Tag: DoT

  • SIM Cards Rule: আগামী সপ্তাহ থেকে সিম কার্ডের নতুন নিয়ম! সর্বোচ্চ কয়টি সংযোগ রাখতে পারবেন?

    SIM Cards Rule: আগামী সপ্তাহ থেকে সিম কার্ডের নতুন নিয়ম! সর্বোচ্চ কয়টি সংযোগ রাখতে পারবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন ব্যক্তি নিজের নামে সর্বোচ্চ কতগুলি মোবাইল সংযোগ রাখতে পারবেন, সেই নিয়ম কার্যকর করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র সরকার। আগামী ২৪ অগাস্ট থেকে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে নতুন সিম নেওয়ার ক্ষেত্রে টেলিকম সংস্থাগুলিকে সংযোগ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। কেন্দ্রের এই নির্দেশে গ্রাহকদের জন্য নতুন করে সিম নেওয়ার ক্ষেত্রে নজরদারি আরও বাড়তে চলেছে। টেলিকম সংস্থাগুলিকে পাঠানো ১৭ অগাস্টের নির্দেশিকায় কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতর (DoT) জানিয়েছে, কোনও গ্রাহক নির্ধারিত সীমার বেশি মোবাইল সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে তা শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা করতে হবে। ওই গ্রাহককে জানাতেও হবে যে তাঁর নামে ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ সংখ্যক সংযোগ রয়েছে।

    একজনের নামে সর্বোচ্চ কতটি সিম?

    এই সীমা অবশ্য নতুন নয়। এক দশকেরও বেশি সময় আগে কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতর (DoT) একজন ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ ৯টি মোবাইল সংযোগ রাখার সীমা নির্ধারণ করেছিল। এই নিয়ম বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা এবং সার্ভিস এরিয়া মিলিয়েই প্রযোজ্য। তবে জম্মু ও কাশ্মীর, অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে সর্বোচ্চ সীমা ৬টি সংযোগ। নতুন পরিবর্তন হল, এবার এই সীমা বাস্তবে কার্যকর করার জন্য টেলিকম সংস্থাগুলিকে আরও কঠোরভাবে গ্রাহকের আগের সংযোগ যাচাই করতে হবে।

    নতুন সিম নিতে কী তথ্য দিতে হবে?

    নতুন সংযোগ নেওয়ার সময় গ্রাহককে কাস্টমার অ্যাপলিকেশন ফর্ম (Customer Application Form বা CAF)-এ নিজের নামে ইতিমধ্যে থাকা মোবাইল নম্বরগুলির তথ্য দিতে হবে। অন্য কোনও টেলিকম সংস্থা বা অন্য কোনও টেলিকম সার্ভিস এরিয়ায় নেওয়া সংযোগও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। শীঘ্রই ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশন (DoT) ফোটো বেসড আইডেন্টিফিকেশন ফিচার চালু করতে চলেছে। এই ফিচারের মাধ্যমে সহজেই চিহ্নিত করা যাবে যে একজনের নামে কতগুলি সিম আছে।

    কীভাবে গ্রাহককে শনাক্ত করা হবে?

    সিমের নির্ধারিত সীমা কার্যকর করতে টেলিকম সংস্থাগুলিকে সরকারের ডিজিটাল ইন্টিলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম (Digital Intelligence Platform বা DIP)-এর মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য যাচাই করতে হবে। বিভিন্ন টেলিকম সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য একত্রিত করে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তির নামে কতগুলি মোবাইল সংযোগ রয়েছে, তা যাচাই করা যাবে।  এছাড়াও ২৩ অগাস্ট থেকে ডিজিটাল ইন্টিলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম -এ নির্ধারিত সীমায় পৌঁছে যাওয়া গ্রাহকদের ক্ষেত্রে একটি ছবি-ভিত্তিক শনাক্তকরণ সুবিধা চালু করা হবে। নতুন সংযোগ দেওয়ার আগে অপারেটররা এই তথ্য ব্যবহার করে গ্রাহকের সংযোগের সংখ্যা যাচাই করতে পারবেন। কেউ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে থাকলে তাঁকে আর নতুন সিম দেওয়া হবে না।

    ভুল করে অতিরিক্ত সিম দেওয়া হলে কী হবে?

    নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করার জন্য টেলিকম সংস্থাগুলিকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনও গ্রাহকের নির্ধারিত সীমার বেশি সংযোগ ভুল করে সক্রিয় হয়ে গেলে, সেই সংযোগ এক দিনের জন্য অবিলম্বে স্থগিত করা হতে পারে। পরে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতর (DoT)-এর বক্তব্য, এই নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রাহকদের নির্ধারিত সীমার মধ্যেই মোবাইল সংযোগ ব্যবহার নিশ্চিত করা। নিয়ম কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স সার্ভিস এরিয়া (Licensed Service Area বা LSA)-এর মাধ্যমে তা মোকাবিলা করা হবে।

    কেন এই কড়া বার্তা?

