার রাখার দিকেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় হতে হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মশা নিধন স্প্রে দেওয়া জরুরি। নিকাশি ব্যবস্থাও পরিষ্কার থাকা দরকার। মশা বাহিত রোগ মোকাবিলার জন্য দরকার সতর্কতা। তবে সাধারণ সর্দিকাশির উপসর্গের আড়ালেও হানা দিচ্ছে ডেঙ্গি। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা দ্রুত করা দরকার বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ রোগ প্রথমেই চিহ্নিত করতে পারলে বড় বিপদ আটকানো সহজ হবে। পাশপাশি সংক্রমণ রুখতেও সুবিধা হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Death: ডেঙ্গিতে মুর্শিদাবাদ-নদিয়ায় মৃত ২! টনক নড়ছে না প্রশাসনের, আতঙ্কিত রাজ্যবাসী

    Dengue Death: ডেঙ্গিতে মুর্শিদাবাদ-নদিয়ায় মৃত ২! টনক নড়ছে না প্রশাসনের, আতঙ্কিত রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পুজো, কিন্তু ডেঙ্গির ভয়াবহতা কমছে না। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue Death) নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রত্যেক দিন এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুও ঘটছে। অথচ প্রশাসনের হুঁশ নেই। সরকারের স্বাস্থ্য দফতর এবং পুরসভাগুলি কার্যত মুখে কুলুপ দিয়ে বসে রয়েছে বলে অভিযোগ। ডেঙ্গিতে মৃত্যু নিয়ে কোনও বক্তব্য যেমন নেই, তেমনি রোগ সংক্রমণ নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিষ্ক্রিয়। নেই কোনও সামজিক দায়িত্ব। তাই সাধারণ মানুষ অসন্তোষ প্রকাশ করছে প্রশাসনের নিরুদ্ধে।

    গত ৫ অক্টোবর নদিয়ায় মাত্র পনেরো বছরের এক কিশোরের ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়। বিষয়টি গতকাল প্রকাশ্যে এসেছিল। ইতিমধ্যে আজ মুর্শিদাবাদে আরও এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গিতে। রাজ্য জুড়ের ডেঙ্গির থাবায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকা নিয়ে বার বার উঠছে প্রশ্ন।

    মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গিতে মৃত্যু (Dengue Death)

    মুর্শিদাবাদের সুতি দফাহাট এলাকায় ডেঙ্গিতে (Dengue Death) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বছর ৫০-এর আরতি সাহা নামে এক গৃহবধূর। জানা গেছে, গত ৩ দিন আগে শরীরে অসহ্য ব্যথা ও জ্বর নিয়ে আরতি সাহাকে মহিশাইল ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে পরিবার। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রক্ত পরীক্ষার পর ধরা পড়ে ডেঙ্গি পজেটিভ। কিন্তু রোগীর অবস্থার অবনতি হতেই গতকাল স্থানান্তরিত করা হয় জঙ্গিপুর হাসপাতালে। এরপর গভীর রাতে চিকিইসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। এখনও শরীরে জ্বর ও ব্যথা নিয়ে মহিশাইল ব্লক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন গ্রামের বেশ কিছু মানুষ। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ফলে পুজোর আগে নতুন ভাবে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও হেলদোল নেই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের। দেখা মেলেনি প্রশাসনের কোনও জনপ্রতিনিধিদের। তাই এলাকার মানুষ শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    নদিয়ায় কিশোরের মৃত্যু ডেঙ্গিতে

    সূত্রে জানা গেছে, নদিয়ার গাংনাপুরে পশ্চিম গোপীনগরের বাসিন্দা রনি দেবনাথের মৃত্যু হয় ডেঙ্গিতে (Dengue Death)। গত ৩ অক্টোবর তার ডেঙ্গি পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। শরীরে সেই সঙ্গে ছিল প্রচুর জ্বর। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে চাকদা, এরপর বনগাঁ হাসপাতাল এবং শেষে বেলেঘাটা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। প্লেটলেট নামতে থাকায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায়। আর এরপর মৃত্যু হয় তার।

