Tag: dmk

dmk

  • Gaumutra States Row: “গোমূত্র রাজ্যে জয়ী বিজেপি”, মন্তব্য ডিএমকের, “সনাতন ধর্মের অপমান”, বলছে বিজেপি

    Gaumutra States Row: “গোমূত্র রাজ্যে জয়ী বিজেপি”, মন্তব্য ডিএমকের, “সনাতন ধর্মের অপমান”, বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার সনাতন ধর্মকে বেনজির আক্রমণ। এবারও কাঠগড়ায় সেই ডিএমকে। সনাতন ধর্মের অপমানের (Gaumutra States) জবাব দেবেন সাধারণ মানুষ, বলছে বিজেপি। সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দি বলয়ে চোখ ধাঁধানো ফল করেছে বিজেপি। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তিন রাজ্যেই গোহারা হেরেছে কংগ্রেস।

    ইন্ডি জোটে রয়েছে ডিএমকে

    এই কংগ্রেস আবার বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত ইন্ডি জোটের প্রধান স্তম্ভ। এই জোটে রয়েছে ডিএমকেও। প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপির জয়ে গায়ে ফোস্কা পড়ার জোগাড় ডিএমকের। আজ, মঙ্গলবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ডিএমকে সাংসদ সেন্থিলকুমার এস বলেন, “মূলত হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলিতে নির্বাচনে জেতে বিজেপি। যে রাজ্যগুলিকে আমরা গোমূত্র রাজ্য (Gaumutra States Row) হিসেবে বিবেচনা করি। তোমরা কোনওদিন দক্ষিণে আসতে পারবে না। ওখানে আমরা খুব শক্তিশালী।” তিনি বলেন, “আপনারা যদি ওই সব রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে চান, তবে আমরা অবাক হব না। একমাত্র এই উপায়ে রাজ্যগুলির ওপর প্রভাব খাটাতে পারবেন আপনারা। কারণ ওই রাজ্যগুলিতে সরাসরি ক্ষমতা দখলের স্বপ্নপূরণ হবে না আপনাদের।”

    কী বলছে বিজেপি?

    ডিএমকে সাংসদের এহেন মন্তব্যে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষি লেখি বলেন, “এটা সনাতন ধর্মের বড়সড় অপমান। যাঁরা দেশের মানুষের ভাবাবেগের সঙ্গে ছেলেখেলা করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে যোগ্য জবাব দেবেন সাধারণ মানুষ।” পদ্ম সাংসদ অন্নপূর্ণা দেবী বলেন, “বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তায় কষ্ট হচ্ছে বিরোধীদের। তাই বিকৃত মন্তব্য করা হচ্ছে।” এর আগেও একাধিকবার সনাতন ধর্মকে আক্রমণ শানিয়েছে ডিএমকে।

    সেপ্টেম্বর মাসেই স্ট্যালিন মন্ত্রিসভার সদস্য তথা জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা উদয়নিধি চেন্নাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, “সনাতন ধর্মের আদর্শকে মুছে ফেলার এই অনুষ্ঠানে আমায় আমন্ত্রণ জানানোয় উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানাই। সনাতন ধর্মের আদর্শের বিরোধিতা না বলে তাকে নিশ্চিহ্ন করার কথা বলায় অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানাই।” তিনি বলেন, “আমাদের প্রথম কাজ হল বিরোধিতা নয়, সনাতন ধর্মের আদর্শকে মুছে ফেলা। এই সনাতন প্রথা সামাজিক ন্যায় ও সাম্যের বিরোধী। করোনা, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গির যেমন বিরোধিতা নয়, তাদের নিশ্চিহ্ন করা প্রয়োজন, তেমনই সনাতন ধর্মের আদর্শকেও মুছে ফেলা দরকার (Gaumutra States Row)।”

    আরও পড়ুুন: “হাইকোর্টে এক কথা, সুপ্রিম কোর্টে অন্যথা কেন?”, পর্ষদকে তোপ আদালতের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘যোগ্য জবাব দেওয়া প্রয়োজন’’! সনাতন ধর্ম বিতর্কে মুখ খুললেন মোদি

