Tag: Diabates

Diabates

  • Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে গবেষণা করলে দেখা যায় প্রতেকটি ঘরে অন্তত একজন করে সুগারে আক্রান্ত রোগী রয়েছে। সুগার এখন মহামারী আকার ধারন করেছে। এটি এমন একটি রোগ যা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।যেহেতু রোজকার জীবনযাত্রা, কাজ এবং খাওয়া-দাওয়া প্রভাব ফেলে সুগারের উপর তাই বেশিরভাগেরই প্রশ্ন সুগার হলে কী খাওয়া উচিত। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রোজকার ডায়েটে রাশ টানা। ডায়াবেটিসের সুর্নিদিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কেন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন তার সঠিক কারণও জানা নেই। অগ্ন্যাশয় থেকে পরিমাণ মতো ইনসুলিন তৈরি না হলে তখনই বাড়ে সমস্যা। কারণ তখন অতিরিক্ত শর্করা (Sugar) আর শোষণ করতে পারে না শরীর, ফলে রক্তে তার পরিমাণ বাড়তেই থাকে। শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোনের কার্যকারিতা ঠিক না থাকলেই সেখান থেকে একাধিক সমস্যা আসে। নিয়ম করে রক্ত পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনমত ওষুধ খাওয়া জরুরি। তবে এর পাশাপাশি খাবার আর পানীয় ঠিকমতো না খেলে কিন্তু এই রোগের হাত থেকে রেহাই নেই।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। চিকিৎসকরা সবসময় ডায়াবিটিস (Diabates) রোগীদের খাবারের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা বলেন। আপনারও যদি ডায়াবিটিস থাকে তাহলে এখনই খাদ্যাভ্যাসের দিকে যত্ন নিন, তাই জেনে নিন রোজকার ডায়েটে কী কী সবজি রাখলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ হবে সহজেই। কোন কোন সবজি খেতে হবে জেনে নিন।

    ​শশা(Cucumber)

    শসা খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। গরমের সময় শশা খুবই উপকারী। আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় শসার রায়তাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। শশা ডায়াবিটিস বা সুগারের সমস্যা প্রতিরোধ করে। শশায় যে বিশেষ উপাদান রয়েছে তা রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যদি ১০০ গ্রাম শশার রস খালি পেটে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে সহজেই।

     

    চিয়া এবং শণের বীজ (Chia and flax seeds)

    যারা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিয়া বীজ এবং শণের বীজ দারুন কার্যকরী। ফাইবার সমৃদ্ধ এবং কার্বোহাইড্রেট যুক্ত চিয়া বীজ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে খুব কার্যকর হতে পারে।শণের বীজ নেই রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের উন্নতিতে সহায়ক।

    গাজর (Carrot)

    গাজরে ভিটামিন এ এবং অনেক খনিজ পাওয়া যায়।কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর খুব ভালো সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামই এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট বার্ন হয় সহজেই। যার ফলে ওজন কমানো যায় সহজেই।এছাড়াও গাজরের মধ্যে থাকা পটাসিয়াম শরীরের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি বাড়ায় ইমিউনিটি। গাজরের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, বি ৬, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। যা নানা রোগের জীবাণু ও ব্যাকটিরিয়ার হাত থেকে বাঁচায় শরীরকে। তাই প্রতিদিন সকালে ঘাম ঝরানোর পর যদি কাঁচা গাজর খাওয়া যায়। শরীর থেকে ধীরে ধীরে অতিরিক্ত শর্করা বেরিয়ে যাবে।

    বাদাম এবং বাদামের মাখন(Nuts and nut butter)

    গবেষণায় দেখা গেছে যে বাদামের মতো বাদাম এবং চিনাবাদাম এবং তা দিয়ে তৈরি বাদামের মাখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে এমন ব্যক্তিদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিয়া বীজের মতো, বাদামে থাকে ফাইবার এবং  কার্বোহাইড্রেট।

