Tag: Diplomatic Relations

  • India China Talks: চিনা উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করলেন ডোভাল, জোর সীমান্তে শান্তি-দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে

    India China Talks: চিনা উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করলেন ডোভাল, জোর সীমান্তে শান্তি-দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজিংয়ে দু’দিনের সফরে গিয়ে মঙ্গলবার চিনের উপ-রাষ্ট্রপতি হান ঝেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA Ajit Doval) অজিত ডোভাল। বৈঠকে ভারত-চিন (India China Talks) সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থনীতি, রাজনীতি এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বেজিংয়ে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

    ডোভালের চিন সফর (India China Talks)

    ডোভালের চিন সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে কয়েক বছর ধরে চলা টানাপোড়েনের পর সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হল ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের ২৫তম দফার বৈঠক। মঙ্গলবারই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে সেই বৈঠকে বসার কথা ডোভালের। সীমান্ত-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়েও মতবিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে। হান ঝেংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর চিনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ২৫ অগাস্ট ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি অজিত ডোভাল চিনের উপ-রাষ্ট্রপতি হান ঝেংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুই পক্ষ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতাবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে। পাশাপাশি দুই দেশের নেতাদের মধ্যে ইতিমধ্যেই যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তিতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রগুলিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ব্যবস্থা

    সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের এই আলোচনা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা ২০০৩ সালে গড়ে ওঠে। এর উদ্দেশ্য হল ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যার একটি সামগ্রিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। এর আগে ২০২৫ সালের অগাস্টে ২৪তম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বৈঠকে সীমান্ত প্রশ্ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে একাধিক সমঝোতা হয়েছিল (NSA Ajit Doval)। এবারের বৈঠকও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনার প্রধান মাধ্যম। একই সঙ্গে এটি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগেরও গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এবারের আলোচনায় সীমান্ত প্রশ্নের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হওয়ার কথা।

    “গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী” আলোচনা

    ডোভাল ও ওয়াং ই-র মধ্যে এর আগে জুন মাসে নয়াদিল্লিতে সাক্ষাৎ হয়েছিল। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকের পর ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক দুই পক্ষের আলোচনাকে “গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী” বলে বর্ণনা করেছিল। তখন সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করে দুই দেশ ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে অগ্রগতি হচ্ছে বলে জানিয়েছিল। ভারতীয় পক্ষের বক্তব্য ছিল, স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য এবং গঠনমূলক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে (India China Talks)। ভারত-চিন সম্পর্কের সাম্প্রতিক গতিপথে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক গভীর সংকটের মধ্যে পড়েছিল। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক উত্তেজনা বজায় ছিল। পরবর্তী সময়ে একাধিক দফায় কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে আলোচনা হয়। ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ায় নতুন গতি দেখা যায়।

    মোদি-জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক

    এর পর ২০২৫ সালের ৩১ অগাস্ট চিনের তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ইতিবাচক গতি এবং অগ্রগতিকে স্বাগত জানান। তাঁরা দুই দেশকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়ন-সহযোগী হিসেবে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে মতপার্থক্য যাতে বিরোধে পরিণত না হয়, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয় (NSA Ajit Doval)। ওই বৈঠকে সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ এবং একে অপরের সংবেদনশীলতার প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছিল। ভারতীয় পক্ষের মতে, ভারত ও চিনের মধ্যে স্থিতিশীল সহযোগিতা শুধু দুই দেশের উন্নয়নের জন্যই নয়, বহুমেরু বিশ্ব এবং বহুমেরু এশিয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

    ডোভালের বেজিং সফরের গুরুত্ব

    অজিত ডোভালের এবারের বেজিং সফর সেই বৃহত্তর সম্পর্ক-স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে যেমন সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে, তেমনই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন করে আস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান এখনও হয়নি। ফলে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রেখে আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য কমানোই আপাতত নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য (India China Talks)।আগামী দিনের ভারত-চিন সম্পর্ক কতটা স্থিতিশীল হবে, তার ক্ষেত্রে এই আলোচনাগুলির ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা, সামরিক উত্তেজনা এড়ানো এবং নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ওপরই দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী পর্ব অনেকটাই নির্ভর করছে। অজিত ডোভাল ও ওয়াং ই-র ২৫তম দফার বৈঠক তাই শুধু সীমান্ত সমস্যা নিয়ে (NSA Ajit Doval) আলোচনা নয়, বরং বৃহত্তর ভারত-চিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (India China Talks)।

