Tag: Dengue

Dengue

  • Dengue Treatment at Home: বাড়িতেই করা যাবে ডেঙ্গির চিকিৎসা? ট্রিটমেন্ট সম্ভব কীভাবে?

    Dengue Treatment at Home: বাড়িতেই করা যাবে ডেঙ্গির চিকিৎসা? ট্রিটমেন্ট সম্ভব কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ মারাত্মক বাড়ছে। জ্বর হলেই এখন রক্ত পরীক্ষা আবশ্যক। ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ হলেই যে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে, এমন কিন্তু মানে নেই! বাড়িতেই করা যেতে পারে ডেঙ্গির চিকিৎসা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্লেটলেট না কমলে বাড়িতে থেকেই ডেঙ্গি চিকিৎসা সম্ভব। তবে, কয়েক দিকে নজর দিতে হবে। ডেঙ্গির চিকিৎসার কয়েক বিষয়ে বাড়ির লোক সতর্ক থাকলেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে (Dengue Treatment at Home)। 

    ডেঙ্গি চিকিৎসায় কী কী নজরে থাকবে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্তকে সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে। কারণ, তার থেকে অন্যদের রোগ ছড়াতে পারে। মশাবাহিত এই রোগ থেকে পরিজনদের বাঁচাতে ও রোগীকেও দ্রুত সুস্থ করতে মশারি টাঙানো জরুরি।  ডেঙ্গি রোগী বাড়িতে থাকলে, ডেঙ্গি চিকিৎসায় আরেকটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি (Dengue Treatment at Home)। দেখতে হবে, রোগীর দেহ থেকে কোনও ভাবে রক্তপাত হচ্ছে কিনা! যদি কোনও ক্ষত না থাকা সত্ত্বেও ডেঙ্গি রোগীর রক্তপাত হয়, তাহলে কিন্তু রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তখন ডেঙ্গি ট্রিটমেন্টের জন্য দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

    বাড়িতে রেখে ডেঙ্গি চিকিৎসা করলে রোগীর খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Dengue Treatment at Home)। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি চিকিৎসায় বিশেষ কোনও ওষুধ নেই। মূলত নজরদারি করা হয়। তাই বাড়িতেও সেই একরকম নজরদারি করলে ডেঙ্গি চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া পাওয়া যাবে। ডেঙ্গি রোগী শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ডেঙ্গি চিকিৎসায় রোগী কী খাচ্ছে, সেটা দেখা দরকার। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গিতে ভুগছেন? রক্তে প্লেটলেটের পরিমাণ বাড়াতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রোগীর দেহে জলের পরিমাণ কমে গেলে প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারে (Dengue Treatment at Home)। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডেঙ্গি চিকিৎসায় জল অত্যন্ত জরুরি। রোগীর দেহে যাতে কোনও ভাবেই জলের পরিমাণ না কমে, তা দেখতে হবে। তাই বারবার জল খাওয়ানো দরকার। তাছাড়া ফলের রস, দুধ এই রকম তরল জাতীয় খাবার বারবার খেতে হবে। কারণ, এগুলো যেমন দেহে তরলের পরিমাণ ঠিক রাখবে, তেমনি প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলবে। বিশেষত লেবুর রস ডেঙ্গি রোগীকে নিয়মিত খাওয়ানো জরুরি। কারণ, লেবুতে ভিটামিন সি থাকে। 

    ডেঙ্গি রোগীর মেনুতে নিয়মিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার রাখতেই হবে। অর্থাৎ, ভাত কিংবা রুটি খেতে হবে। কারণ, কার্বোহাইড্রেট দেহে এনার্জি জোগায়। ডেঙ্গি আক্রান্তেরা খুব তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই আক্রান্তের দ্রুত সুস্থ হতে স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য এনার্জি জরুরি (Dengue Treatment at Home)। 

    ডেঙ্গি চিকিৎসায় পেঁপে আর আমলকি বিশেষ সাহায্য করে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ডেঙ্গি আক্রান্ত পেঁপে পাতার রস খেলে প্লেটলেট কমে না। তবে, অনেকের আবার পেঁপে পাতার রস খেয়ে কলেরার উপসর্গ দেখা দেয়। তাই যদি সেই রকম কিছু উপসর্গ হয়, তাহলে পেঁপে পাতার রস না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে, খাবারের তালিকায় পেঁপে রাখা ভালো বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। কারণ, ডেঙ্গি রোগীর এমন সবজি খাওয়া দরকার, যা সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিগুণ অনেক। তাতে একদিকে যেমন শরীরে অন্য কোনও রোগ বাসা বাঁধবে না। আরেক দিকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। তাই পেঁপে, পটল, কাঁচকলার মতো সবজি ডেঙ্গি চিকিৎসায় বিশেষ উপকারী (Dengue Treatment at Home)। 

