Tag: DGP

DGP

  • Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    Sandeshkhali: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ফিরে যেতেই অ্যাকশন মুডে চলে যায় পুলিশ। শুরু হয় গ্রাম জুড়ে ধরপাকড়। বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ চেষ্টা করলে মুহূর্তের মধ্যে ছবি বদলে যায়। আগুনে ঘি ঢালার মতো পুলিশের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়ে। পুলিশের গাড়ির সামনেই গাছের গুঁড়ি ফেলে মহিলারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হাতে গাছের ডাল নিয়ে পথে নামেন মহিলারা। পুলিশ ভ্যানে সামনেই রাস্তায় শুয়ে পড়েন এক বৃদ্ধ মহিলা। সব মিলিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    এতদিন শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল। শুক্রবার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুজন তৃণমূল নেতার ওপর জনরোষ গিয়ে পড়ে। অজিত মাইতি নামে এক তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আর তৈয়ব মোল্লার ভেড়ির আলাঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। নতুন করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অশান্ত হওয়ার খবর পেয়ে শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার আসেন। বিক্ষোভ দমাতে গ্রামবাসীদের আইন হাতে তুলে নিলে গ্রেফতারি করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সন্দেশখালি থেকে ডিজি ফিরে যাবার পরেই কার্যত অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। এলাকা জুড়ে একের পর এক ধর পাকড় শুরু হয়। বেড়মজুড় গ্রামের সাঁকোর এক প্রান্তে পুলিশ বাহিনী। অন্যপ্রান্তে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। এক মহিলা বলেন, আমার ছেলে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল। ভ্যান চালিয়ে খুব কষ্ট করে সে পড়াশোনা করছে। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে পুলিশ তাকে তুলে নিল। এটা পুলিশের কী আচরণ। এই পুলিশের গাড়ির সামনে মাটিতে শুয়ে এক গ্রামবাসী কাকুতি মিনতি করতে থাকেন। চ্যাংদোলা করে তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীকে না ধরে গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের বক্তব্য, ইডি-র ওপর হামলার পর থেকেই শাহজাহানের খোঁজ নেই। তাঁর অনুগামীরাও এলাকা ছাড়া। যারা এলাকায় এক সময় অত্যাচার করেছিল তাদের গ্রেফতার করার বিষয়ে পুলিশের কোন হেলদোল নেই। অত্যাচারীদের জন্যই সন্দেশখালির আজ এই চেহারা নিয়েছে। শাহজাহানকে না ধরে এখন গ্রামবাসীদের ধরতে ব্যস্ত পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ দমাতে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি ডিজি-র

    Sandeshkhali: ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর, বিক্ষোভ দমাতে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি ডিজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় যারা গ্রামের পর গ্রাম জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল, সেই শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি। বৃহস্পতিবারের মতো শুক্রবারও জ্বলছে সন্দেশখালি। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর এলাকায় লাঠি, বাঁশ-হাতে রাস্তায় নেমেছেন গ্রামের মহিলারা। শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি, তোয়েব মোল্লাদের বিরুদ্ধে জনরোষ আছড়ে পড়ল।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর (Sandeshkhali)

    শুক্রবার সকাল থেকে নতুন করে অশান্ত হতে শুরু করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। গ্রামবাসীদের জমি দখল করে ভেড়়ি করা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তোয়েবের বিরুদ্ধে জনতারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ভেড়ির আলাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে, সমস্ত ক্ষোভ গিয়ে পড়ে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর। বেড়মজুর এলাকার মানুষের অভিযুক্তদেরও তালিকায় প্রথম নাম রয়েছে তাঁর। শুক্রবার সকালে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতেই হামলার অভিযোগ ওঠে। বেড়ার পাঁচিল ভেঙে ফেলা হয়।  বাড়ির ভিতর ঢুকেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, একুশের নির্বাচনের পর থেকে ওই তণমূল নেতার দলবল আমাদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে। বাড়িঘর দখল করেছে, জমি দখল করেছে, প্রতিবাদ করলেও মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে ব্যাপক মারধরও করা হয়েছে। এবার সেই ক্ষোভই আছড়ে পড়ল তৃণমূল নেতার পরিবারের ওপর। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূলনেতার স্ত্রীর বক্তব্য,  “আমার স্বামী কিচ্ছু করেনি। কোনও ভাঙচুর করেনি। সব ওরা গায়ের জোরে করছে। শাহজাহান শেখের সঙ্গে দল করে, এটাই ওদের রাগ।” আক্রান্ত তৃণমূল নেতার বক্তব্য, “গ্রামবাসীদের অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে আইনের শাসন মেনে নেব।

