Tag: digital-platforms

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-এর সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিকৃত ভিডিও।ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস-সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর (Meta) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিওগুলির উৎস কোথায়, কারা সেগুলি তৈরি করেছে এবং কীভাবে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, মেটার নিজস্ব নজরদারি ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ভিডিওগুলির প্রচার ঠেকাতে কতটা কার্যকর ছিল, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হয়ে যাওয়ার পৃথক ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মেটার টানাপোড়েন চলছে। ওই পোস্ট পরে ফের দেখা যায়। মেটা ঘটনাটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল বলে ব্যাখ্যা করলেও, কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়, এবং সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    কে এই অরুণ শ্রীনিবাস? (PM Modi)

    অরুণ শ্রীনিবাস বর্তমানে ভারতে মেটার পরিচালক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তিনি এই দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি ভারতে মেটার বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান ছিলেন। মেটার পক্ষ থেকেই ২০২৫ সালের জুনে তাঁর নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। মেটায় যোগ দেওয়ার আগে শ্রীনিবাস হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, রিবক এবং ওলার মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন (PM Modi)। মেটার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু হয় ২০২০ সালে। প্রথমে তিনি ভারতে সংস্থাটির গ্লোবাল বিজনেস গ্রুপের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২২ সালে তাঁকে ভারতে বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান করা হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি ভারতে মেটার ব্যবসা, উদ্ভাবন ও আয়সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পান। কলকাতার ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিপণনে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা করেছেন শ্রীনিবাস। তার আগে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। প্রায় তিন দশকের বিক্রয় ও বিপণন-অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    কেন মামলা দায়ের?

    পুলিশ সূত্রে খবর, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই দুই সোশ্যাল মিডিয়াই মেটার মালিকানাধীন। তদন্তকারীরা প্রথমে জানতে চাইছেন, ভিডিওগুলি কোথা থেকে তৈরি বা প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে কীভাবে সেগুলি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। শুধু ভিডিও নির্মাতাদের ভূমিকা নয়, যারা ওই ভিডিও আপলোড, ফের প্রকাশ বা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের ভূমিকাও তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ধরনের বিকৃত ভিডিও শনাক্ত করে দ্রুত সরাতে পেরেছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনও সিদ্ধান্তে পুলিশ এখনও পৌঁছয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন (Meta)।

    মেটা কী বলেছে?

    এফআইআর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, মেটার এক প্রতিনিধি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হয়ে সংস্থার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং আইন মেনে চলার বিষয়টি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করেছেন।হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশের পক্ষ থেকে মেটার প্রতিনিধিদের ডেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি প্রতারণামূলক বিষয়বস্তু, ভুয়ো বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য বিকৃত বিষয়বস্তু শনাক্ত ও সরানোর পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল বলেও দাবি সূত্রের। তার কয়েক দিনের মধ্যেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট নিয়ে আলাদা চাপের মুখে মেটা

    শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনার থেকে আলাদা। তবে দু’টি ঘটনাই মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও পোস্ট ফেসবুকে সাময়িকভাবে সীমিত হয়ে যায়। ভিডিওটিতে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল। পরে সেটি পুনরুদ্ধার করা হয়। মেটার তরফে ঘটনাটিকে এআই-নির্ভর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এবং দুঃখপ্রকাশ করা হয় সংস্থার তরফে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ওই ব্যাখ্যাকে যথেষ্ট বলে মনে করেনি। তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণণ বলেন, “তারা ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে যা ঘটেছে তা ভুল ছিল—এটি ভালো। কিন্তু আমরা ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নই… এটি যথেষ্ট নয় এবং আমরা আরও বিস্তারিত তথ্য চাইছি (PM Modi)।” এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ফলে একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট  সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ—দু’টি ঘটনাই ভারতে মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কেন বাড়ছে নজরদারি?

    ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর সরকারি নজরদারি সম্প্রতি আরও বেড়েছে। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন, পরিচয় জাল করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের দ্রুত বিস্তার নিয়ে সরকারের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সক্রিয় হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ-সহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—কোন বিষয়বস্তু দ্রুত শনাক্ত করা হবে, কোনটি সরানো হবে এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Meta)। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে এফআইআর শুধু একটি নির্দিষ্ট ভিডিওকে ঘিরে তদন্ত নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়া -নির্ভর বিকৃত বিষয়বস্তুর দায় কার—সেই বৃহত্তর প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দায় কতটা?

