Tag: Depression

Depression

  • Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিচ্ছে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলার সমস্যা। বিশ্ব জুড়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক অ্যালজাইমার্সে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জেরে জীবনযাপনের মান কমছে। স্বাভাবিক জীবন নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, এই রোগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) আক্রান্ত কিনা, তা বুঝতেই অনেক দেরি হয়ে যায়। পাশপাশি এই রোগ নিরাময়ে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই প্রথম পর্যায়েই রোগ নির্ণয় করতে পারলে, নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে নয়া গবেষণা? (Alzheimer’s Disease)

    বিশ্ব জুড়ে অ্যালজাইমার নিয়ে একাধিক গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ান-এর একদল চিকিৎসক-গবেষক জানিয়েছেন, অ্যালজাইমারের মতো রোগের কিছু উপসর্গ চল্লিশ বছরের পরেই স্পষ্ট হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই ধরনের উপসর্গকে অবহেলা করেন। কিন্তু সেই উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে ওই ব্যক্তির অ্যালজাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কতখানি! তাহলে নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করা সহজ হয়। ওই চিকিৎসক-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।

    অ্যালজাইমার্স কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) হল মস্তিষ্কের স্নায়ুঘটিত এক ধরনের সমস্যা। এই রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কের একাধিক স্নায়ু কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে, ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। নিজের পরিচয়, নাম এগুলোও আক্রান্ত ভুলে যান। আস্তে আস্তে শরীরের ক্ষমতাও হারিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ষাট বছরের পরে অধিকাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ওই আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চল্লিশের পরে এই রোগের কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন লক্ষণকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে গবেষণা?

    দিনের সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে তো!

    সাম্প্রতিক ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দিনের খুব সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে কিনা সেদিকে খেয়াল করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, চল্লিশের পরে অনেকেই খুব সাধারণ জিনিস ভুলে যান। অনেক সময়েই কাজের চাপে মনে রাখার ক্ষমতা কমে। কিন্তু অ্যালজাইমারের মতো রোগের অন্যতম উপসর্গ এই ভুলে যাওয়া। তাই খেয়াল রাখা জরুরি চল্লিশোর্ধ ব্যক্তি নিয়মিত সাধারণ জিনিস ভুলে যাচ্ছেন কিনা। ওই গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, দশ মিনিট আগে ঘটনা কোনও ঘটনা, হয়তো কাঁচের গ্লাস ভেঙে যাওয়া কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের বাইরে যাওয়ার মতো কথা একেবারেই মনে করতে না পারলে, নিয়মিত এই ধরনের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়লে সতর্ক হতে হবে। এটা অ্যালজাইমারের লক্ষণ।

    বারবার মেজাজ বদল বিপজ্জনক! (Alzheimer’s Disease)

    পরিবারের চল্লিশোর্ধ্ব সদস্যের বারবার মেজাজ বদল হলে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, হঠাৎ করেই রেগে যাওয়া, অকারণে উত্তেজিত হয়ে থাকা, সামান্য বিষয়েও বিরক্তি বা মারাত্মক উদ্বিগ্ন হয়ে থাকা ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মস্তিষ্ক নানান আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দ্রুত এই মেজাজ বদল ইঙ্গিত দিচ্ছে মস্তিষ্ক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ঘরের জিনিস রাখা মনে থাকছে কি?

    গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘরে কোথায় কোন জিনিস রাখা হয়, সেটা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (Problems in Mid-forties) মনে থাকছে কিনা সেটা খেয়াল করা দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, রান্নাঘরে চা তৈরির সামগ্রী কোথায় থাকে কিংবা ব্যাঙ্কের ডকুমেন্ট আলমারির কোথায় রাখা হয়, সেটা মনে রাখতে পারছেন কিনা সে নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে, বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠে পা দেওয়ার আগেই অনেকে এই সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বেশ কিছু নির্দিষ্ট থেরাপি রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত রোগ (Alzheimer’s Disease) নির্ণয় হলে মোকাবিলা সহজ হবে। দরকার সচেতনতা। তবেই অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট রুখতে পারবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Student Suicides: পড়ুয়াদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান ছাপিয়ে যাচ্ছে সব রেকর্ড! কী বলছে রিপোর্ট?

