Tag: Depression

Depression

  • Swami Vivekananda: চারদিকে দুশ্চিন্তা, অবসাদ! স্বামীজির বাণী আজ বড়ই প্রাসঙ্গিক

    Swami Vivekananda: চারদিকে দুশ্চিন্তা, অবসাদ! স্বামীজির বাণী আজ বড়ই প্রাসঙ্গিক

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    আজ মানুষ বড়ই অসহায়। খুব বেশিদিন হয়নি, করোনা ভাইরাস পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে চরম সঙ্কটে ফেলে দিয়েছিল। নিরাময় সম্পূর্ণ হতে না হতেই অনুরূপ ভাইরাস নতুন নতুন ভাবে এসে উপস্থিত হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই অনেক প্রাণ অসময়ে শেষ হয়ে গেছে। ঘরে ঘরে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লেগেই আছে। অসহায় বেকার যুবক-যুবতীরা হয় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, না হয় অবসাদগ্রস্ত। মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারছে না। অধিকাংশ মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যের জন্য চিন্তাভাবনা করার তাদের সময় নেই। নিজেকে নিয়ে খুবই ব্যস্ত তারা। 

    শিক্ষিত মানুষের মধ্যে অসহায়তা ও অবসাদ চোখে পড়ার মতো

    অন্যদিকে, একদল মানুষ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজেদের স্বার্থ প্রতিফলিত করার চেষ্টা করছে। আরেক দল সৎ পথে থেকে পরিশ্রম করে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সংসারের ক্ষুধা মেটাতেই ব্যস্ত। এছাড়া প্রকৃতি সময় মতো বৃষ্টি না দেওয়াতে চাষের ক্ষতি হচ্ছে। কলকারখানায় লোক অবসর নিলে নতুন নিয়োগ না থাকার ফলে বেকারত্বর বিকাশ ঘটছে। কেউ কেউ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য খুব গরিবদের সামান্য অর্থ বা সামান্য খাদ্যদ্রব্য দিয়ে তাদের অলস করে দিচ্ছে। শিক্ষিত মানুষদের মধ্যে অসহায়তা ও অবসাদ চোখে পড়ার মতো। এক কথায় সাধারণ মানুষ কাঁদছেন। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? কেউ কী বলেছেন? 

    পরিত্রাণের কথা বলে গেছেন (Swami Vivekananda), শুনছে কে?

    হ্যাঁ বলেছেন, পরিত্রাণের কথাও বলেছেন। কিন্তু শুনছে কে? বহুদিন আগেই বলে গেছেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)। কিন্তু শুনবে কে? প্রায় অধিকাংশ মানুষই নিজের ও পরিবারের জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করছেন। কীভাবে আয় বাড়ানো যায়, তার চিন্তা। সমাজে প্রায় সকলেই জগতের ভোগ্য বস্তু, দেহসুখ নিয়েই ব্যস্ত। কিন্তু একবারও ভাবে না, যাদের জন্য আমি পরিশ্রম করছি, যা ভবিষ্যতের জন্য মজুত করছি, এই সব জিনিস কিছুই আমি ভোগ করে যেতে পারব না। আমার দেহ শেষ হবার সাথে সাথে ওই বস্তুগুলির আমার আর প্রয়োজন থাকবে না। যা সত্যিকারের প্রয়োজন তা হল, অপূর্ণতাকে পূর্ণ করা। পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য থেকে পরমকে পাওয়া। যা স্বামীজি (Swami Vivekananda) তাঁর বাণী ও বক্তৃতায় বার বার মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

    কী বলেছেন স্বামীজি?