    ডেঙ্গি রোগী খাওয়ার পরে নিয়ম করে আমলকি খেলে বিশেষ উপকার পাবে। আমলকি হজম করাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই ডেঙ্গি চিকিৎসায় আমলকিকেও খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 
    তবে, দুধ, ফল, সবজির সঙ্গে প্রত্যেক দিন প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ডিম, মাছ মাংস নিয়ম করে খেলে রোগী দ্রুত সুস্থ হবে। ডেঙ্গি চিকিৎসায় বিশেষ ফল পাওয়া যাবে (Dengue Treatment at Home)।

  • East Bengal: ডেঙ্গি এবার ময়দানেও! আক্রান্ত ইস্টবেঙ্গল এফসির অধিনায়ক, হাসপাতালে ভর্তি সৌভিক চক্রবর্তী

    East Bengal: ডেঙ্গি এবার ময়দানেও! আক্রান্ত ইস্টবেঙ্গল এফসির অধিনায়ক, হাসপাতালে ভর্তি সৌভিক চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, খাস কলকাতাতেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি মানুষ। গোটা রাজ্যে সংখ্যাটা ৫০ হাজার  ছুঁইছুঁই! রাজ্যের তুলনায় কলকাতায় পজিটিভি রেট দ্বিগুণ। ডেঙ্গি এবার হানা দিল ময়দানেও। ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হলেন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) অধিনায়ক,দলের নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী।  চলতি মরসুমে টানা সাতটি ডার্বি হেরেছে লাল হলুদ শিবির। গত পাঁচ ম্যাচে চারটি ম্যাচ হারতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। এর মধ্যে অধিনায়কের অসুস্থতা চিন্তায় ফেলেছে দলকে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের

    দলীয় সূত্রে খবর, ২ দিন আগে জ্বরের উপসর্গ নিয়ে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে। এর আগে, গত বছর গোড়ালিতে চোটের জন্য় ইস্টবেঙ্গল দলে ছিলেন না সৌভিক। এবার কি খেলতে পারবেন? আপাতত বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল অধিনায়কের খেলা অনিশ্চিত। পুজোর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌভিক। 

    আরও পড়ুন: ফের করোনার দাপট ভারতে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

    শীত পড়তে এখনও বেশ দেরি। তার আগে শহরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে কলকাতা ও সল্টলেকের তিনজনের মৃত্য়ু হয়েছে। এদিকে জেলাগুলিতেও ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। হাওড়ায় ডেঙ্গি বাড়ছে, হুগলির কিছু এলাকা ক্রমেই ডেঙ্গির হটস্পট হয়ে উঠছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে নবান্নে। তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জানা গেছে, কলকাতা পুরসভা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করছে। এবার থেকে শহরের আনাচ কানাচে কোন বাড়ির চারপাশে আবর্জনা, জল জমছে তা চিহ্নিত করা হবে। ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালানো হবে। আক্রান্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে মানুষজনকে সচেতন করার কাজ শুরু হবে। কিন্তু কবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue and Covid: কোভিড না ডেঙ্গি, বুঝবেন কী করে?

    Dengue and Covid: কোভিড না ডেঙ্গি, বুঝবেন কী করে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় জ্বর হওয়া খুব স্বাভাবিক বিষয়। জ্বর মানেই ডেঙ্গি বা কোভিডই (Dengue or Covid) হবে এমনটা নাও হতে পারে। তবে এই ভয় একেবারেই নেই এটা ভাবারও কোনও কারণ নেই। কী করে বুঝবেন ডেঙ্গি না কোভিড হয়েছে? তাই জ্বর হলে ডেঙ্গি বা কোভিড বুঝতে হলে, সব উপস্বর্গগুলিই (Symptoms) জানতে হবে। তবে এই মুহূর্তে কোভিড সংক্রমণের প্রবণতা কমলেও, ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। তাই থাকতে হবে সতর্ক। কোনও উপসর্গ দেখলেই অবহেলা করা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গেই করিয়ে নিন পরীক্ষা।

