Tag: Dengue Update

Dengue Update

  • Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক মাসে ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণ তিন হাজার থেকে তেরো হাজার। স্বাস্থ্য দফতরের ৩০তম সপ্তাহের রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৬৯। মাত্র এক মাসে সেটি বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার। অর্থাৎ, শুধু অগাস্ট মাসেই রাজ্যে ১০ হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    কী বলছে রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, অগাস্টের প্রথম থেকেই রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে। ক্রমেই তা মাথাচাড়া দিয়েছে। যেমন, ৩৪তম সপ্তাহের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গত জানুয়ারি থেকে ২২ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০ জন। সব থেকে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৩৩ ও ৩৪তম সপ্তাহে। ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত পরিসংখ্যানে প্রকাশ, রাজ্যে সংক্রমণ টপকে গিয়েছে ১৩ হাজারের গণ্ডি। অর্থাৎ, শেষ ছ’দিনে সংক্রমণ তিন হাজারেরও বেশি। বস্তুত, গোটা অগাস্ট জুড়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করে চলেছে ডেঙ্গি। দৈনিক ৩০০ জনের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন অগাস্টে।

    বৃষ্টি কম হওয়াই কারণ

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, গত বছরেও ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল অগস্ট মাসেই। ওই মাসের শেষের দিকে রাজ্যে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ঘরে। এ বার অবশ্য সেই সংখ্যাটি ভাল রকমেরই বেশি রয়েছে। সেই সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ডেঙ্গির প্রকোপ আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। টানা ভারী বৃষ্টিতে ডেঙ্গির বাহক এডিস মশার লার্ভা ধুয়ে যায়। এ বছর তেমন বৃষ্টি হয়নি। সেপ্টেম্বরের গোড়ায় আরও অবনতি হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: দেশের সেরা ৫০ জনের মধ্যে বাংলার ‘জাতীয় শিক্ষক’ কে?

    গ্রামে সংক্রমণ বেশি

    বরাবর ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণে শীর্ষে থাকে উত্তর ২৪ পরগনা। তার পরেই কলকাতা। কিন্তু চলতি বছর আগাগোড়া সংক্রমণে পয়লা নম্বরে ছিল নদিয়া। তবে অগাস্টের মাঝামাঝি থেকে বদলাতে থাকে ছবিটা। নদিয়াকে টপকে শীর্ষে চলে আসে উত্তর ২৪ পরগনা। শুধু এই জেলাতে এ বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত চার হাজার ছুঁইছুঁই। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ বিধাননগরে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের প্রায় চার গুণ (৫০৪)। ডেঙ্গি ছড়িয়েছে দক্ষিণ দমদমেও (৩১০)। তুলনায় শহর কলকাতায় (৯৮৯) সংক্রমণ তেমন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যায়নি এখনও। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, এ বার শহরের (৪০ শতাংশ) থেকে গ্রামের দিকে (৬০ শতাংশ) আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Dengue Update: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    Dengue Update: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো এসে গিয়েছে। মহালয়ার পর থেকেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখার ভিড়। এরই মধ্যে উৎসবের শহরে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি সংক্রমণ। গত সপ্তাহে কলকাতা থেকে ১,৩০০টিরও বেশি নতুন ডেঙ্গি সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। গত দু’সপ্তাহ আগে ১২৭৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল। এর মাঝে একধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। বিধাননগর এবং দক্ষিণ দমদমের মতো পার্শ্ববর্তী পুর এলাকায় বেশ কয়েকজন মানুষও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। 

    ফের ডেঙ্গির প্রকোপ

    জানুয়ারি থেকে শহরে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭,৪২২। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭০ হাজার পেরিয়েছে। মারা গিয়েছেন ৬২ জনের মতো। কেএমসি আধিকারিকরা বলেছেন, যে সাপ্তাহিক সংক্রমণের সংখ্যা যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে সঙ্কটজনক হতে খুব বেশি সময় লাগে না। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডেঙ্গির সংক্রমণ বেশি থাকে৷ পুজোর মধ্যেও ডেঙ্গি সংক্রমণের ভয় থাকবে। শহরের নানা হাসপাতালগুলোর সূত্রে খবর, এখনও দৈনিক ৪-৫ জন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত প্রতিটি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    কেন বাড়ল ডেঙ্গি

