Tag: Double Asteroid Redirection Test

Double Asteroid Redirection Test

  • Asteroid Struck By NASA: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে

    Asteroid Struck By NASA: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা (Nasa) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুকে (Asteroid) ধাক্কা মেরে নিজ কক্ষপথ থেকে সরিয়েছিল নাসার মহাকাশযান ডার্ট বা (Double Asteroid Redirection Test)। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছিল নাসা। ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভারতীয় সময় ৪ টা ৪৬ নাগাদ গ্রহানূর সঙ্গে সংঘর্ষে কোটি কোটি অর্থমূল্যের তৈরী মহাকাশযানটি কয়েকটি টুকরোতে খন্ড হয়ে গেল তবে রক্ষা পেল পৃথিবীবাসী।

    [tw]


    [/tw]

    নাসার মহাকাশযানটি যে গ্রহাণুটিকে আঘাত করেছিল তার নাম ডাইমরফোস (Dimorphos) । বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, এই গ্রহাণুটি প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া আস্ত একটি ফুটবলের মতো ছিল। এই ঐতিহাসিক পরীক্ষা দুদিন পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি দল চিলিতে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের ল্যাবে 4.1-মিটার সাউদার্ন অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল রিসার্চ টেলিস্কোপ(Southern Astrophysical Research Telescope)ব্যবহার অত্যাশ্চর্য চিত্র ধরা পড়েছে।নতুন চিত্রটিতে দেখা যাচ্ছে যে মহাকাশযান দ্বারা আঘাত করা গ্রহাণুটি মহাকাশে 10 হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ধুলোর বিস্তার করেছে।

    [tw]


    [/tw] 

    এই টেলিস্কোপটির সাহায্যে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুটি সম্পূর্ণ ধংবস হতে ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশী দূরত্ব অতিক্রম করবে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন এই শক্তিশালী দূরবীনের মাধ্যমে সমস্ত বিষয়টির উপর লক্ষ্য রাখছেন।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীর কেন্দ্রে মিলল বিশাল মহাসাগর 

    নাসা বলেছে যে ওই গ্রহাণু থেকে অন্তত আগামী ১০০ বছরে পৃথিবীর কোনও বিপদ নেই। তবে, পৃথিবীতে গ্রহাণুর আছড়ে পড়া বাস্তব। প্রায় ছয় কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এসেছিল রাক্ষুসে এক গ্রহাণু। পৃথিবীকে সজোরে ধাক্কা মেরেছিল সেটি। প্রবল সংঘর্ষে কেঁপে উঠেছিল নীল গ্রহ। সেই মহাজাগতিক প্রলয়কাণ্ডেই পৃথিবীর বুক থেকে ডাইনোসর নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা। ডাইমরফোসের উপর ‘ডার্ট’-এর সফল প্রয়োগে এত দিনে সেই ডাইনোসরদের ‘বদলা’ নেওয়া হল, বলছেন কেউ কেউ। নাসার ‘ডার্ট’ ভবিষ্যতেও এমন বিপদ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে পারবে বলে আশাবাদী তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীকে মহাজাগতিক বস্তু থেকে বাঁচাতে নাসা-র (NASA) ডার্ট মিশনের (DART Mission) প্রথম চেষ্টাই দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করল। গতকাল স্থানীয় সময় অনুসারে, সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিট নাগাদ গ্রহাণু ডিমরফস-এর (Dimorphos) সঙ্গে সংর্ঘর্ষ ঘটানো হয় নাসার ডার্ট মিশনের যানের। এর মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে গ্রহাণুটিকে সরিয়ে নিতে সফল হয়েছে নাসা। ফলে নাসার মিশন মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এনে দিয়েছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।

    জানা গিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ছিল এবং গতকাল এই অভিযানের সময় পৃথিবী থেকে ৭০ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থান ছিল গ্রহাণুটির। নাসার ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডায়রেকশন টেস্ট (ডার্ট) মহাকাশযান সেটির উপর আছড়ে পড়ে। ফলে গ্রহাণুটির দিক কক্ষপথ থেকে বের করে দিতে সক্ষম হয়েছে মহাকাশযানটি। নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্স ডিভিশনের ডিরেক্টর লরি গ্লেজ বলেছেন, “আমরা একটি নতুন যুগের সূচনা করলাম। যে যুগে বিপজ্জনক গ্রহাণুর প্রভাবের থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার ক্ষমতা আছে।”

    আরও পড়ুন: আজই গ্রহাণুতে ধাক্কা নাসার ডার্ট মিশনের! সরাসরি সেই ভিডিও কখন, কোথায় দেখবেন?

