Tag: disease

disease

  • Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা। আর তার পরেই অন্তত তিরিশ মিনিট বাড়ির সামনের পার্কে হাঁটা (Morning Walk)। ব্যাস! তাতেই রয়েছে ম্যাজিক! সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি রয়েছে এই অভ্যাসেই। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই এই অভ্যাস রপ্ত করা জরুরি। সকালে হাঁটার এই অভ্যাস একাধিক রোগের মোকাবিলা করে। শরীর সুস্থ রাখে। পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। আসুন, এক নজরে দেখে নিই, কোন কোন রোগের মোকাবিলা করতে পারে মর্নিং ওয়াক?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক হৃদযন্ত্র সুস্থ ও কার্যকর রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তারা জানাচ্ছে, সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক মতো হয়। শরীরে রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হলেই হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাই নিয়মিত মর্নিং ওয়াক হার্ট অ্যাটাকের মতো ঝুঁকিও (Disease) কমাতে সাহায্য করে।

    কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নিয়মিত সকালে হাঁটলে কমবে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এলডিএল নামক ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার এইচডিএলের মতো ভালো কোলেস্টেরল তৈরি হয়। ফলে একাধিক শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি কমে। কোলেস্টেরলের পাশপাশি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে রক্ত সঞ্চালন ভালোভাবে হয়। তাই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তৈরির ঝুঁকি কমে।

    স্থূলতা মোকাবিলায় সাহায্য করে

    নিয়মিত সকালে হাঁটলে (Morning Walk) স্থূলতাকে সহজেই কাবু করা সম্ভব। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সকালে হাঁটলে ক্যালরি সহজেই ঝরে যায়। মেদ কমানোর সহজ উপায় মর্নিং ওয়াক। তাই স্থূলতার সমস্যা থেকে নিস্তার মেলা সহজ হয়।

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমায়

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমানোর জন্য শারীরিক কসরত খুব গুরুত্বপূর্ণ। মর্নিং ওয়াক শারীরিক কসরতের একটি অত্যন্ত ভালো উপায়। শরীরের বিভিন্ন পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ায়, আবার দেহের জয়েন্টগুলোকেও সচল রাখে। তাই পেশি ও হাড়ের ব্যথা কমাতে নিয়মিত মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী।

    মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মানসিক চাপ, অবসাদের মতো একাধিক মানসিক সমস্যা বাড়ছে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। তারা জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এর জেরেই মানসিক চাপ কিংবা অবসাদের মতো সমস্যার মোকাবিলা করা সহজ হয়।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে, অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। স্মৃতিশক্তি জনিত সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের রোগের ঝুঁকি কমবে।মর্নিং ওয়াক করলে একদিকে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকছে, আরেকদিকে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হচ্ছে। স্নায়ু সক্রিয় থাকছে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই স্মৃতিশক্তিও ভালো থাকছে।

    কীভাবে মর্নিং ওয়াক করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াকের সময় কয়েকটি দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। তবেই বাড়তি উপকার পাওয়া সম্ভব। 
    মর্নিং ওয়াকের শুরুতেই খুব দ্রুত হাঁটা কিংবা দৌড়ে হাঁটার মতো অভ্যাস না করারই পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, এতে খুব কম সময়েই হাঁফিয়ে উঠতে পারেন।‌ ফলে তিরিশ মিনিট হাঁটা সম্ভব হবে না। পায়ের জুতো খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করার জন্য আরামদায়ক জুতো পরতে হবে। পেশিতে যাতে টান‌ না ধরে, সেদিকে খেয়াল রেখে জুতো নির্বাচন জরুরি। মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে হালকা ওয়ার্ম আপ করা দরকার। যাতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। ঘুম ভাব সম্পূর্ণ কেটে যায়। তবে মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। কারণ মর্নিং ওয়াক করলে অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। এর ফলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি (Disease) তৈরি হয়। তাই জল খাওয়া নিয়ে সচেতনতা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Diseases: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    Monsoon Diseases: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে এসে গিয়েছে বর্ষা। বর্ষা এসেছে গোটা দেশেও। সঙ্গে এসেছে বর্ষার বিভিন্ন রোগ্য-ব্যাধি (Monsoon Diseases)। গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়েছে দেশ। তার পর স্বস্তির বৃষ্টি এনেছে বর্ষা। তবে স্বস্তির পাশাপাশি সঙ্গে নিয়ে এসেছে অস্বস্তিও। কারণ রোগ-বালাইয়ের (Infections And Diseases) জ্বালায় অস্থির দেশবাসী। বর্ষার মরশুমের এই রোগগুলির মধ্যে কয়েকটি আবার প্রাণঘাতীও। ঠিক সময় চিকিৎসা শুরু না হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে রোগী কিংবা রোগিণীর।

