Tag: Dengue

Dengue

  • Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে গরু পাচার, হেরোইন পাচার, সোনা পাচার হওয়ার খবর শোনা যায়। এবার ভারত-বাংলাদেশে উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত এলাকায় ডেঙ্গি (Dengue) কিট পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ, পুলিশ বিএসএফের নজর এড়িয়ে ছোট জিনিস পাচার করা তুলনায় সহজ। তাই, সীমান্তে এই কিট পাচার চলছে। পুলিশ ও বিএসএফের হাতে কয়েকজন পাচারকারী গ্রেফতারও হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার কিট। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য সামনে এসেছে।

    কেন বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে ডেঙ্গি কিট? (Dengue)

    এ রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি। নদিয়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও বহু মানুষ আক্রান্ত। এর পাশাপাশি বর্ষায় বাংলাদেশেও ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ছড়িয়েছে। সে কারণেই ও দেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার কিটের চাহিদা বেড়েছে। তা ছাড়া, পাচারকারীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে ভারত থেকে বাংলাদেশে কিট নিয়ে যেতে পারলে লাভ অনেক বেশি।বিভিন্ন বেসরকারি ল্যাবরেটরি থেকে কিট কিনতে পাওয়া যায়। ওদেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার খরচও অনেক বেশি। এখানে যদি ডেঙ্গি পরীক্ষার জন্য ১০০ টাকা খরচ হয়, বাংলাদেশে খরচ পড়ে ১ হাজার টাকা। তাই এই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি কিটের মতো ছোট জিনিস পাচারে ঝুঁকি অনেক কম। সীমান্তে থাকা কাঁটাতারের ওপারে ডেঙ্গি কিটের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলতে হবে। কাজ ঠিকঠাক হলেই মিলবে টাকা। পরে, পাচারকারীরা এসে সেই ব্যাগ নিয়ে চলে যায়। ডেঙ্গি কিট পাচার চক্রের সদস্যেরা নানা টোপ দিয়ে গ্রামের চাষি, বেকার যুবকদের এ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সম্প্রতি পেট্টাপোল থানার পুলিশের কাছে খবর এসেছিল, এক বাংলাদেশি পাচারকারী পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে এ দেশ থেকে ডেঙ্গির (Dengue) কিট পাচার করার চেষ্টা করছে। ওই পাচারকারী আগেও এই কাজ করেছে। পুলিশ পেট্রাপোল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায়। পাচারকারী সীমান্ত এলাকায় আসতেই তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম মহম্মদ সোহেল রানা। বাড়ি বাংলাদেশের বেনাপোল থানার সাদিপুর এলাকায়। তার কাছ থেকে ৬৮ প্যাকেট ডেঙ্গির কিট আটক করা হয়। এক একটি প্যাকেটে ২৫টি করে কিট ছিল, যার মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ধৃতকে জেরা করে পুলিশ জানিয়েছে, ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে ওই দুষ্কৃতী কয়েক বার ভারতে এসেছিল বৈধ পাসপোর্ট ও ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে। প্রতি বারই সে ডেঙ্গির কিট কলকাতা থেকে কিনে বাংলাদেশে পাচার করেছে। এ বারই প্রথম ধরা পড়ল। এর আগেও একজনের কাছে থেকে ৯ লক্ষ টাকার কিট বাজেয়াপ্ত করা হয়। বনগাঁর এসডিপিও অর্ক পাঁজা বলেন, সন্দেহজনক কাউকে দেখলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন, এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯০ জন। এলাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির জমাজল এবং যত্রতত্র আবর্জনার কারণে ডেঙ্গির মশা বাড়ছে। যদিও হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অপর দিকে বিজেপি, ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করে বলে, জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, তৃণমূল পরিচালিত হাওড়া পুরসভা রাশ টানতে ব্যর্থ। 

    বালি, জগাছা এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্ত অধিক (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুরসভা এলাকা, বালি পুরসভা এলাকা, বালি জগাছা ব্লক এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ডেঙ্গু রুখতে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। হাওড়া পুরসভার ৪, ৩৯, ২৯, ৩১  এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। মূলত বাড়িতে জল জমে থাকার কারণেই ওইসব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তবে হাওড়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং নাগরিকদের বোঝাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মশা মারার তেল স্প্রে করছে।