    স্বামীজি (Swami Vivekananda) বলেছেন, “সমগ্র মানব জাতির আধ্যাত্মিক রূপান্তর-ইহাই ভারতীয় সাধনার মূল মন্ত্র, ভারতের চিরন্তন সঙ্গীতের মূল সুর, ভারতীয় সত্তার মেরুদণ্ড-স্বরূপ, ভারতীয়তার ভিত্তি, ভারতবর্ষের সর্বপ্রধান প্রেরণা ও বাণী। তাতার, তুর্কী, মোগল, ইংরেজ-কাহারও শাসন কালেই ভারতের জীবন সাধনা এই আদর্শ হইতে কখনও বিচ্যুত হয় নাই। বারংবার এই ভারতভূমি মূর্ছাপন্না হইয়াছিলেন। এবং বারংবার ভারতের ভগবান আত্মাভিব্যক্তির দ্বারা ইহাকে পুনরুজ্জীবিত করিয়াছেন” তিনি (Swami Vivekananda) বলছেন, “হে ভাতৃবৃন্দ, সত্যই মহিমময় ভবিষ্যৎ। প্রাচীন উপনিষদের যুগ হইতে আমরা পৃথিবীর সমক্ষে স্পর্ধাপূর্বক এই আদর্শ প্রচার করিয়াছি: ‘ন প্রজায়া ন ধনেন ত্যাগেনৈকে অমৃতত্বমানশুঃ’-সন্তান বা ধনের দ্বারা নয়, ত্যাগের দ্বারাই অমৃতত্ব লাভ হইতে পারে। জাতির পর জাতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হইয়াছে।”

    কিন্তু আমি বা আমরা এই বিষয়ে কি যত্নবান হয়েছি। নিজের মনে প্রশ্ন করলে উত্তর আসবে, না। তাই আজ মানুষ কাঁদছে। জগত সংসারে অনেক কিছুই পাওয়ার নয়, ভবিষ্যতের জন্য থাকার নয়। পরকালে নিয়ে যাবার মতো এই জগতে কিছু নেই। যা আছে ত হল পরম তত্ত্ব। যাকে পেলে আমি বা আমরা পূর্ণতা লাভ করব। তাকে লাভ করাই জীবনের উদ্দ্যেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: পুজোর মুখে থামছেই না বৃষ্টি, উত্তর থেকে দক্ষিণ জেলায় জেলায় দুর্যোগের ভ্রুকুটি

    West Bengal Weather: পুজোর মুখে থামছেই না বৃষ্টি, উত্তর থেকে দক্ষিণ জেলায় জেলায় দুর্যোগের ভ্রুকুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো বাকি আর তিন সপ্তাহও নেই। এদিকে রাজ্যে ব্যাপক বৃষ্টিপাত (West Bengal Weather) অব্যাহত। পুজো প্যান্ডেল এবং ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি, তাই প্রতিমা ও মণ্ডপ শিল্পী থেকে শুরু করে ছোট বড় ব্যবসায়ী, বৃষ্টি সবাইকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। গত কয়েক দিনের মতো মঙ্গলবারেও বৃষ্টির প্রভাব প্রবল ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পূর্বাভাস, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে সর্বত্র জেলা জুড়ে হতে পারে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।

    আবহাওয়া দফতর কী জানিয়েছে (West Bengal Weather)?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গেছে, এই বৃষ্টি (West Bengal Weather) বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ এখন ঝাড়খণ্ড ও ছত্তীসগড়ে প্রভাব বিস্তার করে আছে। ছত্তীসগড় থেকে মহারাষ্টের মধ্যভাগ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জলীয় বাষ্পের সঞ্চার হয়েছে। এর ফলেই এতো বৃষ্টিপাত। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়াতে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে। এছাড়াও কলকাতায় সহ বাকি জেলায় চলবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    কলকাতায় বৃষ্টিপাত

    আবহাওয়া দফতরের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা (West Bengal Weather) স্বাভাবিকের থেকে কম থাকবে। সেই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্র ছিল ২৬.১ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.১ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৮৪ থেকে ৯৮ শতাংশ। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৫.৮ মিলিমিটার।

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিপাত

    দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টিপাতের (West Bengal Weather) সম্ভাবনা রয়েছে। কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভারী বর্ষণের কথা বলা হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত বিক্ষিপ্ত ভাবে চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। ফলে আবহাওয়া খুব একটা স্বাভাবিক থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্কুলের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে মাত্র দুদিন! আর তার মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে ন’জন পড়ুয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৯ পড়ুয়ার আত্মহত্যার এই ঘটনায় চিন্তিত গোটা দেশ। তবে, অন্ধপ্রদেশের এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়। শুধু স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেই নয়, আইআইটি এবং মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে মানসিক অবসাদ (Mental Disorder) ও আত্মহত্যার প্রবণতা! 

