Tag: Diplomat Relations

  • Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ সময় শেষ হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিক (Diplomat Relations) সিলেটের সিনিয়র কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে বলেছেন, “ভারত শীঘ্রই বাংলাদেশে সমস্ত ভিসা পরিষেবা চালু করবে। সমস্ত ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ততার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তালানিতে যায়।

    সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনিরুদ্ধ দাস বিডিনিউজ২৪-কে বলেছেন, “ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন মেডিকেল এবং ডাবল-এন্ট্রি ভিসা জারি করা হচ্ছে, এবং ভ্রমণ ভিসা সহ অন্যান্য বিভাগ পুনরায় চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের (Diplomat Relations) ক্ষেত্রে উভয় দেশের সাধারণ মানুষই প্রধান অংশীদার হবেন। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা। তাই একে অপরের পরিপূরক সম্পর্ক নির্মাণে আগ্রহী।”

    আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার করণে বন্ধ ভিসা

    ২০০৯ সালে হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো ছিল। নয়াদিল্লি হাসিনার শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছায়। ইউনূসের শাসনামলে ভারত-বিরোধী মৌলবাদীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই সময় বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী প্রচারণা তুঙ্গে ওঠে। ভারত সরকারের বিদেশমন্ত্রক আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।

    ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি শপথ গ্রহণে গিয়েছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যথেষ্ট ইতিবাচক বৈঠক হয়। উভয় পক্ষই দীর্ঘ ইতিহাসের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের (Diplomat Relations) জন্য কাজ করবে বলে আশ্বাস বিনিময়ও করেন।

    ভারত কেন বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) জুলাই মাসের বিদ্রোহের মাঝামাঝি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিতারিত হওয়ার পর ভারত প্রথমবারের মতো ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ভিসা স্থগিত করে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের সমস্ত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) এর কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে, ভিসা প্রদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের আগে দৈনিক ইস্যু করা ভিসার সংখ্যা ৮,০০০ থেকে বর্তমানে কমে প্রায় ১,৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভিসা স্থগিতাদেশের পরবর্তী দফা শুরু হয়, যখন উগ্রপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ভারত বিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছিল। ১৭ নভেম্বর ঢাকা আইভিএসি বন্ধ হয়ে যায়, তারপরে ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম, খুলনা এবং রাজশাহী কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা এবং অন্যান্য কনস্যুলারগুলিতে ভিসা পরিষেবা (Diplomat Relations) স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

LinkedIn
Share