Tag: Dengue

Dengue

  • Murshidabad: ডেঙ্গিতে মৃত্যু বধূর, টনক নড়ল পঞ্চায়েতের, এতদিন কী করছিল, প্রশ্ন এলাকাবাসীর

    Murshidabad: ডেঙ্গিতে মৃত্যু বধূর, টনক নড়ল পঞ্চায়েতের, এতদিন কী করছিল, প্রশ্ন এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানার ঔরঙ্গাবাদ দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক গৃহবধূ। গৃহবধূর নাম চামেলি খাতুন (৩২)। জেলাজুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ বেড়েই চলেছে। তবে, এতদিন জেলায় কোনও মৃত্যু হয়নি। এই প্রথম জেলায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানা এলাকার ওই বধূকে দিন পাঁচেক আগে গায়ে জ্বর নিয়ে মহিষা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেড না থাকার কারণে আহিরণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। আহিরণ হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করার পর জানতে পারা যায়, চামেলি বিবি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর। তাঁর মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে রাস্তায়, ড্রেনে ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো শুরু হয়ে গিয়েছে।

     স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় ডেঙ্গি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। গত সপ্তাহ পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৪০০ জন। জেলাবাসীর ভয় ছিল, ডেঙ্গি যেভাবে দিনের পর দিন বেড়েই চলছে এবার শহরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সংক্রমণ গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। সূতি থানার ওই বধূ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়ার পর এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এতদিন স্বাস্থ্য দফতর বা পঞ্চায়েত থেকে কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই পঞ্চায়েত এখন নড়েচড়ে বসেছে। আশপাশের পঞ্চায়েতও এদিন থেকে ড্রেন পরিষ্কার করে ব্লিচিং দেওয়া শুরু করেছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, আগে থেকে পঞ্চায়েত বা স্বাস্থ্য দফতর উদ্যোগ নিলে ওই বধূর এভাবে বেঘোরে প্রাণ হারাতে হত না। আগামী দিনে ডেঙ্গিতে যেন আর কারও প্রাণ না যায় সেদিকে প্রশাসন নজর দিলে ভাল হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    Dengue Update: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক মাসে ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণ তিন হাজার থেকে তেরো হাজার। স্বাস্থ্য দফতরের ৩০তম সপ্তাহের রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৬৯। মাত্র এক মাসে সেটি বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার। অর্থাৎ, শুধু অগাস্ট মাসেই রাজ্যে ১০ হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    কী বলছে রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, অগাস্টের প্রথম থেকেই রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে। ক্রমেই তা মাথাচাড়া দিয়েছে। যেমন, ৩৪তম সপ্তাহের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, গত জানুয়ারি থেকে ২২ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০ জন। সব থেকে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৩৩ ও ৩৪তম সপ্তাহে। ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত পরিসংখ্যানে প্রকাশ, রাজ্যে সংক্রমণ টপকে গিয়েছে ১৩ হাজারের গণ্ডি। অর্থাৎ, শেষ ছ’দিনে সংক্রমণ তিন হাজারেরও বেশি। বস্তুত, গোটা অগাস্ট জুড়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করে চলেছে ডেঙ্গি। দৈনিক ৩০০ জনের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন অগাস্টে।

    বৃষ্টি কম হওয়াই কারণ

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, গত বছরেও ডেঙ্গির (Dengue Update) বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল অগস্ট মাসেই। ওই মাসের শেষের দিকে রাজ্যে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ঘরে। এ বার অবশ্য সেই সংখ্যাটি ভাল রকমেরই বেশি রয়েছে। সেই সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় ডেঙ্গির প্রকোপ আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। টানা ভারী বৃষ্টিতে ডেঙ্গির বাহক এডিস মশার লার্ভা ধুয়ে যায়। এ বছর তেমন বৃষ্টি হয়নি। সেপ্টেম্বরের গোড়ায় আরও অবনতি হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: দেশের সেরা ৫০ জনের মধ্যে বাংলার ‘জাতীয় শিক্ষক’ কে?

