Tag: divorce

divorce

  • Hardik Pandya: হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা নাতাশার! ৩ বছরের ছেলের কাস্টডি পেলেন কে?

    Hardik Pandya: হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা নাতাশার! ৩ বছরের ছেলের কাস্টডি পেলেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সত্যি হল জল্পনা। হার্দিক পান্ডিয়ার (Hardik Pandya) সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন নাতাশা স্তানকোভিচ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে বিবাহবিচ্ছেদ (Hardik-Natasa Divorce) ঘোষণা করলেন তিনি। একই পোস্ট করেছেন হার্দিকও। বেশ কিছু দিন ধরেই হার্দিক এবং নাতাশার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা চলছিল। বৃহস্পতিবার নাতাশা সেই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানিয়ে দিলেন যে, তাঁদের চার বছরের সম্পর্কে ইতি টানছেন।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by @natasastankovic__

    পুত্র অগস্ত্যকে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত? (Hardik-Natasa Divorce) 

    বৃহস্পতিবার নাতাশা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লেখেন, “চার বছর একসঙ্গে থাকার পর হার্দিক (Hardik Pandya) এবং আমি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একসঙ্গে থাকার সব রকম চেষ্টা আমরা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা একসঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আলাদা হওয়ার। এটাই আমাদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই কঠিন ছিল। আমরা একটা পরিবার তৈরি করেছিলাম। একে অপরের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটিয়েছিলাম। আমাদের পুত্র অগস্ত্য রয়েছে। আমাদের দুজনের জীবনের অংশ হিসাবে থাকবে ও। আমরা একসঙ্গে বড় করব অগস্ত্যকে। ওকে আনন্দে রাখার জন্য আমরা সব কিছু করব। এই কঠিন সময়ে আমাদের একটু নিজেদের মতো থাকা প্রয়োজন। আশা করব আপনারা আমাদের সেই সহযোগিতাটুকু করবেন।”

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Hardik Himanshu Pandya (@hardikpandya93)

    চার বছরের ব্যাবধানে বদলে গেল সবকিছু

    চার বছর আগে নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে রূপকথার বাগদান সেরেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। একেবারে ফিল্মি স্টাইলে দুবাইয়ের মাঝ সমুদ্রে হাঁটু গেড়ে বসে নাতাশাকে প্রোপোজ করেন ভারতীয় দলের এই তারকা অল-রাউন্ডার। এরপর ২০২০ সালের ৩১ মে বিয়ে করেছিলেন হার্দিক (Hardik Pandya) ও নাতাশা। বড় কোনও উত্‍সব নয়, আইনি মতেই চার হাত এক হয়েছিল। সেবছরই ৩০ জুন মা হন নাতাশা। ছেলের নাম অগস্ত্য। এরপর গতবছর অর্থাত্‍ ২০২৩ সালে ১৪ ফ্রেরুয়ারি হার্দিক-নাতাশার বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দুজনের পরিবার, বন্ধু ও ছেলে অগস্ত্যও। ১২ দিন পর অগস্ত্যের জন্মদিন। চার বছর পূর্ণ হবে তার। কিন্তু চার বছরের ব্যাবধানে বদলে গেল সবকিছু।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, আগেই হার্দিক এবং নাতাশা ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি সরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে অগস্ত্যের সঙ্গে ছবি ছিল তাঁদের। তখনই জল্পনা তৈরি হয়েছিল হার্দিকদের বিবাহবিচ্ছেদ (Hardik-Natasa Divorce) নিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরও নাতাশাকে কোনও রকম পোস্ট করতে দেখা যায়নি। এক সময় হার্দিকের (Hardik Pandya) খেলা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতেন নাতাশা। কিন্তু এ বছর আইপিএল এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেখা যায়নি তাঁকে। বিশ্বকাপের পর দেশে ফিরেও নাতাশার সঙ্গে দেখা করেননি হার্দিক। আর এর পরেই নাতাশা ও হার্দিকের এই পোষ্ট। স্বাভাবিকভাবেই এমন খবর পেয়ে মন খারাপ ফ্যানেদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-সকালে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এবার থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে খোরপোশ দাবি করতে পারবেন মুসলিম মহিলারাও (Divorced Muslim Women)। এদিন এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহ-র ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে এতদিন যে সুযোগ-সুবিধা পেতেন হিন্দু বিবাহবিচ্ছিন্ন মহিলারা, এবার থেকে সেই একই সুযোগ পাবেন মুসলমান ডিভোর্সি মহিলারাও।

    ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ জানায়, মুসলিম মহিলা (বিবাহ বিচ্ছেদ অধিকার সংরক্ষণ) আইন, ১৯৮৬ সেকুলার আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সব বিবাহিত মহিলাই খোরপোশের দাবি করতে পারেন, তা তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “কিছু স্বামী এটা বুঝতেই পারেন না যে তাঁর স্ত্রী, যিনি গৃহবধূ, তিনি মানসিক ও অন্যান্য দিক থেকে তাঁর ওপরে নির্ভরশীল। তাই সময় এসেছে, ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকার করে নেওয়ার।”

    ‘অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর’

    বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন এক মুসলিম ব্যক্তি। নিম্ন আদালতের খোরপোশের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। এদিন তাঁর সেই পিটিশন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ফৌজদারি আইনের ১২৫ নম্বর ধারায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মুসলিম মহিলারাও খোরপোশ দাবি করতে পারেন তাঁর প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে।

    আর পড়ুন: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, “অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর। কেবলমাত্র বিবাহিত হিন্দু মহিলাই নন, প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর।” আদালত (Supreme Court) এ-ও জানিয়েছে, খোরপোশ কোনও দান-খয়রাত নয়। প্রত্যেক বিবাহিত মহিলার অধিকার। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, খোরপোশের আবেদন মুলতুবি থাকাকালীনও যদি বিবাহ বিচ্ছেদে সিলমোহর পড়ে যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আইন অনুযায়ী এগোতে (Divorced Muslim Women) পারবেন সংশ্লিষ্ট মহিলা। সেক্ষেত্রেও ১২৫ নম্বর ধারায় রয়েছে প্রতিকারের ব্যবস্থা (Supreme Court)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করতে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) অস্বীকার করলে তা এক রকমের মানসিক নিষ্ঠুরতা। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতেই পারেন স্বামী। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court)। যদি কোনও স্ত্রী বিয়ের পূর্ণতা দিতে অস্বীকার করে বা স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করেন তাহলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান। সেক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন। তা হল বৈধ কারণ। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই মত

    সম্প্রতি একটি মামলার বয়ান অনুযায়ী, এক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালের ১২ জুলাই। কিন্তু, বিয়ের পরেও স্ত্রী (Husband-Wife Relation) তা মেনে নেননি এবং তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেছিলেন। এরইমধ্যে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যান স্বামী। এরপর ওই ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ফ্যামিলি কোর্ট। আদালতের বক্তব্য ছিল এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা যায় না। পরে ফ্যামিলি কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। 

