Tag: Digital

Digital

  • Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান (Iran)। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকসের মতে, ইরানে ইন্টারনেটের প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) এখন ৪৭তম দিনে পড়ল, যেখানে সাধারণ জনগণ ১,১০৪ ঘণ্টা ধরে আন্তর্জাতিক সংযোগ ছাড়াই রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই নতুন করে শুরু হওয়া দেশীয় বিক্ষোভের পর ডিজিটাল অ্যাক্সেস ভেঙে পড়তে শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও কঠোর ও তীব্র হয়ে ওঠে।

    বিশাল তথ্যশূন্যতা (Iran)

    পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন লাখ লাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে এবং একটি বিশাল তথ্যশূন্যতা তৈরি করেছে। যদিও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক আংশিকভাবে চালু রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের বাধা দেশটিকে একটি ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংঘাত ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সময় কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধ অবস্থা সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল সেন্সরশিপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যেখানে ১,১০৪ ঘণ্টার মাইলফলক সংযোগ সঙ্কটের তীব্রতা নির্দেশ করছে। এই অভ্যন্তরীণ ডিজিটাল নীরবতা একই সঙ্গে একটি গভীরতর কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বিদেশি চাপ ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিকের ওপর বলপ্রয়োগের যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।” এহেন মন্তব্যটি এসেছে যখন একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে (Iran)।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-এর মতে, পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, “ইরান গঠনমূলক আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও জোরজবরদস্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না।” ইসলামাবাদে প্রাথমিক আলোচনার অচলাবস্থার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার খবরের প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যটি আসে। তিনি বলেন, “আমরা গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছি, কিন্তু আত্মসমর্পণে বাধ্য হব না। ইরানের ওপর নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং জনগণ কখনওই তা মেনে নেবে না। ইরান যুদ্ধ চায় না (Digital Blackout)।”

    তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ

    প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে বেড়ে যাওয়া উত্তেজনার প্রতিফলন, বিশেষ করে আমেরিকা কর্তৃক ইরানের বন্দরগুলি অবরোধের সিদ্ধান্তের পর, যা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে (Iran)। পেজেশকিয়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর হামলার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, “কার অনুমতিতে এবং কোন অপরাধের জন্য আমাদের দেশের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে?” তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির আলোকে অসামরিক মানুষ, শিশু, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্কুল-হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হামলার কোনও যৌক্তিকতাই নেই।” তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান শান্তি চায়, তবে তার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনও বাহ্যিক চাপ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। ৪৭তম দিনে ইরানের ১,১০৪ ঘণ্টার ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে আরও তীব্র হয়েছে (Iran)।

    ইরানের বন্দরগুলিতে সফল অবরোধ

    এই প্রতিরোধ এখন একটি বৃহৎ সামরিক মোতায়েনের মুখে পড়েছে। একই দিনে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করে, ইরানের বন্দরগুলিতে পূর্ণ অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন বাহিনী কৌশলগত জলপথ, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। এক বিবৃতিতে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে সব ধরনের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী সামুদ্রিক আধিপত্য বজায় রাখার ফলে ইরানের বন্দরগুলি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থনীতি সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সমুদ্রপথে সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

    আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জানিয়েছেন, এই অভিযানে ১০,০০০-এর বেশি মার্কিন সেনা সদস্য, নাবিক, মেরিন ও বিমানসেনা অংশ নিয়েছে, পাশাপাশি এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু বিমান (Digital Blackout) মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক সঙ্কট চলাকালীন অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকে (Iran)।

     

  • Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    Census 2027: এবার জনগণনা হবে ডিজিটালি, কী সুবিধা হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণনা ২০২৭ (Census 2027) হবে সম্পূর্ণরূপে একটি ডিজিটাল কাঠামোর ওপর, যা ভারতের জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও নজরদারির পদ্ধতিতে এক বড় (National Coding System) রূপান্তরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারের তরফে জারি করা সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী, এই জনগণনায় মাঠপর্যায়ের কাজ ও তদারকি সহজ করতে মোবাইল প্ল্যাটফর্ম, কেন্দ্রীভূত ওয়েব পোর্টাল এবং রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশনের ওপর নির্ভর করা হবে।

    ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা (Census 2027)

    নথিগুলিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে জনগণনা ২০২৭, আগের জনগণনাগুলির কেবল ডিজিটাল সংস্করণ নয়, বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা শুরু থেকেই ডিজিটালি পরিচালনার জন্য নকশা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় তথ্যসংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, ভৌগোলিক তথ্য ও নজরদারিকে একীভূত করে একটি একক জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। সার্কুলার অনুযায়ী, তথ্য সংগ্রহ করা হবে তথ্যসংগ্রাহকদের ব্যবহৃত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে। এর পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য স্ব-তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও থাকবে। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS) এবং হাউজিং লিস্টিং ব্লক ক্রিয়েশন (HLBC) ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির সাহায্যে রিয়েল-টাইমে তথ্য পাঠানো, মাঠপর্যায়ের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং জেলা, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে কেন্দ্রীভূত তদারকি সম্ভব হবে। আধিকারিকদের মতে, এই কাঠামোর লক্ষ্যই হল, কাজের সময় কমানো, ত্রুটি হ্রাস করা এবং পুরো জনগণনা প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি বাড়ানো।

    ডিজিটাল রোলআউট

    ডিজিটাল রোলআউটের পাশাপাশি, দেশজুড়ে প্রতিটি প্রশাসনিক ও আবাসিক একককে একরূপভাবে শনাক্ত করার জন্য একটি নতুন জাতীয় অবস্থান-কোডিং কাঠামোও চূড়ান্ত করা হয়েছে (National Coding System)। এই কোডিং ব্যবস্থায় প্রতিটি এলাকাকে একটি সহজ কিন্তু স্বতন্ত্র সংখ্যাসূচক পরিচিতি নম্বর দেওয়া হবে, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণের সময় মূল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই কাঠামো অনুযায়ী, শনাক্তকারী কোডগুলি স্তরভিত্তিকভাবে নির্ধারিত হবে—রাজ্য ও জেলা থেকে শুরু করে শহর, গ্রাম, ওয়ার্ড এবং তথ্যসংগ্রহ ব্লক পর্যন্ত—যার ফলে ডিজিটাল ম্যাপিং ও তথ্যের সমন্বয় সহজ হবে (Census 2027)। সার্কুলার অনুযায়ী, শহুরে ওয়ার্ডগুলিকে “০০০১” থেকে ধারাবাহিক নম্বর দেওয়া হবে। আইনসম্মত শহরের সঙ্গে সংযুক্ত আউটগ্রোথ বা সংলগ্ন বসতিগুলিকে তাদের মূল নগর এককের সঙ্গে সংযুক্ত ক্রমান্বিত কোড দেওয়া হবে।

    ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে

    সামঞ্জস্য বজায় রাখতে, ২০১১ সালের জনগণনায় থাকা প্রশাসনিক এককগুলির পূর্ববর্তী শনাক্তকারী কোড অপরিবর্তিত থাকবে। নতুনভাবে গঠিত জেলা, রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থাগুলিকে একটি কেন্দ্রীভূত জুরিসডিকশন পোর্টালের মাধ্যমে তৈরি সংক্ষিপ্ত ক্রমান্বিত কোড বরাদ্দ করা হবে। জাতীয় ডেটাবেসে শ্রেণিবিন্যাসের স্পষ্টতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে গ্রাম, বনগ্রাম, আইনসম্মত শহর ও সেনসাস টাউনের জন্য পৃথক সংখ্যাসূচক পরিসর নির্ধারণ করা হয়েছে (Census 2027)। গণনা সংক্রান্ত সার্কুলারগুলিতে একটি বিস্তৃত ও মানসম্মত প্রশিক্ষণ কাঠামোর কথাও বলা হয়েছে, যার লক্ষ্য একটি ডিজিটালি দক্ষ কর্মীবাহিনী তৈরি করা। এই প্রশিক্ষণ হবে ‘ক্যাসকেড মডেলে’, যেখানে জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষকরা মাস্টার ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ দেবেন, এবং মাস্টার ট্রেনারেরা মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

    বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, লক্ষ্য হল এমন একটি উচ্চদক্ষ ও অনুপ্রাণিত কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা, যারা নির্বিঘ্ন, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য জনগণনা সম্পন্ন করতে পারবে। এতে ডিজিটাল সরঞ্জাম, তথ্যের অখণ্ডতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অনুশীলনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে (Census 2027)। হাউস লিস্টিং ও হাউজিং পর্যায়কে জনগণনা ২০২৭-এর ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সার্কুলারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে জনগণনার ধারণা, সংজ্ঞা ও প্রশ্নাবলি সম্পর্কে স্পষ্ট ও অভিন্ন বোঝাপড়া থাকা জরুরি।তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য পেশাদারিত্ব ও ‘সেবা ভাব’ নিয়ে পরিচালনা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এতে নৈতিক আচরণ ও জনআস্থাকে জনগণনার মূল নীতির অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সার্কুলারে বিস্তারিত সময়সূচি ও পরিকাঠামোগত (National Coding System) প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ রয়েছে। দেশজুড়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নির্ধারিত হয়েছে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে। মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে সব তথ্যসংগ্রাহক ও সুপারভাইজারের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে (Census 2027)।

    প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা

    ব্যাচের আকার, শ্রেণিকক্ষের সময়কাল এবং প্রশিক্ষণস্থলের সুবিধা—যেমন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ ও অডিও-ভিজুয়াল সরঞ্জাম—সব কিছুই মানসম্মত করা হয়েছে, যাতে সব রাজ্যে প্রশিক্ষণের গুণগত মান একরূপ থাকে। প্রশিক্ষণে উপস্থিতি, অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতা ডিজিটালভাবে সিএমএমএস পোর্টালের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। ফলে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটিও জনগণনা ২০২৭-এর রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থার অংশ হয়ে উঠবে (National Coding System)।

     

  • Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে দেশে চলছে এসআইআর। এই পর্বের শেষেই শুরু হয়ে যাবে জনগণনার (Census) কাজ। অন্তত এমনই জানাল (Digital Survey) কেন্দ্র। ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন সংসদে এমনই ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। যদিও এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে চলতি বছরের ১৬ জুন। মোট দু’দফায় হবে এই সেনসাসের কাজ। প্রথম পর্যায়ে হবে গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন জনগণনা। এটি চলবে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনগণনা। এটি হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং লাদাখের মতো পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে যেহেতু তুষারপাত হয়, তাই সেই সব জায়গায় জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Digital Survey)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, “দেশের সর্বত্র গণনার জন্য ২০২৭ সালের ১ মার্চকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তবে লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের বরফ-ঢাকা অঞ্চলগুলির জন্য জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর রেফারেন্স তারিখ গণ্য হবে। এই প্রক্রিয়াটিতে পূর্ববর্তী অনুশীলনগুলি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

    প্রশ্নপত্র তৈরি

    প্রশ্নপত্র তৈরির বিষয়ে জনগণের মতামত সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এমএইচএ জানিয়েছে (Digital Survey), জনগণনার প্রশ্নাবলী কেবল মাত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, ব্যবহারকারী সংস্থা এবং বিষয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত করা হয়। জনগণনা ২০২৭ সালের মধ্যে দেশব্যাপী একটি প্রি-টেস্ট গত ৩০ নভেম্বরে শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত প্রশ্নাবলী শীঘ্রই বিজ্ঞাপিত হবে বলেই মন্ত্রক জানিয়েছে। জনগণনা বিধি, ১৯৯০ সালের ৬ নম্বর বিধি অনুযায়ী, জনগণনার প্রশ্নাবলী এবং তফশিলগুলি আইনের ধারা ৮-এর উপধারা (১) এর অধীনে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপিত হয় সরকারি গেজেটের মাধ্যমে। প্রশ্নাবলী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেনসাস কমিশনারের কার্যালয়।

    আগামী জনগণনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হবে ৭০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক গণনা অন্তর্ভুক্ত করা। এটি হবে ভারতের প্রথম ডিজিটাল জনগণনাও। এখানে তথ্য সংগ্রহ করা হবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। তবে যেসব অঞ্চলে এই সুবিধা নেই, সেখানে কাগজ-ভিত্তিক ফর্মও (Census) পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। তবে করোনা অতিমারির কারণে সেই সময় হয়নি (Digital Survey)।

  • Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিপিডিপি (ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন) অ্যাক্ট (Digital Data) বাস্তবায়নের পথে বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই আইনের চূড়ান্ত নিয়মাবলী প্রকাশ (Protection Law) করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এর ফলে ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রাইভেসি কাঠামোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

    নয়া আইন (Digital Data)

    নয়া আইন চালু হওয়ায় এখন থেকে কোনও সংস্থা, সরকারি দফতর এবং ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি কীভাবে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং তা প্রসেস করবে, তা নিয়ে বহুদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। শুধু তাই নয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলির ১৮ বছরের নীচের কাউকে প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করার আগে সম্মতি নিতে হবে তাঁদের বাবা-মায়ের। সরকার অবশেষে ২০২৩ সালের অগাস্টে সংসদে পাস হওয়া ডিপিডিপি আইনের কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে।

    সম্মতিভিত্তিক কাঠামো

    জানা গিয়েছে, বহু প্রতীক্ষিত এই নিয়মগুলি একটি সম্মতিভিত্তিক কাঠামো নিশ্চিত করবে, যা সোশ্যাল মিডিয়া, ই-কমার্স, গেমিং, ব্যাংকিং, পেমেন্ট এবং সরকারি সেবা ব্যবহারের জন্য অনলাইনে যাওয়া ইউজারদের ডেটা সুরক্ষিত রাখবে। আইন ভাঙলে কোম্পানি ও সংস্থাগুলিকে জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। গুরুতর ডেটা সুরক্ষা ব্যর্থতা ও লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকার শাস্তি পর্যন্ত হতে পারে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, কোনও তথ্য চুরি হলে কোম্পানিগুলিকে তা দ্রুত জানাতে হবে ইউজার এবং নয়া ডেটা প্রোটেকশন বোর্ডকে। তবে এই নিয়মগুলি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। বড় ধরনের ব্যাক-এন্ড পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করেই সরকার কোম্পানিগুলিকে সময় দিয়েছে ১৮ মাস (Digital Data)।

    ইউজারদের জানাতে হবে

    সরকার জানিয়েছে, কোনও তথ্য চুরি হলে তা অবিলম্বে ইউজারদের জানাতে হবে সহজ ভাষায়, যাতে চুরির ধরন ও সম্ভাব্য পরিণতি, সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপ, (Protection Law) এবং সহায়তার জন্য যোগাযোগের বিবরণ  স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা থাকে। সরকার আরও জানিয়েছে, এই আইন সাতটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই নীতিগুলি হল সম্মতি ও স্বচ্ছতা, উদ্দেশ্য-সীমাবদ্ধতা, ডেটা-সংযম, যথার্থতা, সংরক্ষণসীমা, নিরাপত্তা সুরক্ষা, এবং জবাবদিহি।

    উদারনীতির জন্য লবিং

    শিশুদের অনলাইন ডেটা সম্পর্কিত বিষয়ে, যেখানে বিগ টেক এবং অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলি উদারনীতির জন্য লবিং করে আসছিল, সেখানে নতুন আইন বাধ্যতামূলক করেছে যে ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের আগে কোম্পানিগুলিকে অবশ্যই যাচাইযোগ্য সম্মতি জোগাড় করতে হবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং রিয়েল-টাইম নিরাপত্তা—এ ধরনের অত্যাবশ্যক উদ্দেশ্যে কিছু সীমিত ছাড় দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহায়তা পাওয়ার পরেও আইনানুগ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্মতি অবশ্যই আইনানুগ অভিভাবকের কাছ থেকে নিতে হবে। শিশুর ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য যাচাইযোগ্য পারিবারিক/অভিভাবকের সম্মতি পেতে, কোম্পানিগুলিকে উপযুক্ত প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে (Digital Data)।

    ডেটা ফিডিউশিয়ারি

    নয়া নিয়মে স্পষ্টভাবে ডেটা ফিডিউশিয়ারি সম্পর্কে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নানা নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন তথ্য কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে, সেই বিষয়ে সম্মতি দেওয়া (Protection Law), তা প্রত্যাহার করা কিংবা সেই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে নাগরিকদের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তথ্য ব্যবহার এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির মতো মূল বাধ্যবাধকতাগুলি আইন প্রণয়নের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে (Digital Data)।

LinkedIn
Share