    ডেঙ্গি এবং কোভিডের উপসর্গ 

    ডেঙ্গি হলে, জ্বরের সঙ্গে চোখের পিছনে ব্যথা হবে। জ্বরের সঙ্গে পেশিতে ব্যাথা হবে। বমিবমি ভাবে, মাথা যন্ত্রনা, হাড়ে ব্যাথাও হতে পারে। কোভিডের ক্ষেত্রেও শরীরে ব্যাথা হব এবং মাথা ভার হয়ে থাকবে। গলা খুসখুস, সর্দি জমা, এমনকি শ্বাসকষ্ট অবধি হতে পারে। এরকম অবস্থা হলে বাড়ি বসে না থেকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দরকারে কোভিড হয়েছে কিনা বুঝতে আরটি-পিসিআর কিংবা ডেঙ্গি হয়েছে কিনা বুঝতে এনএস ১ পরীক্ষা করালেই ধরা পড়বে ঠিক কোন রোগ হয়েছে। তবে সবসময় জ্বর মানেই কোভিড না ডেঙ্গি হয়েছে এরকম ভাবারও কোনও কারণ নেই? সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জাও হতে পারে। তাই জ্বর হলে সবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সরকারি গাইড লাইন মেনে চলুন।

    আরও পড়ুন: ইসলাম, খ্রিস্টানে ধর্মান্তরিত দলিতদের তফসিলি আওতাভুক্ত করা যাবে না, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি 

    রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হচ্ছে। মৃত্যুর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক। রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মুখ্যসচিব। বৈঠকে থাকবেন অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। ডেঙ্গি সংক্রমণ সামাল দিতে মুখ্য সচিব নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব-সহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের জরুরি তলব করা হয় নবান্নে। জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক হয় নবান্নের। ডেঙ্গি সংক্রমণের পিছনের এই বাড়বাড়ন্তর কারণ কী? সেই উত্তর খুঁজতেই আলোচনায় বসেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যের ডেঙ্গি-পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ট্যুইট করে জানিয়েওছেন সে কথা। ট্যুইটে তিনি লেখেন, “রাজ্যের ডেঙ্গি-পরিস্থিতি অযোগ্য সরকারের হাতের বাইরে। আর্থিক সঙ্কটের কারণেই পরিস্থিতি এত ভয়াবহ। দেউলিয়ার পথে রাজ্য সরকার। এর ফল ভুগছে জনস্বাস্থ্য। প্রাণ হারাচ্ছেঞ মানুষ, পরিস্থিতি ভয়াবহ।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue Symptoms: ডেঙ্গি জ্বরের উপসর্গ কী কী? এর থেকে সতর্ক থাকার উপায়ই বা কী?

    Dengue Symptoms: ডেঙ্গি জ্বরের উপসর্গ কী কী? এর থেকে সতর্ক থাকার উপায়ই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর বর্ষাকালে ভারতের বিপুল সংখ্যক মানুষ ডেঙ্গি রোগে আক্রান্ত হন। শহর বা গ্রামীণ এলাকায় জমা জলে, যেখানে মূলত গৃহস্থালির আবর্জনা স্তূপ জমা করা হয় সেই সকল স্থানে এই মশা জন্মায়।

    এডিস ইজিপ্টাই মশাবাহিত রোগ হল ডেঙ্গি

    মূলত এডিস ইজিপ্টাই মশাই হল ডেঙ্গিরোগের বাহক। আবর্জনা স্তূপের জমে থাকা নোংরা জলে এই মশা তাদের বংশবৃদ্ধি করে থাকে। এই এডিস মশা বেশিরভাগ দিনের বেলায় কামড়ায়। অপরদিকে ম্যালেরিয়ার বাহক অ্যানোফেলেস মশা রাতের বেলায় কামড়ায়। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত রোগীর পেশি ও গাঁটে ব্যথা হওয়ায় ডেঙ্গিকে  ‘Break Bone Fever’-ও বলা হয়ে থাকে।

    ডেঙ্গি জ্বরের প্রাদুর্ভাব

    ডেঙ্গি জ্বর সাধারণত ক্রান্তীয় এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বেশি লক্ষ্য করা যায়। তাই প্রায় প্রতিবছর ভারত সহ দক্ষিণ চিন, মেক্সিকো, তাইওয়ান, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো দেশগুলোতে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে প্রতি বছরই প্রায় ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন এবং ডেঙ্গি জ্বরে মৃত্যুর হার ২.৫ শতাংশ। 

    ডেঙ্গি জ্বরের উপসর্গ

    এডিস মশা কামড়ালে, রক্তে ডেঙ্গি জীবাণুটি ​​সংক্রমণ হতে ২-৭ দিন সময় লাগে এবং এই সময় শরীরে জ্বর হয়। সাধারণত কামড়ানোর ৪-৫ দিন পর থেকে ডেঙ্গি জ্বরের লক্ষণ দেখা যায়। ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্তকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ভাগগুলি হল যথাক্রমে ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’।