    বেসরকারি সূত্রে খবর

    বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার জন মানুষ রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮। অধিকাংশ পুরসভা কোনও রকম হেল্প লাইন প্রকাশ করেনি। ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভেক্টর কন্ট্রোল কর্মীদের বদলে নতুন কর্মী নিয়োগ করেনি। ফলে ডেঙ্গি প্রতিরোধে লোকের অভাবে সঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে না। প্রশাসনও সঠিক দায়িত্ব পালন করছে না বলে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: পরিস্থিতি ভয়াবহ! ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গিতে মৃত ২

    Paschim Medinipur: পরিস্থিতি ভয়াবহ! ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গিতে মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল রাজ্যে। এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে দু;জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত ৪ জন। উল্লেখ্য, মাত্র দু’দিন আগেই দক্ষিণ দমদমের এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। বৃষ্টির জমা জলে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ইতিমধ্যেই ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে রাজ্যে। অন্যদিকে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাগুলির স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। ঠিকমতো মশা মারার স্প্রে, তেল এবং জঞ্জাল পরিষ্কার করছে না পুরসভা। পুরসভার চেয়ারপার্সনও মেনে নিয়েছেন, নিযুক্ত কর্মীরা ঠিক করে সাফাইয়ের কাজ করছেন না। নজর রাখছেন না এলাকার কাউন্সিলাররাও।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গিতে মৃত ২ (Paschim Medinipur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত চারদিন ধরে জ্বর নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খড়্গপুর শহরের খরিদা বাঙালপাড়া এলাকার রুনিতা মল্লিক নামে এক গৃহবধূ। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এরপর শুক্রবার ভোরে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবারেই ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালেও মৃত্যু হয়েছে আরও এক ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর। জেলায় ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যকর্তারা। এলাকায় ডেঙ্গির আতঙ্কে সাধারণ মানুষের জনজীবন এখন দুর্বিপাকে। রোগীর আত্মীয়রা অভিযোগ তুলছেন পুরসভার বিরুদ্ধে। এদিকে ডেঙ্গি মৃত্যুর ঘটনায়, শুক্রবার সকালেই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিছন্নতা খতিয়ে দেখতে আসেন মেদিনীপুর পুরসভার পৌর প্রধান সৌমেন খান সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

    পুরসভার বক্তব্য

    খড়্গপুর পুরসভার (Paschim Medinipur) চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ মৃত্যুর কথা স্বীকার করে বলেন, “ডেঙ্গির মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায় স্প্রে করার জন্য লোক নিয়েছি আমরা। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে সব সময় কাজ করছি। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে লোক দেওয়াও হয়েছে। মশা মারার জন্য স্প্রে করার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কিন্তু যাঁদের স্প্রে করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ঠিক মতো কাজ করছেন না। এলাকার কাউন্সিলাররাও এই বিষয়ে ঠিকঠাক নজর রাখছেন না।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Death: ফের ডেঙ্গিতে মৃত্যু স্কুলছাত্রীর! রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    Dengue Death: ফের ডেঙ্গিতে মৃত্যু স্কুলছাত্রীর! রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি প্রাণ কেড়ে নিল এবার এক স্কুলছাত্রীর। সে নাবালিকা ছিল এবং দক্ষিণ দমদমের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিল বলে জানা গেছে। পড়াশুনা করত মতিঝিল গার্লস হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে। রাজ্য জুড়ের ডেঙ্গির দাপটে শোরগোল পড়েছে। জেলায় জেলায় ডেঙ্গির দাপটে নাজেহাল অবস্থা। ইতি পূর্বে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রানাঘাট কলেজের এক ছাত্রের মৃত্যু (Dengue Death) হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ভাঙড়ে আরও এক ব্যক্তি প্রথমে বেলেঘাটা হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি হন এবং পরে ডেঙ্গির জন্য তাঁর মৃত্যু হয়। পুরসভারগুলি সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় উঠেছে প্রশ্ন।

    ফের ডেঙ্গিতে মৃত্যু (Dengue Death)

    রাজ্যে জুড়ে ডেঙ্গির কবলে মৃত্যুর (Dengue Death) সংখ্যা দাঁড়াল এই নিয়ে মোট ৫। সূত্রে জানা গেছে, এই ছাত্রী প্রবল জ্বর নিয়ে ভিআইপি রোডের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এরপর ডেঙ্গিজ্বরেই মৃত্যু হয় তার। উল্লেখ্য, তার ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির কথা বলা হয়েছে। এর আগেও দমদমে আরও এক জনের ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গেছে।