    বিজেপির অভিযোগ

    এদিকে শহরের (Howrah) ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই, এই ডেঙ্গি সংক্রমণের অভিযোগ করে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গির পরিসংখ্যানের তথ্য গোপন করা হচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে ডেঙ্গিতে মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ করা হচ্ছে না। সরকার তথ্য গোপন করে মানুষকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সচেতন করছে না। শাসক দল ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। যা বাস্তবে ঘটছে তাই পাঠানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে হাওড়া পুরসভা। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেই জন্য যেমন বাড়ি বাড়ি সচেতন করার কাজ চলছে, একইভাবে বর্ষায় জমা জল যাতে দ্রুত নেমে যায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে, ছোট ছোট গর্তে যাতে জল জমতে না পারে, সেই জন্য বর্ষার মধ্যেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গিতেও একের পর এক জেলায় ‘রেড জোন’, বারাসতে এক যুবকের মৃত্যু

    Dengue: ডেঙ্গিতেও একের পর এক জেলায় ‘রেড জোন’, বারাসতে এক যুবকের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় দাপট বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পর হুগলিতে চিহ্নিত হয়েছে ‘রেড জ়োন’। এর মধ্যে নিষিদ্ধ ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। স্বাস্থ্য দফতরের একটি সূত্র বলছে, সেই কারণে ডেঙ্গিতে (Dengue) মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে। ডেঙ্গির হাত প্রসারিত হয়েছে উত্তরেও। মালদহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। পুজোর আগে এই ডেঙ্গি রাজ্যে ভয় ধরাচ্ছে। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এরমধ্যেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত আরও এক জনের মৃত্যু হল। বারাসত জেলা হাসপাতালে রবিবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গি পজেটিভ আরও এক যুবকের। মৃতের নাম সরিফুল ইসলাম( ২৪)। বেশ কিছু দিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন দেগঙ্গার চাঁপাতলার কুমরুলি গ্রামের সরিফুল। প্রথমে বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু শেষ কয়েকদিনে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন একেবারেই শেষ মুহূর্তে। চিকিৎসা হয় বটে, তবে চিকিৎসায় সেভাবে সাড়া দেননি সরিফুল।  রবিবার সন্ধ্যায় বারাসত জেলা হাসপাতালে সরিফুলের মৃত্যু হয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)

    কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে জেলায় সরকারি হিসাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়েছে। তবে, নতুন করে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী। জেলার অন্যতম ডেঙ্গি ‘হটস্পট’ লালগোলা, ভগবানগোলা এবং সূতি ব্লক। সরকারি হিসাব বলছে. নদিয়ায় চলতি বছরে দু’হাজারেরও বেশি ডেঙ্গি আক্রান্তের পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে। ডেঙ্গির ‘হটস্পট রানাঘাট এবং হরিণঘাটা ব্লকে ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বেগ বাড়ছে হুগলিতেও। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ছাড়িয়েছে। বলাগড়, পাণ্ডুয়া, চণ্ডীতলাকে ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শ্রীরামপুর, উত্তরপাড়াকে ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বারুইপুর মহকুমায় ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি আক্রান্ত ৬৫৩। ক্যানিং মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ১২১ জন। উত্তর ২৪ পরগনাতেও ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটা, বাদুড়িয়া, দক্ষিণ দমদম, বিধাননগর, হাবড়ায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দমদমে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এই জেলায় প্রায় সাত হাজার। বাঁকুড়া জেলাতেও ঝোড়ো ব্যাটিং করছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩৬৩ জন। জানুয়ারি থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত হাওড়া পুর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭১১ জন।

    উত্তরবঙ্গে ডেঙ্গির কী অবস্থা?