    প্রথম ক্যাটেগরির রোগীদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গির লক্ষণ খুব একটি প্রকট হয় না। ‘এ’ ক্যাটেগরি রোগীদের শরীরে শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গি রোগী ‘এ’ ক্যাটেগরির। সাধারণত এই রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই।

    ‘বি’ ক্যাটেগরির রোগীদের শরীরে কিছু ডেঙ্গি উপসর্গ দেখা যায়। এই রোগীদের জ্বরের সঙ্গে চোখে ব্যথা (সাধারণত চোখের পিছনে হয়) থাকে। রোগীর পেশিতে ও হাড়ে ব্যথা থাকার পাশাপাশি বমি বমি ভাব, মাথা যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা যায়।

    ‘বি’ ক্যাটেগরির রোগীদের ডেঙ্গি উপসর্গ সাধারণত দুই থেকে সাতদিন থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেরে ওঠেন। তবে কারও যদি গুরুতর ডেঙ্গি হয়, তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উপসর্গ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

    ‘সি’ ক্যাটেগরির ডেঙ্গি সবচেয়ে বিপজ্জনক। এই রোগীদের অবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন। ‘সি’ ক্যাটেগরির ডেঙ্গি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। প্রতি ২০ জন ব্যক্তির মধ্যে একজন ব্যক্তি ‘সি’ ক্যাটেগরিতে পড়তে পারেন। এই রোগীদের শরীর থেকে রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা থাকে। এমনকি প্রানহানির ঘটনাও ঘটতে পারে এই রোগীর।

    এই রোগীদের সাধারণত নিম্নোক্ত উপসর্গগুলি দেখা যায়

    1. পেটে ব্যথা এবং অস্বস্তি।
    2. বমি (২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে তিনবার)।
    3. নাক বা মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ।
    4. বমির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া বা মলের সঙ্গে রক্ত।
    5. দুর্বলভাব, ক্লান্তিবোধ, অস্বস্তি।

    কোনও  ব্যক্তি  ডেঙ্গি  জ্বর  থেকে  সুস্থ  হয়ে উঠলে তাঁর পুনরায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

    ডেঙ্গির লক্ষণ দেখা দিলে কী কী করনীয়

    ডেঙ্গি জ্বরের এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। ডেঙ্গি হলে শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গিতে রক্তের প্লেটলেট বা অণুচক্রিকা কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। এই ধরনের জটিলতা এড়াতে সঠিক সময়ে ডেঙ্গির চিকিৎসা ও রোগীর সঠিক পরিচর্যা করা দরকার, নতুবা রোগীর হেমোরেজিক শকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    সেক্ষেত্রে ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে কী করা উচিত তা নীচে দেওয়া হল:

    ১. যদি আপনার শরীরে ডেঙ্গির উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযাগ করুন। আপনি কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, তা জানান।

    ২. যতটা সম্ভব, বিশ্রাম নিন।

    ৩. জ্বর এবং ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামোল খেতে পারেন। তবে অ্যাসিপিরিন এবং ইবুপ্রফেন খাবেন না।

    ৪. ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হয়। তাই শরীরে প্রচুর পরিমাণে তরল দরকার। জল পান করুন বা জলে ইলেকট্রোলাইট বা ওআরএস মিশিয়ে জল পান করতে হবে।

    ৫. যদি খুব জ্বর থাকে, তাহলে ঠান্ডা জল দিয়ে রোগীর গা মুছিয়ে দিন।

    ঘরোয়া পদ্ধতিতে ডেঙ্গির চিকিৎসা

    ঘরোয়া কিছু উপায়ে ডেঙ্গির উপসর্গ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সঠিকভাবে চিকিৎসা করলে রোগী অনেকাংশেই আরাম বোধ করেন।