    বর্ষার রোগবালাই (Monsoon Diseases)

    এই রোগগুলির কয়েকটির বাহক মশা। বর্ষায় বৃষ্টির জল জমে যত্রতত্র। সেই জমা জলে জন্মায় মশা। পরবর্তীকালে সে-ই হয়ে দাঁড়ায় প্রাণঘাতী নানা রোগের বাহক। মশা-বাহিত রোগের পাশাপাশি বর্ষাকালে উপদ্রব বাড়ে ভাইরাসেরও। তাই এই সময় ভাইরাসঘটিত রোগবালাইয়েও ভোগেন মানুষ। ছত্রাকের সংক্রমণ তো ফি বর্ষার রুটিনের মধ্যেই পড়ে। তাই বর্ষার সময় একটু বেশিই সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। একমাত্র সাবধানতা অবলম্বন করলেই জমিয়ে উপভোগ করা যাবে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি-ঋতুর সৌন্দর্য। এবার জেনে নেওয়া যাক, বর্ষায় কী কী রোগ হতে পারে।

    পেটের রোগ

    ফি বর্ষায় ভারতে যে রোগটি খুবই কমন (Monsoon Diseases), সেটি হল পেটের রোগ। ডায়েরিয়া, তলপেটে খিঁচুনি, বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে, বমিও হতে পারে। জলের মাধ্যমে ছড়ায় ডায়েরিয়া। সামান্য জ্বরও হতে পারে। হতে পারে গাঁটে ব্যথাও। দ্রুত চিকিৎসা শুরু না করলে হতে পারে শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি। ডিহাইড্রেশন, ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্স মায় কিডনি ফেলিওরও হতে পারে। ডায়েরিয়ার কোনও লক্ষণ দেখা গেলেই দ্রুত ওআরএস খাওয়াতে হবে রোগীকে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে শুরু করতে হবে যথাযথ চিকিৎসাও।

    ডেঙ্গি

    বর্ষার আর একটি ভয়ঙ্কর রোগ হল ডেঙ্গি। মশা-বাহিত এই রোগে প্রতি বছর মৃত্যু হয় অনেকের। ন্যাশনাল ভেক্টর বর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালে ভারতে নথিভুক্ত হয়েছিল ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এক লাখ রোগীর নাম। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ভুগবেন প্রচণ্ড জ্বরে। মাথাব্যথায় কাতর হবেন রোগী। যন্ত্রণা হতে পারে চোখের পিছনেও। শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে যন্ত্রণাও হতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে ত্বকে। ডেঙ্গি থেকেই হতে পারে ডেঙ্গি হেমোরাজিক ফিভার। এক্ষেত্রে রোগীর শরীর থেকে রক্তপাত হতে থাকবে। বিকল হতে পারে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। মৃত্যুও হতে পারে রোগীর। যেসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা অনেক বেশি।

    আর পড়ুন: ইলিশ কেনা থেকে শিষ্যদের ব্যাকরণ পড়ানো, প্রয়াণের দিনে কী কী করেছিলেন স্বামীজি?

    ম্যালেরিয়া

    ডেঙ্গির পাশাপাশি বর্ষার আর একটি উপদ্রব হল মশা-বাহিত রোগ ম্যালেরিয়া। জমা জলে দ্রুত ((Monsoon Diseases)) বংশবৃদ্ধি করে অ্যানোফিলিস মশা। এই মশাই ম্যালেরিয়ার বাহক। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রার পারদ বাড়তে থাকে দ্রুত। রোগী ভুগতে থাকেন প্রচণ্ড জ্বরে। ঘনঘন জ্বর আসবে। রোগীর খুব ঘাম হবে। মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব এবং পেশিতেও ব্যথা হবে। হঠাৎ হঠাৎ জ্বর আসবে। ফ্লুয়ের মতো লক্ষণও দেখা দেয়। জ্বর আসে কাঁপুনি দিয়ে। ম্যালেরিয়ার দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে অ্যানিমিয়া, শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে পারে। সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া হলে রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন, মৃত্যুও হতে পারে।

