Tag: dengue virus

dengue virus

  • Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা বৃষ্টি! তার পরে কয়েক দিনের রোদ! এই আবহাওয়া এখন উদ্বেগজনক। কিন্তু চলতি সপ্তাহে এমনই আবহাওয়ার জেরে রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট আরও বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। চলতি বছরে ডেঙ্গি বঙ্গবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ। কিন্তু সেই তুলনায় প্রশাসনের তেমন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, সরকারের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে এই মারণ রোগ মোকাবিলায় কোনও সমন্বয়ই নেই। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে।

    উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোন জেলা? (Dengue)

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দফতরের বৈঠকে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, এবারে আক্রান্তের নিরিখে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা। ইতিমধ্যেই ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসের শেষ দুই সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ৫০০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। উত্তর ২৪ পরগনার পরেই নদিয়া। স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, নদিয়া জেলায় গত মাসে ৪০০-র বেশি মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কলকাতা ও হাওড়ার পরিস্থিতিও নজরে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক (State Administration) সূত্রে দাবি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই চলতি বছরেও জুন মাস থেকেই কলকাতা ও হাওড়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কলকাতায় ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপটও যথেষ্ট। মশার এই জোড়া আক্রমণে নাজেহাল কলকাতা তথা বঙ্গবাসী।

    কী পরিকল্পনা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা পরিদর্শনের পাশপাশি স্কুল, কলেজ, হাসপাতালেও পরিদর্শন জরুরি। এমনই নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য প্রশাসন। কর্তারা জানাচ্ছেন, একটানা বৃষ্টির জেরে স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে বহু জায়গায় জল জমে আগাছা জন্মাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। আর তার জেরেই মশার বাড়বাড়ন্ত। তাই স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন জরুরি। পাশপাশি হাসপাতাল চত্বরে যাতে জল না জমে, সে নিয়েও নজরদারি জরুরি। এক স্বাস্থ্যকর্তার (State Administration) কথায়, “ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তাদেরও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।” 
    তবে, স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছে, গতানুগতিক ভাবে শুধু পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। অনেক সময়েই তা নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ডেঙ্গি যে ভাবে বাড়ছে, সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য কর্তাদেরই একাংশ।‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের আঁচে পুড়ছিল গোটা রাজ্য। কিন্তু দিন দুয়েকের মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। তাপমাত্রার পারদও তাই ওঠানামা করছে। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়া বেশ খামখেয়ালী। আর এই পরিস্থিতিতেই উদ্বেগ‌ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। শীতকালে কিছুটা সংক্রমণ কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। গরম পড়তেই কলকাতার মতো বড় শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, সর্বত্র মশার দাপট শুরু হয়েছে। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি। আর এই তাপমাত্রার রকমফের সেই বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।

    কেন‌ এই আবহাওয়ায় ডেঙ্গির বিপদ‌ বাড়ছে? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র নিকাশি প্রক্রিয়া ভালো নয়। তার জেরে বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। জমা জলে মশা বংশবিস্তার করে। আর গরমে মশার উপদ্রব আরও বাড়ে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বৃষ্টি এই সময়ে লাগাতার হবে না।‌ কিন্তু দিন কয়েকের বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় জমা জলের সমস্যা থাকবে। আর তার জেরেই বাড়বে‌ ডেঙ্গি। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি অব্যাহত। তাই এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক‌ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি নিয়ে বিশেষ সক্রিয় না‌ হলে চলতি বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এই বছরে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাঁরা একবার আক্রান্ত হয়েছেন, ফের তাঁরা ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।‌ আর তার জেরে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে প্রশাসন কড়া মনোভাব না দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাসিন্দাদের একাংশের ক্ষোভ (Dengue)

    হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক জেলার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা‌ একেবারেই চোখে পড়ে না। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব। নর্দমা পরিষ্কার কিংবা মশানিধন কর্মসূচি, কিছুই চোখে পড়ে না। এমনকি সময় মতো এলাকা পরিষ্কার করে না পুরসভা। এমন অভিযোগ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম সহ একাধিক পুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। যার ফলে তাদের ডেঙ্গির ভোগান্তি লেগেই আছে বলে জানাচ্ছেন এই সব এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।

    কী বলছেন প্রশাসনিক কর্তারা?