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের ১৬টি জেলা এবং স্বাস্থ্য জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ৮১৮ জন। ১১ অক্টোবর পর্যন্ত, গোটা রাজ্যে আক্রান্ত প্রায় ৬২ হাজার। গত এক সপ্তাহে নতুন করে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৯ হাজার মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক ১৩ হাজার ৭১৬ জন। ২ নম্বরে কলকাতা। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ৫৪৯। তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২। ডেঙ্গি প্রতিরোধে আধা শহরাঞ্চলে জল ও আবর্জনা নিষ্কাশনের কথা বলা হলেও, কাজের কাজ হচ্ছে না। জনগণের দাবি, জল জমে থাকছে। যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ, তাই এভাবে ফের পুজোর মুখে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    Dengue Update: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, তার ওপর টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা। শহরবাসীর এই বিপদের দিনে কলকাতায় নেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মহানাগরিক গিয়েছেন দিল্লিতে। দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে। তাঁর ডেপুটি অতীন ঘোষও ধর্না দিতে রয়েছেন দিল্লিতে। শহরবাসীর নিরাপত্তা যেখানে প্রশ্নের মুখে সেখানে রাজধানীতে নিজেদের স্বার্থ গোছাতে ব্যস্ত ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) এবং ডেপুটি মেয়র তথা মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) অতীন ঘোষ (Atin Ghosh)।

    শহরে ফের ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু

    পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। কলকাতায় ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। পাটুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক ১০ বছরের বালিকার মৃত্যু হল। মৃতার নাম তিথি হালদার। শনিবার জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তিথিকে। আজ সকালে বালিগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক সপ্তাহে শহরে ৯৭৭ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। গত দু’দিন ধরে বৃষ্টি হওয়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে, বলে মনে করা হচ্ছে। 

    জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা

    মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। বিক্ষিপ্ত ভাবে জল জমেছে আর এন মুখার্জি রোড, মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন ইস্টার্ন রোড এবং বিবাদী বাগের বেশ কিছু অংশে। অবিরাম বর্ষণের কারণে জলে ডুবে রয়েছে মহাত্মা গান্ধী রোড এবং রবীন্দ্র সরণীর একাংশ। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউের মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, মহাত্মা গান্ধী রোড থেকে হাওড়া যাওয়ার রাস্তা এবং কলেজ স্ট্রিটের কাছে বেশ কয়েকটি অংশে বৃষ্টির জল জমে রয়েছে। আর্মহার্স্ট স্ট্রিট এবং কেশবচন্দ্র স্ট্রিটেরও বেশ কিছু অংশ জলমগ্ন থাকায় তীব্র যানজট এবং যাত্রীদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। যাতায়াতের পথে জল জমায় সমস্যার মুখে পড়েছেন ওই রাস্তাগুলি সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষ।কলকাতার পাতিপুকুর এবং কাঁকুড়গাছি আন্ডারপাসে জল জমেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির জলে ডুবে গিয়েছে দমদমের বিভিন্ন এলাকাও। বৃষ্টির জল জমে বেহাল অবস্থা বেহালার শকুন্তলা পার্কের আশপাশের বেশ কয়েকটি রাস্তার। বিভিন্ন জায়গায় জল জমে থাকায় ডেঙ্গির মশা বংশ বিস্তার করতে পারে বলে অনুমান।

    আরও পড়ুুন: ‘বালি মাফিয়াদের জন্য রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি, কোনও নজরদারি নেই’, তোপ আলুওয়ালিয়ার