    কলেরা

    প্রতি বছর বর্ষায় কলেরা ভয়ঙ্কর আকার (Infections And Diseases) ধারণ করে ভারতে। জলবাহিত এই রোগে অনেকের মৃত্যুও হয়। জলের মতো পাতলা পায়খানা হতে পারে রোগীর। বমি করতে থাকেন। শরীর থেকে জল বেরিয়ে যেতে থাকবে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাবে। রোগীর চোখ গর্তে ঢুকে যেতে পারে। ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্সও দেখা দিতে পারে। অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং জল থেকে এই রোগ ছড়ায়। এক্ষেত্রেও রোগীকে দ্রুত ওআরএস খাওয়ানো প্রয়োজন। রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরে পরেই রোগীকে নিয়ে যেতে হবে চিকিৎসকের কাছে।

    টাইফয়েড

    বর্ষায় ভারতের বিভিন্ন অংশে টাইফয়েডের উপদ্রবও দেখা (Monsoon Diseases) যায়। এক্ষেত্রেও রোগীর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় অনেকখানি। মাথাব্যথা, তলপেটে যন্ত্রণা এবং দুর্বলতা গ্রাস করে রোগীকে। এক্ষেত্রে জ্বর বাড়তে থাকে ধীরে ধীরে, রোগীর খিদে কমে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা ডায়েরিয়াও দেখা যায়। বুকে গোলাপি ছোপ ছোপ দেখা যায়। টাইফয়েডে আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে রোগীর জীবনহানি পর্যন্ত হতে পারে। রোগী আক্রান্ত হতে পারেন সেপ্টিসেমিয়ায়ও।

    ফ্লু

    বর্ষার আর একটি অতি পরিচিত রোগ হল ফ্লু। ঠান্ডা লাগা, নাক এঁটে যাওয়া, নাক দিয়ে জল গড়ানো এবং মাথাব্যথা এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। এ থেকেই রোগী আক্রান্ত হতে পারেন নিউমোনিয়ায়। শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যায়ও ভুগতে পারেন রোগী। জন-ঘন-পূর্ণ এলাকায় দ্রুত ছড়ায় ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস। এই রোগে সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে বয়স্ক ব্যক্তি এবং শিশুদের।

    লেপ্টোস্পাইরোসিস

    বর্ষায় আর একটি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এটি হল লেপ্টোস্পাইরোসিস। এই রোগ মূলত দেখা যায় বানভাসি এলাকায়। এক্ষেত্রেও ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ দেখা দেবে, রোগী বমি করতে থাকবেন, চোখ হয়ে উঠবে জবাফুলের মতো টকটকে লাল। ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে রোগীর লিভার এবং কিডনি ড্যামেজ হতে পারে। মেনিনজাইটিস এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    ছত্রাক-ঘটিত রোগ

    বর্ষায় ছত্রাক ঘটিত রোগের প্রাদুর্ভাব অতি পরিচিত একটি ঘটনা। দাদ-হাজা-চুলকুনির সমস্যা দেখা দেয়। নখকুনির সমস্যাও হয় এই সময়। এসব ক্ষেত্রে গা-হাত-পা চুলকোতে (Infections And Diseases) শুরু করবে, চামড়া কুঁচকে যেতে পারে, শরীরে ফোস্কার মতো দেখা দিতে পারে, ছাল উঠতে পারে। অবহেলা করলে চামড়ার স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে (Monsoon Diseases)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমকাল মানেই তাপমাত্রার পারদ চড়বে, এটাই স্বাভাবিক! থাকবে হাঁসফাঁস করা অস্বস্তিও। কিন্তু গরমকালের রোদ্দুরের সঙ্গে উচ্চারিত হয় সুস্বাদু নানা আমের (Mango) নামও! সকালের জলখাবার হোক কিংবা রাতের খাবার, শেষ পাতে থাকে পাকা আম! খাদ্যরসিক অধিকাংশ বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের ফল হল আম। তবে, বাঙালির বাড়ছে ডায়াবেটিস। কম বয়স থেকেই অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের জন্য কি বিপদ বাড়াচ্ছে পাকা আম!