     

  • India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে তৎপরতা দেখা দিয়েছে ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে (India Bangladesh Talks)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সঙ্গে সোমবার বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের সম্পর্কের নানা টানাপোড়েনের মধ্যে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই হল এই বৈঠক। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নয়াদিল্লিতে। সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ব্রিকসের সব সদস্য রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবে বলেই আশা। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলির সমন্বয়ে গঠিত এই আন্তঃসরকারি সংগঠনে বর্তমানে ১১টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অস্বস্তি ও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

    ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তারেকের বৈঠক (India Bangladesh Talks)

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকের সময় ভারতীয় হাইকমিশনারকে দেখা যায় তারেককে একটি শাল উপহার দিতে। প্রধানমন্ত্রী তারেক হাসিমুখে সেই উপহার গ্রহণ করেন। এর এক দিন আগে, রবিবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠক প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে অর্থবহ হিসেবে উল্লেখ করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমাতেও এই বৈঠকের ভূমিকা রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, আলোচনায় নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে চলমান বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও খবর। তবে বৈঠকে ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ কিংবা ভারত—কোনও পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

    ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা

    তারেকের সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এর মধ্যেই শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ দাবির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঢাকার পক্ষ থেকে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানানো হলেও নয়াদিল্লির অবস্থানে এখনও বড় কোনও পরিবর্তন আসেনি বলেই কূটনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা। হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে অতিথি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনও পর্যন্ত কোনও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়েই রয়ে গিয়েছে। এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেককে দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সফরে স্বাগত জানাতে নয়াদিল্লি আগ্রহী। অর্থাৎ শুধু ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের জন্য নয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেকের পৃথক রাষ্ট্রীয় সফরের বিষয়েও ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে (Tarique Rahman)।তবে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেকের নয়াদিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। যদিও ঢাকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।

    শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে নতুন করে অস্বস্তি

    বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের অন্যতম কারণ হিসেবে হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে দেখা হচ্ছে। গত বুধবার বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (India Bangladesh Talks)। হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকলেও, পিছিয়ে যাবেন না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। হাসিনা বলেন, “আমি জানি, তারা আমাকে জেলে দিতে পারে অথবা হত্যা করতে পারে। তবে আমি আমার জনগণের সঙ্গে থাকার জন্য দেশে ফিরে যাব।” হাসিনার এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিকে আগে থেকেই ওই অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছিল। তারপরেও অনুষ্ঠানটি হওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, হাসিনার ওই বক্তব্য দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে সতর্ক করা হয়েছিল। ফলে বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক অস্বস্তির জন্ম দেয়।

    ভারতকে ‘মহান বন্ধু’ আখ্যা হাসিনার

    তবে একই বক্তব্যে শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন। তিনি ভারতকে বাংলাদেশের “মহান বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করেন। সংকটের সময় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নিজের দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বর্তমানে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলি নিয়েও তিনি কথা বলেন। তাঁর দাবি, দেশে ফেরার উদ্দেশ্য ক্ষমতা দখল করা নয়। বরং বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য (India Bangladesh Talks)। হাসিনার এই বক্তব্যের পর থেকেই ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীর ধারাবাহিক বৈঠককে তাই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কূটনৈতিক (Tarique Rahman) পর্যবেক্ষকেরা।

    সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা কি মিলছে?

    পরপর দু’দিনে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং হাসিনাকে ঘিরে বিরোধ—এই দু’টি বিষয়ই এখন ঢাকা-নয়াদিল্লির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে বলে মনে (India Bangladesh Talks) করা হচ্ছে। আবার তিনি সম্মেলনে না গেলে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অস্বস্তির প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। কারণ, ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়ে ঢাকার তরফে এখনও কোনও ঘোষণা করা আসেনি। আবার, ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে হাসিনা এবং তারেকের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে (Tarique Rahman) কূটনৈতিক যোগাযোগ কোন দিকে এগোয় এবং ব্রিকস সম্মেলনে তারেক যোগ দেন কি না, এখন সেটাই দেখার (India Bangladesh Talks)।

     

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • Donald Trump: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় ভক্ত”, লাইভ ফোন কলে বললেন ট্রাম্প, হঠাৎ কী হল ‘পোটাস’-এর?