    কী বলছে তথ্য? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, এক বছরে গোটা দেশের সবকটি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ৩৩ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের তথ্যও চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রতি বছর গড়ে ৩৫০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া আত্মহত্যা করছেন। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১৩,০৮৯ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর এই আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। আত্মহত্যার এই পরিসংখ্যানে ৪৩ শতাংশ ছাত্রী এবং ৫৬ শতাংশ ছাত্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ৮১ শতাংশ পড়ুয়া মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) শিকার। তাদের বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা, বিষাদ এবং নানান অবসাদ গ্রাস করে। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আত্মহত্যা মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কিন্তু যাঁরা আত্মহত্যা করছেন না, তাঁরা যে সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন, এমন ভাবা যায় না। মানসিক অবসাদ পড়ুয়াদের মধ্যে মারাত্মকভাবে বাড়ছে। তার ভয়ানক বহিঃপ্রকাশ হল আত্মহত্যা।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তান মানসিক অবসাদগ্রস্ত? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সন্তানের জীবনযাপনের ধরনের মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সতর্ক হোন অভিভাবক। যেমন, ঘুমের অভ্যাসে যদি অতিরিক্ত পরিবর্তন হয়, তাহলে বুঝতে হবে সন্তান মানসিকভাবে অস্থির আছে। যেমন দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো কিংবা সারারাত জেগে থাকার মতো ঘটনা ঘটলে সজাগ হতে হবে।খাদ্যাভ্যাসের বদল হলে সতর্কতা জরুরি। অবসাদগ্রস্ত মানুষ অনেক সময়ই প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খান। তাই খাবারের পরিমাণে যদি হঠাৎ মারাত্মক পরিবর্তন হয়, তাহলেও সতর্ক হওয়া জরুরি। যদি অতিরিক্ত রাগ বা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ হয়, তাহলেও বুঝতে হবে কোনও সমস্যা (Mental Disorder) হচ্ছে। হঠাৎ আবেগতাড়িত হয়ে পড়া, কিংবা সামান্য বিষয়ে নিরাশ হয়ে পড়লে, অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। কোনও ভাবেই তাদের একা থাকতে দেওয়া যাবে না। তাদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে হবে। তারা কোনও সমস্যাতেই একা নয়, অভিভাবক তাদের পাশে আছে, এই আশ্বাস তাদের দিতে হবে। তবেই তাদের নিরাপত্তাহীনতা কাটবে। যা মানসিক অবসাদ মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা জটিল মনে হলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত (Mental Disorder) হলে তাকে আরও বেশি নানান কাজের মধ্যে যুক্ত রাখতে হবে। যাতে তার শরীর ও মন সক্রিয় থাকে। সে ইতিবাচক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত থাকে। গান, ছবি আকার মতো সৃজনশীল কাজে সময় কাটাতে হবে। নিয়মিত যোগ্যাভাসে অভ্যস্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগ শুধু শরীর নয়, মনকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Depression: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস! সতর্কতা জারি তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশে

    Depression: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস! সতর্কতা জারি তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। চেন্নাই থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। সেটি ক্রমে আরও পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে বয়ে যাবে। উপকূলের কাছাকাছি এসে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌসের শক্তি হারিয়ে যাবে। এর প্রভাব পড়বে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। স্থলভাগের কাছাকাছি এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার হতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। ৯ ডিসেম্বর মাঝরাতে পুদুচেরি এবং শ্রীহরিকোটার মাঝে সর্বোচ্চ ৮৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে মন্দৌস। 