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ জুড়়ে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। ডেঙ্গি জ্বরে কাবু মালদা। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা জেলার কালিয়াচকের ১ এবং ৩ নম্বর ব্লক, রতুয়া ২ নম্বর ব্লকে ডেঙ্গির প্রকোপ সব থেকে বেশি। পাশাপাশি, ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদা পুরসভার বিভিন্ন এলাকাতেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ওই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১,০৩২ জন। গত এক মাসে জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৮৭ জন। রাজ্য সরকারের দিকে এই নিয়ে আঙুল তুলেছে বিরোধী দল বিজেপি। ইংরেজবাজার পুরসভার বিরোধী দলনেতা অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ পুরসভা। ডেঙ্গি আক্রান্তের সঠিক পরিসংখ্যান গোপন করছে তারা। দার্জিলিং জেলায় এখনও পর্যন্ত ২০০ জন আক্রান্ত রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবার এই সময় ৭০০ জন আক্রান্ত ছিলেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, গতবারের তুলনায় কম হলেও আমাদের নজরদারি রয়েছে। কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে জ্বর নিয়ে ভর্তি থাকা ৪০ জনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট আসেনি। উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Dengue Situation) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এরই মাঝে আজব যুক্তি শোনা গেল কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মুখে। মেয়রের যুক্তি অনুযায়ী, মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। দুর্গাপূজো শুরু হতে এক মাসও বাকি নেই, এরই মাঝে মেয়রের এমন যুক্তিতে বোঝা যাচ্ছে যে কলকাতা পুরসভার ডেঙ্গি মোকাবিলায় ঠিক কতটা ব্যর্থ। শনিবার সাংবাদিকরা ডেঙ্গি (Dengue Situation) সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন করেন মেয়রকে। তখন একটি প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘‘আমরা যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নিচ্ছি। কলকাতায় ডেঙ্গি অনেকটা কম। সেটা যাতে কম থাকে সেই চেষ্টা করছি। এখন যেহেতু লকডাউন নেই তাই মানুষের মুভমেন্ট রয়েছে এবং এ কারণেই ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গি। কোথায় মানুষকে মশায় কামড়াচ্ছে তা বলা মুশকিল’’ অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৮০৩। ১২ সেপ্টেম্বর এই সংখ্যা ছিল ২,৭৯০। ১২ দিনের ভিতরে সংখ্যা ১,০০০ বেড়েছে।

    ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু শহরে

    অন্যদিকে, কলকাতাতে ফের ডেঙ্গি (Dengue Situation) মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। বিজয়গড়ে ১২ বছরের এক কিশোরী এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি ছিল ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে সূত্রের খবর। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই কিশোরী জ্বরে ভুগছিল, সঙ্গে বমিও হচ্ছিল। স্থানীয় চিকিৎসকদের দেখালেও ফল মিলছিল না। পরিবারের অভিযোগ, ডেঙ্গির জন্য কোনও ব্যবস্থাই নাকি চিকিৎসকরা নেয়নি। শুধু জ্বর ও বমির ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। শনিবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয় ওই কিশোরী এবং হাসপাতালের জরুরীকালীন বিভাগেই তার মৃত্যু হয়।

    রাজ্যজুড়ে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গি

    অন্যদিকে রাজ্যজুড়েও ব্যাপক থাবা বসিয়েছে ডেঙ্গি। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ উত্তর চব্বিশ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের (Dengue Situation) সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরও স্বীকার করেছে এই তিন জেলায় ডেঙ্গি ভাইরাস অত্যধিক সতর্ক। এরই মধ্যে জ্বর নিয়ে এই তিন জেলার মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতেও দেখা যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষায় হাওড়া (Howrah) শহরের বুকে রীতিমতো ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া। হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পরিস্থিতি যখন এতটাই ভয়াবহ, তখন তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যান বললেন, “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে”। আর এই মন্তব্যেরই বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। এলাকায় পুরসভার জীর্ণ স্বাস্থ্য কাঠামোর বিষয় থেকে নজর ঘোরাতেই বহিরাগত মানুষের কথা তুলে ধরছেন তৃণমূলের এই নেতা। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। কিন্তু বহিরাগত মানুষের কারণে কীভাবে ম্যালেরিয়া ছড়াবে! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই মন্তব্য অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় মাত্র। বর্তমানে মশাবাহিত রোগের প্রকোপে অতিষ্ঠ হাওড়াবাসী। আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। উঠছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্নও।

    ম্যালেরিয়ায় উদ্বেগ (Howrah)

    হাওড়া পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন শহরের বাসিন্দারা। তার মধ্যে আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের ঘটনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বাসিন্দাদের। যদিও হাওড়া পুরসভার দাবি, ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ

    হাওড়া পুরসভার নাগরিকরা বলেছেন, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ছোট থেকে বড়, সকলে জ্বর এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাওড়া জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশারি টাঙিয়ে রোগীদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, যাঁরা জ্বর নিয়ে আসছেন তাঁদের রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কেউ কেউ ডেঙ্গি, কেউ বা আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে কিছু রোগীকে ভর্তি করতে হচ্ছে।

