Tag: Dipu Chandra Das

  • Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    মাধ্যম নউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) শরিয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসের ওপর বর্বর হামলা এবং ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন, এই দু’টি ঘটনা কোনও হঠাৎ উত্তেজনা (Hindus Killed) বা দুর্ঘটনাজনিত জনরোষের পরিণতি নয়। উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার ধারাবাহিকতা ছিল ভয়াবহভাবে স্পষ্ট। প্রথমে ভিড় জমে, তারপর নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত চালানো হয় চরম নৃশংসতা।

    গণপিটুনি দিয়ে হত্যা (Bangladesh)

    ময়মনসিংহে দীপুকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। আর শরিয়তপুরে খোকনকে প্রথমে মারধর করা হয়, পরে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়, পরে তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর মৃত্যু হয় তাঁর। খোকনের ওপর হামলা বা দীপুর হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের লক্ষ্য করে একাধিক গণহিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাজবাড়িতে অমৃত মণ্ডল নামে এক হিন্দু যুবককে গুজব ছড়িয়ে হত্যা করা হয়। ময়মনসিংহে দীপুকে ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগ তুলে পিটিয়ে মারে জনতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ঘটনাগুলি আলাদা নয়। গত দেড় বছরে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনায় হিন্দুদের হত্যা, গণপিটুনি, ছুরিকাঘাত, ভয় দেখানো এবং কোথাও কোথাও পুরো হিন্দু গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু প্রতিবারই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয় এগুলিকে বিচ্ছিন্ন ছোটখাটো অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, নয়তো দাবি করেছে, এগুলি আসলে আওয়ামি লিগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ (Bangladesh)।

    অমানবিক অত্যাচার

    এই সব ঘটনার মধ্যে কোনও একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ নয়, বরং একটি অভিন্ন হিংসার কাঠামো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দ্রুত ভিড় জমে, সামাজিক সংযম (Hindus Killed) ভেঙে পড়ে, এবং অমানবিক অত্যাচার চালানো হয়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়, পরিবারগুলি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়, এবং পুরো হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে থাকে, ভিড় সরে যাওয়ার পরেও। এরপর প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেই চেনা ছবি, কয়েকটি প্রতীকী গ্রেফতার, প্রশাসনের আশ্বাস, এবং তারপর দীর্ঘ নীরবতা (Bangladesh)। প্রশ্ন উঠছে, এই ধারাবাহিক হিংসা কি আদৌ থামবে? নাকি প্রতিবারই বিচ্ছিন্ন ঘটনার তকমা দিয়ে দায় এড়িয়ে যাওয়া হবে? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনায় অসম প্রতিক্রিয়া মিলেছে। প্রথমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন সরকার। ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকাকে আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটেনও একাধিক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের (পড়ুন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের) সুরক্ষার ওপর জোর দেয়। এগুলি হল আনুষ্ঠানিক ও নথিভুক্ত প্রতিক্রিয়া, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়েছে (Hindus Killed)।

    বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী

    তবে সবচেয়ে সরব ভূমিকা নেয় বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী, হিন্দু সংগঠন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিষয়টি যেন জনচেতনার আড়ালে চলে না যায়, তাই তাঁরা বিক্ষোভ দেখান, পুলিশকে তথ্য দেন, নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেন এবং একের পর এক ঘটনা নথিভুক্তকরণ করেন (Bangladesh)। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে চোখে পড়েছে বড় বড় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলির নীরবতা। বিশেষ করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। গাজা সংঘাতের মতো ঘটনায়ও যেখানে এই দুই সংস্থা দ্রুত বিবৃতি দিয়েছিল, বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, জরুরি আবেদন এবং ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিং করে চলেছিল, সেখানে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় তেমন কোনও সক্রিয়তাই দেখা যায়নি।

    প্রশ্ন একাধিক

    এই বৈপরীত্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেই নয়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত বহু মানবাধিকারকর্মী ও প্রভাবশালী কণ্ঠের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হিংসা কি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলের কাছে (Bangladesh) যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে? পরিবেশ আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ইস্যু, ভারতের কৃষক আন্দোলন কিংবা গাজা পরিস্থিতি নিয়ে যিনি বরাবরই সরব, সেই গ্রেটা থুনবার্গের মতো কোনও প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক (Hindus Killed) অ্যাক্টিভিস্টও এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে একটি শব্দও খরচ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই একটি টুইট পর্যন্তও।