    মেয়র কেন দিল্লিতে

    ডেঙ্গি আতঙ্ক ও বৃষ্টির জোড়া ফলায় শহরবাসী যখন ঘায়েল,  তখন দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে গিয়েছেন মেয়র ও ডেপুটি মেয়র। এমনকী, কলকাতার (Kolkata) একাধিক কাউন্সিলর থেকে শুরু করে বোরো চেয়ারম্যান বেশিরভাগই দিল্লিতে গিয়েছেন। আর এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরাও। তাদের বক্তব্য, ডেঙ্গি-ত্রাসের মধ্যে মেয়র, ডেপুটি মেয়র-সহ অধিকাংশ পুর-প্রতিনিধির দিল্লি-অভিযান অত্যন্ত বেমানান। এর ফলে শহরের ডেঙ্গি পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এ প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, ‘মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের কলকাতার বাইরে থাকার অর্থ, ডেঙ্গি আরও ভয়াবহ চেহারা নেবে। মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) মশা মারতে ড্রোন ওড়াচ্ছেন। আর যখন তাঁর কলকাতায় বেশি করে থাকার কথা, তখনই তিনি উধাও!’ বিরোধীরা মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের পদত্যাগও দাবি করেন। বিরোধীদের কথায়, ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য তথা কলকাতা পুরসভার কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অথচ, মেয়র, ডেপুটি মেয়র দিল্লিতে ছুটি কাটাচ্ছেন!

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে মৃত্যুমিছিল। ফের কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ১৭ বছরের কিশোরের। ২০ তারিখ শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের বাসিন্দা ওই কিশোরকে। পরে নিয়ে আসা হয় মিন্টো পার্কের (Minto Park) এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ডেথ সার্টিফিকেটে মাল্টি অর্গান ফেলিওর, সেপসিস ও ডেঙ্গি হেমারেজিক ফিভারের উল্লেখ রয়েছে। সল্টলেকের দত্তাবাদেও ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৫২ বছরের গৃহবধূর। এই নিয়ে সল্টলেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর কত মৃত্যু? আর কত প্রাণহানি? ডেঙ্গির ভয়াবহ প্রকোপে (Dengue Scare) আর কত সহনাগরিকদের হারাতে হবে আমাদের? প্রশ্ন রাজ্যবাসীর।

    কী বলছে পরিসংখ্যান

    কার্যত পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। জেলায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৪০২ জন। গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাটা ২ হাজার ৯৫৬। আর শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৪৪৬ জন আক্রান্ত। এক সপ্তাহে ১ হাজার ৫৮৬ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ২ দিন আগেই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন, রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় (Tapas Chatterjee)। বিধাননগর পুরসভা সূত্রে খবর, পুর এলাকায়, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ জন। ডেঙ্গি ভয়াবহ চেহারা নেওয়ার পর, টনক নড়েছে পুরসভার। করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডে জমা জলে, ছড়ানো হচ্ছে ব্লিচিং পাওডার, মশা মারার তেল। চিন্তা আর উদ্বেগের প্রহর কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষের। বিধাননগরবাসীর কথায়, বিধায়ক ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর টনক নড়েছে প্রশাসনের।

    আরও পড়ুন: মালদা জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, চিহ্নিত হটস্পট জোন, নামানো হল ড্রোন

    দোসর ম্যালেরিয়া

    রাজ্যে প্রায় প্রতি দিনই এক বা একাধিক মৃত্যু হচ্ছে। তার মধ্যেই দোসর ম্যালেরিয়া। ফলে চিন্তা আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে সরকার তথ্য চাপা দিতে চাইছে। রাজ্যে গত জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে মোট আক্রান্ত এবং মৃত্যু কত, সে বিষয়ে কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে দিতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। যদিও বেসরকারি সূত্রের খবর, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। মৃত ৪৫ জন। আর, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি। মৃতের সংখ্যা চার। চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, “কোভিডের সময়েও এমন কোমর্বিডিটির কথা বলে মৃত্যু গোপনের চেষ্টা চলেছিল। মশাবাহিত রোগের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটা খুবই স্বাভাবিক, যে কোনও সংক্রমণেই পুরনো রোগ মাথা চাড়া দেয়। তার জন্য সংক্রমণকে অস্বীকার করা যায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    Dengue Update: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রকে ডেঙ্গি (Bengal Dengue Report) সংক্রান্ত তথ্য না পাঠানো এবং কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ না করে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই, সোমবার তড়িঘড়ি একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। আর সেই তথ্য দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৫৩৫ জন। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৪৪৬ ও গ্রামাঞ্চলে ২ হাজার ৯৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত এক সপ্তাহে ডেঙ্গিতে (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৬ জন। বিরোধীদের কটাক্ষ, প্রকাশিত তথ্যই যদি এটা হয়, তাহলে অপ্রকাশিত থেকে যাওয়া পূর্ণ সত্য কতটা ভয়াবহ হবে?

