Tag: Development

Development

  • Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উন্নয়নের শেষ বলে কিছু হয় না।” ঝাড়খণ্ডের গুমলায় ‘বিকাশ ভারতী’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “মানুষের লক্ষ্যই হল নিরন্তর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়া। তাই সে সব সময় উন্নয়নের পেছনে ছোটে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, উন্নয়নের কি কোনও শেষ আছে? যখন আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছই, তখন আমরা দেখি, আমাদের আরও যেতে হবে। মানুষ দেবতাকে ছাপিয়ে গিয়ে সুপারম্যান হতে চায়।”

    কী বললেন আরএসএস কর্তা? (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন হোক কিংবা বাহ্যিক, উন্নয়নের কোনও শেষ নেই।” আরএসএস কর্তা বলেন, “উন্নয়ন একটা লাগাতার প্রসেস। তাই আমাদের কোনও না কোনও কাজ সমাধানহীন হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, “দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এখনও অনেক বাকি রয়েছে। একজন কার্যকর্তার সব সময় ভাবা উচিত, তিনি অনেক করেছেন, তবে বাকি রয়ে গিয়েছে ঢের বেশি। কারণ সব সময়ই কিছু না কিছু করার থাকে। যদি উন্নয়ন নিরন্তর চলতেই থাকে, তাহলে সমাধানও খুঁজে পাওয়া যাবে।”

    বিশ্ব চিনেছে ভারতকে

    দ্রুত বদলে যাওয়া বিশ্বের প্রেক্ষিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তারও উল্লেখ করেন সরসঙ্ঘচালক (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, “গত দু’হাজার বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। তবে সেগুলো আমাদের সুখ-শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ এগুলো আমাদের জীবনের অঙ্গীভূত ছিল। করোনার পরে বিশ্ব চিনেছে ভারতকে। তারা এও জেনেছে সুখ-শান্তির রোডম্যাপও রয়েছে ভারতের হাতেই।” তিনি বলেন, “সনাতন ধর্ম সর্বদাই বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    সরসঙ্ঘচালক বলেন, “সনাতন সংস্কৃতি এবং ধর্ম রাজপ্রাসাদ থেকে আসেনি, এসেছে আশ্রম এবং বনজঙ্গল থেকে। বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পোশাক বদলেছে। কিন্তু আমাদের (পড়ুন, সনাতনীদের) প্রকৃতি বদলায়নি।” দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি যে আদৌ চিন্তিত নন, তাও এদিন জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএস (RSS) প্রধান। বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। ভালো ভালো কাজই হবে। কারণ যা হচ্ছে, তা ভালোর জন্যই হচ্ছে। আমরা ভালো করারই চেষ্টা করে চলেছি (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    Panchayat: এটাই কি উন্নয়ন? ত্রিপল দেওয়া ঘরে ঝড়বৃষ্টির সময় ঠাঁই চৌকির নিচে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙা বেড়া। তার ওপরে ছেঁড়া ত্রিপল! বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় ঘর, দমকা হাওয়া দিলেই উড়ে যায় ত্রিপল। নিরুপায় হয়ে ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির ছেলেমেয়েদের নিয়ে চৌকির তলায় ঠাঁই নিতে হয়। তার ওপর বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের লাইন বসলেও পড়ে না জল। আর্সেনিকযুক্ত জল খেয়েই বেঁচে থাকতে হয় তাঁদের। এভাবে চূড়ান্ত সমস্যায় একাধিক আদিবাসী পরিবার। এরকম একটা দুঃসহ অবস্থায় মেলেনি কোনও সরকারি পরিষেবা। তাই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ক্ষোভ এলাকাবাসীর। নদিয়ার শান্তিপুর থানার হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরদারপাড়া। শতাধিক মানুষের বসবাস। বছরের পর বছর ধরে বসবাস করলেও এখনও পর্যন্ত মেলেনি পঞ্চায়েতের কোনও পরিষেবা।

    কী বলছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা (Panchayat)?

