Tag: Dengue Fever

Dengue Fever

  • Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ কেন‌ বাড়ছে? কীভাবে চিনবেন এই রোগ? কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ কেন‌ বাড়ছে? কীভাবে চিনবেন এই রোগ? কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ফি-বছর বর্ষাকালে রাজ্যের মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় ডেঙ্গি। মশাবাহিত এই রোগে নাজেহাল সকলেই। কয়েক হাজার মানুষ মারাও যান। লাখখানেক মানুষ আক্রান্ত হন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, সচেতনতার অভাব এই রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে! আসুন, এক নজরে দেখে নিই এই মারণ রোগের খুঁটিনাটি।

    ডেঙ্গি কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি একটা ভাইরাস, যা মশার মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে আরেক জনের রক্তে সংক্রমিত হয়। মূলত স্ত্রী এডিস মশা ডেঙ্গির ভাইরাস বহন করে।

    কীভাবে চিনবেন এই রোগ? (Dengue)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে জ্বর হয়। দেহের তাপমাত্রা মারাত্মক বেড়ে যায়। তার সঙ্গে গোটা শরীরে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত হাত ও পায়ের জয়েন্টে যন্ত্রণা বেশি হয়। মাথার যন্ত্রণা হয়। এর পাশপাশি শরীরের বিভিন্ন অংশে লালচে গোল দাগ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ডেঙ্গি সংক্রমণ হলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, দেহের যে কোনও অংশ থেকে রক্তপাত শুরু হলে, বুঝতে হবে পরিস্থিতি বেশ জটিল। তাই আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    কেন ডেঙ্গি বিপজ্জনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি ভাইরাস সংক্রমণ (Virus Infection) হলে আক্রান্তের রক্তে প্লেটলেটের পরিমাণ কমতে থাকে। আর তা হলেই রক্ত সঞ্চালন থমকে যায়। তার ফলে হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, মস্তিষ্ক সহ একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা বাধা পায়। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহও কমে যায়। মস্তিষ্ক কাজ করতে পারে না। ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণ হলে মাল্টি অরগ্যান ফেলিওরের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই ডেঙ্গি বিপজ্জনক বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে ডেঙ্গি? (Dengue)

    প্রথম থেকে চিকিৎসা শুরু না করলে ডেঙ্গি সংক্রমণ যে কোনও সময় বিপজ্জনক হতে পারে। তবে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ডেঙ্গি মারাত্মক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে দ্রুত পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। মৃত্যুহার খতিয়ে দেখলে দেখা যায়, গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অন্যদের তুলনায় বেশি। 
    তবে একবার ডেঙ্গি আক্রান্ত আরেকবার ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গিতে সংক্রামিত হলে বিপদ আরও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ রাজ্যে ডেঙ্গির মূলত চারটি প্রজাতি রয়েছে। এক প্রজাতির ভাইরাস এক ব্যক্তির দেহে একাধিক বার সংক্রমিত হলে পরিস্থিতি ভয়ানক হয় না। কারণ সেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি শরীরে তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু এক ব্যক্তিকে বারবার এক ভাইরাসের ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি সংক্রমিত করলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। তখন আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ শক্তি তলানিতে গিয়ে ঠেকে। একাধিক অঙ্গের ক্ষমতা কমতে থাকে। তাই একবার ডেঙ্গি সংক্রমণ হলে, তাকে আরও সতর্ক ভাবে থাকতে হবে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) মশাবাহিত রোগ। তাই মশার দাপট রুখতে পারলেই ডেঙ্গির মোকাবিলা সহজ‌‌ হবে। নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে ঘুমনোর পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর পাশপাশি বাড়ির আশপাশ ও এলাকা পরিষ্কারের দিকে নজরদারি জরুরি। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, যে কোনও জায়গায় জল জমতে না দেওয়ার দিকে নজর রাখতে হবে। এলাকার বিভিন্ন পার্ক ও বাগানে নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দিতে হবে। তাছাড়া, নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কিনা সেটাও নজরদারি জরুরি‌। এলাকার কেউ জ্বর, সর্দিতে আক্রান্ত হলে কিংবা ডেঙ্গির উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা জরুরি। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত থাকা দরকার। তবেই দ্রুত চিকিৎসা মাধ্যমে সুস্থ থাকা যাবে। আক্রান্তকে‌ আলাদা ভাবে রাখতে হবে। এলাকায় কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত (Virus Infection) হলে বাকিদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা বৃষ্টি! তার পরে কয়েক দিনের রোদ! এই আবহাওয়া এখন উদ্বেগজনক। কিন্তু চলতি সপ্তাহে এমনই আবহাওয়ার জেরে রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট আরও বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। চলতি বছরে ডেঙ্গি বঙ্গবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ। কিন্তু সেই তুলনায় প্রশাসনের তেমন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, সরকারের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে এই মারণ রোগ মোকাবিলায় কোনও সমন্বয়ই নেই। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে।

    উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোন জেলা? (Dengue)

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দফতরের বৈঠকে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, এবারে আক্রান্তের নিরিখে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা। ইতিমধ্যেই ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসের শেষ দুই সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ৫০০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। উত্তর ২৪ পরগনার পরেই নদিয়া। স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, নদিয়া জেলায় গত মাসে ৪০০-র বেশি মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কলকাতা ও হাওড়ার পরিস্থিতিও নজরে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক (State Administration) সূত্রে দাবি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই চলতি বছরেও জুন মাস থেকেই কলকাতা ও হাওড়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কলকাতায় ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপটও যথেষ্ট। মশার এই জোড়া আক্রমণে নাজেহাল কলকাতা তথা বঙ্গবাসী।

    কী পরিকল্পনা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা পরিদর্শনের পাশপাশি স্কুল, কলেজ, হাসপাতালেও পরিদর্শন জরুরি। এমনই নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য প্রশাসন। কর্তারা জানাচ্ছেন, একটানা বৃষ্টির জেরে স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে বহু জায়গায় জল জমে আগাছা জন্মাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। আর তার জেরেই মশার বাড়বাড়ন্ত। তাই স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন জরুরি। পাশপাশি হাসপাতাল চত্বরে যাতে জল না জমে, সে নিয়েও নজরদারি জরুরি। এক স্বাস্থ্যকর্তার (State Administration) কথায়, “ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তাদেরও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।” 
    তবে, স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছে, গতানুগতিক ভাবে শুধু পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। অনেক সময়েই তা নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ডেঙ্গি যে ভাবে বাড়ছে, সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য কর্তাদেরই একাংশ।‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে এ বছরেও চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি (Dengue Fever) সংক্রমণ উদ্বেগজনক। যদিও কলকাতা পুরসভার তরফে বারবার বলা হচ্ছে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই এবছরেও রাজ্যবাসীর ভোগান্তির কারণ হবে ডেঙ্গি। পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    কোন জেলা চিন্তা বাড়াচ্ছে? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, চলতি বছরে ডেঙ্গি নিয়ে সব চেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরভর কলকাতায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছিল। কিন্তু জুন মাস থেকে সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় চলতি মাসে শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশপাশি উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন। ২০২৩ সালে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ছিল ভয়ানক। এই দুই জেলার প্রায় পনেরো হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরেও সংক্রমণ যথেষ্ট ছিল। তবে গত দেড় মাসে এই দুই জেলায় সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক‌ভাবে‌ বেড়েছে।

    বাড়তি দুশ্চিন্তা ম্যালেরিয়া?

