Tag: Digital infrastructure

  • Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এক বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উদ্যোগর ঘোষণা করলেন বিলিয়নিয়ার শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তিনি জানান, রিলায়েন্স (Reliance) ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জিও আগামী সাত বছরে ১০ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা (AI Infrastructure) গড়ে তুলতে এবং দেশকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্বের পথে দ্রুত এগিয়ে নিতে।

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Reliance)

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান বলেন, “এই বিনিয়োগ কোনও জল্পনাভিত্তিক পদক্ষেপ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অঙ্গীকার।” তাঁর দাবি, জনসংখ্যাগত শক্তি, ডিজিটাল পরিকাঠামো, বিপুল তথ্য উৎপাদন এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারতের তুলনাহীন সুবিধা রয়েছে। আগামী কয়েক দশকে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান এআই শক্তি হয়ে উঠতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আম্বানি জানান, জিও ইন্টেলিজেন্সের অধীনে শক্তিশালী দেশীয় কম্পিউট পরিকাঠামো গড়ে তুলতে তিনটি প্রধান স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ

    প্রথমত, বহু-গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ, যার মধ্যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে জামনগরে ১২০ মেগাওয়াটেরও বেশি সক্ষমতা চালু হওয়ার কথা। এটি বৃহৎ পরিসরে এআই প্রশিক্ষণ ও ইনফারেন্স সক্ষমতার ভিত্তি গড়ে তুলবে।
    দ্বিতীয়ত, রিলায়েন্সের নবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা কাজে লাগানো, কচ্ছ ও অন্ধ্রপ্রদেশে সৌর প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ গিগাওয়াট পর্যন্ত অতিরিক্ত সবুজ বিদ্যুৎ এআই পরিকাঠামোকে শক্তি জোগাবে। তৃতীয়ত, জিওর টেলিকম নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত দেশব্যাপী এজ কম্পিউট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যা ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি কম বিলম্বে ও সাশ্রয়ী মূল্যে এআই পরিষেবা পৌঁছে দেবে (Reliance)।

    ভারতের ডিজিটাল পরিসর

    ভারতের ডিজিটাল পরিসরের কথা উল্লেখ করে আম্বানি বলেন, “দেশে প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম কম ডেটা খরচ এখানে। পাশাপাশি ১ লাখেরও বেশি স্টার্টআপ ও ১০০-র বেশি ইউনিকর্ন নিয়ে একটি শক্তিশালী উদ্যোক্তা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আধার এবং ইউপিআইয়ের মতো ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো দ্রুত এআই গ্রহণের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। জিওর ৫০ কোটিরও বেশি গ্রাহকভিত্তি বুদ্ধিমান পরিষেবাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলেও জানান (AI Infrastructure) তিনি। আম্বানি বলেন, “কম্পিউটিং শক্তির খরচ কমানোই ভারতের এআই স্বপ্ন পূরণের কেন্দ্রীয় শর্ত। ভারত বুদ্ধিমত্তা ভাড়া করে নিতে পারে না।” টেলিকম খাতে যেমন জিও ডেটার মূল্য কমিয়ে বাজারে পরিবর্তন এনেছিল, তেমনভাবেই এআই ব্যবহারের খরচ কমানোই তাদের লক্ষ্য।

    এআই রূপান্তরমূলক শক্তি

    এআইকে তিনি এক রূপান্তরমূলক শক্তি হিসেবে বর্ণনা করে পৌরাণিক ‘অক্ষয় পাত্রে’র সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মতে, এটি জ্ঞান, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতায় সীমাহীন উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, বিশ্ব এআই পরিসর এখনও উন্নত অর্থনীতিতে কেন্দ্রীভূত কম্পিউট ক্ষমতা ও বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক প্রবেশাধিকারের প্রয়োজনের মধ্যে বিভক্ত (Reliance)। ভারতের পথ হওয়া উচিত নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে এআইকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবার নাগালের মধ্যে রাখা—যাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের যুগে ভারত গ্লোবাল সাউথের উদ্ভাবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে (AI Infrastructure)।