    গ্রামে সংক্রমণ বেশি

    বরাবর ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণে শীর্ষে থাকে উত্তর ২৪ পরগনা। তার পরেই কলকাতা। কিন্তু চলতি বছর আগাগোড়া সংক্রমণে পয়লা নম্বরে ছিল নদিয়া। তবে অগাস্টের মাঝামাঝি থেকে বদলাতে থাকে ছবিটা। নদিয়াকে টপকে শীর্ষে চলে আসে উত্তর ২৪ পরগনা। শুধু এই জেলাতে এ বছর ডেঙ্গি আক্রান্ত চার হাজার ছুঁইছুঁই। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ বিধাননগরে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের প্রায় চার গুণ (৫০৪)। ডেঙ্গি ছড়িয়েছে দক্ষিণ দমদমেও (৩১০)। তুলনায় শহর কলকাতায় (৯৮৯) সংক্রমণ তেমন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যায়নি এখনও। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, এ বার শহরের (৪০ শতাংশ) থেকে গ্রামের দিকে (৬০ শতাংশ) আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Malda: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু মালদায়, আতঙ্ক

    Malda: ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু মালদায়, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়ার পর এবার ডেঙ্গির বলি মালদায়। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হল এক তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের। মৃত ওই স্কুল ছাত্রের নাম বিট্টু ঘোষ। বয়স ৯ বছর। বাড়ি মালদা জেলার ইংরেজবাজার থানার গোপালপুর এলাকায়। তবে, ডেঙ্গি নিয়ে এই হাসপাতালে বহু রোগী ভর্তি রয়েছেন। যদিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে সবই অজানা জ্বরে আক্রান্ত বলে দায় এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।

    পরিবারের সদস্যরা কী বললেন? (Malda)

    মৃত স্কুল ছাত্রের পরিবারে বাবা, মা ও তার এক ভাই, এক বোন রয়েছে। বিট্টু স্থানীয় গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশুনা করত। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত চার দিন ধরে ওই স্কুল ছাত্রের প্রচণ্ড জ্বর ও সঙ্গে বমি হয়। অবশেষে জ্বরের মাত্রা অধিক হওয়ায় সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ ওই স্কুল ছাত্রকে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে চিকিৎসা চলাকালীন সন্ধ্যা নাগাদ মৃত্যু হয় ওই স্কুল ছাত্রের। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্কুল ছাত্রের রক্তের প্লেটলেট একেবারে কমে গিয়েছিল, পাশাপাশি ডেঙ্গির সব লক্ষণ সমস্ত শরীরে ছিল। মৃতের বাবা রামা ঘোষ বলেন, ‘হাসপাতালের পক্ষ থেকে আমাদের রক্তের জোগান দিতে বলা হয়েছিল। আমরা সেই মতো মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু, প্রায় দু ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পরেও রক্ত পাইনি। সঠিক সময়ে রক্তের জোগান দিতে পারলে আমার ছেলে বেঁচে যেতে পারত। আমার ছেলে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে।’ অবশেষে মৃত্যুর খবর পেতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। যদিও মেডিক্যাল কলেজের পক্ষ থেকে মৃতদেহ পরিবারের হাতে দেওয়ার সময় ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গি উল্লেখ করা হয়নি। অজানা জ্বরেই মৃত্যু হয়েছে ওই স্কুল ছাত্রের, এমনটাই লেখা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে উড়ছে মশা। চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। কেননা আশ্চর্যজনকভাবে পাহাড়েও ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ২৫ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যা স্বাস্থ্য দফতরকেও চিন্তায় ফেলেছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর সেই সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচ। এক ধাক্কায় সংখ্যাটি বেড়ে যাওয়ার কারণে উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের অন্দরে। তবে, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি জেলাশাসক পুন্নমবালম এসের।

    পাহাড়ের ডেঙ্গু নিয়ে পর্যটকদের উদ্বেগ, চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

