Tag: digha

digha

  • Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল সমুদ্র আর সোনালি বালুকাবেলা চিরকালই আকৃষ্ট করে এসেছে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। কিন্তু আমরা সাগরবেলা বলতে প্রথমেই যে পর্যটন কেন্দ্রগুলি বুঝি, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল ওড়িশার পুরী, পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমণি অথবা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বকখালি। অথচ এর বাইরেও রয়েছে একাধিক অপূর্ব সুন্দর সমুদ্র সৈকত (Sea Beaches), যেগুলির খবর হয়তো অনেকেই জানেন না। এই প্রতিবেদনে তাই তুলে ধরা হল এমনই দু-একটি স্থানের কথা । 

    বাগুরান জলপাই 

    পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের এক মোহময়ী, নিরালা, নির্জন সাগরবেলা (Sea Beaches)। নীল সমুদ্র যেন এখানে এসে মিশেছে নীল আকাশের সঙ্গে। সঙ্গী তার দিগন্ত বিস্তৃত সোনালি বেলাভূমি। যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি। এখানে আপন মনে ঢেউ খেলে চলেছে বঙ্গোপসাগর, কোথাও নেই শহুরে জীবনের কোলাহলমুখরতা, চারদিকে যেন অপার শান্তি ।
    ভোরবেলা যখন সমুদ্রের বুক চিরে উদিত হন সূর্যদেব, আর বিকালে গোধূলির রক্তিম আলো সাগরের নীল জলে মিশিয়ে তিনি অস্ত যান, তখন যেন আরও মোহময়ী, আরও স্বপ্নিল রূপ ধারণ করে 
    এই বেলাভূমি। আশেপাশেই রয়েছে স্থানীয় জেলেদের গ্রাম। ইচ্ছে হলে একটু ঘুরেও আসা যায় এই গ্রামগুলিতে। 

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান, জলপাই (Sea Beaches) যাওয়ার জন্য দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন ( তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কান্ডারি এক্সপ্রেস প্রভৃতি) অথবা দিঘাগামী যে কোনও বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে আসতে হবে এই বাগুরান জলপাই। কাঁথি থেকে দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি । 

    থাকবেন কোথায়, খাবেনই বা কী?  

    এখানে (Sea Beaches) থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই। থাকতে হবে কাঁথিতেই। কাঁথিতে বিভিন্ন দামের বিভিন্ন মানের অনেক হোটেল আছে ।

    ভোগপুর

    বাগুরান জলপাই-এর মতোই পূর্ব মেদিনীপুরের আরও একটি ভার্জিন বিচ (Sea Beaches) হল এই ভোগপুর। এখানেও সেই বঙ্গোপসাগরের উত্তাল উর্মিল আহ্বান, অপার্থিব নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালি বালুকাবেলা আপনার সব সময়ের সঙ্গী। সমুদ্র সৈকতে বসে থাকতে থাকতে কখন যে বেলা বয়ে যায়, তা বোঝাই যায় না ।
    এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মাছের ভেড়ি। আছে লবণ তৈরির একটি কারখানা। আর আছে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঝাউবন। এই সুনীল আকাশ, উর্মিল সমুদ্র, সোনালি বালুকাবেলা আর ঝাউবিথির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য-যে কোনও মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী ভাবে নিজের স্থান করে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান জলপাই যাওয়ার মতোই কলকাতা থেকে দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন অথবা বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে ভোগপুরের (Sea Beaches) দূরত্ব ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। আবার কাছেরই আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মন্দারমণি থেকে কোস্টাল ট্রেক করেও যাওয়া যায় এই ভোগপুরে।

    কোথায় থাকবেন, কোথায়ই বা খাবেন?

     এখানেও (Sea Beaches) নেই তেমন কোনও থাকার ব্যবস্থা। কাজেই কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিয়ে আবার কাঁথিতেই রাত্রিবাস করাই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার কাছে জুনপুটে (Junput) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। ওড়িশার চাঁদিপুর বা অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলেও এ রাজ্যে এমন উদ্যোগ এই প্রথম। পূর্ব  ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের গোড়াতেই এখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার কথা কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিআরডিও-র (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)। তবে গোড়ায় কিছুই জানতেন না বাসিন্দারা। কয়েক দিন ধরে লঞ্চিং প্যাড তৈরি হচ্ছে, বসেছে বোর্ড।

    এলাকাবাসীদের সরানোর উদ্যোগ (Junput)

