Tag: Dharmendra Pradhan

Dharmendra Pradhan

  • CBSE: সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশিত! পাশের হার ৮৭ শতাংশের বেশি

    CBSE: সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশিত! পাশের হার ৮৭ শতাংশের বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা সিবিএসই-এর (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির ফল। বোর্ডে সূত্রে জানা গেছে এবারে পাশ করেছেন ৮৭.৩৩ শতাংশ। চলতি বছরে সিবিএসই (CBSE) কোন রকমের মেধাতালিকা প্রকাশ করেনি। ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মেধাতালিকায় কতজন রয়েছেন সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস অবধি চলে সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। জানা গেছে, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭০ জন। পড়ুয়াদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা যাতে তৈরি না হয় সে কারণেই সিবিএসই (CBSE) এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কোনও রকমের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে না। সিবিএসই-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত পড়ুয়ারা যেসমস্ত বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন সেই ০.১ শতাংশ পড়ুয়াকে মেধা শংসাপত্র দেওয়া হবে।

    ত্রিবান্দ্রমে পাশ করেছে ৯৯.৯১ শতাংশ… 

    সারা দেশের নিরিখে সিবিএসই-এর এই ফলাফলে সবথেকে বেশি সাফল্য অর্জন করেছে ত্রিবান্দ্রম। দেখা যাচ্ছে সেখানে পাশের হার ৯৯.৯১ শতাংশ আবার বেঙ্গালুরুতে পাশের হার দেখা যাচ্ছে ৯৮.৬৪ শতাংশ। ফলাফলে রয়েছে অন্য চমকও, দেখা যাচ্ছে ছাত্রীদের পাশের হার বেশি ছাত্রদের তুলনায়। ছাত্রীদের মধ্যে পাশের হার ৯০.৬৬ শতাংশ, অন্যদিকে ছাত্রদের পাশের হার ৮৪ শতাংশের কিছু বেশি।

    ট্যুইট কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর…

    ছাত্রছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পাশাপাশি যাদের রেজাল্ট আশানুরূপ হয়নি তাদের কঠিন পরিশ্রমের পরামর্শও দিয়েছেন মন্ত্রী।

  • Pariksha Pe Charcha: প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নিতে চায় ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী!

    Pariksha Pe Charcha: প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নিতে চায় ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় (Pariksha Pe Charcha) অংশগ্রহণের জন্য এই বছর ৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থীর নাম রেজিস্টার করিয়েছেন। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রত্যেক বছরই পরীক্ষার চাপ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় অন্তত ১৫ লক্ষ বেশি ছাত্রছাত্রী এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চেয়েছেন। ২৭ জানুয়ারি নয়া দিল্লির তালকাটোরা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “পরীক্ষা পে চর্চায়  অংশগ্রহণের জন্য এই বছর ৩৮ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী রেজিস্টার করেছেন। এর মধ্যে ১৬ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী রাজ্য বোর্ডের। পিপিসি ২০২২-এর তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেশি। দেশের বাইরে ১৫৫টি দেশ থেকেও নাম নিবন্ধন করা হয়েছে।”

    কী বলেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী?     

    মন্ত্রী আরও বলেন, “পরীক্ষা পে চর্চা (Pariksha Pe Charcha) গত কয়েক বছর একটি গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ যেভাবে বেড়েছে, সেটাই এর প্রমাণ। এই অনন্য এবং জনপ্রিয় উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তাদের মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে এই উদ্যোগ খুব কার্যকরি। প্রায় ২,৪০০ শিক্ষার্থী তালকাটোরা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে উপকৃত হবে। একই সময়ে, কোটি কোটি শিক্ষার্থী তাদের নিজ নিজ স্কুল বসে সরাসরি অনুষ্ঠানটি দেখতে পারবে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, এনসিইআরটির কলা উৎসব প্রতিযোগিতার ৮০ জন বিজয়ী এবং সারা দেশ থেকে ১০২ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিশেষ অতিথি হিসাবে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন।

    আরও পড়ুন: মান্থার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কাঁথির অভিযুক্ত ছাত্রনেতা   

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “কর্মসূচিতে (Pariksha Pe Charcha) অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষার্থীদের আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করাতে রাজঘাট, সদৈব অটল, প্রধানমন্ত্রীর জাদুঘর, কর্তব্য পথের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে নিয়ে যাওয়া হবে। কলা উৎসবের বিজয়ী এবং নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ এবং ২৯ জানুয়ারি বিটিং রিট্রিটও দেখতে পাবেন।” প্রসঙ্গত, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে সারা দেশের ৫০০টি জেলায় একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এর থিম ছিল প্রধানমন্ত্রীর ‘এক্সাম ওয়ারিয়র্স’ বইতে দেওয়া মন্ত্রসমূহ। ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, “এই বইটির অসাধারণ সাফল্য বিবেচনা করে, এটিকে ১১টি ভারতীয় ভাষায় প্রকাশ করা হচ্ছে। অহমীয়া, বাংলা, গুজরাটি, কন্নড়, মালয়ালম, মারাঠি, ওড়িয়া, পঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু এবং উর্দু ভাষাতেও এই বই পাওয়া যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dharmendra Pradhan: ‘এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে’, বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: ‘এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে’, বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী নির্বাচনে এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে নতুন প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই এ রাজ্যের বিজেপি (BJP) দল কার্যকর্তারা সঠিক কাজ করে চলেছেন বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। রবিবার তিনি একথা বলেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ রাজ্যের সরকারি ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে না। স্বচ্ছতা বজায় রাখছে না। এ জন্য বাংলায় ভ্রষ্টাচার বেড়েই চলেছে। বাংলার সরকারের ভ্রষ্টাচারী নীতি এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয়…

