Tag: Dengue in Bengal

Dengue in Bengal

  • Suvendu Adhikari on Dengue: ‘গেল গেল রব তুলবেন না’, ডেঙ্গি মোকাবিলায়  স্বচ্ছতার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari on Dengue: ‘গেল গেল রব তুলবেন না’, ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বচ্ছতার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে থাবা বসিয়েছে ডেঙ্গি। ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। তবে এবার রোগের দাপট গতবারের ৫০ শতাংশ বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari on Dengue)। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ‘গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধেকেরও কম। হ‌ই হ‌ই, গেল গেল রব তোলার কোন‌ও কারণ নেই’। ডেঙ্গি তো বটেই, মশাবাহিত রোগ আতঙ্ক না ছড়ানো আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ২ হাজার, কলকাতা ৩৫০।

    কেন বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবনে আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ডেঙ্গি নিয়ে কোনও তথ্য গোপন করা যাবে না। চিকিৎসকদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর অভয়বাণী, “ডেঙ্গি হলে লুকোবেন না।” অর্থাৎ, জ্বরের কারণ ডেঙ্গি হলে চিকিৎসকরা যেন নির্ভয়ে তা রিপোর্টে উল্লেখ করেন সেই বার্তা দিয়েছেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে এসেও রাজ্যে বৃষ্টির বিরাম নেই। আবহাওয়ার এই লাগাতার খামখেয়ালিপনার জেরেই ডেঙ্গি-সহ অন্য সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, কলকাতা পুরসভা এবং আশপাশের পুসসভাগুলিতে ডেঙ্গি মোকাবিলার কাজ ঠিক ভাবে হচ্ছে না। বলেন, ‘যে পুরসভায় চেয়ারম্যানেরা রয়েছেন, তাঁরা কাজ করছেন না। কর্মরত ডব্লিউবিসিএস অফিসারদের আমরা এগজিকিউটিভ অফিসার করব’। এদিন স্বাস্থ্য়ভবনে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, প্রতিমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকারও। ডাকা হয়েছিল কলকাতা, হাওড়া পুরসভার পুর কমিশনার এবং ২১টি পুরসভার নির্বাহী আধিকারিকদের ডাকা হয়েছিল। আমন্ত্রিত ছিলেন, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, পরিবহণ, সেচ দফতরের সচিব, রেলের আধিকারিকেরাও।

    নভেম্বর পর্যন্ত নজরদারি

    চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গির এই মরশুম সাধারণত দুর্গাপুজোর পর পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে নজরদারিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এ দিনের বৈঠকে জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে কড়া নজরদারি চলবে। স্বাস্থ্যভবনের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের নিরিখে কলকাতার চেয়ে বেশি চিন্তায় রাখছে জেলাগুলি। এখন পর্যন্ত কলকাতার মোট ১২টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। তবে মহানগরের ৬১টি ওয়ার্ড এখনও পুরোপুরি ডেঙ্গি মুক্ত়। রাজ্যের অন্য জেলার মধ্যে মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। তবে এই মুহূর্তে রাজ্যে সক্রিয় ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা মাত্র ১৪৮ জন। প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বর হলে আর অযথা ফেলে রাখা উচিত নয়। সরকারি উদ্যোগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডেঙ্গির পরীক্ষা করা যাচ্ছে।

  • Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন আতঙ্কের আরেক নাম ডেঙ্গি (Dengue Update)। কলকাতায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এই মশাবাহিত রোগ। কমার কোনও লক্ষণ নেই। প্রশাসনও নির্বিকার। শুধু বৈঠক, উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন এবং দোষারোপ করে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে প্রশাসন। চলছে তথ্য গোপনের চেষ্টা। শহরে ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

    আতঙ্কপুরী দমদম

    ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে আতঙ্কপুরী হয়ে উঠছে দমদম। ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দমদম এলাকা থেকে। এবার ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। এ নিয়ে দমদম এলাকা থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ৬। দমদম পুরসভার ২৭নং ওয়ার্ডের শ্যামনগর অঞ্চলে মৃত্যু হল এক বয়স্ক ভদ্র মহিলার। রুনা বসাক নামে ৫৩ বছর বয়সি ওই মহিলা চলতি মাসের ১৪ তারিখ নাগেরবাজার সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।  প্রসঙ্গত, কলকাতা ছাড়া নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার এবং হুগলি জেলায় রেড জোন চিহ্নিত করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    প্রতিদিন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত ৩০০

    পুজোর আগে ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্কের শেষ নেই। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন রাজ্যে ২৫০ থেকে ৩০০ জন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই। শহরাঞ্চলের পাশাপাশি ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে গ্রামাঞ্চলেও। জেলায় জেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠানো হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ এই তিনটে জেলা নিয়ে চিন্তার কারণ সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৭,৭৬০ জন।