    এই বিষয়ে ওই এলাকার এক দিনমজুর রাম সরদার বলেন, আমরা কোনও কিছুই সুবিধা পাই না। ঘর এখনও পাইনি। ভোট এলে তবেই পঞ্চায়েত সদস্যদের এলাকায় দেখা যায়। একাধিকবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আমরা চাই, যাতে অন্তত সরকারি ঘরটা তাড়াতাড়ি পাই। আরেক বাসিন্দা নিমাই সরদার বলেন, জন্মের পর থেকেই এই ত্রিপলের ঘরে বসবাস করছি। ঝড়বৃষ্টি এলে ভয় হয়। কিন্তু কিছু করার নেই। বাধ্য হয়ে থাকতে হয়। একাধিকবার পঞ্চায়েত সদস্যকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। তিনি শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন।কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওই এলাকার বাসিন্দা খুদু সরদার বলেন, বৃষ্টি হলেই বাড়ির সামনে এক হাঁটু জল জমে যায়। বাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। এর আগে একাধিকবার ঘরে সাপ ঢুকেছিল। বাড়িতে ছোট বাচ্চা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি। কিন্তু আমাদের কোনও ঘর দেওয়া হয়নি। বয়স্ক ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিছুই আমি পাই না। পঞ্চায়েতের তরফ থেকে একজন আসেন, দেখে চলে যান। কাজের কাজ কিছুই হয় না। সবকিছু বিক্রি করে কোনও রকমে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগটা করিয়েছি। আমরা চাই অবিলম্বে সরকার এবং পঞ্চায়েতের (Panchayat) তরফ থেকে পরিষেবার ব্যবস্থা করুক।

    ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি নেত্র্রী?

    যদিও পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই এলাকার বিজেপি নেত্রী শিলা হালদার মণ্ডল। হরিপুর পঞ্চায়েতের (Panchayat) বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যাঁরা মূলত তৃণমূল করছেন, তাঁরাই ঘর পাচ্ছেন। একবারের জায়গায় দু থেকে তিনবার একই নামে ঘর আসছে। অথচ যাঁরা নিম্নবিত্ত শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ, যাঁরা ঘর পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা ঘর পাচ্ছেন না। পঞ্চায়েত এলাকার এক শ্রেণির তৃণমূল নেতা কাজ না করে রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, শুধুমাত্র ঘর নয়, প্রতিটি প্রকল্পে ব্যাপক হারে দুর্নীতি করেছে এই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (Panchayat)?

    এ বিষয়ে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat) প্রধান শোভা সরকার বলেন, ঘর মূলত কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার উভয়ের আর্থিক বরাদ্দ থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য না মেলায় ঘর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ওই প্রকল্পের টাকা আমাদের হাতে এলেই আমরা ঘর দেওয়া শুরু করব। অন্যদিকে অন্যান্য প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, সঠিক নথিপত্র যাদের রয়েছে তাদের আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছি।

    ওই এলাকার বর্তমান পঞ্চায়েত (Panchayat) সদস্যা তনুশ্রী সাহার স্বামী এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য তাপস কুমার সাহা বলেন, বাম আমলে কোনও কাজ হয়নি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এবং আমি প্রথম মেম্বার হওয়ার পর ওই এলাকায় একশো শতাংশ উন্নয়ন করেছি। সরদার পাড়ার প্রত্যেকেই ঘর পেয়েছে। পাশাপাশি বিধবা ভাতা এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সবাই পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Vote: পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, ক্ষোভে ভোট বয়কটের ডাক

    Panchayet Vote: পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, ক্ষোভে ভোট বয়কটের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের একমাত্র রাস্তা পাকা না হলে ভোট (Panchayet Vote) বয়কটের ডাক দিলেন বাসিন্দারা। এমনকি গ্রামে পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, এমনটাই আক্ষেপ তাঁদের। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘ভোট এলেই রাজনৈতিক নেতারা চিতাবাঘ থেকে ভিজে বিড়াল হয়ে যান। জোড়হাত করে হাজির হন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে গালভরা প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যায়। আর ভোট ফুরোলেই আবার তাঁরা বাঘ হয়ে যান’। বছরের পর বছর এই ঘটনার সাক্ষী হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের জগৎপুরের বাসিন্দারা। তাই এবার তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, গ্রামের রাস্তা তৈরি না হলে কেউই ভোট দিতে যাবেন না।

    কী অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের?