    ঘূর্ণিঝড়ের জন্য সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার সকালে মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় যত উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে, ততই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। ইতিমধ্যেই সেখানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে। এই তিন জেলার উপকূলে ঝড়ের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় যত উপকূলের দিকে এগোচ্ছে, সমুদ্র ততই উত্তাল হচ্ছে। আগামী তিন দিন ধরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    আগামী দুই থেকে তিন দিন এই জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে। ঝড়ের মোকাবিলা করতে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামী ঝড়ের প্রস্তুতি নিয়ে বুধবারই জরুরি বৈঠক করেন। ইতিমধ্যেই সেখানে ২৩৮টি ত্রাণশিবির গড়ে তোলা হয়েছে। নিচু এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, তামিলনাড়ুর তিরুভারাভুর এবং তাঞ্জাভুর জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই স্কুল, কলেজ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপের প্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত উত্তুরে হাওয়া! সপ্তাহান্তে কমতে পারে শীত

    বাংলায় প্রভাব

    রাজ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পড়বে না। তবে এই নিম্নচাপের প্রভাবে আজ সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ শহরে। শনি-রবিবার পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব থাকবে। মূলত উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। উত্তুরে হাওয়া বা উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ার প্রভাব কমতে শুরু করবে। কমবে শীতের আমেজও। কলকাতায় সকালের দিকে হালকা ধোঁয়াশার পরিবেশ থাকবে। প্যাচপ্যাচে আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরী হলেও এ রাজ্যে কোথাও আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। 

  • Depression: নিম্নচাপের প্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত উত্তুরে হাওয়া! সপ্তাহান্তে কমতে পারে শীত

    Depression: নিম্নচাপের প্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত উত্তুরে হাওয়া! সপ্তাহান্তে কমতে পারে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের  দাপট বাড়ছে। লেপ-কম্বল বার করে নিয়েছেন বহু মানুষই। চাদর সোয়েটার তো বেরিয়েছেই। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে উত্তুরে হাওয়ার দাপট রয়েছে। তাই আজ হালকা শীতেকর আমেজ বজায় থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। তবে সাগরে গভীর নিম্নচাপের জেরে শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    আরও পড়ুন: জেগে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট সেমেরু আগ্নেয়গিরি, সরানো হল কয়েক হাজার মানুষকে

    নিম্নচাপের প্রভাব

    ইতিমধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপ দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে মন্দৌস। নিম্নচাপের ফলে শুক্রবারের পর থেকে বঙ্গে রাতের তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বেড়ে যাবে। তবে দক্ষিণবঙ্গ বা উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে আজও ঠান্ডা অনুভূতি বজায় থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। আকাশ আংশিক মেঘলা। বইছে ঠান্ডা হাওয়াও। রোদের মুখ দেখার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করছেন শীত কাতুরেরা। এদিন সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি এবং ১৬ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। এর আগে বুধবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি, স্বাভাবিক। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,আগামী চার-পাঁচ দিন রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। কলকাতায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকবে। সকাল-সন্ধ্যে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। এদিন সকালে আকাশ মেঘলা থাকলেও শহরের তাপমাত্রার পারদ ছিল নিম্নমুখী। আরও ৪৮ ঘণ্টা রাজ্যজুড়ে উত্তর পশ্চিম ভারতের কনকনে হিমেল হাওয়া অবাধে প্রবেশ করবে। আজও এই প্রবণতা বহাল থাকবে। শুক্রবার থেকে নিম্নচাপের জেরে উত্তুরে হাওয়া বাধা প্রাপ্ত হবে। শীতের দাপট একটু কমবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Weather Forecast: বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ, কতটা প্রভাব পড়বে বাংলায়?

    Weather Forecast: বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ, কতটা প্রভাব পড়বে বাংলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। কিছুদিন পরেই পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে সূচনা হবে দেবী পক্ষের। বাতাসে আদ্রতা বেশি থাকলেও পুজোর শরতের আকাশ মাঝে মাঝেই মন ভালো করে দিচ্ছে। যদিও নিম্নচাপের জেরে আজ সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। আজ মহানগরে (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (minimum temperature) ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।  

    সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাণ ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী,আগামীকাল কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আকাশ থাকবে মেঘাচ্ছন্ন। বজ্রবিদ্যুৎসহ দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুধুমাত্র দুই মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও ঝাড়গ্রামে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: একে অপরকে দিচ্ছেন দোষ, নিজামে পার্থ-সুবীরেশদের একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করতে পারে সিবিআই

