Tag: Dr. Krishna Ella

Dr. Krishna Ella

  • Nasal Vaccine: শেষ হল নেজাল ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল, শীঘ্রই মিলবে ছাড়পত্র?

    Nasal Vaccine: শেষ হল নেজাল ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল, শীঘ্রই মিলবে ছাড়পত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত। কিন্তু এর মধ্যেই এল এক খুশির খবর। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ। ভারত বায়োটেকের তৈরি নেজাল কোভিড ভ্যাকসিনের (Nasal Vaccine) তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল (Third Trial) শেষ। ভারত বায়োটেকের (Bharat Biotech) চেয়ারম্যান কৃষ্ণা এল্লা (Dr. Krishna Ella) জানান, আগামী মাসেই ট্রায়াল সংক্রান্ত সব তথ্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (DCGI) কাছে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই ক্লিনিকাল ট্রায়াল শেষ করেছি। এখন আরও কিছু পরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই এই টিকা ব্যবহারের অনুমতি পাব। আর তাহলে এটাই হবে বিশ্বের করোনার প্রথম ক্লিনিক্যালি টেস্টেড নেজাল ভ্যাকসিন।”  

    ডাঃ এল্লা আরও বলেন, “এই ভ্যাকসিন যদি মান্যতা পায়, তাহলে ভারতের জন্যে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। দেশের ৬৫টি স্টার্টআপ এই গবেষণায় এগিয়ে এসেছে। এই সবকটি সংস্থাই সম্ভবনাময়। আমরাও ১৯৯৭ সালে স্টার্টআপই ছিলাম। ভারত বিশ্বের জন্যে কী করতে পারে তা এই কাজ থেকে প্রমাণিত।”

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার

    এই বছরই জানুয়ারি মাসে ভারত বায়োটেকের এই নেজাল ভ্যাকসিনকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছিল ডিসিজিআই। ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ছমাস সময় লেগেছে।    

    অন্যদিকে, কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ প্রসঙ্গে এদিন ডাঃ এল্লা জানান, “করোনার বুস্টার ডোজ নেওয়া অবশ্যই উচিত। যারা করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন তাঁরা বুস্টার ডোজ নিন এবং নিশ্চিন্ত থাকুন।” 

    আরও পড়ুন: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৮৯৯। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রেই আক্রান্ত চার হাজারের বেশি। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৪৭৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিকাকরণে জোর দিয়েছে সরকার।        

    ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI) প্রস্তাব দিয়েছে, দ্বিতীয় ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কমানোর। দ্বিতীয় ডোজের ছমাস পরে বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন দুই ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান নমাস। একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  

    দেশে যখন নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে করোনা, তখন এই নেজাল ভ্যাকসিন বাজারে এলে অনেকটাই স্বস্তি পাবে দেশবাসী, বলে মনে করছে চিকিৎসকমহল। যদিও কবে এই টিকা বাজারে আসবে, সেবিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।   

     

     

     

  • Covaxin: শিশুদের জন্যে কতটা নিরাপদ কোভ্যাক্সিন? পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই বা কী?

    Covaxin: শিশুদের জন্যে কতটা নিরাপদ কোভ্যাক্সিন? পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাদের নির্মিত করোনা টিকা (Covid-19 vaccine) “কোভ্যাক্সিন” শিশুদের জন্যও সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি নিরাপদ, সহনীয় এবং রোগকে প্রতিরোধ করে। এই দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ট্রায়াল হয়েছিল গত বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর অবধি। এমনটাই দাবি করল ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech)।

    সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিনের (Covaxin) দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ২-১৮ বছর বয়সি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের উপর টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। তাতে টিকার নিরাপত্তা এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শেষ হল নেজাল ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল, শীঘ্রই মিলবে ছাড়পত্র?

    ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৃষ্ণা এল্লা (Dr. Krishna Ella) এবিষয়ে বলেন,”শিশুদের ওপর কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল খুবই ভালোভাবে সফল হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শিশুদের ওপর কোভ্যাক্সিনের নিরাপত্তা এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আমরা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও কার্যকরী কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছি। দেশের ৫ কোটি শিশুকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে।”

    ইতিমধ্যেই ‘ইউনিভার্সাল ভ্যাকসিন’ (Universal Vaccine)- এর তকমা পেয়েছে কোভ্যাক্সিন। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের শরীরেও সমান কার্যকর এই টিকা। বাচ্চাদের শরীরে ভ্যাকসিনটি নিরাপদ হলেও, এই টিকা নেওয়ার পরে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে শিশু এবং কিশোরদের। এমনকি টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাও এরকম কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে।

    আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    সংস্থার দাবি, এই টিকা নেওয়ার পর মাথা ব্যথা, হালকা জ্বর, ইঞ্জেকশনের জায়গায় ব্যথা, গা ব্যথা, বমি বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিন্তু তাতে ভয়ের কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারত বায়োটেক গবেষণায় জানিয়েছে, বিশেষ কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার খবর মেলেনি। মোট ৩৭৪টি কেসে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি রিপোর্ট করা হয়েছিল, কিন্তু বেশিরভাগ ঘটনাই হালকা প্রকৃতির এবং এক দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। ইঞ্জেকশন নেওয়ার জায়গাতে ব্যথার কথাই সবচেয়ে বেশি জানা গিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তাদের কাছে ৫ কোটিরও বেশি ডোজের কোভ্যাক্সিন মজুত রয়েছে।

     

LinkedIn
Share