    Student Suicides: পড়ুয়াদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান ছাপিয়ে যাচ্ছে সব রেকর্ড! কী বলছে রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আত্মহত্যা এক মহামারির মতো প্রভাব বিস্তার করছে। আর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে পড়ুয়াদের ওপর। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা পুরনো সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, এই প্রবণতা রুখতে না পারলে পরবর্তীতে আরও বড় বিপদ তৈরি হতে পারে। ১০ সেপ্টেম্বর ‘সুইসাইড প্রিভেনশন ডে’! বিশ্ব জুড়ে এই নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চলছে। পিছিয়ে নেই ভারত। দেশ জুড়ে স্কুলস্তর থেকেই নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি মহলে চলছে নানা কর্মশালা। আত্মহত্যার প্রবণতা (Student Suicides) রুখতে কথা বলার অভ্যাসকেই হাতিয়ার করতে চাইছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাই স্কুলস্তর থেকেই বোঝানো হচ্ছে, যে কোনও পরিস্থিতিতে পরিবার, শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আলোচনা করতে হবে। তাহলে পাওয়া যাবে সমাধানসূত্র।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর সাহায্যে এক সর্বভারতীয় সংস্থা চলতি বছরের অগাস্ট মাসে একটি রিপোর্ট (Latest Report) প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ২০২৩-র তুলনায় চলতি বছরে ইতিমধ্যেই পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা (Student Suicides) ৪ শতাংশ বেড়েছে। সামগ্রিক ভাবে আত্মহত্যার ঘটনা‌ বেড়েছে ২ শতাংশ। অর্থাৎ, সামগ্রিক আত্মহত্যার ঘটনার তুলনায় পড়ুয়া আত্মহত্যার ঘটনা প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা অনেক সময়েই ‘আন্ডার রিপোর্ট ‘ অর্থাৎ ঠিকমতো‌ পুলিশকে জানানো হয় না। তারপরেও এই দ্বিগুণ বৃদ্ধির পরিসংখ্যান, স্পষ্ট করছে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ২০২২ সালে পড়ুয়া আত্মহত্যার ঘটনায় দেখা গিয়েছে, ৫৯ শতাংশ পড়ুয়া ছাত্র। ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি। তবে, ২০২৩ সালে উদ্বেগজনক ভাবে ছাত্রীদের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কোথায় বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা? (Student Suicides)

    সাম্প্রতিক প্রকাশিত ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির একাধিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। যার জেরে রাজস্থানে ১৮-২৫ বছর বয়সি পড়ুয়ার সংখ্যা বেশি। তাই প্রতি বছর পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনায় রাজস্থান শীর্ষ তালিকায় থাকে। মহারাষ্ট্রেও অসংখ্য প্রফেশনাল কোর্সের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বহু ছেলেমেয়ে সেখানে পড়াশোনা করতে যান। তাই আত্মহত্যার ঘটনা বেশি হয়। তবে তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যও তালিকায় থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে।

    কেন পড়ুয়াদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, কেরিয়ারের সঠিক দিশা না পাওয়া, মারাত্মক প্রত্যাশা এবং একাকিত্বে ভোগার মতো সমস্যা থেকেই অধিকাংশ পড়ুয়ার আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটে। তারা জানাচ্ছে, স্কুলস্তর থেকেই পড়ুয়াদের নানা পেশার হদিশ দেওয়া জরুরি। গতানুগতিক পথ ছাড়াও সাফল্য পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকলে, পড়ুয়ারা দিশাহীন হবেন না। বছরের পর বছর একটি নির্দিষ্ট কোর্সে ভর্তির চেষ্টা, সেটায় অসাফল্য, অনেক সময়েই পড়ুয়ারা অবসাদগ্রস্ত (Student Suicides) হয়ে পড়ছেন। কিন্তু ভারতে এখন একাধিক নতুন পেশার দিশা তৈরি হয়েছে। গতানুগতিক পথের বাইরেও সেই সব পেশায় সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা সেই সব বিষয় জানতে পারছে না। 
    তাছাড়া পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক যেন বজায় থাকে, সে বিষয়ে অভিভাবকদেরও বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের নানা মানসিক জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু পরিবার সেই জটিলতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হলে আরও মানসিক চাপ বাড়তে পারে। একাকিত্ব বাড়তে পারে। আর তার জেরেই আত্মহত্যার মতো ঘটনাও বাড়ছে। তাই নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। তাদের সঙ্গে গল্প করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। যে কোনও সমস্যা, উদ্বেগ তারা সহজেই পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে। তাহলে‌ বড় বিপদের ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loneliness: একাকিত্ব বাড়ছে, তার জেরেই বাড়ছে একাধিক রোগের দাপট! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Loneliness: একাকিত্ব বাড়ছে, তার জেরেই বাড়ছে একাধিক রোগের দাপট! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পঞ্চাশের চৌকাঠে পা রেখেই বাড়ছে নানান রোগ। নানান ওষুধের গুণে দীর্ঘ জীবন পেলেও, সুস্থ জীবনযাপন এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, একাকিত্ব বাড়ছে। আর তার জেরেই বাড়ছে একাধিক রোগের দাপট। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, বন্ধুহীন নিঃসঙ্গ জীবন (Loneliness) কমাচ্ছে জীবন‌ যাপনের মান। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ছে। অন্তত এমনটাই জানাচ্ছে এক সাম্প্রতিক গবেষণার রিপোর্ট।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    আন্তর্জাতিক এক সংস্থার তত্ত্বাবধানে দেশজুড়ে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একাকিত্ব বাড়ছে। পঞ্চাশোর্ধ্বদের মধ্যে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই সহ দেশের একাধিক বড় শহরে অধিকাংশ মানুষ বন্ধুহীন জীবন কাটাচ্ছেন। তাই বাড়ছে একাকিত্ব। যার জেরে নানান রোগের জটিলতাও বাড়ছে‌।

