Tag: digha

digha

  • Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের সাংসদ দেব-কে নিয়ে তৃণমূল নেতার অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। অডিওতে তৃণমূল নেতা বলেছেন, কাজের জন্য ৩০ শতাংশ কমিশন চাওয়া হয়েছে। দেবকে নিয়ে এই জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অডিও প্রসঙ্গে টেনে দেবকে তিনি আক্রমণও করলেন।

    দেব-কে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “দেব যে এজেন্ট দিয়ে কমিশন তোলে তা ঘাটালের সকলেই জানেন। তবে, ৩০ শতাংশ কি না সেটা জানি না। তবে, এমপি ল্যাডের কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। তবে, এটা শুধু দেবের নয়, সব তৃণমূল সাংসদকে কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। দেব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এনামুলের টাকায় দেব সিনেমা করেছেন, এটা প্রমাণিত সত্য। পাঁচ কোটি টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। সেই টাকায় সিনেমা করেছেন। তিনি একবার ইডি অফিসে একবার লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়েছেন। ইডি চাইলেই ব্যবস্থা নিতেই পারে। অডিও ক্লিপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিষয়ে তিনি (দেব) কী পদক্ষেপ তা তিনি জানেন। তবে, আমার কাছে খবর আছে, তাঁর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

    দিঘায় গণধর্ষণ নিয়ে সরব বিরোধী দলনেতা

    দিঘায় যুবতীকে ঘর দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করার ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামল বিজেপি। বুধবার বিকেলে ওল্ড দিঘার বিধানচন্দ্র মূর্তির পাদদেশ থেকে নিউ সায়েন্স সিটি পর্যন্ত পদযাত্রা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্যাতিতার পরিবারকে আইনি সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিন পদযাত্রায় একাধিক বিধায়ক ছাড়াও কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক পা মেলান। মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁরা কালো ব্যাজ পরে ও ঝাঁটা হাতে মিছিল করেন। পরে, সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে – শুভেন্দু বলেন, ‘গোটা রাজ্যে মহিলা নির্যাতনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মালদা জেলার কালিয়াচকের সংখ্যালঘু পরিবারের ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে। দেহ অন্য জায়গায়,মুন্ডু অন্য জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। পর্যটকের ওপরে এমন শারীরিক ও পাশবিক অত্যাচার আমরা আগে দেখিনি। দিঘায় পুলিশের কোনও উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় না। যে দু’জন ধর্ষণকারী গ্রেফতার হয়েছে, তাদের নামে চার্জশিট দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে কঠিনতম সাজা দিতে হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় (Digha) প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক যান। পর্যটকদের ওপর ভিত্তি করেই ওই এলাকার অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে। সেই সৈকত শহরে পর্যটকদের কোনও নিরাপত্তা নেই! রবিবার রাতে দিঘার ঘটনা সেই প্রশ্ন উস্কে দিয়েছে। দিঘায় ঘুরতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মহিলা পর্যটক। আর এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সৈকত শহরে। প্রশ্নের মুখে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Digha)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘাতে (Digha) অনেকেই ফোনে বা অনলাইনে হোটেল বুক করে যান। অনেকে আবার দিঘায় গিয়ে হোটেল ঠিক করেন। ভাল হোটেল করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণির দালালও সেখানে গজিয়ে উঠেছে। অনেকে সস্তায় ভাল হোটেল পাওয়ার আশ্বাস তাঁদের দ্বারস্থ হন। অনেক সময় ভাল হোটেলও পান। তবে, নির্যাতিতা মহিলা বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা ঘুরতে এসেছিলেন। তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই। ফলে, আগে থেকে হোটেল বুক করে নিয়ে আসেননি। দিঘায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে হোটেল খোঁজা শুরু করেন তাঁরা। অভিযোগ, হোটেল ঠিক করে দেওয়ার নাম করে তাঁদেরকে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বন্ধুর সঙ্গে একটি বাইকে ছিলেন মহিলা। অভিযোগ, ফাঁকা জায়গায় বাইক আটকে জোর করে তাঁদেরকে নির্জন জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। যুবককে গাছে বেঁধে বেধরক মারধর করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। পাশাপাশি মহিলাকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা অপকর্ম করে ওই মহিলাকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে, মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দিঘা থানার পুলিশ রতনপুর গ্রাম থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও একজন ফেরার বলে জানা গিয়েছে। তাদের এই চক্রের পিছনে আর কেউ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fish: দিঘায় ২০০ কেজির বিশালাকৃতির কই ভোলা জালে! বিক্রির দাম কত জানেন?