    সিম কার্ড নিয়ে জালিয়াতি-প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে।  কখনও ভুয়ো নথি দিয়ে সিম কার্ড তুলে অপরাধমূলক কাজকর্ম করা হচ্ছে, কখনও আবার অন্যের সিম ব্যবহার করে অপরাধ ঘটানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এবার সরকার সিম কার্ড নিয়ে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের। গত বছরের জুন মাসে নতুন টেলিকম আইন চালু করে কেন্দ্র। ওই আইন অনুসারে, ন’টির বেশি সিম ব্যবহার করা অপরাধ। প্রথম বার আইন ভাঙলে, সর্বাধিক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পরে একই অপরাধ করলে জরিমানার অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়ে দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি তিন বছর পর্যন্ত জেলও হতে পারে এই অপরাধের কারণে।

  • Biometric Verification: জাল সিম ও বার্নার ফোনে সাইবার জালিয়াতি রুখতে সিম যাচাই ব্যবস্থায় বড় বদলের প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    Biometric Verification: জাল সিম ও বার্নার ফোনে সাইবার জালিয়াতি রুখতে সিম যাচাই ব্যবস্থায় বড় বদলের প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল সিম কার্ড ও বারবার বদলে ফেলা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সাইবার জালিয়াতি রুখতে দেশের সিম কার্ড (Fake Sim Cards) যাচাই ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রের টেলিযোগাযোগ দফতর (ডিওটি)।  নয়া ব্যবস্থায় প্রস্তাবিত কাঠামোর অধীনে গ্রাহকদের ফিজিক্যাল সিম ও ই-সিম (eSIM) উভয়ই সংগ্রহের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক (Biometric Verification) বা আঙুলের ছাপ যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করা হবে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রক একটি নতুন যাচাই ব্যবস্থা তৈরি করছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় সিম কার্ড চালু করার আগেই গ্রাহকের পরিচয় ও নথিপত্র তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা হবে। সিমের পাশাপাশি ই-সিম নেওয়ার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কঠোর যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হবে। বর্তমানে সিম চালু হওয়ার পর একাধিক ধাপে পরিচয় যাচাই করা হতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় সেই প্রক্রিয়ার পরিবর্তে সিম দেওয়ার আগেই গ্রাহকের পরিচয় ও তথ্য যাচাই সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের ধারণা, এর ফলে জাল বা চুরি করা পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে নেওয়া সিমের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

    নতুন ব্যবস্থায় জৈবিক পরিচয় যাচাই (Biometric Verification)

    নতুন সিম সংযোগ নেওয়ার সময় গ্রাহককে জৈবিক পরিচয় যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। গ্রাহক সিম নিন কিংবা ই-সিম নিন, উভয় ক্ষেত্রেই একই নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।

    ই-সিমকেও এই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা থেকে স্পষ্ট, ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল—দুই ধরনের সিম সংযোগের ক্ষেত্রেই একই যাচাই নীতি কার্যকর করতে চাইছে সরকার। এর ফলে ফিজিক্যাল সিম এবং ই-সিম চালুর প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে প্রতারকদের জালিয়াতি করার সুযোগ কমবে (Biometric Verification)।

    জাল সিম ও বার্নার ফোনে নজর

    অনলাইন আর্থিক প্রতারণা, ভুয়ো পরিচয়ে যোগাযোগ, প্রতারণামূলক বার্তা পাঠানো, তোলাবাজি এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধে জাল সিম ও বার্নার ফোনকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধীরা। অপরাধ করার পর নম্বর বা সিম ফেলে দিয়ে নতুন সংযোগ নেওয়াও তাদের পরিচিত কৌশল (Biometric Verification)।

    সরকারের প্রস্তাবিত কঠোর যাচাই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল, অপরাধীদের পক্ষে সহজে এমন পরিচয়হীন মোবাইল সংযোগ পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা, যা অপরাধ করার পর দ্রুত ফেলে দেওয়া যায়।

    টেলিযোগাযোগ নিরাপত্তা আরও জোরদার করার বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ এই উদ্যোগ। মোবাইল সংযোগের অপব্যবহার করে সাইবার অপরাধ ঠেকানো এবং দেশের টেলিযোগাযোগ পরিকাঠামোকে আরও সুরক্ষিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

    নতুন যাচাই ব্যবস্থার কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার পর টেলিযোগাযোগ দফতর এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে (Fake Sim Cards)।

     

LinkedIn
Share