    ব্রকলি (Broccoli)

    নিউট্রিশন রিসার্চের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ব্রকলি খেলে শরীরের মোট কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্যতালিকায় ব্রকলির মতো ব্রাসিকা শ্রেণীর সবজি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    ডিম(Egg)

    আপনি যদি ডিম খান তবে এটি আবার আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক হতে পারে। ডিম স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি বড় উৎস, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।কুসুমে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাই এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না।

    মটরশুটি এবং মসুর ডাল(Beans and lentils)

    মসুর ডালকে বলা হয় ভিটামিনের ভাণ্ডার। এই মটরশুটিতে ভিটামিন ছাড়াও রয়েছে খনিজ, মাইক্রো এবং ম্যাক্রো উপাদান।মসুর ডাল কেবল পুষ্টি সমৃদ্ধ নয়, মসুর ডাল এবং মটরশুটি রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে শুধু শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নয় ডায়াবেটিসের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে এই ডাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Heart Disease Prevention: হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত খাদ্য

    Heart Disease Prevention: হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হলে একটা বয়সের পর থাবা বসাতে পারে হৃদরোগ। বিশেষ করে উচ্চরক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবিটিস থাকলে এই বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমরা এতখানিই অসচেতন যে, একটা বয়সের পর আমাদের বেশির ভাগের মধ্যেই হৃদরোগজনিত কোনও না কোনও সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের পরিবর্তিত জীবনযাত্রা, অত্যধিক ব্যস্ততা, মানসিক চাপ এগুলিও কিন্তু হৃদরোগের কারণ হতে পারে।হৃদযন্ত্র (Heart) সুস্থ রাখার জন্য কিছু খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই খাবারগুলি সম্পর্কে জেনে নিন এখানে—

    গোটা শস্য- গোটা শস্যের মধ্যে তিনটি পুষ্টিসমৃদ্ধ অংশ রয়েছে- জীবাণু, এন্ডোস্পার্ম এবং ব্রান। সাধারণ ধরনের গোটা শস্যের মধ্যে রয়েছে গোটা গম, বাদামি চাল, ওটস (Oats) রাই, বার্লি, বাকউইট এবং কিনোয়া। পরিশোধিত শস্যের তুলনায় এই শস্যে ফাইবার বেশি থাকে। যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে খাদ্যতালিকায় আরও গোটা শস্য অন্তর্ভুক্ত করা হার্টের স্বাস্থ্যের উপকারী।

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই সাতটি খাবার

    বিনস- প্রতিদিন আধকাপ বিনস (Beans) খাওয়া উচিত। এতে উপস্থিত ফলেট, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। আবার এতে উপস্থিত ফাইবার কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার পরিমাণ কম করে।

    অলিভ অয়েল- এই তেলও হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্য অধিক কার্যকরী। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের কোষ রক্ষা করে। এটি কোলেস্টেরলের (Cholesterol) পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে।

    আখরোট- ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টে (Anti oxidant) সমৃদ্ধ আখরোট (Walnut) হৃদযন্ত্রকে সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এর ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমে।

    কাঠবাদাম- এতে উপস্থিত ভিটামিন ই, ফাইবার ও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। হৃদয় সুস্থ আকৃতি ধরে রাখার জন্য এই উপাদানগুলি অত্যন্ত জরুরি। কাঠবাদাম (Almond) শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে।

    সোয়া- সোয়া প্রোটিন কোলেস্টেরলের স্তর কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। এক কাপ সোয়ায় ৮ গ্রাম হেল্দি ফাইবার থাকে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা জিমে যান, তাঁরা সোয়া সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পূর্বে চিকিৎসকদের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন।

    কমলালেবু- কমলালেবুতে (Orange Fruit) উপস্থিত ফাইবার কোলেস্টেরল মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। দু কাপ কমলালেবুর রস রক্তবাহিকার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এটি পুরুষদের মধ্যে রক্তচাপের সমস্যাকেও কম করে।