    রাজ্য প্রশাসন অবশ্য জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসন‌ যথেষ্ট সক্রিয়। বছরভর কর্মসূচি চলছে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও চলছে। তবে ডেঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ডেঙ্গি রুখতে সব রকম কর্মসূচি চলছে। তারপরেও কোথাও কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি পুরসভা কিংবা স্বাস্থ্য দফতরে জানানো যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বিজ্ঞাপনেই আটকে প্রতিশ্রুতি! ডেঙ্গি মোকাবিলার কন্ট্রোল রুম নিয়ে হয়রানির শেষ নেই

    Dengue: বিজ্ঞাপনেই আটকে প্রতিশ্রুতি! ডেঙ্গি মোকাবিলার কন্ট্রোল রুম নিয়ে হয়রানির শেষ নেই

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি হলেই সরাসরি স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ! এক ফোনেই পাওয়া যাবে প্রশাসনের সাহায্য! কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত জানাচ্ছেন, বিজ্ঞাপনেই আটকে আছে প্রতিশ্রুতি! তাই ডেঙ্গি মোকাবিলার কন্ট্রোল রুম নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন!

    কী আশ্বাস দিয়েছিল রাজ্য প্রশাসন? 

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় রয়েছে কন্ট্রোল রুম। দিনরাত সেখানে থাকবেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। ডেঙ্গি সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় কন্ট্রোল রুমে ফোন করতে পারেন রাজ্যবাসী। আক্রান্ত কী করবেন, সেই সংক্রান্ত তথ্য থেকে প্লেটলেট কোথায় পাওয়া যাবে কিংবা হাসপাতাল সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য জানতে পারবেন। কন্ট্রোল রুম থেকে সাধারণ মানুষ ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণ রুখতে যে কোনও রকম সাহায্য পাবেন।

    কন্ট্রোল রুম নিয়ে কী অভিযোগ উঠছে? 

    বাস্তবে পরিস্থিতি একেবারেই অন্য রকম বলে জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্তদের হয়রানি বিস্তর। কিন্তু প্রশাসনকে পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। গিরিশ পার্কের বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের অতনু রায়ের অভিযোগ, দিন কয়েক আগে তাঁর স্ত্রী ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্লেটলেট এক লাখের নীচে নেমে গিয়েছিল। চিকিৎসক রক্তের প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কে যোগাযোগ করেও প্লেটলেট পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বাস্থ্য দফতরের কন্ট্রোল রুমে ফোন করলে তারাও কোনও দিশা দেখাতে পারেনি। কোথায় প্লেটলেট পাওয়া যেতে পারে, সেই তথ্যও তারা জানায়নি। পরে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে প্লেটলেট পাওয়া যায়। 
    দমদমের বাসিন্দা বছর তিরিশের পারমিতা সাহার অভিযোগ, ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুমে ফোন করলেও কাউকে পাওয়া যায় না। কর্মীরা অধিকাংশ সময়েই ফোন ধরেন না। এমনকি ফোন ধরলেও তাঁরা সমস্যা জানার আগেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তাঁর অভিযোগ, কয়েক সপ্তাহ আগে তাঁর ষাটোর্ধ্ব বাবা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি ছিল। কিন্তু একাধিক সরকারি হাসপাতাল জানায়, শয্যা ফাঁকা নেই। কোথায় ভর্তি করা যেতে পারে, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতেই স্বাস্থ্য দফতরের কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করেন পারমিতা। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, কন্ট্রোল রুম সমস্যা শুনে ফোন কেটে দেয়। বারবার ফোন করলেও ঠিকমতো উত্তর পাননি।