    বঙ্গবাসীর জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয় বলেও মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, এখানে মানুষের জীবনের অধিকার সুরক্ষিত নয়। ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় এ ধরনের ভ্রষ্টাচারি সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে বিরোধী আওয়াজ তুলতে হবে। আগামী নির্বাচনে এ রাজ্যের সরকারকে পরাস্ত করে নতুন প্রগতিশীল সরকার গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই এরাজ্যের বিজেপির কার্যকর্তারা কাজ করে চলেছেন।

    ভারতীয় জনতা পার্টির দক্ষিণ কলকাতা জেলা লোকসভা প্রভাস কার্যক্রমের জন্য শহরে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। মন্ডল স্তর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই বৈঠকে রুপরেখা তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যে সব জনকল্যাণমুখী কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে, সেই কাজের গতি এবং কাজ কতদূর সম্পন্ন হয়েছে, তা নিয়েও পর্যালোচনা করবেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’, জনরোষের ভয়ে গাড়ি থেকে নামলেনই না বিধায়ক

    এদিকে, দেশে প্রধানমন্ত্রী পদের ভ্যাকেন্সি নেই বলে ট্যুইট করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার এমনই মন্তব্য করেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন। তবে তৃণমূল নেত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ নেই বলেই মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্র। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, দেশে প্রধানমন্ত্রী পদের ভ্যাকেন্সি নেই। তৃণমূল নেত্রীর যোগ্যতা রয়েছে কিনা, সরাসরি সে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে তালিকা অনেক বড় বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল বাংলায়। তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে নালিশ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার জেরে রাজ্যে মিড-ডে মিলের পর্যালোচনা করতে টিম পাঠাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিন কয়েক আগে আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এবার আসছে মিড-ডে মিল কেমন চলছে, তা দেখতে। চলতি মাসেই বৈঠক হবে রাজ্যের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) বলেন, সম্প্রতি জাতীয় স্তরের বেশ কিছু সংবাদপত্রে বাংলার মিড-ডে মিল (Mid-day meal) প্রকল্পে নানা অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তা ছাড়া বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বেশ কিছু তথ্য ভারত সরকারের গোচরে এনেছিলেন। তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    কেন্দ্রের এই দল…

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসেই আসছে কেন্দ্রের এই দল। দলে থাকবেন পুষ্টিবিদ, কেন্দ্রীয় আধিকারিক এবং রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যের জন্য বরাদ্দ অর্থ স্কুলগুলিতে ঠিক মতো পৌঁছচ্ছে কিনা, প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি মিশন প্রকল্পে রাজ্যে পরিকাঠামো কেমন, রান্নাঘরের পরিকাঠামো সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে এই দলটি আসছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের পক্ষে মত দেয়। এই প্রকল্পে দেশের ১১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের পড়ুয়াদের মিড-ডি মিল দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ১ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা খরচের কথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সরকারের মিড-ডে নামের যে প্রকল্প রয়েছে, তার সঙ্গে যুক্ত করা হয় এই প্রকল্পকে। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পের সিংহভাগ ব্যয় বহন করে কেন্দ্র। সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আসছে কেন্দ্রীয় দল।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Dharmendra Pradhan) বলেন, মিড-ডে মিলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্কুল পড়ুয়াদের দৈহিক বৃদ্ধি। যা সামগ্রিকভাবে বৌদ্ধিক বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে। তাই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। এ নিয়ে ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে স্কুলের পাঠ্যসূচি সম্পর্কে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী। একথা জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে কেন এমন দাবি করলেন তিনি, এই নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, খুব কম বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা জওয়ান, তাঁদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই এই পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” (Veer Gatha) প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকে ভেবেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্ব ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীর গাঁথা প্রজেক্টটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (‘Azadi Ka Amrit Mahotsav’)-এর একটি অংশ হিসাবে চালু করা প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল দেশের সেনা বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করা। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল ‘বীর গাথা প্রতিযোগিতা’-র। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৮৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়া উৎসাহিত ছিল তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প, বিভিন্ন প্রবন্ধ, কবিতা, ছবি আঁকা এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এদের মধ্যে ২৫ জন পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে ও তাদের “সুপার ২৫” হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যে, দেশের সেনাদের সম্মানে এই প্রতিযোগিতার নাম পরিবর্তন করে ‘সেনা সুপার ২৫’ করা উচিত। এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘বীরগাথা’ প্রতিযোগিতার ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।

