Tag: dhaka university

  • Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মাথা নোয়াল বাংলাদেশের (Bangladesh) শাসক দল বিএনপি। ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবসে’ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির তারেক রহমান (PM Tarique Rahman)। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছিল। নির্বিচারে খুন করা হয়েছিল লাখ লাখ বাঙালিকে। সেই ঘটনার স্মরণেই ফি বছর পালিত হয় ‘গণহত্যা দিবস’।

    কী বললেন তারেক (Bangladesh)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকারতম দিন বলে উল্লেখ করেন। এই দিন পাক দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করেছিল। এই অপারেশনে তারা রাতের অন্ধকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন-সহ বিভিন্ন জায়গায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। রহমান লেখেন, “তবে ২৫ মার্চ রাতেই চট্টগ্রামে ৮ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভল্ট’ ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিকভাবে গণহত্যার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করে। এই প্রতিরোধের মাধ্যমেই দীর্ঘ ন’মাসের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।”

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)-এর বাঙালিদের বিরুদ্ধে পাক বাহিনীর চালানো এই নির্মম গণহত্যা ন’মাসব্যাপী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে, যা শেষ হয় ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে, স্বাধীনতার মাধ্যমে। নাগরিকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, তাঁরা যেন নতুন প্রজন্মের মধ্যে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনা জাগ্রত করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলেন। শহিদদের আত্মার শান্তিও কামনা করেন তিনি (Bangladesh)। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রহমান তাঁর পোস্টে লেখেন, “আসুন, আমরা সবাই মিলে (PM Tarique Rahman) একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি (Bangladesh)।” উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপির একটি লিখিত এবং স্পষ্ট অবস্থানের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছেন বাংলাদেশিরা।

  • Bangladesh Crisis: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজর আলির গ্রেফতারির দাবিতে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) পড়ুয়ারা। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তাল বাংলাদেশের রাজধানী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছেন প্রতিবাদীরা। ঘটনার প্রতিবাদে রবিরার রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন তাঁরা।

    দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি (Bangladesh Crisis)

    মিছিল থেকে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়ার আওয়াজ ওঠে। মিছিল শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে। শাহবাগ প্রদক্ষিণ করে মিছিল শেষ হয় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে। কেন্দ্রীয় ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সলমান সিদ্দিকি বলেন, “বিগত আওয়ামি লিগের আমলে তনু, খাদিজা-সহ অসংখ্যা নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের বিচার হয়নি। আমরা আশা করেছিলাম, ৫ অগাস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার নারীদের সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরেও দেখলাম নারীরা ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নন।” ইউনূস সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকারের আমলেও আছিয়া, লামিয়া এবং কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘটনা-সহ অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে।” সিদ্দিকি বলেন, “এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

    ধর্ষণে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা

    প্রসঙ্গত, কুমিল্লার রামচন্দ্রপুর পচকিট্টা গ্রামের বাসিন্দা তথা স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজর আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ সে এক হিন্দু তরুণী বধূকে বাড়িতে ঢুকে গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ করে। দুই সন্তানের মা ওই বধূর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ফজরকে ধরে ফেলে। যদিও পরে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় সে। পরে সায়েদাবাদ এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে (Bangladesh Crisis)। এই ঘটনার পর কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফজর-সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে তিনজন ঘটনার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও (Dhaka University) এই ঘটনার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষোভের আগুন। ঘটনায় মুখ খুলেছে ভারত সরকারও (Bangladesh Crisis)।

  • Bangladesh Crisis: সনাতন ধর্মের অবমাননা! উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিক্ষোভ হিন্দু পড়ুয়াদের

    Bangladesh Crisis: সনাতন ধর্মের অবমাননা! উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিক্ষোভ হিন্দু পড়ুয়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) অবমাননার অভিযোগে প্রতিবাদ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) হিন্দু পড়ুয়ারা (Hindu students)। বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় লাগোয় রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু-ছাত্রছাত্রীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সম্মিলিত সনাতন নাগরিক জোটের সদস্যরা। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh Crisis) রেজিস্ট্রার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

    বিতর্কের সূত্রপাত সোশ্যাল সাইটের পোস্ট

    বিতর্কের সূত্রপাত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র আবু সায়েমের একটি ফেসবুক পোস্ট (face book post)। তাতে সে হিন্দু ধর্মকে অবমাননা (insult to Hindu dharma) করে আপত্তিজনক কথাবার্তা লেখে। জাকি আহম্মেদ নামে আর এক ছাত্র হিন্দুদের হত্যা (call for killing) করার ডাক দেয়। ওই দুই ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবিতে পথে নামে হিন্দু ছাত্ররা। তারা স্লোগান দেয়, ‘মানি না, মানব না, ধর্মের অবমাননা’। তাদের দাবি, ‘এক দুই তিন চার চাই সায়েমের বহিষ্কার’।

    ছাত্রদের ৩ দফা দাবি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ছাত্র সৌরভ বালাই এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা এ দেশের নাগরিক। আমরা চাই যেন নাগরিকের সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারি।’ তিনি অভিযোগ করেন, সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বন্ধ করতে সরকারকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে। এক ছাত্রী বলেন, যে ধরনের পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা কোনও সংখ্যালঘু দিলে অনেক আগেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দিত। অভিযুক্ত সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের বলেই প্রশাসন হাত গুটিয়ে আছে। আর এক ছাত্রী বোটানি বিভাগের সুমি বিশ্বাস দাবি করেন, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। রেজিস্ট্রারের কাছে হিন্দু পড়ুয়ারা যে দাবিপত্র পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ম অবমাননার ঘটনা নির্মূল করতে হবে। অভিযুক্ত দুই ছাত্রকে পাকাপাকিভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি হিন্দু ছাত্ররা শিক্ষকদের বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, বাংলা, সংস্কৃত বিভাগে সাহিত্য সমালোচনার ক্লাসে শিক্ষকদের অনেকেই হিন্দু ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা, অবমাননামূলক মন্তব্য করে থাকেন। শিক্ষকদেরও সতর্ক করতে বলেছে হিন্দু ছাত্ররা।

    ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ প্রদানের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সান্টু বড়ুয়া, সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তাক আহমেদ। এ ছাড়া বাকি তিনজন হলেন সহকারী প্রক্টর মুহা. রফিকুল ইসলাম, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশিস পাল এবং প্রাধ্যক্ষ স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন।

LinkedIn
Share