    প্রসঙ্গত, এই মহাকাশযানটিকে প্রায় ১০ মাস আগে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এই বিশেষ অভিযানের জন্য মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। গতকাল এই মহাকাশযনটি প্রায় ঘণ্টায় ২৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ডিমরফস-এর উপর আছড়ে পড়ে। ডিমরফস (Dimorphos) আয়তনে প্রায় ৫৩০ ফুট ও এর আকার মিশরের বৃহদাকার পিরামিডের মত। এতদিন এই গ্রহাণুটি ডিডিমস (Didymos) নামের গ্রহাণুকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছিল। ডার্ট এই ডিমরফস-এ আছড়ে পড়ার আগে এই গ্রহাণুর রুক্ষ্ম, পাথুরে পৃষ্ঠদেশ স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল।

    বিজ্ঞানীদের দাবি, ডিফরমস গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক না, বরং এই অভিযানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা  নিশ্চিত হল যে, ডার্ট গ্রহাণুর দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন, সংঘর্ষ হওয়ার পরে গ্রহাণুটি তুলনামূলক ছোট একটি কক্ষপথে গিয়ে পড়েছে তবে তার নির্দিষ্ট অবস্থান জানতে গ্রাউন্ড টেলিস্কোপ ব্যবহার করবেন বিজ্ঞানীরা। এ ছাড়াও, ডার্টের সঙ্গে লিসিয়াকিউব নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহও মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। ডার্ট গ্রহাণুর উপর আছড়ে পড়ার আগে লিসিয়াকিউব তার থেকে আলাদা হয়ে যায়। আগামী কয়েক মাস মহাকাশে ওই দুই গ্রহাণুকে (ডিমরফস ও ডিডিমস) পর্যবেক্ষণ করবে লিসিয়াকিউব ও সেই ছবি পাঠাবে নাসা-র বিজ্ঞানীদের। এর ফলে দুই গ্রহাণু থেকে সংগৃহীত পদার্থও সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞানীরা জানতে  পারবেন ও তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবেন।

  • DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণু কখনও কখনও পৃথিবীর জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যার ফলে নাসা (NASA) থেকে এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রহাণু থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসা তৈরি করেছে ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা ডার্ট মিশনের। স্পেস ক্রাফটের মাধ্যমে এই প্রথমবার একটি গ্রহাণুর সঙ্গে ইচ্ছাকৃত সংঘর্ষ করতে চলেছে নাসা (NASA)। শুধু তাই নয়, ডার্ট মিশনের মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করার এই বিরল দৃশ্য লাইফ স্ট্রিম করা হবে। আগামী মাসের ২৬ তারিখে এই মিশনের অংশ হিসেবে  গ্রহাণুতে আঘাত করা হবে।

    এমন বিরল ঘটনা হয়তো আগে কখনও ঘটেনি। তবে ১৯৯৮ সালে হলিউডে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ‘আর্মা গেডন’(Arma Geddon), সেই ছবিতে এমন ঘটনা দেখানো হয়েছিল। সেখানেও গ্রহাণুর সঙ্গে মহাকাশযানের সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    কী এই ডার্ট মিশন?

    পৃথিবীর দিকে যদি কোনওদিন কোনও গ্রহাণু ধেয়ে আসে, তবে তার গতিপথ বদলে দেওয়াই এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য। DART মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ এয়ার ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। গ্রহাণুকে দূরে রাখতে বা তার দিক পরিবর্তন করতে নাসা গত বছর ডার্ট মিশন চালু করেছে।

    ১৬০ মিটার আকৃতি বিশিষ্ট ‘ডিমরফস’ নামক একটি গ্রহাণুর সঙ্গেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। ‘ডিমরফস’ হল একটি ছোট ‘মুনলেট’ যা ‘ডিডিমোস’ (Didymos) নামে একটি বড় গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে। এটি প্রায় ৭৮০ মিটার জুড়ে রয়েছে।

    কখন কীভাবে এই দৃশ্য দেখবেন?

    এই ঘটনার লাইভ দেখানো হবে নাসা টিভি নামক চ্যানেলে। ভারতীয় সময় অনুসারে ২৭ সেপ্টেবর মধ্যরাত ৩টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে। এর পাশাপাশি একই সময়ে নাসার ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউবে দেখানো হবে। নাসা অনুসারে, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিটে অর্থাৎ ভারতীয় সময়ে ভোর ৪ টা ৪৫ মিনিটে ডার্টের স্পেসক্রাফট ডিমরফস গ্রহাণুর সম্মুখীন হবে ও সংঘর্ষ ঘটাবে। প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার বেগে এটি গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করবে।

LinkedIn
Share