Tag: Doctors

Doctors

  • Doctors Protests: মানববন্ধনে মন্ত্রীর গাড়ি, সুজিতের গাড়িতে চড়থাপ্পড় উত্তেজিত জনতার

    Doctors Protests: মানববন্ধনে মন্ত্রীর গাড়ি, সুজিতের গাড়িতে চড়থাপ্পড় উত্তেজিত জনতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র চিকিৎসকদের (Doctors Protests) মানববন্ধন চলছিল। সেই সময় পুজো কার্নিভাল শেষে গাড়িতে করে ফিরছিলেন (Sujit Bose) রাজ্যের মন্ত্রী তথা শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের কর্তা সুজিত বসু। সুজিতকে গাড়িতে দেখেই ক্ষোভ উগরে দেয় মানববন্ধনে দাঁড়ানো জনতা। কয়েকশো লোক মন্ত্রীর গাড়ির দিকে তেড়ে যায়। ঘটনার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ধর্মতলার মোড়ে।

    মন্ত্রীর গাড়িতে চড়থাপ্পড় (Doctors Protests)

    মন্ত্রীর গাড়ি অবশ্য থামেনি। সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউ ধরে এগিয়ে যেতে থাকে সুজিতের গাড়ি। চলন্ত গাড়িতেই চড়থাপ্পড় মারতে থাকে উত্তেজিত জনতা। সুজিতের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতে বোতলও ছোড়া হয়েছে। মন্ত্রী চলে যাওয়ার খানিকক্ষণ বাদে সেখানে আসেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। সেখানে তাঁকে ঘিরে ধরেও বিক্ষোভ দেখায় মানববন্ধনে অংশ নেওয়া জনতা। তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগানও দেয় জনতা। আন্দোলনকারীদের (Doctors Protests) দাবি, মানববন্ধন হচ্ছে দেখেও, মানুষের প্রায় ঘাড়ের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছিল সুজিতের গাড়ি। এক আন্দোলনকারী বলেন, “মন্ত্রী বলে কি মানুষকে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে দেবেন!ওঁর গাড়ি যেভাবে গিয়েছে, তাতে এক সুতোর এ দিক- ওদিক হলেই আমার পা পিষে যেত।”

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডে ধৃত সিভিক ছাড়া আর কে কে জড়িত? তদন্ত চলছে, শীর্ষ আদালতে জানালো সিবিআই

    পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

    আরজি করকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবি-সহ একাধিক দাবিতে মঙ্গলবার মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়। জুনিয়র, সিনিয়র চিকিৎসকদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষও যোগ দেন এই মানববন্ধনে। জনতার এই ঢলে আচমকাই ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকটা গাড়ি। গাড়িতে ছিলেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বচসা বেঁধে যায় তাঁদের। তাঁদের দাবি, মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিঘ্ন ঘটাতেই ইচ্ছে করে এমনটা করা হয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এদিনের মানববন্ধনে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। প্রায় সকলেরই হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড। মুখে স্লোগান, ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’। এদিকে, ‘দ্রোহের কার্নিভালে’ এসেছেন অভিনেত্রী (Sujit Bose) অপর্ণা সেন, চৈতি ঘোষাল, উষসী চক্রবর্তী প্রমুখরাও (Doctors Protests)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাঁটা রাত সাড়ে আটটা ছুঁতেই শুরু হয়ে গেল জুনিয়র (Doctor’s Protest) ডাক্তারদের অনশন (Hunger Strike)। শুক্রবারই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবি পূরণ না হলে শনিবার রাত্রি সাড়ে ৮টা থেকে অনশনে বসবেন তাঁরা। সেই মতো এদিন রাত সাড়ে আটটায় সাংবাদিক বৈঠক করে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিলেন, অনশনে বসছেন ৬ জন জুনিয়র ডাক্তার।

    কী বললেন অনশনকারীরা (Doctor’s Protest)