    উচ্চতার কারণে পাহাড়ে মশা থাকে না। এমনই ধারণা ছিল এতদিন। যার জন্য পাহাড়ে মশারির ব্যবহার সেভাবে ছিল না। দার্জিলিংয়ের সোনাদার বাসিন্দা প্রেম রাই বলেন, মশার উপদ্রব ছিল না পাহাড়ে। তাই এতদিন সমতলে গিয়ে মশার উপদ্রবে অসহ্য লাগত। কিন্তু এখন পাহাড়েও মশার উপদ্রব বাড়ছে। ডেঙ্গিতেও এখানে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মশারি ব্যবহার করতে হচ্ছে সকলকে। যা আগে করতে হত না। প্রতি বছর সর্বত্র অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গির সংক্রমণ ব্যাপক আকার নেয়। এবার পাহাড়েও যদি সেই চিত্র দেখা দেয় তাহলে আতঙ্কে পুজোর পর্যটন মরশুমে পর্যটকরা পাহাড় থেকে মুখ ফেরাতে পারেন বলে আশঙ্কা ট্যুর অপারেটরদের। উত্তরবঙ্গের এক ট্যুর অপারেটর সাধন রায় ও দেবাশিস মিত্র বলেন, পাহাড়ে এবার আশ্চর্যজনকভাবে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আমরা চিন্তায় রয়েছি। বাইরের অনেক পর্যটকই দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এক মাসের মধ্যে ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। এর জেরে পুজোয় পর্যটন ব্যবসায় তার ভাল প্রভাব পড়তে পারে।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    পাহাড়ের চরিত্রের বিরুদ্ধে মশা ও ডেঙ্গির বিস্তারের পিছনে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকেই দায়ী করছেন সকলে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling)  বাসিন্দাদের প্রায় সকলেই মনে করেন, দার্জিলিংয়ে নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়ার জন্য সর্বত্র নোংরা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। হোটেল এবং বসতি বেড়েছে।  নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল। ফলে, জায়গায় জায়গায় জল জমে থাকছে। একারণে পাহাড়ে  মশার বংশবৃদ্ধি হয়েছে।

     কী বললেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তুলসী প্রামাণিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। পাহাড়ের পর্যটনে ডেঙ্গি যাতে সমস্যার কারণ না হয়ে ওঠে সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে।  জেলাশাসক এস পন্নমবালম বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার যথেষ্ট সতর্ক দার্জিলিং (Darjeeling) জেলা প্রশাসন। পাহাড়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এলাকায় সার্ভে চালাচ্ছে ভেক্টর কন্ট্রোল টিমের সদস্যরা। জোর দেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক প্রচারে। নজর দেওয়া হয়েছে সাফাইয়ের কাজেও। শুধু নালা-নর্দমা নয়, সংলগ্ন এলাকাগুলি যাতে পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chikungunya: বঙ্গে ফের ফিরছে চিকুনগুনিয়া! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    Chikungunya: বঙ্গে ফের ফিরছে চিকুনগুনিয়া! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ফের ফিরছে চিকুনগুনিয়া (Chikungunya)! স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সতর্কবার্তায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। চার দশক পরে কলকাতায় ফের দেখা দিচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ। চিকিৎসক মহল জানাচ্ছে, এই রোগের সময় মতো চিকিৎসা না হলে মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে। একেই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় জর্জরিত রাজ্যের মানুষ। তার উপরে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিকুনগুনিয়া। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই রোগে আক্রান্তদের আজীবন নানান জটিল রোগে ভুগতে হতে পারে। তাই এই রোগের সংক্রমণ রুখতে হবে।

    চিকুনগুনিয়া (Chikungunya) কী? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, চিকুনগুনিয়া (Chikungunya) মশাবাহিত রোগ। এডিস মশা এই রোগ বহন করে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসকে ওই মশার প্রজাতি বহন করে। তার ফলে মশা কামড়ালে মানুষের শরীরে ওই ভাইরাস প্রবেশ করে।

