Tag: Domestic violence

Domestic violence

  • Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে অবসাদ। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমশ আরও বিপন্ন হচ্ছে। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্যে অবনতি দেখা যাচ্ছে। মানসিক চাপ বাড়ছে। আর অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর জেরে বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা (Suicide in India)।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    এক আন্তর্জাতিক পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পুরুষদের মধ্যে মানসিক রোগ বাড়ছে। মূলত ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে মানসিক অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। যার জেরেই বাড়ছে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) কয়েক গুণ বেড়েছে। ২০১৪ সালে ভারতে ৮৯ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে ১ লাখ ৩০ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। ভারতীয় পুরুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে আত্মহত্যা। রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আড়াই গুণ বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ওই আন্তর্জাতিক পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য বিপন্ন হচ্ছে। আর তার জেরেই এই ভয়ানক পরিণতির ঘটনা‌ বাড়ছে। এই নিয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা না বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

    কেন ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে? (Suicide in India)

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। সম্পর্কের জটিলতা। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের দায়িত্ব ও বিশাল প্রত্যাশার সঙ্গে অনেক সময়েই তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন না। এর জেরেই মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হচ্ছে। এর থেকেই আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) জন্ম নিচ্ছে। পাশপাশি ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত অধিকাংশ মানুষ বুঝতেই পারেন না তার স্বাস্থ্য সমস্যা। এর জেরে রোগ নির্ণয় কিংবা চিকিৎসা কিছুই হয় না। তাই আত্মহত্যার মতো চরম পরিণতির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বেশি কর্মশালা জরুরি। সব‌ বয়সের মানুষদের এ নিয়ে সতর্ক হতে হবে। তবেই পরিবারের কেউ মানসিক অবসাদে ভুগছেন কিনা কিংবা আত্মহত্যা প্রবণ হয়ে উঠেছেন কিনা তা‌ বোঝা সহজ হবে। তাহলে এই ধরনের চরম বিপদ আটকানো‌ সহজ‌ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন পর-নারী সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন পর-নারী সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হলে কিংবা স্ত্রীর দ্বারা মানসিকভাবে অত্যাচারিত হলে অন্য সম্পর্কে জড়ানো অন্যায় নয়। এর জেরে কোনও পুরুষকে ডিভোর্সের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court)। কোনও মহিলা গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হলে সংবিধান অনুযায়ী শাস্তি হয় স্ত্রীর।

    গার্হস্থ্য হিংসার শিকার পুরুষও

    সিংহভাগ ক্ষেত্রে মহিলারাই শিকার হন গার্হস্থ্য হিংসার। তবে ইদানিং গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হচ্ছেন বহু পুরুষ। দ্বারস্থ হচ্ছেন আদালতের। শান্তি খুঁজতে জড়িয়ে পড়ছেন পরকীয়ায়। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন পর-নারীর সঙ্গে এই সম্পর্ক অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। আদালত (Delhi High Court) সূত্রে খবর, ২০০৫ সাল থেকে আলাদা থাকেন এক দম্পতি। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক তো নেইই, সম্পর্ক পুনর্স্থাপনের সম্ভাবনাও নেই।

    নির্যাতিত স্বামীর অভিযোগ

    স্বামীর অভিযোগ ছিল, স্ত্রী তাঁকে মানসিক নির্যাতন করেন। তাই বিবাহ বিচ্ছেদ চাইছেন তিনি। মামলাটি ওঠে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইতের বেঞ্চে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তাঁর পরিবারের প্রতি অসম্মান, দীর্ঘ সময় ধরে ঝগড়া, অশান্তির জেরে মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন মামলাকারী স্বামী। এই সমস্যার কোনও সমাধান না দেখে নিরুপায় হয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে আলাদা থাকেন। স্ত্রীর দ্বারা মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার এই স্বামী তাই বিয়ের এই সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া। স্ত্রীর থেকে বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন স্বামী।

    আরও পড়ুুন: বিকেল পর্যন্ত অভুক্ত রইলেন প্রভু জগন্নাথদেব! পুরীর মন্দিরে কেন এমন ঘটল?