    সন্দেশখালিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি

    এদিকে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করল বসিরহাট জেলা পুলিশ। ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। শুক্রবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় যান রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তিনি বলেন, আইন হাতে তুলে নেবেন না। যা অভিযোগ রয়েছে, সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এদিন বেড়মজুরে যান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেন। জেলাশাসকের সঙ্গে ফোনে গ্রামবাসীদের কথা বলিয়ে দেন।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের পর ভাই সিরাজ! তাঁর বিরুদ্ধেও জনরোষ, পথে মহিলারা

    Sandeshkhali: শাহজাহানের পর ভাই সিরাজ! তাঁর বিরুদ্ধেও জনরোষ, পথে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মতো এবার প্রতিবাদে বিস্ফোরক ঝুপখালির মহিলারাও। এলাকায় পুলিশি পাহারা এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের উপেক্ষা করেই ফের জনরোষের চিত্র লক্ষ্য করা গেল বৃহস্পতিবার। জোর করে চাষের জমি, মাছচাষের ভেড়ি এবং ফসলের জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ যেমন শাহজাহান-শিবু-উত্তমের বিরুদ্ধে উঠেছিল, ঠিক তেমনই জেলিয়াখালি, ঝুপখালির মানুষও অনেকদিন ধরেই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন একই অভিযোগে। এবার অভিযোগ শেখ শাহজাহানের ভাই সিরাজ ডাক্তার ওরফে সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে। শাহজাহানের পর কাঠগড়ায় ভাই সিরাজ! ভাইও নাকি ছিল কীর্তিমান।

    শাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে জনরোষ (Sandeshkhali)

    আজ ফের একবার জনরোষের চিত্র ধরা পড়ল ঝুপখালিতে (Sandeshkhali)। এলাকার এক মহিলা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “শাহজাহানের ভাই সিরাজ ওরফে সিরাজউদ্দিন আমার দোকানের জায়গা দখল করে নিয়েছে। শুধু আমার জায়গা নয়, গোটা এলাকা দখল করে নিয়েছে। ১৫ থেকে ১৬ বিঘা জমি দখল করে নিয়েছে গায়ের জোরে। আমাদের জমি দখল করে ভেড়ি তৈরি করে নিয়েছে ওরা। শুধু তাই নয়, ভেড়িগুলিকে লোকের কাছে চড়া দামে বিক্রিও করে দিয়েছে। এলাকায় এই তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে নতুন করে আর যাতে ভেড়ি নির্মাণ না হয়, সেই দাবি জানাই।”

    আগুন সিরাজের আলাঘরে

    এই সব অভিযোগ তুলে আজ ময়দানে ফের নামেন এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষোভ আর প্রতিবাদ গিয়ে পড়ে সিরাজের উপর। তাঁর ভেড়ি এবং অফিস আলাঘর পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী নেমেছে।

    পুলিশ এতদিন কোথায় ছিল?

    ঝুপখালির (Sandeshkhali) উত্তেজিত সাধারণ মহিলাদের সামাল দিতে গেলে পুলিশের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে গ্রামের আরও এক মহিলা বলেন, “সিরাজের ফাঁসি চাই। ওর হাতেপায়ে ধরে বলেছিলাম, আমার বাপের বাড়ির জমি নিও না। কিন্তু সব দখল করে নিয়েছে। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে জীবন কাটাতে হচ্ছে। পুলিশ এতদিন কোথায় ছিল যখন আদিবাসীদের ল্যাম্প পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হত?”

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণের দেড় মাস পর রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি পরিদর্শনে গেলেও পালতক তৃণমূল নেতা শাহজাহানের গ্রেফতারি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। কার্যত প্রশ্নের ভয়ে কি সাংবাদিক সম্মেলন না করে চলে এলেন? প্রশ্ন তুলছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি (DGP) নিয়োগ নিয়ে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করল ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন। এই গাইডলাইন থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার, রাজ্য সরকার চাইলেই যাকে খুশি আর ওই পদে বসাতে পারবে না। এতদিন তৃণমূল সরকার রাজ্য পুলিশের এই সর্বোচ্চ পদটিতে বেছে বেছে তাঁবেদারদেরই বসিয়ে এসেছে। সেই অর্থে পদটির কোনও গুরুত্বই রাখা হয়নি। যাঁদেরই এই পদে বসানো হয়েছে, তাঁরা কার্যত জো-হুজুরপনা করেই দায় এড়িয়েছেন। এবার এই পদের গুরুত্ব অনুযায়ী কড়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছে গত ২৬ সেপ্টেম্বর। তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাশাপাশি সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবদের। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত ২০০৯ সালের যে গাইডলাইন ছিল, তা বাতিল হয়ে এটি এখন থেকেই কার্যকর করতে হবে।