    • গুলঞ্চের রস – ডেঙ্গি জ্বর কমাতে গুলঞ্চের বিশেষ ভূমিকা আছে। বিপাকক্রিয়ার হার বাড়াতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুলঞ্চ অত্যন্ত কার্যকরী। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা ডেঙ্গির জ্বরের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। রক্তের প্লেটলেট কাউন্ট বাড়িয়ে রোগীকে শারীরিক আরাম প্রদান করে গুলঞ্চ। দু’টি ছোট গুলঞ্চের ডাল ভেঙে একগ্লাস জলে ফুটিয়ে নিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় পান করুন। এছাড়া এক কাপ ঈষদুষ্ণ জলে দুই ফোঁটা গুলঞ্চের রস ফেলেও পান করতে পারেন। তবে বেশিমাত্রায় গুলঞ্চের রস পান করবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হবে।
    • পেঁপে পাতার রস – ডেঙ্গি রোগীর রক্তে প্লেটলেটের মাত্রা কমার লক্ষণ দেখা যায়। পেঁপে পাতা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ডেঙ্গির সময়ে যাতে প্লেটলেট হ্রাস না পায়, তার জন্য কয়েকটি পেঁপে পাতা নিয়ে পেষণ করে তার রস বের করুন। দিনে দু’বার পান করুন পেঁপে পাতার রস।
    • তাজা পেয়ারার রস – প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে পেয়ারার রসে। এতে বিশেষ করে ভিটামিন সি থাকে প্রচুর পরিমাণে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়েটে পেয়ারার রস যোগ করলে তা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এক কাপ পরিমাণে পেয়ারার রস নিয়ে দিনে দু’বার পান করুন। এছাড়া গোটা পেয়ারাও খাওয়া যায়।
    • মেথি বীজ- ডেঙ্গির জ্বরের প্রকোপ কমাতে জুড়ি নেই মেথি বীজের। এককাপ পরিমাণ গরম জলে কিছুটা মেথি বীজ ভিজতে দিন। জল ঠান্ডা হলে দিনে দু’বার করে পান করুন। মেথি বীজের জল স্বাস্থ্যের পক্ষেও অত্যন্ত উপযোগী, কারণ মেথি বীজে থাকে ভিটামিন সি, কে। মেথি বীজ জ্বর কমানোর সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে।

    এছাড়াও রোগীর পথ্যের দিকেও বিশেষ জোর দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত যে ধরনের খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় সেই ধরনের খাদ্য গ্রহণের দিকে বিশেষ জোর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রোগীর সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন লেবু ও লেবুর রস খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়াও রোগীকে প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ানো যেতে পারে। রোগীর রান্নায় রসুন, হলুদ সহ আরও কিছু মশলার ব্যবহারও করা উচিত।

    ডেঙ্গিকে প্রতিরোধ করতে কী কী ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিত

    • মশা তাড়ানোর ক্রিম ব্যবহার করা – ডেঙ্গির মশা তাড়ানোর জন্য ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে, যাতে শরীরে কোনও মশা কামড়াতে না পারে। যদিও অনেকের স্কিন এলার্জি থাকায় এই ক্রিম ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    • পোশাক নির্বাচনের দিকটি মাথায় রাখা – মশার হাত থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব গা ঢাকা লম্বা হাতা জামা পড়তে হবে, কারণ মশা শরীরের উন্মুক্ত অংশ বা ত্বকের সন্ধান করে। এছাড়াও, হালকা রঙের পোশাক মশার হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করে ।
    • মশা প্রতিরোধক – বাজারে মশা মারার ইলেকট্রিক ব্যাট ও নানা কোম্পানির ইলেকট্রিক প্রতিরোধক ওষুধ পাওয়া যায়। ইলেকট্রিক এই প্রতিরোধকগুলি মশা তাড়ানোর জন্য বাড়িতে সারা দিন চালু রাখা যেতে পারে। এছাড়াও বাড়ির মেঝে পরিষ্কার রাখতে জলে সিট্রোনেলা এবং লেবুর রস যোগ করেও মশাকে তাড়ানো যায়।
    • মশার প্রজনন স্থলকে চিহ্নিত করা – আপনার বাড়ির ভিতরে এবং আশেপাশের স্থানগুলি পরীক্ষা করুন। সাধারণত গৃহস্থালির জমা নোংরা জলে মশা বংশবৃদ্ধি করে থাকে। এই  সমস্ত স্থানগুলি পরিষ্কার করুন। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ মশাকে আকর্ষণ করে না। এছাড়াও বাড়িতে মশারির ব্যবহার করলেও মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

    উপরের নির্দেশগুলি ছাড়াও, একটি ঘর আলোকিত রাখুন। আলো মশাকে আকর্ষণ করে না, তাই নিশ্চিত করুন যে আপনার ঘরে সর্বোত্তম আলো রয়েছে। আরেকটি খুব দরকারী পরামর্শ হলো, আপনার বাড়ির ভিতরে বা বাইরে একটি নিম গাছ লাগান, যদি জায়গা থাকে। নিম গাছকে মশা নিরোধক বলে দাবি করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Papaya Leaf For Dengue: ডেঙ্গি থেকে ম্যালেরিয়া, সারাতে পারে পেঁপে পাতার রস!