    গ্রামের বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূল দাবি করে, তারা ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তাদের জননেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় নাকি মানুষের দুয়ারে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছে। দরজা, জানালা খুললেই নাকি উন্নয়ন দেখা যায়। এদিকে জগৎপুর গ্রামের মানুষ দরজা খুললেই গ্রীষ্মে প্রখর ধুলোর ঝড় দেখেন, বর্ষায় এক হাঁটু কাদা দেখতে পান, সামান্য বৃষ্টিতেই গ্রামের মহিলারা শাড়ি গুটিয়ে চলাচল করেন, বৃষ্টি হলে ছেলেবুড়ো সকলে জুতো হাতে করেই চলাচল করেন। প্রায় ১ কিমি পথ জুতো হাতে চলার পর পায়ের কাদা পরিষ্কার করে তবেই জুতো পরতে পারেন। দরজা খুলে এই উন্নয়ন যখন দেখা যায়, তখন খাতায়কলমে গ্রামে ঢোকার মুখে উন্নয়নের আরও একটি চিত্র দেখা যায়। সেখানে একটি বড় সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এই বোর্ডটি বছর দুয়েক আগে লাগানো হয়েছিল। বোর্ডের অর্ধেক লেখা প্রায় অস্পষ্ট হয়ে গেছে। ভালো করে পড়া যায় না। মোটামুটি যেটা বোঝা যায় তা হল, সাড়ে ছয় লাখ টাকা ব্যয় করে এই গ্রামের কর্দমাক্ত রাস্তাটি তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভোটের আগে (Panchayet Vote) এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। 

    অশেষ ভোগান্তি নিয়ে গ্রামের মহিলারা কী বলছেন?

    এই বিষয়ে এলাকার গৃহবধূ অনিমা সামন্ত বলেন, “গ্রামের ছেলেমেয়েদের বিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিয়ের জন্য দেখাশোনায় যাঁরা আসছেন, তাঁদের একটাই বক্তব্য, এখনও ভাঙাচোরা মাটির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছে এখানকার মানুষ। তাহলে বর্ষাকালে  কী পরিস্থিতি তৈরি হয়? একটু বৃষ্টি হয়ে গেলেই আসার আর কোনও পথ নেই। আর যাই হোক, যাঁরা দেখাশোনার জন্য আসবেন, তাঁরা জুতো হাতে এতটা পথ পেরিয়ে আসবেন, তা সম্ভব নয়। তাই কেউ বিয়ে করতে এলে যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে পালকি করে অথবা খালি পায়ে কাদা ভেঙেই আসতে হবে। এতটা ঝুঁকি নিয়ে কেউ বিয়ে করতে চাইছে না এখানে।” অপরদিকে আরেক গৃহবধূ ঝর্ণা সামন্ত বলেন, “মেয়েদের সম্মান রক্ষাও এই গ্রামে যথেষ্ট মুশকিল। একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটুর উপর পর্যন্ত কাপড় গুটিয়ে চলাচল করতে হয়। বাচ্চা কোলে কাদা ভাঙা যথেষ্ট মুশকিল। সারা বছরই শুনি সব কিছু হয়ে গিয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। এবার আর প্রতিশ্রুতিতে ভুলছি না। আগে রাস্তা, তারপর ভোট। রাস্তা না হলে কেউ ভোট (Panchayet Vote) দিতে যাব না।

    কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অঞ্চল প্রধান?

    এই রাস্তাটি যে সত্যিই প্রয়োজনীয়, তা বালি অঞ্চলের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় পালও স্বীকার করছেন। তিনি বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই রাস্তাটি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ হবে”। সবমিলিয়ে এখন দেখার, প্রশাসন বা শাসকদল ভোট বয়কট Panchayet Vote রুখতে রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেয় কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: এটাই বোধহয় তৃণমূলের উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তার প্রতিবাদে ৩৫ টি পরিবার শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে

    BJP: এটাই বোধহয় তৃণমূলের উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তার প্রতিবাদে ৩৫ টি পরিবার শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে। কথার ফানুস উড়িয়ে যিনি সবসময়ই প্রচারের আলোয় থাকতে ভালবাসেন, এটি সেই অনুব্রত মণ্ডলের বিখ্যাত উক্তি। সত্যি, মালদহের এই গ্রামে গেলে দেখা যাবে, উন্নয়ন রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে। এখানে কবি শঙ্খ ঘোষের সেই লাইনগুলিই যেন মনে পড়ে যায়। “রাস্তাজুড়ে খড়্গহাতে দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন।” আর তারই খেসারত দিতে হল শাসকদলকে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে মালদহের গাজোলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন ধরালো বিজেপি। গাজোল ব্লকের চাকনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের জাজিলাপাড়া এলাকায় তৃণমূলের প্রায় ৩৫টি পরিবারের শতাধিক কর্মী-সমর্থক দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলেন। এদিনের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছিলেন গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিধায়ক চিন্ময় দেববর্মন সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। বিধায়ক নিজে উপস্থিত থেকে এদিন প্রায় ৩৫ টি তৃণমূল পরিবারের শতাধিক কর্মী-সমর্থকের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন।

    কেন এতগুলি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ? 

    আসুন, শোনা যাক, এক বয়স্ক মহিলা কী বলছেন। তিনি জানালেন, রাস্তার যা অবস্থা, তাতে দৈনন্দিন মারাত্মক সমস্যার মধ্যে দিয়ে চলতে হচ্ছে। রাস্তা সারানোর দাবি নিয়ে গাজোলে যাওয়া হয়েছে, ডিএম অফিসে যাওয়া হয়েছে, দরবার করা হয়েছে ব্লক অফিসেও। আমাদেরকে কথা দিচ্ছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। আমাদের প্রধান সাহেবও বিষয়টা জানেন। ছোট ছোট বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারে না। ডেলিভারির জন্য মায়েদের নিয়ে যেতে পারছি না, রাস্তাতেই বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা গাজোল যেতে পারছি না। সন্ধ্যার পর এখানে বাইরের কোনও গাড়ি ঢুকছে না। ওই মহিলা পরিষ্কারই বলেন, আমরা খাওয়া-দাওয়া চাইছি না, ঘরবাড়িও চাইছি না। আমরা চাইছি শুধু রাস্তাটা হোক।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক ? 

    বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেববর্মন জানিয়েছেন, শাসক দলের দুর্নীতি, অনুন্নয়ন, সন্ত্রাস এসব দেখেই মানুষ এখন অসন্তুষ্ট ও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই যোগদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীদিনে আরও বহু শাসকদলের কর্মী, এমনকী নেতারাও বিজেপিতে আসার জন্য ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Development: উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে একী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    Development: উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েতকে একী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এলাকায় শ্মশান এবং শবযাত্রী প্রতীক্ষালয়ের জন্য ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছেন বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের টালবাহানার জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও উন্নয়ন (Development) হয়নি। পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর ব্লকের  মন্তেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের  লোহার গ্রামে এসে উন্নয়ন (Development) নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, এত বড় গ্রাম। কিন্তু, এখনও এখানে শ্মশান গড়ে ওঠেনি। অস্থায়ী শ্মশান যাওয়ার যে রাস্তা রয়েছে তা অত্যন্ত বেহাল। অথচ শ্মশান তৈরির জন্য আমি অর্থ বরাদ্দ করেছি। কিন্তু, গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়ার কারণে এখনও এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। বিজেপি সাংসদ লোহার গ্রামে প্রস্তাবিত শ্মশানের জায়গা ঘুরে দেখেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে তিনি কথা বলেন। গ্রামে যাওয়ার যে রাস্তা রয়েছে তা অত্যন্ত খারাপ। বেহাল রাস্তা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,চতুর্দশ অর্থ কমিশনের পর্যাপ্ত টাকা আসছে। কিন্তু, সেভাবে উন্নয়ন (Development)  চোখে পড়ছে না। আসলে এই এলাকার উন্নয়ন (Development)  নিয়ে তৃণমূল পঞ্চায়েত সেভাবে নজর দিচ্ছে না। সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    বিজেপি সাংসদের অভিযোগ নিয়ে কী বললেন পঞ্চায়েতের উপ প্রধান? Development