    পুরসভাও নির্বিকার

    পারমিতা সাহা কিংবা অতনু রায় ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন রাজ্যের অধিকাংশ ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের পরিবারের ভুক্তভোগীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে পুরসভাকে পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক জায়গায় জল জমছে। বারবার জানিয়েও তা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। তার উপর আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য দফতরের সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না। বেসরকারি হাসপাতালে বাড়ছে চিকিৎসার খরচ। সব মিলিয়ে হয়রানি বাড়ছে সাধারণ মানুষের।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    কন্ট্রোল রুম নিয়ে অভিযোগ মানতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। তাঁরা সাফ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) সমস্যা দেশ জুড়ে হচ্ছে। অযথা ভয়ের পরিস্থিতি তৈরি করা ঠিক নয়। রাজ্যে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কখনও হয়তো কেউ অসুবিধায় পড়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ সাহায্য পাচ্ছেন। দরকারে স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা নিজেরাই যোগাযোগ করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: হাসপাতালের শয্যাসঙ্কটে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই? কীভাবে কমবে বিপদ?

    Dengue: হাসপাতালের শয্যাসঙ্কটে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই? কীভাবে কমবে বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির দাপট! কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা সহ একাধিক জেলায় ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গির আক্রমণ। আর তার জেরেই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে শয্যাসঙ্কট চরমে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠছে, ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের ভর্তির জায়গা নেই। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। অনেক সময় মশারি টাঙিয়ে হাসপাতালের মেঝেতেই পড়ে থাকছেন ডেঙ্গি-আক্রান্ত। অনেক সময় আক্রান্তকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করাতে হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত বাড়িতে থাকলে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জরুরি। না হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হতে পারে!

    রাজ্যের ডেঙ্গি আক্রান্ত কত? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এ বছরের ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ৩ জন মারা গিয়েছেন। যদিও বেসরকারি হিসাবে পরিসংখ্যান অনেকটাই আলাদা। বেসরকারি হিসাবে এ বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ইতিমধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী মাসে আরও কয়েক হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হবেন। তাই হাসপাতালে শয্যার চাহিদা বাড়বে। কিন্তু আক্রান্তের অনুপাতে পরিষেবা দেওয়া কতখানি সম্ভব, সে নিয়েও সংশয় থাকছেই। তাই বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।

    বাড়িতে চিকিৎসায় (Dengue) কোন দিকে নজরদারি জরুরি? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাসপাতালে ভর্তি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকা জরুরি। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, দ্রুত রোগ নির্ণয় করতে হবে। অনেকে জ্বর হলেও রক্ত পরীক্ষা করাতে দেরি করছেন। ফলে, রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। চিকিৎসা শুরু হতেই অনেকটা সময় চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতি আগে থেকেই জটিল হয়ে থাকছে। সেক্ষেত্রে হয়রানি বাড়ছে। বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতিতে জ্বর হলেই রক্ত পরীক্ষা জরুরি। আবার অনেকের ডেঙ্গির (Dengue) সব উপসর্গ প্রকট হচ্ছে না। অর্থাৎ, উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যাও অনেক। তাই সামান্য সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কয়েক দিন ভোগান্তির কারণ হলেও রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    জল খাওয়ায় নজর

    ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ হলে সবচেয়ে বেশি নজরদারি দিতে হবে জল খাওয়ায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বডি ফ্লুইড অর্থাৎ শরীরে তরল পদার্থ যাতে কোনও ভাবেই না কমে, সেদিকে নজরদারি জরুরি। কারণ শরীরে তরল উপাদান কমলে মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি সহ একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যেতে পারে। তাই জল খাওয়ার দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গি আক্রান্ত নিয়মিত যে পরিমাণ জল খান, তার থেকে অন্তত ১ লিটার বেশি জল খাবেন। অর্থাৎ, কেউ যদি নিয়মিত ৩ লিটার জল খান, ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে অন্তত ৪ লিটার খেতেই হবে। এর পাশপাশি ফলের রস, দুধ, স্ট্রু জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, এই সব খাবারে একদিকে শরীরের পুষ্টি হবে, আরেকদিকে শরীরে জলের চাহিদা পূরণ করবে।