    কী সমস্যা বাড়ায় একাকিত্ব? (Loneliness)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, একাকিত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর জেরে এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন একাকিত্বের সমস্যায় ভুগলে মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। জেরেন্টোলজিস্টদের (বয়স্কদের রোগ বিশেষজ্ঞ) একাংশ জানাচ্ছে, বয়স্কদের একাধিক রোগের কারণ এই একাকিত্ব। একাকিত্বের জেরে বাড়ছে মানসিক অবসাদ। তার জন্য খাওয়ার ইচ্ছে চলে যাচ্ছে। অনেক বয়স্করাই একা থাকার জন্য ঠিক মতো নিয়মিত রান্না করেন না। সময় মেনে অনেকেই খাবার খান না। এর জেরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। আবার একাকিত্বের জেরে বাড়ছে নানান মানসিক চাপ ও উদ্বেগ। ফলে, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও বাড়ছে। তাই হৃদরোগ থেকে কিডনির জটিল অসুখ, সবকিছুর পিছনেই রয়েছে একাকিত্বের মতো‌ সমস্যা।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, একাকিত্ব (Loneliness) এক ধরনের মানসিক অবস্থা। একা থাকা মানেই একাকিত্ব নয়। অনেকেই পরিবারের সঙ্গে থেকেও এই একাকিত্বের সমস্যায় ভোগেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সন্তানেরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। বাড়িতে কেউ থাকেন না। পরিবার বলতে আশপাশে কেউ নেই। এমন মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একাকিত্বের মতো সমস্যায় ভুগছেন। তাই মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিছুই ভালো না লাগা, হঠাৎ খুব নিঃসঙ্গ মনে হওয়া, যে কোনও বিষয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দরকার চিকিৎসকের পরামর্শ। প্রয়োজনীয় থেরাপি ও ওষুধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে, একাকিত্বের সমস্যা (Multiple Diseases) এড়াতে নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে। 
    নিয়মিত সকালে হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাঠে নিয়মিত হাঁটলে পরিবেশের সঙ্গে সুন্দর যোগাযোগ গড়ে ওঠে। সকালে হাঁটার অভ্যাস শরীর সুস্থ রাখার পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ক্লান্তি দূর করে‌। সকালে বহু মানুষের সঙ্গে সহজেই দেখা হয়। তাই মন হালকা থাকে। একাকিত্ব গ্রাস করে না।

    বই পড়ুন

    বই পড়ার অভ্যাস জরুরি। এমনি পরামর্শ দিচ্ছেন জেরেন্টোলজিস্টদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক এখন একা (Loneliness) থাকেন। দিনভর তাদের সঙ্গ দেওয়ার মানুষের অভাব। তাই দরকার বই পড়ার অভ্যাস। এতে দিনের অনেকটা সময় সুন্দরভাবে কাটানো যায়। এর ফলে একাকিত্ব গ্রাস করার সুযোগ কম। আবার নিয়মিত বই পড়লে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় থাকে (Multiple Diseases)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fish: নিয়মিত ভাতের পাশে মাছ! কোন মাছে শরীরে উপকার, আর কোনটি বাড়াচ্ছে রোগ? 