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে নাজেহাল রাজ্য প্রশাসন। প্রত্যেক বছরেই সংক্রমণ, আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যায়। এবছরে তার সঙ্গে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ ম্যালেরিয়া। কারণ, বর্ষার মরশুম (Rainy Season) শুরু হওয়ার আগেই কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট জারি ছিল। প্রত্যেক মাসে শতাধিক মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার মরশুমে সেই সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়েছে। 
    একদিকে ডেঙ্গি, আরেক দিকে ম্যালেরিয়া, মশাবাহিত এই দুই জোড়া সংক্রমণ রুখতে আরও সক্রিয়তা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক এলাকা পরিষ্কারের দিকে এই সময়ে বাড়তি নজর দিতে হবে। স্কুল, কলেজ, পার্ক এই সব জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে, আগাছা না জন্মায় সেটা দেখা জরুরি। বাড়িতে গিয়ে পরিদর্শন আরও বাড়াতে হবে। মশার আঁতুরঘর ভাঙতে পারলেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি কমবে। তবে সাধারণ মানুষকেও‌ সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় না বাড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। পুরসভা, পঞ্চায়েত, পুর্ত দফতর সবাইকেই একযোগে কাজ করতে হবে। এক স্বাস্থ্য কর্তার কথায়, “ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়া কীভাবে নিয়ন্ত্রত করতে হয়, এটা এখন সকলেই জানেন। শুধু সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। পুরসভা আর পঞ্চায়েতকে আরও সক্রিয় হতে হবে। আর স্বাস্থ্য দফতরেও ঠিকমতো রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নিজেদের মতো যা খুশি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মুশকিল (Rainy Season)।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের আঁচে পুড়ছিল গোটা রাজ্য। কিন্তু দিন দুয়েকের মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। তাপমাত্রার পারদও তাই ওঠানামা করছে। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়া বেশ খামখেয়ালী। আর এই পরিস্থিতিতেই উদ্বেগ‌ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। শীতকালে কিছুটা সংক্রমণ কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। গরম পড়তেই কলকাতার মতো বড় শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, সর্বত্র মশার দাপট শুরু হয়েছে। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি। আর এই তাপমাত্রার রকমফের সেই বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।

    কেন‌ এই আবহাওয়ায় ডেঙ্গির বিপদ‌ বাড়ছে? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র নিকাশি প্রক্রিয়া ভালো নয়। তার জেরে বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। জমা জলে মশা বংশবিস্তার করে। আর গরমে মশার উপদ্রব আরও বাড়ে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বৃষ্টি এই সময়ে লাগাতার হবে না।‌ কিন্তু দিন কয়েকের বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় জমা জলের সমস্যা থাকবে। আর তার জেরেই বাড়বে‌ ডেঙ্গি। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি অব্যাহত। তাই এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক‌ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি নিয়ে বিশেষ সক্রিয় না‌ হলে চলতি বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এই বছরে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাঁরা একবার আক্রান্ত হয়েছেন, ফের তাঁরা ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।‌ আর তার জেরে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে প্রশাসন কড়া মনোভাব না দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাসিন্দাদের একাংশের ক্ষোভ (Dengue)

    হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক জেলার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা‌ একেবারেই চোখে পড়ে না। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব। নর্দমা পরিষ্কার কিংবা মশানিধন কর্মসূচি, কিছুই চোখে পড়ে না। এমনকি সময় মতো এলাকা পরিষ্কার করে না পুরসভা। এমন অভিযোগ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম সহ একাধিক পুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। যার ফলে তাদের ডেঙ্গির ভোগান্তি লেগেই আছে বলে জানাচ্ছেন এই সব এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।

    কী বলছেন প্রশাসনিক কর্তারা?

    রাজ্য প্রশাসন অবশ্য জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসন‌ যথেষ্ট সক্রিয়। বছরভর কর্মসূচি চলছে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও চলছে। তবে ডেঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ডেঙ্গি রুখতে সব রকম কর্মসূচি চলছে। তারপরেও কোথাও কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি পুরসভা কিংবা স্বাস্থ্য দফতরে জানানো যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: লক্ষাধিক ডেঙ্গি আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গে, নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে রাজ্য! 

