Tag: dmk

dmk

  • BJP: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    BJP: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন ও ক্ষমতাসীন ডিএমকে সরকারকে সরানো না পর্যন্ত তিনি জুতো পরবেন না, এমনই সংকল্প নিলেন তামিলনাড়ুর বিজেপির (BJP) সভাপতি কে আন্নামালাই (K Annamalai)। এর পাশাপাশি তাঁর আরও ঘোষণা, আজ শুক্রবার নিজের বাড়ির সামনে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাবেন এবং নিজেকে ছয়বার চাবুক মারবেন।

    ৪৮ দিন অনশনের কথা ঘোষণা তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধানের (BJP) 

    প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহে চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কলেজ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কে আন্নামালাই (BJP) তোপ দাগেন ডিএমকে সরকারকে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক সম্মেলনে, কে আন্নামালাই ঘোষণা করেন যে তিনি নিজের বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন এবং নিজেকে ছয়বার চাবুক মারবেন। এর পাশাপাশি আজ শুক্রবার থেকে ৪৮ দিন অনশন করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। ডান হাতে জুতো নিয়েই তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

    তামিলনাড়ুর মহিলারা নিরাপদ নন

    আন্নামালাই (BJP)  ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও জানান যে এই রাজ্য আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি বলে কিছু নেই। ‘‘যারা বেআইনি কার্যকলাপ করে তাদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তামিলনাড়ু’’, একথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। তিনি (K Annamalai) আরও বলেন, ‘‘তামিলনাড়ুতে মহিলারা মোটেও নিরাপদ নন, কারণ এখানকার পুলিশ প্রশাসন বিরোধীদের চুপ করতে ব্যস্ত থাকে সর্বদা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DMK: হিন্দুদের বাধা উপেক্ষা করে দু’দুটো মন্দির ভাঙল তামিলনাড়ু সরকার

    DMK: হিন্দুদের বাধা উপেক্ষা করে দু’দুটো মন্দির ভাঙল তামিলনাড়ু সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির ভাঙতে দেবেন না হিন্দুরা। প্রশাসনও পণ করেছে মন্দির ভাঙবেই। শেষমেশ এক প্রকার জোর করেই মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) ডিএমকে (DMK) সরকার। প্রতিবাদকারী হিন্দুরা দাঁড়িয়ে দেখলেন, এই সেদিনও যে মন্দিরে তিনবার করে পুজো হত, প্রশাসনের আর্থমুভারের ধাক্কায় সেই মন্দিরই পরিণত হল কিছু রাবিশে! রাজ্য সরকারের হিন্দু-বিরোধী মনোভাবে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় হিন্দুরা।

    ভাঙা হল দুই মন্দির (DMK)

    পোল্লাচি ও মন্দির নগরী মাদুরাইতে ছিল যথাক্রমে শক্তি বিনায়গর মন্দির ও কল্যাণ বিনায়গর মন্দির। মন্দির দুটিতেই প্রতিদিন তিনবার করে পুজো হত। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করেই সেই মন্দির দুটি ভেঙে দিয়েছে প্রশাসন। পোল্লাচি রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ছিল শক্তি বিনায়গর মন্দির। অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় ভেঙে ফেলা হয় মন্দিরটি। এলাকায় একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    কী বলছেন স্থানীয়রা

    প্রশাসনের দাবি, রেলস্টেশনে ঢোকার মুখে থাকায় মন্দিরটি যানজটের কারণ হচ্ছিল। তাই ভেঙে ফেলা হয়েছে সেটি। হিন্দু মুন্নানি সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মন্দিরটি এলাকায় রয়েছে দীর্ঘদিন। তাতে কোনও সমস্যা হয়নি। প্রশাসনও আগাম তাঁদের মন্দির ভাঙার বিষয়ে কিছু জানায়নি। তাঁদের দাবি, মন্দিরটি তাঁদের দৈনিক ধর্মীয় আচার-আচরণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। প্রশাসনের সিদ্ধান্তে হতাশ স্থানীয় বাসিন্দা শিবকুমার। তিনি হিন্দু মন্নানির প্রতিনিধিও। তিনি বলেন (DMK), “মন্দির ভাঙা হবে শুনে আমরা প্যালাক্কাড় রেলওয়ে ডিভিশন ও পোল্লাচি সাব কালেক্টরের কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলাম। মন্দিরটি ভাঙা হয়েছে চতুর্থীর দিন। তিথির দিক থেকে দিনটি অতি পবিত্র। এদিন বিশেষ পুজো হত ওই মন্দিরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে মন্দিরটির গুরুত্ব অপরিসীম।”

