Tag: dog

dog

  • Malda: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    Malda: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! রবিবার রাতে এই হাড় হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জাতীয় সড়কে। স্বাভাবিকভাবেই এ দৃশ্য দেখে শিউরে ওঠেন রোগীর আত্মীয়েরা। ঘটনাটি নজরে আসতেই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে খুলিটি। ইতিমধ্যেই ময়না-তদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে সেটি।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dog carrying human skull) 

    মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজে এরআগে একাধিক বার সদ্যোজাতের দেহাংশ কুকুরকে খুবলে খেতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মেডিক্যাল কলেজে প্রবেশের সদর দরজা লাগোয়া জাতীয় সড়কের নর্দমার উপরে কুকুরকে একটি খুলি খুবলে খেতে দেখা যায়। ঘটনাটি নজরে আসতেই রোগীর আত্মীয়দের একাংশ কুকুরটিকে তাড়া করে সরিয়ে দেন। রোগীর আত্মীয়দের দাবি, খুলিটি সদ্যোজাতের হতে পারে। তবে মেডিক্যাল কলেজ লাগোয়া এলাকায় কী ভাবে খুলিটি এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

    আরও পড়ুন: পুরুলিয়া গণনা কেন্দ্রে ঘোরফেরা করছে আই প্যাকের টিম! বিস্ফোরক জ্যোতির্ময়

    তদন্তে নামল পুলিশ 

    অন্যদিকে খুলিটি আদেও সদ্যোজাতের কি না, তা ময়না-তদন্তে স্পষ্ট হবে দাবি পুলিশের। এছাড়াও পুলিশ জানিয়েছে, খুলির অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্পষ্ট করে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেছেন, “ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” পাশাপাশি খুলি উদ্ধারের সঙ্গে মেডিক্যালের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মেডিক্যাল, সংলগ্ন এলাকায় একাধিক নার্সিংহোম রয়েছে। জাতীয় সড়কের পাশে রেল লাইনও রয়েছে। সেখানে প্রায়ই সদ্যোজাতের দেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। কুকুরে খুলি (Dog carrying human skull) সেখান থেকেও নিয়ে আসতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। এ ঘটনায় মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজের সুপার তথা সহ-অধ্যক্ষ প্রসেনজিৎ বর বলেন, “মেডিক্যাল চত্বরে খুলি উদ্ধারের ঘটনা ঘটেনি। মেডিক্যালের বাইরে হয়েছে। তবু ব্যাপারটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dog: পঞ্চায়েত অফিসে ঘরবন্দি সারমেয়, ফোন করে ডাকল উপপ্রধানকে, তারপর কী ঘটল?

    Dog: পঞ্চায়েত অফিসে ঘরবন্দি সারমেয়, ফোন করে ডাকল উপপ্রধানকে, তারপর কী ঘটল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গল্পের গরু গাছে ওঠে। কিন্তু, কখনও কোনও সারমেয়কে মোবাইলে ফোন করতে শুনেছেন। এটা গল্প মনে হলেও সত্যি। বাস্তবে এমনটাও ঘটে! ঘরের ভিতরে আটকে পড়ে শেষ পর্যন্ত ফোন করে কান্নাকাটি করে নিজেকে মুক্তির আর্জি জানাল ঘরবন্দি এক সারমেয় (Dog)। শনিবার সন্ধ্যায় এমনই এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল হুগলির গুপ্তিপাড়া- ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। বিষয়টি জানাজানি হতেই পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে তালা খুলে সারমেয়কে উদ্ধার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    এমনিতেই এই পঞ্চায়েত অফিস জুড়ে কয়েকটি সারমেয় (Dog) রাজ করে। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ হয়ে গেলে তারা আবার রাস্তায় নেমে পড়ে। তাদের রোজকার রুটিন এটাই। শনিবার সমস্ত কাজকর্ম শেষে এই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিত নাগ অফিস বন্ধ করে সাটার নামিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পঞ্চায়েত অফিস থেকে কিছুটা দূরেই তাঁর বাড়ি।  সন্ধ্যা ৬ টার কিছুটা পরেই পঞ্চায়েত অফিসের তাঁর অফিস রুমে থাকা ল্যান্ড লাইন থেকে উপপ্রধানের মোবাইলে ফোন আসে। মোবাইলে অফিসের ল্যান্ড লাইনের নম্বর দেখে তিনি চমকে ওঠেন। কারণ, ঘণ্টাখানেক আগেই নিজের ওই অফিস রুমে তালা মেরে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। তাহলে অফিস রুমে আবার কে ঢুকল, কে মোবাইল নম্বরে তাঁকে ফোন করছে, এসব কথা ভেবে তিনি খানিকক্ষণ হ্যালো হ্যালো করেন। এরপর কিছুক্ষণ চুপ থাকেন। কয়েক সেকেন্ড পর অপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসে সারমেয়র করুণ আর্তি। বিশ্বজিতবাবু পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পেরে পঞ্চায়ত অফিসে চলে আসেন। এলাকার উৎসুকরাও আসেন। খোলা হয় তালা। দেখা যায় সত্যি সত্যি একটি সারমেয় অফিসে ঢুকে বসে কাঁদছে। মুক্তি পেয়ে এক ছুটে বাইরে। আসলে বাইরে তার পরিবারের সদস্যরা তার জন্য অপেক্ষা করছে।