    Dengue: লক্ষাধিক ডেঙ্গি আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গে, নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে রাজ্য! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে! গত কয়েক বছর ধরেই ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে থাকে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্ত এবছর পশ্চিমবঙ্গ নিজের সমস্ত রেকর্ড ভেঙেছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে দেশের প্রথম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। তবে, আক্রান্তের সংখ্যা সর্বকালের সবচেয়ে বেশি। যা দেশে রাজ্যবাসীর স্বাস্থ্যের হাল নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য? (Dengue) 

    স্বাস্থ্য ‌দফতরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ‌ ছাড়িয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ হাজারের বেশি।‌ স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর চব্বিশ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজারের কাছাকাছি। এরপরেই আক্রান্তের নিরিখে রয়েছে কলকাতা। প্রায় ১২ হাজার মানুষ চলতি বছরে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়। এরপরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং হুগলি এবং হাওড়া জেলা। 
    ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের আশপাশে আর কোনও রাজ্য নেই।‌ ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে আর কোনও রাজ্যই পশ্চিমবঙ্গের কাছে নেই।‌ কেরল, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটকের মতো রাজ্য দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানে থাকলেও তাদের চলতি বছরে আক্রান্তের (Dengue) সংখ্যা দশ হাজারও‌ ছাড়ায়নি। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? (Dengue) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া হিসাবের বাইরে সংখ্যা‌ আরও বেশি। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।‌ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও শহরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি রোগীদের লম্বা ‌লাইন। কলকাতার একাধিক‌ বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষে সাধারণত ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা কমে। কিন্ত এ বছরের ছবি অন্যরকম। এই বছর এখনও লাগাতার ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতালে‌ ভর্তি হচ্ছেন।‌ এ বছরের শীতেও ডেঙ্গি নিয়ে ভোগান্তি চলবে‌ বলেই আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, সরকারের ডেঙ্গি প্রতিরোধ কর্মসূচি যে মুখ থুবড়ে পড়েছে, তা স্পষ্ট। একেবারেই এ নিয়ে সক্রিয়তা নেই।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে ধামাচাপা চলে। এখনও রাজ্য সরকারের তরফে স্বাস্থ্য মন্ত্রকে নিয়মিত তথ্য পাঠানো‌ হচ্ছে না।‌ আর এই ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতা রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি সঙ্কটজনক‌ করে‌ তুলছে। চলতি বছরের শেষে পরিস্থিতি (Dengue) আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? (Dengue) 

    স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ডেঙ্গি পরীক্ষা বেশি হচ্ছে। সে কারণেই এ বছরের আক্রান্ত সংখ্যা বেশি।‌ রাজ্যের এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, সরকারের তরফে সব রকম কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকেও ডেঙ্গি (Dengue) নিয়ে সচেতন হতে হবে। নিজের বাড়ি ও এলাকা পরিষ্কারে সক্রিয় এবং ইতিবাচক ভূমিকা নিতে হবে। কিন্তু কোনও কোনও জায়গায় সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে। তাই কাজ কঠিন হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলেই জানাচ্ছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: কোন শারীরিক সমস্যা ডেঙ্গিতে বাড়তি বিপদ ডেকে আনে? 