    তাঁরা বলেন, “এই মুহূর্ত থেকে আমরণ অনশনে বসতে চলেছি। তবে কাজে ফিরছি। অবশ্য খাবার খাব না।” এদিন প্রথম দফায় যে ছ’জন অনশনে বসেছেন, তাঁরা হলেন অর্ণব মুখোপাধ্যায়, এসএসকেএম, নেফরো বিভাগ, পিডিটি, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজি, প্রথম বর্ষ, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, প্যাথলজি, পিজিটি, কেপিসি কলেজ, পুলস্ত্য আচার্য, প্রথম বর্ষ, অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ, এনআরএস, তনয়া পাঁজা, এসআর, ইএনটি, এমসিকে এবং স্নিগ্ধ হাজরা, রেডিও থেরাপি এসআর, এমসিকে। যাঁরা অনশনে শামিল হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কোনও জুনিয়র ডাক্তার নেই বলেই জানান আন্দোলনকারীরা।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা

    তাঁরা বলেন, “দাবি পূরণ না হলে বা মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁরা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী। তবে তাঁদের কিছু হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। আজ যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কেউ নেই।” অনশনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। মঞ্চে কী হচ্ছে, তা সবাই দেখতে পাবেন বলেই এই ব্যবস্থা। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা তো বারবার (Doctor’s Protest) রাজ্য সরকারের কাছে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছি। অনশনের প্রশ্নেও স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলব। অনশন মঞ্চে সিসিটিভি বসাবো। সবাই দেখতে পাবেন অনশন মঞ্চ কী হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    তাঁরা বলেন, “আমাদের আশা এরপর যখন আমরা খাবার মুখে তুলব, তখন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষ ভয়ের রাজনীতি নিয়ে সোচ্চার হবেন। জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ মৌলিক প্রশ্ন করবেন। হাসপাতালে যখন কোনও রোগী বেড পান না, তার জন্য আসলে দায়ী কারা? আমরা আশা (Hunger Strike) রাখব, এই প্রশ্নগুলি মানুষ পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে দেবেন (Doctor’s Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য।” ১ অক্টোবর ডাক্তারদের মিছিলে অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে কেউ যদি যেচে (Mamata Banerjee) চড় খেতে চায়, তো খাবে। সুপ্রিম কোর্ট তো আগেই বলে দিয়েছিল, ডাক্তারদের কেন, যে কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বাধা দিতে পারবে না সরকার।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    তিনি বলেন, “এর আগে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানও আটকাতে গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা শোনেইনি। ডিভিশন বেঞ্চও তো তা গ্রাহ্য করেনি। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকার এসব করতে যায়। যদি লেগে যায়। ফাটকা খেলতে যায় আর কি!” তৃণমূল সুপ্রিমোকেও নিশানা করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “আরজি কর, সাগর দত্ত, তারপর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারদের ওপর নিগ্রহ হয়েছে। সব সমস্যার মূলে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “ওঁকে প্রাক্তন করা না হলে, কোনও সমস্যা মিটবে না। কারণ পুলিশের যে কাজ করার কথা, সেটা তারা করে না। পুলিশ দলের কাজ করে, টাকা তোলে।”

    মিছিলের ডাক চিকিৎসকদের

    আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে আজ, ১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় মিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসকদের ৫৫টি সংগঠন। উদ্যোক্তা জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স। মিছিল হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। মিছিলের জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও, পুলিশ তা দেয়নি। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উদ্যোক্তারা।

    আরও পড়ুন: মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক! নজরে দুই মহিলা, পানিহাটিসহ রাজ্যের সাত জায়গায় এনআইএ হানা

    শর্ত সাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত। আদালতের শর্ত হল, নির্দিষ্ট রুটেই মিছিল হবে। নামাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরেই আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন (Mamata Banerjee)।” আদালতের এহেন মন্তব্য প্রসঙ্গেই ‘যেচে চড়’ খাওয়ার উপমা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

       

  • Calcutta High Court: মঙ্গলেই মিছিল ডাক্তারদের, রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মঙ্গলেই মিছিল ডাক্তারদের, রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের। আবারও কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ভর্ৎসিত হল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। সোমবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যকে বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন।” পরে অবশ্য তিনি শর্তসাপেক্ষে মিছিলের (Doctors Rally) অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের শর্ত হল, নির্দিষ্ট রুটেই মিছিল হবে। নামাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও।

