Tag: DGCA

DGCA

  • Pre-Flight Alcohol Test: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু

    Pre-Flight Alcohol Test: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উড়ানের আগে বাধ্যতামূলক ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্টে (Breath Analyaser Tests) ব্যর্থ হওয়ার জন্যে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দুই পাইলট এবং দুই কেবিন ক্রুকে তিন বছরের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানাল সিভিল অ্যাভিয়েশনের কর্তৃপক্ষ। 

    মোট ৯ জন পাইলট এবং ৩২ জন ক্রু- এর ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্ট করা হয়, যাদের মধ্যে এই চারজন সেই পরীক্ষায় একাধিকবার ব্যর্থ হন। বাকিরা একবার ব্যর্থ হওয়ায় তাদের তিনমাসের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। উড়ানের সময় কোনও পাইলট বা ক্রু সদস্য মদ্যপ থাকায় যাতে যাত্রীদের কোনওপ্রকার বিপদের সম্মুখীন না হতে হয়, সেই কথা মাথায় রেখেই করা হয় এই ব্রেথ টেস্ট।     
     
    ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) জানিয়েছে, ইন্ডিগোর চারজন পাইলট এবং ১০ জন কেবিন ক্রু , গো ফার্স্টের  একজন পাইলট এবং পাঁচজন কেবিন ক্রু , স্পাইস জেটের একজন পাইলট এবং ছজন কেবিন ক্রু, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একজন পাইলট এবং এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার চারজন কেবিন ক্রু প্রাক-বিমান অ্যালকোহল পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়।  
     
    বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রকের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে,  দুই পাইলট এবং দুই কেবিন-ক্রু পর পর দুবার ব্যর্থ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  বাকি সাতজন পাইলট এবং ৩০ জন কেবিন-ক্রু প্রথমবার বিএ পজিটিভ হওয়ায় তাদের তিনমাসের জন্যে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়। 
     
    অ্যাভিয়েশন রেগুলেটর নির্দেশ জারি করে যে, এয়ারলাইন্সগুলিকে নিশ্চিত করতে হবে যে দৈনিক ভিত্তিতে তাদের পাইলট এবং কেবিন-ক্রু সদস্যদের অন্তত ৫০ শতাংশ যেন প্রাক-উড়ান অ্যালকোহল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কোভিড-১৯ (Covid-19) অতিমারী প্রাদুর্ভাবের আগে, সমস্ত ক্রু সদস্যদের প্রাক-ফ্লাইট অ্যালকোহল পরীক্ষা করা আবশ্যক ছিল। অতিমারীর জেরে এই পরীক্ষা কয়েক মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে, আবার শুরু করা হয়েছে সেই পরীক্ষা, তবে সব সদস্যদের জন্য নয়। 

    এর আগে, গত এপ্রিল মাসে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান চালানোর সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকায় স্পাইসজেট এয়ারলাইন্সের ৯০ জন পাইলটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ডিজিসিএ। 

  • SpiceJet Horror: ঘটনার সময় বিমান ছিল অটোপাইলট মোডে! ‘বসিয়ে দেওয়া’ হল পাইলট, ইঞ্জিনিয়ারদের

    SpiceJet Horror: ঘটনার সময় বিমান ছিল অটোপাইলট মোডে! ‘বসিয়ে দেওয়া’ হল পাইলট, ইঞ্জিনিয়ারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবতরণের আগে রবিবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখী (Norwester Kalbaisakhi) ঝড়ের কবলে পড়া স্পাইসজেটের (Spicejet) মুম্বই-অণ্ডালগামী (Mumbai-Durgapur flight SG-945)  বিমানের দুই পাইলট-সহ অন্য কর্মীদের আপাতত বসিয়ে (Grounded) দেওয়া হল। রেডারে বজ্রগর্ভ মেঘ দেখা সত্বেও বিমানচালক কেন পথ পরিবর্তন করেননি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্পাইসজেট বিমান সংস্থা। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ওই ঘটনার সময় কিছুক্ষণ বিমানটি অটোপাইলট (Autopilot) মোডে ছিল। বিমানটিকে উড়তে অনুমতি দেওয়ার কারণে বসিয়ে দেওয়া হল আরও দুই ব্যক্তিকে। পাশাপাশি, বি৭৩৭-৮০০ (Boeing 737-800)  বিমানটির উড়ানেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন’ (DGCA) ওই বিমানের দুই পাইলট-সহ সমস্ত কর্মীকেই ‘বসিয়ে’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বিমানটির ওড়ায় ছাড়পত্র দেওয়া রক্ষণাবেক্ষণ ইঞ্জিনিয়ার এবং ওই সময় স্পাইসজেটের রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিকেও। রবিবারের ঘটনার পর স্পাইসজেটের সমস্ত বিমানেরই পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। এরই পাশাপাশি, বি৭৩৭-৮০০ বিমানটিও আর উড়তে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