    Fish: দিঘায় ২০০ কেজির বিশালাকৃতির কই ভোলা জালে! বিক্রির দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারে দিঘায় ফের বিশাল আকৃতির কই ভোলা (Fish) জালে পড়েছে। এই মাছ নিয়ে বাজারে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মাছের ওজন ছিল ২০০ কেজি এবং বিক্রির দাম ছাপিয়ে গেছে লাখ টাকা। লাভবান হয়েছেন এক ওড়িশার মত্স্যজীবী। বিশাল এই মাছ দেখতে প্রচুর মানুষ জমায়েত হন বাজারে। ভোজন রসিক বাঙালির পাতে মাছ না পড়লে খাওয়া ঠিক জমে না। কই ভোলা মাছের চাহিদাও বাজারে অনেক বেশী। এই মাছের পাতুরি, ফিস ফ্রাই, ফিস ফিঙার ভোজন রসিকদের বেশ তৃপ্তি দিয়ে থাকে। সাধারণত এই মাছ সমুদ্রের গভীর জলে বসবাস করে।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য (Fish)

    দিঘার মোহনার মাছ বাজারে এই বিশালাকৃতির মাছকে (Fish) ঘিরে রীতিমতো মানুষের মধ্যে উত্তেজনা লক্ষ করা যায়। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, “এই কই ভোলা গভীর সমুদ্রে থাকে। এই মাছ শিকার করতে গেলে সমুদ্রের অনেক গভীরে যেতে হয়। তবে ঝুঁকি থাকে শিকারের কাজে। মাছটি ধরেন ওড়িশার এক মৎস্যজীবী, এরপর এশিয়ার সবথেকে বড় মাছের বাজার, দিঘা মোহনা বাজারে নিয়ে আসেন। সুজিত কর নামক এক মাছের আড়তের মালিকের দোকানে মাছটির নিলামের ডাক ওঠে। অনেক সময় ধরে দরদামের পর বেশ লাভজনক মূল্যে বিক্রি হয় কই ভোলাটি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবরে এমনই একটি দৈত্যের মতো কই ভোলা পাওয়া গিয়েছিল। সেই মাছটির ওজন ছিল ১১০ কেজি। এবারের কই ভোলা মাছের ওজন ২০০ কেজি।

    দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য

    দিঘার ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান নবকুমার পয়ড়্যা বলেন, “প্রায় ২ কুইন্টাল ওজনের বিরাট মাছ (Fish) দিঘার মোহনা বাজারে আসে। নিলামে মাছের দাম ওঠে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। এই মাছ যাঁদের কপালে পড়ে তাঁদের ভাগ্য বদলে যায়। এই মাছের চাহিদা বাজারে প্রচুর। বিশেষ করে বাংলাদেশে চাহিদা ব্যাপক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat Election: দলীয় নেতা খুনে দিঘা থেকে গ্রেফতার বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Gram Panchayat Election: দলীয় নেতা খুনে দিঘা থেকে গ্রেফতার বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি ব্লকের অঞ্চল সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় ওরফে ঝাড়েশ্বর সাঁতরার খুনের ঘটনায় সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা ফটিক পাহাড়িকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ফটিক ছাড়াও আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Gram Panchayat Election) পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠনের আগে দলীয় নেতা খুনে দলেরই এক নেতা গ্রেফতার হওয়ায় চরম বিড়ম্ভনার পড়েছে শাসক দল।

    ঠিক কী অভিযোগ ছিল?