    ১৩ সেপ্টেম্বর বিচারপতি নীনা বনসান কৃষ্ণের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ (Delhi High Court) জানায়, পুনরায় মিলনের কোনও সম্ভাবনা ছাড়া দীর্ঘ দিন বিচ্ছেদের পর যদি কোনও স্বামী নির্যাতন বা হিংসার শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি শান্তি খুঁজে পেতে অন্য প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হতেই পারেন। অন্য কোনও মহিলার সঙ্গে সহবাসও করতে পারেন। এই পরকীয়া সম্পর্ক দেখিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক ও হিংসাত্মক ঘটনার প্রমাণ দিতে পারবেন না স্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gujarat High Court: স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান, জানাল গুজরাট হাইকোর্ট

    Gujarat High Court: স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার মিথ্যা অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান, জানাল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহিত দম্পতির মধ্যে পারস্পরিক কলহের ঘটনায় গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court) সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছে। গুজরাট হাইকোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কোনও স্ত্রী যদি তার জীবন সঙ্গীর (life partner) বিরুদ্ধে মিথ্যা অবৈধ সম্পর্ক বা পরকীয়ার অভিযোগ করেন তাহলে তা নিষ্ঠুরতার সমান। এক ডিভোর্স মামলায় এমনটাই জানিয়েছে গুজরাট হাইকোর্ট।

    ঘটনাটি কী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গুজরাটের সবরকণ্ঠ এলাকার এক স্কুলশিক্ষক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। ২০০৬ সালে তাঁদের এক ছেলেও হয়। স্বামী দাবি করেছিলেন, ২০০৬ সালেই ঘর ছেড়ে গেছেন তাঁর স্ত্রী, আর ফিরে আসেননি। এর পরে ২০০৯ সালে স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা রুজু করেন গান্ধীনগরের আদালতে। গৃহত্যাগ, নিষ্ঠুর ও নির্মম আচরণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন তিনি।

    অন্যদিকে স্ত্রীও বিবাহ বিচ্ছেদ দিতে চাইছিলেন না। তিনিও সেই আবেদনের বিরুদ্ধে আপিল করেন। স্বামীর বিরুদ্ধে তাঁর এক সহকর্মীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ করেন ওই মহিলা। আনেন গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগও। কিন্তু স্বামী হাইকোর্টে জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী মিথ্যা বলছেন। তার বিরুদ্ধে যে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এরপর তাঁর স্ত্রীও কোনও কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। ২০১৪ সালে নিম্ন আদালতে বেকসুর খালাস পান স্বামী। বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতিও মেলে।

    আরও পড়ুন: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতর! এবার কি ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    তবে এতেই রেহাই নেই স্বামীর। নিম্ন আদালতের রায় মানতে না পেরে স্ত্রী ফের দ্বারস্থ হন গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court)। দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন স্বামী। স্বামীর পক্ষের আইনজীবীও আদালতে সওয়াল করেন, ১৬ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছিলেন তাঁর মক্কেলের স্ত্রী। তার পর থেকে আলাদাই ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। এর পরে তাঁর মক্কেল যখনই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন, তখনই স্ত্রী ফিরে আসেন। তার পর থেকেই স্বামীর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যে অভিযোগ আনতে শুরু করেন স্ত্রী। শাশুড়ির সঙ্গেও লাগাতার দুর্ব্যবহার করেন।

    এর পর সব পক্ষের সওয়াল শোনার পরে স্বামীর বিচ্ছেদের আবেদন ফের মঞ্জুর করে আদালত। দুই পক্ষ বিচার করে হাইকোর্ট (Gujarat High Court) রায় দেওয়ার সময় ওই নারীকে ভৎসর্না করে এবং আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পরেই বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, “কোনও প্রমাণ ছাড়া পরকীয়ার অভিযোগ আনা নিষ্ঠুরতার সমান। এক্ষেত্রে ওনার স্ত্রী সেটাই করেছেন।”

  • Stridhan: স্ত্রীকে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসার সামিল! অভিমত হাইকোর্টের

    Stridhan: স্ত্রীকে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসার সামিল! অভিমত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  স্ত্রীকে স্ত্রীধন অথবা অন্য কোনও অর্থনৈতিক সম্পদ থেকে বঞ্চিত করাকেও গার্হস্থ্য হিংসা হিসাবেই ধরা হবে, বলে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। স্বেচ্ছায় মেয়ের বাড়ির লোকেরা বিয়ের সময় তাঁকে যে উপহার দিয়ে থাকেন তাই হল স্ত্রীধন। অনেক সময় বিয়ের পরে বউয়ের কাছ থেকে সেই সম্পদ কেড়ে নেওয়া হয়। এবার থেকে এই ধরনের ঘটনাকেও গার্হস্থ্য হিংসা বলেই ধরা হবে। একটি মামলার প্রেক্ষিতে একথা জানান হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিচারপতি শুভেন্দু সামন্ত।