    Papaya Leaf For Dengue: ডেঙ্গি থেকে ম্যালেরিয়া, সারাতে পারে পেঁপে পাতার রস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ। এবছরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা গত কয়েক বছরের ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। আক্রান্তের পাশাপাশি ডেঙ্গিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। ফলে এই পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগজনক। এমন পরিস্থিতিতে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং খাবার ও পানীয়ের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।

    জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় জ্বর হলে মানুষ তা সাধারণ জ্বর ভেবেই ওষুধ খেয়ে নেয়। তবে আপনি যদি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হন তবে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিও বেছে নিতে পারেন। গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় পেঁপে পাতার রস বেশ কার্যকরী। পেঁপে পাতায় এমন কিছু উপাদান আছে, যা রক্তের প্লেটলেট দ্রুত বাড়াতে পারে। এছাড়াও ম্যালেরিয়া বিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে এ পাতায়। সেইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে এই পাতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডেঙ্গি নিরাময়ে পেঁপের পাতার রস কীভাবে তৈরি করবেন।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের

    পেঁপে পাতার রস তৈরি করতে বিভিন্ন উপকরণ

    ৪-৫ টি পেঁপে পাতা, ৬-৭ গোলমরিচ, ৬-৭ তুলসী পাতা, ১/৪ গ্লাস জল, এক টুকরো সুতির কাপড় বা একটি রুমালও নিতে পারেন। 

    কীভাবে তৈরি করবেন?

    প্রথমে পেঁপে পাতা ভালো করে ধুয়ে কাপড় দিয়ে মুছে প্লেটে রেখে সব পাতার পেছন থেকে ডাঁটা কেটে নিন। এরপর পাতাগুলোর ছোট ছোট টুকরো কেটে প্লেটে রাখুন। এরপর রস তৈরি করতে, একটি মিক্সার জারে সমস্ত পাতা রেখে এর সঙ্গে কিছু জল, গোলমরিচ এবং তুলসী পাতা যোগ করুন। এবার মিক্সার জারটি ভালোভাবে বন্ধ করে পেঁপে পাতাগুলোকে ভালোভাবে পিষে নিন। এবার একটি গ্লাসে মিশ্রণটি বের করে নিন। এরপরে একটি বাটিতে পরিষ্কার সুতির কাপড়ের সাহায্যে, পিষে রাখা পাতাগুলিকে ছেঁকে নিন। এতে পাতার সব রস বাটিতে চলে আসবে। আর এভাবেই প্রস্তুত পেঁপে পাতার রস।

    তবে এতে কোনও চিনি বা লবণ দেওয়া যাবেনা। প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে দুবার ১০ মিলিলিটার পরিমাণ মত পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত। পাঁচ থেকে বারো বছর বয়সের শিশুদের ৫ মিলিলিটার ও ৫ বছরের ছোটদের ২.৫ মিলিমিটার পেঁপে পাতার রস খাওয়া উচিত।

  • Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির দাপট কিছুতেই কমছে না। দিনের পর দিন বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এর পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ফলে এই সময় চিকিৎসকেরাও পরামর্শ দেন খাবার ও পানীয়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য। তবে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে কিছু করণীয় রয়েছে। আবার কোনও কোনও কাজ রয়েছে যেগুলো ডেঙ্গি রোগীদের ভুলেও করা উচিত না। তাই এই সময়ে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে কী করবেন আর কী করবেন না, তা একনজরে দেখে নিন।

    ডেঙ্গি হলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বরের ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বারে বারে জল ও জলীয় খাবার খেতে হবে। শরবত, ফলের রস, পাতলা ঝোল, ডাল, স্যুপ, লিকার চা ইত্যাদি খাবার বারে বারে খেতে হবে।

    প্রতি ৩ ঘণ্টা অন্তর জ্বর মাপতে হবে। এই সময় রক্তচাপ কমে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই নিয়মিত সেটাও মাপতে হবে। জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ওষুধ খাবেন না।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের

    এই সময় রক্তে প্লাজমা ও অণুচক্রিকার মাত্রা কমে যায়। তাই ডায়েটে বেশি করে মরসুমি ফল, ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল ও শাক-সব্জি রাখতে হবে।

    কোভিডের মতো ডেঙ্গি রোগীকেও আইসোলেশনে থাকতে হবে। এই সময় মশারি অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। আর রোগীর উপসর্গগুলি খুব ভাল করে লক্ষ রাখতে হবে।

    ডেঙ্গি শক সিনড্রোম থেকে মানবদেহে জলশূন্যতা তৈরি হয়। সঙ্গে সঙ্গে পালস রেট অনেকটা বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ খুব কমে যায়। শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাস খুব দ্রুত চলে। রোগী অস্থির হয়ে ওঠেন। তখন সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।