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা আদালতের

    আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে ১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্রসদন পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসকদের বেশ কয়েকটি সংগঠন। পুলিশের অনুমতি না মেলায় উদ্যোক্তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানেই মেলে মিছিলের অনুমতি। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন। তাহলে কোনও আন্দোলন, মিটিং-মিছিল হবে না। দুর্গাপুজো হবে না। অথচ এই শহরে আমি ৪০-৫০ বছরের কাটানো জীবনে দেখেছি, মিটিং-মিছিল হয়। পুলিশ তা নিজের মতো করে সামালও দেয়।”

    মিছিলের অনুমতি দিল আদালত

    তিনি বলেন (Calcutta High Court), “কোনও মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়ে মিছিলে হাঁটলে তাঁকে কে নিষেধ করবে? পুলিশ নাকি ডাক্তাররা? নাকি বাইরের লোক ঢুকেছে দেখে ডাক্তাররা মিছিল বন্ধ করে দেবেন? বাস্তবটা দেখার চেষ্টা করুন।” বিচারপতি বলেন, “শহরের মানুষ যদি পথে নেমে আসে, তখন কি পুলিশ বলতে পারে রাস্তায় যানজট হয়ে গিয়েছে, আপনারা বন্ধ করুন?” তিনি মনে করিয়ে দেন, “সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের কাজ।” এর পরেই শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ অক্টোবর মিছিল হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। পথে নামবে ৫৫টি সংগঠন। চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। পুলিশের অনুমতি না মেলায় সৃষ্টি হয়েছিল জটিলতা। আদালতের হস্তক্ষেপে (Doctors Rally) শেষমেশ কাটে জট (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Medical: আরজি কর কাণ্ডে দেশজুড়ে প্রতিবাদ চিকিৎসকদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি

    RG Kar Medical: আরজি কর কাণ্ডে দেশজুড়ে প্রতিবাদ চিকিৎসকদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Medical) কতর্ব্যরত ডাক্তারি পড়ুয়াকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশের চিকিৎসক সংগঠন (Doctors Organization)। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে অবিলম্বে সারা দেশের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা আইন লাগু করার দাবি জানিয়েছিল ন্যাশনাল মেডিক্য়াল অর্গানাইজেশন। ঘটনার (RG Kar Medical) প্রতিবাদে সোমবার থেকে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিল ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার দেশের হাসপাতালগুলিতে একাধিক পরিষেবা বন্ধ রেখেছে এই সংগঠন। জানানো হয়েছে, ‘ইলেক্টিভ সার্ভিস’ অর্থাৎ জরুরি নয় এমন অস্ত্রোপচার-সহ বিভিন্ন পরিষেবা, বন্ধ রাখা হয়েছে।

    কোথায় নিরাপত্তা

    ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের চিকিৎসকদের (Doctors Organization) মতে, দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের চেয়েও এই ঘটনা নৃশংস। তাঁদের কথায়, আরজি করে (RG Kar Medical) যা ঘটল, তারপরে তো চিকিৎসকদের কাছে তাঁদের কর্মস্থলও নিরাপদ নয়। আরজি করের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন চণ্ডীগড়ের চিকিৎসকরা। সারা দেশের চিকিৎসক সংগঠনগুলির অভিযোগ, এ ঘটনা রাতারাতি ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তায় গলদ ছিল।

    চিকিৎসক সংগঠনের দাবি

    নির্বাচিত পরিষেবা, যা জরুরি নয় এবং অগ্রাধিকারমূলক চিকিৎসার আওতায় পড়ে না, সেগুলি এই ধর্মঘটের অংশ হিসাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। এই ধর্মঘটের নেতৃত্ব দিচ্ছে ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (FORDA), যারা সোমবার থেকে সারা দেশে নির্বাচিত পরিষেবা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রককে জানিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায়বিচারের আর্জি জানানো হয়েছে।