    কলকাতা পুরসভার ভূমিকা

    দমদমের বিভিন্ন এলাকায় যেমন ডেঙ্গির প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সেই সঙ্গে কলকাতায়ও বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে ডেঙ্গির প্রভাব। পুরসভার পক্ষ থেকে ডেঙ্গির মোকাবেলায় ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষকে পথে নামতে দেখা গেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ডেঙ্গি নিয়ে এতদিন শাসক দল সাড়া না দিলেও ডেঙ্গিতে মৃত্যুর (Dengue Death) সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধির কারণে প্রশাসনের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। সামনে পুজো, তাই পুরসভার সক্রিয়তা কিছুটা হলেও চোখে পড়েছে। ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে কামারডাঙা রেল কলোনি মশার আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। কাউন্সিলার স্বপ্ন সমাদ্দার ও অতীন ঘোষ এলাকা পরিদর্শনে যান। এই তৃণমূল কাউন্সিলারের দাবি, রেলের কারণে এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    খবু দ্রুত মিলতে পারে ডেঙ্গির ভ্যাকসিন

    ডেঙ্গির ভয়াবহতা এবং মৃত্যুর (Dengue Death) মধ্যেই সূত্রে খবর মিলছে যে ডেঙ্গির ভ্যাকসিন দ্রুত মিলতে পারে। এই বছর নভেম্বরেই হতে পারে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। আইসিএমআর এবং প্যানাসিয়া বায়োটেক লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে হবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। দেশের মোট ২০ টি স্থানে হবে এই প্রাথমিক ট্রায়াল। বেলেঘাটার নাইসেডে একটি কেন্দ্র হবে বলে জানা গেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক মাসে ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণ তিন হাজার থেকে তেরো হাজার। স্বাস্থ্য দফতরের ৩০তম সপ্তাহের রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৬৯। মাত্র এক মাসে সেটি বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার। অর্থাৎ, শুধু অগাস্ট মাসেই রাজ্যে ১০ হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    কী বলছে রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, অগাস্টের প্রথম থেকেই রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে। ক্রমেই তা মাথাচাড়া দিয়েছে। যেমন, ৩৪তম সপ্তাহের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গত জানুয়ারি থেকে ২২ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০ জন। সব থেকে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৩৩ ও ৩৪তম সপ্তাহে। ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত পরিসংখ্যানে প্রকাশ, রাজ্যে সংক্রমণ টপকে গিয়েছে ১৩ হাজারের গণ্ডি। অর্থাৎ, শেষ ছ’দিনে সংক্রমণ তিন হাজারেরও বেশি। বস্তুত, গোটা অগাস্ট জুড়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করে চলেছে ডেঙ্গি। দৈনিক ৩০০ জনের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন অগাস্টে।

    বৃষ্টি কম হওয়াই কারণ

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, গত বছরেও ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল অগস্ট মাসেই। ওই মাসের শেষের দিকে রাজ্যে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ঘরে। এ বার অবশ্য সেই সংখ্যাটি ভাল রকমেরই বেশি রয়েছে। সেই সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ডেঙ্গির প্রকোপ আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। টানা ভারী বৃষ্টিতে ডেঙ্গির বাহক এডিস মশার লার্ভা ধুয়ে যায়। এ বছর তেমন বৃষ্টি হয়নি। সেপ্টেম্বরের গোড়ায় আরও অবনতি হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: দেশের সেরা ৫০ জনের মধ্যে বাংলার ‘জাতীয় শিক্ষক’ কে?

    গ্রামে সংক্রমণ বেশি

    বরাবর ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণে শীর্ষে থাকে উত্তর ২৪ পরগনা। তার পরেই কলকাতা। কিন্তু চলতি বছর আগাগোড়া সংক্রমণে পয়লা নম্বরে ছিল নদিয়া। তবে অগাস্টের মাঝামাঝি থেকে বদলাতে থাকে ছবিটা। নদিয়াকে টপকে শীর্ষে চলে আসে উত্তর ২৪ পরগনা। শুধু এই জেলাতে এ বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত চার হাজার ছুঁইছুঁই। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ বিধাননগরে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের প্রায় চার গুণ (৫০৪)। ডেঙ্গি ছড়িয়েছে দক্ষিণ দমদমেও (৩১০)। তুলনায় শহর কলকাতায় (৯৮৯) সংক্রমণ তেমন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যায়নি এখনও। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, এ বার শহরের (৪০ শতাংশ) থেকে গ্রামের দিকে (৬০ শতাংশ) আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম শুরু হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যার হার বর্ষার শুরুতেই বদলে যায়। জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে। সেই একই ধারা বজায় রয়েছে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও। তার সঙ্গে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। একের পর এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ, মৃত্যু অস্বীকার করছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের কাছে ঠিকমতো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।

    কী বলছে তথ্য (Dengue)? 