    জ্বর, সর্দি-কাশি হলে কখনোই রোগীকে সাধারণ জ্বর ভেবে ওষুধ খাওয়াবেন না। কোনও উপসর্গ দেখলেই সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue: ডেঙ্গি থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ টি খাবার

    Dengue: ডেঙ্গি থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ টি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ এখনও কমেনি। ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৯-এর রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। দৈনিক ডেঙ্গি আক্রান্তের পাশাপাশি বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। ফলে ডেঙ্গি থেকে দ্রুত সুস্থ হতে প্রথমে ডায়েটে কিছু পরিবর্তন আনা উচিত। এই পরিস্থিতিতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেশি করে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ ক্ষেত্রে ডায়েটের উপর দিতে হবে বাড়তি নজর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই সময়ে ডায়েটে কী কী খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, জেনে নিন।

    মেথি

    খাবারে প্রায়ই মেথির ব্যবহার করে থাকেন আপনারা। কিন্তু জানেন কি এই উপাদান শরীরের জন্য কতটা উপকারী? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ডেঙ্গিতে যখন মারাত্মক জোরে ভুগছেন কোনও ব্যক্তি তখন তাকে আরাম দিতে সাহায্য করে মেথি।

    বেদানা

    ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের শরীরে নানা ব্যথা যন্ত্রণা হয়, সেই ব্যথা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয় এই বেদানা। এই ফল নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    ডাবের জল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে নারকেল অথবা ডাবের জল। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উপকারী উপাদান। শরীরে জলের মাত্রা বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি থেকে ম্যালেরিয়া, সারাতে পারে পেঁপে পাতার রস!

    ব্রকলি

    এতে প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন কে যা অনুচক্রিকা পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে। অন্যান্য পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ব্রকলি প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা উচিত।

    দই

    এই সময়ে দৈনন্দিন খাবারে দইয়ের মত প্রোবায়োটিক রাখা জরুরী। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে ও শরীর দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করবে।

    কিউই

    এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা শর্ট টার্ম এবং লং টার্ম রিকভারির ক্ষেত্রে উপকারী।

    রসুন

    শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে ও সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে ডায়েটে বেশি করে রাখা উচিত রসুন। 

  • BJP:  ডেঙ্গি ইস্যুতে বিজেপির পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার,  আটক অগ্নিমিত্রা, সজল সহ একাধিক নেতা

    BJP: ডেঙ্গি ইস্যুতে বিজেপির পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার, আটক অগ্নিমিত্রা, সজল সহ একাধিক নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি (Dengue) ইস্যুতে বিজেপির (BJP) যুব মোর্চার পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার। ডেঙ্গি-তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে পুরসভার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ওই অভিযানে শামিল হন প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক। ব্যারিকেড ভেঙে পুরসভায় যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। বাধা দেয় পুলিশ। এর পরেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিজেপি কর্মীদের। এদিন সকালে দলীয় সদর দফতর মুরলিধর সেন লেনের কার্যালয় থেকে কলকাতা পুরসভা অভিমুখে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা। মাঝপথেই পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এদিন অভিযানে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, সজল ঘোষ সহ বেশ কয়েকজন।  

    ডেঙ্গি নির্মূল করতে যথাযথ কাজ করছে না কলকাতা পুরসভা। এই অভিযোগ তুলে এদিন বিক্ষোভ মিছিলে শামিল হন বিজেপি যুব মোর্চার কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু মিছিল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে পুরসভার দিকে এগোতেই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। সেখানেই প্রথমে বচসা ও পরে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী ও পুলিশের আধিকারিকরা। এর পরেই রাস্তায় অবস্থানে বসেন অগ্নিমিত্রা পাল, সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিতরা। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। ঘটনার জেরে প্রথমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ের একাংশ। পরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ধর্মতলামুখী রাস্তাও।

    আরও পড়ুন: ভোট লুঠ চলবে না, লাঠির জবাব লাঠিতে দিন! তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে ডেঙ্গি যেভাবে বেড়েছে, তাতে রাজ্য সরকার উদাসীন। বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায়ই মারা গিয়েছেন ৫০ জন। কোভিডের সময় যেভাবে রাজ্য সরকার তথ্য কারচুপি করেছিল, এ বারেও তাই হচ্ছে। কতজন আক্রান্ত হয়েছেন, কতজন মারা গিয়েছেন, কেউ জানে না। তাঁর দাবি, সব তথ্য সরকারের ওয়েবসাইটে জানানো হোক।

    বিজেপির অভিযোগ, যেভাবে রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি ভয়াল রূপ নিয়েছে, তার পরেও নীরব ভূমিকা পালন করছে রাজ্য সরকার তথা কলকাতা পুরসভা। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও অন্যান্য বছরের রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তবুও পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে কোনও হেলদোল নেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের। এদিন অগ্নিমিত্রা ছাড়াও বিজেপি নেতা সজল ঘোষ, ইন্দ্রনীল খাঁদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে লালবাজারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Malaria Outbreak: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপও, আক্রান্ত কত জানেন?