     

  • BNP: হাসিনা-ইস্যু ভারত-বাংলাদেশ বৃহত্তর সম্পর্কে বাধা হবে না, সরকার গঠনের আগে জানাল বিএনপি

    BNP: হাসিনা-ইস্যু ভারত-বাংলাদেশ বৃহত্তর সম্পর্কে বাধা হবে না, সরকার গঠনের আগে জানাল বিএনপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে তারা ভারত-বাংলাদেশের বৃহত্তর সম্পর্ক থেকে আলাদা রাখবে। যদিও তারা নয়াদিল্লির কাছে অপসারিত প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তরের জন্য চাপও অব্যাহত রাখবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের জায়গায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন বিএনপির নেতা তারেক রহমান। ঢাকার গুলশন এলাকায় দলের কার্যালয়ে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে একটি মাত্র ইস্যুর মধ্যেই কেন্দ্রীভূত করা উচিত নয়।”

    বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্য (BNP)

    তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জন্য জনমত রয়েছে এবং আমরা মনে করি ভারত তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা উচিত। কিন্তু হাসিনাকে বাংলাদেশে না পাঠালেও বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক-সহ বৃহত্তর সম্পর্ক গড়ে তোলার পথে তা অন্তরায় হবে না। আমরা আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।” আজ, মঙ্গলবারই পরবর্তী সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২০২৪ সালের অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে যাওয়া শেখ হাসিনা ও আওয়ামি লিগের অন্য প্রবীণ নেতাদের হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার ভারতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে। গত সতেরো মাসে ভারত এসব অনুরোধের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আলমগির বলেন, “অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনা, প্রাক্তন মন্ত্রী ও আমলাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।” তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে।”

    কিছু অমীমাংসিত উত্তেজনা রয়েছে

    তিনি স্বীকার করেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছু অমীমাংসিত উত্তেজনা রয়েছে। ফারাক্কা সংক্রান্ত গঙ্গা জল চুক্তির নবায়ন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের উদ্বেগ এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর বিষয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আলমগির বলেন, “আগামী বছরের আগেই গঙ্গা চুক্তির নবায়নের সময় ফরাক্কার জলের বিষয়টি উঠবে, তারপর রয়েছে সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রশ্ন—এসব বিষয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে।” মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারি না। আমাদের কথা বলতে হবে। যাঁরা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলেন, তাঁরা উন্মাদের মতো কথা বলেন।” তুলনা টেনে তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একে অপরকে সহযোগিতা করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে একটি মাত্র ইস্যুতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।”

    অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সমালোচনা

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলমগিরও দেশে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। সরকার গঠনের আগে  তিনি জামায়াতে ইসলামী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, “২০২৪ সালে অভ্যুত্থানের পর তারা জাতীয় সমঝোতা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। অভ্যুত্থানের নেতারাই অধ্যাপক ইউনূসকে বেছে নিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের নেতারা তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তী প্রধান (ইউনূস) তার বাইরে যেতে পারেননি।” আলমগির বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য, ব্যবসা, ডিজিটাল পরিকাঠামো ও কারিগরি শিক্ষায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “কারিগরি শিক্ষায় ভারতের সম্পদ রয়েছে এবং আমাদের বিপুল সংখ্যক বেকার তরুণ আছে। সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদের সাহায্য করতে হবে, যাতে তারা উপসাগরীয় দেশে চাকরি পেতে পারে।” তিনি এও বলেন, “আওয়ামি লিগ সরকারের নেওয়া বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্পগুলি বিএনপি সরকার পুনর্মূল্যায়ন করবে, কারণ এতে ঋণের বোঝা বেড়েছে।এই প্রকল্পগুলির মধ্যে যেগুলি বাংলাদেশের স্বার্থে কাজ করে, আমরা কেবল সেগুলিই রাখব।”

LinkedIn
Share