    Narendra Modi: ‘‘যোগ্য জবাব দেওয়া প্রয়োজন’’! সনাতন ধর্ম বিতর্কে মুখ খুললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিনের বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জি২০ সম্মেলনের আগে মন্ত্রীদের সঙ্গে এক প্রস্তুতি বৈঠকে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, এই ধরনের মন্তব্যের ‘যোগ্য জবাব দেওয়া প্রয়োজন।’ এছাড়াও ভারত বনাম ইন্ডিয়া ইস্যুতেও মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    উদয়নিধির বিতর্কিত মন্তব্য

    উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার সঙ্গে তুলনা করে এই ধর্মের বিলোপ চেয়েছেন ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন। গত সপ্তাহের শেষের দিকে ডিএমকে নেতা বলেছিলেন, ‘সনাতন (ধর্ম) হল ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির মতো। তাই এটিকে শুধু বিরোধিতা করাই নয়, এটিকে পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে।’ উদয়নিধির সেই মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। বিজেপি তরফে নাগাড়ে আক্রমণ শুরু হয় ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে। পদ্ম শিবির থেকে দাবি করা হয়, তিনি যে মন্তব্য করেছেন তা ‘গণহত্যার ডাক দেওয়ার’ সামিল। যদিও বিজেপির সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন উদয়নিধি। তিনি নিজের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চাইতে নারাজ। 

    ইন্ডিয়া-ভারত ইস্যুতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    অন্যদিকে, ‘ইন্ডিয়া বনাম ভারত’ বিতর্কে বুধবার বিরোধীদের মোকাবিলার দিশানির্দেশ দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই বিষয়ে মন্ত্রিদের কথা বলার দরকার নেই, এই ইস্যুতে সবার কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত, অনুমোদিতরাই এই বিষয়ে মন্তব্য করুন। তাঁর পরামর্শ, ‘এই সব বিষয় নিয়ে ইতিহাস ঘাঁটার দরকার নেই, সংবিধান মেনে বাস্তবিক দিকটি তুলে ধরুন। ইস্যুটির সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলুন।’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    অস্বস্তিতে ‘ইন্ডিজোট

    প্রসঙ্গত, উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্যে গোটা দেশ তোলপাড়। জাতীয় রাজনীতিতে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিজেপির বহু নেতাই বিপক্ষের ‘ইন্ডি’ জোটের দিকে আঙুল তুলেছেন। উদয়নিধির এমন বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে বেশ অস্বস্তিতে ‘ইন্ডি’ জোটের অন্যান্য দলগুলিও। এই বিষয়টি নিয়ে শিবসেনার উদ্ধবপক্ষ সমেত ‘ইন্ডি’ জোটের একাধিক দল নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। দেশজুড়ে তোলপাড়ের মাঝেই উদয়নিধি স্ট্যালিনের শিরোচ্ছেদের নিদান দেন অযোধ্যার মহন্ত পরমহংস আচার্য। তাঁর কথায়, ‘আমি ওঁকে বলব, আগে সনাতন ধর্মের ইতিহাস পড়ে আসুন। তারপর এই নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করবেন। সনাতন ধর্ম নিয়ে উনি যা যা বলেছেন, তার জন্য অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে। নচেৎ উনি কঠোর শাস্তি পাবেন।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ইডির হাতে গ্রেফতার তামিলনাড়ুর মন্ত্রী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অ্যাম্বুলেন্সেই

    ED: ইডির হাতে গ্রেফতার তামিলনাড়ুর মন্ত্রী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অ্যাম্বুলেন্সেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার তামিলনাড়ুর বিদ্যুৎমন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি। বুধবার সকালেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ‘বুকে ব্যথা’ হচ্ছে দাবি করায় পরীক্ষার জন্য তাঁকে ভর্তি করা হয় একটি সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে। অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন ডিএমকের এই নেতা। হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ডিএমকের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে চলতে থাকে স্লোগান দেওয়াও। বালাজির আইনজীবী তথা ডিএমকে নেতা এনআর এলনাগো বলেন, “যখন সেন্থিল বালাজিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, মনে হয় না তখন তাঁর জ্ঞান ছিল। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং সংবিধান বিরোধী। আমরা আইনি লড়াই লড়ব।” ইডি (ED) সূত্রে খবর, এদিনই বালাজিকে তোলা হবে বিশেষ আদালাতে। সেখানে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে চাইবে ইডি।