    মন্দির ভাঙা হল মাদুরাইয়েও

    তিনি বলেন, “মন্দিরটির কারণে যানজট হচ্ছে বলে যে যুক্তি দেখানো হচ্ছে, তা আদৌ ঠিক নয়।” তিনি জানান, হিন্দু মুন্নানী ছাড়াও মন্দির বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিল ভারতীয় হনুমান সেনা, বিবেকানন্দ সেবা কেন্দ্র এবং অন্যান্য স্থানীয় কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন। তাদের প্রতিবাদ উপেক্ষা করেই ভেঙে ফেলা হয় মন্দির। মন্দির ভাঙা হয়েছে মাদুরাইয়েও। সেখানকার সন্নিধি রাস্তায় অবস্থিত কল্যাণ বিনায়গর মন্দিরটি ভেঙে ফেলেছেন স্থানীয় প্রশাসন। মন্দিরটি ছিল তিরুপারানকুন্দ্রম মুরগান মন্দিরের কাছে। ভগবান মুরগানের ছয় আবাসের একটি এটি। এই মন্দিরটিও স্থানীয়দের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এখানেও মন্দির ভাঙার বিরুদ্ধে একজোট হন স্থানীয়রা। সব বাধা উপেক্ষা করেই ভগবানের আবাসস্থলটি ভেঙে ধূলিস্যাৎ করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন (Tamilnadu)।

    পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

    দুটি ক্ষেত্রেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, কর্তৃপক্ষ হিন্দু মন্দিরগুলো ভাঙার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করছে। উন্নয়নের স্বার্থেও সংখ্যালঘু ধর্মীয় স্থানগুলি ভাঙার দুঃসাহস তারা দেখাচ্ছে না। তাঁদের দাবি, এলাকারই একটি জায়গায় মসজিদ ভাঙতে গিয়েছিল প্রশাসন। স্থানীয়দের বাধায় খালি হাতেই ফিরতে হয় প্রশাসনের আধিকারিকদের। তাঁদের দাবি, মসজিদটি অবৈধভাবে নির্মিত হওয়া সত্ত্বেও, সেটি দিব্যি রয়েছে। অথচ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দু’দুটো মন্দির।

    ভাঙা হয়নি মসজিদ

    অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল চেন্নাইয়ে মসজিদ-ই-হিদায়া মসজিদ। জুন মাসে সেটি ভাঙতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল প্রশাসনের আধিকারিকদের। স্থানীয় মুসলমানদের প্রতিবাদের কাছে নতি স্বীকার করে ফিরতে হয়েছিল তাঁদের। অথচ অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ওই মসজিদটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টও। স্থানীয়দের দাবি (DMK), তা সত্ত্বেও স্থানীয় মুসলমান সংগঠনের নেতৃত্ব ও মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে মসজিদ বাঁচিয়েও কীভাবে উন্নয়নের রাস্তা খোঁজা হয়েছিল, তা এলাকাবাসী জানেন। হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, হিন্দুদের মন্দির ভাঙার ক্ষেত্রে এসব কিছু করা হয় না প্রশাসনের তরফে।