    সংগঠনের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দেওয়া চিঠিতে পাঁচটি মূল দাবি জানানো হয়েছে— চিকিৎসকদের দাবিগুলি গ্রহণ, দায়িত্বশীল সমস্ত কর্তৃপক্ষের পদত্যাগ (যার মধ্যে আছেন প্রিন্সিপাল, ডিন, পালমোনারি মেডিসিনের প্রধান, এবং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (RG Kar Medical) পুলিশ আউটপোস্টের এএসপি), পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, মৃত চিকিৎসকের জন্য দ্রুত ন্যায়বিচার, এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা প্রোটোকল প্রবর্তন। এছাড়াও, একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

    দিল্লিতে অন্তত ১০টি সরকারি হাসপাতাল, যার মধ্যে রয়েছে আরএমএল হাসপাতাল, সাফদারজং হাসপাতাল এবং মৌলানা আজাদ মেডিক্যাল কলেজ, এই ধর্মঘটে যোগ দিয়েছে এবং সমস্ত বহির্বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার এবং ওয়ার্ড পরিষেবা স্থগিত রেখেছে। তবে জরুরি পরিষেবা অব্যাহত রয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে, মহারাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস (BMC MARD) ১৩ অগাস্ট মঙ্গলবার থেকে নির্বাচিত পরিষেবা স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছে। কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Medical) চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে চণ্ডীগড় এবং লখনউ সহ অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    এ রাজ্যেও বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করেন চিকিৎসকরা। কল্যাণী এইমস থেকে শুরু করে কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রবল প্রতিবাদে সামিল হন জুনিয়র ডাক্তাররা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET-UG Paper Leak: নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রভাব কতটা? প্রমাণ মিললে তবেই রি-টেস্ট, জানাল শীর্ষ আদালত

    NEET-UG Paper Leak: নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রভাব কতটা? প্রমাণ মিললে তবেই রি-টেস্ট, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে সংবাদ শিরোনামে রয়েছে নিটের প্রশ্ন ফাঁস (NEET-UG Paper Leak) দুর্নীতি। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্ট করে দিলেন যে, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কারণে ব্যাপক পরিসরে প্রভাব পড়েছে বলে যদি কোনও পোক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়, একমাত্র সে ক্ষেত্রেই পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

    নিটকাণ্ডে সুপ্রিম রায় (Supreme Court) 

    ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস (NEET-UG Paper Leak) বিতর্কে পুনরায় পরীক্ষার দাবিতে ৪০টিরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল শীর্ষ আদালতে। যদিও প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি এনটিএ অস্বীকার করেছে ইতিমধ্যেই। তাঁদের দাবি, কোথাও কোনও প্রশ্নপত্র চুরি হয়নি। যদিও সিবিআই তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর ইতিমধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে একাধিকজনকে গ্রেফতার করেছে। সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে এক ইঞ্জিনিয়ারকেও। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সি শীর্ষ আদালতে দাবি করেছিল, প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও তা স্থানীয় এলাকাতেই ফাঁস হয়েছে। বড় পরিসরে ফাঁস হয়নি। আর সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কার্যত এই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিয়েছে। 
    এ প্রসঙ্গে এদিন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, “শুধুমাত্র ২৩ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ পরীক্ষার্থী ভর্তি হবেন, এই কারণে আমরা পুনরায় পরীক্ষার (NEET-UG Paper Leak) নির্দেশ দিতে পারি না। পুনরায় পরীক্ষা যদি নিতে হয়, তবে তার জন্য পোক্ত প্রমাণ থাকতে হবে যে, গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থাতেই এর প্রভাব পড়েছে।”

    আরও পড়ুন: ফের ভূস্বর্গে গুলির লড়াই! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডায় আহত দুই সেনা

    নিটকাণ্ডে পটনার তিন চিকিৎসক আটক 

    অন্যদিকে নিটের প্রশ্ন ফাঁসের (NEET-UG Paper Leak) তদন্তে নেমে বৃহস্পতিবার ভোরে পটনা এমস হাসপাতালের তিন জন চিকিৎসককে আটক করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, তিন জনেই ২০২১ সালে চিকিৎসক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পটনা এমসে এই তিন জনের ঘর সিল করে দিয়েছে সিবিআই। তাঁদের ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Physicians: চিকিৎসকদের মধ্যে বাড়ছে কোন রোগ? কেন হঠাৎ মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা?