    Fish: নিয়মিত ভাতের পাশে মাছ! কোন মাছে শরীরে উপকার, আর কোনটি বাড়াচ্ছে রোগ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অতিথি আসুক কিংবা কোনও আনন্দ উদযাপন, অথবা রোজদিনের খাবারের মেনু, বাঙালির ভাতের পাশে মাছ না হলে চলে না। বাঙালির প্রিয় খাবারের তালিকায় মাছ থাকবেই। নানান রকমের মাছ বাঙালির হেঁসেলে রান্না হয়। কিন্তু সব মাছের (Fish) পুষ্টিগুণ কি সমান! কোন ধরনের মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত, আর কোন মাছ বিপদ বাড়াচ্ছে, এ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা অনেকের নেই। আর তার জেরেই স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু রোগ মোকাবিলায় মাছ সাহায্য করে‌। আবার কিছু রোগ বাড়ায় মাছ! এ নিয়ে সচেতনতা থাকলে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা সহজ হবে‌ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন মাছ শরীরের জন্য উপকারী? (Fish)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রুই, কাতলার মতো বড় মাছ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের মাছে ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। ফলে একাধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। বিশেষত হাড়ের জন্য এই মাছ বিশেষ উপকারী। তাছাড়া, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এই মাছ। রেটিনার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফলে চোখের সমস্যা কমে। 
    পাশপাশি যে কোনও সামুদ্রিক মাছ শরীরে ভিটামিন ডি-র জোগান দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি-র অভাবে ভুগছেন। বিশেষত মহিলাদের হাড়ের নানান সমস্যার কারণ শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব। তাই সামুদ্রিক মাছ (Fish) খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-র জোগান পাওয়া যাবে। ইলিশ, চিংড়ি, পমফ্লেটের মতো সামুদ্রিক মাছ খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এই ধরনের মাছে আয়োডিন বেশি থাকে। ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
    লইট্যা, চিংড়ির মতো মাছে মিনারেল, জিঙ্কের মতো উপাদান আছে। ফলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা সহজেই পূরণ করে এই মাছ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ক্লান্তি দূর করে পেশিকে শক্তিশালী করতে এই মাছ খুবই উপকারী (Health Benefits of Fish)।

    ক্যান্সার এবং স্নায়ুর রোগেও কার্যকর

    যে কোনও মাছে থাকে সেলেনিয়াম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা শরীরের ক্যান্সার সহ একাধিক জটিল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। স্নায়ুর রোগ কমাতেও মাছ বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষত ভেটকি মাছ (Fish) স্নায়ুর রোগ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পুঁটি, কাচকি, মৌরলার মতো ছোট মাছ শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। এই মাছে ক্যালসিয়াম, আয়রন পর্যাপ্ত থাকে। তাই নিয়মিত এই ধরনের মাছ খেলে রক্তাল্পতার মতো রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়‌। 
    তাছাড়া, রুই, কাতলা, ইংলিশ যে কোনও বড় আকারের মাছে থাকে ফসফরাস। এই উপাদান রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। 

    বিপদ বাড়ায় কোন মাছ? (Fish) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাছে বিশেষ বিপদ নেই। বিপদ রয়েছে রান্নার পদ্ধতিতেই। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও খাবার অতিরিক্ত খাওয়া বিপজ্জনক। তাই ইলিশ, চিংড়ি বা কাতলা অত্যন্ত বেশি পরিমাণে খেলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ তখন হজমের সমস্যা দেখা যায়। শরীরে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ তৈরি হয়। তাছাড়া পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাছ (Fish) কখনোই ঠিকমতো সেদ্ধ না করে খাওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ, কাঁচা মাছ যেন না থাকে। তাতে পেটে নানান ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধার আশঙ্কা থাকে। ফলে নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। মাছ হালকা ভেজে ভালোভাবে ঝোলে ফুটিয়ে খেলে মাছের পুষ্টিগুণ শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (Health Benefits of Fish)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Music Therapy: শিশু থেকে বয়স্ক, কোন কোন অসুখ নিরাময়ে সাহায্য করে মিউজিক থেরাপি?

    Music Therapy: শিশু থেকে বয়স্ক, কোন কোন অসুখ নিরাময়ে সাহায্য করে মিউজিক থেরাপি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিনোদন কিংবা অবসর যাপনের সঙ্গী হিসেবেই নয়। রোগ নিরাময়েও বিশেষ সাহায্য করে গান‌। মনের জটিল রোগ থেকে স্নায়ুর সমস্যা কিংবা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সংক্রান্ত সমস্যার মতো একাধিক কঠিন রোগে ওষুধের মতো কাজ করতে পারে সঙ্গীত। রাগের ওঠা-নামার সঙ্গে তাল মেলাতে পারলেই কমবে নানান জটিল শারীরিক সমস্যা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, বিভিন্ন বয়সের মানুষের নানান জটিল রোগ নিরাময়ে মিউজিক (Music Therapy) থেরাপির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবার জেনে নিন কোন কোন রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে মিউজিক থেরাপি?

    পারকিনসন্স-এ বিশেষ উপকারী মিউজিক থেরাপি (Music Therapy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুর এক জটিল রোগ হল পারকিনসন। এই রোগে আক্রান্ত হলে হাত ও পায়ের কার্যক্ষমতা কমে যায়। স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়। রোগী কোনও সিদ্ধান্ত ঠিকমতো নিতে পারেন না। এমনকি প্রতিদিনের সাধারণ কাজগুলোও ঠিকমতো করতে পারেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বছর চল্লিশের পরে এই রোগে অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন‌। ৬০-র চৌকাঠ পেরতেই এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মিউজিক থেরাপি এই রোগ নিরাময়ে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সঙ্গীত শুনলে শরীরে নিউরো-কেমিক্যাল বাড়ে। আর এই নিউরো-কেমিক্যাল মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পারকিনসন রোগীর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নিয়েই সমস্যা হয়। তাই মিউজিক থেরাপি এই রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে।