    টাকার বিনিময়ে চাকরির অভিযোগ

    টাকার বিনিময়ে চাকরির একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ও ইডিকে তদন্তের অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তার জেরে মঙ্গলবার দিনভর তামিলনাড়ুর সচিবালয়, বালাজির দফতর এবং কারুরে তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালায় ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এর আগে বালাজির বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরাও।

    ‘অত্যাচারের চিহ্ন’

    রাজ্যের মন্ত্রী ডিএমকের পিকে শেখর বাবুর দাবি, বালাজির ওপর অত্যাচারের চিহ্ন (ED) দেখতে পেয়েছেন তিনি। শেখর বলেন, “ওঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় আনা হয়েছিল। এমনকি ওঁর নাম ধরে ডাকা হলেও, সাড়া মিলছিল না। আপাতত তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। ওঁর কানে কোনও সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, ওঁর ইসিজি রিপোর্টও ভাল নয়। এগুলিই তো অত্যাচারের চিহ্ন।”

    রাজ্যের মন্ত্রী ডিএমকের উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, “সেন্থিল বালাজির চিকিৎসা চলছে। এই বিষয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ করব। আমরা বিজেপির চোখ রাঙানির রাজনীতিকে ভয় পাই না।”

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ফের মণীশ জৈনকে তলব সিবিআই-এর

    এদিকে, বালাজির গ্রেফতারির (ED) পরেই দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। তাঁর বাসভবনেই হবে বৈঠক। স্ট্যালিনের দাবি, ইডির এই হানা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত। বালাজির বাড়িতে ইডির রেইডের ঘটনায় বিজেপিকে নিশানা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির বিরুদ্ধে এজেন্সি রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Amit Shah: নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান, অন্ধকারে ডুবে চেন্নাই, চাপানউতোর

    Amit Shah: নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান, অন্ধকারে ডুবে চেন্নাই, চাপানউতোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাত ৯.২০। চেন্নাই (Chennai)  বিমানবন্দরে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নিকষ কালো অন্ধকারে তখন ডুবে বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা। শহরের বিস্তীর্ণ এলাকাও তখন অন্ধকারে ডুবে। তমশার বুক চিরেই শহরের উদ্দেশে ছুটল শাহের কনভয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকের সঙ্গে চাপানউতোর বিজেপির।

    বিজেপির অভিযোগ

    পদ্ম নেতৃত্বের অভিযোগ, শাহের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ ছিল। ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। তামিলনাড়ুর বিজেপির সহ সভাপতি কারু নাগারাজন বলেন, “একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আমাদের দলের নেতা বিমানবন্দরে নামার সময় কীভাবে বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে? এর তদন্ত হওয়া উচিত।”

    ডিএমকের দাবি

    বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ডিএমকের দাবি, তীব্র (Amit Shah) গরমের কারণে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পাওয়ার গ্রিডগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে কোনও অভিসন্ধি বা চক্রান্ত ছিল না বলেই দাবি শাসক দলের। ডিএমকের মুখপাত্র টিকেএস এলানগোভান বলেন, “অন্যান্য সময়ের তুলনায় এখন বিদ্যুতের চাহিদা বেশি। তাই মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বিজেপি চাইলে এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিতে পারে। এটা নিয়ে ওরা অহেতুক রাজনীতি করছে।”

    আরও পড়ুুন: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    তামিলনাড়ুর বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন রয়েছে, তা পাওয়ার গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে (Amit Shah) যাওয়ায়ই এই ঘটনা। কেবল বিমানবন্দরই নয়, পোরুর, সেন্ট থমাস মাউন্ট, পুনামাল্লের মতো এলাকাও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে আজ সর্বদল বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে আজ সর্বদল বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে (Sri Lanka Crisis) সর্বদলীয় বৈঠকে (All-Party Meeting) ডাক দিল কেন্দ্রীয় সরকার। আজ, মঙ্গলবার, হতে চলেছে সেই বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। 

    অর্থনৈতিক মন্দায় ডুবে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কায় বসবাসকারী তামিলদের স্বার্থে শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে ভারতের হস্তক্ষেপের দাবি করেছে তামিলনাড়ুর প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ডিএমকে (DMK) এবং এআইএডিএমকে (AIADMK)।

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?  

    সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে এক বৈঠকে, ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে সরকারের সামনে শ্রীলঙ্কা প্রসঙ্গ তুলেছিল। সেখানে বসবাসকারী তামিল জনজাতির পরিস্থিতির উন্নতিতে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে। ডিএমকে নেতা টিআর বালু এবং এআইএডিএমকে নেতা এম থাম্বিদুরাই তাঁদের দাবি সংবাদমাধ্যমকেও জানান।

    আরও পড়ুন: মালদ্বীপ ছেড়ে সিঙ্গাপুর পালালেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া, মেলেনি আশ্রয়, যাবেন কোথায়?       

    এর আগেই দ্বীপ রাষ্ট্রের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ভারত। শ্রীলঙ্কার পড়ন্ত অর্থনীতির কথা মাথায় রেখেই ইতিমধ্যেই সে দেশকে ৩৮০ কোটি  মার্কিন ডলার দিয়ে সাহায্য করেছে মোদি সরকার। এছাড়াও জ্বালানি, খাবার, জামাকাপড়ের মতো ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয়েছে।    

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এ বিষয়ে বলেন, “কোনও দেশের উন্নতি, শান্তি বজায় রাখতে, সবার আগে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা প্রয়োজন। আমরা শ্রীলঙ্কার গণতন্ত্র বজায় রাখার লড়াইয়ে তাদের পাশে আছি।”  

    তিনি আরও বলেন, “আমরা শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে খুব সুক্ষ্মতার সঙ্গে নজর রাখছি। আমাদের শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সুসম্পর্ক ইতিহাস প্রাচীন। আমরা তা বজায় রাখব। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়, আমরা এখন সেটাই দেখছি।”

    শ্রীলঙ্কার আন্দোলন রবিবার শততম দিন পার করেছে। কিন্তু অবস্থার কোনও রকম উন্নতি হয়নি। গত সপ্তাহে বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের দখল নেয়। তারপরেই প্রাণ ভয়ে দেশ ছেড়ে মালদ্বীপ পালান রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষ। সেখান থেকে সিঙ্গাপুর পৌঁছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এই মুহূর্তে দেশের পরিস্থিতি সামলাতে কার্যকরী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে।  এই আর্থিক সংকটের জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। আর্থিক মন্দার কারণে গত বছর থেকে দ্বীপ রাষ্ট্রের ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ খাবার, জ্বালানি ও ওষুধের সংকটে ভুগছেন।   

        

  • Palanquin ritual: পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    Palanquin ritual: পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ধর্মীয় আচারে লাগল রাজনীতির রং!

    মঠাধীশকে পালকিতে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথায় ইতি টানল একটি সরকারি নির্দেশিকা। যার জেরে তপ্ত হয়েছে তামিলনাডুর রাজনৈতিক আবহ। শাসক দলের সঙ্গে তুমুল অশান্তি বিরোধী দলগুলির।

    ফি বছর মঠাধ্যক্ষকে পালকিতে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। তামিলনাড়ুতে এই প্রথা পত্তিনম প্রবেশম নামে খ্যাত। প্রতি বছর মাইলাদুথুরাই জেলায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ধর্মপূরম অধিনাম নামের একটি মঠ কর্তৃপক্ষ। শৈবদের অন্যতম প্রধান তীর্থক্ষেত্র এটি। চলতি বছরে এই ধর্মীয় আচার পালনেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। অশান্তির সূত্রপাত তা নিয়েই।

    ২২ মে এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। প্রথা অনুযায়ী, মঠাধ্যক্ষকে রূপোর সিংহাসনে বসিয়ে নগর পরিভ্রমণ করা হয়। প্রশাসনের যুক্ত, ধর্মপূরম মঠের এই প্রথা মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা এই প্রথা চলতে দেওয়া যায় না। প্রথা পালন করতে গিয়ে হতে পারে আইন-শৃঙ্খলার অবনতিও। সেটাও প্রথা রদের একটা কারণ বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।