    কাঁথি থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে জুনপুট (Junput)। জুনপুটে তৈরি হয়েছে নতুন বোল্ডারের রাস্তা। টিনের ছাউনি দেওয়া লঞ্চিং প্যাডের পাশে বসেছে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থার বোর্ড। তার এক দিকে চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর রেডার স্টেশন তৈরির কাজ। এখান থেকে দু’কিলোমিটারের মধ্যেই হরিপুর। ২০০৬ সালে সেখানে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা হয়েছিল। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা তখন কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামেন। পাশে ছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল। শেষে পিছু হটেছিল তদানীন্তন বাম সরকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য কাঁথি-১ ব্লকের বিরামপুট এবং দেশপ্রাণ ব্লকের চেচড়াপুট গ্রামে এর মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে এই নিয়ে। সংশ্লিষ্ট দুই ব্লক প্রশাসন এবং ভূমি দফতর সমীক্ষা করে রিপোর্ট কাঁথির মহকুমাশাসকের দফতরে জমা দিয়েছে। ওই দুই গ্রাম থেকে ১৫৫০ জন পূর্ণবয়স্ক এবং ৩৭০ জন নাবালককে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। গবাদি পশুর ক্ষতির আশঙ্কায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    মৎস্যজীবীরা কী বললেন?

    পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস শ্যামলের মতে, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে বসেছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি হবেই।” জুনপুটে (Junput) মৎস্যজীবী প্রধান এলাকার বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এতে দূষণ বাড়বে। বিপন্ন হবে জীবন-জীবিকা।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কী বক্তব্য?

    পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক তনবীর আফজল মানছেন, “ফেব্রুয়ারি শেষে বা মার্চের গোড়ায় ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে। একটা রকেট ছাড়া হবে বালেশ্বর থেকে। আর একটা জুনপুট থেকে। কীভাবে মাঝ-আকাশে একটা ক্ষেপণাস্ত্র কী করে আরেকটাকে ধ্বংস করে, সেই সংক্রান্ত গবেষণার জন্য জেলার এই জায়গাটি বেছেছে ডিআরডিও। এ জন্য রাজ্য সরকার জমি দিয়েছে। সব রকম সহযোগিতা করা হয়েছে।” মহকুমাশাসক শৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় সাময়িকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সব নিয়ন্ত্রণ করবে ডিআরডিও। কিছু মানুষকে কয়েক ঘণ্টার জন্য সরে যেতে হবে। ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘায় সমুদ্রের জলে নামতেই যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত! জানেন কী ঘটেছিল?

    Digha: দিঘায় সমুদ্রের জলে নামতেই যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত! জানেন কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিঘায় (Digha) পর্যটকের সঙ্গে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটল একাদশীর দিনে। সমুদ্রের জলে নামতেই আচমকা স্পিড বোটের ধাক্কায়, বোটের পাখার আঘাতে এক যুবকের হাত-পা-পেট কেটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল। যুবকের চিৎকার শুনে আশপাশের পর্যটক এবং পুলিশ তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে, দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় সৈকত নগরী দিঘায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পর্যটকদের একাংশের দাবি, দিঘার জলে হাই স্পিড বোটের দাপাদাপি চলছে। পর্যটকদের সুরক্ষা বলে কিছু নেই।

    পুজোর ছুটিতে সমুদ্র সৈকত দিঘায় পর্যটকদের বেড়াতে যাওয়ার বিপুল উন্মাদনা দেখা যায়। সমুদ্রের জলে স্নান থেকে শুরু করে স্পিড বোটে ঘোরাফেরার মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ঢেউয়ের জলে গা ভাসিয়ে আনন্দের স্বাদ নিতে আগ্রহী থাকেন দর্শকরা। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড় এবং নিয়ন্ত্রণবিহীন স্পিড বোটের চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। আর এদিন এমন ঘটনাই ঘটেছে। যুবকের আহত হওয়ার ঘটনা ফের পর্যটকদের সুরক্ষার বিষয়কে প্রশ্নের মুখে তুলে দিল।

    আহত পর্যটকের পরিচয় কী (Digha)?

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই আহত যুবকের নাম স্বরূপ আলি মোল্লা। তাঁর বাড়ি রাজারহাট বিদ্যাধরপুর এলাকায়। চার বন্ধু মিলে দশমীর দিনে দিঘায় ঘুরতে যান এবং এরপর একাদশীর দিনেই নিউ দিঘার (Digha) হলি ডে হোম ঘাটে, স্নান করতে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পর্যটকদের মরশুমে স্পিড বোটের চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বোটের পাখার ধাক্কায় গুরুতর জখম হলে, প্রথমে ওই যুবককে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, এরপর পরবর্তী সময়ে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে, তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয় বলে জানা গেছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    দিঘা (Digha) থানার এক আধিকারিক বলেন, “ঘটনা যা ঘটেছে তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা নিয়ে বিশেষ ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্পিড বোটের মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি, নাকি অসাবধানতার কারণে এমন বিপত্তি ঘটল, সেই বিষয়টিও ভেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্পিড বোটের চালককে থানায় ডাকা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share