Tag: Dengue Fever in west bengal

Dengue Fever in west bengal

  • Uttar Dinajpur: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে রায়গঞ্জে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক! প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে কবে?

    Uttar Dinajpur: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে রায়গঞ্জে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক! প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ক্রমশই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে প্রাণ গিয়েছে অনেকের। ঘটেছে নানা অঙ্গহানিও। জেলায় জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। এবার উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের একাংশে ডেঙ্গির অস্বাভাবিক বাড়বাড়ন্তের ছবি উঠে এল। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ ব্লকের ১০ নং মারাইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সুভাসগঞ্জের কোতগ্রাম এলাকায়। ডেঙ্গির প্রকোপে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক। প্রশাসনের বিরুদ্ধে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ।

    ডেঙ্গির প্রকোপ (Uttar Dinajpur) কেমন?

    স্বাস্থ্য বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী এই এলাকায় (Uttar Dinajpur) গত ৭ দিনে ৪০ জনেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যাকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এলাকায় অনেকের মধ্যেই জ্বরের প্রকোপ রয়েছে। জ্বরের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পেলেই সাধারণ মানুষ ছুটছেন রক্ত পরীক্ষার জন্য।

    স্থানীয় মানুষের অভিযোগ

    এলাকার (Uttar Dinajpur) বাসিন্দা সঞ্চিতা রায় জানান, তাঁর শ্বশুরমশাই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রথমে তাঁর ধুম জ্বর আসে। রক্ত পরীক্ষার পর রিপোর্ট আসে পজিটিভ। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এরপর শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি হয়। বর্তমানে অবশ্য সুস্থ রয়েছেন তিনি। এরপর পরিবারের বাকি সকলের পরীক্ষা করা হয়। যদিও রিপোর্ট অনুযায়ী বাকিরা ডেঙ্গিমুক্ত রয়েছেন।

    স্থানীয় অপর এক গৃহবধূ অনিতা দাস নিজে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি জানান, ডাক্তারের কাছে জ্বর নিয়ে এসেছিলেন। এরপর রক্ত পরীক্ষা করতেই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। শুরু হয় চিকিৎসা। আপাতত সচেতনতাও অবলম্বন করছেন তিনি।

    এলাকায় খোলা হয়েছে স্বাস্থ্য শিবির

    এদিকে এলাকায় (Uttar Dinajpur) ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিতেই তড়িঘড়ি স্থানীয় একটি স্কুলে স্বাস্থ্য শিবির খোলা হয়েছে। যেখানে রক্ত পরীক্ষারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মনিকা বিশ্বাস জানান, এখানে রক্ত পরীক্ষার পর নমুনা যাচ্ছে মেডিক্যাল কলেজে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসছে। এখনও পর্যন্ত ৪০ পেরিয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মনিকা দেবী আরও বলেন, এই এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি। জল জমে থাকে সব সময়। এছাড়াও জঙ্গলও রয়েছে এলাকায়। যা ডেঙ্গির অনুকূল পরিবেশ।

    স্থানীয় উপপ্রধানের প্রতিনিধির বক্তব্য

    অপরদিকে, বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (Uttar Dinajpur) উপপ্রধানের প্রতিনিধি রানা রক্ষিত। তিনি জানান, ৬২ নং বুথে ক্রমশই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য দফতরের বিভিন্ন স্তরে জানানো হয়েছে। ক্রমাগত মনিটরিং চলছে। এলাকায় সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকেও সচেতন করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে এখন ডেঙ্গি নিয়ে আতঙ্কিত এই অঞ্চল সংলগ্ন এলাকার মানুষ। কত দ্রুত এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি বেড়ে চার গুণ! সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের ডেঙ্গি সংক্রমণে উদ্বেগে বাসিন্দারা

    Dengue: ডেঙ্গি বেড়ে চার গুণ! সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের ডেঙ্গি সংক্রমণে উদ্বেগে বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে মধ্যেই লাগাতার বৃষ্টি। কয়েক দিন আবার সূর্যের তাপে বাইরে থাকাই কষ্টকর হয়ে ওঠে। ফের শুরু হয় বৃষ্টি। গোটা অগাস্ট মাস জুড়ে কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় এমনই আবহাওয়া চলছে। আর এই আবহাওয়াতেই বংশবিস্তার করছে ডেঙ্গির মশা। যার জেরে সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট, বাগুইআটির মতো একাধিক জায়গায় কার্যত লাল সতর্কতা জারি হতে চলেছে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক সমীক্ষা? 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ইতিমধ্যেই হয়েছে চারগুণ! ফলে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ অগাস্ট পর্যন্ত রাজারহাট, সল্টলেক, নিউটাউন এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪৬ জন। কিন্তু ২০২৩ সালের ২৭ অগাস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৫০৪ জন। অর্থাৎ কয়েকগুণ বেশি। তার মধ্যে অগাস্টের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহেই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ১৮০ জন। ফলে, পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বাড়ছে ডেঙ্গি? 

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের মধ্যে উত্তর চব্বিশ পরগনা ডেঙ্গিপ্রবণ জেলা। প্রত্যেক বছর উদ্বেগ বাড়ায় এই জেলা। এই জেলায় আক্রান্ত ও মৃত্যহার বেশি থাকে। সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের মতো এলাকা উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যেই রয়েছে। তাই বিশেষ নজরদারি হচ্ছে। রোগ নির্ণয় বেশি হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। তাই বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্ট হচ্ছে। কিন্তু জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী হওয়ার পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ। প্রথমত, এই সব এলাকায় একাধিক নির্মীয়মাণ বহুতল রয়েছে। বর্ষার জমা জল সাত দিনের বেশি থাকার ঝুঁকি এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি। সেখানেই ডেঙ্গি রোগ বহনকারী মশা বংশবিস্তার করে। পাশপাশি নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার ছেটানো কিংবা মশা মারার ওষুধ দেওয়ার কাজও হয় না। ফলে, বিপদ বাড়ে। এছাড়াও, সল্টলেক এলাকায় একাধিক ফুলের নার্সারি রয়েছে। প্রচুর টব থাকে। সেগুলোতেও বর্ষার জল জমছে। বাড়ছে মশার দাপট। অনেক সময়েই নার্সারিতে ঠিকমতো নজরদারি হয় না। ফলে, ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, রাস্তার অবস্থাও বেহাল। বহু জায়গায় বৃষ্টির পরে জল জমে থাকছে। সেখানেও মশার উপদ্রব বাড়ছে।

    কীভাবে হবে মোকাবিলা? 

    স্বাস্থ্য কর্তারা অবশ্য জনসচেতনতার উপরই জোর দিচ্ছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের মতো এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তাই জ্বর হলে আর অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। রোগ নির্ণয় দ্রুত হলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তবে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনসচেতনতার পাশপাশি প্রশাসনিক তৎপরতাও জরুরি। বিশেষত ডেঙ্গি মশার বৃদ্ধি যাতে না হয়, সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। পুর প্রশাসনকে নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করতে হবে। কোনও জায়গা বন্ধ থাকলে, সেই জায়গায় প্রশাসনকে ঢুকে দেখতে হবে জল যাতে না জমে। রাস্তা মেরামত করতে হবে, নিকাশি ব্যবস্থা ভালো করতে হবে। যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই জল না জমে। সেই নজরদারির দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। সেই কাজে গাফিলতি থাকলে ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়বেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share