    ডিজিসিএ-র প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, ঝড়ের কবলে পড়ে ওই বিমানের ১৪ জন যাত্রী এবং তিন জন কর্মী আহত হয়েছেন। কারও মাথায়, কারও পিঠে, ঘাড়ে ও মুখে চোট লেগেছে। এখনও তিন জন যাত্রী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মাথায় ও পিঠে গুরুতর চোট লাগায় তাঁদের মধ্যে দু’জন আপাতত দুর্গাপুরের একটি হাসপাতালে আইসিইউ-তে ভর্তি। বিমানটিতে ১৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। ওই ঘটনার কথা মনে পড়লে এখনও আতঙ্কে যাত্রীরা।

  • SpiceJet Boeing-737: ফের বিপত্তি স্পাইসজেটের বিমানে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে চেন্নাই-অন্ডাল উড়ান

    SpiceJet Boeing-737: ফের বিপত্তি স্পাইসজেটের বিমানে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে চেন্নাই-অন্ডাল উড়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ফের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ল অন্ডালগামী একটি বিমান। মঙ্গলবার চেন্নাই থেকে অন্ডাল আসছিল স্পাইসজেটের SG-331 উড়ানটি। আকাশে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তাই অন্ডাল না নিয়ে এসে বিমানটিকে ফের চেন্নাইতেই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। স্পাইসজেটের SG-331 উড়ানটি গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ উড়েছিল। বিমানটি উচ্চতায় ওঠার সময় দুই নম্বর ইঞ্জিনের জ্বালানির ফিল্টার বাইপাস লাইট জ্বলে ওঠে। এরপরই পাইলট মাঝ আকাশে ইঞ্জিনটিকে বন্ধ করে দেন। এরপর ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বিমানটি চেন্নাই বিমানবন্দরেই অবতরণ করে। মুম্বই-অন্ডাল উড়ানের পর চেন্নাই-অন্ডাল উড়ানে এই বিপত্তির জেরে প্রশ্নের মুখে স্পাইসজেট। পরপর দু’বার এই ধরনের ঘটনার জেরে ডিজিসিএ-র তরফে  স্পাইসজেটের  বোয়িং B737-8 ম্যাক্স বিমানটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

    গত রবিবার ঝড়ের কবলে পড়ে স্পাইসজেটের মুম্বই-দুর্গাপুর (Mumbai-Durgapur flight SG-945) দৈনিক বিমানটি। দুর্গাপুরের অণ্ডাল (Andal airport) বিমানবন্দরের রানওয়েতে সঠিক ভাবে অবতরণ করার আগে এই দুর্যোগের মধ্যে পড়ে সেটি। ঝড় ও বৃষ্টির জন্য প্রবল ঝাঁকুনি লাগে বিমানে। আহত হন ১৭ জন যাত্রী। ডিজিসিএ-র (DGCA) তরফে জানানো হয়েছিল, আহতদের মধ্যে ১৪ জন যাত্রী এবং তিন জন বিমানকর্মী। স্পাইসজেটের মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘অবতরণের পরই ওঁদের চিকিৎসা করানো হয়। আপাতত সকলেই সুস্থ। কয়েক জনের চোট একটু গুরুতর ছিল।’’ ওই
    বিমানের দুই পাইলট-সহ অন্য কর্মীদের আপাতত বসিয়ে (Grounded) দেওয়া হয়েছে। রেডারে বজ্রগর্ভ মেঘ দেখা সত্বেও বিমানচালক কেন পথ পরিবর্তন করেননি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্পাইসজেট বিমান সংস্থা। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ওই ঘটনার সময় কিছুক্ষণ বিমানটি অটোপাইলট (Autopilot) মোডে ছিল। বিমানটিকে উড়তে অনুমতি দেওয়ার কারণে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে আরও দুই ব্যক্তিকে। পাশাপাশি, বি৭৩৭-৮০০ (Boeing 737-800)  বিমানটির উড়ানেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন’ (DGCA) ।

  • DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল এয়ার ইন্ডিয়াকে (Air India)। বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও বিমানে উঠতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন এক যাত্রী। তার জেরেই এই শাস্তি। পরবর্তীতে এই বিমানসংস্থার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন একাধিক যাত্রী। তাঁদের দাবি, বৈধ  টিকিটসহ নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে চেক-ইন করার পরেও তাঁরা বিমানে ওঠার অনুমতি পাননি। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তের নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং দিল্লিতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয়। তারপরই এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় ডিজিসিএ।    

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    একটি বিজ্ঞপ্তিতে ডিজিসিএ জানায়, তদন্তের পর এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিয়মাবলি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে আগামী দিনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেকথাও জানিয়েছে ডিজিসিএ। কিছুদিন আগেই নিয়ম পালন না করার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছিল ডিজিসিএ। জানা যায়, বিমানসংস্থাটি নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলে না। এমনকী ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীদের কোনও ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয় না।    

      আরও পড়ুন: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু 
     
    [tw]


    [/tw]

    ডিজিসিএ-র নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি কোনও সংস্থা যাত্রীকে বিমানে ওঠার অনুমতি না দেয়, তাহলে হয় সংস্থাটিই অন্য বিমানে ওঠার ব্যবস্থা করে দেবে সেই যাত্রীকে বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে পারলে যাত্রীকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিমানসংস্থাকে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করে গেলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ২০ হাজার অবধি পৌঁছতে পারে।  সঙ্গে সঙ্গে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলে সেক্ষেত্রে যাত্রীরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। 

      

  • Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিল কেন্দ্র। করোনার সময় যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি তা তুলে নেওয়া হল। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগাস্টের পর থেকে ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, এয়ার ইন্ডিয়া, ভিস্তারা ও আকাশা এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলি নিজেদের ইচ্ছামতো টিকিটের দাম ধার্য করতে পারবে এবং প্রয়োজনে ছাড়ও দিতে পারবে। এর উপরে কেন্দ্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

    বুধবারই ডিজিসিএ-র তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে বলা হয়, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল ও যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিমানের ভাড়ার উপরে যে ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে উড়ান সংস্থাগুলি নিজেরাই ভাড়া ধার্য করতে পারবে।” এর ফলে এবার থেকে দেশের মধ্যে যে সমস্ত বিমানগুলি চলাচল করে, তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থা যাত্রী সংখ্যা, টিকিটের চাহিদা ও জ্বালানির দাম অনুযায়ী বিমানের টিকিটের দাম ঠিক করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের

    বিমানের ভাড়া সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের উপর দুই ধরনের প্রভব পড়তে পারে। কী কী প্রভাব? একটি সদর্থক একটি অ-সদর্থক। কেন্দ্র এয়ারফেয়ার তুলে নিলে ভাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, যাত্রীদের জন্য সুখবর হল ভাড়া কমতেও পারে। যেহেতু ভাড়ার বিষয়টি আর কেন্দ্র দেখছে না, সেটি বিমান কোম্পানিগুলোর হাতে থাকছে সেই কারণে, বিমান সংস্থাগুলো যদি মনে করে তবে বিমানের ভাড়া চাইলে কমাতেও পারে সংস্থাগুলো। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকিটে ছাড় দিয়ে যাত্রীদের আকৃষ্টও করতে পারে উড়ান সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞার জন্যই সমস্ত উড়ান সংস্থাকে একদিকে যেমন টিকিটের দামের ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা মেনে চলতে হত, তেমনই আবার যাত্রীদের বিশেষ কোনও ছাড় বা অফারও দিতে পারত না তারা।  কেন্দ্রীয় উড়ানমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে খুশি বেসরকারি উড়ান সংস্থাগুলি।

LinkedIn
Share