    Malaria Outbreak: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপও, আক্রান্ত কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ডেঙ্গিতে রক্ষে নেই, ম্যালেরিয়া দোসর! রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের হার বাড়ছে দিনের পর দিন। এরই মধ্যে আলোড়ন পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পাঠানো একটি রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছর এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ম্যালেরিয়ায় (Malaria Outbreak) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৪৮ জন। মাস দুয়েক আগেও এই সংখ্যাটা ছিল ২ হাজার ৭০০। জানা গিয়েছে, যাঁরা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের সিংহভাগই হচ্ছেন ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়ায়।

    রাজ্যে মশাবাহিত রোগের হাল হকিকৎ কী এবং প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠানো বাধ্যতামূলক। সেই মতো তথ্য পাঠিয়েছে রাজ্য সরকারও। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাঠানো রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ম্যালেরিয়ার (Malaria Outbreak) কথা। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গির বলি হয়েছেন ৬৩ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মুর্শিদাবাদ ও দার্জিলিং এই ছটি জেলা ডেঙ্গিপ্রবণ।

    ডেঙ্গির এই বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই থাবা বসিয়েছে ম্যালেরিয়া (Malaria Outbreak)। রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্ট মাসে রাজ্যে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৪৪ জন। আর কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অগাস্ট মাসের শেষ দিন পর্যন্ত এ রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৮১২। এর মধ্যে ফ্যালসিফেরাম ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯০২। মৃত্যু হয়েছে একজনের। কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ম্যালেরিয়া আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    কেন্দ্রের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, কেন্দ্রের কাছে ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য পাঠাচ্ছে না রাজ্য। শনিবারও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক তরুণী। মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার বছর পঁচিশের ওই বধূর। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, ভয়ঙ্কর অবস্থা। সরকার নেই। সরকার ছুটি কাটাচ্ছে। দুর্গাপুজোয় ১১ দিন, কালীপুজোয় ৮দিন, ছুটি আর ছুটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের বাড়বাড়ন্ত ডেঙ্গির (Dengue)। একদিনে আক্রান্ত হলেন ১০৯৪ জন৷ গত এক সপ্তাহে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬৮০৷ এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ৷ 

    এবছর এই অবধি কত জনের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি৷ যদিও সূত্রমতে, ইতিমধ্যেই এই রোগে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যার মধ্যে শিশুও রয়েছে৷ এবছর এখনও অবধি রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৫৩। গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গির সামগ্রিক রিপোর্ট প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। শুক্রবার সামনে এসেছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। 

    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, আগে প্রতি সপ্তাহে আক্রান্ত হচ্ছিলেন ৩-৪ হাজার জন। এ বার এক সপ্তাহেই আক্রান্তে সংখ্যা এক লাফে সাড়ে ৬ হাজারে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর চব্বিশ পরগণায়৷ এ ছাড়াও উত্তরবঙ্গেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, কালীপুজোতেও বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য!  

    শুধুমাত্র উত্তর চব্বিশ পরগণাতেই গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬২৭ জন৷ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি জেলা৷ যদিও কলকাতার অবস্থা তুলনামূলক ভালো। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। 

    অবহাওয়ার পরিবর্তনও ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ দক্ষিণবঙ্গ থেকে এখনও বর্ষা বিদায় নেয়নি৷ এখনও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে জমে থকছে জল। আর তাতেই বংশবিস্তার করছে ডেঙ্গির মশা।  

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কালীপুজোর আগে বৃষ্টিপাত হতে পারে৷ আর তাতে আরও আশঙ্কিত হচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ জোরে বৃষ্টিতে মশার ডিম বা লার্ভা নষ্ট হলেও হাল্কা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে জল জমে বাড়তে পারে মশা৷ 

    ডেঙ্গি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকতে চাইছে প্রশাসন। ডেঙ্গির জন্যে এমআর বাঙ্গুরে ১১৯টি শয্যা এবং বেলেঘাটা আইডিতে ৮০টি শয্যা রাখা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share