Tag: district magistrates

district magistrates

  • West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করার অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিক ও মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের, যারা দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে (West Bengal), তাদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপন করতে হবে (Bangladeshi Rohingya Deportees)। এই মর্মে রাজ্যের সব জেলাশাসককে (DM) নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের নয়া সরকারের এই নির্দেশ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুভেন্দু সরকারের নীতি (West Bengal)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শনাক্তকরণ, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং বহিষ্কার নীতি নেবে। তবে সিএএ (CAA) আইনে হিন্দু শরণার্থী এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। ২৩ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের তরফে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “আটক বিদেশি নাগরিক এবং দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের (West Bengal) উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুযায়ী হবে।”

    সরকারি নির্দেশিকা

    স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের বিদেশি শাখা (SAARC VISA Section) থেকে ২৩ মে জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় রাজ্য সরকারের সচিব জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুসরণ করতে বলেছেন। সেখানে (Bangladeshi Rohingya Deportees) অবৈধভাবে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতির (West Bengal) কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা

    প্রসঙ্গত, বঙ্গের চালকের আসনে (West Bengal) বসার পরেই পদ্ম-নেতা শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে কোনও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের স্থানীয় থানায় বা প্রশাসনের কাছে না রেখে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু তা-ই নয়, তাদের জেলে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র। দেশকে সুরক্ষিত করার কাজ সরকার করবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার ফলে আগের সরকারের আমলে বিঘ্নিত হয়েছে (Bangladeshi Rohingya Deportees) দেশের নিরাপত্তা।

     

  • Panchayat Election: শুরু সলতে পাকানোর কাজ, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    Panchayat Election: শুরু সলতে পাকানোর কাজ, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) সলতে পাকানোর কাজ। বুধবারই সব জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) জানিয়ে দিয়েছে কারা পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে পারবেন, আর কারা পারবেন না। এদিকে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাজ্যের জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৈঠক হবে ভার্চুয়ালি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে জেলাশাসকদের সঙ্গে কমিশন বৈঠকে বসতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election)…

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টও জানিয়ে দিয়েছিল, ভোটে আমরা বাধা দিতে পারি না। দেশের শীর্ষ আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, এবার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা ৬২ হাজার ৪০৪। পঞ্চায়েত সমিতির আসন রয়েছে ৯ হাজার ৪৯৮টি। আর জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা ৯২৮টি। সব মিলিয়ে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ৭২ হাজার ৮৩০টি।

    বর্তমানে রাজ্যে চলছে দাবদাহ। তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এমতাবস্থায় কীভাবে নির্বাচন করানো হবে, ভোটকর্মীদের জন্য কী কী বন্দোবস্ত করা হবে, নিরাপত্তা নিয়েই বা কী পদক্ষেপ করা হবে, সেই সব বিষয়ই উঠতে পারে জেলাশাসকদের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে। কমিশন সূত্রে খবর, ওই দিনের বৈঠকে সব জেলাশাসককে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    এদিকে, বুধবারই সব জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election) কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়াররা পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকার চুক্তিতে তাঁদের নিয়োগ করেছে। সেই নিয়োগের কিছু শর্ত রয়েছে। সেই কারণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না তাঁরা। প্রার্থী হতে পারবেন না গ্রাম রোজগার সেবক, শিক্ষাবন্ধু, পঞ্চায়েতের ঠিকাকর্মী বা রাজ্য সরকারের চুক্তিভিত্তিক ঠিকাকর্মীরা।

    তবে শিক্ষকদের প্রার্থী হতে কোনও বাধা নেই। কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক, হাইস্কুল শিক্ষক, প্যারাটিচার, অধ্যাপক, সহকারি অধ্যাপক, লেকচারার, গেস্ট লেকচারারও প্রার্থী হতে পারবেন। প্রার্থী হতে পারবেন আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, শিশুশিক্ষা সহায়ক এবং ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের কর্মীরাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share