Tag: Digital India

Digital India

  • RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং বড় লেনদেন সক্ষম করার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এবার থেকে ইউপিআই-এর (UPI Payment) মাধ্যমে ট্যাক্স পেমেন্টের ঊর্ধ্বসীমা প্রতি লেনদেনে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এর আগে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর দেওয়া যেত ইউপিআই-এর মাধ্যমে।

    ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ (RBI)

    আরবিআই-এর (RBI) উদ্দেশ্য, ডিজিটাল মাধ্যমে (UPI Payment) লেনদেনকে আরও উদ্বুদ্ধ করা। নতুন বর্ধিত সীমায় ট্যাক্স প্রদানে করদাতারা উৎসাহিত হবেন বলে আশা করছে সরকার। এই উদ্যোগটি ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে এবং নগদ অর্থের উপর নির্ভরতা কমানোর জন্য আরবিআই-এর প্রচেষ্টার একটি অংশ। আরবিআই আশা করছে এই ব্যবস্থাটি করদাতাদের মধ্যে ট্যাক্স নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। বর্ধিত সীমা করদাতাদের একক লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিক কর প্রদানের অনুমতি দেবে। একক ক্ষেত্রে একাধিক বার অর্থপ্রদানের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করবে এই ব্যবস্থা।

    ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার ভাবনা (UPI Payment)

    রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) পর্যায়ক্রমে ক্যাপিটাল মার্কেট, আইপিও সাবস্ক্রিপশন, ঋণ সংগ্রহ, চিকিৎসা বিমা এবং শিক্ষামূলক পরিষেবার মত বিভিন্ন বিভাগের জন্য বিভিন্ন সময়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করেছে। ইউপিআই (UPI Payment) এর ক্ষেত্রেও ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি ছাড়াও ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার কথাও বিবেচনা করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই বৈশিষ্ট্যটি গ্রাহকদের ইউপিআই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ প্রদান করার জন্য অন্যদেরও অনুমোদন করতে সক্ষম করবে। যার ফলে ডিজিটাল পেমেন্টের নাগাল আরও বৃদ্ধি পাবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPI: বিশ্বে এক নম্বর! মোদি জমানায় মোবাইল ওয়ালেট পেমেন্টে শীর্ষে ভারত

    UPI: বিশ্বে এক নম্বর! মোদি জমানায় মোবাইল ওয়ালেট পেমেন্টে শীর্ষে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই (UPI) পেমেন্টে ভারতের জয়জয়কার। ভারতের (Digital India) প্রায় ৯১ শতাংশ জনতা এখন অনলাইন পেমেন্ট ব্যবহার করে। ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস কনজিউমার সার্ভিসেস গ্লোবাল ডেটা ২০২৩ অনুসারে ভারত এখন মোবাইল ওয়ালেট পেমেন্টে এক নম্বর স্থান অর্জন করেছে। ভারতের ৯০.৮০ শতাংশ মানুষ এখন ব্যবহার করছে অনলাইন পেমেন্ট (UPI Payment)।

    ইউপিআই ব্যবহারে শীর্ষে ভারত

    ২০২৪-এর এপ্রিল মাসে ভারতের (India) ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহারর ক্ষেত্রে এই যাবৎকালের শীর্ষে ছিল। দৈনিক ১৯.৬৪ লক্ষ কোটি টাকা ইউপিআই পেমেন্ট হয়েছে দেশজুড়ে। চলতি বছর মে মাসেও ইউপিআই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল। যদিও মে মাসে একটু কম ইউপিআই (UPI) ব্যবহার হয়েছে। ১৫ মে পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ১০.৭০ লক্ষ কোটি টাকার ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবহার হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India)