    রাজ্যে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আড়াই হাজার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হন ৭০০ জন। অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন করে আরও প্রায় দেড়শো জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, স্বাস্থ্য দফতর সরকারি ভাবে কিছুই জানাতে রাজি নয়। পাশপাশি ডেঙ্গি মৃত্যু নিয়েও ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ১২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে কোনও ডেঙ্গি মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছেও নিয়মিত তথ্য পাঠানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। কিন্তু এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট মহল।

    উদ্বেগ (Dengue) বাড়ছে কেন? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, ২০২২ সালে দেশে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রাজ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ। সরকারি হিসেবেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজারের বেশি। দেশের মধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত রাজ্য হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিহার। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ হাজারের কাছকাছি। প্রথম ও দ্বিতীয় রাজ্যের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার ফারাক অনেকটাই ছিল। এ বছরেও পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক হবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, তাদের আশঙ্কা, ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু নিয়ে জটিলতা বিপদ বাড়াবে। কোনও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে, সেই এলাকায় বিশেষ প্রশাসনিক তৎপরতা জরুরি। কারণ, সেই এলাকায় আর কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা প্রশাসনের জানা দরকার। পাশাপাশি এলাকার পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজরদারি জরুরি। সংক্রমণ যাতে আর না ছড়ায় সে দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু সরকারি তরফে মৃত্যু স্বীকার না করলে সেই কাজ করা মুশকিল। এলাকার কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তা এলাকাবাসীর জানা দরকার। কিন্তু সরকারের তরফে তা প্রকাশ না করলে, সচেতনতা প্রসার মুশকিল। যা ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের মূল সমস্যা। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পরিস্থিতি কতখানি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে নিয়েই উদ্বিগ্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Dengue Death: এবার ডেঙ্গিতে মৃত এসএসকেএম-এর ডাক্তারি পড়ুয়া

    Dengue Death: এবার ডেঙ্গিতে মৃত এসএসকেএম-এর ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ডেঙ্গিতে মৃত্যু (Dengue Death) হল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃত্যু যেন প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। উৎসবের মরসুমেও এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অনেক প্রশ্নই তুলছে। আদৌ কি ডেঙ্গি প্রতিরোধে যথেষ্ঠ উদ্যোগী রাজ্য প্রশাসন? জানা গিয়েছে, মৃত অনিমেষ মাজি এসএসকেএম-এর অর্থোপেডিক্স-এর স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়া ছিলেন। অনিমেষ বিগত তিনদিন ধরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন (Dengue Death)। মাল্টি অর্গান ফেলিওরের কারণে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। 

    শরীরের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই মৃত্যু ডাক্তারি পড়ুয়ার

    ২৭ বছর বয়সের ওই ডাক্তারি পড়ুয়ার বাড়ি বাঁকুড়ায়। বেশ কয়েকদিন ধরেই তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হন অনিমেষ। এর পরেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে পাঠানো হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। শরীরের ভিতরে অতিরিক্ত মাত্রায় রক্তক্ষরণ হতে থাকে অনিমেষের। এতেই ব্যর্থ হয় চিকিৎসকদের সমস্ত রকমের প্রয়াস। এরই মধ্যে আজ সকালে তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্টও হয় অনিমেষের। রাজ্যের ডেঙ্গি (Dengue Death) পরিস্থিতি যে ভয়ঙ্কর আকার ধারন করেছে তা এই তরুণ চিকিৎসকের মৃত্যুতেই বোঝা যায়। 

    করোনার মতো ডেঙ্গিও কি এ রাজ্যে অতিমারির আকার ধারন করছে? 