    আম (Mango) কি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিপজ্জনক? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আমে থাকে গ্লুকোজ, অর্থাৎ শর্করা। তাই ডায়াবেটিস থাকলে অতিরিক্ত আম (Mango) খেলে বিপদ বাড়তে পারে। নিয়মিত অনেকেই চারবেলা খাওয়ার পরে পাকা আম খান। সেক্ষেত্রে খুব দ্রুত রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা থাকে। তাই একটু নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, যদি দিনে একটি আম খাওয়া হয়, তাহলে কিন্তু বিপদের ঝুঁকি কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমে শর্করা থাকলেও, তার পরিমাণ মারাত্মক নয়। অর্থাৎ, আলু বা চিনিতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে, আমে কিন্তু সেই পরিমাণ থাকে না। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের আলু বা চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে যতখানি নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি, আমের ক্ষেত্রে ততটা না হলেও ক্ষতি নেই। তবে, অবশ্যই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া দরকার।

    কোন কোন রোগ মোকাবিলায় আম (Mango) সাহায্য করে? 

    শুধুই স্বাদ আর গন্ধে নয়। পাকা আমের উপকারও তাকে অন্য ফলের থেকে এগিয়ে রাখছে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আমের উপকার অনেক। নিয়মিত একটি পাকা আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত, যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য পাকা আম খুব উপকারী। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যাদের ডায়বেটিস আছে, তাদের মধ্যে অনেকের উচ্চ রক্তচাপ থাকে। তাই তারা পাকা আম (Mango) খেলে, সেটা শরীরের পক্ষে ভালো। আবার গর্ভবতী মায়েদের জন্য পাকা আম খুব ভালো। আমের পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাছাড়া আমে আয়রন রয়েছে। তাই গর্ভবতীদের জন্য বাড়তি উপকারী হিসেবে এই ফল কাজ করে। তাছাড়া, রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় ভুক্তভোগীদের জন্য আম খুব উপকারী। আমে থাকে ফাইবার, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম। আম মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। তাই শিশুদের জন্য আম খুব উপকারী ফল। 
    তবে, আমে বাড়ে ওজন। তাই স্থূলতার সমস্যায় ভুগলে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। তাছাড়া, অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। কারণ, আমে ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ম্যাগনেসিয়ামের মতো একাধিক উপাদান থাকে। আম হজম করতে সময় লাগে। দিনে একাধিক আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, আমে (Mango) ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেটের মতো উপাদান থাকলেও প্রোটিন থাকে না। আমে মাত্র ১ শতাংশ প্রোটিন। তাই জলখাবার হোক বা দুপুর বা রাতের খাবারে আম খেলে, সঙ্গে থাকুক কোনও প্রোটিন যুক্ত খাবার। অর্থাৎ, একটা আম খেলে অবশ্যই সঙ্গে একটি সিদ্ধ ডিম, কিংবা ডাল, পনির বা সোয়াবিনের মতো খাবার থাকতে হবে। তবেই ব্যালান্স ডায়েট হবে। হজমেও অসুবিধা হবে না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি আম শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু গরম শেষেই ফুরিয়ে যাবে, এই ভেবে দিনে একাধিক আম খেলে তৈরি হতে পারে নানান শারীরিক সমস্যা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Spices: রান্নায় অবশ্যই রাখুন এলাচ! কোন পাঁচ রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে এই মশলা? 

    Spices: রান্নায় অবশ্যই রাখুন এলাচ! কোন পাঁচ রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে এই মশলা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিরামিষ ঘরোয়া রান্না হোক, কিংবা জন্মদিনের পায়েস বা বিরিয়ানি, গরম মশলার (Spices) উপাদান হিসাবে রান্নায় অবশ্যই থাকে এলাচ। এই উপকরণটি রান্নায় আলাদা সুন্দর গন্ধ যোগ করে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শুধু গন্ধ আর স্বাদেই এর গুণ আটকে নেই। এলাচের উপকারিতা অনেক। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত এলাচ খেলে একাধিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হৃদরোগ হোক কিংবা শ্বাসকষ্ট বা পেশিতে টানের মতো সমস্যা। একাধিক রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে এলাচ। তাই তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত সঙ্গী হোক এলাচ।