    ডিজিটাল পেমেন্টের এই ব্যাপক অগ্রগতি ভারতের যুব সমাজের ডিজিটাল প্রযুক্তিকে আপন করে নেওয়ার একটা বড় প্রমাণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আগেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার (Digital India) লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প ঘোষণা করেছেন। এরই অঙ্গ ছিল ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবস্থা। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারেও ইউপিআই পেমেন্টকে তুলে ধরা হয়েছে। মোদি জমানায় ডিজিটাল ব্যবস্থাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের রূপে কার্ড (Rupay Card) ব্যবস্থা বিশ্বের নানা প্রান্তে ব্যবহার হচ্ছে।

    কোভিডের সময় ইউপিআই-এর উত্থান

    প্রসঙ্গত কোভিড মহামারি ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে ক্ষেত্রে একটা বড় ধাক্কা দিয়েছিল। কোভিডর (Covid-19) সময় অনলাইন পেমেন্ট এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই সময় সামাজিক দূরত্ব বিধি ইউপিআই পেমেন্টকে সাহায্য করেছিল। দেখা গেছে কোভিডের সময় থেকেই মোবাইল ওয়ালেট, ইউপিআই এবং ভিম (BHIM) পেমেন্ট ব্যবস্থা সহ সমস্ত ধরনের অনলাইন পেমেন্ট (Digital India) ব্যবস্থার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। গ্লোবাল ডেটা এনালিস্ট রবি শর্মা জানিয়েছেন, সারা পৃথিবীতেই কোভিড পরবর্তী সময়ে অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা কদর বেড়েছিল। হংকং এর মত ছোট দেশেও কোভিড পরবর্তীকালে নগদ টাকার ব্যবহার কমে যায়।

    আরও পড়ুন: Google Wallet: গুগল পে, ফোন পে-র দিন কি শেষ! ভারতে চলে এল গুগল ওয়ালেট

    কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা যায় বিভিন্ন দেশে নগদ টাকার ব্যবহার ফের ফিরে আসে। ভারতে সেটা হয়নি। ডিজিটাল ভারতের (Digital India) ঘরে ঘরে ফোর জি কিংবা ফাইভ জি অ্যান্ড্রয়েড। তাই ইউপিআই (UPI) পেমেন্ট শহর হোক কিংবা মফস্বল অঞ্চল, সব জায়গায় মানুষ এখন মোবাইল পেমেন্টে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। প্রত্যন্ত গ্রামেও ব্যবহার হচ্ছে ডিজিটাল পেমেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ২০২৪-এর মার্চের মধ্যে সমস্ত গ্রামে বসাতে হবে মোবাইল টাওয়ার, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: ২০২৪-এর মার্চের মধ্যে সমস্ত গ্রামে বসাতে হবে মোবাইল টাওয়ার, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে ক্ষমতার আসার পরপরই নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) শুরু করেন ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি। ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচিতে অনলাইনে লেনদেন এতটাই জনপ্রিয় হয় যে জি২০ সম্মেলনে ভারতে এসে জার্মানির মন্ত্রীও মোদির (Narendra Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেন। এবার দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে বসতে চলেছে মোবাইল টাওয়ার। মোদি সরকারের এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে ইন্টারনেট পরিষেবা ঠিকঠাক মতো মিলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির ভরপুর সুবিধা দেশের কোনায় কোনায় পৌঁছানো আরও সহজ হবে। প্রসঙ্গত, দেশের কোনায় কোনায় মোবাইল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ পোর্টালও চালু করেছে মোদি সরকার। ‘গতিশক্তি সঞ্চার’ নামে ওই পোর্টালের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাবে মোবাইল টাওয়ার বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

    উদ্যোগী খোদ প্রধানমন্ত্রী

    খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবারই পিএম-প্রগতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই গ্রামাঞ্চলে মোবাইল টাওয়ার বসতে দেরি কেন হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। আধিকারিকরা তখন জমি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। জানা গিয়েছে,  এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বাঁধ প্রকল্পেরও তুলনা টানেন এবং বলেন, ‘‘বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেকেই জমি দিতে চান না। বাধা সৃষ্টি করেন। তবে মোবাইল টাওয়ার বসানোর ক্ষেত্রে এমন বাধা থাকে না।’’ তাহলে এত দেরি হচ্ছে কেন? এ নিয়ে আধিকারিকদের জবাবও তলব করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ বাঁধ ও সেচব্যবস্থা