    Donald Trump: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় ভক্ত”, লাইভ ফোন কলে বললেন ট্রাম্প, হঠাৎ কী হল ‘পোটাস’-এর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বড় ভক্ত”। কথাগুলি বললেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে সরাসরি নয়, ফোনে। ঘটনাটি খুলেই বলা যাক। বর্তমানে ভারত সফর করছেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। কলকাতা সফর সেরে তিনি গিয়েছেন দিল্লিতে। সেখানেই মার্কিন স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানে লাইভ ফোন কলে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উপস্থিত ছিলেন রুবিও-ও। এই অনুষ্ঠানেই ট্রাম্পের মুখে শোনা গেল মোদি-প্রশস্তি। ট্রাম্প বলেন, “সার্জিও, আপনাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধি হতে হবে। তবে আমি সবাইকে শুধু শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ। তিনি আমার বন্ধু।”

    ‘আমি মোদির বড় ভক্ত’ (Donald Trump)

    অনুষ্ঠানস্থলে দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছিল এক বিশাল স্ক্রিন। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন গর এবং রুবিও। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনও এত ঘনিষ্ঠ ছিল না। ভারত শতভাগ আমার এবং আমাদের দেশের ওপর ভরসা করতে পারে। যদি তাদের কোনও সাহায্য লাগে, তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে। তারা এখানেই ফোন করবে। আমরা খুব ভালো করছি। আমরা একের পর এক রেকর্ড গড়ছি।” তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি রেকর্ড পর্যায়ে, শেয়ার বাজারও রেকর্ড উচ্চতায়। ভারত যা চাইবে, তা-ই পাবে। আর আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন বড়, খুব বড় ভক্ত।”

    মোদিকে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ

    রুবিওর প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “তিনি (রুবিও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা বিদেশসচিব হিসেবে পরিচিত হবেন। যখন আপনার সঙ্গে মার্কো এবং সার্জিওর মতো মানুষ থাকেন, তখন আপনি বড় ধরনের কাজই পাবেন।” তিনি বলেন,
    “আমি জানি আপনি আমাদের ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সবাই সন্ধেটা উপভোগ করুন। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানো আমার কাছে সম্মানের। আর তাঁকে জানিয়ে দিন যে, আমি তাঁর বড় ভক্ত।” শনিবার সার্জিও, ট্রাম্পের (Donald Trump) পক্ষ থেকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণও জানান।

    দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি

    প্রসঙ্গত, রুবিওর ভারত সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন আমেরিকায় বড় ধরনের অভিবাসন নীতির পরিবর্তন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে (PM Modi)। নয়া নীতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসরত বহু অভিবাসীকে দেশ ছেড়ে নিজ দেশের বাইরে থেকে ফের একবার গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে রুবিও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে, যা উভয় দেশের পক্ষেই উপকারী, স্থিতিশীল এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।” রুবিও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও বৈঠক করেন। উভয় পক্ষের এই আলোচনায় (Donald Trump) বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মতো বিষয়ও উঠে এসেছিল।

    ভারত প্রধান বাণিজ্য অংশীদার

    বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর এই সফরের উদ্দেশ্য হল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আস্থা আরও জোরদার করা এবং একটি বিস্তৃত বাণিজ্য কাঠামোর আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। রুবিও বলেন, “এটি ভারতের বিরুদ্ধে কিছু নয়।” তাঁর মতে, বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের ঐতিহ্যগত মিত্রদের সঙ্গেও একই ধরনের আলোচনা করছে। তিনি বলেন, “ভারত একটি বিশাল অর্থনীতি এবং আমাদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। ভারতের সঙ্গে আমাদের বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য রয়েছে (PM Modi)। এত বড় অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্যের ভারসাম্য পুনর্গঠন করাও স্বাভাবিকভাবেই ভিন্ন ধরনের বিষয় (Donald Trump)।”

     

LinkedIn
Share