    সারমেয়কে উদ্ধার করার পর কী বললেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিৎ নাথ বলেন, অফিসের ল্যান্ড ফোন থেকে মোবাইলে ফোন আসায় প্রথমে চমকে উঠেছিলাম। তারপর সারমেয়র (Dog) করুণ ডাক শুনে মনে হচ্ছে, ‘আমি আটকে পড়েছি, আমায় রক্ষা করো।’ আমি ব্যাপারটা খানিকটা আন্দাজ করেই পঞ্চায়েত অফিসে যাই। আমি অফিসে গিয়ে দেখি, ফোনের রিসিভার যথাস্থানেই আছে। কিন্তু, কিভাবে এটা সম্ভব? আসল কারণটা ততক্ষণে আমি বুঝতে পারি। আমি অফিস থেকে চলে যাওয়ার সময় ল্যান্ড লাইনটা নিজের মোবাইলে ডাইভার্ট করে দিয়েছিলাম। যাতে কারও প্রয়োজনে আমাকে পাওয়া যায়। আমার ফোনে এমন একটি ব্যবস্থা করা রয়েছে, যে কেউ ল্যান্ড ফোনের রিসিভারটা তুলে কিছুক্ষণ কথা না বললে ল্যান্ড ফোনের নম্বর থেকে সরাসরি আমার মোবাইলে কল চলে আসে। আমার মনে হয়, কোনওভাবে সারমেয়র পা তারে লেগেই হোক রিসিভারটা সরে যায়। আর ওই ল্যান্ড ফোন থেকে আমার মোবাইলে কল চলে আসে। ফোন আসার পর অপরপ্রান্ত থেকে সারমেয়র কান্নার আওয়াজ পাই। এরপরই আমি এসে দেখি ফোনের রিসিভাররা ল্যান্ড লাইনে রাখা রয়েছে। সম্ভবত ওই সারমেয়টি ফোন তোলার পর আবার রিসিভারে সেটি রেখে  দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরে সাধুসন্ন্যাসী কিংবা ভক্তরা নন, সবসময় থাকে ২০ থেকে ২৫ টি কুকুর। তারাই দেয় মন্দিরের পাহারা, আবার চেয়ারে বসে আরাম করে। এমনকী ঘোরাঘুরি করে মন্দির চত্বরে  মায়াপুরের (Mayapur) এক মন্দিরে প্রবেশ করলে দেখতে পাওয়া যাবে প্রভুভক্ত এইসব কুকুরের ভিড়।

    কোন মন্দিরে প্রভুভক্ত কুকুর?

    মায়াপুরের (Mayapur) গঙ্গা তীরবর্তী শ্রী শ্রী রাধা শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন এই দৃশ্য। মায়াপুর ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের আনাগোনা লেগে থাকে। তবে মায়াপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় আরও মন্দির। সেই সমস্ত মন্দিরে কমবেশি ভক্তদের ভিড়ও লক্ষ করা যায়। তবে শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে ভক্তদের তুলনায় প্রভুভক্ত কুকুরের ভিড়ই থাকে বেশি, এমনটাই ভক্তদের মুখে শোনা যায়।

    কীভাবে মন্দিরে এল প্রভুভক্ত কুকুর

    মন্দিরের (Mayapur) সেবাইত স্বামী তৎপর মহারাজ বলেন, ভগবান সর্বত্র বিরাজমান, রাস্তার কুকুরের মধ্যেও ভগবান রয়েছেন। কর্মফল অনুযায়ী আজ এঁরা কুকুর হয়েছেন, এঁরা আগে হয়তো মুনিঋষি ছিলেন। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কুকুরকে রাস্তায় মারধর করা হয়, গাড়ি চাপা পড়ে পা ভেঙে যায় কিংবা বিভিন্নভাবে তাদেরকে উত্যক্ত করা হয়। মারধরের কারণে পালিয়ে এরা আশ্রয় নেয় এই মন্দিরে। এরপরেই বিভিন্ন জায়গা থেকে কুকুররা এসে এই মন্দিরে থাকতে শুরু করে।

    ভরণপোষণ কীভাবে চলে?

    মহারাজ বলেন, লকডাউনের সময় মায়াপুর (Mayapur) ইস্কন ক্যাম্পের এক বাবু খাবার দিয়ে যেতেন। আবার ইস্কনের মহারাজ নিজে কুকুরদের জন্য খাবার পাঠাতেন। সেই সময় থেকেই কুকুরদের এই মন্দিরে আগমন হয়। কিন্তু লকডাউনের পর খাবারের পরিষেবা কিছুটা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বেশ কিছু কুকুরদের খাদ্যের অভাব হয়েছিল বলে জানা যায়। মাসে প্রায় এক কুইন্টাল চাল এবং দশহাজার টাকা খরচ হয় বলে মহারাজ জানান। তাঁদের সমস্ত রকম চিকিৎসা থেকে শুরু করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এই মন্দির থেকেই। বর্তমানে অর্থসঙ্কট দেখা যাচ্ছে বলে জানা যায় মন্দিরের তরফ থেকে।

    প্রভুভক্ত কুকুরের প্রধান সেবক স্বামীজি

    সমস্ত কুকুরকে রক্ষণাবেক্ষণ এবং তাদের সেবাশুশ্রূষা করার জন্য বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়, যা অতি কষ্টে মিটিয়ে থাকে এই মন্দির (Mayapur)। তবে একার পক্ষে খরচ বহন করা অনেক সময় দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামী তৎপর মহারাজের মতে, কিছু অনুদান পেলে ভালো হয়। তবে সমস্ত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করেই মন্দিরে বিগ্রহের মতই কুকুরদেরও দিনের পর দিন সেবাশুশ্রূষা করে আসছেন স্বামীজি। জীবসেবাই যে শিবসেবা, তার বাস্তাব দৃষ্টান্ত যেন এই মন্দিরই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share