    কমলেশ রাম নামে রোগীর এক আত্মীয় বলেন, “আমার দিদির ম্যালেরিয়া হয়েছিল। জ্বর কমছিল না। হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়”। অপর দিকে মিঠু মুখার্জি নামে আরও এক রোগীর এক আত্মীয় জানান, নাতনির বারবার জ্বর আসছিল। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার যেভাবে হচ্ছে, তাই ঝুঁকি না নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে দিতে হয়েছে। এখন তার চিকিৎসা চলছে। হাওড়া হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল মশার কামড় রুখতে রোগীদের শয্যায় মশারি খাটানো হয়েছে।

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত কত?

    হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পুরসভার ৫০টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮ জন। বর্তমানে ৪, ২৩ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে স্বীকার করেছেন পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী। এই বছরের অগাস্ট মাস পর্যন্ত ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৮।

    পুরসভার বক্তব্য

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসমন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী স্বীকার করেছেন যে ডেঙ্গির পাশাপাশি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন কিছু মানুষ। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, “এই দুই রোগের প্রকোপ দেখা দিলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। কারণ ওই ওয়ার্ডে মঙ্গলাহাট এবং লরি পার্কিং জোন থাকায় প্রচুর বাইরের মানুষ নিয়মিত আসেন। সেখান থেকেই এই ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে”। ফুটপাতের বাসিন্দাদের জন্য মশারি বিতরণের পাশাপাশি সচেতনতা মূলক প্রচার করা করছেন বলে জানা গেছে। তিনি সকলকে ঘুমের সময় মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nipah Virus: নিপার কবলে পশ্চিমবঙ্গ? উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক রোগী! ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

    Nipah Virus: নিপার কবলে পশ্চিমবঙ্গ? উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক রোগী! ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন ধরেই আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার পর কি নিপার (Nipah Virus) কবলে পড়তে চলেছে রাজ্যবাসী! সম্প্রতি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রের খবর সে দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতর? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের মঙ্গলকোট এলাকার এক ব্যক্তি জ্বর, সর্দি-কাশি, বমির মতো উপসর্গ নিয়ে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখান থেকেই চিকিৎসকদের আশঙ্কা হয়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এরপরেই তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে রেফার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপসর্গ দেখে সেখানেও চিকিৎসকদের আশঙ্কা, তিনি নিপা ভাইরাসে (Nipah Virus) আক্রান্ত হতে পারেন। এরপরেই তাঁর প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নমুনা পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি-তে পাঠানো হবে। রিপোর্ট আসলে তবেই নিশ্চিন্ত হতে পারবে চিকিৎসক মহল।

    কেন উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল? 

    কেরলে ইতিমধ্যেই নিপা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়াতে শুরু করেছে। কোঝিকোড় সহ কয়েকটি জায়গায় আইসোলেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। রোগ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু দিন কয়েক আগেই, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির রিপোর্ট জানিয়েছিল, কেরল ছাড়াও তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসমের মতো রাজ্যগুলোয় নিপা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিপা হয় বাদুড় থেকে। বিশেষত তাল আর খেজুর গাছে এই বাদুড় থাকে। পশ্চিমবঙ্গ, কেরল সহ একাধিক রাজ্যে খেজুরের রস খাওয়ার রীতি রয়েছে। এমনকি খেজুর রস পচিয়ে নেশার পানীয় তৈরির রীতিও চালু আছে। আর সেখান থেকেই নিপা ভাইরাসের (Nipah Virus) প্রকোপ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকছে।

    কীভাবে জানান দেয় নিপা? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, একটানা তিন থেকে চার দিন জ্বর, মাথার যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা, সর্দির মতো উপসর্গ নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের জানান দেয়। তাই এই উপসর্গ দেখা দিলে আর দেরি করা উচিত নয়। দ্রুত আলাদা ঘরে থাকা উচিত। যাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রোগ (Nipah Virus)  না ছড়িয়ে পড়ে। পাশপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা দরকার। তবে, চলতি মরশুমে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডের মতো একাধিক রোগের উপসর্গ হল জ্বর, সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা। আবার সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হলেও এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, দু থেকে তিনদিন জ্বর আর মাথাব্যথার মতো উপসর্গ থাকলে আর অবহেলা করা উচিত নয়। প্রয়োজন রক্ত পরীক্ষার। কোন ধরনের সমস্যা হয়েছে তা দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি। তবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ হবে। সময় মতো চিকিৎসা শুরু করা যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: এক সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজার! আইডি থেকে এমআর বাঙুর, ডেঙ্গির বেড নিয়ে হাহাকার! 