    হিন্দুদের দাবি

    হিন্দু মুন্নানি নেতাদের দাবি, প্রশাসনের এই পক্ষপাতিত্বের ছাপ সর্বত্র স্পষ্ট। তাঁদের দাবি, ড্রাভিডিয়ান মডেল সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন বছরে ২৫০টিরও বেশি মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, অবৈধভাবে নির্মিত হলেও প্রশাসনের ধ্বংসের হাত থেকে রেহাই পায় মসজিদ এবং গির্জা। আদালতের নির্দেশ থাকলেও, সেগুলি ভাঙা হয় না। অথচ নির্বিচারে ধ্বংস করা হয় হিন্দু মন্দির।

    আরও পড়ুন: ভারতের বহু শহরে ‘রেল জিহাদ’-এর চক্রান্ত করছে পাক জঙ্গি, সতর্কবার্তা এনআইএ-র

    প্রসঙ্গত, গত বছরই (DMK) সেপ্টেম্বর মাসে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি এক জনসভায় বলেছিলেন, “দেখুন, কিছু জিনিসের বিরোধিতা করা যায় না। এটা একেবারে শেষ করে দিতে হয়। আমরা ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, মশা, করোনার বিরোধিতা করতে পারি না। আমাদের এগুলো তাড়াতে হয়। সেই কারণেই আমাদের তাড়াতে হবে সনাতন ধর্মকে। ওই সনাতন ধর্মের আপত্তি না করে একে তাড়ানো দরকার।”

    পর পর দু’দুটো মন্দির ভেঙে, সেই প্রক্রিয়াই কি শুরু করল তামিলনাড়ু (Tamilnadu) সরকার (DMK)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udaynidhi Stalin: “সনাতন ধর্মকে মুছতে” চাওয়া ছেলেকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসালেন এমকে স্ট্যালিন!

    Udaynidhi Stalin: “সনাতন ধর্মকে মুছতে” চাওয়া ছেলেকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসালেন এমকে স্ট্যালিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধিতা নয়, আমাদের প্রথম কাজ হল সনাতন ধর্মের আদর্শকে মুছে ফেলা।” গত বছর সেপ্টেম্বরে এমনই মন্তব্য করে বিতর্ক বাঁধিয়েছিলেন তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন (Udaynidhi Stalin)। ঠিক এক বছরের মাথায় পদোন্নতি হল তাঁর। ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী। শনিবার তাঁকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসালেন বাবা তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন।

    পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ (Udaynidhi Stalin)

    সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্য করে বিরোধীদের নিশানায় ছিলেন উদয়নিধি। এদিন উপমুখ্যমন্ত্রী পদে উন্নীত হওয়ায় উঠল পরিবারতন্ত্রের অভিযোগও। ছেলেকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদ দেওয়ার পাশাপাশি আরও একটি ‘কাণ্ড’ করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সেন্থিল বালাজি। জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। সেন্থিল যখন গ্রেফতার হয়েছিলেন তখন তিনি ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী। এদিন তাঁকে মন্ত্রী করা হলেও, কোন দফতর দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি।

    উদয়নিধির উত্থান

    তামিলনাড়ুর গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজনীতির ময়দানে চলে আসেন উদয়নিধি (Udaynidhi Stalin)। তার পর থেকে দলে রকেটের গতিতে উত্থান হতে থাকে তাঁর। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই দলে গুরুত্ব বাড়তে থাকে তাঁর। তার আগেই রাজ্যের মন্ত্রী করে দেওয়া হয় উদয়নিধিকে। গত জানুয়ারি মাসেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হত তাঁকে। তবে তার আগে সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্যের জেরে বিতর্ক দানা বাঁধে। তাই সেই সময় ছেলেকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে আর বিতর্কের আগুনে অক্সিজেন জোগাননি পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ এমকে। সেই বিতর্ক থিতু হতে এবং সেন্থিলের বন্দিদশা ঘুঁচতে শনিবারের বারবেলায় জোড়া ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: “এত ঔদ্ধত্য”! রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন ভাবিকা মঙ্গলানন্দন

    মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বাপ-ছেলের এই যুগলবন্দিতে বেজায় খেপেছে বিরোধীরা। এআইএডিএমকে-র মুখপাত্র কৌভৈই সাথিয়া বলেন, “উদয়নিধির এই পদোন্নতি গ্রহণযোগ্য নয়। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন নিজে বলেছিলেন, তাঁর পরিবার থেকে কেউ রাজনীতিতে প্রবেশ করবে না। বাবা (করুণানিধি), ছেলে (এমকে স্ট্যালিন) এবং এখন নাতি (উদয়নিধি) – পরিবারতন্ত্র (Tamil Nadu) চলছে।” তিনি বলেন, “ডিএমকের অর্থ একটাই পরিবার, স্ট্যালিন পরিবার (Udaynidhi Stalin)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৯তম প্রতিষ্ঠা বর্ষ চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। ঠিক এই সময়ে সন্ত রামালিঙ্গ স্বামীগালের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দ এবং বি আর আম্বেদকরের ভাবাদর্শকে প্রচার করতে গত ১৯ নভেম্বর তামিলনাড়ুতে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুটমার্চ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের তামিলনাড়ু শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫৫টি স্থানে এই রুট মার্চ সম্পন্ন হয়।

    আইনি লড়াইয়ে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুচ মার্চ (RSS) 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) রুটমার্চে অনুমতি প্রদান করেনি তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার। মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের রুটমার্চ অক্টোবর মাসের ২২ এবং ২৯ তারিখ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ডিএমকে সরকার উচ্চ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়। সুপ্রিম নির্দেশে সঙ্ঘের রুটমার্চের দিনক্ষণ স্থির হয় ১৯ নভেম্বর। এই দিন সারা রাজ্যজুড়ে সঙ্ঘের শান্তিপূর্ণ এই রুটমার্চ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    জেলায় জেলায় রুট মার্চ (RSS) 

    চেন্নাইতে হাজারেরও বেশি সংখ্যায় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ইউনিফর্মে রাস্তায় নামেন এবং রুটমার্চে অংশগ্রহণ করেন। চেন্নাই মহানগরে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে এই রুটমার্চ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু’পাশে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সঙ্ঘের র‌্যালি দেখতে। এর পাশাপাশি মহিলারা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই রুট মার্চকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁরা স্বয়ংসেবকদের উপর পুষ্প বৃষ্টি করেন। বাজনার ধ্বনিতে, গেরুয়া পতাকা সহযোগে চলতে থাকে রুট মার্চ। চেন্নাইতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন এই পথ সঞ্চালনে। রুটমার্চ সম্পন্ন হয় চেন্নাই-এর বিবেকানন্দ স্কুলে। কারাকুডি জেলায় সঙ্ঘের র‌্যালি শুরু হয় মগর ননবাই থিডাল নামক স্থানে এবং সম্পন্ন হয় থিভার স্ট্যাচুতে। এই জেলায় ৪০০-এর বেশি স্বয়ংসেবককে রুট মার্চে হাঁটতে দেখা যায়। সামনে গৈরিক ধজ নিয়ে হাঁটছিলেন আইনজীবী অরুণ স্বামীনাথন। ত্রিপুর জেলায় র‌্যালি শুরু হয় আলাঙ্গাডু নটরাজ থিয়েটার থেকে এবং তা সম্পন্ন হয় চিল্লার নগরে। নীলগিরি জেলাতে র‌্যালি শুরু হয় পান্ডালুর এরুমাডু অঞ্চল থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশাক। থাঞ্জাভুর জেলাতেও র‌্যালিতে ব্যাপক উন্মাদনা চোখে পড়ে। অন্যদিকে সালাম জেলা থেকেও র‌্যালিতে পাঁচশোর বেশি কার্যকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সালাম জেলারই ভাজাপাদি অঞ্চলে সঙ্ঘের তরুণদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে সম্পন্ন হওয়া এই র‌্যালি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধি। এবার তাঁর দলেরই এক লোকসভার সাংসদ এবং প্রাক্তন ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী এ রাজা সেসব ছাপিয়ে গেলেন। সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) তিনি কুষ্ঠ এবং এইচআইভির সঙ্গে তুলনা করলেন। বুধবারই এ রাজা মন্তব্য করেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন কুষ্ঠ এবং এইচআইভি একটি কলঙ্ক হিসাবে বিবেচিত করা হত। বর্তমানে এটিকেও (সনাতন ধর্ম) (Sanatan Dharma) এইচআইভি এবং কুষ্ঠরোগের মতো বিবেচনা করা উচিৎ যা একটি সামাজিক কলঙ্ক রূপে বিবেচিত হত।’’ 