    কী রয়েছে নয়া গাইডলাইনে? (DGP)

    প্রথমত, ডিজি নিয়োগে রাজ্য সরকারের একাধিপত্য খর্ব করতে একটি এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি গঠন করার কথা বলে দেওয়া হয়েছে। তাতে থাকবেন ইউপিএসসি’র চেয়ারম্যান, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র সচিব, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি প্রমুখ। এই সংক্রান্ত যে কোনও বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কমিশনের চেয়ারম্যানকে।

    গাইডলাইনে সাফ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্রেফ পছন্দের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের ওই রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বোচ্চ পদে (DGP) কাউকে বসিয়ে দেওয়া যাবে না। যাকে বসানে হচ্ছে, দেখে নিতে হবে, এমন একটি বাহিনীকে পরিচালনা করার মতো যোগ্যতা তাঁর আছে কি না। তাঁর কাজের রেকর্ডকেও গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। অর্থাৎ, এই পদে কেউ নির্বাচিত হবেন মেরিটের ভিত্তিতে, তাঁবেদারি করে নয়।

    তিনমাস আগে পাঠাতে হবে প্রস্তাব (DGP)

    গাইডলাইনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিজির পদ যেদিন ফাঁকা হওয়ার কথা, তার অন্তত তিন মাস আগে নয়া কমিটির মিটিং ডাকার জন্য কমিশনকে জানাতে হবে। তাতে প্যানেল হিসেবে রাজ্য কাকে কাকে চাইছে, তাদের নাম, ধাম, রেকর্ড, কর্মদক্ষতা, পড়াশোনা ইত্যাদি একগুচ্ছ তথ্যও দিতে হবে। এমনকী ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গ বা ফৌজদারি মামলা অমীমাংসিত থাকলে, জানাতে হবে সেটাও। কোনও সময় ওই অফিসার জরিমানার সম্মুখীন হলে সেটাও চেপে গেলে চলবে না। এতকিছু বিচার বিবেচনা করার পরই ওই কমিটি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জন্য ডিজি নিয়োগের প্যানেল তৈরি করে রাজ্যকে পাঠাবে। আরও একটি বিষয় ওই গাইডলাইনে জানানো হয়েছে। তা হল, প্যানেলে থাকা কোনও অফিসারের বিরুদ্ধে যদি ভিজিল্যান্স বা বিভাগীয় তদন্ত চলে, তবে তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে না। কিন্তু প্যানেলে সর্বোচ্চ তিনজনের বেশি নাম দেওয়া যাবে না।
    কমিশনের ওই গাইডলাইন থেকে পরিষ্কার, রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে (DGP) নিয়োগে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতার আর কোনও জায়গা থাকবে না। যোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতা থাকলে তবেই কাউকে ওই রকম একটি পদে বসানো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: খেলার মাঠের পর এবার তিনশো বিঘার জমি ফেরানোর কাজ শুরু হল

    Sandeshkhali: খেলার মাঠের পর এবার তিনশো বিঘার জমি ফেরানোর কাজ শুরু হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহানের দখল করা খেলার মাঠের পর এবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তিনশো বিঘার জমি ফরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল প্রশাসন। ভূমি এবং ভূমি সংস্কারের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দখলকৃত জমির প্রকৃত মালিকদের চিহ্নিত করে গতকাল বৃহস্পতিবার মোট ৯ জনকে জমি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রক্রিয়াটি অনেক দীর্ঘমেয়াদী বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত দেড় মাস ধরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা রেশন দুর্নীতি মামলায় শেখ শাহজাহানের সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে তদন্তকারী অফিসারদের মাথা ফাটানো হয়। একই ভাবে সেনা জওয়ানদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এরপর থেকে শেখ শাহজাহান এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে এলাকায় জমি দখল, বাড়ির বউদের তুলে নিয়ে পার্টি অফিসে ধর্ষণ করার অভিযোগে এলাকাবাসীরা ব্যাপক ভাবে সরব হয়ে ওঠেন। পুলিশ গ্রেফতার না করায় শাহজাহান-শিবু-উত্তমের বিরুদ্ধে জনবিস্ফোরণ লক্ষ্য করা যায়। শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। একই ভাবে ঝুপখালিতে শাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধেও গতকাল প্রতিবাদী হন মহিলারা। তাঁর আলাঘরেও দেওয়া হয় আগুন। যদিও শিবু-উত্তমকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও শাহজাহান এখনও পালাতক। রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি পরিদর্শন করলেও এখনও ধরা পড়েনি এই তৃণমূল নেতা।

