Tag: Dengue In West Bengal

Dengue In West Bengal

  • Dengue: পুজোর আগে কাটছে না ‘ডেঙ্গি বিপদ’, তবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে

    Dengue: পুজোর আগে কাটছে না ‘ডেঙ্গি বিপদ’, তবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর রাজ্যের নয়া আতঙ্ক ডেঙ্গি (Dengue in West Bengal)। আক্রান্তের সংখ্যা খানিকটা কমলেও উৎসবের মরসুমে ডেঙ্গি সংক্রমণ এখনও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯১২ জন।

    আরও পড়ুন: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী? 

    বর্তমানে সব মিলিয়ে ৬১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট ৮,১১৭ জনের ডেঙ্গি পরীক্ষা হয়েছে। রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৭। সূত্রের খবর, এখনও অবধি রাজ্যে ২৯ জন ডেঙ্গিতে প্রাণ হারিয়েছেন। পুজোর ঢাকে কাঠি পড়লেও আনন্দে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে এই রোগ। 

    স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department) সূত্রের খবর, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দার্জিলিঙের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ এবং জলপাইগুড়ি জেলায় বেশি ডেঙ্গি আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। গত মঙ্গলবার রাজ্যে দৈনিক ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ছিল প্রায় ১,৪০০। সেই তুলনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর।  

    প্রতি বৃহস্পতিবার ডেঙ্গি পরিস্থিতির সাপ্তাহিক রিপোর্ট প্রকাশ করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের ৩৮তম সপ্তাহের রিপোর্ট। স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, ৩৭তম সপ্তাহের চেয়ে ৪২২৪ জন বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮তম সপ্তাহে। অর্থাৎ, এক সপ্তাহে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচশোর বেশি মানুষ মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগের এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনা থেকে। সেখানে ৮৫৮ জন আক্রান্ত হয়ে, এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৬৩৯। পরিস্থিতি সামগ্রিক ভাবে উদ্বেগজনক হলেও আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্টে ডেঙ্গি সংক্রমণ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Dengue In West Bengal: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুঁইছুঁই

    Dengue In West Bengal: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুঁইছুঁই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Corona) পাশাপাশি এবারে নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। ডেঙ্গিতে আক্রান্তের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পুজোর আগেই নতুন করে রাজ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। আক্রান্তের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি। আর কয়েকদিনের মধ্যেই ১০০০-এর গণ্ডিও পার করে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    স্বাস্থ্য দফতর (Health Department) সূত্রে খবর, গতকাল ৯৬৫ জন নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে এক দিনে এত বেশি সংখ্যক মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হননি। জেলাগুলির মধ্যে ডেঙ্গির প্রকোপ সবথেকে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Pargana)। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার, সল্টলেক (Saltlake), বারাসাত (Barasat), টিটাগড় (Titagarh), দেগঙ্গা (Deganga), বারাসাত, স্বরূপনগরে ডেঙ্গি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গতকাল স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Pargana) বিভিন্ন পুরসভা ও বিডিও-দের সঙ্গে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। এরপরেই এই খবর সামনে এসেছে।  

    আরও পড়ুন: মেয়রের ওয়ার্ড সর্বাধিক ডেঙ্গি প্রবণ, মারাত্মক আকার নিলেও ডেঙ্গি তথ্য নিয়ে সরকারের লুকোচুরি অব্যহত!

    উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ এবং দার্জিলিঙেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর এই সাত জেলায় চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৬০৪ জন রোগী এখনও সরকারি হাসপাতালে (hospital) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আবার ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। রিপোর্ট অনুসারে, এখনও রাজ্যে ১৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। তারমধ্যে ৩ জন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। গতকালই শিলিগুড়িতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় সাড়ে ৩ বছরের শিশুর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিশু বেশ কিছুদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল। এরপর টেস্ট করানোর পর জানা যায়, সে ডেঙ্গি আক্রান্ত। তারপরও কিছুদিন বাড়িতে রেখেই শিশুর চিকিত্‍সা করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সোমবার আনা হয় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। গতকাল সকালেই তার মৃত্যু হয়।

    রাজ্যে ক্রমশ ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে ডেঙ্গি রোধে ব্যবস্থা নিতে। ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে চিন্তায় প্রশাসন। ফলে জেলা প্রশাসনের তরফে পুরসভাগুলিকে ডেঙ্গি রোধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

  • Dengue in West Bengal: পুজোর আগে দুশ্চিন্তার মেঘ! ফের ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, কলকাতাতেই আক্রান্ত ৪৫১ জন

    Dengue in West Bengal: পুজোর আগে দুশ্চিন্তার মেঘ! ফের ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, কলকাতাতেই আক্রান্ত ৪৫১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। এবার করোনার পাশাপাশি নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue in West Bengal)। আক্রান্তের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। দুশ্চিন্তায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট জেলার সীমান্ত থেকে সুন্দরবন অবধি, ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কপালে ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি মোকাবিলায় হল না সমন্বয়, ডেঙ্গির প্রকোপে তাই জেরবার রাজ্যবাসী! 
          