    Dengue: এক সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজার! আইডি থেকে এমআর বাঙুর, ডেঙ্গির বেড নিয়ে হাহাকার! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বেসামাল ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি। যদিও এরকম একটা পরিস্থিতি যে তৈরি হবে, তা বিরোধী দলনেতা থেকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আগাম আন্দাজ করেছিলেন। রাজ্য প্রশাসন অবশ্য বারবার আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আর তার জন্য বিপাকে কয়েক হাজার রোগী ও তাঁদের পরিবার।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট (Dengue)? 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গির দাপট। সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। গত সাত দিনে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে তিন হাজার। গত কয়েক বছরের সমস্ত রেকর্ড এবার ভেঙে যাবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ সালে এ রাজ্যে ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। 
    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছরেও ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তদের অধিকাংশই উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, নদিয়া এবং হুগলি জেলার বাসিন্দা। গত কয়েক বছরের মতোই উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়া, বসিরহাট, বারাসতের মতো এলাকা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পাশপাশি বাড়তি চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে বিধাননগর। কারণ, সল্টলেক, রাজারহাট, নিউটাউনের মতো স্মার্ট সিটিতেও ডেঙ্গি সংক্রমণ মারাত্মক। এক সপ্তাহে পাঁচশোর বেশি ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছে শুধুমাত্র বিধাননগর এলাকায়।

    বেড নিয়ে হাহাকার অব্যাহত (Dengue)! 

    ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়তেই ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রোগীর পরিজনদের একাংশের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, ডেঙ্গির জন্য বরাদ্দ শয্যা আর নেই বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে গেলেও জানানো হচ্ছে পর্যাপ্ত বেড নেই। তাই তাদের একের পর এক হাসপাতালে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। রোগীর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হচ্ছে। যেমন সম্প্রতি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে এক রোগীর পরিবারের অভিযোগ, বসিরহাট থেকে ডেঙ্গি আক্রান্তকে নিয়ে গিয়ে তাঁরা তিনদিন বেডের অপেক্ষায় রয়েছেন। বারাসত হাসপাতাল থেকে তাঁদের রেফার করা হয়েছে। কিন্তু বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, পর্যাপ্ত শয্যা নেই। তাই বেড দেওয়া যাবে না। একই রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন এমআর বাঙুর হাসপাতালের একাধিক রোগী। ভর্তির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা। তারপরেও শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে, বেলেঘাটা আইডি কিংবা এমআর বাঙুর ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন অধিকাংশ ভুক্তভোগী। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালেই সমস্যা হচ্ছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত নয় অধিকাংশ সরকারি হাসপাতাল।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার স্বাস্থ্য ভবনে ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিশেষ বৈঠক হয়। সেখানে অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্তা মেনে নিয়েছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। একদিকে হাসপাতালের পরিকাঠামো ঠিক করা জরুরি বলেও অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্তা জানিয়েছেন। প্রয়োজনে ডেঙ্গির জন্য আরও বেশি শয্যা বরাদ্দ করতে হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, কাদের ভর্তি করতে হবে, সে নিয়ে আরও বেশি পর্যালোচনা জরুরি। কারণ, স্বাস্থ্যকর্তারা মনে করছেন, সব ডেঙ্গি আক্রান্তের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই। তাদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা যায়। তাই কাদের ভর্তি করতে হবে, সে বিষয়টি আরও খুঁটিয়ে দেখতে হবে বলেও এই বৈঠকে ঠিক করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chickenpox: বছরের শেষে হানা দেবে চিকেন পক্স? টিকাকরণ কতখানি গুরুত্বপূর্ণ? 