    কী বলল আদালত

    বিচারপতি শুভেন্দু সামন্ত বলেন, ‘‘কোনও আর্থিক বা অর্থনৈতিক সম্পদ থেকে মামলাকারীকে বঞ্চিত করা গার্হস্থ্য হিংসা হিসাবেই বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে এটা সত্য যে আবেদনকারীকে তাঁর স্ত্রীধন থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। যা অপর পক্ষের হেফাজতে ছিল। এই বাস্তব পরিস্থিতিতে স্ত্রীধন নিজেদের কাছে আটকে রাখাও গার্হস্থ্য হিংসার আওতায় পড়ে।’’ পাশাপাশি, এই মামলায় হাওড়ার এক নিম্ন আদালতের রায়ও খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি সামন্ত। সেই রায়ে হাওড়ার নিম্ন আদালত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় খারিজ করে জানিয়ে দিয়েছিল, বিধবাকে শ্বশুর ও শাশুড়ির তরফে কোনও ধরনের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: শিবঠাকুর মণ্ডল মামলায় জামিন অনুব্রতের! এবার ইডির হাত ধরে দিল্লি যাত্রা?

    প্রসঙ্গত, হাওড়া আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে আসেন ওই মহিলা। ২০১০ সালে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়। স্বামীর মৃত্যুর দু’দিন পরে কোনও আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে স্বামীর বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হয়। ফিরে পাননি স্ত্রীধনও। এই প্রেক্ষিতে তিনি মামলা করেন আদালতে। নিম্ন আদালত হয়ে সেই মামলা হাইকোর্টে পৌঁছোয়। হাইকোর্টে সুবিচার পেলেন ওই মহিলা, এমনই অভিমত সমাজকর্মীদের। বহু মহিলাকেই এভাবে স্ত্রীধন থেকে বঞ্চিত করা হয়। এবার থেকে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন সুবিচারের আশায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Baruipur: বারুইপুর হত্যাকাণ্ডে দিল্লির-শ্রদ্ধা খুনের ছায়া! বাবার দেহ টুকরো করল ছেলে

    Baruipur: বারুইপুর হত্যাকাণ্ডে দিল্লির-শ্রদ্ধা খুনের ছায়া! বাবার দেহ টুকরো করল ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরে (Baruipur) হত্যাকাণ্ডে দিল্লিতে শ্রদ্ধা-খুনের ছায়া। পুলিশ সূত্রে খবর, দিল্লির (Delhi) শ্রদ্ধা-হত্যার ঘটনা দেখেই খুন করে প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী উজ্জ্বল চক্রবর্তীর দেহ টুকরো করে প্রমাণ লোপাটের ছক কষে  তাঁর স্ত্রী ও ছেলে। 

    দেহ টুকরো করে লোপাটের চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, বারুইপুরের প্রাক্তন নৌসেনাকর্মী উজ্জ্বল চক্রবর্তীকে খুন করেছেন তাঁর ছেলে ও স্ত্রী। তারপর মাকে সঙ্গে নিয়েই শৌচাগারে বাবার দেহ টুকরো করে ছেলে। করাত দিয়ে ৬ টুকরো করা হয় দেহ। তিনবারে সরানো হয় প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর দেহাংশ। প্রথমবার মাকে নিয়ে সাইকেলে চাপিয়ে দেহাংশ পুকুরে ফেলে আসে ছেলে। পরে আরও দু’বার একাই সাইকেলে দেহাংশ নিয়ে ফেলে আসে ছেলে জয়।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হয়েছে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    গার্হস্থ্য হিংসার জের

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নৌসেনা থেকে অবসরের পর সারাক্ষণ নেশা করতেন উজ্জ্বল। তাঁর ছেলে জয় চক্রবর্তী পলিটেকনিক নিয়ে পড়াশোনা করে। ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় কোর্স ফি দেওয়া নিয়ে বাবার সঙ্গে বিবাদ বাধে ছেলের। এর জেরে ছেলের গায়ে হাত তোলে বাবা। বাবাকেও ধাক্কা দেয় জয়। মাটিতে পড়ে যান উজ্জ্বল। স্ত্রী শ্যামলীর গায়েও হাত তোলেন উজ্জ্বল। তাঁকে আটকাতে গিয়ে তাঁর গলা টিপে ধরে ছেলে। তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করে জয়। জেরায় জয় জানিয়েছে, সে বুঝতে পারেনি বাবা মারা যাবেন। কিন্তু পরে যখন বুঝতে পারে তখন ভয় পেয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে। ঘটনার সময় সামনেই ছিলেন উজ্জ্বলবাবুর স্ত্রী শ্যামলী। বারুইপুর পুলিশের এসপি বলেন, “ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স ও নেশা করা যে সমাজের জন্য কতটা ক্ষতিকর, এই ঘটনা তারই প্রমাণ।”