    সিজোফ্রেনিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণে সঙ্গীতের বিশেষ ভূমিকা

    মিউজিক থেরাপি সবচেয়ে বেশি‌ প্রভাব ফেলে সিজোফ্রেনিয়া রোগীর উপরে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেহের হরমোনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে মিউজিক থেরাপি খুবই উপকারী (Music Therapy)। বিশেষত সঙ্গীত খুব দ্রুত স্ট্রেস হরমোনকে কাবু করতে পারে। সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের বিপদ বাড়ায় এই স্ট্রেস হরমোন। তাই মিউজিক থেরাপি নিলে এই রোগ সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    কথার আড়ষ্টতা কাটায় মিউজিক থেরাপি (Music Therapy)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের মধ্যে কথা বলা নিয়ে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিশু একা থাকে। ছোট পরিবার। তাই সারাদিন কথা শোনার মানুষ কমছে। শিশুর তাই কথা শিখতেও অসুবিধা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে জটিল শারীরিক সমস্যা না থাকলেও শিশুর কথায় মারাত্মক আড়ষ্টতা রয়েছে। ফলে শিশুর বিকাশে বাধা তৈরি হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস নষ্ট হচ্ছে। শিশু মনস্তাত্ত্বিকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর জন্মের ছ’মাস পর থেকেই নিয়মিত শিশুকে রুচিশীল গান শোনালে শিশুর কথার আড়ষ্টতা সহজেই কাটবে। স্পষ্ট কথা বলতে শিখবে।

    রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের অনিয়ন্ত্রিত ওঠা-পড়া স্বাভাবিক করে

    মানসিক অবসাদ কিংবা মানসিক চাপে ভুগলে তার সরাসরি প্রভাব রক্তচাপের উপরে পড়ে‌। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর জেরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে হৃদস্পন্দনের ওঠানামা হয়‌। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতার সমস্যা হয়। এই ধরনের সমস্যা কমায় মিউজিক থেরাপি (Music Therapy)। মানসিক চাপকে সঙ্গীত সহজেই কাবু করতে পারে। ফলে রক্তচাপ ও স্বাভাবিক থাকে। হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    মিউজিক থেরাপি কী? (Music Therapy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মিউজিক থেরাপি দু’ধরনের হয়ে থাকে। অ্যাক্টিভ থেরাপি এবং প্যাসিভ থেরাপি। কোন ধরনের থেরাপি প্রয়োজন, তা রোগীর সমস্যা কতখানি গুরুতর, তার উপরে নির্ভর করেই বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেন। অ্যাক্টিভ থেরাপিতে রোগী থেরাপিস্টের সঙ্গে একসাথে কোনও বাদ্যযন্ত্র বাজান। কিংবা অনেক সময় সঙ্গীত রচনাও করেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অটিস্টিক শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য এই অ্যাক্টিভ মিউজিক থেরাপি খুবই উপকারী। শিশু কোনেও বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারলে কিংবা নির্দিষ্ট কিছু গান নিজের মতো করে তৈরি করতে পারলে, তাদের শরীরের বিভিন্ন পেশির মধ্যে সমন্বয় বাড়ে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বাড়ে। আবার, প্যাসিভ থেরাপিতে রোগী বিশ্রামে থাকেন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো গান শোনেন। কিংবা কোনও নির্দিষ্ট বাদ্যযন্ত্র শোনেন। যেমন বহু গর্ভস্থ মহিলা নানান জটিল সমস্যায় ভোগেন। তাদের জন্য এই প্যাসিভ মিউজিক থেরাপি খুব উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের থেরাপিতে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকে। বড় বিপদ এড়ানো সহজ হয় (Music Therapy)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Day of Yoga: শ্বাসকষ্ট থেকে স্থূলতা, মুশকিল আসান করতে পারে নিয়মিত যোগাভ্যাস!

    International Day of Yoga: শ্বাসকষ্ট থেকে স্থূলতা, মুশকিল আসান করতে পারে নিয়মিত যোগাভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবন যাপনে বদলে যাচ্ছে স্বাস্থ্যের সমস্যাও। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো নানান সমস্যা বাড়ছে। আর এই সবই জীবন যাপন সংক্রান্ত রোগ বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ ডেকে আনছে হৃদরোগ, কিডনির সমস্যার মতো নানান জটিল অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খুব কম বয়স থেকেই এখন ক্রনিক পালমোনারি ডিজিজ, হৃদ সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই শারীরিক নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাই যোগাভ্যাস জরুরি। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আগে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস (International Day of Yoga) থাকলে একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলা করা যায়। এবার এক নজরে দেখে নিন, কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ করে যোগাভ্যাস?