    কোন রোগ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে এলাচ (Spices)? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ফুসফুসের সংক্রমণ এড়াতে এলাচ (Spices) খুব কার্যকর। নিয়মিত মধু আর লেবুর রসের সঙ্গে একটা এলাচ দিয়ে খেলে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা কমে যায়। ফুসফুস সুস্থ রাখতে এলাচ খুব উপকারী। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও এলাচকেই সঙ্গী করতে বলছে বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে এলাচ সাহায্য করে। কারণ, এলাচ রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই নিয়মিত এলাচ খেলে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকবে। তাতে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমবে। এলাচে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। তাই সর্দি-কাশির সমস্যা কমাতেও এলাচ খুব উপকারী। 
    পেটের সমস্যা কমাতেও এলাচ সাহায্য করে। হজমে সাহায্য করে এলাচ (Spices)। তাই অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত খাবার খাওয়ার পরে যদি হজমের অসুবিধা হয় বা বমি বমি ভাব হয়, তাহলে একটা এলাচ চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে হজম দ্রুত হয়। তাছাড়া, পেশির টানের কষ্ট দূর করতেও এলাচ সাহায্য করে। অনেক সময়ই ভারী জিনিস তুলতে গিয়ে হাত, পা বা পিঠের পেশিতে টান লাগে। যন্ত্রণা হয়। গরম জলে এলাচ ফুটিয়ে খেলে খুব দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। যন্ত্রণা কমে। 
    ত্বকের জন্যও এলাচ খুব উপকারী। যেহেতু এলাচে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে ও দেহের টক্সিন পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে, তাই নিয়মিত এলাচ খেলে ত্বক ভালো থাকে। পাশাপশি মুখে দুর্গন্ধ হলেও এলাচ সাহায্য করে। এলাচে সুন্দর গন্ধ রয়েছে। তাই এলাচ চিবিয়ে খেলে দুর্গন্ধ যাবে। 

    কীভাবে নিয়মিত এলাচ Spices খাবেন? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রান্না করা তরকারিতে এলাচ (Spices) সব সময় ব্যবহার হয় না। যদি দিনের যে কোনও একটি পদে এলাচের ব্যবহার হয়, তাহলে সবচেয়ে ভালো। যে কোনও তরকারিতে এলাচ দিলে সেই গুণ শরীরে যায়। তবে, কেউ যদি খাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি হিসাবে একটা এলাচ খান, তবে হজম, পেটের সমস্যা, সর্দি-কাশি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যায়। তবে, অনেকেই শুকনো এলাচ চিবিয়ে খেতে পছন্দ করেন না। তাঁরা লেবুর সরবতে একটা এলাচ ফেলে খেতে পারেন। কিংবা গরম জলে এলাচ ভিজিয়েও খেতে পারেন। এতেও উপকার পাওয়া যাবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smoking: বাঙালি কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপানের প্রবণতা? সিগারেটের সুখটান কোন বিপদ বাড়াচ্ছে?

    Smoking: বাঙালি কিশোরীদের মধ্যে বাড়ছে ধূমপানের প্রবণতা? সিগারেটের সুখটান কোন বিপদ বাড়াচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়ঃসন্ধির চৌকাঠ পেরিয়েই বাড়ছে সুখটানের (Smoking) হাতছানি! নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে স্কুল পড়ুয়ারা। কলকাতা বা আশপাশের শহর এলাকা নয়। গোটা রাজ্যেই কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। আর তার জেরেই নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্ট দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কী বলছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা?

    গত পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের ধূমপানের (Smoking) প্রবণতা বেড়েছে। এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশেষত ১৮ বছরের কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বাড়ছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এরাজ্যে ১০.৮ শতাংশ মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। শহরের তুলনায় গ্রামের মহিলাদের মধ্যে তামাকের নেশায় আসক্তির সংখ্যা বেশি। গ্রামের ১২.২ শতাংশ মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। ৮ শতাংশ শহুরে মহিলা তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে অভ্যস্ত। ছেলেদের মধ্যে ধূমপান বা অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারের প্রবণতা আগেও ছিল। তবে, গত কয়েক বছরে কিছুটা কমেছে। যদিও কমার পরেও এখনও সচেতনতা একেবারেই তলানিতে। তবে, কমবয়সি মেয়েদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা বেশি হওয়ায় তা বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে। কারণ, দেখা যাচ্ছে, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও তামাক সেবনের প্রবণতা কমছে না। এমনকী গর্ভাবস্থায় তামাক সেবন করছেন অনেকেই। ওই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ধূমপানে অভ্যস্ত মোট মহিলার মধ্যে ৫ শতাংশ গর্ভাবস্থায় তামাক সেবন করেন। ফলে, নিজের শরীরের পাশপাশি সন্তানের স্বাস্থ্যেও মারাত্মক কুপ্রভাব পড়ছে! 