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে এমন অপমানজনক মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর এই ‘নফরত কী দুকান’-এ ‘ঘামান্ডিয়া’ জোটের সদস্যরা ‘নফরত কা সামান’ বিক্রি করছেন।’’

    উত্তরের পাপ্পু রাহুল দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি মন্তব্য তামিলনাড়ুর বিজেপির সভাপতির

    অন্যদিকে সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে স্টালিন পুত্র উদয়নিধির এই মন্তব্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই। রাহুল গান্ধী ও উদয়নিধি স্ট্যালিনকে এক সারিতে এনে তামিলনাড়ুর রাজ্য সভাপতি মন্তব্য, উত্তরের পাপ্পু রাহুল গান্ধী দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি। তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতির আরও দাবি, ৬ বছর ধরে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে ডিএমকে সরকার। তারা সামাজিক ন্যায় বিচার (Sanatan Dharma) দিতে পারেনি তামিলনাড়ুর মানুষকে অথচ এখন তারাই সামাজিক ন্যায় বিচারের প্রশ্ন তুলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DMK: ফের টিকিট না পেয়ে কীটনাশক খেলেন ডিএমকে নেতা, কী বলছে দল?

    DMK: ফের টিকিট না পেয়ে কীটনাশক খেলেন ডিএমকে নেতা, কী বলছে দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ডিএমকের (DMK) বিদায়ী সাংসদ। এবার তাঁকে টিকিট দেয়নি দল। সূত্রের খবর, তার জেরেই হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। সেই কারণেই কীটনাশক খেয়ে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অনুমান দলীয় কর্মীদের একাংশের।

    হতাশায় ভুগছিলেন সাংসদ (DMK)

    ডিএমকের বিদায়ী সাংসদ অবিনাশী গণেশমূর্তি। তিনি ইরোড কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। ডিএমকে সূত্রে খবর, লোকসভায় না পাঠিয়ে দল তাঁকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করবে বলে ভেবে রেখেছিল। নিজে টিকিট না পাওয়ার পরে তিনি ভেবেছিলেন ইরোড কেন্দ্রে দল (DMK) প্রার্থী করবে তাঁর ছেলেকে। তা না করে ওই কেন্দ্রে অন্য একজনের নাম ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। শেষমেশ খান কীটনাশক।

    কী বলছে পরিবার?

    গণেশমূর্তির পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার সকালে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সাংসদ। ঘন ঘন বমি করতে শুরু করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের টানা জেরায় জানিয়ে দেন, কীটনাশক খেয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তাঁর লোকসভা কেন্দ্র এরোডেরই একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রথমে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ছিলেন আইসিইউতে। দিতে হয়েছিল ভেন্টিলেশন সাপোর্টও। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কোয়েম্বাটোর হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, ডিএমকে সাংসদের শারীরিক পরিস্থিতি সঙ্কটজনক। ৪৮ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিন সঙ্কটাপন্ন বিদায়ী সাংসদকে দেখতে হাসপাতালে যান শাসক, বিরোধী সব দলের নেতারাই। তামিলনাড়ুর মন্ত্রী এস মুথুস্বামী, বিজেপি নেতা সি সরস্বতী, এআইএডিএমকে নেতা ভি রামলিঙ্গম-সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাংসদকে দেখতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। গণেশমূর্তির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তাঁরা। তামিলনাড়ুর এমডিএমকের সাধারণ সম্পাদক দুরই বাইকোও হাসপাতালে গিয়েছিলেন সঙ্কটাপন্ন সাংসদকে দেখতে।