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ (Depression) খুব বেশি প্রভাব পড়বে না বাংলায়। তবে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস,আজ থেকে বদলে যাবে আবহাওয়া। দু-এক পশলা করে বৃষ্টি চলতে থাকবে। আগামি ৩-৪ দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পুজোর আগে এই খবরে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের। অনেকেই মনে করছেন, শেষ মুহূর্তে পুজোর কেনাকাটায় প্রভাব পড়বে। 

    আবহাওয়া দফতর (Meterological Department) জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ ওড়িশা উপকূল অভিমুখী। ঝাড়খণ্ডের রাঁচি, বাংলার দক্ষিণাঞ্চল এবং ওড়িশার বালাসোরে নিম্নচাপ প্রভাব বিস্তার করবে।নিম্নচাপ পশ্চিমে সরলে বৃষ্টি বাড়বে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে। 

    আরও পড়ুন: আইন সংশোধনের আর্জি! নির্বাচনে কালো টাকার রমরমা রুখতে সুপারিশ কমিশনের

    আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আরও পশ্চিমে সরলে বৃষ্টি বাড়বে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূমের কিছুটা অংশে ও পশ্চিম বর্ধমানে। মূলত হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে পশ্চিমাঞ্চলে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। নিম্নচাপের কারণে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Junk Foods: জাঙ্ক ফুড কীভাবে ডিপ্রেশন, উদ্বেগের কারণ হতে পারে, জানেন?

    Junk Foods: জাঙ্ক ফুড কীভাবে ডিপ্রেশন, উদ্বেগের কারণ হতে পারে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল জাঙ্ক ফুড খাওয়াার প্রবণতা অনেক বেড়েছে, জাঙ্ক ফুড খেতে সুস্বাদু হলেও এর উপকারিতা কম, ক্ষতিই বেশি। এর একটি কারণ হল আমাদের ব্যস্ত জীবনধারা, যার কারণে আমাদের সময় কম, আমরা এমন খাবারের দিকে চলে যাই যা পাওয়া সহজ, তৈরি করাও সহজ। তাই এই ধরনের খাবারকে ফাস্ট ফুডও বলা হয়। তবে জানেন কী জাঙ্ক ফুড খাওয়া আমাদের শরীরের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

    জাঙ্ক ফুড খুব তৈলাক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার যা স্বাস্থ্যকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। এটি খেলে অনেক শারীরিক সমস্যা দেখা যায়, তাই এটি নির্দিষ্ট পরিমাণে খাওয়াই ঠিক। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে যেমন স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদির মত রোগ দেখা যায়, তেমনি জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে বাড়তে পারে স্ট্রেস, ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    গবেষকরা জানিয়েছেন, মনের অবস্থা অবশ্যই আমাদের খাদ্যাভ্যাসে প্রভাব ফেলে। আমরা কী খাচ্ছি তা আমাদের ডিপ্রেশনের মাত্রাকে বাড়িতে বা কমিয়ে আনে। কারও ক্ষেত্রে নতুন করে স্ট্রেস দেয়। আমাদের খাবারের অভ্যাসের ফলে শরীর মোটা-রোগা হয়। শরীরে পুষ্টির কমতি দেখা যায়। এইসব কিছুই বিষণ্ণতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।

    কিছু আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, যারাই অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি পরিমাণে খায়, তাদেরই মানসিক অবস্থা ঠিক থাকে না। তাদের স্ট্রেস, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ বেড়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের অতি-প্রক্রিয়াজাতকরণ তার পুষ্টির মানকে কমিয়ে দেয় এবং ক্যালোরির সংখ্যাও বাড়ায়, কারণ অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং লবণ থাকে, যেখানে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইটোকেমিক্যাল কম থাকে। ফলে সহজেই ওজন বৃদ্ধি পায় ও এর পাশাপাশি উদ্বেগ, ডিপ্রেশনের শিকার হয় মানুষ।

    আরও পড়ুন: কম ঘুমোলেই বাড়তে পারে ওজন! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