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশিয়াড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবিদার ছিল এই ফটিক। গত ১০ অগাস্ট কেশিয়াড়ি পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন হওয়ার কথা ছিল। সভাপতি, সহ সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বোর্ড গঠন হয়নি। পরে,  পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Gram Panchayat Election) কেশিয়াড়ি পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন নিয়ে মামলাও হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। মামলা করেছেন সমিতির ১৫ জন তৃণমূল সদস্য। এখানে সমিতির ২৭ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূলেরই ২৩ জন। এঁদের মধ্যে ‘আড়াআড়ি’ বিভাজন রয়েছে। তৃণমূলের একপক্ষ চেয়েছিল, সমিতির সভাপতি হোন ফটিক পাহাড়ি। আরেকপক্ষ চেয়েছিল, সভাপতি হোক উত্তম শীট। জেলা নেতৃত্বের ‘হুইপ’ ছিল উত্তমকে সভাপতি করার। দলেরই একাংশ সেই ‘হুইপ’ মানেননি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বোর্ড গঠন স্থগিত রাখা হয়। ঘটনাচক্রে, এর পরপরই ফটিককে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সুবিচার চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের ১৫ জন জয়ী প্রার্থী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ফটিকও। ফলে, দলীয় নেতৃত্ব ফটিকের ভুমিকায় ক্ষুব্ধ। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে খুন হয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় সাঁতরা। কেশিয়াড়ির ডাডরা গ্রামের এই বাসিন্দা দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে নছিপুরে গিয়েছিলেন। রাতে বাইকে করে ফিরছিলেন তিনি। ভসরাঘাটে ঢোকার সময়ে তাঁর উপর চড়াও হয়েছিল সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল বলে অভিযোগ। তাঁকে লক্ষ্য করে তির ছোঁড়া হয়েছিল। পায়ে তির লাগায় বাইক থেকে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর মাথায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এমনকী চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। খুনের পর রাস্তার ধারে দেহ ফেলে রেখে দেয় দুষ্কৃতীরা। এই খুনের ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। নাম জড়ায় ফটিকের। বেশ কিছুদিন ধরেই মোবাইল বন্ধ রেখে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল ফটিক। শুক্রবার গভীর রাতে দিঘা থেকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি তদন্তকারী দল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, দলীয় নেতা খুনের তদন্ত করছে সিআইডি। প্রমাণ হাতে পেয়ে যে জড়িত রয়েছে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পঞ্চায়েত (Gram Panchayat Election)  সমিতিতে আমরাই বোর্ড গঠন করব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি জেলা নেতা অরূপ দাস বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জন্যই এই গ্রেফতার। আসলে পঞ্চায়েত (Gram Panchayat Election) সমিতির বোর্ড গঠনে দলের নির্দেশ তিনি মানেননি বলেই ৬ বছর আগের খুনের ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rain: বৃষ্টি আর কোটালের জেরে ভাঙল নদীবাঁধ, প্লাবিত এলাকা, জলমগ্ন সাগরের কপিলমুনির আশ্রম

    Rain: বৃষ্টি আর কোটালের জেরে ভাঙল নদীবাঁধ, প্লাবিত এলাকা, জলমগ্ন সাগরের কপিলমুনির আশ্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকাল থেকে মেঘলা আকাশ আর দফায় দফায় বৃষ্টি। আর এই বৃষ্টি (Rain) শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার রাত থেকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার উপকূলবর্তী এলাকায় দফায় দফায় বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বহু জায়গায় বাঁধ ভেঙে জল ঢুকতে শুরু করেছে। বৃষ্টির সঙ্গে দোসর হয়েছে পূর্ণিমার কোটাল। ফলে, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    কোন কোন এলাকা জলমগ্ন হতে শুরু করেছে?

    বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ ও পূর্ণিমার কোটালের জেরে উত্তাল গঙ্গাসাগরের সমুদ্র। সকাল থেকে শুরু বৃষ্টির (Rain) সঙ্গে ঝড়ো হওয়া। ফুলে ফেঁপে উঠছে নদীর জল। নদী বাঁধ উপচে জল ঢুকেছে কপিলমুনি আশ্রমের পাশে মেলার মাঠ এলাকায়। গঙ্গাসাগরের পয়লা ঘেরি, মন্দিরতলা চক, ফুলডুবি এলাকা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় ঢুকতে শুরু করেছে সমুদ্রের নোনা জল। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদেরকে মাইকিং এর মাধ্যমে সতর্কবার্তা দিচ্ছে প্রশাসন। গঙ্গাসাগরের পাশাপাশি কুলপির রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রত্নেশ্বরপুর এলাকায় প্রায় ১০০ মিটারেরও বেশি নদী বাঁধ ভেঙে হুহু করে ঢুকছে জল। আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষজন। পাশাপাশি বাঁধ ভেঙেছে মৌসুনের বালিয়াড়ি এলাকায়। সকাল থেকেই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি ও পূর্ণিমার ভরা কোটালে বালিয়াড়ি এলাকায় নদী বাঁধ ভেঙে ঢুকছে জল। একই ছবি দেখা গেল ডায়মন্ড হারবারেও নদীর জলস্ফীতিতে ডুবল পর্যটকদের কেল্লার মাঠ। নামখানা একাধিক জায়গায় নদী বাঁধ ভাঙ্গনের ফলে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন এলাকার মানুষ।

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ?

    ইতিমধ্যে নদী বাঁধ পরিদর্শন করেন গঙ্গাসাগর পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল সামির শাহ ও মুড়িগঙ্গা দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান গোবিন্দ মণ্ডল। তাঁদের বক্তব্য, আমরা সব সময় নজরদারি চালাচ্ছি। প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।

    ফুঁসছে দিঘার সমুদ্র, পর্যটকদের জলে নামতে নিষেধাজ্ঞা

    মঙ্গলবার থেকেই দিঘার আবহাওয়া পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। বুধবার সকাল থেকে ঘন কালো মেঘে ঢেকেছে আকাশ। শুধু দিঘা নয়, তাজপুর, মন্দারমণি, শঙ্করপুর সহ উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টির (Rain) সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। আর পূর্ণিমার কোটালের সঙ্গে সমুদ্রের জসস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শ্যামসুন্দর দাস বলেন, আবহাওয়ার কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। আরা যারা আগে গিয়েছেন তাদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল সমুদ্র আর সোনালি বালুকাবেলা চিরকালই আকৃষ্ট করে এসেছে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। কিন্তু আমরা সাগরবেলা বলতে প্রথমেই যে পর্যটন কেন্দ্রগুলি বুঝি, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল ওড়িশার পুরী, পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমণি অথবা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বকখালি। অথচ এর বাইরেও রয়েছে একাধিক অপূর্ব সুন্দর সমুদ্র সৈকত (Sea Beaches), যেগুলির খবর হয়তো অনেকেই জানেন না। এই প্রতিবেদনে তাই তুলে ধরা হল এমনই দু-একটি স্থানের কথা । 

    বাগুরান জলপাই 

    পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের এক মোহময়ী, নিরালা, নির্জন সাগরবেলা (Sea Beaches)। নীল সমুদ্র যেন এখানে এসে মিশেছে নীল আকাশের সঙ্গে। সঙ্গী তার দিগন্ত বিস্তৃত সোনালি বেলাভূমি। যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি। এখানে আপন মনে ঢেউ খেলে চলেছে বঙ্গোপসাগর, কোথাও নেই শহুরে জীবনের কোলাহলমুখরতা, চারদিকে যেন অপার শান্তি ।
    ভোরবেলা যখন সমুদ্রের বুক চিরে উদিত হন সূর্যদেব, আর বিকালে গোধূলির রক্তিম আলো সাগরের নীল জলে মিশিয়ে তিনি অস্ত যান, তখন যেন আরও মোহময়ী, আরও স্বপ্নিল রূপ ধারণ করে 
    এই বেলাভূমি। আশেপাশেই রয়েছে স্থানীয় জেলেদের গ্রাম। ইচ্ছে হলে একটু ঘুরেও আসা যায় এই গ্রামগুলিতে। 