    হাঁটুর ব্যথা কমাবে যোগাভ্যাস (International Day of Yoga)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হাড় ও পেশির সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত ক্যালসিয়ামের অভাবেই নানান হাড়ের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কম বয়সিরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি। আর এর জেরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে হাঁটুতে। খুব কম বয়স থেকেই হাঁটুর রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, উত্থানপদাসন কিংবা পেলভিস ব্রিজের মতো যোগাভ্যাস নিয়মিত করলে হাঁটুর ব্যথা কমবে। চিৎ হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে উপরের দিকে তোলার মতো এই যোগাভ্যাস নিয়মিত করলে হাঁটুর সমস্যা কমবে‌। হাঁটুর কার্যকারিতা বাড়বে‌।

    শ্বাসকষ্ট কমাবে যোগাভ্যাস

    বায়ুদূষণের জেরে বাড়ছে ফুসফুসের রোগ। শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সেই দেখা দিচ্ছে নানান ফুসফুসের রোগ। তার উপরে ধূমপানের অভ্যাস ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছাড়ার পাশপাশি কিছু যোগভ্যাস (International Day of Yoga) নিয়মিত করলে ফুসফুসের অসুখের ঝুঁকি কমবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ভোরে সিদ্ধাসনের মতো অভ্যাস তৈরি করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মেরুদণ্ড সোজা রেখে পদ্ধাসনে বসে ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়ার মতো আসন করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়বে।

    স্থূলতার মোকাবিলা করবে যোগাভ্যাস (International Day of Yoga)

    হৃদরোগ থেকে কোমরের সমস্যা, একাধিক রোগের কারণ স্থূলতা। এর জেরে শরীরে একাধিক রোগ বাসা বাঁধছে। তরুণ প্রজন্মের একাংশ এই সমস্যায় ভুক্তভোগী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থূলতাকে সহজেই মোকাবিলা করে যোগাভ্যাস। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাসন করলে ক্যালরি ক্ষয় হয়। তার সঙ্গে নিয়মিত অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটা জরুরি। এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। পেটের চর্বি কমে‌। ফলে স্থূলতার মোকাবিলা সহজ হয়।

    হজমের গোলমাল কমাবে যোগাভ্যাস

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ত্র এবং পাকস্থলীর রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এর জেরে‌ ভোগান্তিও বাড়ছে। অনিয়মিত খাবারের অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের একাংশের রয়েছে। আর তার জেরেই এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। ঠিক সময়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু যোগাভ্যাস (International Day of Yoga) নিয়মিত করলে অন্ত্র, পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়বে। হজমের সমস্যা কমবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত বজ্রাসন কিংবা পবনমুক্তাসনের মতো যোগাভ্যাস করলে হজমের গোলমাল কমে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: কাউন্ট-ডাউন শুরু, আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! কোথায়, কখন, কত গতিবেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    Cyclone Remal: কাউন্ট-ডাউন শুরু, আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! কোথায়, কখন, কত গতিবেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাউন্ট-ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। বাংলার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Remal)। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ  (IMD) ইতিমধ্যেই দুই রাজ্যের প্রশাসনকে সতর্কতামূলক নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। শুক্রবার থেকেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নবান্নে বিশেষ কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব নিয়েছেন আইএএস আধিকারিকরা। আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা অনুযায়ী আগামী রবিবার রাতে শহরে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় রেমাল।

    কোথায় অবস্থান রেমালের

    আপাতত বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে প্রায় ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে, পশ্চিমবঙ্গের সাগর থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং ক্যানিং  থেকে ৫৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপটি। এটি ধীরে ধীরে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে পূর্ব-মধ্য ও তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপর ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Remal) পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত ঘণ্টায় ছয় কিলোমিটার বেগে রেমাল এগোচ্ছে। শনিবার দানা বাঁধার পরে রবিবার এবং সোমবার তাণ্ডব চালাবে রেমাল। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় এর সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! কারা দিল নাম, অর্থই বা কী?

    রেমালের অভিমুখ

    বর্তমানে গভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়ে এটি মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আজকের মধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড়টি (Cyclone Remal) অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। প্রাথমিকভাবে এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শনিবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে। এরপর সোজা উত্তরদিকে থাকবে এর অভিমুখ। 

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া বইতে পারে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়ায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের  (IMD) পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, আগামিকাল, রবিবার মাঝরাতে সাগর আইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে সুন্দরবনের আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal)। দুর্যোগের আশঙ্কা সুন্দরবনের উপকূলে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় এবং প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা।  এর ফলে দিঘা সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্রের বাঁধ ভাঙার আশঙ্কাও রয়েছে। জলোচ্ছ্বাসের ফলে সমুদ্রের জল উপচে পড়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

    Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘরের ভিতরে হাঁটাচলা করাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। নিজের হাতে ভাত মেখে খাওয়ার শক্তিটুকুও থাকে না। প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই মনে থাকে না। হাত-পায়ের পেশি একেবারেই কাজ করে না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। বয়স বাড়লে আরও বাড়ে জটিলতা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে পারকিনসন্স (Parkinson’s Disease) রোগের দাপট। বাদ নেই কলকাতাও। তাই মধ্য পঞ্চাশ থেকেই দরকার সচেতনতার। এই জটিল রোগের দাপট রুখতে নিজের জন্য প্রয়োজন বাড়তি সময়।

    পারকিনসন্স কী? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পারকিনসন্স এক ধরনের স্নায়ুর সমস্যা। মস্তিষ্কের ভিতরে এক ধরনের অবক্ষয় হয়। এর জেরে হাত-পা কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশের গতির সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়। মস্তিষ্কের বিশেষ অংশের এই সমস্যার জেরেই হাত-পায়ে এক ধরনের কম্পন দেখা দেয়। ঠিকমতো হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই রোগ বংশানুক্রমিক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ অর্থাৎ বাবা বা মা, কেউ এতে (Parkinson’s Disease) আক্রান্ত হলে, তাদের সন্তানদেরও বয়স বাড়লে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। স্নায়ুরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় ৬০ বছরের পরে এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। তবে অনেকের আবার ৫০-এর মাঝামাঝিও‌ উপসর্গ দেখা দেয়। হাতের আঙুল অতিরিক্ত কাঁপা এই রোগের প্রাথমিক উপসর্গ বলে জানাচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে কম বয়স থেকেই এই সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

    সৃজনশীল কাজ কি এই রোগের দাপট কমাতে পারে? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পারকিনসন্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন সুস্থ জীবনযাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক চাপ এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মধ্য পঞ্চাশের পরেই নিজের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। পরিবার ও কর্মজীবনের নানান দায়িত্ব পালনের মাঝেও নিজের জন্য সময় রাখা জরুরি। নিয়মিত ছবি আঁকা, গান শোনা ও গান গাওয়া কিংবা কবিতা লেখার মতো সৃজনশীল কাজের অভ্যাস তৈরি করতে হবে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের কাজে একদিকে মানসিক চাপ অনেক কমে। আবার হাত, পা এবং শরীরের একাধিক পেশি ও স্নায়ুর সক্রিয়তা বাড়ে‌। মস্তিষ্কের কাজ বাড়ে। ফলে রোগের ঝুঁকি কমে। 
    যোগাভ্যাস পারকিনসন্সের ঝুঁকি কমায়। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এই রোগ (Parkinson’s Disease) আটকানোর পাশপাশি, যারা আক্রান্ত তাদের জীবনযাপন উন্নত করতেও নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। যোগাসন একদিকে শরীরের প্রত্যেক অঙ্গকে সক্রিয় রাখে, আবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। তাই পঞ্চাশ পেরলেই নিয়ম করে হাঁটাহাঁটির পাশপাশি যোগাভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন? (Parkinson’s Disease)

    কফি এবং বার্গার, হটডগের মতো খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকে ক্যাফেইন। আর বার্গার, হটডগের মতো খাবারে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই দুই উপাদান পারকিনসন্সের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই এর প্রকোপ রুখতে এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। 
    পাশপাশি নিয়মিত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি। এই উপাদান স্নায়ু সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পাশাপাশি, পালং শাক, সবুজ আপেলের মতো ফল এবং সবজি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার। তাই এগুলো খেলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকবে। পারকিনসন্সের (Parkinson’s Disease) ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের পাশপাশি বাড়ছে মনের রোগ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের রোগ সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশপাশি মনের অসুখ নিয়েও সচেতনতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, মনের অসুখ বাড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের একাধিক রোগ। তাই মানসিক রোগ (Depression) নিয়ে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক সমীক্ষা? (Depression)

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ।‌ গোটা বিশ্বের প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ মানসিক অবসাদে ভুগছেন।‌ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে একাকিত্ব থেকেই অবসাদ হচ্ছে। বিশ্বের প্রথম তিন অবসাদে (Depression) ভোগা দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ভারতীয় মানসিক অবসাদের শিকার। আর এই অবসাদের অন্যতম কারণ একাকিত্ব। 
    ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদে ভুগলে শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষত, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো সমস্যা বাড়ছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদগ্রস্থের এই ধরনের রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি ৫৮ শতাংশ বেশি থাকে। অধিকাংশ মানসিক অবসাদগ্রস্থের নানান শারীরিক সমস্যা থাকে। যার অধিকাংশই জীবনযাপনের ধরনের জন্য হয়।