     

  • NIRF Rankings 2022: এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ  

    NIRF Rankings 2022: এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের এনআইআরএফ র‍্যাঙ্কিং (NIRF India Rankings 2022)। শুক্রবার ‘ইন্ডিয়া র‌্যাঙ্কিং ২০২২’ (National India Ranking Framework) প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সার্বিক র‍্যাঙ্কিং-এর ভিত্তিতে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রথমস্থানে রয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ। যদিও এনআইআরএফ-২০২২ অনুযায়ী ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ব্যাঙ্গালোর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। 

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লির জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আগের বছর এই স্থানে ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এবার অষ্টম স্থানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে কোয়েম্বত্তুরের অমৃত বিশ্ব বিদ্যাপীঠ। ষষ্ঠ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুন: কুয়েট পরীক্ষায় বসছেন? জেনে নিন এই নিয়মগুলি

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির নিরিখে আইআইটি বম্বে তৃতীয় স্থানে এবং আইআইটি দিল্লি চতুর্থ স্থানে রয়েছে। কানপুর আইআইটি রয়েছে পঞ্চম স্থানে। 

    কলেজগুলির মধ্যে প্রথম দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিরান্ডা হাইজ। দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাইয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ। চেন্নাইয়ের লয়লা কলেজ রয়েছে চতুর্থ স্থানে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজ।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়ল বিশ্ববিদ্যালয় ভবন! কাঠগড়ায় পূর্ত দফতর

    একনজরে দেশের প্রথম দশ বিশ্ববিদ্যালয় 

    ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স, বেঙ্গালুরু
    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়
    জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
    অমৃত বিশ্বপীঠ
    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়
    মণিপাল অ্যাকাডেমি
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
    ভেল্লোর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, ভেল্লোর
    হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় 

    আইআইটিগুলির মধ্যে প্রথম আইআইটি মাদ্রাজ। দ্বিতীয় স্থানে আইআইটি দিল্লি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। চতুর্থ স্থানে আইআইটি কানপুর এবং পঞ্চম স্থানে আইআইটি খড়গপুর। 

    ফার্মেসি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে দিল্লির জামিয়া হামদারদ প্রথম। দ্বিতীয় হায়দ্রাবাদের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফার্মেসি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চণ্ডীগড়ের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়। মোহালির ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফার্মাসিউটিকাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে পিলানির বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স। 

     

     

     

  • PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের হাল হকিকত। ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের জন্যে মডেল স্কুল তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। নাম ‘পিএম শ্রী স্কুল’ (PM Shri School)।

    গুজরাতে আয়োজিত দুদিন ব্যাপী জাতীয়স্তরের শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে (National School Education Ministers’ Conference) বৃহস্পতিবার এমনই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Union Education Minister) ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে (National Education Policy) পরীক্ষাগার হিসেবে দেখা হচ্ছে এধরনের স্কুলগুলিকে।” তিনি আরও বলেন, “স্কুল শিক্ষা হল শিশুদের ভিত্তি। যার উপর ভিত্তি করে ভারত আগামীতে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আমরা ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুল’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছি। যা ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।”

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি 

    এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, “এই স্কুলগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র ল্যাবরেটরি হিসেবেও ব্যবহার করা হবে। একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে, প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে সকলের যে দক্ষতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে, তা প্রদান করবে স্কুলগুলি।”   

    তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে এবং পিএম শ্রী স্কুলগুলিকে মডেল হিসেবে তুলে  ধরতে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে পরামর্শও চান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতির গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রি-স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে ৫+৩+৩+৪ নীতি অনুসরণ করে চলা হচ্ছে। যেখানে কম বয়স্কদের শিক্ষা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষা, এই তিন দিকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে মাতৃভাষায় শিক্ষা অর্জনের ওপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত ‘নীট-পিজি ২০২২’-এর ফল, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন

    ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “আগামী ২৫ বছর আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যেই ভারতকে জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত করতে হবে। এই লক্ষ্যে আমাদের মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একে অপরের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলতে হবে।”  

    বুধবার গুজরাতের গান্ধীনগরে জাতীয় শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেখানে নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের উপরই বেশি করে জোর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এদিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) প্রয়োজন অনুভব করে ৩৪ বছরের পুরোনো শিক্ষানীতিতে বদল এনেছেন। শিক্ষাই দেশের সব থেকে বড় সম্পদ। জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) প্রয়োজন উপলব্ধি করে বিভিন্ন রাজ্য নরেন্দ্র মোদির ভাবনার সাথে এক মত হয়েছে।”

     

LinkedIn
Share