Tag: DLED

DLED

  • Burdwan: টুকলি রুখতে ডিএলএডের মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তল্লাশি, চাঞ্চল্য

    Burdwan: টুকলি রুখতে ডিএলএডের মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তল্লাশি, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল রুখতে মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে করে তল্লাশি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের (Burdwan) তালিতের গৌড়েশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ও জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) দফতরে শুক্রবার লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন মহিলা পরীক্ষার্থী। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষামহলে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    ডিএলএড (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) চূড়ান্ত পরীক্ষার সেন্টার পড়়েছিল বর্ধমানের (Burdwan) দেওয়ানদিঘি থানার তালিত গৌড়েশ্বর হাইস্কুলে। গত ১৭ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ডিএলএড পরীক্ষা গ্রহণ। শুক্রবার যা শেষ হয়েছে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার পরীক্ষাকেন্দ্রে মহিলা পরীক্ষার্থীদের কাছে টুকলি আছে কি না তা দেখার নামে কার্যত নগ্ন করে তল্লাশি চালানো হয়। শুক্রবার এই নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। এক পরীক্ষার্থী বলেন, কোনও পরীক্ষায় এইভাবে তল্লাশি করা হয় না। আমাদের অন্তর্বাস খুলিয়ে শারীরিক তল্লাশি চালিয়েছে। এই ভাবে তল্লাশি করে আমাদের অপমানিত করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় নিযুক্ত সংস্থার কর্মীরা এই কাজ করিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। একই সঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে রাজ্যের প্রথমিক শিক্ষাদফতরও। যদিও তল্লাশিতে নিযুক্ত সংস্থার দাবি, তল্লাশিতে প্রচুর টুকলি উদ্ধার হওয়াতে এইভাবে তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে।

    স্কুল ও কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান তথা মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, এটা হয়ে থাকলে চরম অন্যায় হয়েছে। অনৈতিক কাজ হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এই ঘটনায় কারও জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিখিলকুমার খাঁ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা দফতরে নিযুক্ত বেসরকারি সংস্থা তল্লাশির কাজে ছিল। এখানে স্কুলের কোনও ভূমিকা নেই। অভিযোগের বিষয়েও আমি কিছু জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএড (B ed Training) উত্তীর্ণরা প্রাথমিকে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। সোমবার  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বরের আগে যে সব চাকরিপ্রার্থী বিএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন, তাঁরা চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তাঁদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নতুন করে পোর্টাল খুলতেও নির্দেশ দেন বিচারপতি। ৩ সপ্তাহের মধ্যে পোর্টাল খুলে পরীক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও আদালতের পরবর্তী নির্দেশ ছাড়া ওই প্রার্থীদের ফলপ্রকাশ করা যাবে না। তবে যাঁরা আগে আবেদন করেছিলেন, একমাত্র তাঁরাই চলতি টেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। নতুন করে আবেদন করা যাবে না। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত বছর প্রাথমিক স্কুলে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা ঘোষণা পর্ষদের। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তারা নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে জানানো হয়, ডিএলএড প্রশিক্ষণরতরাও অংশ নিতে পারবেন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। পরে এই পর্ষদের এই নির্দেশ খারিজ করে দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, প্রশিক্ষণরতরা নন, যাঁরা প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন একমাত্র তাঁরাই অংশ নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাওয়ার জন্য মৃন্ময় সরকার-সহ ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, ডিএলএড প্রশিক্ষণ শুধুমাত্র প্রাথমিক স্কুলের জন্য। কিন্তু অনেকে বিএড সম্পূর্ণ করে আবার ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ডিএলএড যোগ্যতায় আবেদন করেন তাঁরা। তখন প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার কথা বাধ্যতামূলক বলা হলে বিএড উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারতেন। পর্ষদের ত্রুটির কারণে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, যাঁরা আবেদন করেছেন সেই সব বিএড উত্তীর্ণরা চলতি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১২ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Question Paper: ডিএলএডের প্রশ্ন ফাঁস, ‘বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে’ দাবি পর্ষদ সভাপতির

    Question Paper: ডিএলএডের প্রশ্ন ফাঁস, ‘বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে’ দাবি পর্ষদ সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ডিএলএড পরীক্ষার প্রথম দিনেই ফাঁস হয়ে গেল প্রশ্নপত্র (Question Paper)। পরীক্ষা শুরুর আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র। এমনটাই দাবি করেছেন পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল। সোমবার ছিল ডিএলএড-এর সেমেস্টারের প্রথম দিন। এই পরীক্ষা নিয়ে একাধিক সাবধানতাও অবলম্বন করেছিল। তাতেও আটকানো গেল না প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া। প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার দায় নিজের কাঁধে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    ইতিমধ্যেই দুর্নীতির একাধিক অভিযোগে জর্জরিত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তার মাঝে এই ঘটনা (Question Paper) স্বাভাবিকভাবেই আরও অস্বস্থি বাড়িয়েছে পর্ষদের। পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের দাবি, কেউ বা কারা পর্ষদ তথা রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এমনটা করেছেন। তিনি বলেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যদি এমন কোনও বিশ্বাসঘাতকতার কাজ করেন, তাহলে তাতে পর্ষদের কিছু করার নেই।” 

    কী ঘটেছে?