    কেন বাড়ছে মানসিক অবসাদ? (Depression)

    মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মানসিক অবসাদের সমস্যা বাড়ছে। তার প্রধান‌ কারণ একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাকিত্ব মানে একা থাকা নয়। একাকিত্ব হল এমন এক মানসিক অবস্থা, যখন একজন ভাবেন, তিনি একা (Depression)। তাঁর পাশে কেউ নেই। তাঁর সমস্যা, তাঁর ভাবনা‌ বলার মতো কেউ তাঁর কাছে নেই। সেখান থেকেই অবসাদের সমস্যা তৈরি হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ মানুষ পরিবারের সঙ্গেও‌ ঠিকমতো সময় কাটাতে পারেন না।‌ ফলে, নিজের মনের কথা ভাগ করে‌ নেওয়ার সুযোগ ক্রমশ কমছে। সেখান থেকেই অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা বাড়ছে।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব? (Depression)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব দূর করতে পারলেই অনেকটা সমস্যা মোকাবিলা হবে। মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ কমলে একাধিক শারীরিক সমস্যা কমে। এটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। তাই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য (Depression) সুস্থ রাখতেই হবে। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবনযাপন সম্ভব। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।‌ দিনে অন্তত একবার পরিবারের সকলে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একসঙ্গে বসে খাওয়ার সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলে সারাদিনে কে কী করল, বিভিন্ন ঘটনা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এতে মানসিক চাপ কমে। এছাড়া নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে‌ যোগাযোগ করা জরুরি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা সরাসরি বসে কথা বলা, নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ একাকিত্ব কাটাতে বিশেষ সাহায্য করে। স্কুল জীবন বা কর্ম জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে একাকিত্ব কমে‌। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন কিছুটা সময় সমবয়সীদের সঙ্গে কাটানোর পরামর্শ‌ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    তবে, মানসিক অবসাদের সমস্যা জটিল হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, অনেক সময় নির্দিষ্ট ওষুধ আর থেরাপির প্রয়োজন হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: জন্মের পর থেকেই কন্যাসন্তান রোগগ্রস্ত, অবসাদে হাসপাতালেই আত্মঘাতী মা

    Bankura: জন্মের পর থেকেই কন্যাসন্তান রোগগ্রস্ত, অবসাদে হাসপাতালেই আত্মঘাতী মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মের পর থেকেই রোগে আক্রান্ত নিজের সন্তান। এই কারণে মায়ের মন সব সময় উৎকণ্ঠায় থাকে। আরোগ্যের কোনও রকম আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলেন না। আর সেই সময় থেকেই সন্তানের জন্য মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন মা। অবশেষে উপায় না পেয়ে হাসপাতালের মধ্যেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলেন মা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া (Bankura) সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Bankura)

    হাসপাতাল (Bankura) সূত্রে খবর, মৃতার নাম পায়েল সিংহ। পুরুলিয়ার আদ্রার কাছে বেঁকো গ্রামে বাড়ি। ২০ ডিসেম্বর তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানেই একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শিশুটিকে সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট বিভাগে পাঠানো হয়। এরপর অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হলে সদ্যোজাতকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। কিন্তু মৃতার মানসিক স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো ছিল না। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বলে খবর ছিল।

    তিনতলার ছাদে উদ্ধার দেহ

    সোমাবার সকালে পায়েল নিজের মাকে হাসপাতালের (Bankura) গেটের বাইরে এক আত্মীয়কে আনতে যেতে বলেন। মা হাসপাতলের বাইরে গিয়ে আবার ফিরে এলে পায়েলকে বেডে দেখতে পান না। এরপর এদিক-ওদিকে খোঁজ করেন। অগত্যা না পেয়ে ওয়ার্ডে মাইকিং করা হয়। অবশেষে প্রসূতি বিভাগের তিনতলায় সিঁড়িতে ওঠার শেষ ধাপে রেলিংয়ে দেখা যায় গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে পায়েলের নিথর দেহ।

    পুলিশের তদন্ত

    এরপর জানাজানি হতেই বাঁকুড়া (Bankura) সদর থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে মানসিক অবসাদের কারণেই তিনি আত্ম্যহত্যা করেছেন। পুলিশ এরপর অস্বাভাবিক একটি মামলা রুজু করে মৃত্যুর তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    এই আত্মহত্যার ঘটনায় হাসপাতালের (Bankura) নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। কিন্তু সিসিটিভি, নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তাই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মৃতার স্বামী বিজয় সর্দার বলেন, “কারও সঙ্গে কোনও ঝগড়া হয়নি। প্রসবের পর থেকেই আমার স্ত্রী মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। হাসপাতালের নজরদারি ঠিক থাকলে আজ আমার স্ত্রীকে আত্মহত্যা করতে হত না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share