    Dengue: কোন শারীরিক সমস্যা ডেঙ্গিতে বাড়তি বিপদ ডেকে আনে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃত্যু চলছেই! কলকাতা, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, এই জেলাগুলিতে প্রতিদিন কয়েকশো মানুষ ডেঙ্গি-আক্রান্ত হচ্ছেন। লাগাতার ডেঙ্গি সংক্রমণ এবং মৃত্যুর জেরে উদ্বেগ বাড়ছে। শীতেও এবার ডেঙ্গির প্রকোপ জারি থাকবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাদের পরামর্শ, কয়েকটি ক্ষেত্রে ডেঙ্গি (Dengue) বিপদ বাড়াতে পারে। তাই বড় ক্ষতি এড়াতে আগে থেকেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কোন কোন ক্ষেত্রে বাড়তি বিপদ? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গর্ভবতী মহিলাদের ডেঙ্গি বাড়তি বিপদ তৈরি করে। গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গি হলে মা ও গর্ভস্থ শিশু দু’জনের জন্যই বিপদ। গর্ভস্থ মহিলার শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেশি থাকে। আর ডেঙ্গি হলে শরীরে জলের অভাব দেখা যায়। আর তার জেরেই একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যায়। দেখা দিতে পারে প্রাণ সংশয়। তাই গর্ভবতী মহিলাদের এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনো, বাড়ির আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখা এবং এলাকায় কেউ সংক্রমিত (Dengue) হলে, বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তবে, ডেঙ্গি সংক্রমণ হলে গর্ভবতী মহিলাদের আরও বেশি যত্নের প্রয়োজন। শরীরে যাতে তরল পদার্থের অভাব না হয়, সেদিকে আরও বেশি খেয়াল রাখা জরুরি, পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কিডনি কিংবা লিভারের সমস্যা?

    কিডনি কিংবা লিভারের সমস্যা থাকলে ডেঙ্গি (Dengue) বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি সংক্রমণের পরে জটিলতা তৈরি করে কিডনি এবং লিভার। এই দুই অঙ্গ অনেক ক্ষেত্রেই ঠিকমতো কাজ করে না। তাই রোগীর শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। তাই যাদের কিডনি ও লিভারের সমস্যা রয়েছে, তাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। মশা বাহিত রোগ তাদের জন্য আরও বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    একবার হলে বাড়তি সতর্কতা (Dengue)

    যাদের একবার ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছে, তাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, একাধিক বার ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে শরীরের ভিতরে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই প্রাণ সংশয় দেখা যায়। তবে, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) যে কোনও সময়েই বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। ডেঙ্গির জটিলতা বাড়ায়, একাধিক অঙ্গের কার্যশক্তি হারিয়ে ফেলে। তাই ডেঙ্গি আক্রান্তের জ্বর কমলেও পরবর্তী কিছুদিন বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাই ডেঙ্গির জ্বর কমলেও যাতে ডিহাইড্রেশন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবেই প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকি কমবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গি বেড়েছে কয়েকগুণ! শীতের শুরুতেও চলছে দাপট!

    Dengue: উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গি বেড়েছে কয়েকগুণ! শীতের শুরুতেও চলছে দাপট!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উৎসবের মরশুমেও চলছে ডেঙ্গির দাপট। বিগত বছরগুলির রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ২০২৩ সালের ডেঙ্গির প্রকোপ। শীতের শুরুতে অন্যান্য বছরে ডেঙ্গির প্রকোপ কমে। কিন্তু এ বছর ডেঙ্গি একই রকম ভাবে প্রকোপ জারি রেখেছে। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের মধ্যে সর্বাধিক ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। চিকিৎসক মহলের আশঙ্কা, শীতকালেও ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হবে।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ৭৭ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। গত বছর রাজ্যের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার। এ বছর ইতিমধ্যেই সেই রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এই জেলাগুলোতে ডেঙ্গির দাপট এ বছর সবচেয়ে বেশি। তার মধ্যে শুধুমাত্র উত্তর চব্বিশ পরগনাতেই ১০ হাজারের বেশি ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। তার পরে রয়েছে কলকাতা ও অন্যান্য জেলা। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, উৎসবের মরশুমে ১০ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে।

    কী বলছে ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ-র রিপোর্ট? (Dengue) 

    কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে ডেঙ্গির তথ্য নিয়ে চাপানউতর চলে। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যের তরফে কোনও তথ্য কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ। আর তার জেরেই ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ-এর ওয়েবসাইটে পশ্চিমবঙ্গের ডেঙ্গি সংক্রান্ত কোনও তথ্য থাকত না। যদিও অক্টোবরের শেষে রাজ্যের তরফে তথ্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রকের একাংশ মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গের ডেঙ্গি পরিস্থিতি আরও ভয়ানক। বিশেষত ডেঙ্গিতে মৃত্যুর তথ্য নিয়ে একাধিক প্রশ্ন থাকছে। কিন্তু তার পরেও কেরল, কর্ণাটকের মতো ডেঙ্গিপ্রবণ রাজ্যের তুলনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান পেল। যা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    শীতকালেও থাকবে ডেঙ্গির প্রকোপ? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, এ বছর শীতকালেও ডেঙ্গি (Dengue) দাপট দেখাবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, অক্টোবরের শেষে সাধারণ ডেঙ্গির দাপট কমে। নভেম্বর মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমতে থাকে। কিন্তু এ বছর নভেম্বরের মাঝামাঝিতেও ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাই আশঙ্কা করা যায়, ডেঙ্গি সংক্রমণ হবে। শীতেও রেহাই পাওয়া যাবে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রশাসনিক তৎপরতা জরুরি। ডেঙ্গিপ্রবণ এলাকাতে লাগাতার কাজ জরুরি। পরিষ্কারের পাশপাশি ডেঙ্গি যাতে ছড়াতে না পারে, সে নিয়ে লাগাতার কাজ করতে হবে। তা না হলে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আরও প্রবল শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: উৎসবের মাঝে অব্যাহত ডেঙ্গির প্রকোপ! পুজোয় কি বাড়তে চলেছে ভোগান্তি? 

    Dengue: উৎসবের মাঝে অব্যাহত ডেঙ্গির প্রকোপ! পুজোয় কি বাড়তে চলেছে ভোগান্তি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দরজায় হাজির। কিন্তু মশা নিয়ে ভোগান্তি কমেনি রাজ্যবাসীর। পুজোর সময় সেই ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন বঙ্গবাসী। কলকাতা হোক কিংবা জেলা, বর্ষা বিদায় নিলেও ডেঙ্গি বিদায় নিচ্ছে না। তাই প্রত্যেক দিন বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা। আর পুজোর মরশুমে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে আরও নাজেহাল হচ্ছেন রাজ্যবাসী।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? (Dengue)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহে আবার বেড়েছে সংক্রমণ। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতেই ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে বলেও জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গোটা রাজ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায়। এই জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এরপরেই আছে কলকাতা। সেখানেও আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজারের কাছাকাছি। ডেঙ্গি সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজারের কমবেশি। গত দু’সপ্তাহে ডেঙ্গি সংক্রমণ ৬৮ শতাংশ বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত বছরের তুলনায় এবছরে গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গি আরও বেশি দাপট দেখিয়েছে। পুজোর সময়েও ডেঙ্গির শক্তি অব্যাহত থাকবে বলেই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

    পুজোয় বাড়তি কোন ভোগান্তির আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল? (Dengue)

    রাজ্যে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত। পুজোর সপ্তাহেও ডেঙ্গি (Dengue) শক্তি প্রকাশ করবে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। আর তার জেরেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি বাড়বে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট মহলের। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুজোর মরশুমে প্রায় দু’সপ্তাহ স্বাস্থ্য দফতর থেকে সরকারি হাসপাতাল অঘোষিত ছুটির মেজাজে চলে যায়। এমনকি সম্প্রতি কয়েক বছর কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল চত্বরেই চলে দুর্গাপুজো। এই পরিস্থিতিতে হয়রানির শিকার হন রোগী ও পরিজনেরা। ডেঙ্গি যে হারে বাড়ছে, তাতে হাসপাতালে ভর্তির চাপ বাড়বে। কিন্তু পুজোর সময় অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি দেখা যায়। ফলে, ভর্তি নিয়ে টালবাহানা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে দৌড়নোর ভোগান্তি হতে পারে। 
    পাশাপাশি প্লেটলেটের আকাল আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। রক্তদান শিবির তেমন হয়নি। আবার প্লেটলেটের চাহিদাও মারাত্মক বাড়ছে। তাই এই সময়ে রক্তের সঙ্কট দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