    Physicians: চিকিৎসকদের মধ্যে বাড়ছে কোন রোগ? কেন হঠাৎ মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সামান্য জ্বর থেকে জটিল রোগ, যে কোনও সমস্যাতেই চিকিৎসকই (Physicians) ভরসা। রোগ নিরাময়ের ‘জাদুকাঠি’ তাঁদের হাতেই‌। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, রোগ নিরাময়ের কারিগরেরা নিজেরাই ভালো নেই। অধিকাংশ সময়ে নিজেদের অসুখকেই তাঁরা অবহেলা করছেন। আর তার জেরে অকালে ঘটছে মারাত্মক বিপদ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পেশাগত চাপ সামলেও স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা জরুরি। চিকিৎসক বলেই সব কিছু সামলে নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না। নিজের সুস্থতার দিকে নজরদারিও জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট? (Physicians)

    সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকিৎসকদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে‌। পাশপাশি গত কয়েক বছরে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে চিকিৎসকদের আত্মহত্যার ঘটনা। এই দুই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দেশ জুড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনা প্রায় দেড়গুণ বেড়েছে। আত্মহত্যার ঘটনা বেড়েছে দ্বিগুণ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা বেশি হচ্ছে চল্লিশোর্ধ চিকিৎসকদের মধ্যে। আবার আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে তরুণ চিকিৎসকদের (Medical Practitioner) মধ্যে‌‌। পুরো বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন বাড়ছে এই সমস্যা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিকিৎসকদের (Physicians) শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের এই অবস্থার জন্য মূলত দুটি বিষয় রয়েছে। এক, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অনিদ্রা এবং অত্যধিক মানসিক চাপ।চিকিৎসক মহল জানাচ্ছেন, সার্জারি, অ্যানাস্থেশিয়া, পেডিয়াট্রিক সার্জারির মতো চিকিৎসা বিজ্ঞানের শাখায় পেশাগত চাপ থাকে মারাত্মক। এই ধরনের চিকিৎসায় তরুণ প্রজন্মের চিকিৎসকেরা খুব সহজে সাফল্য পান না। তাই এক ধরনের অবসাদ কাজ করে। আবার কাজে সামান্য ভুল হলেও মারাত্মক বিপদ ঘটতে পারে। তাই আরেক রকম চাপ তৈরি হয়। সব মিলিয়ে পুরো সময়টাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব একটা ভালো হয় না‌। তাই‌ দেখা যায়, এক ধরনের অবসাদ তৈরি হয়। যা শরীর আর মন, দুইয়ের পক্ষেই ক্ষতিকারক।

    আবার সরকারি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের অনেকেই কাজের চাপে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন না। অনেকেই বছরের পর বছর বাড়ি থেকে অনেক দূরে থাকেন। এক ধরনের একাকিত্ব গ্রাস করে‌। তার উপরে থাকে রোগীর চাপ। মেডিসিন, শিশুরোগ বিভাগ কিংবা স্ত্রীরোগ বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকেরা (Physicians) অধিকাংশ সময়েই রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খান। নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার সুযোগ পান না‌। অনেক সময়েই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। দীর্ঘদিন অনিয়মিত খাওয়া আর ঘুম কম হওয়ার জেরে হৃদরোগের সমস্যা তৈরি হয়‌। আবার মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হতে থাকেন। যার প্রভাব হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতার উপরে পড়ে‌। সব মিলিয়েই বাড়ে বিপদ।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চিকিৎসকদের (Medical Practitioner) নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়মিত হওয়া জরুরি। সরকারি কিংবা বেসরকারি, যে কোনও হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পরীক্ষা আবশ্যিক হলে সহজেই সমস্যা ধরা পড়বে। অবহেলার সুযোগ কমবে‌। বড় বিপদ আটকানো সহজ হবে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবার বড় নির্দেশিকা (Health News)। কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার (jewellery) পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য কর্মীরা। নয়া নির্দেশিকা (New guidelines) পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অর্থাৎ এবার থেকে কোনও রকম অলঙ্কার পরে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকরা (Doctors)। এমনকি ব্যবহার করা যাবেনা মোবাইল, পরা যাবে না ঘড়িও। সব কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) অধীনস্থ হাসপাতালের সুপার ও ডিরেক্টরকে এমনই নির্দেশিকা পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    ঠিক কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায় (Health News)?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) তরফে যে নির্দেশিকা (Health News) দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এবার থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা (Health workers)। কারণ চুড়ি, ব্রেসলেট, আংটি, ঘড়ি, মোবাইল ফোন থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আইসিইউ (ICU), এইচডিইউ (HDU), অপারেশন থিয়েটার (OT), পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই নির্দেশ কড়া ভাবে মানতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    কী কারণে এই নির্দেশিকা?