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    কীভাবে মিলল দেহ

    গত ১৭ নভেম্বর বারুইপুর –মল্লিকপুর সড়কের পাশে মদনমাল্য গ্রামের পুকুর থেকে উদ্ধার হয় উজ্জ্বলবাবুর দেহ। দেহের হাত পা ছিল কাটা। দেহটি গোসাপ খাচ্ছিল। তাই দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। শ্যামলীদেবী দেহ সনাক্ত করেন। তিনি জানান ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় নেশা করতে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে সময়ের কথা শ্যামলীদেবী বলছেন, তখন বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায়নি উজ্জ্বলবাবুকে। এর পরই মা ও ছেলেকে লাগাতার জেরা শুরু করেন গোয়েন্দারা। জেরায় ঘটনার কথা স্বীকার করে জয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Domestic violence: কর্তব্যে অনীহা! “স্বাভাবিক” ভাবেই গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মেয়েরা, দাবি সমীক্ষায়

    Domestic violence: কর্তব্যে অনীহা! “স্বাভাবিক” ভাবেই গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মেয়েরা, দাবি সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্য পালন না করার ফলে মেয়েদের যদি গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হতে হয়, তাহলে তাতে কোনও ‘ভুল’ নেই। সেই ঘটনাকে ‘স্বাভাবিক’ বলেই মনে করে দেশের অর্ধেক ছেলে-মেয়েরা। কেন্দ্রের সমীক্ষায় উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে (NFHS) অনুযায়ী, কর্ণাটকের বেশিরভাগ বাসিন্দাই মনে করেন, মেয়েরা যদি নিজেদের দায়িত্ব পালন না করেন তাহলে স্ত্রীদের বিরুদ্ধে পারিবারিক হিংসা বা যৌন হয়রানির ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health & Family Welfare) প্রকাশিত ওই সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা গিয়েছে শুধু কর্ণাটক নয় দেশের প্রায় অর্ধেক পুরুষ এবং মহিলা এই যুক্তিতে একমত।

     ভারতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হন, ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে-৫ রিপোর্টে এমনটাই দেখা গিয়েছে। যদিও দেশে নারীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা ৩১.২% থেকে ২৯.৩% এ হ্রাস পেয়েছে। তবুও দেশবাসীর এই মানিসকতা চমকে দেওয়ার মতো বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ওই সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ৩২% বিবাহিত মহিলা (১৮-৪৯ বছর) শারীরিক, যৌন বা মানসিক সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন। স্বামী-স্ত্রীর সহিংসতার সবচেয়ে সাধারণ প্রকার হল শারীরিক সহিংসতা (২৮%), তারপরে মানসিক সহিংসতা এবং যৌন সহিংসতা। এর বিপরীতে, দেশে মাত্র ৪ % পুরুষ গার্হস্থ্য সহিংসতার মামলার মুখোমুখি হন।

    কর্ণাটকে নারীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য সহিংসতা সর্বোচ্চ ৪৮ %, বিহার, তেলেঙ্গানা, মণিপুর এবং তামিলনাড়ুর পরে। লক্ষদ্বীপে সর্বনিম্ন পারিবারিক সহিংসতা ২.১%। গ্রামীণ এলাকায় মহিলাদের মধ্যে শারীরিক সহিংসতার অভিজ্ঞতা বেশি সাধারণ (৩২%) শহরাঞ্চলে তাদের সমকক্ষদের তুলনায় (২৪%) এবং একজন মহিলার সহিংসতার অভিজ্ঞতা ক্রমবর্ধমান স্কুলিং এবং সম্পদের সঙ্গে দ্রুত হ্রাস পায়।

    সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চের রঞ্জনা কুমারী বলেন,” এই সমীক্ষা প্রমাণ করে দেশবাসী নারীর উপর গার্হস্থ্য হিংলার ঘটনাকে সাধারণ বলে মনে করে। এতে কোনও অপরাধ লুকিয়ে আছে বলে মানেন না তাঁরা। শুধু পুরুষেরা নয়, মেয়েরাও এই নীতিকেই মেনে নিয়েছে।” এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে গেলে নারীশিক্ষার উপর জোর দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন রঞ্জনা। 

     

LinkedIn
Share