  • Weather Forecast: উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গে

    Weather Forecast: উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই কম-বেশি বৃষ্টিতেই কেটেছে দক্ষিণবঙ্গবাসীর (South Bengal)। শেষ দুদিন ফের সূর্যের মুখ দেখা গিয়েছে বটে। কিন্তু বর্ষা বিদায় নিচ্ছে না এখনই। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। রবিবার থেকেই ফের বদলাবে আবহাওয়া। নেপথ্যে নিম্নচাপ (Depression)। শনিবার বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কথা। এরফলেই রবিবার থেকে দুই বঙ্গে বাড়বে বৃষ্টিপাত। 

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    এবছর এখন অবধি সেভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের মুখ দেখেনি দক্ষিণবঙ্গ। ফলে বৃষ্টিপাতের ব্যাপক ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি মধ্য বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। সেই নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত (Heavy Rain) হতে পারে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Department)। কিন্তু পরবর্তীতে সেই নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ফেলে। ফলে বৃষ্টিপাত থেকে বঞ্চিত হয় দক্ষিণবঙ্গ। তবে নতুন করে উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। শনিবার এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। এই নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর শক্তি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের 
     
    প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, উপকূলের জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। শনিবারও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপের কারণে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডেও বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। যদিও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বিশেষ বদল হবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তি বাড়বে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। 

    সকাল থেকেই শহর কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা। এদিন শহরে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এদিন শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি এবং শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪.৫ মিলিমিটার। শনিবার দিনভর শহরের আকাশ থাকবে মেঘলাই। রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত পেতে পারে কলকাতা। 

    সকাল থেকেই তিলোত্তমার আকাশ আংশিক মেঘলা। এদিন শহরে অল্প বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিন মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪.৫ মিলিমিটার। শনিবার দিনভর শহরের আকাশ মেঘলাই থাকবে। রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত পেতে পারে শহর। 

  • Weather Forecast: অতি ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল, নিম্নচাপ সরছে ঝাড়খণ্ডের দিকে

    Weather Forecast: অতি ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল, নিম্নচাপ সরছে ঝাড়খণ্ডের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) এবং উত্তর ওড়িশার (Odisha) উপকুলবর্তী অঞ্চলে (Coastal Area) নিম্নচাপের (Depression) সৃষ্টি হয়েছে। গত ছ ঘণ্টা ধরে এই অঞ্চলে রয়েছে নিম্নচাপটি। ২২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে পশ্চিম থেকে উত্তর পশ্চিম দিকে সরে যাচ্ছে এই নিম্নচাপ। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের দিকে সরছে নিম্নচাপ। আর সেই কারণে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে। বাকুড়া, পুরুলিয়ায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়? 

     

    ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) নিম্নচাপের জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। এর আগে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক ওড়িশার চার জেলাকে ভারী বৃষ্টিপাতের জন্যে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছিলেন। রেড অ্যালার্ট রয়েছে ওড়িশার বেশ কিছু জায়গায়। 

    উত্তর ওড়িশা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপকুলবর্তী এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে কলকাতায়। দক্ষিণ ওড়িশা এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বাকি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়া সকাল থেকেই এই নিম্নচাপের জেরে ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশে বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

    উত্তর ছত্তিশগড় এবং পূর্ব মধ্যপ্রদেশে আজ সারাদিনই ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়া অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে উত্তর-পশ্চিম ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিধর্ভতে। 

    আগামীকাল এই সব এলাকাতেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং পূর্ব রাজস্থানে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে ছত্তিশগড়, বিধর্ভতে।  

    ওড়িশা সরকারের তরফে বন্যা মোকাবিলায় সবরকমের চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। 

    রাঁচির আবহাওয়া দফতরের তরফে ঝাড়খণ্ডের বেশ কিছু জায়গায় জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সরাইকেলা-খারসওয়ান, পূর্ব ও পশ্চিম সিংভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম ও মধ্য ঝাড়খণ্ডে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
     