    তিনি বলেন, “দল ওঁকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করার কথা ভেবে রেখেছিল। সেই কারণেই লোকসভায় টিকিট দেওয়া হয়নি। কিন্তু উনি চরম পদক্ষেপ করে ফেলেছেন।” প্রসঙ্গত, উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ডিএমকের প্রার্থী হয়েছিলেন গণেশমূর্তি। এবার ডিএমকে এবং তার সহযোগীদের ছাড়া হয়েছে কেবল তিরুচিরাপল্লি আসনটি। সেখানে (DMK) প্রার্থী করা হয় ভাইকোর ছেলে দুরাই ভাইকোকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    DMK: “আমরা রামের শত্রু”! ডিএমকে নেতা এ রাজার ঘৃণাভাষণের কড়া সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা রামের শত্রু। ভারত কোনও জাতি নয়।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন ডিএমকে নেতা এ রাজা। যার জেরে ফের একবার বিতর্কে জড়িয়েছে ডিএমকে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে ডিএমকে (DMK)। তাই ‘ইন্ডি’ ব্লককে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন ডিএমকে নেতা?

    সম্প্রতি একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ রাজা জানান, তামিলনাড়ুবাসী কখনওই ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, “এই যদি হয় জয় শ্রীরাম, যদি তোমরা ভারত মাতা কী জয় বলো, তাহলে জেনে রেখো, আমরা কখনওই জয় শ্রীরাম ও ভারত মাতা কি জয় স্লোগান গ্রহণ করব না। তামিলনাড়ু এগুলো নেবে না। তোমরা বলে দাও, আমরা রামের শত্রু।” মার্চ মাসের ৩ তারিখে কোয়েম্বাটরের এক জনসভায় ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজা (DMK)। সমালোচনা করেছিলেন হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণেরও। ডিএমকের এই নেতা বলেছিলেন, “রামায়ণ এবং ভগবান রামে আমার বিশ্বাস নেই।” রাজা যেদিন মন্তব্যটি করেছিলেন, ঘটনাচক্রে সেদিন ছিল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকের এমকে স্ট্যালিনের জন্মদিন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করেছিলেন। ভারতকে জাতি বলার সমালোচনাও করেছিলেন। তাঁর দাবি, ভারত কোনও জাতি নয়, উপমহাদেশ।

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ডিএমকে নেতার মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে রাজাকে উদ্ধৃত করে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “ভারত জাতি নয়। এটা ভালো করে বুঝুন। ভারত কখনওই জাতি নয়। একটা জাতি মানে এক ভাষা, এক ঐতিহ্য এবং এক সংস্কৃতি। তখনই এটা হবে একটা জাতি। ভারত জাতি নয়, উপমহাদেশ।” ডিএমকের ঘৃণাভাষণের সমালোচনাও করেছেন অমিত। বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ ডিএমকের এই নেতাকে ‘মাওবাদী আদর্শে’ উদ্বুদ্ধ বলেছেন। রাজার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের অবস্থান কী, তাও জানাতে বলেছেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “এঁরা হচ্ছেন সেই মানুষ যাঁরা ভারতের শেষ দেখতে চায়। টুকরে টুকরে গ্যাংকে সমর্থন করেন। রাজ্যসভায় দলীয় প্রার্থী বিজয়ী হতেই এঁরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিলেন।” অযোধ্যার হনুমান গড়ি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রমেশ দাস বলেন, “ডিএমকে নেতা যা বলেছেন, তা ত্রুটিপূর্ণ। গোটা বিশ্বই রামময়। আমরা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে জানাব (DMK)।”