    কী উপসর্গ দেখা দেয় (Chikungunya)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চিকুনগুনিয়া হলে কয়েকটি উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন বারবার জ্বর হয়। দেহের তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হয়ে যায়। তার সঙ্গে দেহের বিভিন্ন অংশে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। হাত-পায়ের পেশিতে মারাত্মক যন্ত্রণা হয়। হাড়ের যন্ত্রণা এই রোগের আরেক উপসর্গ। এছাড়াও, মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গও দেখা দেয়। শিশুদের ক্ষেত্রে পেটের অসুখ হয়। যা চিকুনগুনিয়ার আরেক লক্ষণ। বিশেষত, শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাছাড়া, চিকুনগুনিয়ায় (Chikungunya) আক্রান্ত হলে দেহের যে কোনও অংশ থেকে রক্তপাত হতে পারে। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের কোনও উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবে।

    চিকুনগুনিয়া (Chikungunya) কোন ঝুঁকি তৈরি করে? 

    চিকুনগুনিয়ার সংক্রমণ ক্ষমতা তীব্র। এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাই এই রোগ মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে। এই রোগে আক্রান্তদের নানান হাড়ের সমস্যা দেখা দেয়। রোগ থেকে মুক্তির পরেও আর্থারাইটিসের মতো নানান হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি লিভার ও কিডনির নানান অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় চিকুনগুনিয়া। তবে এই রোগ সবচেয়ে বিপজ্জনক শিশুদের জন্য। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে শিশুদের প্রাণসংশয় তৈরি হয়। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কী পরামর্শ (Chikungunya) দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, এই রোগ মশাবাহিত। তাই বাড়িতে বা বাড়ির আশপাশে যাতে মশা না জন্মায়, সেদিকে নজর দিতে হবে। চিকুনগুনিয়া বহনকারী মশা পরিষ্কার জায়গার জমা জলে জন্মায়। তাই ফুলের টব কিংবা পরিষ্কার কোনও জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। রোগের (Chikungunya) উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চিকিৎসা শুরু জরুরি। যাতে রোগ সংক্রমণ না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। 
    শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হলে বেশি পরিমাণে জল খাওয়াতে হবে। যাতে কোনও ভাবেই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Dinajpur: উত্তর দিনাজপুরে চোখ রাঙাচ্ছে ‘স্ক্রাব টাইফাস’, জেলায় আক্রান্ত কত জানেন?

    North Dinajpur: উত্তর দিনাজপুরে চোখ রাঙাচ্ছে ‘স্ক্রাব টাইফাস’, জেলায় আক্রান্ত কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই রাজ্যের পাশাপাশি  উত্তর দিনাজপুরেও (North Dinajpur) দেখা দিয়েছে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। প্রতিবারই এই সময় ডেঙ্গি ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব বাড়ে। যার জেরে এবারেও রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু, এর পাশাপাশি জেলায় বাড়ছে ‘স্ক্রাব টাইফাস’ রোগের প্রকোপ। ফলে, জেলাজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলার রায়গঞ্জেও ‘স্ক্রাব টাইফাস’ চোখ রাঙাচ্ছে।

    কী বললেন রোগীর পরিবারের লোকজন?

    জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, গত একমাসে উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur) জেলায় রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর মহকুমা মিলিয়ে ৪৬ জন ‘স্ক্রাব টাইফাস’-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত গত ৪৮ ঘণ্টায় ১১ জনের শরীরে ওই রোগের সংক্রমণ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে, স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল, ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতাল-সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও পেটের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীদের ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার পাশাপাশি ‘স্ক্রাব টাইফাস’ রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। সুবীর বর্মন নামের এক রোগীর আত্মীয় বলেন, ওয়ার্ডে ক্রমশই বাড়ছে জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বরের পাশাপাশি গা,হাত পা ব্যাথাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা চলছে। অপর এক রোগীর আত্মীয় পঙ্কজ বর্ধন বলেন, আমার দাদা ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে। ওয়ার্ডে প্রচুর রোগীর চাপ বাড়ছে। ফলে, বেড পাওয়া মুশকিল। মেঝেতে কিংবা বারান্দায় রাখা হচ্ছে রোগীদের। বেশীর ভাগই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া কিংবা স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত। এই পরিস্থিতিতে আমরা চরম উদ্বেগে রয়েছি।

    হাসপাতালের চিকিৎসকের কী বক্তব্য?