    আন্তর্জাতিক সংগঠনের মুখে কুলুপ

    শুধু গ্রেটা নন, বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সঙ্কটে নিয়মিত মন্তব্য করা আরও বহু আন্তর্জাতিক অ্যাক্টিভিস্ট এবং সংগঠনও একই ধরনের নীরবতা পালন করছে। বাংলাদেশে হিন্দু হত্যার ঘটনায় আলাদা করে কোনও আন্তর্জাতিক তদন্ত শুরু হয়নি, হয়নি জরুরি বৈশ্বিক প্রচারাভিযান বা ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক ব্রিফিংও। কোথাও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠলেও তা এসেছে বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবে, স্বতন্ত্র মানবাধিকার সঙ্কট হিসেবে নয় (Bangladesh)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই বৈপরীত্য উপেক্ষা করা কঠিন। একদিকে স্থানীয় সরকার ও দেশীয় নাগরিক সমাজ যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে, তখন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলির সংযত বা প্রায় নীরব প্রতিক্রিয়া এক অস্বস্তিকর যদিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে, কারা অগ্রাধিকার পায়? কোন ভুক্তভোগীর জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন হয়, আর কারাই বা থেকে যায় উপেক্ষিত (Hindus Killed)?

    প্রকাশ্যে দ্বিচারিতা

    প্রসঙ্গত, নীরবতার প্রকৃত রূপ কী? এখানে নীরবতা মানে একেবারে কিছু না বলা নয়। এটি আরও সূক্ষ্ম, কিন্তু অনেক বেশি প্রভাবশালী। এই নীরবতা প্রকাশ পায় লক্ষ্যভিত্তিক মনোযোগের অনুপস্থিতিতে। বাংলাদেশে হিন্দু ভুক্তভোগীদের দুর্দশা নিয়ে কোনও আলাদা তদন্তমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক সমর্থকদের সক্রিয় করে তুলতে জরুরি ‘অ্যাকশন অ্যালার্ট’ও জারি করা হয়নি। আন্তর্জাতিক এনজিওগুলির তরফে এমন কোনও ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিংও হয়নি, যা বিষয়টিকে চর্চার বিষয় করে তোলে (Bangladesh)। অন্য দেশে গোষ্ঠীগত হিংসা বা সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলি যেভাবে দ্রুত প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করে, মুখপাত্র নিয়োগ করে, ধারাবাহিক আপডেট দেয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তোলে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তার কোনওটিই দেখা যায়নি।

    ফলে যা হয়েছে, তা হল, ঘটনাগুলি কিছুদিন আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত হয়ে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী প্রচার না থাকলে কূটনৈতিক চাপ দুর্বল হয়, জনস্মৃতি ঝাপসা হয়ে যায় (Hindus Killed), আর একটি মানুষের মৃত্যু ন্যায়ের দাবির প্রতীক না হয়ে, পরিণত হয় ইতিহাসের পাদটীকায় (Bangladesh)।

  • Dipu Chandra Das: মিথ্যে অভিযোগে খুন বাংলাদেশের দীপুকে, কী বলছে তাঁর পরিবার?

    Dipu Chandra Das: মিথ্যে অভিযোগে খুন বাংলাদেশের দীপুকে, কী বলছে তাঁর পরিবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পেশায় ছিলেন ঢাকার (Bangladesh) পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট ফ্যাক্টরির এক অতি সাধারণ কর্মী। ধর্মে হিন্দু। বছর পঁচিশের এই দীপু চন্দ্র দাসের (Dipu Chandra Das) রোজগারেই চলত দাসেদের সংসার। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উন্মত্ত জনতা পিটিয়ে খুন করে দীপুকে। ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাংলাদেশিদের একাংশ। বিশ্বজুড়ে বইছে নিন্দের ঝড়।

    তুমুল উত্তেজনা (Dipu Chandra Das)

    বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগটি কারখানার ভেতরে এবং আশপাশের এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যার জেরে ছড়ায় তুমুল উত্তেজনা। পরে ক্ষুব্ধ জনতা দীপুকে আক্রমণ করে। মারধর করে নির্মমভাবে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ভালুকা মডেল থানার তদন্তকারী আধিকারিক আবদুল মালেক জানান, হত্যার পর জনতা ঢাকা–ময়মনসিংহ সড়কের পাশে দীপুর মরদেহ ফেলে দিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর ফলে সড়কের দু’পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবারের ঘটনার নিন্দে করেছে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নতুন বাংলাদেশের মধ্যে এই ধরনের হিংসার কোনও জায়গা নেই। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।”