    ডেঙ্গি নামেই আতঙ্ক

    রাজ্যে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue Update) আক্রান্তের সংখ্যা। ভয় ধরাচ্ছে সরকারি পরিসংখ্যান। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায়। আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে এই জেলা (Bengal Dengue Report)। উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে। গত ২০ তারিখের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৮ হাজার ৫৩৫ জন।  বিধাননগর পুর-এলাকায় ১ হাজার ৯১৬, দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় ৯১৭, বারাসাত পুর-এলাকায় ২৩৯ জন আক্রান্ত। গ্রামাঞ্চলের মধ্যে আমডাঙা ব্লকে ৪৭৬, বনগাঁ ব্লকে ৬৩২, হাবড়া ২ নম্বর ব্লকে ৩৭৭, রাজারহাট ব্লকে ২৭৯ এবং দেগঙ্গা ব্লকে ১৯৯ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    উত্তর ২৪ পরগনার পর দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে কলকাতা। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৪২৭। তৃতীয় স্থানে থাকা মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৬৬ জন। নদিয়াতে ৪ হাজার ২৩৩ ও হুগলিতে ৩ হাজার ৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ঝাড়গ্রামে ডেঙ্গি আক্রান্ত ১ হাজার ৩৬৩ জন। ৯১৫ জন পশ্চিম মেদিনীপুরে ও ৩৬৯ জন বীরভূমে আক্রান্ত হয়েছেন। 

    তথ্য গোপনের অভিযোগ   

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারবার ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা। কেন্দ্রের তরফেও জানানো হয়েছে কোনও পরিসংখ্যান পাঠায়নি বাংলা। তাই দ্রুত ড্যামেজ কন্ট্রোল হিসেবে রিপোর্ট পেশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু, স্বাস্থ্য দফতরের তরফে যে রিপোর্ট তুলে ধরা হচ্ছে, তাও যথেষ্ট উদ্বেগের। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৮১। শুধু কলকাতা নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বহু জেলার পরিসংখ্যান। মোট আক্রান্তের মধ্যে, উত্তরবঙ্গের ৮ জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের ২০টি জেলা ও স্বাস্থ্য জেলা মিলিয়ে সংখ্যাটা ৩৪ হাজার ৯০৫।

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিষেকের মা লতার সম্পত্তির হিসাব চাই’’! ইডিকে নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

    কী বলছে নবান্ন

    চলতি সপ্তাহেই ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নবান্নই (Nabanna)। গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গি ছড়িয়ে পড়তে পারে তেমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। সূত্রের খবর, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকদের সঙ্গে ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Bengal Dengue Report) নিয়ে কথা বলেন তিনি। বিরোধীদের দাবি, কেন বারবার, দেরিতে ঘুম ভাঙে সরকারের। কেন প্রতিবছর এক হাল প্রকাশিত তথ্যই যদি এটা হয়, তাহলে অপ্রকাশিত থেকে যাওয়া পূর্ণ সত্য কতটা ভয়াবহ হবে? 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    Dengue Update: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন আতঙ্কের আরেক নাম ডেঙ্গি (Dengue Update)। কলকাতায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এই মশাবাহিত রোগ। কমার কোনও লক্ষণ নেই। প্রশাসনও নির্বিকার। শুধু বৈঠক, উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন এবং দোষারোপ করে দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে প্রশাসন। চলছে তথ্য গোপনের চেষ্টা। শহরে ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