    হাসপাতালের চিকিৎসক বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এসময় জ্বর একটু বেশি হয়। তবে, অন্যান্য জেলার তুলনায় উত্তর দিনাজপুর (North Dinajpur) রোগীর সংখ্যা কম। আপাতত হাসপাতালে ১ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত রয়েছেন।  এছাড়াও ২৬ জন স্ক্রাব টাইফাস পজিটিভ রয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, মূলত, বর্ষাকালে মশার কামড়ে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া এবং পোকার কামড়ে ‘স্ক্রাব টাইফাস’ রোগের প্রকোপ বাড়ে। তাই, দফতরের তরফে প্রশাসনিক সহযোগিতায় জেলার নয়টি ব্লকে মশা ও পোকার বংশবিস্তার রুখতে আবর্জনা সাফাই, জমা জল পরিস্কার-সহ বাসিন্দাদের নানাভাবে সচেতন করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় ডেঙ্গির বলি আরও এক, আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ পার, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    Nadia: নদিয়ায় ডেঙ্গির বলি আরও এক, আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ পার, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়াতে (Nadia) আবারও ডেঙ্গির বলি হলেন একজন। এই নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬। আক্রান্ত প্রায় ১৫০০-র উপরে। আতঙ্কে গোটা জেলাবাসী। গোটা রাজ্যজুড়ে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। নদীয়া জেলাও তার ব্যতিক্রম নয়। গত বছরের তুলনায় এবছর রেকর্ড মাত্রা ছাড়িয়েছে ডেঙ্গি আক্রান্ত। যত দিন যাচ্ছে ততই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গি সংক্রমণের হার। যার কারণে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম রতন কর্মকার। তাঁর বাড়ি নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটের নন্দীঘাট এলাকায়। বয়স আনুমানিক ৭০ বছর। প্রায় ৭-৮ দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। প্রাথমিকভাবে বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। প্লেটলেট অনেকটা কমে যাওয়ায় অবশেষে তাঁকে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গি পজিটিভ-এর কথা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মৃত রতনবাবুর বউমা বিথীকা কর্মকার বলেন, বাড়িতেই চিকিৎসা করা হচ্ছিল। তিন-চার দিন চিকিৎসার পর অনেকটা সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। স্যালাইন চলছিল, কিন্তু, প্লেটলেট কমে যাওয়ার কারণে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে ভর্তি করার পরই তাঁর মৃত্যু হয়।

    কী বললেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক?

    এই প্রথম নয়, এর আগেও ডেঙ্গির বলি হয়েছেন আরও পাঁচজন। নদিয়া (Nadia) জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। বিভিন্ন হাসপাতালে আক্রান্তের সংখ্যা অনুযায়ী বেডের পরিমাণ অনেকটা কম থাকায় মেঝেতে শুয়েই চলছে চিকিৎসা। ‌যদিও জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলেন, স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মাইক প্রচার করে চালানো হচ্ছে সচেতনতা বার্তা। পঞ্চায়েত এবং স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ দমনে চলছে কীটনাশক স্প্রে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    Purba Bardhaman: কাটোয়া হাসপাতালের ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে! অভিযোগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল এখন (Purba Bardhaman) মশার আঁতুর ঘর। যত্রতত্র পড়ে রয়েছে আবর্জনা। অসুস্থ রোগীকে ভর্তি করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগীর আত্মীয়রা, এমনটাই অভিযোগ রোগীর আত্মীয়-পরিজনদের। দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। ভারপ্রাপ্ত সুপার দায় ঠেলেছেন পুরসভার উপর।

    মূল সমস্যা কী (Purba Bardhaman)?

    কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে (Purba Bardhaman) রোগীর বেড সংখ্যা ২৫০। শুধু কাটোয়া মহকুমায় পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও আরও তিনটি জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও রোগীরা এসে ভর্তি হন। এই জন্যই সব সময় চাপ থাকে কাটোয়া মহাকুমা হাসপাতালে, বর্তমানে রোগীর সংখ্যা ৩০০ রও বেশি। রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রচণ্ড দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতাল জুড়ে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে নোংরা, আবর্জনা এবং প্যাকেট। পাশাপাশি হাসপাতালের প্রত্যেকটি ড্রেনে মশার লার্ভা গিজগিজ করছে। এই মুহূর্তে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে দুজন ভর্তি এবং ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আরও দুজন। এছাড়াও অজানা জ্বর নিয়ে বেশ কিছু রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।।

    রোগীর পরিবারের অভিযোগ

    রোগীর পরিবারের আত্মীয়দের অভিযোগ, যে হাসপাতালের (Purba Bardhaman) বিশ্রাম ঘরে মানুষ বসে থাকবে, সেই বিশ্রাম ঘর এখন দখল করেছে কুকুরেরা। বসার জায়গাগুলি হয়েছে একেবারেই আবর্জনার স্তূপ। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, রোগীর সঙ্গে হাসপাতালে এসে আমরাও রোগী হয়ে যাচ্ছি! তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষকে বলবো হাসপাতালের পরিধিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Purba Bardhaman) সুপারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রত্যেক বছর এই সময়ে জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে নিয়মিত হাসপাতাল পরিষ্কার করা হচ্ছে। দিনে তিনবার করে সাফাই অভিযান চলছে। পুরসভার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে এই কাজকে আরও নজরে রেখেছি। তবে পুরসভাকে আরও সক্রিয় হতে হবে বলে জানানো হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুব্রতর জেলায় উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায়! জলে ভরা গর্তে ধান গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    BJP: অনুব্রতর জেলায় উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায়! জলে ভরা গর্তে ধান গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কেষ্ট মণ্ডল এখন জেলে। ভোটের আগে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বারবারই বলেছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন। কিন্তু বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়ন যে কতটা হয়েছে, তা বিভিন্ন এলাকা ঘুরলে সহজেই বোঝা যায়। বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বেশ কিছু ওয়ার্ড অল্প বৃষ্টিতেই থানা-খন্দে ভরে ওঠে। যেমন বড়বাগান প্রান্তিক সংঘের সামনের রাস্তা একেবারে ভঙ্গুর। অন্যদিকে সিউড়ির ব্যস্ততম সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের রাস্তা, সেখানেও অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমে যায়। স্থানীয় দোকানদাররা নোংরা ফেলার কারণে হাইড্রেনের মধ্যে জমা থাকে ওই নোংরা। যার ফলে জল বেরিয়ে যেতে পারে না। যত দিন যাচ্ছে, পরিস্থিতি যেন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এরই প্রতিবাদে আন্দোলনে নামল বিজেপি (BJP)। 

    কী বলছেন এলাকার ভুক্তভোগীরা?

    এলাকার মানুষের বক্তব্য, জেলায় জেলায় ডেঙ্গু যেভাবে বাড়ছে, তাতে জমা জল নিয়ে তাঁরা এমনিতেই আতঙ্কিত। অন্যান্য জায়গায় জল বের করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে চুন, মশা মারার তেল প্রভৃতি। কিন্তু সিউড়ি পুরসভা এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি। যে কারণে যে কোনও সময় ডেঙ্গুর  প্রকোপ বাড়তে পারে। পুরসভার বিভিন্ন রাস্তা এখনও পর্যন্ত খারাপ। সেই কারণে অল্প বৃষ্টিতেই সেখানে জল জমে যাচ্ছে। এখানেও পুরসভার কোনও হেলদোল নেই।