    কী বলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতির আসল চিত্র সম্পর্কে প্রশাসন ওয়াকিবহাল। তাই বিশেষজ্ঞদের আর্জি, রাজ্যবাসী যাতে নির্বিঘ্নে পুজো উদযাপন করতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করুক প্রশাসন। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিশ্চিত করা, প্লেটলেটের জোগান বজায় রাখার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিলেই ভোগান্তি কমবে। আর সেটার দায়িত্ব রাজ্য সরকারকেই নিতে হবে বলে জানাচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপটে জেরবার! একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে? 

    Dengue: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপটে জেরবার! একসঙ্গে মোকাবিলা কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গির (Dengue) প্রবল শক্তিতে নাজেহাল রাজ্যবাসী। তার উপরে রয়েছে ম্যালেরিয়ার দাপট। আলাদা আলাদা ভাবে নয়। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, একসঙ্গে দুই মশাবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মশাবাহিত এই দুই রোগের জোড়া আক্রমণে নাজেহাল আক্রান্তরা। সময় মতো চিকিৎসা শুরু না করলে বিপদ মারাত্মক।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট?

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি এ বছর শক্তিশালী হয়েছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। বিশেষত কলকাতাতে এই সমস্যা আরও বেশি। তাই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার জোড়া আক্রমণের ঘটনাও কলকাতায় বেশি। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, সরকারি হোক বা বেসরকারি হাসপাতাল, জ্বরের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীর ৩০ শতাংশের ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়া একসঙ্গে হচ্ছে। বিশেষত বড়বাজার, গিরিশ পার্ক, শোভাবাজার, যাদবপুর, তালতলা, টালিগঞ্জের মতো এলাকায় ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ায় একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। তাই এই সব এলাকা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

    কেন কলকাতায় ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার জোড়া দাপট? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এডিশ মশা ডেঙ্গি (Dengue) রোগ ছড়ায়। আর ম্যালেরিয়ার রোগ বহন করে অ্যানোফিলিস মশা। এডিশ মশা পরিষ্কার জলে জন্মায়। যেমন টব, বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক। আবার অ্যানোফিলিস মশা বড় জলা জায়গায় বংশবিস্তার করে। কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় জল জমে। কোথাও অল্প জল আবার কোথাও অপরিচ্ছন্ন এলাকা। ফলে, যে কোনও ধরনের মশার বংশবিস্তার সহজ। আর তাই কলকাতা জুড়ে মশার জোড়া দাপট। বৃষ্টি হলেই কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় জল জমে। বৃষ্টি থামলেও, জল নামতে কয়েক দিন চলে যায়। আবার কলকাতার অধিকাংশ পার্ক অপরিচ্ছন্ন থাকে। ফলে, ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? (Dengue)  

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তিন দিন জ্বর থাকলেই রক্ত পরীক্ষা জরুরি। অনেক সময়ই ডেঙ্গি (Dengue) আর ম্যালেরিয়ার আলাদা উপসর্গ বোঝা যায় না। শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাওয়া, কাঁপুনি বা খিচুনি, হাত-পায়ে যন্ত্রণা, মাথাব্যথা, বমির মতো উপসর্গ হয়। ফলে, ডেঙ্গি নাকি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত, তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর তিন দিন টানা থাকলে একসঙ্গে ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ার রক্ত পরীক্ষা জরুরি। তাহলে নিশ্চিত হওয়া সহজ হয়। পাশপাশি, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির চিকিৎসা উপসর্গভিত্তিক। কিন্তু ম্যালেরিয়ার নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। তাই ম্যালেরিয়ার দ্রুত চিকিৎসা সম্ভব। ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়ায় একসঙ্গে আক্রান্ত হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, এক্ষেত্রে একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরির ঝুঁকি বেশি থাকে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গিতে বিপদ বাড়াচ্ছে অ্যান্টিবডির অভাব! কোন খাবারে দ্রুত তৈরি হবে অ্যান্টিবডি?