    অনেক সময়ই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী সেরে ওঠার শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রক্তে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই এবার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ (Health News) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল অতুল গয়াল বলেছেন,”কনুইয়ের নিচে গয়না পড়লে তা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করায় তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।”

    এর পাশাপাশি গোয়েল জানিয়েছেন যে, এর আগে অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ডাক্তারের অবহেলার কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের (patient) গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই সেই সব ঘটনা পর্যালোচনা করেই এবার এমন সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। উল্লেখ্য করোনার ফার্স্ট ওয়েভেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, হাতের চুড়ি, আংটি, ঘড়ি, ইত্যাদির মাধ্যমেও সংক্রমণ (infections) হতে পারে করোনা ভাইরাসের। তখন সংক্রমণ এড়াতে এসব অলঙ্কারের ব্যবহার কমিয়েছিলেন মানুষ। কিন্তু সংক্রমণ তো নানা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার হতে পারে। তাই এবার সচেতনতা বাড়াতে এই নির্দেশিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    Diploma Doctors: ডিপ্লোমা ডাক্তার নয়! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সায় নেই রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটিরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার (Diploma Doctors) নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থার সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। এমনই মত রাজ্যের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটির। তিন বছরের প্রশিক্ষণে ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরি করা যায় কি না, তা স্বাস্থ্য দফতরকে দেখতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে ১৫ জনের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার স্বাস্থ্যভবনে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেছিলেন। তারপরই সেই কমিটি জানায়, তিন বছরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সরাসরি চিকিৎসক (Diploma Doctors) হিসাবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। বরং প্রান্তিক স্তরে রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও বেশি করে পৌঁছে দিতে তৈরি করা হোক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সহায়ক।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নবান্নের এক বৈঠকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ডাক্তারিতেও ডিপ্লোমা কোর্স (Diploma in Medical) চালু করা যায় কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রস্তাবের পর স্বাস্থ্যভবনের (Swastha Bhawan) তরফে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। সব দিক খতিয়ে দেখে এক মাসের মধ্যে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা। সোমবার বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রথম বৈঠকের পর স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, ‘চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠিত হয়েছে, সেই কমিটির সঙ্গে আজ বিশদে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় অনেক বিষয় উঠে এসেছে। তাঁদের বলা হয়েছে, প্রস্তাবগুলি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার জন্য এবং পরবর্তী বৈঠকে সেগুলি নিয়ে আলোচনা হবে।’

    আরও পড়ুন: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফেরার ঘটনায় শোরগোল, বাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল

    স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, ‘ডিপ্লোমা ডাক্তারে’ (Diploma Doctors) সায় নেই কারুরই। বৈঠকের পর সব পক্ষের মত, ৩ বছরের ডিগ্রি কোর্সে ডাক্তার তৈরি করা সম্ভব নয়। ৩ বছরের কোর্সে চিকিৎসকের সহায়ক তৈরি করা যেতে পারে। তবে তাঁরা কোনও ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ নার্স, আয়ুষ চিকিৎসক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কেরা রয়েছেন। তাঁদেরই আরও উন্নত কোনও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, না কি নতুন পদ তৈরি করা হবে— তা নিয়ে এ দিন কমিটির সদস্যেরা আলোচনা করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Diploma Doctors: এবার ডিপ্লোমা চিকিৎসক, ১৫ দিনেই নার্স! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা রাজ্যে