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান, জলপাই (Sea Beaches) যাওয়ার জন্য দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন ( তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কান্ডারি এক্সপ্রেস প্রভৃতি) অথবা দিঘাগামী যে কোনও বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে আসতে হবে এই বাগুরান জলপাই। কাঁথি থেকে দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি । 

    থাকবেন কোথায়, খাবেনই বা কী?  

    এখানে (Sea Beaches) থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই। থাকতে হবে কাঁথিতেই। কাঁথিতে বিভিন্ন দামের বিভিন্ন মানের অনেক হোটেল আছে ।

    ভোগপুর

    বাগুরান জলপাই-এর মতোই পূর্ব মেদিনীপুরের আরও একটি ভার্জিন বিচ (Sea Beaches) হল এই ভোগপুর। এখানেও সেই বঙ্গোপসাগরের উত্তাল উর্মিল আহ্বান, অপার্থিব নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালি বালুকাবেলা আপনার সব সময়ের সঙ্গী। সমুদ্র সৈকতে বসে থাকতে থাকতে কখন যে বেলা বয়ে যায়, তা বোঝাই যায় না ।
    এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মাছের ভেড়ি। আছে লবণ তৈরির একটি কারখানা। আর আছে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঝাউবন। এই সুনীল আকাশ, উর্মিল সমুদ্র, সোনালি বালুকাবেলা আর ঝাউবিথির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য-যে কোনও মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী ভাবে নিজের স্থান করে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান জলপাই যাওয়ার মতোই কলকাতা থেকে দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন অথবা বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে ভোগপুরের (Sea Beaches) দূরত্ব ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। আবার কাছেরই আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মন্দারমণি থেকে কোস্টাল ট্রেক করেও যাওয়া যায় এই ভোগপুরে।

    কোথায় থাকবেন, কোথায়ই বা খাবেন?

     এখানেও (Sea Beaches) নেই তেমন কোনও থাকার ব্যবস্থা। কাজেই কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিয়ে আবার কাঁথিতেই রাত্রিবাস করাই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার কাছে জুনপুটে (Junput) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। ওড়িশার চাঁদিপুর বা অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলেও এ রাজ্যে এমন উদ্যোগ এই প্রথম। পূর্ব  ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের গোড়াতেই এখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার কথা কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিআরডিও-র (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)। তবে গোড়ায় কিছুই জানতেন না বাসিন্দারা। কয়েক দিন ধরে লঞ্চিং প্যাড তৈরি হচ্ছে, বসেছে বোর্ড।

    এলাকাবাসীদের সরানোর উদ্যোগ (Junput)

    কাঁথি থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে জুনপুট (Junput)। জুনপুটে তৈরি হয়েছে নতুন বোল্ডারের রাস্তা। টিনের ছাউনি দেওয়া লঞ্চিং প্যাডের পাশে বসেছে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থার বোর্ড। তার এক দিকে চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর রেডার স্টেশন তৈরির কাজ। এখান থেকে দু’কিলোমিটারের মধ্যেই হরিপুর। ২০০৬ সালে সেখানে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা হয়েছিল। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা তখন কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামেন। পাশে ছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল। শেষে পিছু হটেছিল তদানীন্তন বাম সরকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য কাঁথি-১ ব্লকের বিরামপুট এবং দেশপ্রাণ ব্লকের চেচড়াপুট গ্রামে এর মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে এই নিয়ে। সংশ্লিষ্ট দুই ব্লক প্রশাসন এবং ভূমি দফতর সমীক্ষা করে রিপোর্ট কাঁথির মহকুমাশাসকের দফতরে জমা দিয়েছে। ওই দুই গ্রাম থেকে ১৫৫০ জন পূর্ণবয়স্ক এবং ৩৭০ জন নাবালককে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। গবাদি পশুর ক্ষতির আশঙ্কায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    মৎস্যজীবীরা কী বললেন?

    পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস শ্যামলের মতে, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে বসেছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি হবেই।” জুনপুটে (Junput) মৎস্যজীবী প্রধান এলাকার বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এতে দূষণ বাড়বে। বিপন্ন হবে জীবন-জীবিকা।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কী বক্তব্য?

    পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক তনবীর আফজল মানছেন, “ফেব্রুয়ারি শেষে বা মার্চের গোড়ায় ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে। একটা রকেট ছাড়া হবে বালেশ্বর থেকে। আর একটা জুনপুট থেকে। কীভাবে মাঝ-আকাশে একটা ক্ষেপণাস্ত্র কী করে আরেকটাকে ধ্বংস করে, সেই সংক্রান্ত গবেষণার জন্য জেলার এই জায়গাটি বেছেছে ডিআরডিও। এ জন্য রাজ্য সরকার জমি দিয়েছে। সব রকম সহযোগিতা করা হয়েছে।” মহকুমাশাসক শৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় সাময়িকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সব নিয়ন্ত্রণ করবে ডিআরডিও। কিছু মানুষকে কয়েক ঘণ্টার জন্য সরে যেতে হবে। ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘায় সমুদ্রের জলে নামতেই যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত! জানেন কী ঘটেছিল?

    Digha: দিঘায় সমুদ্রের জলে নামতেই যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত! জানেন কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিঘায় (Digha) পর্যটকের সঙ্গে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটল একাদশীর দিনে। সমুদ্রের জলে নামতেই আচমকা স্পিড বোটের ধাক্কায়, বোটের পাখার আঘাতে এক যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল। যুবকের চিৎকার শুনে আশপাশের পর্যটক এবং পুলিশ তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে, দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় সৈকত নগরী দিঘায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পর্যটকদের একাংশের দাবি, দিঘার জলে হাই স্পিড বোটের দাপাদাপি চলছে। পর্যটকদের সুরক্ষা বলে কিছু নেই।

    পুজোর ছুটিতে সমুদ্র সৈকত দিঘায় পর্যটকদের বেড়াতে যাওয়ার বিপুল উন্মাদনা দেখা যায়। সমুদ্রের জলে স্নান থেকে শুরু করে স্পিড বোটে ঘোরাফেরার মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ঢেউয়ের জলে গা ভাসিয়ে আনন্দের স্বাদ নিতে আগ্রহী থাকেন দর্শকরা। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড় এবং নিয়ন্ত্রণবিহীন স্পিড বোটের চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। আর এদিন এমন ঘটনাই ঘটেছে। যুবকের আহত হওয়ার ঘটনা ফের পর্যটকদের সুরক্ষার বিষয়কে প্রশ্নের মুখে তুলে দিল।

    আহত পর্যটকের পরিচয় কী (Digha)?

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই আহত যুবকের নাম স্বরূপ আলি মোল্লা। তাঁর বাড়ি রাজারহাট বিদ্যাধরপুর এলাকায়। চার বন্ধু মিলে দশমীর দিনে দিঘায় ঘুরতে যান এবং এরপর একাদশীর দিনেই নিউ দিঘার (Digha) হলি ডে হোম ঘাটে, স্নান করতে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পর্যটকদের মরশুমে স্পিড বোটের চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বোটের পাখার ধাক্কায় গুরুতর জখম হলে, প্রথমে ওই যুবককে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, এরপর পরবর্তী সময়ে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে, তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয় বলে জানা গেছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    দিঘা (Digha) থানার এক আধিকারিক বলেন, “ঘটনা যা ঘটেছে তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা নিয়ে বিশেষ ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্পিড বোটের মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি, নাকি অসাবধানতার কারণে এমন বিপত্তি ঘটল, সেই বিষয়টিও ভেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্পিড বোটের চালককে থানায় ডাকা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share