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জেরে সরগরম তামিলনাড়ুর রাজনীতি। এমতাবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল বিজেপি (BJP)। তবে তামিল ভাষায় নয়, পদ্ম শিবিরের তরফে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে চিনের সরকারি ভাষা মান্দারিনে। ১ মার্চ জন্মদিন ছিল স্ট্যালিনের। সেদিনই ডিএমকে নেতাকে মুখের মতো করে চিন-প্রীতির জবাব দিল পদ্ম শিবির।

    জন্মদিনের শুভেচ্ছা

    বিজেপির (BJP) তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, “এখানে আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী থিরু এমকে স্ট্যালিন আভরগলকে তাঁর পছন্দের ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি দীর্ঘজীবী হোন, সুস্থ জীবন যাপন করুন।” কথাগুলি লেখা হয়েছে মান্দারিন ভাষায়। তামিলনাড়ু বিজেপির ইউনিট প্রেসিডেন্ট ডিএমকে নেতার চিন-প্রেমের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “ডিএমকের এই কাজ আমরা সমর্থন করি না। এটি ইসরোর বিজ্ঞানী ও দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অপমানজনক। এটি ডিএমকের সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচায়ক।”

    ইসরোর লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন

    সম্প্রতি তামিলনাড়ুতে ইসরোর একটি লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে একটি রকেট দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, তাতে রয়েছে চিনের পতাকার চিহ্ন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই এক্স হ্যান্ডেলে এই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করে লেখেন, “ভারতের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করেছে।”

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই বিজ্ঞাপন দেখায়, ডিএমকে চিনের প্রতি কতটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই দলটি দুর্নীতিতে সিদ্ধ। ইসরো যেদিন থেকে দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাডের কথা ঘোষণা করেছে, সেদিন থেকে ডিএমকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অতীতের ত্রুটি ধামাচাপা দিতেই ওরা এতটা মরিয়া।” তিনি বলেন, “প্রথম লঞ্চিং প্যাডের জন্য ইসরো তামিলনাড়ুকেই প্রথমে বেছে নিয়েছিল। কিন্তু সে সময় রাজ্য সরকারের অপদার্থতা দেশের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে তামিলনাড়ুর মুখ পুড়িয়েছিল। সেই ডিএমকে এখনও বদলায়নি। বরং আরও খারাপ হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের দুই বহুল প্রচারিত দৈনিকে বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয়েছিল। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি ও বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের কৃতিত্ব প্রচার করাই ছিল বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য। বিতর্কের সূত্রপাত সেই বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করেই (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     

     

     

  • PM Modi: ইসরোর রকেটের গায়ে চিনের পতাকার ছবি! ডিএমকের ‘কীর্তি’তে কড়া সমালোচনা মোদির

    PM Modi: ইসরোর রকেটের গায়ে চিনের পতাকার ছবি! ডিএমকের ‘কীর্তি’তে কড়া সমালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরোর নয়া রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শাসক দল ডিএমকের অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল সংবাদপত্রে। তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছবির সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে চিনের পতাকা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি রকেটের ওপর চাপানো হয়েছে চিনের জাতীয় পতাকার ছবি। পোস্টারের এই ছবি নিয়ে ডিএমকের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ডিএমকেকে তোপ মোদির

    তিনি বলেন, “সকলে জানেন, ডিএমকে আমাদের সকল প্রকল্প নিজেদের প্রকল্প বলে চালায়। এবার তারা লজ্জা-শরমের সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। তামিলনাড়ুতে ইসরোর লঞ্চপ্যাডের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য তারা লাগিয়ে দিয়েছে চিনের পতাকা। ডিএমকের নেতারা অন্ধ হয়ে গিয়েছে। মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতি তারা দেখতে পাচ্ছে না। ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্য বিশ্বকে দেখাতে চায় না তারা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই পোস্টার ছেপে ডিএমকে সরকার বিজ্ঞানীদের অপমান করেছে। ইসরোর অপমান করেছে, মহাকাশ কেন্দ্রের অপমান করেছে।”

    কী বললেন বিজেপি সভাপতি?

    তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই বলেন (PM Modi), “এই বিজ্ঞাপন ডিএমকের চিনের প্রতি আনুগত্য ও ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।” তিনি বলেন, “ষাট বছর আগে ইসরো তাদের প্রথম লঞ্চপ্যাডটি করতে চেয়েছিল তামিলনাড়ুতেই। কিন্তু ইসরোর সঙ্গে আলোচনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএমকে মন্ত্রী বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মদ্যপ অবস্থায়। তাই লঞ্চপ্যাডটি তৈরি হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে।” তিনি বলেন, “অতীতের সেই ভুল ঢাকতেই যেনতেন প্রকারে ইসরোর নয়া লঞ্চপ্যাড তৈরির কৃতিত্ব নিতে চাইছে ডিএমকে সরকার।”

    আরও পড়ুুন: এবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস! অ্যালকেমিস্ট মামলায় তলব করল ইডি

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্টেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ জানিয়েছিলেন, ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য কুলশেখরপট্টিনমে ইসরোকে এই নয়া মহাকাশ বন্দর স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই নয়া মহাকাশ বন্দর থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ছোট ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হবে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে খরচ বেশি হয় (PM Modi)।

    বেকায়দায় পড়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে ডিএমকে। ডিএমকের তরফে সাংসদ কে কানিমোঝি বলেন, “আমি জানি না কে এই ছবির ডিজাইন করেছে। আমি মনে করি না যে ভারত চিনকে শত্রু দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমি দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং চিনের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁরা মহাবলীপুরমে গিয়েছেন। সত্যটা গ্রহণ করতে আপনারা জানেন না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ডিমএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। বৃহস্পতিবার চেন্নাইতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই তামিল চলচ্চিত্র অভিনেতা। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। জানা গিয়েছে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Actor-Politician Vijayakanth)

    হাসপাতাল সূত্রে একটি জানা গিয়েছে, নিউমনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছিলেন এই তামিল অভিনেতা বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। তাঁর অত্যধিক শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা ছিল। এরপর ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা করা গেল না। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ত বুধবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া থেকেই প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার মধ্যেই তিনি করোনা আক্রান্ত হন। প্রিয়জন তথা ভক্তকূলের কাছে ‘ক্যাপ্টেন’ নামে পরিচিত ছিলেন বিজয়কান্ত। সিনেমায় সেনা চরিত্রের ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য এই বিশেষ পরিচয়ে সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় সেলুলয়েডে তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে তাঁকে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমজি রামচন্দ্রণের সঙ্গে তুলনা করা হতো। বিজয়কান্ত ১৫০টির বেশি তামিল সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    ডিএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন

    ২০০৫ সালে দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগাম (ডিএমডিকে) দল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র বিকল্প দল হিসবে তামিলনাড়ুতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন তিনি। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ললিতার এডিএমকে-র সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়াই করে ২৯টি আসনে জয়ী হয় তাঁর দল। পরে অবশ্য জোট ভাঙার কারণে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন তিনি। অনেকদিন ধরে ডায়বেটিসের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। ২০২২ সালের একটা সময়ে এই রোগের কারণে পায়ের একটি আঙুল কেটে বাদ দিতে হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গেও জোট করেছিলেন বিজয়কান্ত।

    করোনার বাড়বাড়ন্ত

    ডিসেম্বরের শুরু থেকেই সারা দেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে। দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার। দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরলে এই সংক্রমণের প্রভাব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সংক্রমণের নতুন সংস্করণ জেএন ওয়ানের প্রমাণ মিলেছে বেশ কিছু রাজ্যে। এই অভিনেতার (Actor-Politician Vijayakanth) মৃত্যুতে করোনায় চিন্তা বাড়িয়েছে।

    সফদরজং হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. জুগল কিশোর জানিয়েছেন, “করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক মাস পর সেটা বাড়তে শুরু করে। ফলে ভারতে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে সংক্রমণ চরম আকার নিতে পারে। সকলকে তাই আরও সতর্ক থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share