    মন্তেশ্বর পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় শ্মশান সংস্কারের টাকা বিজেপি সাংসদ দিয়েছে বলে তৃণমূল পঞ্চায়েত কাজ করতে ঢিলেমি করছে। যদিও এই  অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন লোহার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বছরে দুই একবার পরিযায়ী পাখির মত  দশ মিনিটের জন্য সাংসদ এলাকায় আসেন। তাই এলাকার উন্নয়ন ওনার চোখে পড়ে না। মন্তেশ্বর, লোহার এবং সাহাপুর গ্রামের শ্মশানের জায়গার কাগজপত্র মাসখানেক আগেই জমা করা হয়েছে। আর লোহার গ্রামে শ্মশান নয়, প্রতীক্ষালয়ের জন্য তিনি টাকা বরাদ্দ করেছেন। শ্মশানের জন্য তিনি অন্য এলাকায় টাকা দিয়েছেন। আসলে তিনি কোথায় এসেছেন তা তিনি জানেন না। আর বেহাল রাস্তার যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা মাঠে যাওয়ার রাস্তা। গ্রামের রাস্তা নয়। এলাকার রাস্তা করার পর ওই রাস্তা করে দেওয়া হবে।

    পরে, মেমারি ২ ব্লকের ঝিকরা গ্রামে পরিদর্শনে যান বিজেপি সাংসদ। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ঝিকরা গ্রামে কবরস্থান সংস্কার ও সীমানা পাঁচিল তৈরির জন্য এলাকাবাসী আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জায়গা পরিদর্শনে এসেছিলাম। প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা (Urban Naxals)। এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। শুক্রবার গুজরাটের (Gujrat) নর্মদা জেলার একতা নগরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন শহুরে নকশালদের।

    গুজরাটের সর্দার সরোবর বাঁধ তৈরিতে প্রথম পদক্ষেপ করেছিলেন জওহরলাল নেহরু, ১৯৬১ সালে। এদিন সে  প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, নর্মদা নদীর ওপর এই সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘ সময় আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষ। যার জেরে বাঁধ তৈরিতে নষ্ট হয়েছে বেশ কয়েকটা দশক। এই শহুরে নকশাল ও উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষের বাধার জেরে বাঁধ উঁচু করতে ঋণ দিতেও অস্বীকার করেছিল বিশ্বব্যাংক। মোদি বলেন, এই ষড়যন্ত্র বুঝতে কিছু সময় লেগেছিল। তবে শেষমেশ জয়ী হয়েছেন গুজরাটের বাসিন্দারা। বলা হয়েছিল, এই বাঁধ পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর। আজ সেই একই বাঁধ পরিবেশ রক্ষা করছে। এই শহুরে নকশালদের থেকে সতর্ক থাকতে বলেন মোদি।

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    তিনি বলেন, শহুরে নকশালদের মতো গোষ্ঠীর থেকে প্রত্যেকের সতর্ক থাকতে হবে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যের ছ হাজারেরও বেশি পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র এবং সাড়ে ছ হাজারের বেশি জঙ্গল সংক্রান্ত ছাড়পত্র পড়ে রয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, এই প্রস্তাবগুলিকে তাড়াতাড়ি ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি ঠিকঠাক থাকে। ব্যাকলগ থাকলে কোটি কোটি টাকা মূল্যের প্রোজেক্ট আটকে যাবে। মোদি বলেন, এটা অর্থনীতি এবং পরিবেশের পক্ষে একটা উইন-উইন পরিস্থিতি। অযথা পরিবেশের দোহাই দিয়ে কোনও প্রকল্প আটকে রাখা ঠিক নয়। জীবনকে সহজ করতে যা করণীয়, তা করা হবে। তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র মিলবে, তত তাড়াতাড়ি হবে উন্নয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    Article 370:  ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা (Article 370)। হল তারই তিন বছর পূর্তি।  তার পর থেকে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে ভূস্বর্গের। একদিকে উপত্যকায় যেমন কমেছে পাথর ছোড়া, জঙ্গিপনা (Terrorist Act) সহ নানা অশান্তিমূলক কাজকর্ম, তেমনি হচ্ছে উন্নয়ন (Development)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উপত্যকার লেফটেনেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহার (Monaj Sinha) নিরন্তর প্রচেষ্টায় নয়া রূপে সাজছে ভূস্বর্গ।