    এছাড়াও অপর একটি ঘটনায় বৃহস্পতিবারই ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে হাওড়ার গৃহবধূর। জানা গিয়েছে হাওড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোরাবাজার এলাকার বাসিন্দা নিতু সিং চলতি মাসের ১৪ তারিখের জ্বরে আক্রান্ত হন। তখনই তাঁকে হাওড়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হতে থাকে নিতুর। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকালই তাঁর মৃত্যু হয়। আবার কলকাতারই ১০৪ নম্বর ওয়ার্ডের সন্তোষপুর এলাকার বাসিন্দা মামনি নস্কর ডেঙ্গিতে (Dengue Death) আক্রান্ত হয়ে মারা যান পঞ্চমীর দিন। ডেঙ্গির এই চিত্র দেখে ওয়াকিবহল মহলের প্রশ্ন, তবে কি করোনার মতো ডেঙ্গিও এ রাজ্যে অতিমারির আকার ধারন করতে চলেছে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন আতঙ্কের আরেক নাম ডেঙ্গি (Dengue Update)। কলকাতায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এই মশাবাহিত রোগ। কমার কোনও লক্ষণ নেই। প্রশাসনও নির্বিকার। শুধু বৈঠক, উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন এবং দোষারোপ করে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে প্রশাসন। চলছে তথ্য গোপনের চেষ্টা। শহরে ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

    আতঙ্কপুরী দমদম

    ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে আতঙ্কপুরী হয়ে উঠছে দমদম। ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দমদম এলাকা থেকে। এবার ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। এ নিয়ে দমদম এলাকা থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ৬। দমদম পুরসভার ২৭নং ওয়ার্ডের শ্যামনগর অঞ্চলে মৃত্যু হল এক বয়স্ক ভদ্র মহিলার। রুনা বসাক নামে ৫৩ বছর বয়সি ওই মহিলা চলতি মাসের ১৪ তারিখ নাগেরবাজার সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।  প্রসঙ্গত, কলকাতা ছাড়া নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার এবং হুগলি জেলায় রেড জোন চিহ্নিত করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    প্রতিদিন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত ৩০০

    পুজোর আগে ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্কের শেষ নেই। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন রাজ্যে ২৫০ থেকে ৩০০ জন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই। শহরাঞ্চলের পাশাপাশি ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে গ্রামাঞ্চলেও। জেলায় জেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠানো হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ এই তিনটে জেলা নিয়ে চিন্তার কারণ সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৭,৭৬০ জন।

    রাজ্য সরকার-পুর প্রশাসন নিরুত্তর

    রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। পুজো পেরিয়েও এই দাপট বজায় থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেম্বর পর্যন্ত থাকতে পারে ডেঙ্গির দাপট। তবু নিরুত্তাপ রাজ্য। তথ্য গোপনে ব্যস্ত সরকার। সব রাজ্য ডেঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট জমা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে এখনও কোনও রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। এ প্রসঙ্গে রাজ্যকে বিঁধলেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “ডেঙ্গি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কোথাও কোনও তৎপরতা নেই। ডেঙ্গি রোধ করার জন্য পুরনিগমের যে ভূমিকা থাকা উচিত, জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য যে কর্মসূচি নেওয়া উচিত এবং কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত সেটা একবিন্দু মানে না। সেটা দিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না। আমাদের রাজ্যে সমাজবিরোধীরা যেমন ভয়মুক্ত হয়ে গেছে, যে পুলিশ তাদের কিছু করতে পারবে না, সেরকমই মশারাও ভয়মুক্ত হয়ে গেছে যে এই সরকার বা পুরনিগম তাদের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। তারাও নির্ভয়ে বিচরণ করছে।” 

    আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা! শ্যুটিংয়ে বিশ্বরেকর্ড করে চ্যাম্পিয়ন দিব্যাংশ-রুদ্রাংশ-ঐশ্বর্য

    জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার

    দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই যে, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা যে প্রেসক্রিপশন লিখছে সেখানে ডেঙ্গি শব্দ নেই, বলে মত আক্রান্তদের। কোথাও বলছে, অজানা জ্বর, কোথাও বলছে পাহাড়ি জ্বর। মুর্শিদাবাদ জেলা, মালদা জেলায় এধরনের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এখানেও ডেঙ্গি প্রতিরোধ করার যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন আছে, সরকারকে যতটা তৎপর হতে হয়, মুখ্যমন্ত্রী-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যতটা মধ্যস্থতার প্রয়োজন আছে সেটা হচ্ছে না, বলে দাবি বিরোধীদের। কার্যত মানুষকে খোলা মৃত্যুর দিকে, অসহায় অবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।