    কম বয়স থেকে ধূমপান কোন কোন বিপদ বাড়াতে পারে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মেয়েদের মধ্যে ধূমপানের (Smoking) প্রবণতা বাড়ছে। আর তার জেরেই মহিলাদের মধ্যে মুখ ও গলার ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ছে। আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছেলেদের গলা ও মুখের ক্যানসার হত। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, মহিলারা যে তিনটি ক্যানসারে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, তার মধ্যে একটি মুখ ও গলার ক্যানসার। হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে ধূমপানের জন্য। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ধূমপান। লাগাতার তামাক সেবনের জেরে ডিম্বানুর গুণগতমান কমছে। ফলে, গর্ভধারণে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। 

    ধূমপান ত্যাগ করলে কী কী লাভ হবে? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, ধূমপান ত্যাগ করার পরের দিন থেকেই স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ধূমপান (Smoking) না করলে প্রথম ১২ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ কমে। ফলে, দেহে রক্ত সঞ্চালন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়। ধূমপান ছাড়ার দু’সপ্তাহের মধ্যেই কমতে থাকে হৃদরোগের ঝুঁকি। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে। যার জেরে কাশির সমস্যা কমে। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলে, ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগের এক বছরের মধ্যে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সুস্থ, দীর্ঘ জীবন কাটাতে তামাক সেবনের অভ্যাস কমানো জরুরি। কম বয়স থেকে তামাকজাত জিনিসে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। অনেক সময়ই সুস্থ স্বাভাবিক জীবন কাটানো কঠিন হয়ে যায়। তাই এ নিয়ে সরকারের তরফেও সক্রিয় ভূমিকা জরুরি। যাতে স্কুলপড়ুয়ারা কোনওভাবেই তামাকজাত দ্রব্য না পায়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lungs Infection: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে ফুসফুসের বিপদ, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Lungs Infection: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে ফুসফুসের বিপদ, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদের ওঠানামা বেশ চিন্তায় ফেলেছে বিশেষজ্ঞদের। সপ্তাহের শুরুতে যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ পেরিয়ে গিয়েছিল, এক ধাক্কায় তা অনেকটাই কমে গিয়েছে। তবে, কয়েক দিনের মধ্যে ফের শুরু হবে তাপপ্রবাহ, এমনই আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দফতর! আর তাপমাত্রার এই ঘনঘন রকমফের বাড়াচ্ছে বিপদ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গরমে অতিরিক্ত এসিতে থাকার কারণে ফুসফুসের নানা সংক্রমণঘটিত (Lungs Infection) রোগ বাড়ছে। তার উপরে আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তন ভাইরাসঘটিত রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাপপ্রবাহের সময় মাথা ঝিমঝিম, ক্লান্তি বা পেশিতে টানের মতো সমস্যার পাশাপাশি জ্বর-সর্দি ও কাশির সমস্যাতেও অনেকেই ভুগছেন। বিশেষত শিশুরা মারাত্মকভাবে ভাইরাসঘটিত রোগের শিকার হচ্ছে। 

    বিপদ কোথায়? 

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে অধিকাংশ সময়ই শিশুরা এসি ঘরে থাকছে। আবার হঠাৎ করেই তারা এসি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো তারা এসি বন্ধ করে, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়ে বাইরে যাচ্ছে না। আর এতেই তাদের সর্দি-কাশি-জ্বর হচ্ছে। তাছাড়া, অতিরিক্ত এসি ঘরে থাকলে ফুসফুসের সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি বাড়ে। কারণ, এসি ঘরে জানালা-দরজা বন্ধ থাকে। বদ্ধ পরিবেশ ও সূর্যের আলো ঢুকতে না পারায় ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কাশি দীর্ঘদিন থাকছে। 

    বিশেষজ্ঞরা কী জানাচ্ছেন?