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    কী বলল আদালত

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতি শীল নাগু এবং বিনয় সরফের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানির সময় জানান, ‘‘আমরা নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে একমত নই। তারা বলেছিল, কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতা নয়। এই কারণে বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া যায় না।’’ হাইকোর্ট তার নির্দেশে বলে, ‘‘আবেদনকারী (স্বামী) বিবাহের সব রকম আনুষ্ঠানিকতা মেনে চলেছেন। বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাঁর সঙ্গে একমত হননি। আবেদনকারী যে কারণ বলেছেন, তা অবশ্যই মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান।’’ হাইকোর্টের মতে, বৈবাহিক সম্পর্কে কোনটা মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং কোনটা নয়, তা নির্ধারণের জন্য কোনও ‘স্ট্রেট জ্যাকেট ফর্মুলা’ নেই। এর জন্য নির্দিষ্ট তথ্য এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করতে হয়। এরপরই ওই মামলায় বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka High Court: স্ত্রী কোনও এটিএম মেশিন নয়! বিচ্ছেদের মামলায় পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    Karnataka High Court: স্ত্রী কোনও এটিএম মেশিন নয়! বিচ্ছেদের মামলায় পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম মানসিক সম্পর্ক ছাড়া স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া বা স্ত্রীকে এটিএম (ATM) হিসাবে ব্যবহার করা মানসিক হেনস্তার সমান। এক বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় এই পর্যবেক্ষণ করেছে কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court)। আদালতের মতে, মন থেকে ভালবাসা, আবেগ উবে গিয়েছে যে সম্পর্কে, দুগ্ধবতী গাভী এবং টাকার তোলার মেশিন হয়ে থাকা ছাড়া যে সম্পর্কে স্ত্রীর কোনও অস্তিত্ব নেই, সমাজের খাতিরে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কোনও মানে হয় না। তাতে ইতি টানার পক্ষে রায় দিল আদালত

    দীর্ঘ তিন দশকের বিবাহে ইতি টানতে চেয়ে সম্প্রতি আদালতের দ্বারস্থ হন এক মহিলা। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৯১ সালে বিয়ে হয় তাঁর। ২০০১ সালে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মাধ্যমে এক কন্যাসন্তানেরও আবির্ভাব হয় তাঁদের জীবনে।

    মহিলার দাবি, পেশায় ব্যবসায়ী স্বামী ব্যবসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। দেনার দায়ে মাথা তুলতে পারছিলেন না। সেই অবস্থা থেকে স্বামীকে মুক্ত করতে ২০০৮ সাল থেকে টাকা দিয়ে সাহায্য করতেন তিনি। এই দেড় দশকে নয় নয় করে স্বামীকে ৬০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন তিনি।

    মেয়ে এবং তাঁর নামে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে স্বামী ওই টাকা নিতেন বলে জানান আবেদনকারী ওই মহিলা। তিনি জানান, গত দেড় দশক ধরে শুধু তাঁর কাছ থেকে টাকা নিয়ে গিয়েছেন স্বামী। তার কানাকড়িও ফেরত দেননি। বরং দিনের পর দিন তাঁকে অবহেলা করে গিয়েছেন। তা নিয়ে অসম্ভব মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছেন তিনি। বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকে। তাই এই বিবাহ থেকে মুক্তি চান তিনি।

    কিন্তু রাজ্যের পারিবারিক আদালতে ওই মহিলার বিবাহবিচ্ছেদের আরজি খারিজ হয়ে যায়। উল্টে আদালত জানায়, স্বামী তাঁর উপর নির্যাতন চালিয়েছেন, তার সপক্ষে কোনও প্রমাণই দিতে পারেননি আবেদনকারী ওই মহিলা।

    আরও পড়ুন: গর্ভপাতের অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মহিলা

    নিম্ন আদালতে বিচ্ছেদ পেতে ব্যর্থ হয়ে এর পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। বিচারপতি অলোক আরাধে এবং জেএম কাজির ডিভিশন বেঞ্চে সেই আবেদন গৃহীত হয়। তাতে নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দেয় আদালত। অনুমোদন দেওয়া হয় ওই মহিলার বিবাহবিচ্ছেদের আরজিতে। এই ধরনের ঘটনা, যেখানে সাংসারিক অশান্তি, মনোমালিন্যের বিষয় জড়িয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে নির্যাতন বলতে শুধু শারীরিক নির্যাতন নয়, মানসিক নির্যাতনের প্রশ্নও জড়িয়ে থাকে। তাই সবদিক ভাল করে খতিয়ে দেখা উচিত বলে জানায় আদালত।

LinkedIn
Share