  • Weight Gain or Loss: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে!  হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    Weight Gain or Loss: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা খাদ্য গ্রহণ করি। সেই খাদ্য আমাদের শক্তি দেয়। একথা আমরা সবাই জানি। এই অর্জিত শক্তি আমরা শারীরবৃত্তীয় ও দৈনন্দিন জীবনের নানান কাজে খরচ করি। এই সহজ হিসেবের উপর ভিত্তি করেই মানুষ বেঁচে থাকে। শক্তি গ্রহণ ও খরচের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলেই ওজন বাড়ে বা কমে। ধরুন আপনি বেশি খাচ্ছেন, কিন্তু পরিশ্রম কম করছেন। তখন ওজন বাড়বে। অপরদিকে বেশি পরিশ্রম করে কম খেলে ওজন কমবে। এটাই সহজ হিসেব।  

     কিন্তু ধরুন কোনও ব্যক্তি আগেও যেমন খেতেন, এখনও তেমনই খান। শারীরিক পরিশ্রমও আগে যেমন করতেন, আজও তেমনই করেন। তবুও হু হু করে তাঁর ওজন কমছে বা বাড়ছে। এমন অবস্থা কিন্তু শারীরিক কোনও অসুস্থতার দিকেই ইঙ্গিত করে। এরকম ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রাইমারি থাইরোটক্সিকোসিস—এই রোগে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেশি পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন বের হয়। শরীরে থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বিপাকক্রিয়াকে দ্রুত করে দেয়। বিপাকক্রিয়ার গতি বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে শক্তি ক্ষয় অনেক বেশি হয়। ফলে ওজন কমে দ্রুত। এদিকে রোগীর খিদে ভালোই থাকে। আবার অন্যদিকে হাইপোথাইরোডিজম দ্রুত হারে ওজন বাড়ায়।

    ডায়াবেটিস— পর্যাপ্ত খিদে থাকার পরও দ্রুত ওজন কমার অন্যতম কারণ হল ডায়াবেটিস। এই রোগে শরীর খাদ্যের মাধ্যমে গৃহীত গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না। গ্লুকোজ ইউরিন দিয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে শক্তির ঘাটতি দেখা যায়। এছাড়া এই বিশেষ রোগে শরীরে উপস্থিত প্রোটিন ভেঙে পড়ে এবং দেহের বাইরে বেরিয়ে যায়। ফলে পেশির ক্ষয় হয় দ্রুত। আবার টাইপ টু ডায়াবেটিসের ফলে ওজন বেড়ে যায়।

    ক্যান্সার— যে কোনও ধরনের ক্যান্সারই শরীরে শক্তির দ্রুত ক্ষয়ের কারণ হতে পারে। ফলে ক্যান্সার হলে অনেক ক্ষেত্রেই ওজন কমে। তবে সমস্ত ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় গ্যাস্ট্রো-ইন্টেসসটিনাল ক্যান্সার, অর্থাৎ পাকস্থলী, অন্ত্র, লিভার, খাদ্যনালীর মতো জায়গায় ক্যান্সার হলে ওজন দ্রুত কমে। কারণ খাদ্য হজমের প্রক্রিয়ায় শরীরের এই অংশগুলির ভূমিকা অনেক বেশি। তাই এই অংশে কর্কট রোগ ছড়িয়ে পড়লে খাবারকে পরিপাক করে শক্তি সঞ্চয় করতে সমস্যা হয়। আর পর্যাপ্ত শক্তির অভাবে ওজন কমে দ্রুত। 

    হতাশা— হতাশা বা মনের অসুখও মানুষের ওজন কমা বাড়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। হতাশা বা বিষ্ণণ্ণতা থেকে খাবারে অরুচি আসে. রাতে ঘুম কম হয়। এগুলি পরোক্ষে ওজন কমা-বাড়াতে প্রভাব ফেলে।

    পলিসিস্টিক ওভারি— এর ফলে দেহে স্থূলতা বৃদ্ধি পায়।

    দ্রুত ওজন বাড়া বা কমার উপসর্গকে কোনও সময়ই অগ্রাহ্য করবেন না। আবার ভয়ও পাবেন না। শুধু যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যত তাড়াতাড়ি ওজন কমা বা বাড়ার কারণ সম্পর্কে জানবেন, ততই চিকিৎসা করতে সুবিধে হবে।

LinkedIn
Share