    Diploma Doctors: এবার ডিপ্লোমা চিকিৎসক, ১৫ দিনেই নার্স! মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করেই হওয়া যাবে চিকিৎসক! ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েই নার্স! সিনিয়র নার্সদের পদোন্নতি দিয়ে করা হতে পারে ‘সেমি’ ডাক্তার! রাজ্যে চিকিৎসকদের ঘাটতি পূরণে এমনই একাধিক প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই ঘোষণায় তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। গরিব মানুষদের স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব সকলে।

    জীবন নিয়ে ছিনিমিনি

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সিভিক ভলান্টিয়ার, সিভিক টিচারের পর এবার সিভিক ডাক্তার বানাচ্ছেন। বিজেপি দাবি করছে রাজ্যকে আরও ভাল করে চালানোর জন্য সিভিক মুখ্যমন্ত্রীর পদ তৈরি করা হোক।” তিনি আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী গোটা রাজ্যকেই সিভিক বানিয়ে দিয়েছেন। খেলা মেলা আর সিভিক দিয়েই চলছে গোটা রাজ্য।” মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা তথা চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি বলেন, “এবার এই রাজ্যে ঘুরে বেড়াবে ভুয়ো চিকিৎসক। যা মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণার ফল। আর রাজ্যের তৈরি করা।” পাশাপাশি তিনি বলেন “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যের মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব

    বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে মন্ত্রী-আমলাদের সঙ্গে উৎকর্ষ বাংলা নিয়ে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন বিভিন্ন বণিক মহলের সদস্যরা। সেখানেই স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে, ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরির পরামর্শ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনে কমিটি তৈরির নির্দেশও দেন তিনি। মমতা বলেন, ‘‘লোকসংখ্যা বাড়ছে, হাসপাতাল বাড়ছে। ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করতে পারি কি না দেখব, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো।’’ সাধারণত ডাক্তারি পড়ার কোর্সের মেয়াদ ৫ বছরের। সেখানে ৩ বছরের ডিপ্লোমা কোর্সের পর চিকিৎসক তৈরি করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চিকিৎসক মহলে। সিনিয়র নার্সদের পদোন্নতি দিয়ে ‘সেমি’ ডাক্তার করার কথাও বলেছেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘‘নার্সদের সংখ্যা কম থাকার জেরে সমস্যা হচ্ছে। নার্সিং কলেজ তৈরি করা হোক আরও। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে লাগানো যেতে পারে। ১৫ দিনের প্রশিক্ষণই যথেষ্ট।’’ এর পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘যে সব নার্স সিনিয়র, যাঁদের অবসর নিতে ৫-১০ বছর বাকি রয়েছে, তাঁদের পদোন্নতি দিয়ে যদি সেমি ডাক্তার করা যায়। ডাক্তার তো করতে পারব না!’’ 

    বিজেপির সমালোচনা

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির (BJP) মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “ভাবনাস্তরেই বিষয়টা থেকে যাবে, বাস্তবায়িত করার সময় আর এই সরকার পাবে না। বঙ্গে শিক্ষার চরম অবক্ষয় ঘটেছে, মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছেন রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থায়। সবাই দক্ষিণ ভারত অভিমুখে ছুটছেন। এই ধরণের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার কথা ভেবে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে চরম রসাতলে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষের খোঁচা, “উনি চাইলেই তো এভাবে ডাক্তার বানিয়ে দিতে পারেন না, বিদেশে পড়ে এলেও এখানে পরীক্ষা দিতে হয়। উনি তো বলেছিলেন সাতদিনে নার্স বানিয়ে দেবেন, তেমনটা হলে সে আর জ্যান্ত রাখবে কাউকে?”

    আরও পড়ুন: একলাখী-বালুরঘাট স্পর্শ করল মাইলফলক, সুকান্তর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা

    বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী বলেন, ‘‘বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে ন্যূনতম পরিষেবা পায় না। এ বার কি মুখ্যমন্ত্রী নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত কায়দায় ডাক্তার, নার্স তৈরি করে রাজ্যে গরিব মানুষের জীবন বিপন্ন করে দেবেন? যাঁদের মাথায় চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে এই ধরনের ভাবনা আসে, তাঁদের মানসিক চিকিৎসার দাবি করছি।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share