    এর পাশাপাশি ওই বৈঠকে বাঁধ ও সেচব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সময় মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খন্ডে সেই সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির বিষয়ে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জলসম্পদ মন্ত্রকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয়ে রেখেই প্রকল্পগুলিকে শেষ করতে হবে।’’ বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে খাল কাটার উপর জোর দেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেচ প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী এদিন পরামর্শ দেন যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে পুনর্বাসন দিতে হবে এবং প্রকল্পের জন্য যাদের জমি যাচ্ছে তাঁদের সেই এলাকাও দেখাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: জার্মান মন্ত্রীর পর বিল গেটস, ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থায় মুগ্ধ ধনকুবের

    Digital India: জার্মান মন্ত্রীর পর বিল গেটস, ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থায় মুগ্ধ ধনকুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন বিশ্বের ধনুকুবের বিল গেটস। সপ্তাহ খানেক তিনি এদেশে ছিলেন। বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করেন বিল গেটস। সম্প্রতি তাঁর ভারত সফরের অভিজ্ঞতার একটি ছবি তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘সম্প্রতি ভারতে গিয়েছিলাম, সেখানে কুসুমার সঙ্গে দেখা হল। তিনি স্থানীয় পোস্ট অফিসে চাকরিজীবী, খুব ভালো কাজ করছেন। গ্রাহকদের স্মার্ট ফোন এবং বায়োমেট্রিক্স ব্যবহার করে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা প্রদান করেন কুসুমা।’’ ভারতের ডিজিটাল ব্যবস্থার (Digital India) উন্নয়নের ফলে দেশ কিভাবে এগিয়ে চলেছে, সে কাহিনিই তুলে ধরেছেন বিল গেটস। প্রসঙ্গত ২ দিন আগেই বেঙ্গালুরুতে ফুটপাত থেকে সবজি কিনে ডিজিটাল পেমেন্ট করেন জার্মানির তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ভারতের সহজ ডিজিটাল ব্যবস্থায় (Digital India) মুগ্ধ হন জার্মান মন্ত্রী।

    বিল গেটসের পোস্ট শেয়ার করলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    বিল গেটসের ২১ অগাস্টের ওই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মোদি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী ক্যাপশনে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতার কারণেই এই সফলতা।

    বিল গেটসের পোস্ট

    তাঁর ওই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ধনকুবের আরও লিখছেন যে ভারতীয়রা স্মার্ট ফোন এবং বায়োমেট্রিক্স (Digital India) ব্যবহার করে ব্যাঙ্কিং-এর পরিষেবা পান। এর ফলে পরিষেবা দেওয়ার কাজও যেমন সহজ হয়েছে তেমনি আর্থিকভাবে ক্ষমতায়ন সম্ভব হয়েছে। তাঁর পোস্ট নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই পোস্টটি। অনেক নেটিজেন বিল গেটসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। বিল গেটসের ওই পোস্টে জনৈক নেটিজেন লিখছেন, কুসুমার মতো আরও অনেকেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে টাকা জমা করা, টাকা তোলা, টাকা পাঠানো বা বিল পেমেন্টের মতো ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পান।  প্রসঙ্গত বিভিন্ন সরকারি আর্থিক এবং সামাজিক প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে খুব সহজেই জনগণের কাছে পৌঁছে যায়, সেজন্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় (Digital India) সবথেকে বেশি জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সাল থেকে শুরু হয় ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রচার এবং কাজ। ডিজিটাল ব্যবস্থায় উন্নয়নের ফলে আগের থেকে অনেক কম সময় লাগে এবং সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যায় টাকা।  ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (Digital India) তৈরির ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ভারতবর্ষ, তা শোনা গেল বিল গেটসের মুখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UPI: ফুটপাথ থেকে সবজি কিনে ইউপিআই ব্যবস্থায় পেমেন্ট, ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে মুগ্ধ জার্মান মন্ত্রী