    বেরি- অ্যান্টি অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ বেরি (Berry) হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বৃদ্ধি করে। এটি শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Pumpkin Seed: কুমড়োর বীজে লুকিয়ে ক্যান্সারের ওষুধ? জেনে নিন খাবেন কীভাবে

    Pumpkin Seed: কুমড়োর বীজে লুকিয়ে ক্যান্সারের ওষুধ? জেনে নিন খাবেন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার থেকে শুরু করে হৃদরোগের মতো মারণ রোগের মোকাবিলা করতে কুমড়োর বীজের তুলনা নেই। আকৃতিতে ছোট হলেও কুমড়োর বীজে রয়েছে অফুরন্ত পুষ্টি। বর্তমানে কুমড়োর বীজ একটি জনপ্রিয় জলখাবার বিদেশে। জলখাবারে লুচি, পরোটার বদলে কুমড়োর বীজ খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। ১০০ গ্রাম কুমড়োর বীজে প্রায় ৫৬০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। পুষ্টির পাওয়ার হাউস মিষ্টি কুমড়োর বীজে রয়েছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব উপাদান। বীজে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

    কুমড়োর বীজের উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক-

    হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে: কুমড়োর বীজে রয়েছে শরীরের প্রয়োজনীয় চর্বি এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। বীজে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শরীর থেকে নির্গত করে সুস্থতা বাড়ায়। বীজে থাকা ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

    আরও পড়ুন: পুজোর ছুটিতে ডাক্তার, কীভাবে সুস্থ রাখবেন নিজেকে!  

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে: শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্সিডেটিভের চাপ কমায়। এছাড়া খাদ্য হজমে সহায়তা করে এমন প্রোটিনও রয়েছে কুমড়োর বীজে। ফলে রক্তে শর্করা নিয়ত্রণে থাকে।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে: ওজন কমাতেও সাহায্য করে কুমড়োর বীজ। আঁশ জাতীয় খাদ্য হওয়ায় হজম হতেও সময় লাগে। তাই সহজে খিদে না পাওয়ায় ওজন বাড়ার সম্ভাবনাও কম।

    ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে: কুমড়োর বীজে রয়েছে সেরোটেনিন। এই পদার্থকে প্রাকৃতিক ঘুমের বড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়। যা মানুষকে ঘুমোতে সাহায্য করে।

    কীভাবে খাবেন এই কুমড়োর বীজ? 

    সাধারণ জলখাবার হিসেবে: কুমড়োর বীজগুলিকে ছোট বয়ামে ভরে রেখে জলখাবারের সময় শুকনো এই বীজগুলো চিবিয়ে জল খেয়ে নিতে পারেন। লবণ মিশিয়েও খেতে পারেন। তবে বিশেষজ্ঞরা লবণ বা কোনও কিছু না মিশিয়েই খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    টপিং হিসেবে: মিষ্টি এই কুমড়োর বীজকে কাপ কেক বা পুডিংয়ের ওপরে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এই বীজ ভিন্ন মাত্রা নিয়ে আসবে কেকে।

    তেলে ভেজে:  জলপাই তেলে মুচমুচ করে ভেজে খালি মুখে খেতে পারেন।

    কুমড়ো বীজের চাট তৈরি করা যেতে পারে: পেঁয়াজ, লঙ্কা, ধনেপাতা এবং লেবুর রস দিয়ে স্বাদ মতো লবণ দিয়ে দুর্দান্ত কুমড়ো বীজের চাট তৈরি করতে পারেন।

    সকালে খাবার সময় ব্রেকফাস্ট স্মুদি হিসেবে: কলা, আঙুর বা আমের সময় আম দিয়ে তার সঙ্গে এক মুঠো ভেজানো কুমড়োর বীজ মিশিয়ে ব্রেকফাস্ট স্মুদি খাওয়া যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share