    পালমনোলজিস্টদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েক মাস আগে রাজ্যজুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট ছিল। বহু শিশু অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। কখনও মারাত্মক গরম, আবার একদিনের ব্যবধানেই কয়েক ডিগ্রি পারদ নেমে যাওয়া, সব মিলিয়ে এই পরিবর্তনের সঙ্গে দেহ মানিয়ে নিতে পারছে না। তাই শিশুদের দেহে ফের ভাইরাস সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে সর্দি-কাশির ভোগান্তি বেশি হবে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় বাচ্চাদের কাশি কমছে না। কাফ সিরাপ, এমনকী অ্যান্টিবায়োটিকও কার্যকর হচ্ছে না। 
    তবে শিশুদের পাশাপাশি বড়দের জন্যও এই আবহাওয়া বিপদ বাড়াচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানান, তাপপ্রবাহ সংক্রান্ত নানান শারীরিক সমস্যার পাশপাশি ভাইরাসঘটিত রোগে সংক্রমণও হচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জ্বর ও ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। 

    কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শিশুদের এসি ঘরে রাখার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। ঘরের তাপমাত্রা কখনই মারাত্মক কম করা যাবে না। তাঁদের পরামর্শ, ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এসি ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই গরমে ঘরের তাপমাত্রা ১৬-১৮ ডিগ্রি করে রাখেন। এটা শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ এসি ঘরে থাকা এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, তাতে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে শরীর মানিয়ে নিতে পারছে না। ফলে, নানান রোগে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। 
    শিশুদের কাশি বা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। কোনও রকম অবহেলা বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে বলেও তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। 
    শিশুদের ক্ষেত্রে আইসক্রিম কিংবা ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই মনে করছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অনেকেই ঠান্ডা পানীয় নিয়মিত খায়। এরফলে ফুসফুসে সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Disease X: করোনার থেকে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী মহামারি! কী এই ‘ডিজিজ এক্স’, যা নিয়ে চিন্তিত ‘হু’

    Disease X: করোনার থেকে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী মহামারি! কী এই ‘ডিজিজ এক্স’, যা নিয়ে চিন্তিত ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের (Covid-19) থেকেও প্রায় ৭ গুণ প্রাণঘাতী ভাইরাস হানা দিতে পারে। সতর্কতা জারি করা হল ব্রিটেনের (Britain) স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তরফে। ভাইরাসকে ‘ডিজিজ এক্স’ বলে সম্মোধন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। করোনার জেরে যেভাবে গোটা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়ায়, ‘ডিজিজ এক্স’-এর থাবায় তার চতুর্গুণ মৃত্যু এবং ভয়াবহতা মানুষ দেখতে পারে বলেও সতর্ক করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে। 

    কেমন এই ভাইরাসের প্রকৃতি

    ২০২০ সালে ছড়ায় কোভিড-১৯।  যা গোটা বিশ্ব জুড়ে ৭০ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ব্রিটেনের ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান ডেম কেট বিংহাম সম্প্রতি জানিয়েছেন, আরও বড় মহামারী প্রত্যক্ষ করতে হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। আর এর জন্য গোটা বিশ্বের কমপক্ষে পাঁচ কোটি মানুষের প্রাণ যেতে পারে। এই সম্ভাব্য মহামারির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিজিজ এক্স’। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে যে মারণ স্প্যানিস ফ্লু ছড়িয়েছিল, এবার তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভাইরাসকে এক্স বলে সম্মোধন করা হয়েছে।

    ‘ডিজিজ এক্স’ কথার অর্থ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ‘ডিজিজ এক্স’ কথাটির অর্থ হল, এমন একটি রোগ, যা অতিমারি ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সেই রোগটির প্যাথোজেন কী ভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে, তা এখনও অজানা। ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির (ইউকেএইচএসএ) প্রধান প্রফেসর ডেম জেনি হ্যারিস বলেন, ‘‘বিজ্ঞানীরা আপাতত ২৫টি ভাইরাসের পরিবারকে পর্যবেক্ষণ করছেন, যার প্রতিটিতে হাজার হাজার পৃথক ভাইরাস রয়েছে। এদের মধ্যে যে কোনও একটি মারাত্মক অতিমারিতে রূপান্তরিত হতে পারে।’’ 

    আরও পড়ুন: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    ভ্যাকসিন তৈরির প্রয়াস

    ডেম আরও বলেন,  “আমরা এখানে আমাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি যদি নতুন ডিজিজ এক্স বা একটি নতুন প্যাথোজেন পাওয়া যায় তাহলে তা মোকাবিলার জন্য অগ্রিম কাজ করে রাখছি। তিনি আরও বলেন, আশা করি আমরা এই নতুন মহামারিটি  প্রতিরোধ করতে পারব। কিন্তু যদি আমরা না পারি সেকারণে আমরা ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিকস তৈরি করতে শুরু করেছি।” এই গবেষণার কাজে ২০০ জনেরও বেশি বিজ্ঞানী জড়িত আছেন। এই বিজ্ঞানীরা মূলত অ্যানিমাল ভাইরাস অর্থাৎ, যে ভাইরাস পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে অতিমারি সৃষ্টি করতে পারে সেইগুলির উপরেই কাজ করছেন। এর মধ্যে বার্ড ফ্লু, মাঙ্কি ভাইরাস, হান্টা ভাইরাস অন্যতম।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Osteoporosis: আপনার হাড় কি দুর্বল! জেনে নিন এই রোগে আক্রান্ত কি না