    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বরূপনগর সারাফুল হাসপাতালে ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জ্বর নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ জন। সন্দেশখালি ঘোষপুরের হাসপাতালে গতকাল থেকেই আউটডোরে ডেঙ্গি রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বেশিরভাগেরই রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গি (Dengue) জ্বর নিয়ে ভর্তি অনেকে। হিঙ্গলগঞ্জ সান্ডেলেরবিল ব্লক হাসপাতালে ইতিমধ্যে দুজনের শরীরে ডেঙ্গির জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন জ্বরে আক্রান্ত। ডেঙ্গির ন্যুনতম উপসর্গ দেখলেই পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।   

    কলকাতায় ২৪টা ওয়ার্ডে ৪৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মহানগরীতে মোট ৮০০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতা পুরসভার কাশিপুর, কালীঘাট, পূর্বাচল হালতু শহীদ স্মৃতি, রাজডাঙ্গা, ব্যানার্জি পাড়া, কালমার্কস সরণি, চেতলা হাট, নিউ আলিপুর সহ ২০- ২৫টি এলাকায় নতুন করে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ডেঙ্গি। গতকাল কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে এক মহিলা ডেঙ্গিতে প্রাণ হারিয়েছেন। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গি ও মাল্টি অর্গান ফেলিওরের উল্লেখ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার কলকাতা পুরসভায় একটি বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বৈঠকের পর মেয়র জানান, ডেঙ্গি প্রতিরোধে ‘‌ফিভার ক্যাম্প’‌ করবে পুরসভা। এদিন ফিরহাদ হাকিম বলেন, “কেন্দ্র সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় কেএমডিএর জমিতে পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি হবে। যেসব সংস্থা ডেঙ্গি টেস্ট করার পর পজিটিভ হলে সরকারকে জানাচ্ছে না ,তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মেয়র আরও জানিয়েছেন, “যে সমন্ত ওয়ার্ড ডেঙ্গুপ্রবণ, সেইসব ওয়ার্ডেই ফিভার ক্যাম্পগুলি করা হবে। ক্যাম্পগুলিতে ২৪ ঘণ্টা ডেঙ্গি পরীক্ষা করা যাবে। শিশুদের জন্য বেডও থাকবে সেখানে। বেলেঘাটা আইডি ও এমআর বাঙুরে ৮০টা করে বেড থাকবে। দুটি হাসপাতালেই শিশুদের জন্য ১০টি করে সিসিইউ সংরক্ষিত থাকবে।” 

    ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে চিন্তায় প্রশাসন। জরুরি নাগরিক পরিষেবা বিভাগের ছুটি বাতিলের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পুজোর সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে নবান্নের পক্ষ থেকে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর। স্বাস্থ্য কর্মী ও কঞ্জারভেন্সি বিভাগের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলাতেই এই ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত ছুটি বাতিল করেছে নবান্ন। কঠোর ভাবে নির্দেশিকা পালন করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি মোকাবিলায় হল না সমন্বয়, ডেঙ্গির প্রকোপে তাই জেরবার রাজ্যবাসী!

    Dengue: ডেঙ্গি মোকাবিলায় হল না সমন্বয়, ডেঙ্গির প্রকোপে তাই জেরবার রাজ্যবাসী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা শুরু হতেই রাজ্যে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। বিশেষত ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ প্রাণঘাতী। অগাষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনার মতো জেলাগুলোতে ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও সরকার এখনো মোকাবিলার পথ খুঁজে পেল না। তাই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি অব্যাহত। ফি-বছরেই মশাবাহিত রোগে প্রাণ যায় কয়েক হাজার রাজ্যবাসীর।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গির মতো সংক্রমকের মোকাবিলা বছরভর করতে হয়। কিন্তু সারা বছর স্বাস্থ্য দফতরের সেই তৎপরতা দেখা যায় না। আর তাই বর্ষাকালে পরিস্থিতি সামলাতে প্রশাসন হিমশিম খায়। এবছরে ও ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক বাড়ছে।

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়াতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। হুগলিতেও মারাত্মক ডেঙ্গি প্রকোপ বেড়েছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গির মতো রোগের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে হলে সরকারের একাধিক বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। শিক্ষা, পূর্ত, স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে পুরসভা ও পঞ্চায়েতগুলো। এতগুলো দফতরের একযোগে কাজে প্রয়োজন সদিচ্ছা ও সমন্বয়। তবেই কাজে সাফল্য আসবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই দুইয়ের অভাব দেখা যায়। আর তাই সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    অধিকাংশ সময়, বাচ্চারা স্কুল থেকে আক্রান্ত হচ্ছে। কলকাতা ও তার আশপাশের রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। বিশেষত হাওড়া, হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনায় রাস্তার অবস্থা বেশ খারাপ। সামান্য বৃষ্টিতেও জল জমে। হাওড়ার একাধিক জায়গায় রাস্তার জল বাড়িতে ঢুকে যায়। জল সরতেই তিন-চার দিন কেটে যায়। জমা জল মশাল আঁতুড়ঘর জানার পরেও বাসিন্দাদের কিছু করার থাকে না। শিক্ষা, পূর্ত ও পুর দফতরের সমন্বয়ের অভাব এই ছবিগুলোতে স্পষ্ট।