    আতঙ্কপুরী দমদম

    ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে আতঙ্কপুরী হয়ে উঠছে দমদম। ফের এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দমদম এলাকা থেকে। এবার ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। এ নিয়ে দমদম এলাকা থেকে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ৬। দমদম পুরসভার ২৭নং ওয়ার্ডের শ্যামনগর অঞ্চলে মৃত্যু হল এক বয়স্ক ভদ্র মহিলার। রুনা বসাক নামে ৫৩ বছর বয়সি ওই মহিলা চলতি মাসের ১৪ তারিখ নাগেরবাজার সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।  প্রসঙ্গত, কলকাতা ছাড়া নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার এবং হুগলি জেলায় রেড জোন চিহ্নিত করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    প্রতিদিন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত ৩০০

    পুজোর আগে ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্কের শেষ নেই। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন রাজ্যে ২৫০ থেকে ৩০০ জন নতুন ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই। শহরাঞ্চলের পাশাপাশি ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে গ্রামাঞ্চলেও। জেলায় জেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠানো হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ এই তিনটে জেলা নিয়ে চিন্তার কারণ সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৭,৭৬০ জন।

    রাজ্য সরকার-পুর প্রশাসন নিরুত্তর

    রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। পুজো পেরিয়েও এই দাপট বজায় থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেম্বর পর্যন্ত থাকতে পারে ডেঙ্গির দাপট। তবু নিরুত্তাপ রাজ্য। তথ্য গোপনে ব্যস্ত সরকার। সব রাজ্য ডেঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট জমা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে এখনও কোনও রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। এ প্রসঙ্গে রাজ্যকে বিঁধলেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “ডেঙ্গি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কোথাও কোনও তৎপরতা নেই। ডেঙ্গি রোধ করার জন্য পুরনিগমের যে ভূমিকা থাকা উচিত, জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য যে কর্মসূচি নেওয়া উচিত এবং কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত সেটা একবিন্দু মানে না। সেটা দিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না। আমাদের রাজ্যে সমাজবিরোধীরা যেমন ভয়মুক্ত হয়ে গেছে, যে পুলিশ তাদের কিছু করতে পারবে না, সেরকমই মশারাও ভয়মুক্ত হয়ে গেছে যে এই সরকার বা পুরনিগম তাদের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। তারাও নির্ভয়ে বিচরণ করছে।” 

    আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা! শ্যুটিংয়ে বিশ্বরেকর্ড করে চ্যাম্পিয়ন দিব্যাংশ-রুদ্রাংশ-ঐশ্বর্য

    জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার

    দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই যে, এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় রেফার করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা যে প্রেসক্রিপশন লিখছে সেখানে ডেঙ্গি শব্দ নেই, বলে মত আক্রান্তদের। কোথাও বলছে, অজানা জ্বর, কোথাও বলছে পাহাড়ি জ্বর। মুর্শিদাবাদ জেলা, মালদা জেলায় এধরনের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এখানেও ডেঙ্গি প্রতিরোধ করার যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন আছে, সরকারকে যতটা তৎপর হতে হয়, মুখ্যমন্ত্রী-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যতটা মধ্যস্থতার প্রয়োজন আছে সেটা হচ্ছে না, বলে দাবি বিরোধীদের। কার্যত মানুষকে খোলা মৃত্যুর দিকে, অসহায় অবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, বলে অভিমত সাধারণ মানুষের।

    ডেঙ্গিতে ছারখার বাংলাদেশ

    বাংলাদেশেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে ডেঙ্গি (Dengue Update)। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে চলতি বছরে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য দফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গি বিষয়ক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেই দেশে ডেঙ্গিতে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে বাংলাদেশে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৩,০০৮ জন নতুন ডেঙ্গি রোগী। ফলে, সেই দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে, বর্তমানে, ১০,৪৭০ জন ডেঙ্গি রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী, আর প্রশাসন ব্যস্ত তথ্য গোপন করতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের শিশুকে রেখে চলে গেলেন মা। ডেঙ্গি (Dengue Update) কাড়ল জীবন। নাম পায়েল নন্দী। বয়স ৩৩। স্কুল শিক্ষিকা ওই তরুণী সদ্য মা হয়েছিলেন। খুশির আমেজ মধ্যেই জানা যায় ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে। পরিবার সূত্রের খবর, সন্তান প্রসবের তিন দিনের মাথায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হন তিনি। যাদবপুর থানা এলাকার ওই বাসিন্দাকে প্রথমে ভর্তি করা হয় মাতৃভবন হাসপাতালে। ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শহরের একটি বড় হাসপাতালে। ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবারই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েকদিন জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর বুধবার সকালে মৃত্যু হয়েছে মতিঝিল গার্লস হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর। 