    UPI: ফুটপাথ থেকে সবজি কিনে ইউপিআই ব্যবস্থায় পেমেন্ট, ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে মুগ্ধ জার্মান মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটপাথ থেকে সবজি কিনছেন জার্মানির মন্ত্রী ভোকার উইশিং, আর পেমেন্ট করছেন ইউপিআই ব্যবস্থায় (UPI)। এই দৃশ্য দেখা গেল বেঙ্গালুরুতে। ভারতের সহজ-সরল ডিজিটাল লেনদেন সিস্টেম (UPI) দেখে কার্যত মুগ্ধ হয়ে যান জার্মান মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, জার্মান দূতাবাসের তরফেও এ সম্পর্কে পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ট্যুইট করা হয় মন্ত্রীর সেই উপলব্ধির কথা। সেখানে লেখা হয়, ‘‘দেশের অনেক সাফল্যের গল্পগুলোর মধ্যে এটি একটি।’’ প্রসঙ্গত জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে বেঙ্গালুরু এসেছেন জার্মানির মন্ত্রী।

    মোদি জমানায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া

    ক্ষমতায় আসার পরেই ডিজিটাল ইন্ডিয়া স্লোগান তুলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, সেটা ছিল ২০১৫ সাল। তারপর থেকে গত আট বছরে ভারতে ডিজিটাল ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে। দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘একমাত্র দেশ ভারতবর্ষ, যেখানে ডেটা সব থেকে কম দামে পাওয়া যায় এবং প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ এখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।’’ প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুর, নেপাল, সৌদি-আরব সহ একাধিক দেশে চালু হয়েছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা (UPI)। যার সর্বশেষ সংযোজন ফ্রান্স। প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর সাম্প্রতিক ফ্রান্স সফরে সেখানে চালু করেন ইউপিআই (UPI)।

    জার্মান দূতাবাসের ট্যুইট

    রবিবার দুপুরে জার্মান দূতাবাসের তরফে একটি ভিডিও এবং কতগুলো ছবি পোস্ট করা হয় তাদের ট্যুইটার হান্ডেলে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে জার্মানির ডিজিটাল ও পরিবহণ মন্ত্রী ফুটপাথ থেকে সবজি কিনছেন। এবং ইউপিআই সিস্টেমের (UPI) মাধ্যমে পেমেন্ট করছেন। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘‘প্রত্যেকে ইউপিআই (UPI)-এর মাধ্যমে সেকেন্ডের মধ্যে লেনদেন করতে পারেন। লক্ষ লক্ষ ভারতীয় এই সিস্টেম ব্যবহার করেন। জার্মানির ডিজিটাল ও পরিবহণ মন্ত্রী তার (UPI) সাক্ষী এবং তিনি এই ব্যবস্থা দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India) প্রকল্পের সম্প্রসারণে অনুমোদন দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রকল্পের জন্য সরকার ১৪৯০৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে বলে জানান মন্ত্রী। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, আইটি এবং ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমের সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের সম্প্রসারণ।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের সম্প্রসারণ ( (Digital India))

    নাগরিকদের ডিজিটাল ( (Digital India)) পরিষেবা দিতে, ২০১৫ সালের ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। এরপর গত সাত বছর ধরে এই প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ভারতকে আরও ডিজিটাল এবং গতিশীল করতে এই প্রকল্প ব্যাপক সাফল্য পেয়ছে বলে মনে করছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই ডিজিটাল ভারতকে বিশ্বজনীন মাত্রা দিতে গত ১৬ই অগাস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নতুন করে বাজেটের অনুমোদন করেছে। এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা তিনি বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছেন।

    কী কী রয়েছে এই প্রকল্পে?