    Dengue: ডেঙ্গিতে বিপদ বাড়াচ্ছে অ্যান্টিবডির অভাব! কোন খাবারে দ্রুত তৈরি হবে অ্যান্টিবডি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। প্রত্যেক দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জ্বর কমলেও দুর্বলতা সমস্যা তৈরি করছে। অ্যান্টিবডি দ্রুত তৈরি হলে তবেই বিপদ কমবে। তাই ডেঙ্গির পরে খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি।

    কোন ধরনের খাবার অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে? 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির পরে পেটের সমস্যা দেখা দেয়। হজমের গোলমাল হয়। অন্ত্রের একাধিক সমস্যা হয়। এতে শারীরিক জটিলতা বাড়ে। তাই ডেঙ্গির পরে জল কিংবা তরল জাতীয় খাবারের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দিনে কমপক্ষে ৪ লিটার জল খেতে হবে। পাশাপাশি স্ট্রু, স্যুপ জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। তাতে একদিকে দেহে জলের পরিমাণ ঠিক থাকে, পাশাপাশি ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। আবার পেটের রোগ হয় না। ফলে দ্রুত সুস্থ (Dengue) হয়ে ওঠা যায়।

    নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ (Dengue)

    ডেঙ্গির পরে কিউই, মাল্টা, আপেল, নাশপাতির মতো ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এতে শরীরে দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আপেল, নাশপাতির মতো ফলে ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এর ফলে ডেঙ্গি পরবর্তী সময়ে এই ফল বিশেষ উপকার করে। পাশাপাশি কিউই, মাল্টার মতো ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এর ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি দ্রুত গড়ে ওঠে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির (Dengue) পরে নিয়মিত ডিম সেদ্ধ খাওয়া জরুরি। ডিমে একাধিক ভিটামিন থাকে। তাছাড়া প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় একদিকে যেমন দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে, তেমনি শরীরে অ্যান্টিবডি গড়ে তুলতেও সাহায্য করে। 
    দই, বাদাম দুধের মতো খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ডেঙ্গির পরে মলত্যাগে সমস্যা হয়। পেটে যন্ত্রণা হয়। আবার অন্ত্রে নানান অসুবিধা হয়। কিন্তু টক দই, বাদাম দুধের মতো খাবার নিত্যদিনের মেনুতে থাকলে হজম ভালো হবে। অন্ত্রের ঝুঁকি কমবে। ফলে, দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা যাবে বলেও মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নিয়মিত চিকেন স্ট্রু খাওয়া দরকার বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, চিকেন সহজপাচ্য। তাছাড়া চিকেন প্রাণীজ প্রোটিনে ভরপুর। তাই ডেঙ্গির পরবর্তী জটিলতা কাটাতে খাবারের তালিকায় নিয়মিত চিকেন স্ট্রু রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    শিশুদের ক্ষেত্রে আরও বেশি যত্ন নেওয়া জরুরি

    শিশুরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির (Dengue) পরে শিশুদের আরও বেশি দুর্বলতা দেখা দেয়। অ্যান্টিবডি তৈরিতেও সময় লাগে। তাই শিশুদের খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি। নিয়মিত তাদের ফল আর সব্জি খাওয়ানো দরকার। পালং শাক, লাউয়ের মতো সবুজ সব্জি নিয়মিত খেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ হবে। পাশপাশি দুধ, টক দই নিয়মিত খাওয়া জরুরি। লেবুর রস, আপেলের পাশপাশি রোজ কলা খাওয়া দরকার। এতে শিশুদের ডেঙ্গি পরবর্তী শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি কমে। শরীরে অ্যান্টিবডি দ্রুত তৈরি হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share