    ধান গাছ লাগিয়ে আন্দোলনে বিজেপির (BJP) যুব মোর্চা

    প্রান্তিক সংঘের সামনের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ। ইতিমধ্যেই সেখানে যে গর্ত রয়েছে, সেখানে জমতে শুরু করেছে জল। এই নিয়ে সিউড়ি নগর যুব মোর্চার (BJP) তরফ থেকে পথ অবরোধ করা হয়। শুধু এখানেই নয়, যেখানে জল জমে আছে, সেখানে তারা ধান গাছ লাগিয়ে এবং মাছ ছেড়ে পুরসভার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন। সংগঠনের সদস্যরা জানিয়ে দিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে যদি রাস্তা ঠিক না হয়, তাহলে যে আন্দোলনে তাঁরা নেমেছেন, তার থেকেও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    Dengue: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। কলকাতার পাশপাশি নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি চিন্তা বাড়াচ্ছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার গতানুগতিক ধারায় ফিভার ক্লিনিক খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সরকারি হাসপাতালের ভিড় প্রশ্ন তুলছে, ফিভার ক্লিনিক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে তো?

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, জুলাই মাসে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। গত কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৮ জন। তার মধ্যে দশ বছরের পড়ুয়াও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে। বেলেঘাটা আইডি-তে ইতিমধ্যেই রোগী ভর্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আরজিকর, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতালে জেলা থেকে আসা মানুষের ভিড় বাড়ছে। অধিকাংশ জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। রোগীরা জেলা হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে আসছেন। ফলে, কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে বেড দেওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গির জন্য যে বাড়তি শয্যার পরিকল্পনা সরকার করেছিল, তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। ফলে, ভোগান্তি বাড়ছে।

    রোগী ও পরিজনদের সমস্যা কোথায়? 

    অধিকাংশ রোগী ও পরিজনরা জানাচ্ছেন, রোগী ভর্তি নিয়ে হয়রানি শুরু হয়েছে। বিশেষত, আরজি কর এবং বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। তাই ভোগান্তি বাড়ছে। উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া থেকে বহু রোগী রেফার হয়ে আসছেন। রোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, জ্বরের উপসর্গের সঙ্গে মাথা ব্যথা বা অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা তৈরি হলেই রেফার করা হচ্ছে। জেলা হাসপাতাল জানিয়ে দিচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। আবার কলকাতার সরকারি হাসপাতালগুলোতে বেডের আকাল। অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ডেঙ্গি (Dengue) রোগীকে রেফার করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবের অভিজ্ঞতা অনেকটাই অন্যরকম, এমনই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। ডেঙ্গি আক্রান্ত হাসপাতাল চত্বরেই বসে থাকছেন। তাই শুধু আক্রান্ত নন, ঝুঁকি বাড়ছে অন্যদের।

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? 

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলায় ফিভার ক্লিনিক যে যথেষ্ট নয়, তা গত কয়েক বছরে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই ফিভার ক্লিনিক খোলা হয়, কিন্তু তারপরেও রোগী ভোগান্তি থাকে। জেলা থেকে রেফার কমানোর দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। জেলার ডেঙ্গি রোগী কলকাতার হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হওয়া ও তারপরে তার চিকিৎসা শুরু করা, একদিকে যেমন সময় বহুল, তেমনি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই জেলা হাসপাতাল ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। পাশপাশি, ডেঙ্গি সংক্রমণ রুখতে না পারলে ডেঙ্গি মোকাবিলা কঠিন হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। স্বাস্থ্য দফতরের পাশপাশি পুর ও পঞ্চায়েত দফতর এক যোগে ডেঙ্গি মোকাবিলায় সক্রিয় না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ। তবে স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী বলেন, “পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এখনই চিন্তার কিছু নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
LinkedIn
Share