    সোমবার সকাল থেকেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় ‘ডিএলএড- পার্ট টু এক্সামিনেশন’ লেখা একটি প্রশ্নপত্র ভাইরাল হয়। আর সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে ডিএলএড। পরীক্ষার পর একাধিক পরীক্ষার্থী দাবি করেন, ওই প্রশ্নপত্রের (Question Paper) সঙ্গে ডিএলএডের প্রশ্ন ১০০ শতাংশ মিলে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মানব মুখোপাধ্যায়

    সোমবার অরিন্দম খাঁড়া নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে হোয়াটসঅ্যাপের কিছু স্ক্রিনশট পোস্ট (Question Paper) করেন। তাতে দেখা যায়, বেলা ১০:৪৭ মিনিটে একগোছা প্রশ্নপত্র দেখা যাচ্ছে। সেগুলিই এদিনের পরীক্ষারই প্রশ্ন বলে দাবি করা হয়েছে। অথচ পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১২টায়। পরীক্ষা চলে দুপুর ২টো পর্যন্ত। অর্থাৎ পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্ন ভাইরাল হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপেও!   

    প্রশ্নপত্র যাতে ফের ফাঁস (Question Paper) না হয়, সেই কারণে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল পর্ষদ। পরবর্তী পরীক্ষাগুলির ক্ষেত্রে ডিএলএডের প্রশ্নপত্র সকাল ১১.১৫ মিনিটের আগে কোনও ভাবেই ভেনুগুলিকে দেওয়া যাবে না। এটা নিশ্চিত করতে হবে, সিল অবস্থাতেই ভেনুগুলো থানা বা কাস্টোডিয়াম থেকে প্রশ্নপত্র নেবে। সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও রকম অনিয়ম না হয়।

    এবার ডিএলএড প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। কী ভাবে প্রশ্নপত্র সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হল তা খতিয়ে দেখবে রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। ইতিমধ্যে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। নবান্নের নির্দেশেই সিআইডি তদন্ত করবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিএড- ডিএলএড কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিএড- ডিএলএড কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ কর্তৃপক্ষকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫০টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে ইডি-র অফিসে সোমবার ডেকে পাঠানো হয়েছে। মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এই তলব বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। এর আগে  বেসরকারি বিএড এবং ডি এল এড কলেজ সংগঠনের সভাপতি তাপস মণ্ডলকে দফায় দফায় বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। মোট ৫০টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষ দফতরে হাজিরা দিতে শুরু করেছেন। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ, শহরে মিঠুন

    সোমবার ইডির দফতরে হাজিরা দিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বসিরহাট মহাবোধি কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি সুজিত সরকার। তিনি বলেন, “তাপস মণ্ডল এবং বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ সংগঠনের নির্দেশে টাকা দিয়েছিলাম মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের কোম্পানিকে। তখন জানতাম না, ওটা মানিকের ছেলের কোম্পানি। ইডি ডেকেছে, তাই এসেছি।”     

    গোটা রাজ্যে মোট বেসরকারি ডিএলএড কলেজ রয়েছে ৫৯৬টি। আর এই সব কলেজ থেকেই কম-বেশি টাকা তুলতেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আর সেই বিষয়েই প্রশ্ন করা হতে পারে কলেজ কর্তৃপক্ষদের। এর আগেই মানিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন তাঁর একদা ঘনিষ্ঠ বেসরকারি কলেজের মালিক তাপস মণ্ডল। পর্ষদের বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক বয়ান দেন তাপস। তিনি দাবি করেছিলেন,  “পর্ষদের অফিসের পাঁচতলায় একটি এজেন্সি কাজ করত। তারাই এই ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বিষয়ে সব দেখত। যাদের ঠিক করে দিয়েছিল সভাপতি হিসেবে মানিকবাবুই।” স্বাভাবিকভাবেই এই তথ্য ইডি আধিকারিকদেরও দিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতেই এদিনের তলব। মনে করা হচ্ছে, এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হতে পারে তাঁদের। 

    কী উঠে এসেছে তদন্তে? 

    তদন্তে ইডির গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হওয়া মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে সৌভিকের দু’টি সংস্থার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন ডিএলএড কলেজ  থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা জমা পড়েছে। এছাড়া তাপস মণ্ডলের মাধ্যমে অনলাইনে ভর্তি বাবদ মানিক সারা রাজ্যের ৫৯৬টি ডিএলএড কলেজ থেকে পড়ুয়াদের মাথাপিছু ৫০০০ টাকা নিয়েছিলেন বলে উঠে এসেছে তদন্তে। বিভিন্ন বেসরকারি কলেজে অনলাইনে ভর্তি বাবদ তাপসের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share