    ডেঙ্গিতে ছারখার বাংলাদেশ

    বাংলাদেশেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে ডেঙ্গি (Dengue Update)। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে চলতি বছরে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গি বিষয়ক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেই দেশে ডেঙ্গিতে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে বাংলাদেশে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৩,০০৮ জন নতুন ডেঙ্গি রোগী। ফলে, সেই দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে, বর্তমানে, ১০,৪৭০ জন ডেঙ্গি রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের শিশুকে রেখে চলে গেলেন মা। ডেঙ্গি (Dengue Update) কাড়ল জীবন। নাম পায়েল নন্দী। বয়স ৩৩। স্কুল শিক্ষিকা ওই তরুণী সদ্য মা হয়েছিলেন। খুশির আমেজ মধ্যেই জানা যায় ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে। পরিবার সূত্রের খবর, সন্তান প্রসবের তিন দিনের মাথায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হন তিনি। যাদবপুর থানা এলাকার ওই বাসিন্দাকে প্রথমে ভর্তি করা হয় মাতৃভবন হাসপাতালে। ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শহরের একটি বড় হাসপাতালে। ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবারই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েকদিন জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর বুধবার সকালে মৃত্যু হয়েছে মতিঝিল গার্লস হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর। 

    তথ্য গোপন করছে সরকার

    রাজ্যে ডেঙ্গির  (WB Dengue Case) বাড়বাড়ন্ত অব্যাহত। পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে এডিস ইজিপ্টাই। গত ৮ দিনে শহরে মৃত্যু হয়েছে ৫ ডেঙ্গি আক্রান্তের। সূত্রের খবর, এই নিয়ে চলতি বছরে ৩৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এল। যদিও সরকারি মতে, ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৩। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট কত জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান কিছুতেই সামনে আনছে না প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে, তথ্য গোপন করাই এখন এরাজ্যের জনস্বাস্থ্যের প্রোটোকল। চলতি বছরে রাজ্যে কোনও ভাবেই ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র জানানো হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, তথ্য গোপন করার প্রবণতাও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। ডেথ সার্টিফিকেটে বা বেসরকারি পরীক্ষাগারে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে ডেঙ্গি না লেখার জন্য বহু জায়গায় অলিখিত নির্দেশ রয়েছে বলেও অভিযোগ। কোভিডের মতো কোমর্বিডিটির তত্ত্ব দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

    প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গি

    জুন মাসে রাজ্যে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪, তা একলাফে বেড়ে ৩ হাজার ৭৭৮ হয় জুলাই মাসে। সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত তা আরও বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৭০৯। তার মধ্যে ১৭ হাজার নমুনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে সরকারি হাসপাতালের ল্যাবে। বাকি ৭ হাজার ধরা পড়ে বেসরকারি ল্যাবে। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রের খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডেঙ্গিতে (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৪০০ জন। চলতি বছরে সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০০। 

    আরও পড়ুন: উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস! শরতের শুরুতে কেন বৃষ্টি?

    ডেঙ্গি প্রবণ জেলা 

    ডেঙ্গি প্রবণ (Dengue Update) জেলা হিসাবে উঠে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। বেসরকারি মতে,  গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগনায় ৬৯২৫ জন, নদিয়ায় ৩৯৬৯ জন, কলকাতায় ৩৪১৬ জন, মুর্শিদাবাদে ৩৪০৭ জন, হুগলিতে ২৬০০ জন, হাওড়ায় ১৪৬৮ জন, ঝাড়গ্রামে ১১১৭ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০১০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি জেলাগুলিতেও কম-বেশি আক্রান্ত রয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই ৩ থেকে ৫ হাজার করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর প্রশাসন নিরুত্তর। কেন? এত রাখঢাক কিসের? স্বাস্থ্যকর্তারাও মুখ খুলতে নারাজ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saheb Chatterjee: ডেঙ্গিতে অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের বোনের মৃত্যু, ‘‘শহরটা ভাগাড়ে পরিণত’’, ক্ষোভ টলিপাড়ার