    তথ্য গোপন করছে সরকার

    রাজ্যে ডেঙ্গির  (WB Dengue Case) বাড়বাড়ন্ত অব্যাহত। পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে এডিস ইজিপ্টাই। গত ৮ দিনে শহরে মৃত্যু হয়েছে ৫ ডেঙ্গি আক্রান্তের। সূত্রের খবর, এই নিয়ে চলতি বছরে ৩৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এল। যদিও সরকারি মতে, ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ৩। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট কত জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান কিছুতেই সামনে আনছে না প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে, তথ্য গোপন করাই এখন এরাজ্যের জনস্বাস্থ্যের প্রোটোকল। চলতি বছরে রাজ্যে কোনও ভাবেই ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র জানানো হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, তথ্য গোপন করার প্রবণতাও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। ডেথ সার্টিফিকেটে বা বেসরকারি পরীক্ষাগারে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে ডেঙ্গি না লেখার জন্য বহু জায়গায় অলিখিত নির্দেশ রয়েছে বলেও অভিযোগ। কোভিডের মতো কোমর্বিডিটির তত্ত্ব দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

    প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গি

    জুন মাসে রাজ্যে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪, তা একলাফে বেড়ে ৩ হাজার ৭৭৮ হয় জুলাই মাসে। সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ পর্যন্ত তা আরও বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৭০৯। তার মধ্যে ১৭ হাজার নমুনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে সরকারি হাসপাতালের ল্যাবে। বাকি ৭ হাজার ধরা পড়ে বেসরকারি ল্যাবে। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রের খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডেঙ্গিতে (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৪০০ জন। চলতি বছরে সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০০। 

    আরও পড়ুন: উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস! শরতের শুরুতে কেন বৃষ্টি?

    ডেঙ্গি প্রবণ জেলা 

    ডেঙ্গি প্রবণ (Dengue Update) জেলা হিসাবে উঠে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। বেসরকারি মতে,  গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত উত্তর ২৪ পরগনায় ৬৯২৫ জন, নদিয়ায় ৩৯৬৯ জন, কলকাতায় ৩৪১৬ জন, মুর্শিদাবাদে ৩৪০৭ জন, হুগলিতে ২৬০০ জন, হাওড়ায় ১৪৬৮ জন, ঝাড়গ্রামে ১১১৭ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০১০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি জেলাগুলিতেও কম-বেশি আক্রান্ত রয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই ৩ থেকে ৫ হাজার করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর প্রশাসন নিরুত্তর। কেন? এত রাখঢাক কিসের? স্বাস্থ্যকর্তারাও মুখ খুলতে নারাজ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    Dengue Update: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা থেকে শহর দিন দিন বেড়েই চলেছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের (infected) সংখ্য়া। এখনও পর্যন্ত গোটা রাজ্যে (State) ৫ হাজার ৭৫১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। গত সপ্তাহেও বেড়েছে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা। গত সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫০। রিপোর্ট অনুসারে, ডেঙ্গি আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা।  এই জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ৪০০ জন, নদীয়াতে ৩০০ জন এবং হুগলীতে ৯৫ জন। দু’সপ্তাহে বিধাননগরে ডেঙ্গি আক্রান্ত ৮০ জনেরও বেশি। গত জানুয়ারি থেকে পুর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৪৮ বলে দাবি করছেন বিধাননগর পুর কর্তৃপক্ষ। তাঁরা স্বীকার করে নিয়েছেন, ডেঙ্গির সংক্রমণ এ বার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পালা।  

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে এখনও ২৫০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, দাবি স্বাস্থ্য সচিবের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার হাসপাতালে খোলা হয়েছে একশো শয্যার আলাদা ইউনিট। জঞ্জাল ফেলা নিয়ে এবার আরও কড়া হতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। ডেঙ্গি মোকাবিলায় জঞ্জাল পড়ে থাকা নিয়ে কড়া কলকাতা পুরসভাও। ফাঁকা জমি ও পুকুরের পাশে জঞ্জাল ফেলা হলে এবার থেকে সংশ্লিষ্ট জমি ও পুকুরের আশেপাশে সব বাড়িকে নোটিস পাঠানো হবে। 

    আরও পড়ুন: খাওয়ার পরেই বমি? সামান্য খাবারেও হজমের সমস্যা? কোন রোগের ইঙ্গিত?