    এআইয়ের সাহায্যে তৈরি ভিডিও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হওয়ায় সাধারণ ইউজারদের পক্ষে আসল ও নকল ভিডিও আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের নামে বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণেই তদন্তে শুধু ভিডিওটি কে তৈরি করেছে, তা জানাই যথেষ্ট নয়। সেটি কোন মাধ্যমে প্রথম ছড়াল, কত দ্রুত ছড়াল, কারা তা ফের প্রকাশ করল এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম সেটি শনাক্ত করতে বা সরাতে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। হায়দরাবাদ পুলিশের বর্তমান তদন্ত সেই বৃহত্তর প্রশ্নগুলিই সামনে নিয়ে আসছে। তবে তদন্ত যেহেতু এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, তাই শ্রীনিবাস বা অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এই মামলা ভারতে এআই-নির্ভর ভুয়ো বিষয়বস্তু এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে যে ব্যাখ্যা-পর্ব চলছে, তার সঙ্গে এই (Meta) নতুন তদন্ত যুক্ত হওয়ায় ভারতের ডিজিটাল পরিসরে প্ল্যাটফর্মগুলির দায়বদ্ধতা ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর বা জাল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ জন ভারতীয়-সহ (Indians) মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)। গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন-ইজরায়েলি বাহিনী ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর  শুরু (UAE) হয় এই যুদ্ধ। ইউএইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিও এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়েছে, যা বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তদন্তের ভিত্তিতে তাদের দ্রুত বিচার করা হবে। এই পদক্ষেপ করা হয়েছে দু’টি ধাপে। সর্বশেষ তালিকায় বিভিন্ন দেশের ২৫ জন রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৭ জন ভারতীয়। এর আগে শনিবার ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে দু’জন ভারতীয়।

    ইউএইর অভিযোগ (UAE)

    ইউএইর অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামস জানান, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা এবং স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তৈরি ভুয়ো তথ্য ও কৃত্রিম কনটেন্ট ছড়ানো রুখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সে দেশের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়ামের (WAM) উদ্ধৃতি অনুযায়ী, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছে। এর মধ্যে ছিল বর্তমান ঘটনাবলীর আসল ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করা, আই ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা, এবং সামরিক আগ্রাসনে জড়িত একটি রাষ্ট্রের প্রশংসা করে প্রচার করা।

    প্রথম দলের ১০

    জানা গিয়েছে, প্রথম দলের ১০ জন অভিযুক্তের মধ্যে ছিলেন ৫ জন ভারতীয়, ১ জন পাকিস্তানি, ১ জন নেপালি, ২ জন ফিলিপিনো এবং ১ জন মিশরীয়। তাঁরা দেশের আকাশসীমায় মিসাইল চলাচল ও প্রতিরোধের আসল ভিডিও প্রচার করেছিল। এসব ঘটনা দেখার জন্য জড়ো হওয়া মানুষের ভিডিও করে তাতে এমন মন্তব্য ও শব্দপ্রভাব যোগ করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় দেশে সক্রিয় হামলা চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এতে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল এবং দেশ বিরোধী প্রচার চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারত (UAE)। দ্বিতীয় দলে ৭ জন ছিলেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন ভারতীয়, ১ জন নেপালি এবং ১ জন বাংলাদেশি (Indians)।

    এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও

    তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও বা দেশের বাইরের ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে দাবি করেছিলেন যে এগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ঘটেছে। এসব ভিডিওয় বিস্ফোরণ ও মিসাইল হামলার কৃত্রিম দৃশ্য দেখানো হয়েছিল এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সেখানে জাতীয় পতাকা বা নির্দিষ্ট তারিখ যুক্ত করা হয়েছিল। আর তৃতীয় দলে ৬ জন ছিলেন। এঁর মধ্যে ৫ জন ভারতীয় এবং ১ জন পাকিস্তানি। অভিযোগ, তাঁরা ইরানের প্রশংসা করে কনটেন্ট প্রকাশ করেছেন, যেখানে সেই দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক সামরিক কর্মকাণ্ডকে সাফল্য হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ

    সরকারের বক্তব্য, এতে শত্রুপক্ষের প্রচারকে শক্তিশালী করা হয়েছে, ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ। এছাড়া আরও দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সরকারি কৌঁসুলির দফতর তাঁদের আটক করে রাখার নির্দেশ দেয় (Indians)। অ্যাটর্নি জেনারেল আল শামস বলেন, “তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়েছিল, যেখানে ইউএইয়ের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় হামলা বা বড় অগ্নিকাণ্ড দেখানো হয়েছিল (UAE)। ইউএই আইনে এই ধরনের অপরাধের শাস্তি হল, কমপক্ষে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং অন্তত ১,০০,০০০ দিরহাম জরিমানা। তিনি বলেন, “এসব ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা দুর্বল করা।”

    নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণা

    কিছু ভিডিওতে শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণাও তৈরি করা হয়েছে। কিছু ভিডিওয় আবার দেশের সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বা বিদেশের ঘটনাকে ইউএইয়ের ঘটনা হিসেবে দেখানো হয়েছে। রবিবার সকালে উপসাগরীয় দেশগুলি, যার মধ্যে ইউএইও রয়েছে, নতুন করে হামলার খবর জানায়। এর একদিন আগে ইরান ইউএইয়ের তিনটি বড় বন্দর খালি করার আহ্বান জানিয়েছিল এবং প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী দেশের অ-মার্কিন সম্পদের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়েছিল (Indians)। তেহরানের অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউএইয়ের বন্দর, ডক ও ঘাঁটি ব্যবহার করে খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে। এই দ্বীপেই রয়েছে ইরানের প্রধান তেল রফতানি টার্মিনাল। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ দেয়নি ইরান (UAE)। এদিকে, যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি আশা করেন মিত্র দেশগুলি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।

     

  • Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ নতুন দিল্লিতে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটি ডিজিটাল টুল বা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। একইসঙ্গে, এই জনগণনার অফিশিয়াল ম্যাসকট—‘প্রগতি’ (নারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ) উন্মোচন করেছেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই হতে চলেছে প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। ভারতের মতো দেশে এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি সত্যই অভিনব। অমিত শাহ বলেন, “প্রযুক্তির এই ব্যবহার ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    ম্যাসকট ‘প্রগতি’ ও ‘বিকাশ’ (Census-2027)

    ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) বন্ধুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মুখ হিসেবে ‘প্রগতি’ (মহিলা গণনাকারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ গণনাকারী) ম্যাসকট দুটিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ম্যাসকটগুলি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্পে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই ম্যাসকটগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনগণনার উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের বান্ধব হিসেবে প্রচারের কাজ করবে।

    চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

    সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (C-DAC)-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি দেশের জনগণনা (Census-2027) প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নির্ভুল করবে। প্ল্যাটফর্মগুলি হল-

    হাউজলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর (HLBC)

    স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে এলাকা নির্ধারণের জন্য এটি ব্যবহার করা হবে।

    এইচএলও (HLO) মোবাইল অ্যাপ

    গণনাকারীদের জন্য একটি সুরক্ষিত অফলাইন মোবাইল অ্যাপ, যার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাগজের কাজ ছাড়াই সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও আপলোড করা যাবে। এটি ১৬টি আঞ্চলিক ভাষায় কাজ করবে।

    সেলফ-এনিউমারেশন (SE) পোর্টাল

    প্রথমবারের মতো নাগরিকদের জন্য ‘স্ব-গণনা’র সুবিধা (Census-2027) দেওয়া হচ্ছে। এই পোর্টালে নাগরিকরা নিজেরাই তাদের পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি অনন্য আইডি (SE ID) তৈরি হবে, যা পরে গণনাকারীকে দেখালে তিনি তথ্য যাচাই করে নেবেন।

    সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)

    এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

    জনগণনার সময়সূচী

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে:

    • প্রথম পর্যায় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই পর্যায়ে ঘরবাড়ি তালিকাভুক্তকরণ এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
    • দ্বিতীয় পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ২০২৭): এই পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা (Census-2027) করা হবে। তবে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারবৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই এই গণনা সম্পন্ন হবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতির সুবিধা গুলি কি কি?

    • ● এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রম।
    • ● এতে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবং আধিকারিক নিযুক্ত থাকবেন।
    • ● তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১৬টি ভাষা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।
    • ● এবারের জনগণনায় জাতিগত তথ্যও (Caste data) সংগ্রহ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশ জুড়ে জনগণনায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশও করা হয়েছে।

LinkedIn
Share