    Saheb Chatterjee: ডেঙ্গিতে অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের বোনের মৃত্যু, ‘‘শহরটা ভাগাড়ে পরিণত’’, ক্ষোভ টলিপাড়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে এসেছিলেন পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে। সেটাই কাল হল। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায় (Saheb Chatterjee)-এর বোন পিয়াসী চট্টোপাধ্যায়ের। সাহেব তাঁর সোশ্যাল সাইটে নিজেই এই শোক সংবাদ দেন। বোনের মৃত্যুতে ভীষণ ভেঙে পড়েছেন টলিউড তারকা। ডেঙ্গিতে সাহেবের বোনের মৃত্যুর পর প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছে টলিপাড়া। অনেকে বলছেন, “শহরটা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।”

    শোকাহত অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়

    উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ফেসবুকের মাধ্যমেই অভিনেতা (Saheb Chatterjee) জানান, তাঁর বোন পিয়াসী ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। বেলভিউর ক্রিটিকাল কেয়ারে ভর্তি রয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল। কারণ অভিনেতা জানিয়েছিলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাঁদের এ পজিটিভ প্লেটলেটের রক্তদাতা চাই। রক্তদাতার বয়স যেন চল্লিশের নিচে হয়। আজ, বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতা জানান, ‘বেলভিউতে ভর্তি থাকা আমার ছোট বোন পিয়াসির জন্য এ+ ডোনারের ব্যবস্থা করার বিষয়ে আমার শেষ পোস্টের (গতকালের) প্রসঙ্গে, আমি প্রত্যেককে এবং সকল প্লেটলেট দাতাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। যারা আমাকে আমার বোনকে বাঁচাতে সাহায্য করার জন্য বহুদূর থেকে এগিয়ে এসেছিলেন।’ অভিনেতা আরও বলেন, ‘কিন্তু, আমি আপনাদের অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাতে চাই যে বোন আর নেই। খুব বিধ্বস্ত বোধ করছি আমি। ডেঙ্গি তাকে কেড়ে নিয়েছে। তাই তার জন্য আমার আর কোনও দাতার প্রয়োজন হবে না। তার অনন্ত সুখ এবং শান্তি জন্য প্রার্থনা করুন সকলে। ওম শ্রী সাঁইরাম।’

    শহরে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে ক্ষুব্ধ টলিপাড়া

    ডেঙ্গিতে সাহেবের (Saheb Chatterjee) বোনের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ টলিপাড়া। অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তের কথায়, “আমি এই ঘটনার কথা জানতাম না। তবে ডেঙ্গি বা এমন অতিমারি চিন্তা তো বাড়াবেই। রোগের উৎসটা চিন্তার। এ ধরনের রোগ তো হবেই। এমন একটা নোংরা শহর। কোনও রক্ষণাবেক্ষণ নেই।’’ দেবলীনার আরও ক্ষোভ, ‘‘রাস্তাঘাটের কী খারাপ অবস্থা! বছরের পর বছর দেখে যাচ্ছি, যেখানে জল জমার সেই জমেই থাকছে। কোনও সুরাহা হচ্ছে না। এগুলোই তো অসুখের উৎস। সেগুলোকে ঠিক করার জন্য কোনও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক অভিনেতার কথায়, “আমাদের শহরটা কার্যত ভাগাড়ে ভরে গিয়েছে। তাতেই মশার আঁতুড়ঘর। যা বিপদ বাড়াচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    পিয়াসী হলেন সাহেবের (Saheb Chatterjee) মাসতুতো বোন কিন্তু ছোট থেকে অভিনেতার বাড়িতে একসঙ্গেই বড় হয়েছেন। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারানোর জন্য সাহেবের মায়ের কাছেই থাকতেন তিনি। মৃত্যুকালে পিয়াসীর বয়স হয়েছিল ৪০ বছর। মাত্র দু’দিনে শরীরের সমস্ত অঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল তাঁর। পিয়াসীর একটি দুমাসের মেয়ে আছে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, বর্ষা বাড়লেই প্রত্যেক বছরের মতোই এবছরও বেড়েছে ডেঙ্গির চোখরাঙানি। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। কোনওভাবেই ডেঙ্গিকে আয়ত্ত্বে আনতে পারছে না প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share