    এই প্রকল্পের ( (Digital India)) মধ্যে নানা জনমুখী সুবিধার কথা রয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নানা পরিষেবার বিষয়। ফিউচার স্কিলস প্রাইম প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তির জন্য ৬ লক্ষ ২৫ হাজার কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য ২ লক্ষ ৬৫ হাজার কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইউনিফায়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ফর নিউ-এজ গভর্ন্যান্স বা উমঙ্গ ( UMANG) অ্যাপে ১৭০০ টির বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও ৫৪০টি আরও পরিষেবা মিলবে বলে জানা গেছে।

    টিয়ার ২ এবং টিয়ার ৩ শহরে ১২০০ রকমের স্টার্ট আপ সংস্থাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে কেন্দ্র। স্বাস্থ্য, কৃষিভিত্তিক শহরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে এই প্রকল্পে। এছাড়াও ১২ কোটি কলেজ পড়ুয়াকে সাইবার-ইন্টারনেট সচেতনতার কোর্স করানো হবে। সেই সঙ্গে জাতীয় স্তরের সাইবার সংযোগ রক্ষাকারী ২০০০ টির বেশি ওয়েবসাইট যুক্ত করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আগে ১০ রকম ভাষা অনুবাদের অ্যাপ ছিল, এখন এই প্রকল্পে আরও নতুন  ৮ রকম ভাষা অনুবাদের জন্য অ্যাপ তৈরি করা হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: এআই-প্রযুক্তির ব্যবহারে ভারতে তৈরি হচ্ছে ভাষা অনুবাদক ‘ভাষিণী’, এনিয়ে কী বললেন মোদি?

    Digital India: এআই-প্রযুক্তির ব্যবহারে ভারতে তৈরি হচ্ছে ভাষা অনুবাদক ‘ভাষিণী’, এনিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশই আমরা এগিয়ে চলেছি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর যুগে। এআই-কে ব্যবহার করে ভারত তৈরি করছে ‘ভাষিণী’, যা সমস্ত আঞ্চলিক ভাষার একটি উন্নত অনুবাদক অ্যাপ হিসেবে কাজ করবে আগামী দিনে। এ নিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার বলেন, ‘‘ভারতবর্ষের সমাজের প্রতিটি স্তরে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে (Digital India) পৌঁছে দিতে এই নতুন উদ্যোগ।’’ 

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে নতুন ফিচার! ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তা পাঠানো যাবে এবার

    জি-২০ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এদিনই তিনি বক্তব্য রাখেন জি-২০ সম্মেলনে। ‘ডিজিটাল ইকনোমিক মিনিস্টারস মিটিং’’-এ তিনি আরও বলেন, ‘‘ডিজিটাল ব্যবস্থার (Digital India) উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতবর্ষে আদর্শ পরিবেশ রয়েছে। কারণ এখানে বিশ্বের মধ্যে সবথেকে কম দামে ডেটা পাওয়া যায়।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘‘ভারতবর্ষে বর্তমানে ৮৫ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন, যাঁরা পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে কম দামে ডেটা ব্যবহার করেন।’’

    আরও পড়ুন: প্রতিবারে ৫০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে ইউপিআই লাইটে, লাগবে না পাসওয়ার্ড

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India)