    Chickenpox: বছরের শেষে হানা দেবে চিকেন পক্স? টিকাকরণ কতখানি গুরুত্বপূর্ণ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার মতো মহামারি হোক, বা ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত সংক্রামক রোগ, একাধিক সমস্যায় জর্জরিত রাজ্যবাসী। এর মধ্যেই নতুন উদ্বেগ (Chickenpox) হাজির! বিশেষজ্ঞ মহলের আশঙ্কা, বছরের শেষে নতুন উদ্বেগ বিপদ বাড়াতে পারে! তাই আগাম সতর্কতা জরুরি বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন।

    কোন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, বছরের শেষে হানা দিতে পারে চিকেন পক্স (Chickenpox)। শীতের শুরুতে প্রত্যেক বছরেই চিকেন পক্সের প্রকোপ দেখা দেয়। কিন্তু এ বছর উদ্বেগ বেশি। কারণ, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি বছরে চিকেন পক্সের প্রকোপ বেশি। বিশেষত শিশুদের চিকেন পক্স বেশি হচ্ছে। তবে, বাড়তি উদ্বেগের কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আক্রান্তের দেহে নতুন প্রজাতির চিকেন পক্স লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণত ভারতে যে প্রজাতির চিকেন পক্স হয়, তার থেকে ভিন্ন। ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় যে প্রজাতির চিকেন পক্স হয়, ভারতীয় শিশুদের অধিকাংশের চলতি বছরে সেই প্রজাতির চিকেন পক্স হচ্ছে। উদ্বেগের বিষয়, নতুন প্রজাতি নয়া রূপে হাজির হলে চিকিৎসায় সমস্যা হবে না তো!

    নতুন প্রজাতি নিয়ে উদ্বেগ কেন? 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একই রোগ (Chickenpox) নতুন প্রজাতি নিয়ে হাজির হলে অনেক সময়েই প্রচলিত চিকিৎসা কাজ করে না। তাই বিপদ বাড়ে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও সেই আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না। যে ওষুধ ও টিকা চিকেন পক্স রুখতে ব্যবহার করা হয়, তারা নতুন প্রজাতির দাপট কমাতে কতখানি কার্যকর হবে, সে নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। চিকেন পক্সের সংক্রমণ শক্তি প্রবল। তাই উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, চিকেন পক্সের (Chickenpox) টিকা নেওয়া আবশ্যক। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের এই টিকা অবশ্যই দেওয়া দরকার। এতে বড় বিপদ এড়ানো যায়। নতুন প্রজাতির চিকেন পক্স রুখতে প্রচলিত টিকা সক্ষম নয়, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই টিকা অবশ্যই নিতে হবে। এতে পুরোপুরি রোগ প্রতিরোধ না হলেও বড় বিপদ এড়ানো যেতে পারে। চিকেন পক্স হলে অনেক ক্ষেত্রে লিভার, অন্ত্র ও পাকস্থলীর ক্ষতি হয়। টিকা নেওয়া থাকলে এই ধরনের বড় বিপদের ঝুঁকি কমে। তাই শিশুদের শীতের আগেই এই টিকা নেওয়া পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুরোগ চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তার পাশপাশি, বড়দের জন্যও টিকাকরণ জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণের হার খুব কম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বড়দের থেকেই সংক্রামক রোগ বেশি ছড়াচ্ছে। তাই বড়দের সুস্থ থাকার দিকে বেশি নজরদারি জরুরি। টিকাকরণ হলে তবেই এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। তাই চিকেন পক্সের দাপট রুখতে জরুরি টিকাকরণ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গিতে মৃত্যু মহিলার, নড়চড়ে বসল পুরসভা

    Paschim Medinipur: পশ্চিম মেদিনীপুরে ডেঙ্গিতে মৃত্যু মহিলার, নড়চড়ে বসল পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের সূতিতেই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক মহিলার মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) আরও একজন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম উষারানি দাস। তাঁর বাড়ি মেদিনীপুর পুরসভার চিরিমারসায় এলাকায়। এই প্রথম ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

    পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন এলাকাবাসীর (Paschim Medinipur)