    জমির জরিপের পর শুরু কাজ (Sandeshkhali)

    গতকাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের দখল করা ফুটবল খেলার মাঠ প্রশাসন এলাকার মানুষের কাছে হস্তান্তর করেছে। মাঠের দেওয়ালে লেখা ‘শেখ শাহজাহান ফ্যান ক্লাব’-এর উপর চুনকাম করে মুছে দেওয়া হয়েছে। মাঠের তালা খুলে দেওয়া হয় সকলের জন্য। ইতিমধ্যেই গত বুধবার রাত থেকেই পুলিশ টহল চালিয়েছে এলাকায়। একইভাবে মাঠের জমির জরিপের কাজ শুরু করা হয়েছে। এরপর আগের অবস্থায় জমি ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে। এই ভাবেই অশান্ত সন্দেশখালির পরিস্থিতিকে শান্ত করার প্রক্রিয়া করা হবে বলে আরও মনে করা হচ্ছে প্রশাসন।

    আন্দোলনকে দমন করতে তড়িঘড়ি জমি ফেরত?

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তিনশো বিঘার জমির প্রকৃত মালিকের জমিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও এই জমি ফেরানোর কাজটি অত্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা। তবে এলাকার মানুষের দাবি “আন্দোলনকে দমন করতে তড়িঘড়ি করে এই জমি ফেরানোর কাজ করছে প্রশাসন। পুলিশ প্রশাসন, তৃণমূল নেতাদের বাঁচাতে এখন সক্রিয় হয়েছে।” সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত মোট নয়জনের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার থানার এসপি জানিয়েছেন, যাঁদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁদের জমিই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Haryana Police Murder: খনি মাফিয়ার দাপট, হরিয়ানায় পিষে মারা হল কর্তব্যরত ডিএসপি-কে

    Haryana Police Murder: খনি মাফিয়ার দাপট, হরিয়ানায় পিষে মারা হল কর্তব্যরত ডিএসপি-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হরিয়ানা (Haryana)। কর্তব্যরত ডিএসপিকে (DSP) ট্রাকের (Truck) চাকার নীচে পিষে (Run over) মারল খনি মাফিয়ারা (Mining Mafia)। ঘটনাটি ঘটেছে নুহ জেলায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায়। সেখানেই কর্মরত ছিলেন ডিএসপি পদমর্যাদার ওই পুলিশ অফিসার। নাম সুরেন্দ্রনাথ সিং তাউরু।

    ওই অঞ্চলে মাফিয়াদের দাপাদাপি বন্ধ করতে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে তিনি ওই স্থানে যান। একটি ট্রাককে হাতেনাতে ধরেও ফেলেন। ট্রাকটিকে দূর থেকে আসতে দেখে হাতের ইশারা করে দাঁড়াতে বলেন। ট্রাকের কাগজপত্র এবং মাল খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা ছিল ওই পুলিশ অফিসারের। কিন্তু পুলিশকে দেখেই আতঙ্কে গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয় ট্রাকের চালক। আর তাতেই ঘটে এই দুর্ঘটনা। পুলিশ অফিসারের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয় চালক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পুলিশ অফিসারের। আরো দুজন পুলিশ সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বিপদ বুঝে তাঁরা রাস্তার পাশে ঝাঁপ দেন এবং প্রাণে বেঁচে যান। আর তারপরেই চম্পট দেয় ওই ট্রাকের চালক। 

    আরও পড়ুন: ৮৭ বছরে হাজতবাস! তিহাড় জেলের সবচেয়ে বর্ষীয়ান বন্দি ওম প্রকাশ চৌটালা

    পুলিশ ট্রাক চালক এবং বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। হরিয়ানা (Haryana) পুলিশ অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলের মাধ্যমে সুরেন্দ্র সিং তাউরু মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এনে শোকজ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।  

    [tw]


    [/tw]

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর দোষীদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেছেন, “খনি মাফিয়ারা কেউই পার পাবে না। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। সবার শাস্তি হবে।” 

    এর আগেও বারবার হরিয়ানায় খনি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। ভূমি ও ভূমিরাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের ওপর খনি মাফিয়ারা বারবার হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার ভূমিরাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের পিষে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তারপরও হরিয়ানার খনি মাফিয়াদের কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    ২০২১-২২ সালের ৮ মার্চের হরিয়ানা ইকোনমিক সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে ২১ হাজার ৪৫০টি বেআইনি খননকার্যের খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে আইনি কাগজপত্র ছাড়া খনিজ পরিবহন।   

     

LinkedIn
Share