    রাজ্য সরকার-পুর প্রশাসন নিরুত্তর

    রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। পুজো পেরিয়েও এই দাপট বজায় থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেম্বর পর্যন্ত থাকতে পারে ডেঙ্গির দাপট। তবু নিরুত্তাপ রাজ্য। তথ্য গোপনে ব্যস্ত সরকার। সব রাজ্য ডেঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট জমা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে এখনও কোনও রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। এ প্রসঙ্গে রাজ্যকে বিঁধলেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “ডেঙ্গি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কোথাও কোনও তৎপরতা নেই। ডেঙ্গি রোধ করার জন্য পুরনিগমের যে ভূমিকা থাকা উচিত, জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য যে কর্মসূচি নেওয়া উচিত এবং কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত সেটা একবিন্দু মানে না। সেটা দিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না। আমাদের রাজ্যে সমাজবিরোধীরা যেমন ভয়মুক্ত হয়ে গেছে, যে পুলিশ তাদের কিছু করতে পারবে না, সেরকমই মশারাও ভয়মুক্ত হয়ে গেছে যে এই সরকার বা পুরনিগম তাদের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। তারাও নির্ভয়ে বিচরণ করছে।” 

    আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা! শ্যুটিংয়ে বিশ্বরেকর্ড করে চ্যাম্পিয়ন দিব্যাংশ-রুদ্রাংশ-ঐশ্বর্য

    জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার

    দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই যে, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা যে প্রেসক্রিপশন লিখছে সেখানে ডেঙ্গি শব্দ নেই, বলে মত আক্রান্তদের। কোথাও বলছে, অজানা জ্বর, কোথাও বলছে পাহাড়ি জ্বর। মুর্শিদাবাদ জেলা, মালদা জেলায় এধরনের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এখানেও ডেঙ্গি প্রতিরোধ করার যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন আছে, সরকারকে যতটা তৎপর হতে হয়, মুখ্যমন্ত্রী-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যতটা মধ্যস্থতার প্রয়োজন আছে সেটা হচ্ছে না, বলে দাবি বিরোধীদের। কার্যত মানুষকে খোলা মৃত্যুর দিকে, অসহায় অবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।

    ডেঙ্গিতে ছারখার বাংলাদেশ

    বাংলাদেশেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে ডেঙ্গি (Dengue Update)। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে চলতি বছরে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গি বিষয়ক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেই দেশে ডেঙ্গিতে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে বাংলাদেশে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৩,০০৮ জন নতুন ডেঙ্গি রোগী। ফলে, সেই দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে, বর্তমানে, ১০,৪৭০ জন ডেঙ্গি রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue in Kolkata: মেয়রের ওয়ার্ডেও হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা! কবে কমবে দাপট?

    Dengue in Kolkata: মেয়রের ওয়ার্ডেও হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা! কবে কমবে দাপট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের আমেজ এলেও কমছে না ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, রবিবার রাজ্যে নতুন করে প্রায় ৬০০ জনের কাছাকাছি ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। ৪ হাজার ৯৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গিতে মৃত্যুও। এখনও অবধি ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের 

    পুরসভার গাফিলতি

    তিন মাস আগে কাউন্সিলরদের সতর্ক করেছিল পুরসভা। কিন্তু সচেতনতার অভাবেই ডেঙ্গি মোকাবিলায় পুরনিগম পিছিয়ে পড়েছে বলে সূত্রের খবর। কাউন্সিলরদেরও যে আরও সচেতন হওয়া উচিত ছিল মানছেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। অতীন ঘোষের বক্তব্য, “কাউন্সিলরদের বুঝিয়ে বলেছিলাম কোন জায়গাটা আমাদের ধরতে হবে। কিন্তু এখন যা দেখছি, বোঝা যাচ্ছে সেই জায়গায় কিছু দুর্বলতা ছিল।” কলকাতা পুরসভার ( KMC)  সূত্রে খবর, শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টি ওয়ার্ডে ১০০-জনের বেশি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ( Mayor Firhad Hakim )  ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে এখনও অবধি ১১১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। সর্বাধিক ৪৭৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে।  এই পরিস্থিতিতে পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে কড়া মনোভাব দেখাচ্ছে পুরসভা। কিন্তু মনোভাবই সার, অলিতে গলিতে মিলছে ডেঙ্গি আক্রান্তের খোঁজ। আর্বজনা, জমা জল সবই নজরে পড়ছে। বস্তি অঞ্চলগুলোর অবস্থা বেশ খারাপ।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    কবে কমবে দাপট

    কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, উত্তরের তুলনায় দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গি সংক্রমণের ছবিটা অনেক বেশি উদ্বেগজনক। পুরসভার এক সমীক্ষা রিপোর্টে উঠে এসেছে, কলকাতা পুর এলাকায় বর্তমানে মোট ডেঙ্গি আক্রান্ত ৬ হাজার ৫২ জন। গত বছর যে সংখ্যাটা ছিল ১ হাজার ৯৩ । চলতি বছরে মোট আক্রান্তের ৭৬ শতাংশের বেশি দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। অন্যদিকে, উত্তর কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ১ হাজার ৩৭১ জন। স্বাস্থ্য পরিষেবাও বেহাল। সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর চাপ। এমতাবস্থায় শীত পুরোপুরি না পড়লে ডেঙ্গির দাপট কমবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share