    এমনিতেই পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলায় প্রায় ৪০০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত। এরমধ্যে মেদিনীপুর পুরসভায় প্রায় ৩০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। কিন্তু, পুরসভার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে কোনও উদ্যোগই গ্রহণ করা হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এমনকী কত আক্রান্ত সেই তথ্য পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দিন দিন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এরমধ্যে ওই মহিলার ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, দুদিন আগেই ওই মহিলা জ্বর নিয়ে মেদিনীপুরে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। রাতেই তাঁর হয়। শনিবার বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। মেদিনীপুর শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত এক সপ্তাহে বেড়েছে। আর ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যু টনক নড়িয়েছে মেদিনীপুর পুরসভা ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের। পুরসভার বাসিন্দাদের বক্তব্য, পুরসভার পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগই গ্রহণ করা হয়নি। মেদিনীপুর শহরে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল পুরসভার কোথাও না কোথাও খামতি রয়ে গিয়েছে। শহরের ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার হয় না।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    যদিও কাউন্সিলর থেকে পুরসভার চেয়ারম্যান সকলেরই দাবি, নিয়মিত ওয়ার্ড পরিষ্কার করা হয়। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা শুনে খুবই খারাপ লাগছে। নিয়মিত এলাকা পরিষ্কার রাখা হয়। কিন্তু, মানুষের সচেতনতার অভাবেই পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে রায়গঞ্জে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক! প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে কবে?

    Uttar Dinajpur: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে রায়গঞ্জে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক! প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ক্রমশই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে প্রাণ গিয়েছে অনেকের। ঘটেছে নানা অঙ্গহানিও। জেলায় জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। এবার উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের একাংশে ডেঙ্গির অস্বাভাবিক বাড়বাড়ন্তের ছবি উঠে এল। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ ব্লকের ১০ নং মারাইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সুভাসগঞ্জের কোতগ্রাম এলাকায়। ডেঙ্গির প্রকোপে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক। প্রশাসনের বিরুদ্ধে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ।

    ডেঙ্গির প্রকোপ (Uttar Dinajpur) কেমন?

    স্বাস্থ্য বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী এই এলাকায় (Uttar Dinajpur) গত ৭ দিনে ৪০ জনেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যাকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এলাকায় অনেকের মধ্যেই জ্বরের প্রকোপ রয়েছে। জ্বরের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পেলেই সাধারণ মানুষ ছুটছেন রক্ত পরীক্ষার জন্য।

    স্থানীয় মানুষের অভিযোগ

    এলাকার (Uttar Dinajpur) বাসিন্দা সঞ্চিতা রায় জানান, তাঁর শ্বশুরমশাই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রথমে তাঁর ধুম জ্বর আসে। রক্ত পরীক্ষার পর রিপোর্ট আসে পজিটিভ। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এরপর শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি হয়। বর্তমানে অবশ্য সুস্থ রয়েছেন তিনি। এরপর পরিবারের বাকি সকলের পরীক্ষা করা হয়। যদিও রিপোর্ট অনুযায়ী বাকিরা ডেঙ্গিমুক্ত রয়েছেন।

    স্থানীয় অপর এক গৃহবধূ অনিতা দাস নিজে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি জানান, ডাক্তারের কাছে জ্বর নিয়ে এসেছিলেন। এরপর রক্ত পরীক্ষা করতেই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। শুরু হয় চিকিৎসা। আপাতত সচেতনতাও অবলম্বন করছেন তিনি।

    এলাকায় খোলা হয়েছে স্বাস্থ্য শিবির

    এদিকে এলাকায় (Uttar Dinajpur) ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিতেই তড়িঘড়ি স্থানীয় একটি স্কুলে স্বাস্থ্য শিবির খোলা হয়েছে। যেখানে রক্ত পরীক্ষারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মনিকা বিশ্বাস জানান, এখানে রক্ত পরীক্ষার পর নমুনা যাচ্ছে মেডিক্যাল কলেজে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসছে। এখনও পর্যন্ত ৪০ পেরিয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মনিকা দেবী আরও বলেন, এই এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি। জল জমে থাকে সব সময়। এছাড়াও জঙ্গলও রয়েছে এলাকায়। যা ডেঙ্গির অনুকূল পরিবেশ।

    স্থানীয় উপপ্রধানের প্রতিনিধির বক্তব্য

    অপরদিকে, বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (Uttar Dinajpur) উপপ্রধানের প্রতিনিধি রানা রক্ষিত। তিনি জানান, ৬২ নং বুথে ক্রমশই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য দফতরের বিভিন্ন স্তরে জানানো হয়েছে। ক্রমাগত মনিটরিং চলছে। এলাকায় সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকেও সচেতন করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে এখন ডেঙ্গি নিয়ে আতঙ্কিত এই অঞ্চল সংলগ্ন এলাকার মানুষ। কত দ্রুত এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share