    সতর্ক থাকার পরামর্শ

    স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। বেসরকারি হিসেবে এ বছর এখনও পর্যন্ত ১০ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। জ্বর হলেই সময় নষ্ট না করে শুরু করতে হবে চিকিৎসা, পরামর্শ চিকিৎসকদের। বর্ষার জমা জলে বাড়ছে এডিস ইজিপ্টাই-এর সংসার। ঘরে ঘরে বাসা বাঁধছে জ্বর-সর্দি-কাশি। শুধু কলকাতা নয়, শহরের গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলাতেও বাসা বেঁধেছে ডেঙ্গি। স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ২৫০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যার মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্রের খবর, গত বছর রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ। সরকারি হিসেবে মারা গিয়েছিলেন ৩০ জন। তবে বেসরকারি মতে, সেই সংখ্যা ছিল ১০৫। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহর থেকে জেলা ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) রিপোর্ট অনুযায়ী, গতবছরের থেকে প্রায় দেড় গুণ বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৪০১। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে উল্লেখ, গতবছর এই সময় রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৫০। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ৭২ শতাংশ, শহর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ২৮ শতাংশ। নদিয়ার ডেঙ্গি আক্রান্তদের সংখ্যা সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টই বলছে, চলতি বছরে শুধু জুলাই মাসেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মৃতের সংখ্যা ৮ বলে দাবি করেছেন। এমনকি বিধাননগরের মতো ঝকঝকে শহুরে এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড, নিজেদের মশারিতে ঢেকে, প্রতীকী মশা নিয়ে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতির জন্য বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি বিধায়করা।

    বিরোধী দলনেতার দাবি 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue Update)  পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই তথ্য। কতজনের টেস্ট করিয়েছেন? কতজন পজিটিভ, মুখ্যমন্ত্রী এখন সাহায্য চাইছেন, কী সাহায্য করব? হসপিটাল ভরে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী গোলগোল কথা বলার জন্য এসেছেন রাজনীতি করতে। আমরা তথ্য চাইব না? জানতে চাই কতজন হাসপাতালে? কতজন মারা গেছে? যেমন মুখ্যমন্ত্রী তেমন মেয়র। ১০ লক্ষ আক্রান্ত।’

    আরও পড়ুন: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    ত্রিপুরায় ডেঙ্গি রোধে আগাম সতকর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরেই ডেঙ্গির (Dengue Update) প্রকোপ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তে ত্রিপুরার সিপাইজলার সোনামুড়া একাকায়। বাংলাদেশের ভয়াবহ আকার ধারণ করছে ডেঙ্গি। এই সময়েই ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়ার পরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ত্রিপুরার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপাইজলার ধনপুর এলাকাতেই গত দুদিনে অন্তত ৭৫জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ধরা পড়েছে। সেখানের জেলাশাসক বিশাল কুমার জানান, তারপরেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে ওই এলাকায়। সীমান্তের ওই এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়া পরেই, বাংলাদেশী নাগরিকদের রক্ত পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Dengue: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    West Bengal Dengue: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে কসবার বাসিন্দা রাজীব বসু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করেন। সরকারি পরীক্ষাগার থেকে রক্ত পরীক্ষা করান। ডেঙ্গি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কয়েক দিন পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফের চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা হয়। বেসরকারি পরীক্ষাগার থেকে রক্ত পরীক্ষা করালে রিপোর্ট আসে পজিটিভ। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসক জানান প্রথম রিপোর্ট ভুল হওয়ায় ডেঙ্গি চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়ে গিয়েছে। তার জন্যই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।