    অক্সিজেনের মাত্রা ও প্লেটলেট

    ডেঙ্গি আক্রান্তকে অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে রাখতে হবে। যাতে তার থেকে অন্যদের রোগ না ছড়ায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি সংক্রমণ খুব দ্রুত হয়। তাই আক্রান্তকে আলাদা ঘরে রাখার বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জরুরি। ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের নিয়ম করে অক্সিজেনের মাত্রা ও প্লেটলেট মাপা জরুরি। বাড়িতে থাকলেও নিয়মিত এই দুটি বিষয় মাপার বিষয়ে নজরদারি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, তাহলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে। হঠাৎ অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে শ্বাসকষ্ট হবে, আবার প্লেটলেট কমলে নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই দুই ঠিক রয়েছে কিনা, তা নজরদারি করা প্রয়োজন। 
    ডেঙ্গি আক্রান্তের শরীরের কোনও অংশ লাল হচ্ছে কিনা, রক্তপাত হচ্ছে কিনা, তা দেখা দরকার। কারণ, এগুলো পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ার লক্ষণ। তাই বাড়িতে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত থাকলে এসব বিষয়ে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Dengue: কোনও উপসর্গ নেই, অথচ প্লেটলেট হু হু করে নেমে যাচ্ছে? রাজ্যে ডেঙ্গির নয়া আতঙ্কে সাবধান!

    Dengue: কোনও উপসর্গ নেই, অথচ প্লেটলেট হু হু করে নেমে যাচ্ছে? রাজ্যে ডেঙ্গির নয়া আতঙ্কে সাবধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গির (Dengue) দাপট ক্রমশ বাড়ছে। এক সপ্তাহে তিন হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পরিচিত উপসর্গ জানান দিচ্ছে না। আর তার ফলেই দেখা দিচ্ছে বিপত্তি! তাই ডেঙ্গি রুখতে নয়া নিদান দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী নতুন সমস্যা হচ্ছে? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) হলে এখন অনেক ক্ষেত্রে পরিচিত উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না। জ্বর, সর্দি-কাশি, বমি, মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে দেহের তাপমাত্রাও বিশেষ বাড়ছে না। বমি কিংবা মাথাব্যথার মতো উপসর্গ নেই। কিন্তু হঠাৎ জ্ঞান হারাচ্ছেন রোগী। পরিচিতদের চিনতে অসুবিধা হচ্ছে। কিংবা মলত্যাগ করতে গিয়ে রক্তপাত হচ্ছে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে রক্ত পরীক্ষা করে জানা যাচ্ছে প্লেটলেট কয়েক হাজারে নেমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি অনেকটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আর এই উপসর্গহীন রোগীদের নিজেদের বিপদ যতখানি বাড়ছে, ততটাই বিপদ বাড়ছে অন্যদের। কারণ, এই রোগীদের থেকে অজান্তেই অন্যদের ডেঙ্গি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।

    নয়া বিপদ কাটাতে কী উপায় বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উপসর্গহীন রোগীদের দ্রুত চিহ্নিত করা জরুরি। তাই রক্ত পরীক্ষা জরুরি। তাদের পরামর্শ, সর্দি-কাশি কিংবা দেহের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রক্ত পরীক্ষা জরুরি। বিশেষত, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, নদিয়ার মতো জেলায় ডেঙ্গির (Dengue) দাপট উর্ধ্বগামী। তাই এই সব এলাকার মানুষের বিশেষ সতর্কতা জরুরি। আর সেই জন্য রক্ত পরীক্ষা আবশ্যক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেসব এলাকা ডেঙ্গিপ্রবণ, সেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। আর সেই জন্য দেহের তাপমাত্রা বাড়লে, সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলেই রক্ত পরীক্ষা জরুরি।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য দফতর অবশ্য রক্ত পরীক্ষা নিয়ে আগের অবস্থানেই অনড়। তারা জানাচ্ছে, অনাবশ্যক আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে, বমি, মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ থাকলে তবেই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা জরুরি। অনাবশ্যক রক্ত পরীক্ষা ডেঙ্গি পরীক্ষার কিটের ঘাটতি তৈরি করবে। কিন্তু স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ এই নীতি মানতে নারাজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্য কর্তা বলেন, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ। কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি (Dengue) যথেষ্ট উদ্বেগজনক। সেপ্টেম্বরের শেষে আরও কয়েক হাজার মানুষ নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হবেন, এমন আশঙ্কাও করা যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে। তাই আগে থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আর এই উপসর্গহীন রোগীদের নিয়েই নয়া বিপদ তৈরি হচ্ছে। তাই রোগ নির্ণয় সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাই সামান্য জ্বর কিংবা সর্দি-কাশিকে একেবারেই অবহেলা করা যাবে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Virus: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    Dengue Virus: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue Virus) প্রকোপ। গরম পেরিয়ে বর্ষার শুরু থেকে পুজোর আগে পর্যন্ত বাংলাতেও প্রতি বছর ডেঙ্গির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এ বছর ডেঙ্গি আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। দেশে কোভিডের পরে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মশাবাহিত এই রোগ। তাই ডেঙ্গি মোকাবিলায় বড়সড় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স। গবেষকরা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব ডেঙ্গির ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করতে হবে। শুধু ভারতে নয়, ডেঙ্গি রুখতে বিশ্বজুড়েই গবেষণা চলছে। 