    হাওড়ায় গত সপ্তাহেই ২৯ বছর বয়সি এক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। পুরসভার বক্তব্য, তারা নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করছেন। কিন্তু এরকম সংক্রমক রোগ পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব নয়। এলাকার বাসিন্দারা অবশ্য খুব বিরক্ত। বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, পুরসভার কাজ কি শুধুমাত্র বাড়িতে বাড়িতে জ্বর হয়েছে কিনা, সেটাই জানা। আর কিছুই কি করণীয় নেই? সময় মতো রাস্তা সারাই, নর্দমা পরিষ্কার, পার্কের আগাছা কেটে পরিষ্কার কে করবে?

    একই রকম পরিস্থিতি হুগলি জেলাতেও। হুগলির উত্তরপাড়া পুরসভা এলাকায় গত এক সপ্তাহে লাফিয়ে বেড়েছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়িতে পুর কর্মীরা জ্বরের খোঁজ নিতে গেলে অনেক জায়গায় তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এক বাসিন্দার কথায়, “বাড়িতে জল জমিয়ে রাখতে নেই। জমা জলে মশা জন্মায় দশ বছর ধরে শুনছি। জল জমিয়ে রাখি না। কিন্তু সবকিছু আমাদের কাধে ফেলে দিলেই হবে না। পুরসভা নিজেদের কাজ করছে কোথায়? “

    যদিও রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এবং কলকাতা পুরসভার যুক্তি, বছরভর ডেঙ্গি মোকাবিলার কাজ চলে। তবে রাতারাতি সব সমস্যা নির্মূল সম্ভব নয়।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও সংক্রমক রোগের মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে রোগের সঠিক তথ্য দেওয়া প্রথম কাজ। কিন্তু ডেঙ্গি মোকাবিলার ক্ষেত্রে সেটাই সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি মৃত্যুর সঠিক তথ্যের জন্য মানুষকে আদালতের দ্বারস্থ পর্যন্ত হতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষ তো বটেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকে তথ্য পাঠানো নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। মানুষ রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে না জানতে পারলে, রোগ ঠেকানো মুশকিল। তাই ডেঙ্গিকে মোকাবিলা করতে হলে সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোন জেলায় সংক্রমণ কেমন হচ্ছে, সেটা ঠিকমতো বোঝাতে হবে। এক বিশেষজ্ঞের কথায়, “শুধু গান বাজিয়ে মানুষকে সচেতন করা যায় না। বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে হয়। ডেঙ্গির তথ্য নিয়ে অতীতে অনেক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এখনো হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে আগে ধোঁয়াশা থেকে বেরোতে হবে। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Corona In West Bengal: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে কোভিডও! পুজোর মুখে ফের সংক্রমণের আতঙ্ক

    Corona In West Bengal: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে কোভিডও! পুজোর মুখে ফের সংক্রমণের আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা (Corona)। একদিকে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ তো রয়েছেই, তার উপর করোনা। করোনা একেবারে চলে না গেলেও কিছুদিন আগেই কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিল রাজ্যে। কিন্তু একেবারে পুজোর মুখে নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। এই জোড়া আতঙ্কের ফলে নাজেহাল রাজ্যবাসী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি। ফলে রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে কোভিড পজিটিভিটি রেট দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে।

    রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩৭ জন, যা আগের দিন ছিল ৩৬৫। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে কিছু কমেছে, কিন্তু তাতে কোনও আতঙ্কের কম হচ্ছে না। রাজ্যে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১,১২,১৯৪ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০,৮৮,০৩৬ জন। শতকরা হিসেবে ৯৮.৮৬ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি, রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজার ছুঁইছুঁই

    হঠাৎ করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা শুরু হয়েছে। এরপর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পুজোর আগে কেনাকাটার জন্য ভিড় বাড়ছে, ফলে করোনা সংক্রমের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলছে। তবে এই নিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই সময়ে ভয় না পেয়ে সতর্ক থাকাটাই বেশি প্রয়োজনীয়। তবে এও জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে ও করোনার বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে, নয়তো ফের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ।

    রাজ্যের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১ সেপ্টেম্বর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২১০। এক সপ্তাহ পর সেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩০। আরও এক সপ্তাহ পরে অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৭৫। এরপর সেপ্টেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬৫ এবং পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৪.৬২ শতাংশ। এই মুহূর্তে রাজ্যে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৬৬৫। ফলে উৎসবের মরশুমে সামান্য অসাবধানতা বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বারবার বলা হচ্ছে ও রাজ্যবাসীকে সতর্ক করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share