    প্রধানমন্ত্রী এদিন ব্যাখ্যা করেন যে কীভাবে আমাদের দেশের প্রযুক্তি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুফল দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ডিজিটাল পরিচয়ের (Digital India) প্ল্যাটফর্ম আধার পৌঁছেছে ১৩০ কোটি মানুষের কাছে। জনধন অ্যাকাউন্ট, আধার কার্ড এবং মোবাইল এই তিনটির দ্বারা ভারতবর্ষে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিপ্লব এসেছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা প্রযুক্তিভিত্তিক একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাইছি, যা যেকোনও সমস্যার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকবে সর্বদা। এর জন্য আমাদের দরকার ‘ফোর-সি’ কনভিকশন (প্রত্যয়), কমিটমেন্ট (সংকল্প), কো-অর্ডিনেশন (সমন্বয়) এবং কোলাবোরেশন (সহযোগিতা)। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন আরও বলেন, ‘‘এদেশে আঞ্চলিক ভেদে অসংখ্য ভাষা রয়েছে। কয়েক ডজন ভাষার বৈচিত্র্যময় দেশ এই ভারত ভূমি। আমাদের দেশ সদা প্রস্তুত রয়েছে বিশ্বের সঙ্গে জ্ঞান এবং নতুন নতুন চিন্তাধারা বিনিময়ের জন্য। ভারতের প্রাচীন সভ্যতা থেকে বর্তমানের আধুনিক প্রযুক্তি (Digital India), সবটাই রয়েছে সকলের জন্য।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: সংবাদসংস্থাগুলির কারণেই লাভ হচ্ছে বড় বড় কোম্পানিগুলির, আয়ের ভাগ দিতে হবে প্রকাশকদের, জানাল কেন্দ্র

    Digital India: সংবাদসংস্থাগুলির কারণেই লাভ হচ্ছে বড় বড় কোম্পানিগুলির, আয়ের ভাগ দিতে হবে প্রকাশকদের, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল মিডিয়ার কনটেন্ট (Digital India) বেচেই এতদিন লাভের মুখ দেখেছে বড় বড় কোম্পানি। বিশেষ করে গুগল, ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত খবর নিজেদের প্ল্যাটফর্মে দেখিয়ে প্রচুর লাভ করেছে কোম্পানিগুলি। তার বদলে সংবাদ সংস্থাগুলি কিছুই পায়নি। এই নিয়ে সংবাদসংস্থাগুলির সঙ্গে কোম্পানিগুলির বিরোধ বহুদিনের। এই অভিযোগ সরকারকেও জানিয়েছে সংবাদসংস্থাগুলি। বিচার করে দেখেছে কেন্দ্র। তাই এবার মিডিয়া হাউস ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিবাদ ঘোচাতে নতুন ডিজিটাল ইন্ডিয়া অ্যাক্ট (আইন) আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। 
     
    বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর জানান, সংবাদ সংস্থাগুলোর থেকে কোনও খবর বা কনটেন্টের (Digital India) লিঙ্ক নিলে তাদেরও লাভের ভাগ দিতে হবে। বিনামূল্যে তথ্যের ব্যবহার করা যাবে না।

    কী অভিযোগ সংবাদসংস্থাগুলির?  

    এদেশেরও আগে এই অভিযোগে প্রথম সরব হয়েছিল মার্কিন মিডিয়াগুলি। প্রায় তিন বছর আগে এই দাবি তুলেছিল তারা। তার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওই অভিযোগ ক্রমশ জোরালে হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, সংবাদপত্র বা ডিজিটাল মিডিয়া (Digital India) হাউসগুলি অনেক পরিশ্রম করে তাদের কনটেন্ট তৈরি করে আর সেই কনটেন্ট বিনামূল্যে নিজেদের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়ে ফেসবুক, গুগলের মতো বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। অনৈতিকভাবে প্রচুর পরিমাণ বিজ্ঞাপন হাতিয়ে নেওয়া হয়। কোটি কোটি টাকা মুনাফা হয় সংস্থাগুলির। কিন্তু ওই কনটেন্ট ‘শেয়ার’ করার জন্য গুগল ও ফেসবুক সংবাদমাধ্যমগুলিকে কোনও স্বত্ত্বভোগের মূল্য দেয় না, কিংবা তাদের বিজ্ঞাপনী আয়ের ভাগও দেয় না।

    আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে এ বছর মুখ্য অতিথি মিশরের রাষ্ট্রপতি 

    করোনা অতিমারির এবং লকডাউনের জেরে (Digital India) সংবাদসংস্থাগুলির আয় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলি রীতিমতো লোকসানে চলছে। এই অবস্থার প্রতিকার এবং বিজ্ঞাপন জোগাড়ের ক্ষেত্রে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমানাধিকার চেয়ে সংবাদমাধ্যমগুলি নিজের নিজের দেশের সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। ভারতে অন্তত ১৭টি ডিজিটাল নিউজ মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এই বিষয়টা নিয়ে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। তাই এবার সরকারের পক্ষ থেকেও নতুন ‘আইটি আইন’ আনার কথা ভাবা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
     
     
     
     
  • Digital India: লাদাখ, আন্দামান নিকোবরেও হাইস্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা

    Digital India: লাদাখ, আন্দামান নিকোবরেও হাইস্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এবার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও চালু হয়ে গেল হাইস্পিড ফাইবার ইন্টারনেট পরিষেবা। লাদাখ (Ladakh) এবং আন্দামান (Andaman) ও নিকোবরে (Nicobar) মিলছে ওই পরিষেবা। ইন্টারনেট (Internet) পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা এয়ারটেলের (Airtel) দাবি, তারাই প্রথম প্রাইভেট ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার যারা প্রথম প্রত্যন্ত অঞ্চলে চালু করল ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা।

    জানা গিয়েছে, এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন লাদাখের লেহ, আন্দামানের পোর্টব্লেয়ার ও নিকোবরের বাসিন্দারা। এই তিন কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতেও আগামী মাসেই পৌঁছে দেওয়া হবে এই পরিষেবা।

    আরও পড়ুন : এই ভুলটা করলেই হ্যাক হয়ে যাবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ! জেনে নিন এর থেকে বাঁচার উপায়…

    টেলকম দফতরের সচিব কে রাজারামণ বলেন, এয়ারটেল লাদাখ এবং আন্দামান নিকোবরে ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করেছে দেখে আমরা খুব খুশি। চেন্নাই এবং পোর্ট ব্লেয়ারের মধ্যে সমুদ্রের তলদেশে কেবল সংযোগ চালু করার ফলে এই অঞ্চলে উচ্চগতির ডেটা সংযোগ এনেছে টেলিকম মন্ত্রক। সরকারের ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভিশন প্রকল্পে এটা হয়েছে।

    ভারতী এয়ারটেলের সিইও বীর ইন্দার নাথ বলেন, এই অঞ্চলগুলিতে এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের উচ্চমানের ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দিতে পেরে আমরা খুশি। উপভোক্তাদের চাহিদা পূরণ করতে এয়ারটেল বিনিয়োগ করছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের দু হাজার শহরে আমরা ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করেছি।

    আরও পড়ুন : কী করে বুঝবেন কেউ আপনাকে হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করেছে কি না?

    সংস্থা সূত্রে খবর, এই অঞ্চলের গ্রাহকরা ওয়াইফাই রাউটার সহ এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবার পাবেন। যার ফলে ডাউনলোড কিংবা আপলোডের স্পিড একলপ্তে বেড়ে যাবে অনেকখানি। এক সঙ্গে ৬০টি ডিভাইসে স্থাপন করা যাবে সংযোগও।

    এও জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৪৮ লক্ষ। ছোট বড় মিলিয়ে দেশের ৮৪৭টি শহরে মিলত পরিষেবা। এয়ারটেলের লক্ষ্য, আগামী পঁচিশ সালের মধ্যে এই পরিষেবা দেশের দু হাজার শহরের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।ওই বছরের মধ্যে বাড়ি বাড়ি ব্রডব্যান্ড পরিষেবা ১৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৪ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কোম্পানি।

     

LinkedIn
Share