    গিরিশ পার্কের বাসিন্দা বছর ২৬-র পৌষালী মিত্রের তিন দিন জ্বর থাকার পরে কলকাতা পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করে রক্ত পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তার ডেঙ্গি পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু তারপরেও জ্বর কমছিল না। পরিস্থিতি এতটাই অবনতি হয়, যে এরপরে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। তখন রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায় পৌষালী ডেঙ্গি আক্রান্ত। প্লেটলেট তখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসকেরা তাঁদের জানান, ডেঙ্গি চিকিৎসায় অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে। রিপোর্ট প্রথমে ঠিকমতো পাওয়া গেলে হয়তো ভোগান্তি কম হতো।

    দ্রুত রোগ নির্নয় জরুরি

    ডেঙ্গি চিকিৎসায় দ্রুত রোগ নির্ণয় জরুরি। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যেহেতু ডেঙ্গি চিকিৎসার কোনও টিকা নেই, কোনও বিশেষ ওষুধ নেই, মূলত নজরদারির মাধ্যমে ডেঙ্গি চিকিৎসা করে রোগীকে সুস্থ করা হয়, তাই দ্রুত রোগ নির্ণয় জরুরি। তাহলে প্রথম থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্লেটলেট গণনা করে পরিস্থিতির উপরে নজর রাখলে, রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটার আগেই তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা যায়। কিন্তু রাজীব বাবু বা পৌষালীর ক্ষেত্রে চিকিৎসা অনেকটা দেরিতে শুরু হয়েছে। কারণ, রিপোর্ট বিভ্রাট।

    রাজীববাবু কিংবা পৌষালীর অবস্থা কোনও ব্যতিক্রম নয়। ডেঙ্গি রিপোর্ট নিয়ে একাধিক জায়গায় বিভ্রাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, টানা তিন দিন জ্বর থাকলে পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করে রক্ত পরীক্ষা করানো হচ্ছে। কিন্তু অনেক সময়েই রিপোর্ট নেগেটিভ আসছে। জ্বর কমছে না। বমি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসক ফের রক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। তখন বেসরকারি পরীক্ষাগার থেকে রিপোর্ট করালে অনেকেরই সেই ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। 

    আরও পড়ুন: টেট চাকরিপ্রার্থীকে কামড়-কাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা

    চিকিৎসকদের মত

    রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তির একাধিক ঘটনা ঘটছে। মূলত কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই অভিযোগ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এক চিকিৎসক বলেন, “ডেঙ্গির মতো সংক্রামক রোগে মানুষ প্রথমে পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরসা করে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে মানুষের ভরসা মর্যাদা পাচ্ছে না। সরকার চাইছে যে ভাবে হোক ডেঙ্গি সংক্রমণের গ্রাফ কম দেখাতে। এটা যে কত বড় ক্ষতি হচ্ছে, সেটা এখনও  প্রশাসনের বোধগম্য হচ্ছে না।”

    ডেঙ্গি চিকিৎসা সময় মতো শুরু না করলে প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই রিপোর্ট সময় মতো পাওয়া জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছে কিনা সেটা সময় মতো না জানতে পারলে, শুধু রোগীর চিকিৎসায় দেরি হবে তাই না, আক্রান্তের থেকে অন্যদের মধ্যেও ডেঙ্গি সংক্রমিত হতে পারে। তাই বিপদ কমাতে ডেঙ্গি পরীক্ষা নির্ভুল হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলেই মত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। তবে, ডেঙ্গিই শুধু নয়। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রেও এই রিপোর্ট বিভ্রাট হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার রিপোর্টও সরকারি পরীক্ষাগার থেকে করানোর পরে বেসরকারি পরীক্ষাগারে দ্বিতীয়বার করলেই দেখা যাচ্ছে নেগেটিভ রিপোর্ট পজিটিভ হয়ে যাচ্ছে। তাই ডেঙ্গির মতোই মশাবাহিত আরেকটি সংক্রামক রোগ বাড়ছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারের তথ্য গোপনের প্রবণতার জেরেই সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। তারপরেও সরকারের হুঁশ ফিরছে না। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা একশো ছুঁতে চললো কিন্তু তারপরেও সরকারের ডেঙ্গি রোধে সক্রিয় ও স্বচ্ছ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

LinkedIn
Share