    ডেঙ্গি নিয়ে গবেষণা

    গত ৫০ বছরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ডেঙ্গি (Dengue Virus) মারাত্মক সংক্রামক রোগ হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি থেকে জটিল রোগও হচ্ছে। তাই প্লস প্যাথোজেন বিজ্ঞান পত্রিকায় ডেঙ্গি রোখার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন বিজ্ঞানীরা। কোথাও মশার বংশ নাশ করার চেষ্টা চলছে, আবার কোথাও মশার জিনেই বদল ঘটানো হচ্ছে। মশার জিনে রদবদল করে অ্যান্টিবডি ঢুকিয়ে সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা করছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা। চলছে ডেঙ্গির টিকা আনার প্রচেষ্টা।

    ডেঙ্গির ভ্যাকসিন

    ভারতে ডেঙ্গির জন্য কোনও টিকা এখনও চালু হয়নি। টিকা এলে এবং ট্রায়াল সফল হলে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচবে, বলে ধারণা গবেষকদের। এর আগে প্যানাসিয়া বায়োটেক লিমিটেড এবং সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড নামক দু’টি সংস্থা ডেঙ্গির টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে। যার মধ্যে প্যানাসিয়া বায়োটেক লিমিটেড প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের টিকা ইতিমধ্যে আমেরিকায় ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য অনুমোদন পেয়েছে।

    আরও পড়ুুন: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    ডেঙ্গির পরীক্ষা

    ডায়ারিয়া, বমি, ক্লান্তি, একেবারেই খেতে না পারা—এসব যদি একদিনও থাকে, তাহলেই ডেঙ্গির পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে ডেঙ্গি পিসিআর (Dengue Real-Time PCR Test) করান। যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। জ্বর, গায়ে যদি অ্যালার্জি বেরোয়, চোখে ব্যথা, জয়েন্ট পেইন হলেই প্রথমে ডেঙ্গি টেস্ট করান। ফেলে রাখবেন না কোনওভাবেই।

    ডেঙ্গি হলে সাবধানে থাকুন

    ডেঙ্গি যদি ধরা পড়ে তাহলে প্রথম ৭ দিন খুবই সাবধানে থাকতে হবে। তারপরও অন্তত ১৫ দিন নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রচুর জল খেতে হবে। বাইরের খাবার দাঁতে কাটা চলবে না। হালকা-ঘরোয়া খাবার খান। ফুলস্লিভ জামা পরতে হবে। বাড়িতে মশার ওষুধ স্প্রে করুন। কোথাও জল জমতে দেবেন না। বাড়িতে সিট্রোনেলা অয়েল ব্যবহার করতে পারলেও খুব ভাল। এর গন্ধে মশা খুবই কম আসে। বাড়ির আশপাশে জলাশয় থাকলে সেখানে গাপ্পি মাছ ছাড়তে পারেন। এই মাছ মশার লার্ভা খেয়ে নেয়। কোনও রকম কার্বোনেটেড পানীয় খাওয়া চলবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share