    ২০১৯ সালের ৫ তারিখে জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। তার পরেই গেল গেল রব ওঠে বিরোধী শিবিরে। তাঁদের আশঙ্কা, ফের রক্তস্নাত হবে উপত্যকা। বাড়বে জঙ্গি হানার ঘটনাও। যদিও গত তিন বছরে জম্মু-কাশ্মীরে এমন কিছুই ঘটেনি, যা নিয়ে হইচই করতে পারেন বিরোধীরা। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ইদানিং ঘটছে কাশ্মীরের কিছু জায়গায়। এখনও একেবারে বন্ধ হয়নি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের কার্যকলাপ। সেই কারণেই ঘটছে এসব ঘটনা। গত কয়েক মাসে টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে। তার পরেও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় শান্তি নেমে এসেছে ভূস্বর্গে। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবেই দেখা যাচ্ছে, জম্মু-কাশ্মীরে ২০১৯এর আগের তুলনায় ঢের কমেছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। বিধানসভার মর্যাদা ফেরাতে হবে নির্বাচন। শেষ হয়েছে ডিলিমিটেশনের কাজও। সেই কাজ শেষের পরে শুরু হয়েছে ভোটার লিস্টে নাম তোলার কাজও। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও। এককথায়, ভূস্বর্গের সর্বত্র স্পষ্ট সুশাসনের ছাপ।

    আরও পড়ুন : ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকা ছাড়েননি কোনও কাশ্মীরি পণ্ডিত, জানাল সরকার

    গত ৭০ বছর ধরে কার্যত বঞ্চনার শিকার হয়েছিল উপত্যকা। এখন অবশ্য সে ছবি বদলে গিয়েছে বেবাক। কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন উপত্যকার বাসিন্দারা। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এসইএইচএটি স্কিমের সুযোগও পাচ্ছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে ফি বছর ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাচ্ছেন কাশ্মীরবাসী।

    কেবল সরকারি সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রেই নয়, উন্নয়নের ছবি নজরে পড়ছে অন্যত্রও। ইতিমধ্যেই ১২০০ স্টার্টআপ রেজিস্টার্ড করে ফেলেছে। এর মধ্যে ফান্ডিং করে ফেলেছে ২০০। উপত্যকায় পরিকাঠামোগত উন্নয়নও হয়েছে। এক লক্ষ কোটি টাকার নয়া প্রোজেক্টও অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৯ সালের আগে ফি বছর আট থেকে ন হাজার প্রজেক্ট কমপ্লিট হত। এখন এই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৫১ হাজারের ওপর। যা প্রমাণ করে সরকারি কাজে গতি এসেছে, এসেছে স্বচ্ছতাও। উন্নয়নের গতি নজরে পড়ে অন্যত্রও। আগে যেখানে প্রতিদিন ছ কিলোমিটার করে রাস্তা তৈরি হত, এখন সেখানে তৈরি হয় ২০ কিলোমিটার। ব্যবসা করার জন্য দুশোরও বেশি প্রশাসনিক সংস্কার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নিরন্তর চেষ্টায় উপত্যকায় যে আক্ষরিক অর্থেই সোনা ফলেছে, তার উদাহরণ রয়েছে আরও। ইতিমধ্যেই ৫৬ হাজার কোটি লগ্নি প্রস্তাব পেয়েছে শিল্প দফতর। শিলান্যাস হয়েছে ৩৮ হাজার ৮০ কোটি টাকার প্রকল্পের। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যেই হয়েছে এই শিলান্যাস। ভূস্বর্গের বাস্তুতন্ত্রের কথাও মাথায় রেখেছে প্রশাসন। সেই কারণে উপত্যকায় ব্যাপক দূষণ ছড়ায় এমন শিল্পে উৎসাহ দিচ্ছে না সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট কারখানা, ইটভাটা, স্টোন ক্র্যাশার এবং আয়রণ ও স্টিল প্ল্যান্ট।

    ৩৭০ ধারা রদের পরে এভাবেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ!

     

LinkedIn
Share