    রবিলাল দাসের বক্তব্য

    দীপুর বাবা রবিলাল দাস জানান, তাঁর পরিবার প্রথম ঘটনাটির কথা জানতে পারেন (Bangladesh) সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। তিনি বলেন, “আমরা ফেসবুকে দেখেছিলাম। ফেসবুক থেকেই নানা কথা কানে আসতে শুরু করে। তারপর আরও মানুষ বলতে থাকে। শেষে একজন এসে আমায় বলল, আমার ভাইকে মারধর করা হয়েছে, ভীষণভাবে মারা হয়েছে (Dipu Chandra Das)। তারপর প্রায় আধ ঘণ্টা পরে আমার কাকা এসে জানাল যে ওরা আমার ছেলেকে নিয়ে গিয়েছে। তাকে একটি গাছে বেঁধে রেখেছে।” তিনি জানান, এরপর সেই জনতা তাঁর ছেলের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার পোড়া দেহ বাইরে ফেলে রাখা হয়েছিল। পোড়া ধড় আর মাথা একসঙ্গে বেঁধে বাইরে রাখা হয়েছিল। দৃশ্যটা যে কী নৃশংস, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কথাগুলি বলেই হাউহাউ করে কেঁদে ফেললেন সদ্য সন্তান হারানো বাবা। পরে নিজেকে খানিক সামলে নিয়ে রবিলাল জানান, এখনও পর্যন্ত তাঁরা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আশ্বাস পাননি। তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে কেউ কোনওরকম আশ্বাস দেয়নি। কেউ কিছুই বলেওনি (Dipu Chandra Das)।”

    গ্রেফতার ৭

    এদিকে, দীপুকে নৃশংসভাবে মারধর ও খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে র‍্যাব (র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) গ্রেফতার করেছে (Bangladesh) সাতজনকে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় র‍্যাব-১৪ পরিচালিত একাধিক অভিযানের পর এদের গ্রেফতার করা হয়। ওই ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল মহম্মদ লিমন সরকার, মহম্মদ তারেক হোসেন, মহম্মদ মানিক মিঞা, এরশাদ আলি, নিজুমউদ্দিন, মহম্মদ আলমগির হোসেন এবং মহম্মদ মিরাজ হোসেন আকন। বিশিষ্ট লেখিকা তথা মানবাধিকার কর্মী তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ, দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল এবং পুলিশের হেফাজতে থাকার পরেও তাঁকে কার্যত ছেড়ে দিতে হয়েছিল।

    তসলিমার বক্তব্য

    এক্স হ্যান্ডেলে তসলিমা লেখেন, দীপু চন্দ্র দাস ছিলেন একজন দরিদ্র শ্রমিক। তাঁর এক মুসলিম সহকর্মী তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দীপুকে শাস্তি দিতে চেয়ে প্রকাশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে নবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য (Bangladesh) করার মিথ্যে অভিযোগ তোলে (Dipu Chandra Das)। যার জেরে শুরু হয় উন্মত্ত জনতার হিংসা। এতেই সব শেষ হয়ে যায়।” তাঁর অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতা দীপুর ওপর হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে তাঁকে মারধর করে। পরে পুলিশ দীপুকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং তাঁকে পুলিশি সুরক্ষায় রাখা হয়। দীপুর পরিবারের অবস্থার কথা তুলে ধরে তসলিমা জানান, দীপু ছিলেন তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তিনি তাঁর প্রতিবন্ধী বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ করতেন।

    অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “ইতিহাস ত্যাগকে স্মরণ করে। কিন্তু আজ যে মাটি একদিন ভারতীয়দের রক্তের বিনিময়ে মুক্ত হয়েছিল, সেই মাটিই এখন নিরীহ সংখ্যালঘুদের রক্তে কলুষিত হচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমাদের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের বীর সৈনিকরা শুধু একটি যুদ্ধ লড়েননি, তাঁরা আজকের বাংলাদেশ নামে পরিচিত ভূখণ্ডের লাখ লাখ মানুষের পরিচয় ও মর্যাদার জন্য লড়াই করেছিলেন। বাংলাদেশের জন্ম নিশ্চিত করতে প্রায় ৩,৯০০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ বলি দিয়েছিলেন (Bangladesh)। জখম হয়েছিলেন ১০ হাজারেরও বেশি সৈনিক। অন্যরা যাতে শান্তিতে বাঁচতে পারে, তাই আমরা আমাদের জীবন দিয়েছিলাম (Dipu Chandra Das)।”

LinkedIn
Share