    Osteoporosis: আপনার হাড় কি দুর্বল! জেনে নিন এই রোগে আক্রান্ত কি না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্টিওপরোসিস, বর্তমান শতাব্দীর সর্বপেক্ষা আলোচিত রোগগুলোর একটি। এটি এমন একটি রোগ যেখানে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং হাড় ভঙ্গুর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। মানুষের শরীরকে ধরে রাখে যে হার তারই নাম মেরুদণ্ড আর এই রোগে মেরুদণ্ডের মধ্যে কশেরুকার হাড়, হাতের হাড়, এবং কোমরের হাড় সবচেয়ে বেশি ভাঙ্গার প্রবণতা থাকে। তথ্যসূত্র জানা গিয়েছে প্রতিবছর বিশ্বে ৯০ লাখের বেশি মানুষ এর  অস্টিওপোরোসিস রোগে আক্রান্ত। 

    সাধারণত এই রোগ পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তি ও মেনোপজ-পরবর্তী সময়ে মহিলাদের বেশি হয়। এছাড়া যাঁদের আগে হাড় ভাঙার ইতিহাস রয়েছে, বা দীর্ঘদিন স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ অথবা খিঁচুনির ওষুধ সেবন করেছেন, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত ধূমপান বা মদ্যপানও এই রোগের কারণ হতে পারে। যেহেতু হাড়ের ঘনত্ব কমা এই রোগের প্রধান কারণ, আর ক্যালসিয়ামের ঘাটতিই হাড়কে দুর্বল করে, সেহেতু কম ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজন, কায়িক শ্রমের ঘাটতি রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি। তা ছাড়া কিছু বাতজনিত রোগ, থাইরয়েড ও প্রজনন গ্রন্থির রোগ, খাদ্যনালী থেকে পুষ্টি ও ভিটামিন শোষণে সমস্যা ইত্যাদি কারণেও অস্টিওপোরোসিস হতে পার।।

    তবে বিশেষজ্ঞরা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধির  কিছু উপায় দিয়েছেন…

    ১) সব ধরনের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ :  ক্যালসিয়াম হাড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে সুপরিচিত কিন্তু ভিটামিন কে, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সহ হাড়কে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখার জন্য অত্যাবশ্যক।
    এছাড়া অন্যান্য ভিটামিন, খনিজ এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে এমন খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। 

    ২) সূর্যালোকে কিছুটা সময়: আমাদের সাধারণত প্রতিদিন ১০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি প্রয়োজন, আর সূর্যালোকে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা আমরা সরাসরি সূর্যালোক থেকে সংগ্রহ করতে পারি। তার দিনের কিছুটা সময় থাকুন সূর্যালোকে। 

    ৩) কোলাজেন বৃদ্ধি : বয়স বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের দেহে কোলাজেন হ্রাস পেতে থাকে। কোলাজেনের অভাব হাড় ভাঙার অপর একটা কারণ। তাই প্রতিনিয়ত কোলাজেন যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।  প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে কোলাজেন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাংস, ডিম, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, টফু, কটেজ চিজ, মাছ, দুধ ইত্যদি শরীরে খেলে অ্যামিনো অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে। ফলে কোলাজেন উৎপাদনের হারও বেড়ে যায়।

    ৪) হাঁটা ও ব্যায়াম: বিশেষজ্ঞের মতে নিয়মিত ব্যয়াম আর প্রাতঃ কিংবা সান্ধ্যভ্রমণ শরীর ও মনের মধ্যে স্ফুর্তি আনার পাশাপাশি হাড়ের দৃঢ়তা প্রদান করে। তাই নিয়মিত ব্যয়াম কিংবা হাঁটা অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। 

    ৫) অ্যালকোহল যুক্ত পাণীয় ত্যাগ: অ্যালকোহল কিংবা যেকোনও নেশা জাতীয় পানীয় এবং সকল ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share