    প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এম কে স্ট্যালিন সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায়ই সরব হয়েছে বিরোধীরা। যার জেরে রাজ্যের মন্ত্রী পি কে সেকর বাবু বলেন, মঠাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। এতেও অবশ্য প্রশমিত হয়নি বিরোধীদের ক্ষোভ।

    ডিএমকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হলে তিনি নিজেই মঠাধ্যক্ষের পালকি বহন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ধর্মপূরম মঠের পাশে দাঁড়িয়েছে মাদুরাই অধিনাম নামের একটি মঠ কর্তৃপক্ষও। এই মঠের মঠাধীশ বলেন, প্রাচীন এই মঠের ধর্মীয় প্রথাকে সম্মান জানানো উচিত। এর বিরোধিতা করা ঠিক হবে না। চলতি বছরেও যাতে অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পালিত হয়, সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।  

     

  • Pattina Pravesam: পিছু হঠল ডিএমকে সরকার, তামিলনাড়ুতে ছাড়পত্র মিলল ‘পত্তিনম প্রবেশম’-এ

    Pattina Pravesam: পিছু হঠল ডিএমকে সরকার, তামিলনাড়ুতে ছাড়পত্র মিলল ‘পত্তিনম প্রবেশম’-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: : বিরোধীদের দাবির জেরে পিছু হঠল সরকার! তামিলনাড়ুতে (tamilnadu) অনুমতি দেওয়া হল পত্তিনা প্রবেশম (Pattina Pravesam) প্রথা পালনে। সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় খুশি তামিলনাড়ুবাসী।  

    বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় মঠাধীশকে রূপোর সিংহাসনে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। বিভিন্ন মঠ কর্তৃপক্ষ আলাদা আলাদা দিনে এই প্রথা (Palanquin Ritual) পালন করে। কয়েক যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথায় এবার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ডিএমকে-র নেতৃত্বাধীন তামিলনাডু় সরকার।

    ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। মাইলাদুথুরাই জেলায় এই উৎসবের আয়োজন করতে উদ্যোগী হয় ধর্মপূরণ অধিনাম (Dharmapuram Adheenam) নামের একটি মঠের ভক্তরা। ২২ মে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। অনুষ্ঠানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিতে গেলেই বিপত্তি বাঁধে। যুগ যুগ ধরে চলে আসায় এই প্রথায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এই প্রথা। তাই চলতে দেওয়া যায় না। শৈবদের অন্যতম প্রধান উৎসবের আয়োজনে প্রশাসন জল ঢেলে দেওয়ায় খেপে যান ভক্তরা। এম কে স্ট্যালিন (M K stalin) সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি সহ বিরোধীরা। যার জেরে রাজ্যের মন্ত্রী পি কে সেকর বাবু বলেন, মঠাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতেও অবশ্য শান্ত করা যায়নি বিরোধীদের।

    মঠাধ্যক্ষদের তীব্র আপত্তি ও বিরোধীদের প্রবল চাপ এই জোড়াফলায় জেরবার স্ট্যালিন সরকার। শেষমেশ রবিবার রাতে সরকার ঘোষণা করে প্রথা পালনে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল স্থানীয় সরকার, তা তুলে নেওয়া হল। সরকারি এই নির্দেশে খুশির হাওয়া বিরোধী মহলে।

    আরও পড়ুন : পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথা এবারও পালন করা যাবে। যেহেতু ভক্তরা স্বেচ্ছায় পালকি বহন করেন, তাই এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনও বিষয় নেই। তাই প্রথা পালনে কোনও অসুবিধাও নেই।

    প্রসঙ্গত, বিরোধী দল বিজেপিও এই যুক্তিই দেখিয়েছিল। তার পরেও সরকার ওই অনুষ্ঠানে নিষাধাজ্ঞা তোলেনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শেষমেশ বিরোধীদের সম্মিলিত চাপের কাছেই নতিস্বীকার করল সরকার। সরকারি সিদ্ধান্তে দৃশ্যতই খুশি তামিলনাড়ুর তাবৎ ভক্তকুল।

     

LinkedIn
Share